× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
In Sonaimuri haze surrounds the dead body of the madrasa student
google_news print-icon

সোনাইমুড়িতে মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ ঘিরে ধোঁয়াশা

সোনাইমুড়িতে-মাদ্রাসাছাত্রের-মরদেহ-ঘিরে-ধোঁয়াশা
নিহত মাদ্রাসাছাত্র মান্নান মেহেরাজ। ছবি: সংগৃহীত
নিহত শিক্ষার্থী পানিতে ডুবে মারা গেছে- সিসি টিভি ফুটেজে এমনই দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন সোনাইমুড়ী থানার ওসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পানি থেকে তোলার সময় মরদেহের মাথা থেকে বুক পর্যন্ত বস্তাবন্দি ছিল।

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে মাদ্রাসাছাত্র খুনের ৯ দিন পেরিয়ে গেলেও হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়নি। নিহত ১৪ বছরের মান্নান মেহেরাজের মরদেহের সর্বাংশে স্পষ্ট আঘাতের চিহ্ন থাকলেও খুনি কে, তা এখনও বের করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি, এ ঘটনায় নিহতের পরিবারকে মামলা প্রত্যাহার করতে অব্যাহত হুমকি দেয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

গত বুধবার বিকেলে নাটেশ্বর ইউনিয়নের দারুল আরকাম ইসলামিয়া মাদ্রাসার পুকুর থেকে নাজেরা বিভাগের ছাত্র মেহেরাজের মরদেহ ভেসে ওঠে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মরদেহের মাথা থেকে বুক পর্যন্ত বস্তাবন্দি ছিল। পঁচা-গলা মরদেহটি মাদ্রাসার মোহতামিমের নির্দেশে পুকুর থেকে তুলে আনে ছাত্ররা।

এ ঘটনায় মাদ্রাসা ছাত্রের পরিবার গত শুক্রবার (১৪ জুন) হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করে। অপরদিকে, মাদ্রাসা রোববার (১৬ জুন) এই ঘটনায় গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদ ভিত্তিহীন দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করে কর্তৃপক্ষ।

নিহতের বাবা মো. কামাল বাদী হয়ে হত্যার অভিযোগে শিক্ষক আহসান হাবিবকে আসামি করে ৫ জনের বিরুদ্ধে নোয়াখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৬ নম্বর আমলি আদালতে মামলা করেন। আগামী বুধবার (২৬ জুন) এ মামলার শুনানির দিন ধার্য করেছে আদালত।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, নিহত মান্নান মেহেরাজ তার নাজেরা বিভাগের শিক্ষক আহসান হাবিবকে আরেক শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক বলাৎকার করার ঘটনা দেখে ফেলে। ওই ঘটনা ধামাচাপা দিতে আব্দুল মান্নানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

এদিকে, মাদ্রাসার পুকুর থেকে মেহেরাজের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেন মোহতামিম মহিন উদ্দিন।

সংবাদ সম্মেলনে তার দাবি ছিল, এটি নিছক একটি দুর্ঘটনা। ছেলেটি পানিতে পড়ে মারা গেছে।

এসময় ছাত্র নিহতের ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি।

গত শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে উপজেলার উত্তর মির্জানগর মন্ত্রীর মসজিদের সামনে ভুক্তভোগী পরিবার মানববন্ধন করে।

এসময় তারা উল্লেখ করেন, নাজেরা বিভাগের শিক্ষক আহসান হাবিব আরেক শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক বলাৎকার করার ঘটনা দেখে ফেলায় খুন করা হয় মান্নান মেহেরাজকে। এছাড়া গত সোমবার (১০ জুন) থেকে মেহরাজ নিখোঁজ থাকলেও তার পরিবারকে মাদ্রাসার পক্ষ থেকে কিছুই জানানো হয়নি, থানা থেকে মামলা নেয়া হয়নি। আদালতে মামলা করায় তাদের হুমকি দেয়া হচ্ছে।

তবে সোনাইমুড়ী থানার ওসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, মরদেহটি মাদ্রাসার পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। সিসি টিভি ফুটেজে দেখা গেছে, ছেলেটি পানিতে ডুবে মারা গেছে।

নিহতের বড়ভাই মো. হানিফ বলেন, ‘পানি থেকে উদ্ধার করার পর দেখতে পাই, মেহরাজের মরদেহের ডান হাতের তিনটি আঙ্গুল ক্ষতবিক্ষত। দুই পায়ের উরুতে হাতের ছাপ ও গলায় আঙুলের ছাপ রয়েছে।

