× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The government wants to ensure 100 paperless services by 2041
google_news print-icon

২০৪১ সালের মধ্যে শতভাগ কাগজহীন সেবা নিশ্চিত করতে চায় সরকার

২০৪১-সালের-মধ্যে-শতভাগ-কাগজহীন-সেবা-নিশ্চিত-করতে-চায়-সরকার
প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রশাসন ব্যবস্থার রূপান্তর ঘটাতে কাগজহীন সেবা প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ছবি: সংগৃহীত
সম্প্রতি সংসদে উপস্থাপিত একটি সরকারি নথিতে বলা হয়, প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের চাহিদা অনুযায়ী সরকারি পরিষেবাগুলোকে প্রস্তুত করতে শতভাগ কাগজহীন, সরলীকৃত ও পারসোনালাইজড করা হবে।

‘স্মার্ট বাংলাদেশ: ২০৪১’ রূপকল্পের অংশ হিসেবে সব পরিষেবা সম্পূর্ণ কাগজহীন করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রশাসন ব্যবস্থার রূপান্তর ঘটাতেই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি সংসদে উপস্থাপিত একটি সরকারি নথিতে বলা হয়, সরকারের লক্ষ্য শতভাগ কাগজহীন, সরলীকৃত ও পারসোনালাইজড পরিষেবা প্রদান।

এতে আরও বলা হয়েছে, ‘প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের চাহিদা অনুযায়ী সরকারি পরিষেবাগুলোকে প্রস্তুত করতে শতভাগ কাগজহীন, সরলীকৃত ও পারসোনালাইজড করা হবে।’

এই রূপান্তরের মূল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে- স্মার্ট বাংলাদেশ ধারণার মাধ্যমে ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরি করে সব সেবা সহজলভ্য ও আন্তঃব্যবহারযোগ্য করে তোলা। এ ছাড়াও, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া দ্রুত করতে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের জন্য তথ্য ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ড্যাশবোর্ড তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের। খবর ইউএনবি

২০৪১ সালের মধ্যে, জাতিসংঘের ই-গভর্নমেন্ট ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্সে ৫০-এর ঘরে অবস্থান করার লক্ষ্যে নিজের অবস্থানের উন্নতিতে কাজ করছে সরকার। তাছাড়া প্রযুক্তিগত অগ্রগতির মাধ্যমে কর-জিডিপি অনুপাত কমপক্ষে ২২ শতাংশে উন্নীত করার চেষ্টাও চলমান।

সরকারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হচ্ছে, সব নাগরিকের জন্য সর্বজনীন ও মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, ব্যাপক সামাজিক কল্যাণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারকে শক্তিশালী করা।

স্মার্ট বাংলাদেশের অন্যতম কৌশলগত লক্ষ্য হলো, ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে একটি উদ্ভাবনী জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। এ লক্ষ্যে সরকার ফ্রিল্যান্সার, সিএমএসএমই উদ্যোক্তা ও স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠাতাদের গড়ে তুলছে।

এই কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ২০৪১ সালের মধ্যে প্রতিটি পরিবারের অন্তত একজন সদস্যকে স্মার্ট এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ ডেভেলপমেন্ট (এসইইডি)-ভিত্তিক সুবিধা দেয়ার লক্ষ্যে ‘ওয়ান ফ্যামিলি ওয়ান সিড’ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এই উদ্যোগ দেশজুড়ে উদ্যোক্তাদের একটি শক্তিশালী ভিত গড়ে তোলার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

এছাড়া, ‘হার পাওয়ার প্রজেক্ট: এমপাওয়ারমেন্ট অফ উইমেন উইথ দ্য হেল্প অফ টেকনোলজি’ নামক একটি প্রকল্পও পরিচালনা করছে সরকার। এই প্রকল্পের অধীনে ৪৪টি জেলার ১৩০টি উপজেলার ২৫ হাজার ১২৫ জন নারীকে আইটি প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। পাঁচ মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে এক মাসের মেন্টরশিপ ও একটি ল্যাপটপ দেয়া হয়।

তরুণ উদ্যোক্তাদের সক্রিয়ভাবে সহায়তা করতে সরকার ‘ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যাকাডেমি’ (আইডিইএ) প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করেছে। নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগ ও স্টার্টআপকে উৎসাহিত করতে উদ্ভাবনের কেন্দ্রস্থলের বিকেন্দ্রীকরণের অংশ হিসেবে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ লঞ্চপ্যাড’ নামে ভেঞ্চার স্টুডিও প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।

