× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
At what rate is the country sold asked the Prime Minister
google_news print-icon

কীসের মাপে দেশ বিক্রি হয়, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

কীসের-মাপে-দেশ-বিক্রি-হয়-প্রশ্ন-প্রধানমন্ত্রীর
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ফোকাস বাংলা
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে স্বাধীন দেশ, আমরা যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছি। সারাবিশ্বে একটিমাত্র মিত্র শক্তি ভারত, যারা আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করে আমাদের স্বাধীন করে দিয়েছে।

কীসের মাধ্যমে দেশ বিক্রি হয়- সমালোচনাকারীদের কাছে সেই প্রশ্ন রেখেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, যারা বলে দেশে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে, তারা বলুক বিক্রিটা কীসের মাপে হচ্ছে? মাপটা কীসের মাধ্যমে হচ্ছে?

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এমন প্রশ্ন রাখেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে স্বাধীন দেশ, আমরা যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছি। সারাবিশ্বে একটিমাত্র মিত্র শক্তি ভারত, যারা আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করে আমাদের স্বাধীন করে দিয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই কোনো দেশ যুদ্ধে সহযোগিতা করতে এলে তারা সেখানেই থেকে যায়। বিজয়ী হওয়ার পরও তারা দেশ ছাড়ে না। এরকম অসংখ্য নজির আমরা দেখেছি। অথচ ভারত আমাদের মিত্র হিসেবে যুদ্ধ করেছে এবং জাতির পিতার আহ্বানে আবার তারা ফিরেও গেছে।

তিনি বলেন, আমরা যুদ্ধ করে স্বাধীন দেশ পেয়েছি। তাহলে বাংলাদেশ কীভাবে বিক্রি হয়? আমি বলব, যারাই বলছে দেশ বিক্রি হয়ে যাচ্ছে, তারাই বরং দেশকে বিক্রি করতে চেয়েছে। আমরা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ধরে রেখেছি। এখন যারা দেশ বিক্রির কথা বলে, তারাই মুক্তিযদ্ধের সময় পাকিস্তানের দালালি করেছে।

বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতের রেলপথ ব্যবহারের সমালোচনা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, এটা নিয়ে কেন সমালোচনা হচ্ছে আমি বুঝতে পারছি না। ইউরোপে তো এক দেশের সঙ্গে অন্য দেশের কোনো বর্ডার নেই, তারা কি বিক্রি হয়ে গেছে? এতে বরং তাদের যোগাযোগ সুবিধা বেড়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য বেড়েছে।

তিনি আরও বলেন, রেলপথ ব্যবহারের ফলে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ হচ্ছে। ওইসব এলাকার মানুষের জন্য যোগাযোগ সহজ হচ্ছে। ইউরোপে তো বর্ডারই নেই, তারা কি তাহলে বিক্রি করে দিচ্ছে? প্রত্যেকটা দেশই তো স্বাধীন দেশ, তারা তো বিক্রি হয়নি। তাহলে সাউথ এশিয়ায় কেন এটা বাধা হয়ে থাকবে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
I will keep the Prime Ministers orders intact Satkhira Zilla Parishad Administrator

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অক্ষুন্ন রাখবো: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অক্ষুন্ন রাখবো: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ একটি গণমূখি সেবায় পরিনত করবো নতুন জেলা পরিষদ জেলা প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব। বহু আকাঙ্ক্ষার পর অবশেষে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ এর প্রশাসক হলেন সাতক্ষীরা ১ আসনের সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব।

তিনি গত শনিবার (৬ জুন) দায়িত্ব গ্রহণ করেন আনুষ্ঠানিক ভাবে এসময় জেলা পরিষদ এর চত্বরে বিএনপির নেতা কর্মীসহ সাধারণ জনতার ভিড়ে তিল ধরনের ঠাই ছিল না,এক নজর দেখার জন্য এবং প্রিয় মানুষ হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুল দিয়ে শুভ কামনা জানানোর জন্য ছিল বেশ চোখে পড়ার মতো। এসময় পুরো এলাকায় কম্পিত হয় প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে শ্লোগানে শ্লোগানে, সে সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও বেশ বেগ পেতে হয় নিরাপত্তা নিয়ে।

দায়িত্ব গ্রহণ করে হাবিবুল ইসলাম হাবিব গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, সাতক্ষীরা জেলা বাসির জন্য আমার অফিসের দোয়ার সব সময় খোলা থাকবে। সকলের সহযোগিতা নিয়ে দূর্নীতি মুক্ত রাখা হবে এবং জেলা পরিষদকে সচ্ছতা ও জবাবদিহি রাখবো।

