× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Mother killed newborn by dropping from ninth floor Police
google_news print-icon

নবজাতককে নয় তলা থেকে ফেলে হত্যা করেন মা: পুলিশ

নবজাতককে-নয়-তলা-থেকে-ফেলে-হত্যা-করেন-মা-পুলিশ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বাড়ি থেকে নিখোঁজ এক নবজাতকের মরদেহ ঝোপ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
ভৈরব থানা ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নিজ হাতেই নবজাতক সন্তানকে হত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে নবজাতকের মা তৃশা আক্তার ৯ তলার বেলকনির জানালা দিয়ে শিশুটিকে ছুড়ে ফেলে হত্যা করে।’

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে এক মা নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে তার সাত দিনের নবজাতককে নয় তলায় ছাদ থেকে ফেলে হত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে শহরের কমলপুর নিউ টাউন ফুল মিয়া সিটি এলাকায় একটি নয় তলা ভবনের নিচে ঝোপ থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সোমবার মধ্যরাতে শিশুটি বাসা থেকে নিখোঁজ হয় বলে জানায় পরিবার।

প্রাণ হারানো সাত দিন বয়সী শিশুটির নাম তাসনিদ এহসান। তার বাবা উসমান গনি স্থানীয় সেন্ট্রাল হাসপাতালের মালিক ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক।

ভৈরব থানা ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নিজ হাতেই নবজাতক সন্তানকে হত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে নবজাতকের মা তৃশা আক্তার ৯ তলার বেলকনির জানালা দিয়ে শিশুটিকে ফেলে হত্যা করে।

‘স্ত্রীকে আসামি করে মামলা করেছেন নবজাতকের পিতা চিকিৎসক উসমান গনি। বিল্ডিং থেকে পড়েই নবজাতকটির মৃত্যু হয়েছে। শিশুটির মাথায় ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’

তিনি জানান, এ ঘটনায় তৃশা আক্তারকে আটক করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জ মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে হত্যার আরও কারণ জানতে পুলিশ কাজ করছে।

শিশুটির নিখোঁজের বিষয়ে স্বজনরা জানিয়েছিলেন, সোমবার রাতে শিশুকে নিয়ে ঘুমিয়েছিলেন মা। বাবা ছিলেন আরেক রুমে। ঘরে শিলা ও মিম নামে দুইজন গৃহকর্মীও ছিলেন। এ ছাড়াও সুমাইয়া নামের একজন নারী ছিলেন। তিনি শিশুটির মায়ের বান্ধবী। রাত তিনটার দিকে মা বিছানা থেকে উঠে দেখেন বাচ্চাটি নিখোঁজ। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে তাৎক্ষণিক ভৈরব থানায় অভিযোগ দেয় শিশুটির পরিবার।

তারা আরও জানান, সকাল সাড়ে আটটার দিকে গৃহকর্মীর মাধ্যমে জানা যায় শিশুটিকে বাড়ির পাশে একটি ঝোপে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ সময় দুই গৃহকর্মী, নবজাতকের মা ও তার বান্ধবীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা নিয়ে যায় পুলিশ।

এ দিকে স্থানীয়রা জানান, ডা. উসমান গনির দ্বিতীয় স্ত্রী তৃশা। তাদের পরিবারে দেড় বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। সাত দিন আগে ডা. উসমান গনির মাধ্যমে সিজারিয়ান অপারেশনে নবজাতকের জন্ম হয়। প্রায় সময় তাদের বাসা থেকে চিৎকার চেঁচামেচির শব্দ পাওয়া যেত।

নিহত শিশুর মা ওই দিন জানান, মধ্যরাতে কে বা কারা তার শিশু সন্তানটিকে নিয়ে গেছে তিনি জানেন না। তিনি বাথরুমে গেলে ১৫ মিনিট পর ফিরে সন্তানকে বিছানায় পাননি।

এ বিষয়ে বিল্ডিংয়ের কেয়ার টেকার আফজাল জানান, ‘ভোর ৫টার দিকে ডা. উসমান গনি জানান তাদের সন্তান কে বা কারা চুরি করে নিয়ে গেছে। পরে কাজের মেয়ে জানায় যে বিল্ডিংয়ের অদূরে একটি ঝোপে বাচ্চাটি পড়ে আছে।’

