× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Sheikh Mujib first introduced fascism in the country Fakhrul
google_news print-icon

দেশে প্রথম ফ্যাসিবাদের অবতারণা করেন শেখ মুজিব: ফখরুল

দেশে-প্রথম-ফ্যাসিবাদের-অবতারণা-করেন-শেখ-মুজিব-ফখরুল
শনিবার চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘দেশ ও জাতির স্বার্থেই দ্রুত নির্বাচন দরকার। অনেক নব্য নেতৃত্ব মাঝেমধ্যে হুমকি দিচ্ছে- সব সংস্কার না করে নির্বাচন দেবে না। ছাত্র-তরুণদের সঙ্গে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। তাদেরকে অবশ্যই জায়গা করে দেব আমরা। কিন্তু সেই তরুণদেরকেও একসঙ্গে সবাইকে নিয়ে সঠিক পথে এগিয়ে যেতে হবে।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘দেশ ও জাতির স্বার্থেই দ্রুত নির্বাচন দরকার। অনেক নব্য নেতৃত্ব মাঝেমধ্যে হুমকি দিচ্ছে- সব সংস্কার না করে নির্বাচন দেবে না। আমরা বলতে চাই, বিএনপি শুধু বিএনপির জন্য নির্বাচন চায় না। বিএনপি নির্বাচন চায় জনগণের আকাঙক্ষা পূরণের জন্য।’

শনিবার চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে দেয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

মির্জা ফখরুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, ‘১৯৭২ থেকে ৭৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে প্রথম ফ্যাসিবাদের অবতারণা করেন শেখ মুজিব, যাকে মানুষ অন্ধভাবে বিশ্বাস করেছিল। আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিক কোনো দল নয়। তারা ফ্যাসিবাদী দল। তাদের বডি ক্যামিস্ট্রিতে গণতন্ত্র নেই।’

তিনি বলেন, ‘ছাত্র-তরুণদের সঙ্গে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। তাদেরকে অবশ্যই জায়গা করে দেব আমরা। কিন্তু সেই তরুণদেরকেও একইসঙ্গে সবাইকে নিয়ে সঠিক পথে এগিয়ে যেতে হবে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইউনিক নেতৃত্ব দিয়েছেন। দমন-পীড়ন, নির্যাতনের মাধ্যমে এক ভয়ঙ্কর স্বৈরাচারে রূপ নিয়েছিল আওয়ামী লীগ। শেষে জনগণের রোষে তারা দেশ থেকে পালিয়েছে।’

সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘১৯৭৩ সালে অসংখ্য মানুষকে খুন ও গুম করেন শেখ মুজিব। ৫ আগস্ট তার মেয়ে পালিয়ে বেঁচেছেন। আওয়ামী লীগ গত ১৬ বছরে যে হামলা, মামলা, খুন, গুম করেছে তার হিসাব বুঝে নিতে হবে। বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বিএনপিকে যতক্ষণ ক্ষমতায় নিয়ে যেতে না পারব, ততক্ষণ বাংলাদেশকে সুরক্ষিত করা যাবে না।’

বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন নিতাই রায় চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুণ্ডুসহ জাতীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহমুদ হাসান খান বাবু। সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব শরীফুজ্জামান।

এরপর সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ছয় প্রার্থীকে ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেন ৮০৮ জন কাউন্সিলর।

দীর্ঘ ১৪ বছর পর শনিবার সকালে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সবশেষ ২০১০ সালে বঙ্গজ ফ্যাক্টরির মধ্যে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২০২১ সালে চুয়াডাঙ্গা জেলা আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
During the time of Yunus a great trading center developed Ghulam Mawla Roni

ইউনূস কোম্পানি'র এক অংশ চেহারা পাল্টে ফেলেছে, বাকি অংশ পালিয়েছে: গোলাম মাওলা রনি

ইউনূস কোম্পানি'র এক অংশ চেহারা পাল্টে ফেলেছে, বাকি অংশ পালিয়েছে: গোলাম মাওলা রনি