স্টার্টআপগুলোকে আরও সহায়তা করতে ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড’ নামের কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছে সরকার। এই কোম্পানি একটি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম, যা স্টার্টআপগুলোর যাত্রা শুরু ও বেড়ে ওঠার সময় বিনিয়োগের মাধ্যমে সাহায্য করে এবং জাতীয় পর্যায়ে নীতি প্রণয়নে যুক্ত করে।

এ ছাড়াও মিশন গভর্নমেন্ট ব্রেইনের (জি-ব্রেইন) অধীনে বিভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত উদ্যোগের বিকাশ ঘটানো হচ্ছে, যেমন: পার্সোনালাইজড লার্নিং ইনভেস্টরজিপিটি, লজিপিটি, হেলথজিপিটি ও ক্লাইমেটজিপিটি। এসব উদ্যোগের লক্ষ্য বিভিন্ন খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার করে দক্ষতা ও পরিষেবা সরবরাহ বাড়ানো।

স্মার্ট প্রশাসনে রূপান্তরকে সহজতর করতে আরও বেশ কয়েকটি উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি ইমেইল নীতিমালা ২০১৮ এবং ৪৭টি মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও ৬৪টি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ ১৮ হাজার ৪৩৪টি সরকারি অফিসকে একটি সমন্বিত নেটওয়ার্কে একীভূত করা।

এদিকে, কোনো বাড়তি ইউএসবি সিস্টেম বা ডঙ্গলের ব্যবহার ছাড়াই ই-সই প্রযুক্তি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)। এরইমধ্যে ২৭৩ জন কর্মকর্তা ই-সই ব্যবহার করছেন। পাশাপাশি ডিজিটাল পৌরসভা পরিষেবা সিস্টেমের (ডিএমএসএস) কাজ চলছে।

কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (কোইকা) সহায়তায় ৯টি পৌরসভা এবং একটি সিটি করপোরেশনে ই-পরিষেবা সরবরাহ করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ৩২৯টি পৌরসভায় ১১টি ই-সেবা দেয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে ‘ন্যাশনাল মিউনিসিপ্যাল ডিজিটাল সার্ভিস’ প্রকল্প।

সরকারি অফিসগুলোকে কাগজহীন করতে ৯টি মডিউলসহ একটি এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং (ইআরপি) সিস্টেম তৈরি করা হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫টি মডিউল আইসিটি ও পরিকল্পনা বিভাগে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এ ছাড়াও সরকার ও জনগণের মধ্যে দূরত্ব নিরসনে চালু করা হয়েছে নাগরিকবান্ধব ওয়েব পোর্টাল ‘জনতার সরকার’। নাগরিক ও সরকারের মধ্যে স্বচ্ছ ও পারস্পরিক যোগাযোগের সুবিধার্থে এই পোর্টাল বর্তমানে ১১টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে যুক্ত করেছে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Four European countries will take three thousand workers from Bangladesh Foreign Minister

বাংলাদেশ থেকে তিন হাজার কর্মী নেবে ইউরোপের চার দেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশ থেকে তিন হাজার কর্মী নেবে ইউরোপের চার দেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেন মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি কোটা আন্দোলন থেকে সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করছে। সুপ্রিম কোর্ট স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দিয়েছে। অর্থাৎ সরকার যে কোটা বাতিল করেছিল, সেটিই বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। এরপরও যখন আন্দোলন হয় তখন বুঝতে হবে এর সঙ্গে রাজনীতি যুক্ত হয়েছে।’

ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত চারটি দেশ ইতালি, জার্মানি, গ্রিস ও রোমানিয়া বাংলাদেশ থেকে তিন হাজার কর্মী নেবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলির বিদায়ী সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

ড. হাছান জানান, এই তিন হাজার কর্মীর দক্ষতার ওপর নির্ভর করে ভবিষ্যতে আরও কর্মী নেয়ার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন ইইউ রাষ্ট্রদূত। পাশাপাশি বাংলাদেশ ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পরও ২০৩২ সাল পর্যন্ত যাতে আমাদের পণ্যের জন্য ইইউ থেকে জিএসপি বা শুল্কহ্রাস সুবিধাসহ বিদ্যমান অন্যান্য সুবিধা যেন অব্যাহত থাকে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