ওই সময় ভৈরব থানা ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘হত্যার বিষয়টি রহস্যজনক। শিশুটির মাথায় ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বিল্ডিং থেকে ফেলা হয়েছে কি না বা মেরে ফেলে রাখা হয়েছে কি না তা বলা যাচ্ছে না।’

আরও পড়ুন:
টেকনাফে মামলায় হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে কুপিয়ে হত্যা
মিন্টুর মুক্তির দাবিতে ঝিনাইদহে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন
আনার হত্যাকাণ্ড: আওয়ামী লীগ নেতা মিন্টু আটদিনের রিমান্ডে
স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর থানায় হাজির
সালিশে মারধর ও জরিমানা করায় মাতব্বরকে হত্যা: পুলিশ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Order to dismiss Sonali Lifes five executives stayed in High Court

সোনালী লাইফের পাঁচ নির্বাহীকে বরখাস্তের নির্দেশ হাইকোর্টে স্থগিত

সোনালী লাইফের পাঁচ নির্বাহীকে বরখাস্তের নির্দেশ হাইকোর্টে স্থগিত
অনিয়ম, দুর্নীতি ও পারিবারিক দ্বন্দ্বের অভিযোগ এনে চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে প্রশাসক নিয়োগ করে বীমা নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ। ভেঙে দেয়া হয় পরিচালনা পর্ষদ। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ৭ জুলাই নতুন প্রশাসক কোম্পানির শীর্ষ পাঁচ কর্মকর্তাকে বরখাস্তের নির্দেশনা দেন। ওই নির্দেশনা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ওই পাঁচ কর্মকর্তা।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের কোম্পানি সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পাঁচ শীর্ষ নির্বাহীকে বরখাস্তের নির্দেশনা স্থগিত করেছে উচ্চ আদালত। একইসঙ্গে কোম্পানির বর্তমান প্রশাসক, আইডিআরএ চেয়ারম্যান ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবের কাছে তাদের বরখাস্তের আদেশ বাতিল কেন স্থায়ীভাবে হবে না তার কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে।

বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের ডিভিশন বেঞ্চ রোববার এ আদেশ দেয়।

এর আগে চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল অনিয়ম, দুর্নীতি ও পারিবারিক দ্বন্দ্বের অভিযোগ এনে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে প্রশাসক নিয়োগ করে বীমা নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ। একইসঙ্গে ভেঙে দেয়া হয় তখনকার পরিচালনা পর্ষদ। প্রশাসক হিসেবে সে সময় নিয়োগ পান অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম ফেরদৌস।

তবে তারপরও সোনালী লাইফে সমস্যার সমাধান হয়নি। নতুন প্রশাসকের বিরুদ্ধে একের পর অভিযোগ আনেন সোনালী ইন্স্যুরেন্সের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা।

এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ৭ জুলাই নতুন প্রশাসক কোম্পানির শীর্ষ পাঁচ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করার নির্দেশনা দেন। সেই তালিকায় ছিলেন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম, উপ-সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্লাহিল কাফী, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মোস্তফা, সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মো. আজিম ও সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মঞ্জুর মোর্শেদ।

তবে তাদের বরখাস্তের প্রক্রিয়াটি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন সোনালী লাইফের এই পাঁচ শীর্ষ কর্মকর্তা। রোববার ওই নির্দেশনা স্থগিত করে আদেশ দেয় উচ্চ আদালত।

এদিকে সোনালী লাইফে টানা পঞ্চম দিনের মতো চলছে আন্দোলন ও কর্মবিরতি। বরখাস্তকৃত কর্মকর্তাদের পুনরায় নিয়োগসহ আটটি দাবি নিয়ে কঠোর আন্দোলন চলছে রাজধানীর মালিবাগে কোম্পানিটির প্রধান অফিসে।

আন্দোলনকারীরা বলছেন, অনিয়ম বন্ধের কথা বলে প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হলেও তিনি নিজেই নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন।

সোনালী লাইফের সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমদাদুল হক সাহিল অভিযোগ করেন, নতুন করে আরও বহিষ্কারের তালিকা তৈরি করেছেন প্রশাসক। তিনি জানান, শীর্ষ ওই পাঁচ কর্মকর্তার পর আরও ১৩ জনকে ছাঁটাই করেছেন প্রশাসক।

এসব অভিযোগের বিষয়ে কোম্পানির প্রশাসক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম ফেরদৌসের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা সত্য নয়।’

