× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
A case under the Pornography Act has been filed against three people including the Chhatra League leader
google_news print-icon

সেই ছাত্রলীগ নেতাসহ তিনজনের নামে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা

সেই-ছাত্রলীগ-নেতাসহ-তিনজনের-নামে-পর্নোগ্রাফি-আইনে-মামলা
আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন (ডানে) ও নাজমুল হীরা। ফাইল ছবি
মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি নাজমুল হোসেন হীরাকে। এছাড়া হীরার দুই মামা, যথাক্রমে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন ও তার বড় ভাই মোশারফ হোসেন মোল্লা বাবুলকে আসামি করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ আদালতে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতিসহ তিনজনের নামে পর্ণোগ্রাফি আইনে মামলা করেছেন এক কলেজছাত্রী।

কিশোরগঞ্জের ১ নম্বর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. আশিকুর রহমানের আদালতে রোববার দুপুরে এই মামলা করা হয়। ২৩ বছর বয়সী ওই ছাত্রী শহরের একটি সরকারি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি নাজমুল হোসেন হীরাকে। এছাড়া হীরার দুই মামা, যথাক্রমে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন ও তার বড় ভাই মোশারফ হোসেন মোল্লা বাবুলকে আসামি করা হয়েছে।

তারা সবাই শহরের বয়লা তারাপাশা এলাকার বাসিন্দা।

কিশোরগঞ্জের ১ নম্বর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী শিখা রাণী দাস এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মামলাটি এফআইআরের জন্য সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মামলার এজাহারসূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে হয় এই তরুণীর। দাম্পত্য জীবনে বনিবনা না হওয়ায় বিয়ের একমাস পরই তাদের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় এবং তিনি বাপের বাড়িতে চলে আসেন। সেখান থেকে ফের কলেজে যাওয়া শুরু করেন।

কলেজে যাওয়ার পথে প্রায়ই তাকে প্রেম নিবেদন করতেন নাজমুল হোসেন হীরা। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে চলে শারীরিক সম্পর্ক। এসময় নাজমুল হীরা কৌশলে তাদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের কিছু স্থিরচিত্র ও ভিডিও ধারণ করে রাখেন।

পরে বিষয়টি হীরার মামা আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন ও মোশাররফ হোসেন মোল্লা বাবুলকে জানান মেয়েটি। তখন সুমন ও বাবুল মেয়েটিকে হুমকি দিয়ে বলেন- তাদের ভাগ্নের সঙ্গে বেশি বাড়াবাড়ি করলে শহরে থাকতে দেবে না।

এভাবে ভয়-ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে মেয়েটিকে বেশ কিছুদিন থামিয়ে রাখেন তারা। পরে বাধ্য হয়েই নাজমুল হীরার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক বজায় রাখতে হয় মেয়েটি। এভাবে টানা এক মাস অতিক্রান্ত হলে আবারও হীরাকে বিয়ের জন্য চাপ দেন তিনি। এক পর্যায়ে ২০২৩ সালের ৮ জুন গোপনে কাজী ডেকে বিয়েও করেন তারা। বিয়ের পরে তিনি জানতে পারেন, নাজমুল হীরা বিবাহিত; বাড়িতে তার স্ত্রী রয়েছে। বিষয়টি জানার পর মৌখিকভাবে হীরাকে তালাক দিয়ে চলে আসেন তিনি।

পরবর্তীতে হীরা আবারও যোগাযোগ স্থাপন করে শারীরিক সম্পর্ক না রাখলে তাদের অন্তরঙ্গ মুহেূর্তের ভিডিও ভাইরাল করে দেয়ার হুমকি দেন। এভাবে মেয়েটিকে ব্ল্যাকমেইল করে দুইবারে পাঁচ লাখ টাকা আদায় করেন তিনি। এই টাকা দিয়ে একটি মোটরসাইকেল কেনেন তিনি।

হীরার পর একই পন্থা অবলম্বন করেন তার মামা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন। তিনিও ভয় দেখিয়ে মেয়েটির কাছ থেকে আদায় করে একটি আইফোন ও একটি স্যামসাংয়ের স্মার্টফোন কেনেন। সুমনের বড় ভাই মোশারফ হোসেন মোল্লা বাবুল আদায় করেন নগদ তিন লাখ টাকা। তিনিও কেনেন একটি পালসার মোটরসাইকেল।