কোটা সংস্কার আন্দোলন

চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোটার বিষয়টি আদালতের মাধ্যমে এসেছে। সরকার শিক্ষার্থীদের ওপর সহানুভূতিশীল হয়ে পুরো কোটাই বাতিল করে দিয়েছিল। হাইকোর্ট সেটি পুনর্বহাল করেছিল, সুপ্রিম কোর্ট স্থগিত করেছে।

কোটা আদালতে বিচারাধীন একটি বিষয়। সে কারণে এর ওপর সরকার কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারে না। তাহলে আদালত অবমাননা হবে। আদালতের মাধ্যমেই এর সমাধান হতে হবে।

ড. হাছান বলেন, এখন যে আন্দোলন হচ্ছে সেটির কোনো যৌক্তিকতা আছে বলে মনে করি না। এটি আদালতের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোও বটে। সরকার সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিল। সে কারণে কোটা পদ্ধতি বাতিল করেছিল। তবে বাতিল করার পরিপ্রেক্ষিতে অনেক সমস্যাও দেখা দিয়েছে। যেমন অনেক জেলা থেকে অনেক ক্যাডারে কেউ সুযোগ পাচ্ছে না, মেয়েদের অংশগ্রহণ কমে গেছে।

কোটা আন্দোলন থেকে বিএনপি সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করছে কি না- এ প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান বলেন, ‘বিএনপি সবসময় চায় দেশকে অস্থিতিশীল করতে। নিজেদের তো কিছু করার ক্ষমতা নেই, তারা অপরের ঘাড়ে চেপে বসে। কোনো সময় কোটার ওপর ভর করে, কোনো সময় তেল-গ্যাসের ওপর ভর করে, কোনো সময় আবার অন্য কিছুর ওপর ভর করে।

বিএনপি কোটা আন্দোলন থেকেও সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করছে। সুপ্রিম কোর্ট স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দিয়েছে। অর্থাৎ সরকার যে কোটা বাতিল করেছিল, সেটিই বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। এরপরও যখন আন্দোলন হয় তখন বুঝতে হবে এটির সঙ্গে রাজনীতি যুক্ত হয়েছে।

বিমসটেক রিট্রিট

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ১১-১২ জুলাই অনুষ্ঠিত বিমসটেক দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের দ্বিতীয় রিট্রিট সম্মেলনের বিষয়ে সাংবাদিকদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জলবায়ু পরিবর্তন, চিকিৎসা, জ্বালানি নিরাপত্তা খাতে সহায়তা এবং নেপাল ও ভুটানে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে সবুজ শক্তি ব্যবহার বৃদ্ধি নিয়ে রিট্রিটে কথা হয়েছে।

তিনি জানান, আগামী ৪ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ডে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব নেবে বাংলাদেশ।

রিট্রিটের সাইডলাইনে ভারত ও মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক নিয়ে মন্ত্রী হাছান জানান, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশের জন্য পচনশীল পণ্য আমদানিতে কোটা নির্ধারণের বিষয়টি আবারও এসেছে। তিস্তা বিষয়ে কারিইর দল প্রেরণ, ব্রিকসে অন্তর্ভুক্তি ও জয়েন্ট কনসালটেটিভ কমিটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

পাশাপাশি মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তারা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করতে চান। কিন্তু সেটি রাখাইনের বর্তমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর।

আরও পড়ুন:
ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গুলির ঘটনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নিন্দা
কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করবেন না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশকে এক বিলিয়ন ইয়েন অর্থসহায়তা দেবে চীন
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ২২ এমওইউর সম্ভাবনা, চুক্তি হবে না
সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক দেখে বিএনপির গাত্রদাহ হচ্ছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Attack on Trump condemnable PM

ট্রাম্পের ওপর হামলা নিন্দনীয়: প্রধানমন্ত্রী

ট্রাম্পের ওপর হামলা নিন্দনীয়: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন। ছবি: ফোকাস বাংলা
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমেরিকার মতো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে একজন রাষ্ট্রপতি প্রার্থীর ওপর এমন হামলার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। এটা গ্রহণযোগ্য নয়।’

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, আমেরিকার মতো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে একজন রাষ্ট্রপতি প্রার্থীর ওপর এমন হামলার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক।