তিনি জানান, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাকে জানিয়েছে, সিসি টিভি ফুটেজে দেখা গেছে, গত মঙ্গলবার (১১ জুন) দুপুরে পানিতে ডুবে গেছে মান্নান। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্ররা বক্তব্য দিয়েছে, এ ঘটনার একদিন আগে থেকেই মান্নান নিখোঁজ। আর নিখোঁজের ঘটনার তিন দিন পেরিয়ে গেলেও তা তার পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়নি।

এছাড়া, সিসি টিভি ফুটেজ অনুযায়ী, সোমবার দুপুরে পানিতে ডুবে পরদিন বিকেলে মরদেহ ভেসে ওঠে। মরদেহ দেখতে পেয়েও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ পুলিশকে কিংবা নিহতের পরিবারকে কিছুই জানায়নি। পরে প্রতিবেশীর মাধ্যমে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা জানতে পেরে মাদ্রাসায় গিয়ে মরদেহ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে পরিবারের সদস্যরা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

অন্যদিকে, পুলিশ সিসি টিভি ফুটেজ দেখতে চাইলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ‘হার্ডডিস্ক মাইজদিতে রয়েছে’ জানায়। এর দুই ঘণ্টা পর মাইজদি থেকে হার্ডডিস্ক এলে সিসি টিভি ফুটেজ দেখানো হয় পুলিশকে।

এদিকে, নিহত মাদ্রাসা ছাত্র মান্নান মেহেরাজ সাঁতার জানত বলে জানিয়েছেন তার ভাই মো. হানিফ।

আরও পড়ুন:
পরিচালকের বিরুদ্ধে মাদ্রাসা ও এতিমখানার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
ফুটবল খেলার ‘অপরাধে’ মাদ্রাসায় তিন শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে জখম
‘ছাত্রলীগ নেতা আল-আমিন হত্যাকারীদের খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী’
ছাত্রলীগ নেতা হত্যা: মানববন্ধনে নিস্তব্ধতা, গ্রেপ্তার ১
কুমিল্লায় ছাত্রদল নেতা গুলিবিদ্ধসহ আহত ৮

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The demands of the teachers will be raised with the Prime Minister Who

শিক্ষকদের দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উত্থাপন করা হবে: কাদের

শিক্ষকদের দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উত্থাপন করা হবে: কাদের শনিবার আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির কার্যালয়ে শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষকদের জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিম প্রত্যয় আগামী বছর থেকে চালু হবে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ‘শিক্ষকরা কর্মবিরতির বিষয়ে সাংগঠনিকভাবে আলোচনার পর কর্মসূচির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবেন। আশা করি সমাধান আসবে।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সুপার গ্রেড ও স্কেল প্রদান নিয়ে আলোচনা হবে এবং তাদের দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উত্থাপন করা হবে।

শিক্ষকদের জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিম প্রত্যয় আগামী বছর থেকে চালু হবে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ‘শিক্ষকরা কর্মবিরতির বিষয়ে সাংগঠনিকভাবে আলোচনার পর কর্মসূচির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবেন। আশা করি সমাধান আসবে।’

শনিবার আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

অপরদিকে আন্দোলনরত শিক্ষক নেতারা জানিয়েছে, সব পক্ষের সঙ্গে বৈঠকের পর কর্মবিরতির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি ছিল। প্রধানমন্ত্রী সংসদে যে তথ্যটি দিয়েছিলেন, ২০২৪ সালে স্কিমটি শুরু হবে..., এটা ভুল ছিল। পেনশন স্কিমে অন্তর্ভুক্ত করা হবে ১ জুলাই ২০২৫ থেকে।

‘শিক্ষকদের সুপার গ্রেড প্রদানের বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। আমরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মর্যাদা ও লিখিত দাবিনামা সরকারের উচ্চ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে উত্থাপন করব। পরবর্তী সিদ্ধান্ত আমরা আলাপ-আলোচনা করে নেব।’

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর সবাই যুক্ত হবেন ২০২৫ সালের ১ জুলাই। বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৩ জন শিক্ষক নেতা এসেছিলেন। তাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ভুল বোঝাবুঝি মিটেছে। অচিরেই সমস্যার সমাধান হবে।