এদিকে এমন কর্মবিরতি আর নানা সংবাদ দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন সোনালী ইন্স্যুরেন্সের অনেক গ্রাহক। অনেকেই প্রধান শাখায় এসে কর্মীদের কাছে জানতে চাচ্ছেন তাদের ইন্স্যুরেন্স পলিসির পরিস্থিতি নিয়ে।

উপরন্তু নতুন করে যারা ইন্স্যুরেন্স করতে আসছেন তারা সেবা পাচ্ছেন না বলেও জানান আন্দোলনকারী কর্মীরা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The full copy of the High Courts judgment re instating the quota is published

কোটা পুনর্বহাল করে‌ হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি প্রকাশ

কোটা পুনর্বহাল করে‌ হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি প্রকাশ সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ। ফাইল ছবি
সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া এই রায়ের ওপর ১০ জুলাই এক মাসের স্থিতাবস্থা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

সরকারি চাকরিতে (প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণী) মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে।

রায়ে বলা হয়েছে, সরকার প্রয়োজনে অথবা চাইলে কোটা সংস্কার করতে পারবে। রায়ের ২৭ পৃষ্ঠার অনুলিপি রোববার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

অবশ্য এর আগেই রাষ্ট্র ও সাধারণত শিক্ষার্থীদের পক্ষে করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ওই প্রজ্ঞাপনের ওপর এক মাসের স্থিতাবস্থা (স্ট্যাটাসকো) জারি করে আদেশ দিয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) কোটা পুনর্বহাল করে দেয়া হাইকোর্টের আলোচিত রায়ের মূল অংশ প্রকাশ করা হয় বলে মিডিয়াকে নিশ্চিত করেন ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ (এসকে) সাইফুজ্জামান জামান। এরপর রোববার রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি প্রকাশ করা হলো।

সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের ওপর গত ১০ জুলাই এক মাসের স্থিতাবস্থা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

এর আগে ৫ জুন প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয় হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় দেয়।

সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জারি করা পরিপত্র কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে হাইকোর্ট। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের সাতদিনের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছিল।

এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি নিয়ে ২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করে।

নারী কোটা ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ বাতিল করে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর ওই পরিপত্র জারি করা হয়।

তখন রিটকারীরা জানান, মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ কোটা নবম গ্রেড (পূর্বতন প্রথম শ্রেণী) এবং ১০ম থেকে ১৩তম গ্রেড (পূর্বতন দ্বিতীয় শ্রেণী) বাতিল করে (তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণী) ১৪ থেকে ২০তম গ্রেডে রাখা হয়েছে, যা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে হেয়প্রতিপন্ন করার শামিল।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-১ শাখা থেকে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর নবম গ্রেড এবং ১০ম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত সরাসরি নিয়োগে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে একটি পরিপত্র জারি করা হয়।

সেখানে বলা হয়েছিল, ৯ম গ্রেড (পূর্বতন ১ম শ্রেণী) এবং ১০ম-১৩তম গ্রেড (পূর্বতন ২য় শ্রেণী) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাতালিকার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে। ওই পদসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হলো।

ওই পরিপত্র চ্যালেঞ্জ করে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি অহিদুল ইসলাম তুষারসহ সাতজন হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।

ওই রিটের শুনানি নিয়ে কোটা বাতিলের পরিপত্র কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে আদালত।

সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে ২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর পদে ৫৬ শতাংশ কোটা বাতিল করা হয়। তবে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীতে কোটা ব্যবস্থা বহাল রাখে সরকার।

আরও পড়ুন:
কোটা আন্দোলনকারীদের অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে: হারুন
কোটা আন্দোলনকারীদের দাবি সংবিধানবিরোধী: কাদের
কোটা আন্দোলনকারীদের নামে শাহবাগ থানায় মামলা পুলিশের
কোটা নিয়ে আন্দোলনকারীদের দাবি সঠিক নয়: সেলিম মাহমুদ
পুলিশি হামলার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
As soon as the students file the case the ultimatum aspect will be investigated Home Minister