এভাবে তাদের টাকা দিতে দিতে বর্তমানে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন বলে এজাহারে বলা হয়েছে।

তবে এত কিছুর পরও তাদের অন্তরঙ্গ মূহুর্তের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হয়।

মেয়েটির অভিযোগ, ‘নাজমুল হীরার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন এবং যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়ার কারণেই সে এমনটা করেছে। আর এক্ষেত্রে তাকে সহযোগিতা করেছেন তার মামা সুমন ও বাবুল।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাজমুল হোসেন হীরা বলেন, ‘যিনি মামলা করেছেন তিনি তার বিবাহিত স্ত্রী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির বিষয়ে আমি নিজেও মামলা করেছি। সে মামলায় আমার স্ত্রী সাক্ষী। কিছু লোকের কুপরামর্শে সে হয়তো এমনটা করেছে।’

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন ঘটনাটিকে ‘ষড়যন্ত্র’ উল্লেখ করে বলেন, ‘আমার ভাগ্নে হীরার সঙ্গে মেয়েটি বিয়ে হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার বিষয়ে ঢাকা সাইবার ট্রাইব্যুনালে হীরা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছিল, কিন্তু এখন কী কারণে মেয়েটি ভাগ্নের বিষয় টেনে এনে বড় ভাইসহ আমাকে মামলার আসামি করেছে, সেটা আমার বোধগম্য হচ্ছে না।’

আরও পড়ুন:
চিনিকাণ্ডে ছাত্রলীগের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা: ইনান
চিনি চোরাচালান চক্রে কিশোরগঞ্জ ছাত্রলীগ সভাপতি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Students police clash in DU campus area even at night

ঢাবি ক্যাম্পাস এলাকায় রাতেও শিক্ষার্থী-পুলিশ সংঘর্ষ

ঢাবি ক্যাম্পাস এলাকায় রাতেও শিক্ষার্থী-পুলিশ সংঘর্ষ বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নীলক্ষেত মোড় এলাকায় শিক্ষার্থী-পুলিশ ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা
আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম জানিয়েছেন, বুধবার বিকেল থেকে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই গুলিবিদ্ধ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো থেকে শিক্ষার্থীরা চলে গেলেও ক্যাম্পাস-সংশ্লিষ্ট এলাকায় রাতে একাধিক স্থানে সংঘর্ষ হয়েছে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে নীলক্ষেত মোড় এলাকায় এবং প্রায় একই সময়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়।

এদিকে বিকেল থেকে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম। তিনি বলেন, আহতদের মধ্যে অনেকেই গুলিবিদ্ধ।

রাত সাড়ে ৯টার দিকেও নীলক্ষেত মোড়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের একটি অংশের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলে। পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। জবাবে শিক্ষার্থীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়ে।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ মিনার এলাকায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। রাত পৌনে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু টাওয়ারের সামনে সংঘর্ষ শুরু হয়।

বঙ্গবন্ধু টাওয়ার থেকে শুরু হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও চানখাঁরপুল মোড় পর্যন্ত দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলে।

এ সময় আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, রাবার বুলেট ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। জবাবে আন্দোলনকারীরা পুলিশের দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন।

প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ চলার পর আন্দোলনকারীরা পিছু হটে পুরান ঢাকার দিকে চলে যান।

আরও পড়ুন:
নিহত ওয়াসিমের মায়ের কান্না থামছে না
কুবিতে গায়েবানা জানাজায় ইমামের ‘না’
যৌথ অভিযানে চার ঘণ্টা পর মুক্ত রাবি উপাচার্য
বৃহস্পতিবার সারাদেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা শিক্ষার্থীদের
চট্টগ্রামে সংঘর্ষের ঘটনায় ৪ মামলা, আসামি কয়েক হাজার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Infiltration of 5 Rohingya including women by sea in Teknaf

টেকনাফে সাগরপথে নারীসহ ৫ রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ

টেকনাফে সাগরপথে নারীসহ ৫ রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালীপাড়ার ঘাটে এসে নামেন পাঁচ রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ। ছবি: নিউজবাংলা
বাহারছড়া ইউপির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন জানান, অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের আলিপাড়ার বাসিন্দা। তারা সীমান্তের ওপারে মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে ট্রলারে ওঠেন। এপারে ঘাটে পৌঁছার পর ট্রলার রেখে দালালরা পালিয়ে গেছে।