শিক্ষকদের কর্মবিরতি কর্মসূচি প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছেন জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তারা সাংগঠনিকভাবে ফেডারেশনের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন৷ তবে শিক্ষকদের সব দাবি চট করে মানা যাবে না। সরকারেরও যুক্তি আছে। তাদের দাবি যুক্তিসংগত হলে বিবেচনা করা হবে।’

বৈঠক শেষে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের মহাসচিব এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘আমাদের তিন দফা দাবি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। ফেডারেশনে আলোচনা করে মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলব।’

শিক্ষকদের চলমান কর্মবিরতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেডারেশনের সঙ্গে কথা বলে, শিক্ষক সমিতির সঙ্গে কথা বলে ও সভা করে আমরা এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেব।’

আরও পড়ুন:
বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে আপাতত চুপ শিক্ষক ফেডারেশন
কোটা আন্দোলনকারীদের দাবি সংবিধানবিরোধী: কাদের
আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক কাদেরের
কোটা আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ভর করেছে: কাদের
কোটার আন্দোলনকে সরকারবিরোধী রূপ দেয়ার চেষ্টা করছে বিএনপি: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Do not mislead young students External Affairs Minister

কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে বিভ্রান্ত করবেন না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে বিভ্রান্ত করবেন না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শনিবার বগুড়ায় আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: সংগৃহীত
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সরকার শিক্ষার্থীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়েই কোটা বাতিল করেছিল, আদালত সেটি পুনর্বহাল করেছিল। সুতরাং কোটার সমাধান আদালতের মাধ্যমেই হতে হবে। বিষয়টি যারা বোঝেন না বা বুঝেও বুঝতে চান না এবং যাদেরকে বিএনপিসহ অন্যরা ইন্ধন দিচ্ছে তাদেরকে বলব, কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে বিভ্রান্ত করবেন না।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘সরকার শিক্ষার্থীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়েই কোটা বাতিল করেছিল, আদালত সেটি পুনর্বহাল করেছিল। সুতরাং কোটার সমাধান আদালতের মাধ্যমেই হতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বিষয়টি যারা বোঝেন না বা বুঝেও বুঝতে চান না এবং যাদেরকে বিএনপিসহ অন্যরা ইন্ধন দিচ্ছে তাদেরকে বলবো, কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে বিভ্রান্ত করবেন না।’

শনিবার সন্ধ্যায় বগুড়া শহরে পৌর এডওয়ার্ড পার্কের শহীদ টিটু মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী প্লাটিনাম রজতজয়ন্তী উদযাপন ও বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতৃবৃন্দের সংবর্ধনা ও প্রয়াতদের মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. হাছান মাহমুদ এসব কথা বলেন।

সরকারি চাকরিতে কোটাপদ্ধতি সংস্কার নিয়ে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রসঙ্গে মন্ত্রী বিশদ ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘কোটা সরকার পুনর্বহাল করেনি। সরকার বরং শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ সালে কোটা বাতিল করেছিল। বাতিলের পর কোটাহীনভাবে সরকারি ও অন্যান্য চাকরিতে নিয়োগ হচ্ছে।

‘হাইকোর্ট রায় দিয়েছে কোটা পুনর্বহালের জন্য। সুপ্রিম কোর্ট সেটি স্থগিত করেছে। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে গিয়ে বা বিচারাধীন বিষয়ে সরকার কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারে না। তাহলে আদালত অবমাননা হবে।

‘এসব বুঝেও যারা জনভোগান্তি ঘটাচ্ছেন তাদের উদ্দেশে বলব- জনগণের ভোগান্তি যাতে না ঘটে, সেজন্য সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বদ্ধপরিকর। আশা করবো শিক্ষার্থীরা সুপ্রিম কোর্টের রায় পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন।’

বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মজিবর রহমান মজনু এমপির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু এমপির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন এমপি প্রধান বক্তা এবং সাহাদারা মান্নান এমপি ও ডা. মোস্তফা আলম নান্নু এমপি বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশকে এক বিলিয়ন ইয়েন অর্থসহায়তা দেবে চীন
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ২২ এমওইউর সম্ভাবনা, চুক্তি হবে না
সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক দেখে বিএনপির গাত্রদাহ হচ্ছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
কানেকটিভিটির মর্ম বিএনপি বোঝে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
রাজনীতিতে পরজীবী হয়ে গেছে বিএনপি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Kota protestors march towards Bangabhavan