শিক্ষার্থীরা মামলা তোলার যতই আল্টিমেটাম দিক তদন্ত চলবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শিক্ষার্থীরা মামলা তোলার যতই আল্টিমেটাম দিক তদন্ত চলবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিচ্ছেন। ছবি: সংগৃহীত
আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘তদন্তের আগে বোঝা যাবে না তাদেরকে উসকানি দিচ্ছে কে। আন্দোলনে উস্কানিদাতা রয়েছে। শিক্ষার্থীরা যা করছে তা না বুঝেই কোটা নিয়ে আন্দোলন করছে।’

শিক্ষার্থীরা না বুঝেই কোটা নিয়ে আন্দোলন করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। তিনি বলেছেন, ‘শিক্ষার্থীরা মামলা তোলার যতই আল্টিমেটাম দিক, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলবে। মেরিট দেখেই মামলা করা হয়েছে।’

মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে রোববার রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর আয়োজিত আলোচনা সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘তদন্তের আগে বোঝা যাবে না তাদেরকে উসকানি দিচ্ছে কে। আন্দোলনে উস্কানিদাতা রয়েছে। শিক্ষার্থীরা যা করছে তা না বুঝেই কোটা নিয়ে আন্দোলন করছে।

‘কোটা আন্দোলনে উস্কানিদাতা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের ভুল পথে পরিচালিত করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবারের ঘটনায় যে মামলা হয়েছে তদন্তের পর সেটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থামানো উচিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জানমালের অনিশ্চয়তা দেখা দিলে পুলিশ বসে থাকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আন্দোলনকারীদের প্রতি কঠোর হবে না পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মিয়ানমারকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে পাল্টা গুলি চালাব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
প্রতি জেলায় হবে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Admission of 169 students of Vikarunnisa remains cancelled
লিভ টু আপিল খারিজ

ভর্তি বাতিলই থাকছে ভিকারুননিসার ১৬৯ শিক্ষার্থীর

ভর্তি বাতিলই থাকছে ভিকারুননিসার ১৬৯ শিক্ষার্থীর রাজধানীর বেইলি রোডে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ফটক। ফাইল ছবি
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ রাফিউল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছে আপিল বিভাগ। ফলে ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে হাইকোর্টের দেয়া রায়ই বহাল রইল।’

রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রথম শ্রেণিতে ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে আনা লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির আপিল বেঞ্চ রোববার এ আদেশ দেন বলে বাসসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ভর্তি বাতিল হওয়া শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা দুটি লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ রাফিউল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছে আপিল বিভাগ। ফলে ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে হাইকোর্টের দেয়া রায়ই বহাল রইল।

‘হাইকোর্টের রায় অনুসারে ১৬৯ শিক্ষার্থীর শূন্য আসনে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে এখন শিক্ষার্থী ভর্তিতে স্কুল কর্তৃপক্ষের আইনগত কোনো বাধা রইল না।’

বয়সের নিয়ম না মানার অভিযোগে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের স্কুল শাখায় ভর্তিকৃত প্রথম শ্রেণির ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল থাকবে বলে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চের ২৯ পৃষ্ঠার দেয়া রায় গত ২৭ জুন সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

রায়ে বলা হয়, ‘নির্দিষ্ট বয়সসীমার পরিপ্রেক্ষিতে প্রার্থীদের (আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের) ফিল্টার করার জন্য সফটওয়্যারে কোনো প্রোগ্রাম স্থাপন করা হয়নি। এর মধ্যে গত বছরের ২ ডিসেম্বর অযোগ্য ১৬৯ শিক্ষার্থীদের ভর্তি ও অন্যান্য অনিয়মে জড়িতদের চিহ্নিত করতে অনুসন্ধান করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয় এবং নিষ্পাপ শিশুরা কর্তৃপক্ষের অবহেলা, অদক্ষতা ও অপকর্মের বিষয়বস্তু না হতে হয়।’

রায়ে উল্লেখ করা হয়, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভিকারুননিসার পুরো ভর্তি প্রক্রিয়া অনুসন্ধান করবে। অনুসন্ধান কমিটি আরও ভালো ভর্তি প্রক্রিয়া চালু করার এবং অপরাধীদের খুঁজে বের করার পরামর্শ দেবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় আইন অনুযায়ী চিহ্নিত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