তিনি আরো বলেন আমাদের সাবেক প্রধান মন্ত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য সকলে দোয়া করবেন শুধু তাই নয় জার হাত দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি) গঠিত হয় তিনি হলেন স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

আমিসহ আমরা সবাই জিয়ার সৈনিক, তাই দেশকে ভালো বেশে আমাদের দেশের প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান এর হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। দেশের বিরুদ্ধে ফ‍্যাসিবাদের দোসররা এখনো নানান ভাবে সড়যন্ত্র করছে, ঐ সড়যন্ত্র মোকাবেলা করার জন্য বিএনপি তথা জিয়ার সৈনিকদের এক হওয়ার বিকল্প নেই।

হাবিবুল ইসলাম হাবিব আরো বলেন আমাদের সাতক্ষীরা আমাদের কে সুন্দর করে সাজাতে হবে এবং আমাদের নতুন প্রজন্মকে সুন্দর বাসযোগ‍্য স্থান তৈরি করতে সকলের ঐক্যের বিকল্প নেই। আমি প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানকে সাতক্ষীরা বাসির পক্ষ থেকে হাজারও শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই, কারণ তিনি আমাকে যোগ্য মনে করে এই চেয়ারে আমাকে দায়িত্ব দিয়েছে, আমি প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে কৃতজ্ঞতা শিকার করি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অক্ষুন্ন রাখবো ইনশাআল্লাহ। আগামীতে পৌরসভার ভোট, উপজেলার ভোট এবং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এর ভোটে বিএনপির একক প্রার্থী থাকবে এটা দলের চেয়ারম্যান এর নির্দেশ, শুধু তাই নয় সকল প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে।

বিগত জাতীয় নির্বাচনে ইলেক্সনে কারচুপি করে সাতক্ষীরার চার চারটি আসনে আমাদের ফেল করানো হয়েছে। সাতক্ষীরা বাসিকে জান্নাত এর কথা বলে জামায়াতের নেতারা ধর্ম ব‍্যাবসা করছে এ থেকে সকলে সজাগ থাকতে হবে তাহলে আমাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল ঘরে আসবে। বিএনপির মধ্যে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না, থাকলে দলের ক্ষতি হবে এতে রাষ্ট্রের মানুষের ক্ষতি হবে তাই সেই দিক বিবেচনা করে সমাজকাঠামোয় উন্নয়নে কাজ করতে হবে।

উল্লেখ্য নবাগত জেলা পরিষদ এর প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রকাশ বিষয়ক সম্পাদক এবং সাতক্ষীরা ১ আসন তালা কলারোয়া থেকে বার বার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে এমপি নির্বাচিত হয়।

তিনি বিগতদিনে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সভাপতি হিসাবে সুনাম এর সহিত দায়িত্ব পালন করেন এবং তিনি ২০২৬ সাতক্ষীরা ১ আসনে বিএনপি দলীয় মনোনয়নপত্র নিয়ে অল্প ভোট এর ব‍্যাবধানে পরাজিত হয় জামায়াতের প্রার্থীর কাছে।

হাবিবুল ইসলাম হাবিব সাতক্ষীরার রাজনীতিতে সর্বজনীন শ্রদ্ধাশীল ব‍্যাক্তি এবং জনসেবাই তার ব‍্যাপক ভূমিকা থাকার কারণে পতিত ও ফ‍্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের কুদৃষ্টির নজরে পড়ে সেই হিংসাত্মককে কাজে লাগিয়ে তৎকালীন বীরোধী দলের নেত্রী শেখ হাসিনা গাড়ি বহর হামলা মিথ্যা মামলার আসামী হয়, সেই মামলায় ৫০ জনকে আসামী করে কলারোয়া থানায় একটি মামলা হয় এবং সেই মিথ্যা মামলায় হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে অন‍্যায় ভাবে ৭০ বছরের সাজা দেয়া হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
18 more leaders and activists of the banned Chhatra League were arrested in connection with the A League Chatra Dal clash in Noakhali

নোয়াখালীতে আ.লীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষের ঘটনায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের আরও ১৮ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

