× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Sheikh Hasina and others want to return in a new form Sargs
google_news print-icon

শেখ হাসিনা ও দোসররা নতুন রূপে ফিরতে চাইছে: সারজিস

শেখ-হাসিনা-ও-দোসররা-নতুন-রূপে-ফিরতে-চাইছে-সারজিস
ছবি: সংগৃহীত।
জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ও সমন্বয়ক বলেন, ‘শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া কীট রয়েছে। তাদের পাখা গজালে পাঁচ বছর পর তারা শহীদ পরিবারের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বে। তাই খুনিরা যেন কোনোভাবেই পুনর্বাসনের সুযোগ না পায় সেজন্য সচেতন থাকতে হবে।’

ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিহত করার হুঁশিয়ারি দিয়ে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ও সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, নানামুখী ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে শেখ হাসিনা ও তাদের দোসররা নতুন রূপে ফিরে আসতে চাইছে। তাদের প্রতিহত করতে প্রয়োজনে ছাত্র-জনতা আবারও সড়কে নামবে।

শনিবার চট্টগ্রামের মাদারবাড়ী প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে গণঅভ্যুত্থানে নিহত চট্টগ্রামের ১০৫ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে সারজিস আলম এসব কথা বলেন।

জুলাই আন্দোলনে নৃশংসতার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া কীট রয়েছে। তাদের পাখা গজালে পাঁচ বছর পর তারা শহীদ পরিবারের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বে। তাই খুনিরা যেন কোনোভাবেই পুনর্বাসনের সুযোগ না পায় সেজন্য সচেতন থাকতে হবে।’

অনুষ্ঠানে আন্দোলনে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন সারজিস আলম। প্রতিটি পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান করা হয়।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Prime Minister ordered transfer of Syedabad Gulistan Mahakhali terminal to reduce traffic congestion in Dhaka

ঢাকার যানজট কমাতে সায়েদাবাদ-গুলিস্তান-মহাখালী টার্মিনাল স্থানান্তরের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকার যানজট কমাতে সায়েদাবাদ-গুলিস্তান-মহাখালী টার্মিনাল স্থানান্তরের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর সড়কপথে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং দীর্ঘস্থায়ী যানজট সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সায়েদাবাদ, গুলিস্তান ও মহাখালী বাস টার্মিনাল নগরীর ভেতর থেকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন ও যানজট নিরসন বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন। বৈঠক শেষে ঢাকার দুই প্রশাসক উপস্থিত সাংবাদিকদের এই সিদ্ধান্তের কথা বিস্তারিতভাবে অবহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভায় রাজধানীসহ দেশের সামগ্রিক ট্রাফিক ব্যবস্থা এবং নগর পরিবহনের সংস্কার নিয়ে গভীর আলোচনা হয়। সভায় সংশ্লিষ্টরা একমত হন যে, নগরীর প্রধান প্রবেশপথ ও বাণিজ্যিক এলাকাগুলোতে অবস্থিত এই তিনটি টার্মিনাল যানজটের অন্যতম প্রধান উৎস। তাই জনভোগান্তি কমাতে এসব টার্মিনাল পর্যায়ক্রমে সুবিধাজনক স্থানে স্থানান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমসহ সরকারের বিভিন্ন বিভাগ ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। যানজট নিরসনে এটি বর্তমান প্রশাসনের তৃতীয় দফার বৈঠক ছিল, যেখানে নগরীর ট্রাফিক কাঠামোকে ঢেলে সাজানোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে এই স্থানান্তর প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dr Zaheed Ur Rahman canceled his visit to Delhi and returned home

দিল্লি সফর বাতিল করে দেশে ফিরলেন ডা. জাহেদ উর রহমান

দিল্লি সফর বাতিল করে দেশে ফিরলেন ডা. জাহেদ উর রহমান ছবি: সংগৃহীত

ভারতের নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতার কারণে পূর্বনির্ধারিত সফর বাতিল করে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। সোমবার (১৫ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান।