চীনে তিন দিনের সফর নিয়ে রোববার গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যকালে তিনি এই নিন্দা জানান।

এক সাংবাদিক ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর হামলার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘আমেরিকা তাদের গণতন্ত্র নিয়ে অনেক গর্ববোধ করে। আমরা তো গুলি খাওয়ায় অভ্যস্ত, অনবরতই খাচ্ছি। সেখানে একজন বিরোধী নেতাকে এভাবে গুলি করা...।

‘অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন। তার একেবারে কানের ওপর দিয়ে গুলি চলে গেছে। যদি একটু এদিক-ওদিক হতো তিনি আর বাঁচতেন না।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘এটা আমেরিকার মতো জায়গায় হয় কী করে? আমেরিকার মতো সভ্য দেশে এ ধরনের ঘটনা ঘটবে কেন- সেটা তো আমাদের একটা প্রশ্ন। বাংলাদেশে হলে সরকারকে দায়ী করত। এক গ্রুপ সরকারকে দায়ী করত, আরেক গ্রুপ বলত যে নিজেই মারছি। এখানে লাগাম ছাড়া কথা বলা হয়। প্রেসিডেন্ট বাইডেনও এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন।

‘এটা গ্রহণযোগ্য নয়। যারা আমাদের কথায় কথায় এরকম দোষ দেয় তারাও এখান থেকে শিক্ষা নিতে পারে।’

আরও পড়ুন:
আমার সাবেক পিয়ন ৪০০ কোটি টাকার মালিক, হেলিকপ্টার ছাড়া চলে না: প্রধানমন্ত্রী
কোটার সমাধান আদালত থেকেই আসতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
চীন থেকে শূন্য হাতে ফেরার দাবিকারীরা মানসিকভাবে অসুস্থ: প্রধানমন্ত্রী
রপ্তানিযোগ্য নতুন পণ্য ও বাজার খুঁজতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিকেলে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Foreign Minister condemns Donald Trump shooting incident

ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গুলির ঘটনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নিন্দা

ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গুলির ঘটনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নিন্দা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে সহিংসতা ছিল না। ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর যে হামলা হয়েছে তাতে আমরা উদ্বিগ্ন। আমরা এর নিন্দা জানাই। রাজনীতিতে সহিংসতার কোনো স্থান থাকা উচিত নয় বলে আমরা মনে করি।’

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ায় এক সমাবেশে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও আসন্ন নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রোববার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার। রাজনীতিতে আমরা কোনো সহিংসতা চাই না। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে সহিংসতা ছিল না। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর যে হামলা হয়েছে তাতে আমরা উদ্বিগ্ন। আমরা এর নিন্দা জানাই। রাজনীতিতে সহিংসতার কোনো স্থান থাকা উচিত নয় বলে আমরা মনে করি।’

প্রসঙ্গ, যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ায় নির্বাচনি প্রচারাভিযানের সময় শনিবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটের দিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটে। গুলিতে ট্রাম্পের ডান কানের উপরের অংশ ফুটো হয়ে গেছে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হামলাকারী পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে। নিহত হয়েছেন সমাবেশে অংশ নেয়া ট্রাম্পের এক সমর্থকও।

আরও পড়ুন:
ট্রাম্পের ওপর হামলাকারীর পরিচয় শনাক্ত
ট্রাম্প নিরাপদ আছেন: সিক্রেট সার্ভিস
ট্রাম্পের ওপর হামলার নিন্দা, ঐক্যের ডাক বাইডেনের
সমাবেশে ট্রাম্পের কানে গুলি, হামলাকারী নিহত
কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করবেন না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
My ex pion owner of Tk 400 crore does not go without helicopter PM

আমার সাবেক পিয়ন ৪০০ কোটি টাকার মালিক, হেলিকপ্টার ছাড়া চলে না: প্রধানমন্ত্রী

আমার সাবেক পিয়ন ৪০০ কোটি টাকার মালিক, হেলিকপ্টার ছাড়া চলে না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন। ছবি: ফোকাস বাংলা
সরকার প্রধান বলেন, ‘যারা প্রশ্নপত্র ফাঁস করে এবং যারা ফাঁস হওয়া প্রশ্ন কিনে পরীক্ষা দিয়ে চাকরি পেয়েছে, তারা তো সমান অপরাধী। তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া উচিত। খুঁজে পেলে, প্রমাণ পেলে অবশ্যই ফাঁস হওয়া প্রশ্নে চাকরি পাওয়াদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমার বাসায় কাজ করে গেছে, পিয়ন; সে এখন ৪০০ কোটি টাকার মালিক। হেলিকপ্টার ছাড়া চলে না। এটা বাস্তব কথা। কী করে বানালো এই টাকা? যখন আমি জেনেছি, তাকে বাদ দিয়ে কার্ড সিজ করে ব্যবস্থা নিয়েছি। এটা তো হয়।’