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ১৮ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তীব্র সমালোচনা করে সাবেক সংসদ সদস্য ও বিশিষ্ট কলামিস্ট গোলাম মাওলা রনি অভিযোগ করেছেন, ওই সময়ে ক্ষমতাকেন্দ্রিক একটি বিশাল ‘বাণিজ্যকেন্দ্র’ গড়ে উঠেছিল। ক্ষমতার কেন্দ্রে থেকে যারা অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন, তাদের তিনি ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূস অ্যান্ড কোম্পানি’ বলে অভিহিত করেছেন। সম্প্রতি ফেসবুকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই গোষ্ঠীর বর্তমান পরিস্থিতি, তাদের কর্মকাণ্ড এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ লোপাটের নানা খতিয়ান তুলে ধরেন।

গোলাম মাওলা রনি ব্যাখ্যা করেন, এই ‘কোম্পানি’র মূলত কয়েকটি প্রভাবশালী অংশ ছিল। প্রথম অংশটি হলো শীর্ষস্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী গ্রুপ, যারা ওই সময়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বড় বড় সুবিধা লুটে নিয়েছে। দ্বিতীয় অংশটিতে ছিলেন আমলাতন্ত্র, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সামরিক বাহিনীর এমন কিছু সদস্য, যাদের বাড়ি চট্টগ্রামে কিংবা যারা ড. ইউনূসের গ্রামীণ ব্যাংক পরিবারের সাথে আত্মীয়তার বন্ধনে আবদ্ধ ছিলেন। এছাড়া এনজিও এবং ব্যাংকিং খাতের একটি বড় চক্র এই সময়ে জড়িত ছিল, যারা বিভিন্ন ছোটখাটো জরিপ বা রিপোর্টের নামে শত শত কোটি টাকার ফান্ড এনে নিজেদের মতো করে খরচ করেছে।

অর্থনৈতিক লুটপাটের অভিযোগ তুলে এই কলামিস্ট বলেন, বিগত সরকারের আমলে যেখানে বৈদেশিক ঋণ ছিল ১০০ বিলিয়ন ডলার, ইউনূস সরকারের ১৮ মাসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২০ বিলিয়ন ডলারে। এই অতিরিক্ত ২০ বিলিয়ন ডলার বা আড়াই লাখ কোটি টাকা কোথায় ব্যয় হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। একই সাথে বিভিন্ন বড় ব্যবসায়ীকে ঋণ মওকুফ ও রিশিডিউলের নামে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে টাকা ছাপিয়ে সুবিধা দেওয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্রের লাখ লাখ কোটি টাকা শেষ করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। রনির মতে, এডিপি ও অন্যান্য প্রকল্প মিলিয়ে গত দুই বছরে প্রায় ১৫ থেকে ২০ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় হলেও বাস্তবে দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন বা পাবলিক ওয়ার্কস হয়নি।

ভিডিওর শেষ অংশে তিনি এই গোষ্ঠীর নৈতিক অবক্ষয়ের কথা উল্লেখ করে বলেন, ক্ষমতায় থাকাকালীন এই কোম্পানির শীর্ষ ব্যক্তিরা প্রতিপক্ষকে নাজেহাল ও অপমান করতে সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রদর্শন করেছিলেন, যার কারণে এখন তাদের কোনো ‘মোরাল কারেজ’ বা নৈতিক শক্তি অবশিষ্ট নেই। আর এই সার্বিক পরিস্থিতির কারণেই বর্তমানে ‘ইউনূস অ্যান্ড কোম্পানি’র একটি বড় অংশ তাদের রূপ বদলে বর্তমান তারেক রহমানের সরকারের সাথে সমঝোতা বা একীভূত হয়েছে, একাংশ নিজেদের চেহারা লুকিয়ে ফেলেছে এবং বাকি অংশটি বিচার এড়াতে ইতিমধ্যে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rashed Khans post advising Jamaat MPs to take political class to Home Minister

জামায়াত এমপিদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ‘রাজনৈতিক ক্লাস’ করার পরামর্শ দিয়ে রাশেদ খাঁনের পোস্ট

জামায়াত এমপিদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ‘রাজনৈতিক ক্লাস’ করার পরামর্শ দিয়ে রাশেদ খাঁনের পোস্ট

জাতীয় সংসদে নিজেদের পারফরম্যান্স বাড়াতে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কাছ থেকে ‘রাজনৈতিক ক্লাস’ করার পরামর্শ দিয়েছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। বুধবার (১০ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন।