ইন্ডিয়ান ওশেন রিম অ্যাসোসিয়েশন’ সম্মেলনে যোগ দিতে প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে গত রোববার বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে দিল্লি গিয়েছিলেন ডা. জাহেদ উর রহমান। বিমানবন্দরে নামার পরই নিয়মিত ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ার সময় ভারতীয় নজরদারি তালিকায় (ওয়াচলিস্ট) তার নাম শনাক্ত হওয়ায় তাকে আটকে দেওয়া হয়। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ডা. জাহেদ নিজেই তার পাসপোর্ট ফেরত চান এবং পরবর্তী ফিরতি ফ্লাইটে ঢাকায় ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘নিউজ১৮’-এর বরাত দিয়ে জানা গেছে, ডা. জাহেদ উর রহমানের নাম নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি ওয়াচলিস্টে শনাক্ত হওয়ায় তাকে বিমানবন্দরে অতিরিক্ত যাচাইয়ের মুখোমুখি হতে হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এই ঘটনাটি মূলত প্রশাসনিক সমন্বয়হীনতা ও তথ্য হালনাগাদ না হওয়ার কারণে ঘটেছে। ইতিপূর্বে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট একটি কালোতালিকা (ব্ল্যাকলিস্ট) থেকে তার নাম অপসারণ করা হলেও ভারতের অভিবাসন বিভাগের ডেটাবেসে সেই তথ্য যথাসময়ে হালনাগাদ করা হয়নি। ফলে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে স্বয়ংক্রিয় নিরাপত্তা সতর্কবার্তা জারি হয় এবং তাকে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি বিবেচনায় উপদেষ্টা সফরটি বাতিল করে দ্রুত দেশে ফেরার পথ বেছে নেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Board of Islami Bank cancels appointment of new administrator

ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ বাতিল, নতুন প্রশাসক নিয়োগ

ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ বাতিল, নতুন প্রশাসক নিয়োগ

ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানসহ সকল পরিচালকের নিয়োগ বাতিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একইসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেনকে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় ও ৪৭(৩) ধারায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর অর্পিত ক্ষমতাবলে এবং ব্যাংক-কোম্পানির স্বার্থে, আমানতকারীদের স্বার্থে ও জনস্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানসহ সকল পরিচালকের নিয়োগ বাতিল করেছে।

একইসঙ্গে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৭(৩) ধারায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেন পর্ষদের যাবতীয় ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Formation of Parliamentary Standing Committee on Ministry of Finance and Law

অর্থ ও আইন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন

অর্থ ও আইন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন

অর্থ এবং আইন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন বিজেপির চেয়ারম্যান ভোলা-১ আসনের এমপি আন্দালিব রহমান পার্থ। আর অর্থ মন্ত্রণালয়ের কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ব্রাক্ষণবাড়িয়া-৪ আসনের বিএনপি দলীয় এমপি মুশফিকুর রহমানকে।

রোববার (১৪ জুন) সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি। পরে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। দুটি কমিটিই ১০ সদস্যবিশিষ্ট। দুই ক্ষেত্রেই জামায়াত ইসলামীর দুইজন এবং এনসিপির একজন করে এমপিকে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বরগুনা-২ আসনের নূরুল ইসলাম, বগুড়া-২ আসনের মীর শাহে আলম, চাঁদপুর-২ আসনের জালালউদ্দিন, মানিকগঞ্জ-১ আসন মইনুল ইসলাম খান, লক্ষ্মীপুর-১ আসনের শাহাদাত হোসেন। এতে জামায়াত থেকে সদস্য হয়েছেন ঢাকা-১২ আসনের সাইফুল আলম খান মিলন এবং ঢাকা-৪ আসনের সৈয়দ জয়নুল আবদিন। আর এনসিপি থেকে সদস্য হয়েছেন কুমিল্লা-৪ আসনের হাসনাত আবদুল্লাহ।

অন্যদিকে, আইন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত কমিটির সদস্যরা হলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, নোয়াখালী-১ আসনের মাহবুব উদ্দিন খোকন, পঞ্চগড়-১ আসনের নওশাদ জমির, সংরক্ষিত নারী আসনের শাকিলা ফারজানা, দিনাজপুর-১ আসনের মঞ্জুরুল ইসলাম, লালমনিরহাট-১ আসনের হাসান রাজীব প্রধান। এতে জামায়াত থেকে সদস্য হয়েছেন পাবনা-১ আসনের নাজিবুর রহমান মোমেন এবং নীলফামারী-২ আসনের আল ফারুক আবদুল লতিফ। এছাড়া, এনসিপি থেকে সদস্য হয়েছেন রংপুর-৪ আসনের আখতার হোসেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Special bench of High Court on women child case started

নারী-শিশু মামলা নিয়ে হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চের কার্যক্রম শুরু

নারী-শিশু মামলা নিয়ে হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চের কার্যক্রম শুরু
*তালিকায় আছিয়া-নুসরাত হত্যা মামলা