মিয়ানমার থেকে ট্রলারযোগে বঙ্গোপসাগর হয়ে দুই নারীসহ পাঁচ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে। কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালীপাড়া সমুদ্র উপকূলে পৌঁছার পর তাদেরকে বুধবার বিকেল ৩টায় আটক করেছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান।

বাহারছড়া ইউপির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন জানান, স্থানীয় জনগণের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে নোয়াখালীপাড়ার ঘাটে এসে ওই পাঁচজনকে আটক করা হয়। বিষয়টি ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অবহিত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের আলিপাড়ার বাসিন্দা। তারা সীমান্তের ওপারে মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে ট্রলারে ওঠেন। এপারে ঘাটে পৌঁছার পর ট্রলার রেখে দালালরা পালিয়ে গেছে।’

এসব রোহিঙ্গারা হলেন- আলিপাড়ার হারুনের ছেলে এনামুল হাছান, একরাম উল্লাহর ছেলে মোশাররফ, একরামের স্ত্রী ওমমুল কাইর, একরামের ছেলে মোফশশর ও আবু বক্করের স্ত্রী শাহনাজ।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আদনান চৌধুরী বলেন, ‘স্থানীয় চেয়ারম্যান বিষয়টি আমাকে অবহিত করেছেন। অনুপ্রবেশকারী পাঁচ রোহিঙ্গাকে বিজিবি হেফাজতে নিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। একইসঙ্গে ট্রলারটি জব্দ করা হয়েছে।

‘রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশে সহায়তাকারী ট্রলার মালিক, চালকসহ দালালদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক ছমি উদ্দিন বলেন, ‘ইউপি চেয়ারম্যান পাঁচ রোহিঙ্গাকে অনুপ্রবেশকালে আটক করার বিষয়টি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তমতে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
ক্যাম্পে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে রোহিঙ্গা যুবক নিহত
রাখাইনে সংঘাত, সীমান্তে ফের জড়ো হচ্ছে রোহিঙ্গারা
টাকা পেলেই রোহিঙ্গাদের জন্ম নিবন্ধন বানিয়ে দিতেন তিনি
উখিয়ায় আশ্রয় কেন্দ্রে রোহিঙ্গা যুবককে গুলি করে হত্যা
সেন্টমার্টিন থেকে ফেরার পথে রোহিঙ্গা যুবক গুলিবিদ্ধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hundreds of thousands of accused in 4 cases in Chittagong clash

চট্টগ্রামে সংঘর্ষের ঘটনায় ৪ মামলা, আসামি কয়েক হাজার

চট্টগ্রামে সংঘর্ষের ঘটনায় ৪ মামলা, আসামি কয়েক হাজার কোটা সংস্কার আন্দোলনে উত্তপ্ত হয়ে ওঠা চট্টগ্রাম নগরীর মহাসড়ক বুধবার ছিল অনেকটাই ফাঁকা। ছবি: নিউজবাংলা

চট্টগ্রামে কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সংঘর্ষের ঘটনায় নগরীর দুই থানায় চারটি মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে ও বুধবার পুলিশ বাদী হয়ে এসব মামলা করেছে। এতে আসামি করা হয়েছে কয়েক হাজার ব্যক্তিকে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এ পর্যন্ত পাঁচলাইশ থানায় তিনটি এবং খুলশী থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় কয়েক হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। আরও কয়েকটি মামলা হবে।’

গ্রেপ্তারের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আসামিদের বেশিরভাগই অজ্ঞাত। তাই ভিডিও ফুটেজ ও সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সহিংসতায় জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করছি। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযান চলমান।’