রাশেদ খাঁন তার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, গত অধিবেশনে খারাপ পারফরম্যান্সের কারণে এবার জামায়াতের এমপিদের ইসলামী ব্যাংকের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে সংসদে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন কোর্সের বা সিলেবাসের বাইরের বিষয় নিয়ে কথা বলা শুরু করেন, তখন জামায়াতের এমপিরা রীতিমতো ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যান। তাদের রাতদিনের প্রশিক্ষণ যেন মুহূর্তেই বৃথা হয়ে গেল। এই পরিস্থিতিতে সংসদে ভালো করতে হলে তাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকেই রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ নেওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন। অন্যথায়, একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জামায়াতের ৬৮ জন এমপির এভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়াটা অত্যন্ত লজ্জাজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপির এই নেতা তার পোস্টে আরও বলেন, আগে মানুষের ধারণা ছিল জামায়াতের লোকেরা বেশি শিক্ষিত এবং তাদের রাজনৈতিক প্রশিক্ষণও বেশ উন্নত। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, দলে মনোযোগী ছাত্র থাকলেও দক্ষ প্রশিক্ষকের বড়ই অভাব রয়েছে। তাই শেখার যেহেতু কোনো শেষ নেই এবং শিখতে কোনো লজ্জাও নেই, জামায়াতের এমপিরা নির্দ্বিধায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ক্লাস করতে পারেন।

পরিশেষে তিনি জানান, তারা জামায়াতে ইসলামীকে সংসদে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে দেখতে চান। বিরোধী দল হিসেবে তারা দুর্বল হলে দেশের মানুষ সংসদে পুনরায় আওয়ামী লীগের শূন্যতা অনুভব করতে শুরু করবে, যা মোটেও কাম্য নয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Abu Said of Kulaura has been nominated as the vice president of the Central Youth Party

কুলাউড়ার আবু সাইদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহসভাপতি মনোনীত

কুলাউড়ার আবু সাইদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহসভাপতি মনোনীত আবু সাইদ আহমদ। ছবি: নিউজ বাংলা

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার সন্তান ও যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বিএনপির নেতা আবু সাইদ আহমদ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি মনোনীত হয়েছেন। সম্প্রতি ঘোষিত ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে তাকে সহসভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। এর আগে তিনি যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

জানা যায়, আবু সাইদ আহমদ দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপি ও যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত। তিনি ২০০৬ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত টানা ১৭ বছর যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০২৩ সালে গঠিত যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে যুগ্ম সম্পাদক পদমর্যাদায় আন্তর্জাতিক সম্পাদক মনোনীত হন।

ছাত্রজীবনে তিনি ঢাকা কলেজে ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে রাজনৈতিক অঙ্গনে সম্পৃক্ত হন। পরবর্তীতে নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। সে সময় তিনি ঢাকার তৎকালীন ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি এবং মতিঝিল থানা যুবদলের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে স্বপরিবারে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বসবাস করছেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Interim government failed to do justice to the nation Jamaat Ameer

অন্তর্বর্তী সরকার জাতির সঙ্গে ইনসাফ করতে পারেনি: জামায়াত আমির

অন্তর্বর্তী সরকার জাতির সঙ্গে ইনসাফ করতে পারেনি: জামায়াত আমির ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতির সঙ্গে ইনসাফ করতে পারেনি। তারা ইনসাফ করতে পারলে দেশের চিত্র ভিন্ন হতো। মঙ্গলবার (৯ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট সামনে রেখে ‘ছায়াবাজেট’ প্রস্তাবনা নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেছেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত নির্বাচনে ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু হলেও ফলাফল সুষ্ঠু হয়নি। জনগণের প্রত্যাশার পূর্ণ প্রতিফলন নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়নি।

তিনি বলেন, আমরা যে বাজেট পেশ করছি, তা বাস্তবায়নের জন্য সততা ও জবাবদিহিতা অপরিহার্য। সততা ও জবাবদিহিতা না থাকলে সরকার যত বড় বাজেটই দিক না কেন, সেটি কার্যকর হবে না।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, দেশের বিদ্যমান কর ব্যবস্থা বা ট্যাক্সেশন প্রক্রিয়ায় নানা ত্রুটি রয়েছে। এসব দুর্বলতা দূর করে রাজস্ব ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি আরও জানান, অর্থবছরকে ক্যালেন্ডার বছরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন করবে বিরোধী দল।