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতাধীন মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে প্রধান বিচারপতির গঠন করা বিশেষায়িত হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত এ বেঞ্চে প্রথম কার্যদিবসেই ২০টি ডেথ রেফারেন্স ও সংশ্লিষ্ট মামলা শুনানির জন্য কার্যতালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতনবিষয়ক মৃত্যুদণ্ডের মামলাগুলোর দ্রুত শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতি বিশেষ এই বেঞ্চ গঠন করেছেন। প্রথম কার্যদিবসে তালিকাভুক্ত ২০টি মামলার মধ্যে ২০ নম্বরে রয়েছে আলোচিত মাগুরার আট বছর বয়সি শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলা।’

তিনি জানান, রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রতিটি মামলার শুনানির জন্য অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে এবং কোনো মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে মুলতবি চাওয়া হবে না। আছিয়া হত্যা মামলার অগ্রাধিকারভিত্তিক শুনানির বিষয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বিচারকরা জানান, কার্যতালিকার শুরুতে থাকা ২০১৯ সালের মামলাগুলোর আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে মৃত্যুদণ্ড নিয়ে কারাগারে রয়েছেন। সে কারণে সেসব মামলার শুনানিও গুরুত্বপূর্ণ। তবে সুযোগ থাকলে আছিয়ার মামলাটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

রোববারের কার্যতালিকায় থাকা ২০টি মামলার মধ্যে মাগুরার আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার পাশাপাশি ফেনীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এর আগে গত ১০ জুন অ্যাটর্নি জেনারেল ও সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি নারী ও শিশু নির্যাতনবিষয়ক মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে পৃথক এই বিশেষ বেঞ্চ গঠন করেন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এ বেঞ্চে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্সসহ সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে বিশেষ বেঞ্চ গঠনের পর আলোচিত রামিসা হত্যা মামলার শুনানির জন্যও অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস একটি বিশেষ টিম গঠন করেছে। স্বয়ং অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের নেতৃত্বে গঠিত এ টিম বিরতিহীনভাবে মামলাটির শুনানি পরিচালনা করবে, যাতে নারী ও শিশু নির্যাতনসংক্রান্ত মৃত্যুদণ্ডের মামলাগুলোর ডেথ রেফারেন্স দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
India did not approve Nepals excess electricity export to Bangladesh

‘অনুমোদন’ দেয়নি ভারত, বাংলাদেশে নেপালের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ রপ্তানি আটকে গেল

‘অনুমোদন’ দেয়নি ভারত, বাংলাদেশে নেপালের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ রপ্তানি আটকে গেল

নেপাল থেকে বাংলাদেশে আরও ২০ মেগাওয়াট অতিরিক্ত বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা আপাতত আটকে গেছে। সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতার ঘাটতির অজুহাত দেখিয়ে ভারত এই অনুমোদনের প্রক্রিয়াটি স্থগিত করেছে। ফলে পূর্বনির্ধারিত চুক্তি অনুযায়ী আগামী ১৫ জুন থেকে বাংলাদেশ কেবল ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাবে।

রোববার নেপালের জ্বালানি খাতের কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভারতের সেন্ট্রাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি (সিইএ) সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে এই অনুমোদন আটকে দিয়েছে।

তারা আরও জানান, এই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ আমদানির জন্য নতুন করে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি সংশোধন বা স্বাক্ষর করতে হবে। একই সঙ্গে নেপাল-ভারত জ্বালানি সচিব পর্যায়ের যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হবে।

সাধারণত বর্ষা মৌসুমে নেপাল তাদের উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ভারত ও বাংলাদেশে রপ্তানি করে থাকে। তবে শীতকালে তারা নিজেরাই ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করে।

২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক জেএসসি বৈঠকে বিদ্যমান ৪০ মেগাওয়াটের পাশাপাশি আরও ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি বাড়ানোর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছিল। ওই বৈঠকে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও দুই পক্ষ একমত হয়েছিল।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি (এনইএ) ভারতের এনটিপিসি বিদ্যুৎ ব্যাপার নিগম লিমিটেডকে (এনভিভিএন) অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানায়। কিন্তু এনভিভিএন পরে জানায় যে, ভারত-বাংলাদেশ ১,০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সঞ্চালন লাইনটিতে এই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ পরিবহনের আর কোনো সুযোগ বা সক্ষমতা নেই।

এনইএর বিদ্যুৎ বাণিজ্য বিভাগের পরিচালক তর্ক বাহাদুর থাপা বলেন, এবার বাংলাদেশে কেবল ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎই রপ্তানি করা হবে। অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াটের জন্য ত্রিপক্ষীয় চুক্তি চূড়ান্ত না হলেও, আগের নিয়মে আমরা ভারতের সিইএ-র কাছে এনভিভিএনের মাধ্যমে প্রক্রিয়া শুরু করেছিলাম। কিন্তু তারা জানিয়েছে যে সঞ্চালন লাইনে নতুন করে ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নেওয়ার ক্ষমতা নেই।