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় সারাদেশে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রামের মুরাদপুরে জড়ো হন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। দুপুর থেকেই ষোলশহর রেলস্টেশন এলাকায় অবস্থান নেয় ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হঠাৎ করে ছাত্রলীগ-যুবলীগ-স্বেচ্ছাসেবক লীগের মিছিলটি মুরাদপুর এলাকায় পৌঁছলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। এতে তিনজন নিহত হন। আহত হন ৭৬ জন। তাদেরকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সংঘর্ষে নিহত তিনজনের মধ্যে ওয়াসিম আকরাম চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের সদস্য। তিনি কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মেহেরনামা এলাকার শফিউল আলমের ছেলে। অপরজন ফারুক পথচারী ছিলেন। তার বাড়ি কুমিল্লায়। তিনি ফার্নিচারের দোকানে চাকরি করতেন। আরেকজন চট্টগ্রাম নগরের ওমরগণি এমইএস কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ফয়সাল আহমেদ শান্ত।

আরও পড়ুন:
জামালপুরে সড়ক ও রেলপথ অবরোধ, সংঘর্ষে আহত ১২
কোটার আন্দোলনকালে ববি শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ
হল না ছাড়ার ঘোষণা শাবি শিক্ষার্থীদের, হলে হলে তল্লাশি, অস্ত্র উদ্ধার
ঢাবির হলগুলো থেকে শিক্ষার্থীদের বের করে দিচ্ছে পুলিশ
ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধসহ পাঁচ দাবিতে উত্তাল রাবি, উপাচার্য অবরুদ্ধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The list of conspirators in the movement was found Aaron

আন্দোলন নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের তালিকা পাওয়া গেছে: হারুন

আন্দোলন নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের তালিকা পাওয়া গেছে: হারুন ডিএমপি ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। ফাইল ছবি
ডিএমপি ডিবি প্রধান বলেন, ‘অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে একটি গ্রুপ কাজ করছে। একই গ্রুপ গুজব ছড়িয়ে কোটাবিরোধী আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। যারা গুজব ছড়াচ্ছে ও অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করছে, তারা অতীতেও ষড়যন্ত্র করেছে। আমরা তাদের ছাড় দেইনি।’

সাধারণ শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নিতে একটি গোষ্ঠী অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে ষড়যন্ত্রের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

বুধবার সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এমনটা দাবি করে বলেন, ‘যারা এই ষড়যন্ত্র করছে তাদের একটি তালিকাও পেয়েছি।’

ডিএমপি ডিবি প্রধান বলেন, ‘অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে একটি গ্রুপ কাজ করছে। একই গ্রুপ গুজব ছড়িয়ে কোটাবিরোধী (কোটা সংস্কার) আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। যারা গুজব ছড়াচ্ছে ও অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করছে, তারা অতীতেও ষড়যন্ত্র করেছে। আমরা তাদের ছাড় দেইনি।’

হারুন বলেন, ‘যারা রাজনীতিকে ভিন্ন খাতে নেয়ার জন্য কোমলমতি ছাত্রদের ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, রেলের স্লিপার তোলা, মেট্রোরেল বন্ধ করে দেয়ার চেষ্টা করছে, তাদের সবার নাম আমরা পেয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে শিগগির ডিএমপি ও গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান চলবে।’

তিনি বলেন, ‘কয়েকদিন ধরে সাধারণ ছাত্ররা কোটাবিরোধী আন্দোলন করছিল। সাধারণ ছাত্রদের ক্লাসে যাওয়ার জন্য আদালত নির্দেশনা দিয়েছিল। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনাকে উপেক্ষা করে একটি গ্রুপ বিভিন্ন জায়গায় বসে সরকারবিরোধী স্লোগান দেয়া শুরু করে।

‘ওই গ্রুপ গাড়িতে আগুন, রেললাইনের স্লিপার তোলা, মেট্রোরেল বন্ধ করে দেয়ার চেষ্টা করে। সবগুলো বিষয় গোয়েন্দা পুলিশ নিবিড় পর্যবেক্ষণ করেছে। ওই গ্রুপই কোটাবিরোধী আন্দোলনকে অন্যদিকে নিতে অর্থ, পানি, লাঠি ও অস্ত্র সরবরাহ করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা চালাচ্ছে।’

ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতেও জাতীয় প্রেস ক্লাবে দুটি বাসে আগুন, বিভিন্ন জায়গায় ককটেল নিক্ষেপ করেছে তারা। গাড়িতে আগুন দেয়া কোমলমতি সাধারণ ছাত্রদের কাজ নয়। এ ছাড়া স্বাধীনতাবিরোধী কয়েকটি ছাত্র সংগঠন কয়েকটি জায়গায় মিছিল-সমাবেশ করেছে। আদালতের নির্দেশনা না মেনে কোটাবিরোধী আন্দোলন ভিন্ন দিকে চালানোর অপচেষ্টা চলছে।’

হারুন অর রশীদ আরও বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে বিএনপি অফিসে অভিযান চালিয়ে শতাধিক ককটেল, পাঁচ বোতল পেট্রোল, ৫০০ লাঠিসোঁটা, সাতটি দেশি-বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া ছাত্রদল ও অঙ্গ সংগঠনের সাতজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
কোটা আন্দোলনকারীদের অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে: হারুন
ঝিনাইদহ আওয়ামী লীগের আরও নেতা নজরদারিতে: হারুন
সিয়ামকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রয়োজনে ফের কলকাতা যাবে ডিবি: হারুন
মাস্টারমাইন্ড শাহীনকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরাতে ব্যবস্থা হচ্ছে: হারুন
ফের ডিবিএসএফ সভাপতি আহসান কামরুল, সম্পাদক জিয়াউর রহমান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bobby student shot during quota agitation

কোটার আন্দোলনকালে ববি শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ

কোটার আন্দোলনকালে ববি শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ পুলিশের ছোড়া শটগানের গুলি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রেদোয়ানের ঘাড়ে বিদ্ধ হয়। ছবি: নিউজবাংলা
নথুল্লাবাদ এলাকায় বুধবার কোটাবিরোধী আন্দোলন চলাকালে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ শটগানের গুলি চালায়। এ সময় গুলি এসে লাগে রেদোয়ানের ঘাড়ে। আশপাশের মানুষের সহায়তায় তাকে ইসলামিয়া হাসপাতালে নেয়া হয়।

কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রেদোয়ান উল ইসলাম। তিনি ইংরেজি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বুধবার বরিশাল শহরের নথুল্লাবাদ এলাকায় কোটাবিরোধী আন্দোলন চলাকালে পুলিশের ছোড়া গুলিতে আহত হন তিনি।

বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টায় কোটা আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ গুলি চালায়। এ সময় পুলিশের ছোড়া শটগানের গুলি এসে লাগে রেদোয়ানের ঘাড়ে। আশপাশের মানুষের সহায়তায় তাকে ইসলামিয়া হাসপাতালে নেয়া হয়।

রেদোয়ানের সহপাঠী বাসুদেব কর্মকার বলেন, ‘আমাদের যৌক্তিক আন্দোলনে পুলিশ কেন গুলি চালাবে? পুলিশের ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছে রেদোয়ান। এমন অন্যায় হামলার আমরা যথাযথ বিচার চাই।

‘হামলা করে আমাদের এই ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না।’

আরও পড়ুন:
কোটা আন্দোলনের নেতৃত্বে বিএনপি-জামায়াত: কাদের
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ক্রাইম সিন ফিতা
অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঢাবি, হল ছাড়তে হবে সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে বিজিবি মোতায়েন
ছাত্রলীগ নেতাদের বের করে ঢাবির হলগুলোকে রাজনীতিমুক্ত ঘোষণা আন্দোলনকারীদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Police are evicting the students from the halls of DU

ঢাবির হলগুলো থেকে শিক্ষার্থীদের বের করে দিচ্ছে পুলিশ

ঢাবির হলগুলো থেকে শিক্ষার্থীদের বের করে দিচ্ছে পুলিশ বুধবার বিকেল ৫টার দিকে পুলিশ রাবার বুলেট, টিয়ারগ্যাস আর সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়তে ছুড়তে হলপাড়ার দিকে এগিয়ে যায়। ছবি: নিউজবাংলা
বিকেল ৫টার দিকে পুলিশ রাবার বুলেট, টিয়ারগ্যাস আর সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়তে ছুড়তে হলপাড়ার দিকে এগিয়ে যায়। এ সময় আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ বুলেটবিদ্ধ হন। পরে পুলিশ শিক্ষার্থীদের হল থেকে বেরিয়ে আসতে বলতে থাকে। এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা হলগুলো থেকে একে একে বেরিয়ে আসেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলপাড়া অর্থাৎ বিজয় একাত্তর হল, কবি জসিম উদ্‌দীন হল, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল থেকে শিক্ষার্থীদের বের করে দিচ্ছে পুলিশ। এর আগে পুলিশ হল পাড়ার দিকে রাবার বুলেট ছুড়লে এক শিক্ষার্থী আহত হন।