নোয়াখালীতে আ.লীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষের ঘটনায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের আরও ১৮ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগ-ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের তৃতীয় দফায় আরও ১৮ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসব ঘটনায় এনিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ৬৫ জন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম। এর আগে, রোববার (৭ জুন) দিবাগত রাত থেকে সোমবার (৮ জুন) ভোর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আশরাফুল করিম ওরফে বাবুর নেতৃত্বে বাঁধেরহাট বাজারের জিরো পয়েন্ট এলাকায় ছাত্রলীগের হাজার খানেক নেতাকর্মী বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিল চলাকালে তারা সরকারবিরোধী স্লোগান দেন এবং সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এ ঘটনার সূত্র ধরে পরের দিন শনিবার (৬ জুন) বিকেলে উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায় এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। একই দিন রাত ৮টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একত্র হয়ে পাল্টা কালাদরাপ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিমের বাড়িতে হামলা ভাঙচুর করে এবং তার একটি অফিসে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসব ঘটনায় দেশব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পরে বাঁধেরহাটের ঘটনায় সুধারাম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

এদিকে ঘটনার পরপরই সদর উপজেলার নোয়ান্নই ও কালাদরাপ ইউনিয়নে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে নোয়াখালী সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে। তবে পুলিশ প্রশাসনের দাবি, এটি নিয়মিত প্রশাসনিক বদলির অংশ।

ওসি মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম আরও জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ১১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The Jamaat alliance is also leaving the Khilafat movement

খেলাফত আন্দোলনও ছাড়ছে জামায়াত জোট

খেলাফত আন্দোলনও ছাড়ছে জামায়াত জোট

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোটে আবারও ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের পর এবার বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনও জোট ত্যাগের কথা জানিয়েছে।

দলটির শীর্ষ নেতারা বলছেন, রাজনৈতিক আদর্শ ও নির্বাচনী সমঝোতায় বনিবনা না হওয়ায় বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন জোট বা সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গেছে।

তাদের অভিযোগ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ১০টির মতো আসনেও ছাড় চেয়েছিল জামায়াতে ইসলামীর কাছে, কিন্তু তাদের একটি আসনেও ছাড় দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া ঐক্যবদ্ধভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণে অবমূল্যায়ন করার অভিযোগ করেছেন দলটির শীর্ষ নেতারা।

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘প্রথমত এটি ছিল নির্বাচনী সমঝোতা। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সমঝোতা না হওয়ায় আমরা আলাদা নির্বাচন করেছি। বলা যেতে পারে তখন থেকেই আমরা একপ্রকার জোটে নেই।’

জোটের বৈঠক বা প্রোগ্রামে আপনারা অংশ নিচ্ছেন কি না- এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের সময় থেকে আমরা ১১ দলের কোনো বৈঠক বা প্রোগ্রামে অংশ নিচ্ছি না।’

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নেতাদের অভিযোগ, জোট গঠনের পর থেকেই জামায়াতে ইসলামী একক আধিপত্য ধরে রাখে। নিজেদের সিদ্ধান্ত জোট সঙ্গীদের ওপর চাপিয়ে দেয় জামায়াত। একই সঙ্গে কর্মসূচি কী হবে তা আগেই জামায়াত ঠিক করে তারপর জোটকে জানায়। লিয়াজু কমিটিতেও আলোচনার প্রয়োজন বোধ করে না দলটি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ১০টির মতো আসনে ছাড় চেয়েছিল জামায়াতে ইসলামীর কাছে, কিন্তু তাদের একটি আসনেও ছাড় দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া ঐক্যবদ্ধভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ অবমূল্যায়ন করার অভিযোগ করেছে দলটির শীর্ষ নেতারা।

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব ইউসুফ সাদিক হক্কানী বলেন, ‘আমাদের তো সমঝোতা ছিল নির্বাচনী সমঝোতা। এখন নির্বাচন তো শেষ। তা ছাড়া নির্বাচনের আসন নিয়েও আমাদের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি। নির্বাচনের পর আমরা সারা দেশের দায়িত্বশীলদের নিয়ে একটা বৈঠকে বসেছিলাম, কিন্তু সময়ের স্বল্পতার কারণে ওই বৈঠকে অনেকে অংশ নিতে পারেননি। আগামী ১০ জুন আমাদের মজলিসে আমেলার মিটিং আছে, সেই মিটিংয়ে জোটে থাকা না থাকার বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান-পরবর্তী দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যে ঐক্যের একটি জোরদার আলোচনা শুরু হয়। বিগত দিনের নানা মতবিরোধ ভুলে দীর্ঘদিন পর শীর্ষ নেতারা একটি বৃহত্তর ইসলামিক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও অনুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এক হতে সম্মত হন।