কোটা আন্দোলনকারীদের বঙ্গভবন অভিমুখে গণপদযাত্রা কাল

কোটা আন্দোলনকারীদের বঙ্গভবন অভিমুখে গণপদযাত্রা কাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে শনিবার সংবাদ সম্মেলন থেকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘লজিক্যাল অ্যান্ড কনস্ট্রাক্টিভ সলিউশনের জন্য যতগুলো পথ প্রয়োজন আমরা ছাত্ররা সেই পথগুলো অবলম্বন করব। যারা আমাদেরকে ব্লেইম ও ট্যাগ দিতে চান তাদের উদ্দেশে বলব- আপনারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের পালস বুঝুন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাতারে আসুন।’

জাতীয় সংসদের জরুরি অধিবেশন ডেকে সরকারি চাকরির সব গ্রেডে কোটা ব্যবস্থা যৌক্তিক সংস্কারের দাবিতে আগামীকাল রোববার গণভবন অভিমুখে গণপদযাত্রা করবেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি দেবেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে শনিবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে এই ঘোষণা দেন আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

তিনি বলেন, ‘আমাদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি চলছে। তার পাশাপাশি গণপদযাত্রার এই কর্মসূচি আগামীকাল রোববার বেলা ১১টায় এই কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে শুরু হবে। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, অধিভুক্ত সাত কলেজ, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকার আশপাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেবেন।

‘সারা দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ জেলা প্রশাসক কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা করবেন। সেখানে তারা একই দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মহামান্য রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করবেন।’

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘লজিক্যাল অ্যান্ড কনস্ট্রাক্টিভ সলিউশনের জন্য যতগুলো পথ প্রয়োজন আমরা ছাত্ররা সেই পথগুলো অবলম্বন করব। যারা আমাদেরকে ব্লেইম ও ট্যাগ দিতে চান তাদের উদ্দেশে বলব- আপনারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের পালস বুঝুন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাতারে আসুন। আমরা চাই, আমাদের দাবির সঙ্গে আপনারা একাত্মতা পোষণ করে সাপ্রেশনের পরিবর্তে সলিউশনের পথ বেছে নেবেন।’

আন্দোলনের এই সমন্বয়ক বলেন, ‘সরকারের সব গ্রেডের চাকরিতে আমরা মোট পাঁচ শতাংশ কোটাকে যৌক্তিক মনে করছি। এখন প্রশ্ন আসতে পারে, কোন কোন কোটা। সেই জায়গায় আমরা তিনটি কোটার কথা বলেছি। সেগুলো হলো- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোটা, প্রতিবন্ধী কোটা ও মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য কোটা। কোনো পোষ্য কোটা আমরা চাই না। সুতরাং আমরা আবারও স্পষ্ট করছি, আমরা মুক্তিযোদ্ধা কোটার বিরোধী নই।

‘পুলিশের বক্তব্য সাংঘর্ষিক’

আন্দোলনের আরেক সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আজ শাহবাগ থানায় অজ্ঞাতনামা বলে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, আন্দোলনকারীরা নাকি তাদের সাঁজোয়া যানের ক্ষতি করেছে। অথচ ওইদিন সন্ধ্যায় রমনা জোনের ঊর্ধ্বতন এক পুলিশ কর্মকর্তা গণমাধ্যমে বলেছিলেন, এখানে আমাদের সাঁজোয়া যান ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা যখন এসেছিল তারা অনেকেই এখানে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছে- এই ধরনেরই একটি ঘটনা। তবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি।’

এরপর আসিফ মাহমুদ সেই স্টেটমেন্টের অডিও সবাইকে শোনান।

২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলা প্রত্যাহার দাবি

মামলার বিষয়ে আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলায় আসামি হিসেবে রাখা হয়েছে অজ্ঞাত আমাদের। এখানে অজ্ঞাতনামা দেয়ার প্রয়োজন নেই। এখানে কারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেটি খুব স্পষ্ট।