গণভবনের রোববার চীন সফর-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘কোন ড্রাইভার কত টাকা বানালো, কে কী বানালো, সেটা খোঁজ করে ধরা হচ্ছে বলেই সবাই জানতে পারছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রথমে আমরা জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি। এখন জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে, তাদের থামিয়েছি। এবার আমরা দুর্নীতি নিয়ে কাজ করছি। দুর্নীতবাজদের ধরছি। এটা চলতে থাকবে।’

‌‘অনেকে আমাকে বলেন যে এটা করলে সরকারের ইমেজ নষ্ট হবে। আমি সেটা মনে করি না। যারা অপরাধ করছে, দুর্নীতিতে জড়াচ্ছে, তাদেরকে ধরতে হবে। এক্ষেত্রে ছাড় দেয়া হবে না।’

সরকার প্রধান বলেন, ‘যারা প্রশ্নপত্র ফাঁস করে এবং যারা ফাঁস হওয়া প্রশ্ন কিনে পরীক্ষা দিয়ে চাকরি পেয়েছে, তারা তো সমান অপরাধী। তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া উচিত। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এখন তাদের খুঁজে দেবে কে? খুঁজে পেলে, প্রমাণ পেলে অবশ্যই ফাঁস হওয়া প্রশ্নে চাকরি পাওয়াদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

‘ধরার পর এগুলো চোখে আসে। তাছাড়া তো হয় না। যখনই ধরা পড়ে তখনই আমরা ব্যবস্থা নেই। এটা এক ধরনের মানসিকতা।’

তিনি বলেন, ‘আরেকটি কথা, সারাবিশ্বেই যে দেশ অর্থনীতিতে উন্নতি করে, সেখানেই এ ধরনের কিছু অনিয়ম হয়; কিছু লোকের হাতে চলে যায়, কিছু টাকা-পয়সা বানায়। তারা তো অপেক্ষা করে থাকে। যুগ যুগ ধরে এভাবেই চলে আসছে।’

আরও পড়ুন:
কোটার সমাধান আদালত থেকেই আসতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
চীন থেকে শূন্য হাতে ফেরার দাবিকারীরা মানসিকভাবে অসুস্থ: প্রধানমন্ত্রী
রপ্তানিযোগ্য নতুন পণ্য ও বাজার খুঁজতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিকেলে
ফুটবলের উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Quota solution should come from court PM

কোটার সমাধান আদালত থেকেই আসতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

কোটার সমাধান আদালত থেকেই আসতে হবে: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন। ছবি: সংগৃহীত
কোটা অব্যাহত রাখার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধরা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন, পরিবার-পরিজনের কথা ভুলে গিয়ে জীবন উৎসর্গ করেছেন। রাষ্ট্রকে তার দায় শোধ করতে হবে। মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা কোটা পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতিরা কোটা পাবে? তা তো আমরা দিতে পারি না। মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়ার অধিকার তাদের কে দিয়েছে?’

সরকারি চাকরিতে কোটার বিষয়টি আদালতেই সমাধান হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘বিষয়টি আদালতে গেছে। আদালত অন্তর্বর্তীকালীন একটি রায় দিয়েছে। আন্দোলনকারীদের তাদের বক্তব্য তুলে ধরার জন্য ডেকেছে। আদালতের রায়ের পর আমাদের কিছু করার নেই।’

রোববার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে সরকার প্রধান এসব কথা বলেন।

কোটা আন্দোলনকারীরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সমাধান চান- এ সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আদালত রায় দেয়ার পর সেখানে আর কিছু করা যায় না। আমাদের সংবিধান সংসদ কার্যপ্রণালী বিধিতেও আমাকে এমন কোনো সুযোগ দেয়া হয়নি।’