আহত শিক্ষার্থী আব্দুল হান্নান মাসউদ আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক।

পরে পুলিশের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের বের হয়ে আসতে বললে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ব্যাগপত্র গুছিয়ে হলগুলো থেকে একে একে বের হয়ে আসেন।

ঢাবির হলগুলো থেকে শিক্ষার্থীদের বের করে দিচ্ছে পুলিশ

এর আগে বুধবার বিকেল থেকে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে শিক্ষার্থীরা হল পাড়া, মল চত্বরের দিকে অবস্থান নিলে পুলিশ তাদের লক্ষ্য করে রাবার বুলেট, টিয়ারগ্যাস আর সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। এতে কোনো শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন কিনা তাৎক্ষণিকভাবে সে সম্পর্কে জানা যায়নি। পুলিশ চারদিক থেকে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে হল পাড়ার দিকে এগুতে থাকে।

কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে নিহতদের গায়েবানা জানাজা ও কফিন মিছিল আয়োজনকে কেন্দ্র করে দুপুর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মুহুর্মুহু সাউন্ড গ্রেনেড এবং টিয়ারশেল নিক্ষেপ করছে পুলিশ।

ঢাবির হলগুলো থেকে শিক্ষার্থীদের বের করে দিচ্ছে পুলিশ
ক্যাম্পাসে গায়েবানা জানাজায় শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

দুপুর ২টায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের এই কর্মসূচি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে শুরু হওয়ার কথা ছিল। বেলা আড়াইটার দিকে রাজু ভাস্কর্যে আসেন গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির আহবায়ক এবং ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেনসহ আরও তিনজন। তাদের পিছু পিছু আসেন একদল সমাজকর্মী। এ সময় পুলিশ তাদের বাঁশি দিয়ে তাদেরকে রাজু ভাস্কর্য চত্বর থেকে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। পুলিশের জবরদস্তির মুখে মাটিতে শুয়ে পড়েন আখতার এবং তার সঙ্গেথাকা আরও কয়েকজন।

ঢাবির হলগুলো থেকে শিক্ষার্থীদের বের করে দিচ্ছে পুলিশ

এ সময় তিনি বলেন, ‘এটা আমাদের ক্যাম্পাস। আমি এখান থেকে কোথাও যাব না। প্রয়োজনে আমার লাশ যাবে।’

কিছুক্ষণ পর পুলিশ আরও সামনে এগুনোর চেষ্টা করলে আখতারকে রক্ষা করতে ঘিরে ধরেন আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী।

এসময় পরপর কয়েকটি সাউন্ড গ্রেনেডের বিস্ফোরণ ঘটায় পুলিশ। এতে সবাই ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে পুলিশ আখতারকে আটক করে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায়।

ঢাবির হলগুলো থেকে শিক্ষার্থীদের বের করে দিচ্ছে পুলিশ
Caption

অন্যদিকে বেলা ৩টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে জড়ো হতে থাকেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। বিকেল ৪টায় এখানে নিহতদের গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে শিক্ষার্থীরা টিএসসির দিকে এগুতে চাইলে টিএসসিতে অবস্থান করা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদের দিকে মুহুর্মুহু সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারগ্যাস ছোড়ে। এখানে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলে।

বিকেল ৫টার দিকে পুলিশ হলপাড়ার দিকে এগিয়ে যায়। এ সময় পুলিশের পক্ষ থেকে রাবার বুলেট, টিয়ারগ্যাস আর সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করতে দেখা যায়।

আরও পড়ুন:
অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঢাবি, হল ছাড়তে হবে সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে বিজিবি মোতায়েন
ছাত্রলীগ নেতাদের বের করে ঢাবির হলগুলোকে রাজনীতিমুক্ত ঘোষণা আন্দোলনকারীদের
আবাসে ফিরেছেন শিক্ষার্থীরা, পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা রাতে
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Crime scene tape in front of BNP central office