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে এই আন্দোলন পরিচালিত হচ্ছে। যদি মামলা দিতেই হয় তাহলে যেন আমাদের নামেই মামলা দেয়া হয়। ছাত্রসমাজকে এ ধরনের মামলা দিয়ে ভয় দেখানো যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি। আর সেদিন দেশের বিভিন্ন জায়গায় আমাদের বিভিন্ন ব্লকেড কর্মসূচিতে হামলার সঙ্গে জড়িতদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিচারের আওতায় আনতে হবে।’

‘আন্দোলন দমনের চেষ্টা হলে বুমেরাং হবে’

নাহিদ বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিলাম। সরকারের উচিত ছিল প্রথম থেকেই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার পরিস্থিতি তৈরি করা এবং দৃশ্যমান পদক্ষেপের মাধ্যমে এই কোটা সমস্যার সংকট নিরসন করা।

‘কিন্তু সরকার সেটি না করে এখন আন্দোলনকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, সরকারদলীয় ছাত্র সংগঠন এবং নানা শক্তির মাধ্যমে এই আন্দোলনকে দমনের একটি পরিকল্পনা এবং প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। কিন্তু এ ধরনের পরিকল্পনা সরকারের জন্যই বুমেরাং হবে। তারপরও যদি সরকার এ ধরনের কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করে তার দায় সরকারকেই নিতে হবে।’

‘সরকার দায় এড়াতে আদালতকে ব্যবহার করছে’

নাহিদ ইমলাম বলেন, ‘প্রথম থেকেই আমাদের আন্দোলনকে বিচারিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, আমরা কেন আদালতে যাচ্ছি না। এটি কিন্তু আমরা অনেকবার স্পষ্ট করেছি। সেটি হলো, আদালতে এখন যে বিষয়টি বিচারাধীন তা হলো নির্বাহী বিভাগের জারি করা ২০১৮ সালের পরিপত্র।

‘কিন্তু সেই পরিপত্রের প্রেক্ষাপটে আমাদের আন্দোলনটি আর সেখানে নেই, আমাদের আন্দোলনটি সামগ্রিক কোটা ব্যবস্থা নিয়ে। সেখানে প্রথম, দ্বিতীয় শ্রেণীসহ তৃতীয় এবং চতুর্থ শ্রেণীর চাকরির কোটাও অন্তর্ভুক্ত। এখানে সরকারের হস্তক্ষেপের সুযোগ রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সরকার বার বার দায় এড়ানোর জন্য আদালতকে ব্যবহার করছে। আদালতকে সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কালক্ষেপণের নাটক করছে। ১৮ সালের পরিপত্র নিয়ে কথা বলা আমাদের জন্য সাব-জুডিস হবে। কিন্তু সামগ্রিক কোটা ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলা কখনোই সাব-জুডিস হবে না।’

‘ছাত্রলীগ আন্দোলনে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার চেষ্টা করছে

আদালতের রায়ের পর সাধারণ শিক্ষার্থীরা কোটা আন্দোলন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে বলে ছাত্রলীগের যে দাবি সে বিষয়ে নাহিদ বলেন, ‘আমাদের আন্দোলনের জোয়ার কমেনি বরং প্রতিদিনই বাড়ছে। আমাদের কোনো দাবিই তো পূরণ করা হয়নি, সেখানে কী কারণে শিক্ষার্থীরা ফিরে যাবে? শিক্ষার্থীরা এত বোকা নয় যে তাদের সামনে একটি মুলা ঝুলানো হবে এবং তারা ঘরে ফিরে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘আন্দোলনের শুরুর দিকে এই ছাত্রলীগের কোন খোঁজখবর ছিল না। এখন যখন আন্দোলন সফলতার দিকে যাচ্ছে, তখন তারা এই আন্দোলনে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য নানাভাবে চেষ্টা করছে।’

‘শিক্ষকরা ক্লাসে ফিরলেও আমরা ফিরব না’

আন্দোলনের আরেক সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেন, ‘আমাদের সম্মানিত শিক্ষকদের নিয়ে বলতে চাই, আপনারা যখন আপনাদের পেনশন স্কিমকে সামনে রেখে ক্লাস বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন তখন কিন্তু ছাত্ররা জোর করে ক্লাসে গিয়ে বসে থাকেনি। এখন সময় এসেছে আপনাদের প্রমাণ করার যে, যারা আপনাদের যৌক্তিক দাবিতে আপনাদের দাবির প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেছে, তাদের যৌক্তিক দাবিতে আপনারা কতটুকু তাদের পাশে থাকবেন।