প্রাথমিকভাবে এটি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ কয়েকটি ইসলামী ঘরানার দলের সমন্বয়ে ‘আন্দোলনরত আট দল’ ব্যানারে যাত্রা শুরু করেছিল।

শুরুতে ইসলামপন্থি দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত হলেও আসন সমঝোতা ও রাজনৈতিক সমীকরণের পর্যায়ক্রমে এটি বিস্তৃতি লাভ করে এবং নির্বাচনে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়।

মূলত ‘ওয়ান বক্স পলিসি’ বা ‘এক বাক্স নীতি’র অধীনে প্রতিটি আসনে একক প্রার্থী দিয়ে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলার কৌশল হিসেবে এই জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটে। নির্বাচনে আসন সমঝোতা ও জাতীয় সংসদে গঠনমূলক ভূমিকা রাখার প্রত্যয় নিয়ে প্রাথমিকভাবে এই নির্বাচনী জোটের যাত্রা শুরু হয়েছিল।

১১ দলীয় এই নির্বাচনী জোট গঠনের পর থেকেই আসন ভাগাভাগি নিয়ে দলগুলোর মধ্যে একধরনের মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন শুরু হয়। বিশেষ করে জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে আসন বরাদ্দের ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দূরত্ব সৃষ্টি হয়।

এই আসন সমঝোতা নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক এবং দর-কষাকষি চূড়ান্ত রূপ না পাওয়ায় শেষ মুহূর্তে চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেয়। একই সময়ে এতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বাংলাদেশ লেবার পার্টিসহ অন্যান্য দল যুক্ত হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There is a deep plot to destroy democracy Mirza Fakhrul

গণতন্ত্র ধ্বংসের গভীর চক্রান্ত চলছে: মির্জা ফখরুল

গণতন্ত্র ধ্বংসের গভীর চক্রান্ত চলছে: মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, রাজনীতি ও গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার জন্য চারদিকে সুপরিকল্পিত ও গভীর চক্রান্ত চলছে। সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন মাধ্যমে এখনকার রাজনীতিতে এক ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সমস্ত রাজনৈতিক নেতাদের চরিত্রহনন করে সমাজের কাছে, রাজনীতির কাছে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তাদের হীন প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটি মূলত রাজনীতিকে ধ্বংস করার একটি চক্রান্ত এবং এটি সুস্থ রাজনীতির জন্য কোনো শুভ লক্ষণ নয়।

শুক্রবার (৫ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে মাহবুবুল হক ও মাহবুবুল আলম তারা স্মরণে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, একটা বড় আন্দোলন ও অভ্যুত্থানের পর আমরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলাম। কিন্তু অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে আজ গণতন্ত্রকে বিপদে ফেলার চেষ্টা শুরু হয়েছে। সবকিছুকে ভেঙে ফেলা এবং মস্তহীন করার মধ্য দিয়ে একটি নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শ ব্যাখ্যা করে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি সম্পর্কে অনেকেই অনেক রকম চিন্তা করেন। কিন্তু বিএনপির মূল চরিত্র হচ্ছে এটি একটি উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। বিএনপি কোনো বিপ্লবী দল নয়। বিএনপি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছাতে চায় এবং নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চায়।

স্মরণ সভায় প্রয়াত নেতাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, মাহবুবুল হক ও মাহবুবুল আলম তারা ভাইয়েরা এমন এক সময়ে রাজনীতি করেছেন যখন রাজনীতিতে এথিক্স, মোরালিটি ও মূল্যবোধ ছিল। তারা সবসময় জনগণের কল্যাণ, মানুষের সমস্যার সমাধান এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার জন্য কাজ করে গেছেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bot army active in conspiracy around BNP led government Shamsuzzaman Dudu

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে ঘিরে ষড়যন্ত্রে সক্রিয় বটবাহিনী: শামসুজ্জামান দুদু

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে ঘিরে ষড়যন্ত্রে সক্রিয় বটবাহিনী: শামসুজ্জামান দুদু

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে ঘিরে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র, প্রচারণা ও অপতৎপরতা চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব প্রচারণার সঙ্গে বটবাহিনীর সম্পর্কও দেখা যাচ্ছে শুক্রবার (৫ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেছেন।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, বর্তমান সরকার হঠাৎ করে ক্ষমতায় আসেনি। দীর্ঘ ১৮ থেকে ২০ বছরের আন্দোলন-সংগ্রাম, ত্যাগ ও গণমানুষের সমর্থনের মধ্য দিয়ে এই সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনগণের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও সমর্থনই বিএনপি সরকারকে এ জায়গায় নিয়ে এসেছে।

