× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Fire service is ready for the safety of people at home on Eid
google_news print-icon

ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তায় প্রস্তুত ফায়ার সার্ভিস

ঈদে-ঘরমুখো-মানুষের-নিরাপত্তায়-প্রস্তুত-ফায়ার-সার্ভিস
রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে নিরাপত্তা সেবায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
বিভিন্ন স্থানে রাখা হয়েছে ভ্রাম্যমাণ টহল ইউনিট। ১০ জুন শুরু হওয়া এই কার্যক্রম ২৩ জুন পর্যন্ত চলমান থাকবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত এসব অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু থাকবে।

ঈদে ঘরমুখো মানুষের অগ্নিকাণ্ড ও দুর্ঘটনা সংক্রান্ত নিরাপত্তায় সার্বিক সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। ঢাকা ও এর আশপাশে আটটি পয়েন্টে অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপনের মাধ্যমে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

বিভিন্ন স্থানে রাখা হয়েছে ভ্রাম্যমাণ টহল ইউনিট। ১০ জুন শুরু হওয়া এই কার্যক্রম ২৩ জুন পর্যন্ত চলমান থাকবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত এসব অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু থাকবে।

ঈদে বাড়ি যাওয়ার পথে এবং ঈদ উদযাপন শেষে বাড়ি থেকে ফেরার পথে অনাকাঙ্ক্ষিত যে কোনো পরিস্থিতি বা দুর্যোগ-দুর্ঘটনায় দ্রুত বা তাৎক্ষণিক সাড়া প্রদানের মাধ্যমে সেবা নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ফায়ার সার্ভিস।

যেসব স্থানে অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে সেগুলো হলো : সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল, বুড়িগঙ্গা নদীতে নৌটহল, মুন্সীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল, মাওয়া ফেরি ঘাট, পাটুরিয়া ফেরি ঘাট, আরিচা লঞ্চ বা ফেরি ঘাট, নারায়ণগঞ্জের হাজিগঞ্জ-নবীগঞ্জ ঘাট, নারায়ণগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল ও বন্দর ঘাট।

এসব স্থানে প্রয়োজনীয়সংখ্যক জনবলসহ সাজ-সরঞ্জাম যেমন রেসকিউ বোট, ডুবুরি ইউনিট, বয়া, ফায়ার পাম্প, সেফটি ভেস্ট, থ্রোইং ব্যাগ, লাইফ জ্যাকেট, মেগা ফোন, ফোল্ডিং স্ট্রেচার, ফাস্ট এইড বক্স, রেইন কোট, উদ্ধার সরঞ্জাম ইত্যাদি মজুদ রাখা আছে। তবে ভিন্ন ভিন্ন স্থানে প্রয়োজন অনুযায়ী জনবল ও সরঞ্জামের সংখ্যা কম-বেশি রয়েছে।

বিভিন্ন জোনের উপসহকারী পরিচালক ও সিনিয়র স্টেশন অফিসারগণ এসব অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কার্যক্রম তদারকি করবেন। আশপাশের ফায়ার স্টেশনগুলো এ সময় স্ট্যান্ডবাই ডিউটিরত থাকবে। এর পাশাপাশি সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনে সার্বক্ষণিক একটি রিজার্ভ টিম মোতায়েন থাকবে। এ সময় টহল ডিউটি নিয়োজিত থাকবে কমলাপুর, বিমানবন্দর ও ক্যান্টনমেন্ট রেলস্টেশনে; ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক, মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক, পাটুরিয়াঘাট রোড এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে। হাতির ঝিলেও ডুবুরিসহ একটি টহল ইউনিট নিয়োজিত থাকবে।

এছাড়া ঈদের দিন জাতীয় ঈদগাহ, বায়তুল মোকাররম, বঙ্গভবন ও গণভবনে অগ্নিনিরাপত্তা ইউনিট মোতায়েন থাকবে।