‘এ জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ বিভাগের সচিবকে ৩ সদস্যের একটি অনুসন্ধান কমিটি করতে বলা হয়েছে। অতিরিক্ত সচিব মর্যাদার নিচে নয় এমন কর্মকর্তার নেতৃত্বে কমিটি করতে হবে। বাকি দুই সদস্যের মধ্যে একজন শিক্ষা বোর্ড থেকে, অপরজন আইটি এক্সপার্ট বুয়েট থেকে যুক্ত করতে হবে।’

রায়ের অনুলিপি শিক্ষা সচিব, বুয়েটের উপাচার্য এবং শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে।

ভিকারুননিসায় ভর্তি নিয়ে বয়সের নিয়ম না মানার অভিযোগ এনে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তিচ্ছু দুই শিক্ষার্থীর মা গত ১৪ জানুয়ারি রিট করেন। সে রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২৩ জানুয়ারি হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেয়। তার ধারাবাহিকতায় ২৮ ফেব্রুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর একটি স্মারক হাইকোর্টে উপস্থাপন করে।

মাউশির ওই আদেশ অনুযায়ী, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা অনুসরণ করেনি। ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারির আগে জন্মগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের ভর্তি করার প্রক্রিয়া ছিল বিধিবহির্ভূত। ভর্তি হওয়া এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে ২০১৫ সালে জন্মগ্রহণকারী ১০ জন ও ২০১৬ সালে জন্মগ্রহণকারী শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৬৯ জন। এসব শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করে শিগগিরই মাউশিকে অবহিত করার অনুরোধ করা হয়।

এরপর স্কুল কর্তৃপক্ষ ১৬৯ জনের ভর্তি বাতিল করে। ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের পর এখন অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে শূন্য আসনে ভর্তি নিতে গত ৬ মার্চ নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

ওই আদেশের বিরুদ্ধে বাতিলকৃত শিক্ষার্থীর অভিভাবক আপিল বিভাগে আবেদন করেন। আপিল বিভাগ গত ২০ মার্চ হাইকোর্টে জারি করা রুল দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বলে। এ সময় পর্যন্ত ওই শিক্ষার্থীদের ভর্তি বাতিল ও অপেক্ষমাণদের ভর্তির ওপর স্থিতাবস্থা দেয়া হয়।

এরই মধ্যে ভর্তি বাতিল হওয়া ১২০ শিক্ষার্থীর পক্ষে আরেকটি রিট করা হয়। সে রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ২৫ মার্চ হাইকোর্ট রুল দেয়। এরপর পৃথক রুলের ওপর একসঙ্গে শুনানি শেষে গত ২১ মে রায় ঘোষণা করে হাইকোর্ট।

২৯ পৃষ্ঠায় দেয়া এ রায়ের অনুলিপি প্রকাশের পর লিভ টু আপিল করা হয়েছিল, যার শুনানি নিয়ে সর্বোচ্চ আদালত আজ খারিজ করে আদেশ দেয়।

আরও পড়ুন:
যৌন হয়রানির মামলায় ভিকারুননিসার শিক্ষক মুরাদ গ্রেপ্তার
ঝুঁকিপূর্ণ গুলশান শপিং সেন্টার গুঁড়িয়ে দেয়ার আদেশ বহাল
৪ সপ্তাহ সুপ্রিম কোর্টে লড়তে পারবেন না দুই আইনজীবী
ঢাকা-৪ আসনে বিজয়ী আওলাদ হোসেনকে শপথ পড়ানোর নির্দেশ
শামীম-শাম্মীর প্রার্থিতা নিয়ে আপিলের শুনানি ২ জানুয়ারি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The body of the sacked municipal councilor was recovered in Naogaon

নওগাঁয় বরখাস্তকৃত পৌর কাউন্সিলরের মরদেহ উদ্ধার

নওগাঁয় বরখাস্তকৃত পৌর কাউন্সিলরের মরদেহ উদ্ধার নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বরখাস্তকৃত কাউন্সিলর মিজানুর রহমান মিতু। ছবি: নিউজবাংলা
পত্নীতলা থানার ওসি মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, তবে তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে কিছু ধারণা করতে পারেনি পুলিশ।’ 

নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বরখাস্তকৃত কাউন্সিলর মিজানুর রহমান মিতুর (৪৮) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার পাটিচরা ইউনিয়নের সালিগ্রাম এলাকার বুড়িদহ বিল থেকে রোববার বেলা ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