বাজেট সম্পর্কে তিনি বলেন, আমরা যে বাজেট পেশ করতে যাচ্ছি, তার আসল বিচারক হবে জনগণ। বাজেটের প্রস্তাবনা যদি জনস্বার্থের বিপক্ষে যায়, তাহলে গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে আমাদের সহযোগিতা করবেন।

এ সময় তিনি জানান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা। জনগণের কল্যাণ, সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
I will keep the Prime Ministers orders intact Satkhira Zilla Parishad Administrator

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অক্ষুন্ন রাখবো: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অক্ষুন্ন রাখবো: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ একটি গণমূখি সেবায় পরিনত করবো নতুন জেলা পরিষদ জেলা প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব। বহু আকাঙ্ক্ষার পর অবশেষে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ এর প্রশাসক হলেন সাতক্ষীরা ১ আসনের সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব।

তিনি গত শনিবার (৬ জুন) দায়িত্ব গ্রহণ করেন আনুষ্ঠানিক ভাবে এসময় জেলা পরিষদ এর চত্বরে বিএনপির নেতা কর্মীসহ সাধারণ জনতার ভিড়ে তিল ধরনের ঠাই ছিল না,এক নজর দেখার জন্য এবং প্রিয় মানুষ হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুল দিয়ে শুভ কামনা জানানোর জন্য ছিল বেশ চোখে পড়ার মতো। এসময় পুরো এলাকায় কম্পিত হয় প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে শ্লোগানে শ্লোগানে, সে সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও বেশ বেগ পেতে হয় নিরাপত্তা নিয়ে।

দায়িত্ব গ্রহণ করে হাবিবুল ইসলাম হাবিব গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, সাতক্ষীরা জেলা বাসির জন্য আমার অফিসের দোয়ার সব সময় খোলা থাকবে। সকলের সহযোগিতা নিয়ে দূর্নীতি মুক্ত রাখা হবে এবং জেলা পরিষদকে সচ্ছতা ও জবাবদিহি রাখবো।

তিনি আরো বলেন আমাদের সাবেক প্রধান মন্ত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য সকলে দোয়া করবেন শুধু তাই নয় জার হাত দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি) গঠিত হয় তিনি হলেন স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

আমিসহ আমরা সবাই জিয়ার সৈনিক, তাই দেশকে ভালো বেশে আমাদের দেশের প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান এর হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। দেশের বিরুদ্ধে ফ‍্যাসিবাদের দোসররা এখনো নানান ভাবে সড়যন্ত্র করছে, ঐ সড়যন্ত্র মোকাবেলা করার জন্য বিএনপি তথা জিয়ার সৈনিকদের এক হওয়ার বিকল্প নেই।

হাবিবুল ইসলাম হাবিব আরো বলেন আমাদের সাতক্ষীরা আমাদের কে সুন্দর করে সাজাতে হবে এবং আমাদের নতুন প্রজন্মকে সুন্দর বাসযোগ‍্য স্থান তৈরি করতে সকলের ঐক্যের বিকল্প নেই। আমি প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানকে সাতক্ষীরা বাসির পক্ষ থেকে হাজারও শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই, কারণ তিনি আমাকে যোগ্য মনে করে এই চেয়ারে আমাকে দায়িত্ব দিয়েছে, আমি প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে কৃতজ্ঞতা শিকার করি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অক্ষুন্ন রাখবো ইনশাআল্লাহ। আগামীতে পৌরসভার ভোট, উপজেলার ভোট এবং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এর ভোটে বিএনপির একক প্রার্থী থাকবে এটা দলের চেয়ারম্যান এর নির্দেশ, শুধু তাই নয় সকল প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে।