‘আপনাদের দাবি যদি পূরণ হয়েও যায় তারপরও আমাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা ক্লাসে ফিরে যাব না।’

আরও পড়ুন:
রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা
শাহবাগে শিক্ষার্থীদের অবস্থান শেষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
কোটা আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধী প্রেতাত্মা ভর করেছে: আইনমন্ত্রী
বেনজীরের স্ত্রীর ঘেরের মাছ চুরির মামলায় তিনজন গ্রেপ্তার
মোমবাতি জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ কুবি শিক্ষার্থীদের, যানজট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Attempts are being made to sideline the quota agitators Harun

কোটা আন্দোলনকারীদের অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে: হারুন

কোটা আন্দোলনকারীদের অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে: হারুন রাজধানীর মিণ্টো রোডের কার্যালয়ে শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ডিএমপি ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ। ছবি: সংগৃহীত
ডিএমপি ডিবি প্রধান বলেন, ‘কেউ যদি মনে করে যে আদালত মানবে না, পুলিশের কথা মানবে না, তাহলে আমাদের করার কী আছে? আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যে ক্ষমতা আমরা সেটাই করবো।’

কোটা আন্দোলনকারীদের অন্য কেউ ইন্ধন দিতে পারে এবং ঘটনাটি অন্যদিকে ধাবিত করারও চেষ্টা চলছে বলে উল্লেখ করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে শনিবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

ডিএমপি ডিবি প্রধান বলেন, ‘কেউ যদি আদালতের আদেশ না মানে, সড়ক অবরোধ করে এবং আন্দোলনের নামে জানমালের ক্ষতি করে তাহলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যে যৌক্তিক কাজ সেটাই করা হবে।

তিনি বলেন, ‘কোটার ব্যবস্থার প্রচলন শুধু বাংলাদেশে নয়, অনেক দেশেই আছে। কোটার বিরোধিতা করে কিছু লোক ও কিছু শিক্ষার্থী রাস্তায় আন্দোলন করছে। ইতোমধ্যে সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি নিয়ে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের ওপর এক মাসের স্থিতাবস্থা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

‘সুপ্রিম কোর্ট সবার ভরসাস্থল। আদালতের নির্দেশনা সবার মেনে চলা উচিত। কিন্তু কয়েকদিন ধরে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে না গিয়ে বিভিন্ন সড়কে বসে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। অনেক জায়গায় গাড়িতে তারা হাত দিচ্ছে এবং একটি মামলাও রুজু হয়েছে।’

হারুন বলেন, ‘কেউ যদি মনে করে যে আদালত মানবে না, পুলিশের কথা মানবে না, তাহলে আমাদের করার কী আছে? আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যে ক্ষমতা আমরা সেটাই করবো।’

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অন্য কেউ ইন্ধন দিচ্ছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি ডিবি প্রধান বলেন, ‘আন্দোলনে অনুপ্রবেশকারী ঢুকেছে কিনা, ঘটনাটি অপরদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে কিনা- এসব নিয়ে ডিবির টিম ও পুলিশ কাজ করছে। কেউ যদি হাইকোর্টের নির্দেশনা না মেনে আন্দোলনের নামে সড়কে নেমে অবরোধ করে গাড়িতে হামলা ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে, তবে আমরা ধরে নিতে পারি অনুপ্রবেশকারীরাই এসব কাজ করছে।’

আরও পড়ুন:
কোটা আন্দোলনকারীদের দাবি সংবিধানবিরোধী: কাদের
কোটা আন্দোলনকারীদের নামে শাহবাগ থানায় মামলা পুলিশের
কোটা নিয়ে আন্দোলনকারীদের দাবি সঠিক নয়: সেলিম মাহমুদ
পুলিশি হামলার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Kubi students protest against police attack
কোটা সংস্কার আন্দোলন

পুলিশি হামলার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

পুলিশি হামলার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ কোটা সংস্কার আন্দোলনের মিছিলে পুলিশি হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে উপাচার্য বাংলো হয়ে আনসার ক্যাম্প ঘুরে গোল চত্বরে এসে শেষ হয়। কর্মসূচিতে বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীদের মিছিলে পুলিশি হামলার প্রতিবাদ ও দায়ীদের বিচার দাবি করা হয়।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করতে গিয়ে পুলিশি হামলার শিকার হন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এই হামলার প্রতিবাদ ও দায়ীদের বিচার দাবিতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে উপাচার্য বাংলো হয়ে আনসার ক্যাম্প ঘুরে গোল চত্বরে এসে শেষ হয়।