প্রাণ হারানো মিজানুর রহমান মিতু উপজেলার ছোট চাঁদপুর গ্রামের আফসার কেরানির ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, তবে তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে কিছু ধারণা করতে পারেনি পুলিশ।’

এ বিষয়ে নজিপুর পৌরসভার মেয়র রেজাউল কবির চৌধুরী বলেন, ‘প্রায় তিন বছর আগে পৌরসভার অফিসের ভেতরে ঢুকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় চেয়ার তুলে আমাকে মারতে গিয়েছিল (মিতু)। এ ছাড়াও মাঝেমধ্যে সে নেশা করে অফিসের স্টাফদের সাথে খারাপ আচরণ করত।

‘সার্বিক বিষয়ে পর্যালোচনা করে বিষয়টি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়। পরে মন্ত্রণালয় থেকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘সকালে জানলাম পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করেছে। ঠিক কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা পুলিশ তদন্ত করে বের করবে সেই আশা করছি। তার মৃত্যুর সঠিক কারণ তদন্ত করে বের করা হোক।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
APBN member injured in shelling at Rohingya camp

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলিতে এপিবিএন সদস্য আহত

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলিতে এপিবিএন সদস্য আহত উখিয়ার মধুরছড়া ৪-এক্সটেনশন রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় পুলিশ সদস্যদের অবস্থান। ছবি: নিউজবাংলা
৮ এপিবিএনের অধিনায়ক অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (এডিআইজি) মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, ‘রোববার ভোরে উখিয়ার মধুরছড়া ৪-এক্সটেনশন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এফ-ব্লকে এপিবিএন পুলিশের ৯ সদস্য নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিল। একপর্যায়ে ক্যাম্পের কাঁটাতারের সীমানার বাহির থেকে ৩০ থেকে ৩৫ জন সদস্য প্রবেশ করে অতর্কিত এপিবিএন সদস্যদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। আত্মরক্ষার্থে এপিবিএন সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছোড়ে। গোলাগুলির একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।’

কক্সবাজারের উখিয়ার একটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোববার আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সঙ্গে গোলাগুলিতে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) এক সদস্য আহত হয়েছেন।

উপজেলার মধুরছড়া ৪-এক্সটেনশন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এফ-ব্লকে ভোরে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (এডিআইজি) মোহাম্মদ ইকবাল।

গুলিবিদ্ধ এপিবিএন সদস্য মো. শাহরাজ (২৫) মধুরছড়া পুলিশ ক্যাম্পে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত।

মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, ‘রোববার ভোরে উখিয়ার মধুরছড়া ৪-এক্সটেনশন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এফ-ব্লকে এপিবিএন পুলিশের ৯ সদস্য নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিল। একপর্যায়ে ক্যাম্পের কাঁটাতারের সীমানার বাহির থেকে ৩০ থেকে ৩৫ জন সদস্য প্রবেশ করে অতর্কিত এপিবিএন সদস্যদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। আত্মরক্ষার্থে এপিবিএন সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছোড়ে। গোলাগুলির একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।

‘উভয় পক্ষের গোলাগুলিতে সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে মো. শাহরাজ নামের এপিবিএনের এক সদস্য গুলিবিদ্ধ হন। এতে তার ডান ঊরু ও ডান হাতের আঙুল আঘাতপ্রাপ্ত হয়।’

এডিআইজি আরও বলেন, ‘গোলাগুলি থেমে গেলে গুলিবিদ্ধ এপিবিএন সদস্যকে উদ্ধার করে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।’

আরও পড়ুন:
সীমান্তের অরক্ষিত জায়গা দিয়ে আসছে রোহিঙ্গারা
ক্যাম্পে রোহিঙ্গা যুবককে তুলে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা
সেন্টমার্টিনে অনুপ্রবেশ ৩১ রোহিঙ্গা দুই বিজিপির
রামুর বাঁকখালী নদীতে ভেসে এলো গলা কাটা মরদেহ
ক্যাম্পে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে রোহিঙ্গা যুবক নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Students agitation should be stopped Home Minister

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থামানো উচিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থামানো উচিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শনিবার ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সে গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। ছবি: নিউজবাংলা
আসাদুজ্জামান খান বলেন, ছাত্র ভাইদের কিছু বলার থাকলে তারা রাস্তাঘাট বন্ধ না করে আদালতে এসে বলতে পারেন। রাস্তাঘাট বন্ধ করলে জনগণের দুর্ভোগ বাড়ে, হাসপাতালগামী রোগীদের দুর্ভোগ বাড়ে। সেই সাধারণ মানুষের যে কী অভিব্যক্তি তা ছাত্রদের শোনা উচিত।’