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ক্রাইম সিন ফিতা

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ক্রাইম সিন ফিতা বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অভিযান শেষে ফটকের সামনের এলাকা ক্রাইম সিন ফিতা দিয়ে ডিবি চিহ্নিত করে রেখেছে বলে জানিয়েছে ইউএনবি। ছবি: বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ
বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বুধবার দেড়টার দিকে দেয়া পোস্টে বলা হয়, ‘রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের মূল ফটকে তালা লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। বুধবার (১৭ জুলাই) সকাল থেকেই কার্যালয়টির মূল ফটকের তালা ঝুলতে দেখা গেছে। সিআইডি পুলিশ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের মূল ফটকে ক্রাইম সিন ফিতা দিয়ে ঘিরে দিয়েছে। এর চারদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পুলিশ সদস্যদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।’

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অভিযান শেষে ফটকের সামনের এলাকা ক্রাইম সিন ফিতা দিয়ে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) চিহ্নিত করে রেখেছে বলে জানিয়েছে ইউএনবি।

বার্তা সংস্থাটির প্রতিবেদনে জানানো হয়, বুধবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিএনপি কার্যালয়ের কলাপসিবল গেটও বাইরে থেকে তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। কার্যালয়ের আশপাশের ফুটপাতে পথচারীদের হাঁটতে দেয়া হচ্ছে না। কার্যালয় এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

বিএনপি কার্যালয়ের এক কর্মী ইউএনবিকে জানান, মঙ্গলবার রাতে পুলিশ তাদের তাড়িয়ে দিয়ে কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং পরে অভিযান চালায়।

তিনি আরও বলেন, ‘এর পর থেকে আমরা ভেতরে ঢুকতে পারছি না। পুলিশ অফিসের সামনে সিকিউরিটি টেপ লাগিয়ে দিয়েছে।’

এদিকে বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বুধবার দেড়টার দিকে দেয়া পোস্টে বলা হয়, ‘রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের মূল ফটকে তালা লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। বুধবার (১৭ জুলাই) সকাল থেকেই কার্যালয়টির মূল ফটকের তালা ঝুলতে দেখা গেছে।

‘সিআইডি পুলিশ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের মূল ফটকে ক্রাইম সিন ফিতা দিয়ে ঘিরে দিয়েছে। এর চারদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পুলিশ সদস্যদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।’

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে মঙ্গলবার শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে অন্তত ছয়জন নিহত হন।

বিএনপি কার্যালয়ের সামনে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের পর সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ।

গতকাল রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ডিবির একটি দল অভিযান চালিয়ে ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রওনকুল ইসলাম শ্রাবণসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করে।

ডিএমপি ডিবির প্রধান হারুন অর রশীদ দাবি করেন, বিএনপি কার্যালয়ের শৌচাগার থেকে বিপুল পরিমাণ ককটেল ও বাঁশের লাঠি উদ্ধার করা হয়েছে। শ্রাবণসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এদিকে জরুরি ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘সরকারের মাস্টার প্ল্যানের অংশ হিসেবে বিএনপি কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

তিনি বিএনপি কার্যালয়ে ডিবির অভিযানকে ‘নোংরা তামাশা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ এ নেতা আরও বলেন, ‘মানুষকে বিভ্রান্ত করতে তারা মধ্যরাতে কাপুরুষের মতো আমাদের অফিসে ঢুকে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বা পুলিশি নিরাপত্তায় ক্ষমতাসীন দলের লোকজন বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ককটেল নিক্ষেপ করে বলেও দাবি করেন রিজভী।

তিনি আরও বলেন, সারা দেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিএনপি অফিসে অভিযান চালিয়েছে।

আরও পড়ুন:
সিলেটে ছাত্রলীগের ধাওয়া, শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ
চট্টগ্রামে ছাত্রলীগ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৩
সিরাজগঞ্জে পুলিশ-আন্দোলনকারী সংঘর্ষ গুলি, আহত ১৫
জবি শিক্ষার্থীদের সংযত থাকার আহ্বান
জাবিতে রাতভর তাণ্ডব: ঘটনা তদন্তে কমিটি, বহিরাগত প্রবেশ নিষিদ্ধ

মন্তব্য

p
উপরে