মিছিলটি আনসার ক্যাম্পে পৌঁছলে শিক্ষার্থীরা সেখানে একযোগে জাতীয় সংগীত গান এবং পুলিশি হামলার শিকারদের উদ্দেশে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। নীরবতা পালন শেষে শিক্ষার্থীরা আনসার ক্যাম্প মোড়কে ‘ছাত্র আন্দোলন চত্বর’ ঘোষণা করা হয়।

পুলিশি হামলার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবারের হামলায় জড়িতদের বিচার চান এবং সেদিনের ঘটনায় প্রক্টরিয়াল বডির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপর তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করে গোলচত্বরে স্লোগান দিতে থাকেন।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবা বিকেল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন আনসার ক্যাম্পের সামনে শিক্ষার্থীদের মিছিলে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। শিক্ষার্থীরাও ইট-পাথর নিক্ষেপ করেন। পরবর্তীতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এ সময় সাংবাদিকসহ অনেকে আহত হন। পরবর্তীতে বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিট থেকে রাত ১০টা ৪৭ মিনিট পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা৷

আরও পড়ুন:
সারা দেশে শুক্রবার বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা
চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় হামলার প্রতিবাদে রাজশাহীতে রেললাইন অবরোধ
জবি গেটের তালা ভেঙে মিছিল নিয়ে শাহবাগে শিক্ষার্থীরা
সময় টিভির রিপোর্টার ও ক্যামেরাম্যানকে ধাওয়া
চট্টগ্রামে শিক্ষার্থীদের মিছিলে পুলিশ ও ছাত্রলীগের হামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Students blocked the railway track in Rajshahi
কোটা সংস্কার আন্দোলন

রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা

রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা শিক্ষার্থীরা শুক্রবার বিকেলে ক্যাম্পাস থেকে মিছিল নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেশন বাজার সংলগ্ন রেলপথ অবরোধ করেন। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষার্থীরা শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) স্টেশন বাজার সংলগ্ন রেলপথ অবরোধ করেন। রাবি, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ, রাজশাহী কলেজ ও রুয়েট মিলে পাঁচ সহস্রাধিক শিক্ষার্থী এতে অংশ নেন।

সরকারি সব চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের এক দফা দাবিতে চলমান আন্দোলনে রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) স্টেশন বাজার সংলগ্ন রেলপথ অবরোধ করেন।

কর্মসূচিতে রাবি, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ, রাজশাহী কলেজ ও রুয়েট মিলে পাঁচ সহস্রাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।

চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় বৃহস্পতিবার কোটা সংস্কার আন্দোলনের মিছিলে পুলিশি হামলার প্রতিবাদে এই রেলপথ অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিলেন রাবি শিক্ষার্থীরা। সে অনুযায়ী শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে অবস্থান নিতে শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এরপর বিকেল সাড়ে ৪টায় সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করেন তারা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেশন বাজার সংলগ্ন রেললাইনে অবস্থান নেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এই অবরোধের ফলে ওই সময়ের জন্য রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ ব্যাহত হয়।

রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা

রেললাইন অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্র সমাজ জেগেছে’, ‘মেধাবীদের কান্না, আর না আর না’, ‘লড়াই লড়াই লড়াই চাই, লড়াই করে বাঁচতে চাই’, ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার খবর দে’, ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘আপোষ না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘অ্যাকশন অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’, ‘কুমিল্লায় হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, চট্টগ্রামে হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

আন্দোলনে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘আমাদের এক দফা এক দাবি। সরকারি চাকরিতে সব গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করতে হবে। অনগ্রসর জনগোষ্ঠী এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের জন্য কোটাকে ন্যায্যতার ভিত্তিতে ন্যূনতম পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশে এনে সংসদে আইন পাস করে কোটা পদ্ধতিকে সংস্কার করতে হবে।

‘এই ৫ শতাংশের ভেতরে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ২ শতাংশ, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য ২ শতাংশ এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের জন্য ১ শতাংশ বরাদ্দ থাকবে। এতে মুক্তিযোদ্ধাদের কোনো নাতি-নাতনি সুযোগ পাবে না।’