বিগত জাতীয় নির্বাচনে ইলেক্সনে কারচুপি করে সাতক্ষীরার চার চারটি আসনে আমাদের ফেল করানো হয়েছে। সাতক্ষীরা বাসিকে জান্নাত এর কথা বলে জামায়াতের নেতারা ধর্ম ব‍্যাবসা করছে এ থেকে সকলে সজাগ থাকতে হবে তাহলে আমাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল ঘরে আসবে। বিএনপির মধ্যে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না, থাকলে দলের ক্ষতি হবে এতে রাষ্ট্রের মানুষের ক্ষতি হবে তাই সেই দিক বিবেচনা করে সমাজকাঠামোয় উন্নয়নে কাজ করতে হবে।

উল্লেখ্য নবাগত জেলা পরিষদ এর প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রকাশ বিষয়ক সম্পাদক এবং সাতক্ষীরা ১ আসন তালা কলারোয়া থেকে বার বার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে এমপি নির্বাচিত হয়।

তিনি বিগতদিনে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সভাপতি হিসাবে সুনাম এর সহিত দায়িত্ব পালন করেন এবং তিনি ২০২৬ সাতক্ষীরা ১ আসনে বিএনপি দলীয় মনোনয়নপত্র নিয়ে অল্প ভোট এর ব‍্যাবধানে পরাজিত হয় জামায়াতের প্রার্থীর কাছে।

হাবিবুল ইসলাম হাবিব সাতক্ষীরার রাজনীতিতে সর্বজনীন শ্রদ্ধাশীল ব‍্যাক্তি এবং জনসেবাই তার ব‍্যাপক ভূমিকা থাকার কারণে পতিত ও ফ‍্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের কুদৃষ্টির নজরে পড়ে সেই হিংসাত্মককে কাজে লাগিয়ে তৎকালীন বীরোধী দলের নেত্রী শেখ হাসিনা গাড়ি বহর হামলা মিথ্যা মামলার আসামী হয়, সেই মামলায় ৫০ জনকে আসামী করে কলারোয়া থানায় একটি মামলা হয় এবং সেই মিথ্যা মামলায় হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে অন‍্যায় ভাবে ৭০ বছরের সাজা দেয়া হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
18 more leaders and activists of the banned Chhatra League were arrested in connection with the A League Chatra Dal clash in Noakhali

নোয়াখালীতে আ.লীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষের ঘটনায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের আরও ১৮ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

নোয়াখালীতে আ.লীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষের ঘটনায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের আরও ১৮ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগ-ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের তৃতীয় দফায় আরও ১৮ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসব ঘটনায় এনিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ৬৫ জন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম। এর আগে, রোববার (৭ জুন) দিবাগত রাত থেকে সোমবার (৮ জুন) ভোর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আশরাফুল করিম ওরফে বাবুর নেতৃত্বে বাঁধেরহাট বাজারের জিরো পয়েন্ট এলাকায় ছাত্রলীগের হাজার খানেক নেতাকর্মী বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিল চলাকালে তারা সরকারবিরোধী স্লোগান দেন এবং সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এ ঘটনার সূত্র ধরে পরের দিন শনিবার (৬ জুন) বিকেলে উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায় এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। একই দিন রাত ৮টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একত্র হয়ে পাল্টা কালাদরাপ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিমের বাড়িতে হামলা ভাঙচুর করে এবং তার একটি অফিসে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসব ঘটনায় দেশব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পরে বাঁধেরহাটের ঘটনায় সুধারাম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

এদিকে ঘটনার পরপরই সদর উপজেলার নোয়ান্নই ও কালাদরাপ ইউনিয়নে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে নোয়াখালী সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে। তবে পুলিশ প্রশাসনের দাবি, এটি নিয়মিত প্রশাসনিক বদলির অংশ।

ওসি মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম আরও জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ১১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The Jamaat alliance is also leaving the Khilafat movement

খেলাফত আন্দোলনও ছাড়ছে জামায়াত জোট

খেলাফত আন্দোলনও ছাড়ছে জামায়াত জোট

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোটে আবারও ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের পর এবার বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনও জোট ত্যাগের কথা জানিয়েছে।

দলটির শীর্ষ নেতারা বলছেন, রাজনৈতিক আদর্শ ও নির্বাচনী সমঝোতায় বনিবনা না হওয়ায় বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন জোট বা সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গেছে।

তাদের অভিযোগ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ১০টির মতো আসনেও ছাড় চেয়েছিল জামায়াতে ইসলামীর কাছে, কিন্তু তাদের একটি আসনেও ছাড় দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া ঐক্যবদ্ধভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণে অবমূল্যায়ন করার অভিযোগ করেছেন দলটির শীর্ষ নেতারা।