যারা আন্দোলন করছে তারা এসব বিষয়ে জানে কিনা- এমন প্রশ্ন রাখেন সরকার প্রধান।

তিনি বলেন, ‘আন্দোলনের কারণে কিন্তু আমরা সব কোটা বাতিল করে দিয়েছিলাম। তারপর কী হয়েছে আপনার দেখেছেন। নারীর সংখ্যা কমে গেছে।

‘তাদের বুঝতে হবে যে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আমাদের কিছু করার নেই। কিন্তু তারা আইন মানবে না, আদালত মানবে না, সংবিধান মানবে না। একটা রাষ্ট্র কিভাবে চলে তাদের বুঝতে

হবে।’

আন্দোলনকারীদের উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছে করুক। কিন্তু ধ্বংসাত্মক বা সহিংসতা করলে আইন আইনের গতিতেই চলবে।’

সরকারি চাকরিতে কোটা অব্যাহত রাখার পক্ষে প্রধানমন্ত্রী কয়েকটি যুক্তিও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আন্দোলন করার ফলে কোটা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তারপর প্রশাসন ও পুলিশে নারীদের চাকরি পাওয়ার সুযোগ কমে যায়।

‘কিছু অঞ্চল আছে যেগুলো এখনও পিছিয়ে আছে। তাদের অধিকার রক্ষা করতে হবে। দেখা গেছে কোটা না থাকায় ২৩টি জেলা থেকে চাকরি হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধরা যেখানে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন, পরিবার-পরিজনের কথা ভুলে গিয়ে জীবন উৎসর্গ করেছেন, রাষ্ট্রকে তার দায় শোধ করতে হবে।

‘মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা কোটা পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতিরা কোটা পাবে? তা তো আমরা দিতে পারি না। মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়ার অধিকার তাদের কে দিয়েছে?’

আরও পড়ুন:
চীন থেকে শূন্য হাতে ফেরার দাবিকারীরা মানসিকভাবে অসুস্থ: প্রধানমন্ত্রী
রপ্তানিযোগ্য নতুন পণ্য ও বাজার খুঁজতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিকেলে
ফুটবলের উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী
চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন রোববার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Those demanding to return empty handed from China are mentally ill PM

চীন থেকে শূন্য হাতে ফেরার দাবিকারীরা মানসিকভাবে অসুস্থ: প্রধানমন্ত্রী

চীন থেকে শূন্য হাতে ফেরার দাবিকারীরা মানসিকভাবে অসুস্থ: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন। ছবি: সংগৃহীত
শেখ হাসিনা বলেন, ‘চীন সফরে ২১টি সমাঝোতা স্মারক ও কয়েকটি প্রকল্পসহ বেশ কিছু অর্জন হয়েছে। এরপরও এ ধরনের সমালোচনা মানসিকভাবে অসুস্থতার বহিঃপ্রকাশ।’

চীন থেকে শূন্য হাতে ফিরেছেন বলে যারা দাবি করছেন তারা মানসিকভাবে অসুস্থ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘এটা মানসিক অসুস্থতা ছাড়া আর কিছু নয়। কেননা চায়না সফরে ২১টি সমাঝোতা স্মারক ও কয়েকটি প্রকল্পসহ বেশ কিছু অর্জন হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে রোববার সংবাদ সম্মেলন শেষে প্রশ্নের উত্তরে সরকার প্রধান এই মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের ওপর এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ ধরনের সমালোচনা নতুন নয়। আমি দেশে ফেরার পর থেকেই আমাকে এ ধরনের কথা শুনে আসতে হচ্ছে। একটি গোষ্ঠী অব্যাহতভাবে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এসবকে এখন আর কিছু মনে করি না।’

খেদ প্রকাশ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘চীন সফরে কী কী অর্জন হয়েছে তা সবাই জানে। এরপরও এ ধরনের সমালোচনা মানসিকভাবে অসুস্থতার বহিঃপ্রকাশ।’

আরও পড়ুন:
দেশের উদ্দেশে বেইজিং ত্যাগ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী আজই দেশে ফিরছেন
শি-হাসিনা বৈঠক: বাংলাদেশকে অনুদান ও ঋণ সহায়তা দেবে চীন
২১ সহযোগিতা নথিতে সই ঢাকা-বেইজিংয়ের
বাংলাদেশ-চীন প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠক শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Memorandum of 12 students in Bangabhaban