উল্লেখ্য, অগ্নিনিরাপত্তা জোরদার করতে ঢাকার পাশাপাশি একই ধরনের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে অন্যান্য বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতেও। ফায়ার সার্ভিসের যেকোনো সহযোগিতার জন্য এ সময় হটলাইন নম্বর ১০২ ও ১৬১৬৩, নিকটস্থ ফায়ার স্টেশন, কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ফোন নম্বর অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঢাকার কোথায় কোথায় বসছে কোরবানির পশুর হাট
গাবতলী পশুর হাটে ক্রেতার অপেক্ষায় বেপারিরা
পশুর হাট বসানো নিয়ে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে গুলি, আহত ১০
ম্যাংগো ট্রেনের সঙ্গে ক্যাটেল ট্রেনেরও যাত্রা শুরু
ট্রেনে ঈদযাত্রা শুরু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
School is closed if bus service is not started

‘বাসসেবা চালু না করলে স্কুল বন্ধ’

‘বাসসেবা চালু না করলে স্কুল বন্ধ’ বুধবার ঢাকার বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য বাসসেবার উদ্বোধন করেন মেয়র আতিকুল ইসলাম ও শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। ছবি: নিউজবাংলা
ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘যানজট নিরসনে বিভিন্ন স্কুলে বাসসেবা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে উত্তর সিটি করপোরেশন। সে জন্য বিভিন্ন স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে। স্কুলগুলো বলছে, কোনো একটা স্কুলে বাস চালুর পর কী হয় তা দেখতে চায় তারা।’

ঢাকার বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের পরিবহনে বাসসেবা চালুর তাগিদ দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। বাসসেবা চালু না করলে স্কুল বন্ধেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

বুধবার ঢাকার বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য বাসসেবার উদ্বোধন করেন মেয়র। এ সময় তিনি বলেন, যানজট নিরসনে বিভিন্ন স্কুলে বাসসেবা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে উত্তর সিটি করপোরেশন। সে জন্য বিভিন্ন স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে। স্কুলগুলো বলছে, কোনো একটা স্কুলে বাস চালুর পর কী হয় তা দেখতে চায় তারা।

মেয়র বলেন, ‘আমরা এটা শুরু করতে পারছিলাম না। দফায় দফায় বৈঠক করতে হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে, ডিএমপির সঙ্গে কথা হয়েছে। আমরা প্রত্যেকটি স্কুলের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা বলেছে চালু হওয়ার পর তারা দেখতে চায়। আমরা তো চালু করে দিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘যারা ঢাকার বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় স্কুল গড়ে তুলেছেন, আপনাদের কিন্তু সময় এসেছে স্কুলবাসে আসার। নইলে কিন্তু আমরা আপনাদের স্কুল বন্ধ করে দিতে বাধ্য থাকব। এভাবে শিক্ষামন্ত্রীও আমাদের বলে গেছেন। সহযোগিতা করেন, নইলে আমাদের কঠোর হতে হবে।’

মেয়র বলেন, ‘আপনারা একেকটি বাচ্চার কাছ থেকে মাসে ১৫-২০ হাজার টাকা ফি নিচ্ছেন। কিন্তু কোনো স্কুলবাস চালু করছেন না। আপনারা আবাসিক এলাকায় স্কুল করেছেন, গাড়ির আধিক্যে ওই এলাকাবাসীর ভোগান্তি হচ্ছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার সব স্কুলে বাস চালু করতে হবে।’

স্কুল বাসসেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়ায় উত্তর সিটিকে ধন্যবাদ জানান অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘সিটি করপোরেশন একটি যুগান্তকারী কাজ শুরু করেছে। তারা বাস সার্ভিস চালু করেছে এবং প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক অর্থ ভর্তুকি হিসেবে দিচ্ছে। স্কুল কর্তৃপক্ষকে বলব, কীভাবে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ সেবা গ্রহণ করতে পারে সে বিষয়ে কাজ করুন।’

মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, ‘ঢাকার নামিদামি বিভিন্ন স্কুলের অনেক শিক্ষার্থী ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করে। এতে যানজট তৈরি হচ্ছে। স্কুলগুলোকে বাসসেবা চালু করতে বাধ্য করতে হবে।’