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘প্রথমত এটি ছিল নির্বাচনী সমঝোতা। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সমঝোতা না হওয়ায় আমরা আলাদা নির্বাচন করেছি। বলা যেতে পারে তখন থেকেই আমরা একপ্রকার জোটে নেই।’

জোটের বৈঠক বা প্রোগ্রামে আপনারা অংশ নিচ্ছেন কি না- এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের সময় থেকে আমরা ১১ দলের কোনো বৈঠক বা প্রোগ্রামে অংশ নিচ্ছি না।’

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নেতাদের অভিযোগ, জোট গঠনের পর থেকেই জামায়াতে ইসলামী একক আধিপত্য ধরে রাখে। নিজেদের সিদ্ধান্ত জোট সঙ্গীদের ওপর চাপিয়ে দেয় জামায়াত। একই সঙ্গে কর্মসূচি কী হবে তা আগেই জামায়াত ঠিক করে তারপর জোটকে জানায়। লিয়াজু কমিটিতেও আলোচনার প্রয়োজন বোধ করে না দলটি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ১০টির মতো আসনে ছাড় চেয়েছিল জামায়াতে ইসলামীর কাছে, কিন্তু তাদের একটি আসনেও ছাড় দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া ঐক্যবদ্ধভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ অবমূল্যায়ন করার অভিযোগ করেছে দলটির শীর্ষ নেতারা।

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব ইউসুফ সাদিক হক্কানী বলেন, ‘আমাদের তো সমঝোতা ছিল নির্বাচনী সমঝোতা। এখন নির্বাচন তো শেষ। তা ছাড়া নির্বাচনের আসন নিয়েও আমাদের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি। নির্বাচনের পর আমরা সারা দেশের দায়িত্বশীলদের নিয়ে একটা বৈঠকে বসেছিলাম, কিন্তু সময়ের স্বল্পতার কারণে ওই বৈঠকে অনেকে অংশ নিতে পারেননি। আগামী ১০ জুন আমাদের মজলিসে আমেলার মিটিং আছে, সেই মিটিংয়ে জোটে থাকা না থাকার বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান-পরবর্তী দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যে ঐক্যের একটি জোরদার আলোচনা শুরু হয়। বিগত দিনের নানা মতবিরোধ ভুলে দীর্ঘদিন পর শীর্ষ নেতারা একটি বৃহত্তর ইসলামিক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও অনুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এক হতে সম্মত হন।

প্রাথমিকভাবে এটি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ কয়েকটি ইসলামী ঘরানার দলের সমন্বয়ে ‘আন্দোলনরত আট দল’ ব্যানারে যাত্রা শুরু করেছিল।

শুরুতে ইসলামপন্থি দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত হলেও আসন সমঝোতা ও রাজনৈতিক সমীকরণের পর্যায়ক্রমে এটি বিস্তৃতি লাভ করে এবং নির্বাচনে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়।

মূলত ‘ওয়ান বক্স পলিসি’ বা ‘এক বাক্স নীতি’র অধীনে প্রতিটি আসনে একক প্রার্থী দিয়ে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলার কৌশল হিসেবে এই জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটে। নির্বাচনে আসন সমঝোতা ও জাতীয় সংসদে গঠনমূলক ভূমিকা রাখার প্রত্যয় নিয়ে প্রাথমিকভাবে এই নির্বাচনী জোটের যাত্রা শুরু হয়েছিল।

১১ দলীয় এই নির্বাচনী জোট গঠনের পর থেকেই আসন ভাগাভাগি নিয়ে দলগুলোর মধ্যে একধরনের মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন শুরু হয়। বিশেষ করে জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে আসন বরাদ্দের ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দূরত্ব সৃষ্টি হয়।

এই আসন সমঝোতা নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক এবং দর-কষাকষি চূড়ান্ত রূপ না পাওয়ায় শেষ মুহূর্তে চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেয়। একই সময়ে এতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বাংলাদেশ লেবার পার্টিসহ অন্যান্য দল যুক্ত হয়।

মন্তব্য

p
উপরে