বঙ্গভবনে স্মারকলিপি ১২ শিক্ষার্থীর

বঙ্গভবনে স্মারকলিপি ১২ শিক্ষার্থীর বঙ্গভবন অভিমুখী পদযাত্রায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের একাংশ। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা রোববার বেলা আড়াইটার দিকে বঙ্গভবনে ঢোকেন। আর বাকি শিক্ষার্থীরা গুলিস্তানের বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের সামনে বসে অবস্থান নেন। দুইটা ৫৫ মিনিটে শিক্ষার্থীরা স্মারকলিপি জমা দেন রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিবের কাছে।

জাতীয় সংসদে জরুরি অধিবেশন ডেকে সরকারি চাকরির সব গ্রেডে কোটার যৌক্তিক সংস্কারের জন্য বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতিকে স্মারকলিপি দিয়েছে শিক্ষার্থীদের ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দল।

শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা রোববার বেলা আড়াইটার দিকে বঙ্গভবনে ঢোকেন। আর বাকি শিক্ষার্থীরা গুলিস্তানের বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের সামনে বসে অবস্থান নেন। দুইটা ৫৫ মিনিটে শিক্ষার্থীরা স্মারকলিপি জমা দেন রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিবের কাছে।

শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের মধ্যে কয়েকজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন সারজিস আলম, নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, হাসিব আল ইসলাম, রিফাত রশিদ, হান্নান মাসুদ, সুমাইয়া আক্তার, আবদুল কাদের।

এর আগে তিন দফায় পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙেন শিক্ষার্থীরা। দুপুর ১২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার থেকে তাদের পূর্বঘোষিত পদযাত্রা শুরু হয়।

এরপর শিক্ষার্থীরা টিএসসি, শাহবাগ, মৎস্য ভবন মোড় হয়ে শিক্ষা ভবন মোড়ে এলে প্রথম দফায় পুলিশের বাধার মুখে পড়ে শিক্ষার্থীরা, তবে সেখানে কোনো ব্যারিকেড দেয়া ছিল না।

পুলিশ মানব ব্যারিকেড তৈরি করলে সেটি ভেঙে জিপিও মোড়ের দিকে এগিয়ে যান শিক্ষার্থীরা।

পরে জিপিও মোড়ে ব্যারিকেড বসায় পুলিশ৷ সেখানে দ্বিতীয় দফায় শিক্ষার্থীদের আটকে দেয়া হয় এবং আন্দোলনের সমন্বয়কদের অনুরোধ করা হয় আর সামনে না যাওয়ার জন্য। তাদের ১০ জন প্রতিনিধি প্রেরণের প্রস্তাব করে পুলিশ।

এ প্রস্তাবে রাজি হয়ে বঙ্গভবনে শিক্ষার্থীদের ১২ জন প্রতিনিধি যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেন এবং বাকি শিক্ষার্থীরা জিপিও মোড়ে বসে পড়েন।

এদিকে ১৫ থেকে ২০ মিনিট জিপিও মোড়ে অবস্থানের পর সেই মোড়ের ব্যারিকেডও ভেঙে ফেলেন শিক্ষার্থীরা। এরপর তারা বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের দিকে এগিয়ে যান, তবে পুলিশ ও যানজটের কারণে শিক্ষার্থীরা কয়েক ভাগ হয়ে যান।

কিছু শিক্ষার্থী গুলিস্তান মোড়ে চলে যান আর কিছু শিক্ষার্থী মাওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামের সামনে দাঁড়িয়ে যান। পরে এ শিক্ষার্থীরা পাশের রাস্তা দিয়ে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে এলে বাকি শিক্ষার্থীরা সেখানে থাকা পুলিশের মানব ব্যারিকেডও মাড়িয়ে ১০ থেকে ১২ ফুট এগোলে ফের ব্যারিকেডের মুখে পড়েন। পরে সেখানেই অবস্থান নেন তারা।

আরও পড়ুন:
কোটা আন্দোলনকারীদের নামে শাহবাগ থানায় মামলা পুলিশের
আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক কাদেরের
কোটা নিয়ে আন্দোলনকারীদের দাবি সঠিক নয়: সেলিম মাহমুদ
পুলিশি হামলার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা

মন্তব্য

p
উপরে