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী বারিউল ইসলাম বলেন, ‘আগে আমাদের একটা সমন্বয় কমিটি ছিলো, সেটা বিলুপ্ত করা হয়েছে। এখন আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। ‘আমাদের দাবি, ৫ শতাংশের উপরে কোটা বহাল থাকা যাবে না। এবং এটা সংসদের নির্বাহী বিভাগের আইন পাস করার মাধ্যমে করতে হবে। এছাড়া অন্য কোনো সমঝোতা আমরা মেনে নেব না।’

ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ তামিম বলেন, ‘সারাদেশের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে আমরা আন্দোলনে নেমেছি। এখন আমাদের এক দফা এক দাবি, বৈষম্যমূলক সব কোটা যৌক্তিকতার ভিত্তিতে সংস্কার করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনির জন্য কোনো কোটা রাখা যাবে না, এটা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এবং ভিত্তিহীন। আমাদের দাবি মেনে না নেয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’

আরও পড়ুন:
শাহবাগে শিক্ষার্থীদের অবস্থান শেষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
কোটা আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধী প্রেতাত্মা ভর করেছে: আইনমন্ত্রী
বেনজীরের স্ত্রীর ঘেরের মাছ চুরির মামলায় তিনজন গ্রেপ্তার
মোমবাতি জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ কুবি শিক্ষার্থীদের, যানজট
সারা দেশে শুক্রবার বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After the stay of the students in Shahbagh the new program is announced
কোটা সংস্কার আন্দোলন

শাহবাগে শিক্ষার্থীদের অবস্থান শেষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

শাহবাগে শিক্ষার্থীদের অবস্থান শেষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা শুক্রবার সন্ধ্যায় শাহবাগে জমায়েত থেকে নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদার শুক্রবার সন্ধ্যায় শাহবাগের অবস্থান থেকে নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দেন। সে অনুযায়ী শনিবার মাঠের কোনো আন্দোলন নেই। এদিন দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ ও ৬৪ জেলায় অনলাইন-অফলাইনে প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তারা।

সরকারি চাকরির সব গ্রেডে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা আগামীকাল শনিবার কোনো মাঠের কর্মসূচি রাখেননি। তবে এদিন তারা দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ ও ৬৪ জেলায় অনলাইন ও অফলাইনে প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে শুক্রবার প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থান শেষে সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদার নতুন এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন। আর রোববার মাঠের কর্মসূচি থাকবে কিনা তা শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে সংবাদ সম্মেলন করে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন এই সমন্বয়ক।

বৃহস্পতিবার সারাদেশে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও এর সঙ্গে জড়িতদের বিচার এবং কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ শুক্রবার বিকেল ৫টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। পরে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বর ঘুরে টিএসসি হয়ে শাহবাগে গিয়ে অবস্থান নেন। রাস্তা অবরোধ করে সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থান করে সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় ওই এলাকা ও আশপাশের সড়কে যানবাহন চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়।

শিক্ষার্থীরা এ সময় শাহবাগ মোড়ে অবস্থান করে ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘কুবি/চবিতে/শেকৃবি হামলা কেন, প্রশাসন জবাব দে’, ‘পুলিশ/হামলা/মামলা করে আন্দোলন, বন্ধ করা যাবে না’, ‘দফা এক দাবি এক, কোটা নট কাম ব্যাক’, ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

আন্দোলনের সহ-সমন্বয়ক আবু সাইদ বলেন, ‘আমাদের যৌক্তিক আন্দোলন চলাকালে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের ভাই-বন্ধুদের ওপর হামলা করা হয়েছে। আমরা যৌক্তিক ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন করছি। কিন্তু পুলিশ সেখানে হামলা করেছে। আমরা হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানাই। এর প্রতিবাদেই আজকে আমরা ঢাবিসহ সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ করছি।’

আরও পড়ুন:
জবি গেটের তালা ভেঙে মিছিল নিয়ে শাহবাগে শিক্ষার্থীরা
সময় টিভির রিপোর্টার ও ক্যামেরাম্যানকে ধাওয়া
চট্টগ্রামে শিক্ষার্থীদের মিছিলে পুলিশ ও ছাত্রলীগের হামলা
সরকার চাইলে কোটা পদ্ধতি পরিবর্তন করতে পারবে
আদালতের বিষয় আদালতে সমাধান হোক

মন্তব্য

p
উপরে