তিনি বলেন, এই সরকারকে নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র, নানা ধরনের ঘটনা, নানা ধরনের প্রচারণা চলছে। সে প্রচার-ঘটনার সঙ্গে বট বাহিনীর একটি সম্পর্ক আমরা দেখছি। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন কোনো অশ্রাব্য ভাষা নেই, যেটা আমাদের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয় না।

সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, চারদিকে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ ও প্রতিপক্ষের তৎপরতা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

তার মতে, জনগণ বিএনপির সঙ্গে আছে, জনগণ সরকারের সঙ্গে আছে এবং সরকারপ্রধান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতিও জনগণের আস্থা রয়েছে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, দীর্ঘ সময়ের লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দল আজকের অবস্থানে এসেছে। তাই সরকারকে আরও শক্তিশালী করতে এবং গণতন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Nayan is the joint general secretary of the central committee

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন নয়ন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন নয়ন

জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে স্থান পেয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়ন।

বুধবার (৩ জুন) আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে এই পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করা হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।

নতুন এই কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় রবিউল ইসলাম নয়নকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহ দেখা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদল ও যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত এই নেতা মাঠপর্যায়ের একজন পরিচিত মুখ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। তৃণমূল পর্যায় থেকে রাজনীতি করে উঠে এসে তিনি যুবদলের বিভিন্ন সাংগঠনিক ও আন্দোলনমূলক কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।

বর্তমানে তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা তাকে সংগঠনের ভেতরে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে এসেছে।

রাজনৈতিক জীবনে তিনি একাধিকবার মামলা, গ্রেপ্তার ও কারাবরণের মুখোমুখি হয়েছেন। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের সময় মাঠে সক্রিয় উপস্থিতির কারণে তিনি দলের ভেতরে আলোচনায় আসেন।

নতুন কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পাওয়াকে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন দলের নেতাকর্মীরা। তার অনুসারীরা আশা প্রকাশ করেছেন, এই দায়িত্ব পেয়ে তিনি কেন্দ্রীয় যুবদলকে আরও সংগঠিত ও গতিশীল করতে ভূমিকা রাখবেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A faction trying to destabilize the country Mirza Fakhrul

দেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে একটি মহল: মির্জা ফখরুল

দেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে একটি মহল: মির্জা ফখরুল

একটি মহল দেশে অস্থিতিশীলতা পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের (এলজিআরডি) মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় তিনি সকলকে সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

বুধবার (৩ জুন) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া উপজেলা বাস্তবায়ন কমিটির গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেছেন তিনি। এর আগে তাকে রুহিয়া উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়।

এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, একটি মহল চেষ্টা করছে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করার জন্য। এই অস্থিতিশীলতা যাতে না করতে পারে, তার জন্য আপনাদের সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান করছি। কারণ এই সময়ে যখন আমরা নতুন করে দেশ গড়ার কাজ শুরু করছি তারেক রহমানের নেতৃত্বে, তখন যেন আমরা আবার বিভ্রান্ত না হয়ে যাই।

তিনি বলেন, যে কথাগুলো দিয়েছি, আমরা সেই কথাগুলো পালন করার চেষ্টা করছি। তারেক রহমান বলেছিলেন- ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন কর্মসূচির কথা, সেই কাজগুলো আমরা শুরু করেছি। অন্যান্য যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, প্রত্যেকটি পূরণ করার জন্য আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি। আপনারা দেখেছেন, এই সরকারের বয়স মাত্র তিন মাস, এই তিন মাসের মধ্যে আমরা কাজ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি।

জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, অনেক সমস্যার মধ্য দিয়ে আমরা দায়িত্ব নিয়েছিলাম, আপনাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই নির্বাচনে আপনারা ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছিলেন। আমি এখানে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সব ধর্মের মানুষ, সব শ্রেণির মানুষকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই, তাদের সমর্থনে আজকে আমি কাজ করার সুযোগ পেয়েছি।

নারীদের উদ্দেশ্যে মির্জা ফখরুল বলেন, নারীরা এমনিতেই সংগঠিত, তাদের আরও সংগঠিত হতে হবে। সংগঠিত হওয়ার মাধ্যমে নারীদের ক্ষমতায়নকে নিশ্চিত করতে হবে।

এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, রুহিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল জব্বারসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন।

মন্তব্য

p
উপরে