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে দেশব্যাপী চলমান শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘আমি মনে করি, ছাত্রদের একটু অপেক্ষা করা উচিত, আন্দোলন থামানো উচিত।’

শনিবার বিকেলে ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সে ‘মুক্তিযুদ্ধে পুলিশ: ময়মনসিংহ জেলা’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন এবং সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ছাত্র ভাইদের কিছু বলার থাকলে তারা রাস্তাঘাট বন্ধ না করে আদালতে এসে বলতে পারেন। রাস্তাঘাট বন্ধ করলে জনগণের দুর্ভোগ বাড়ে, হাসপাতালগামী রোগীদের দুর্ভোগ বাড়ে। সেই সাধারণ মানুষের যে কী অভিব্যক্তি তা ছাত্রদের শোনা উচিত।’

আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘পৃথিবীর সব জায়গায় কিন্তু কোটা রয়েছে। সব দেশেই কিছু অনগ্রসর জায়গা থাকে, যেমন আমাদের ক্ষুদ্র জাতি-গোষ্ঠীর জন্য কোটা রয়েছে এবং সংবিধানেও সেটি বলা আছে। এটি বাতিল করে দিলে এরা কোনো দিন সমাজের মূল স্রোতে আসতে পারবে না। আমরা মনে করছি, সবাই যেন একসঙ্গে চলতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী কোটা উঠিয়ে দিয়েছিলেন। বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন। বিচার বিভাগ থেকে বার্তা এসেছে, কোটা আবার চালু হবে। এতে সংক্ষুব্ধ হয়েছেন আমাদের ছাত্ররা।

‘প্রধান বিচারপতি কিন্তু স্পষ্ট করে নির্দেশনা দিয়েছেন, আদালত যে রায়টি দিয়েছিলেন সেটি স্থগিত করা হয়েছে এবং ছাত্রদেরও বলেছেন, তারা যেন উচ্চ আদালতে যেখানে বিচারটি চলছে, সেখানে গিয়ে তাদের কথা বলেন। তারা বললে সে অনুযায়ী বিচারপতিদের বিচার করতে সুবিধা হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘করোনার সময় যখন সন্তান বাবা-মায়ের কাছে যায়নি, তখন পুলিশ গেছে। এখানের পুলিশ সবার হৃদয় জয় করেছে। পুলিশ শুধু জনগণকে ভালোবাসে না, দেশের ইতিহাসকেও রক্ষা করে। নির্বাচনে পুলিশের কোনো পক্ষপাতিত্ব ছিল না। তার উদাহরণ বর্তমান আইজিপির ভাই নৌকা নিয়ে দাঁড়ালেও পরাজিত হয়েছেন। পুলিশ বাহিনী সব নির্বাচনে সঠিক দায়িত্ব পালন করেছে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) শাহ আবিদ হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শরীফ আহমেদ এমপি, মোহাম্মদ মোহিত উর রহমান এমপি, মাহমুদুল হক এমপি, নজরুল ইসলাম এমপি, আবদুল মালেক সরকার এমপি, এ বি এম আনিছুজ্জামান এমপি, মাহমুদ হাসান এমপি, ফাহ্‌মী গোলন্দাজ এমপি, আবদুল ওয়াহেদ এমপি, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এমদাদুল হক, ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া, জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইউসুফ খান পাঠান, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এহতেশামুল আলম, ময়মনসিংহ চেম্বার অফ কমার্সের সভাপতি আমিনুল হক, নাট্যব্যক্তিত্ব ম. হামিদ প্রমুখ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এর আগে ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সে এসে জেলা পুলিশের ১১টি প্রকল্প এবং জেলা পুলিশের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর উদ্বোধন করেন।

আরও পড়ুন:
জানমালের অনিশ্চয়তা দেখা দিলে পুলিশ বসে থাকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আন্দোলনকারীদের প্রতি কঠোর হবে না পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মিয়ানমারকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে পাল্টা গুলি চালাব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
প্রতি জেলায় হবে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র
এমপি আনার চোরাচালানে জড়িত ছিলেন তা বলিনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

p
উপরে