ত্রিপক্ষীয় চুক্তির জটিলতা

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই জটিলতা কাটাতে নেপাল ও ভারতের আসন্ন জেএসসি এবং যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের (জেডব্লিউজি) বৈঠকে নতুন সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হবে। তবে এই বৈঠকগুলোর সময়সূচি এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।

এর আগে ২০২৪ সালের ৫ জানুয়ারি জেএসসি বৈঠকে নেপাল ভারতের সঞ্চালন ব্যবস্থা ব্যবহার করে বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির নীতিগত অনুমোদন পায়। পরে ওই বছরের ৩ অক্টোবর এনইএ, এনভিভিএন এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর হয়। সেই চুক্তি অনুযায়ী প্রতি বছর ১৫ জুন থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়।

নেপাল থেকে প্রথম দফায় ২০২৪ সালের ১৫ নভেম্বর মাত্র ১২ ঘণ্টার জন্য বাংলাদেশে বিদ্যুৎ এসেছিল। এই বিদ্যুৎ নেপালের ঢালকেবার-মুজাফফরপুর ৪০০ কেভি লাইন দিয়ে ভারতে এবং সেখান থেকে বহরমপুর-ভেড়ামারা ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন দিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছায়। বর্তমানে নেপালের ত্রিশূলী ও চিলিম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে এই বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।

বিদ্যুৎ বাণিজ্য ও আর্থিক হিসাব

নেপাল প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ বাংলাদেশের কাছে ৬ দশমিক ৪০ মার্কিন সেন্টে বিক্রি করছে। অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াটের দামও একই রাখার কথা ছিল। ভারতের সঙ্গে নেপালের বিদ্যুৎ বাণিজ্য ভারতীয় রুপিতে হলেও বাংলাদেশের সঙ্গে লেনদেন হচ্ছে মার্কিন ডলারে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে নেপাল ভারত ও বাংলাদেশে মোট ২০ হাজার ৯৯৫ কোটি রুপির বিদ্যুৎ রপ্তানি করেছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ১৩ হাজার ১০৩ কোটি রুপি। নেপাল এ পর্যন্ত দুই দেশে মোট ১,১৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির অনুমোদন পেয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Arrested in a new case Dr Abul Barkat was released from prison

নতুন মামলায় গ্রেপ্তার ড. আবুল বারকাত, আটকে গেল কারামুক্তি

 নতুন মামলায় গ্রেপ্তার ড. আবুল বারকাত, আটকে গেল কারামুক্তি

জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নীলক্ষেত এলাকায় ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবুল বারকাতকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এর ফলে তার কারামুক্তি আটকে গেছে।

পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলাম তাকে এই গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মাজহারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ জুলাই রাতে ধানমণ্ডির ৩ নম্বর সড়কের বাসা থেকে অধ্যাপক আবুল বারকাতকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পরে জালিয়াতির মাধ্যমে জনতা ব্যাংক থেকে অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে ২৯৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়।

পরবর্তীতে গত ৭ জুন দুদকের মামলায় আপিল বিভাগ থেকে জামিন পান আবুল বারকাত। জামিন পেলেও কারাগার থেকে মুক্তি পাননি তিনি।

ওইদিন আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর আমজাদ হোসেন তালুকদার। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির আজ রোববার দিন নির্ধারণ করেছিলেন। শুনানিকালে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

আবুল বারকাতের পক্ষে তার আইনজীবী শাহীনুর ইসলাম তাকে গ্রেপ্তার না দেখাতে আবেদন করেন। শুনানি নিয়ে আদালত তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।

আবুল বারকাতের আরেক আইনজীবী বাবুল মিয়া বলেন, ‘কারামুক্ত হতে আবুল বারকাতকে এ মামলায় জামিন পেতে হবে। আমরা তার জামিন আবেদন করেছি। আজ সোমবার জামিন শুনানি হবে।’

ড. আবুল বারকাত ঘটনার দিন সময় অনুমান ১১-১২টার দিকে ঢাকা ইউনিভার্সিটি এলাকায় স্থানীয় আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও আওয়ামী লীগ সমর্থক নেতৃবৃন্দকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জন্য আর্থিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করে বলে আটক রাখার আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে নিউমার্কেটের নীলক্ষেত এলাকায় আন্দোলন চলাকালে গুলিতে ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ নিহত হন। এ ঘটনায় আব্দুল ওয়াদুদের শ্যালক আব্দুর রব নিউ মার্কেট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরসহ ১৩০ জনকে আসামি করা হয়।

মন্তব্য

p
উপরে