ঢাকা উত্তর সিটি জানিয়েছে, শুরুতে তিনটি রুটে চলবে দ্বিতল বাস। স্কুল থেকে ওই পথ ধরেই শিক্ষার্থীদের নামিয়ে দিয়ে আসবে স্কুল বাসগুলো। এক নম্বর রুট- কুড়িল বিশ্বরোড থেকে বসুন্ধরা গেট, নদ্দা, নতুনবাজার, গুলশান হয়ে বনানী বিদ্যানিকেতন। দুই নম্বর রুট- ১০০ ফুট সড়কের বসুন্ধরা গেট, ছোলমাইদ, ফ্যামিলিবাজার, নতুনবাজার, বাঁশতলা, শাহজাদপুর, নতুনবাজার, গুলশান হয়ে বনানী বিদ্যানিকেতন। তিন নম্বর রুট- উত্তর বাড্ডার সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে থেকে হোসেন মার্কেট, বাড্ডা লিঙ্ক রোড, গুলশান ১ নম্বর, মহাখালী টিবিগেট, ওয়্যারলেস গেট, আমতলী হয়ে বনানী বিদ্যানিকেতন পর্যন্ত।

এই স্মার্ট বাস ব্যবহারকারী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি মোবাইল অ্যাপ রয়েছে। অ্যাপের মাধ্যমে ই-বুকিং দিতে পারবে তারা। অ্যাপের মাধ্যমেই বাসের গতিবিধি দেখতে পারবেন অভিভাবকরা। প্রতিটি বাসের ভেতর বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা। বনানী বিদ্যানিকেতনে শিক্ষার্থী প্রায় ৪ হাজার ৮০০। শুরুতে ৪৬০ জন অভিভাবক সন্তানকে স্কুলবাসে নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন। অভিভাবকরা আগামী জানুয়ারি মাস পর্যন্ত দেখবেন সব ঠিক আছে কি না, তারপর তারা এ ব্যবস্থায় আসবেন। সব শিক্ষার্থী পরিবহনে ২০টি দ্বিতল বাস নামানো হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Eco friendly wooden houses made in Bagerhat are going to Europe

বাগেরহাটে তৈরি পরিবেশবান্ধব কাঠের বাড়ির গন্তব্য ইউরোপ

বাগেরহাটে তৈরি পরিবেশবান্ধব কাঠের বাড়ির গন্তব্য ইউরোপ বাগেরহাট সদরের প্রত্যন্ত গ্রাম কররীতে ন্যাচারাল ফাইবার-এর কারখানায় তৈরি করা হচ্ছে কাঠের বাড়ি। ছবি: সংগৃহীত
পরিবেশের ক্ষতি করে না এমন পণ্য ব্যবহার করে ইউরোপের দেশ বেলজিয়াম থেকে চলতি বছরের প্রথম দিকে ১২০টি বসতবাড়ি তৈরির অর্ডার পান বাগেরহাট বিসিক শিল্পনগরীর উদ্যোক্তা মোস্তাফিজ আহমেদ। এরপর থেকে পরিবেশবান্ধব বসতবাড়ি তৈরির উদ্যোগ নেয় তার প্রতিষ্ঠান ন্যাচারাল ফাইবার।

বাগেরহাটের প্রত্যন্ত গ্রামে তৈরি কাঠের বা‌ড়ি বেলজিয়ামে রপ্তানি হ‌চ্ছে। বাড়ির কাঠামো, দেয়াল, দরোজা-জানালা এমনকি ছাদও কাঠ দি‌য়ে তৈরি করা হ‌চ্ছে। সে সুবাদে নতুন বাজার ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির নতুন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এটি হতে পারে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের একটি পথ। সূত্র: ইউএনবি

সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই উদ্যোগ আরও একধাপ এগিয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন ন্যাচারাল ফাইবার প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা মোস্তাফিজ আহমেদ।

পরিবেশের ক্ষতি করে না এমন পণ্য ব্যবহার করে ইউরোপের দেশ বেলজিয়াম থেকে চলতি বছরের প্রথম দিকে ১২০টি বসতবাড়ি তৈরির অর্ডার পান বাগেরহাট বিসিক শিল্পনগরীর উদ্যোক্তা মোস্তাফিজ আহমেদ। এরপর থেকে পরিবেশবান্ধব বসতবাড়ি তৈরির উদ্যোগ নেয় তার প্রতিষ্ঠান ন্যাচারাল ফাইবার।

ব্যবসায়ী মোস্তাফিজ আহমেদ জানান, বেলজিয়ামের একটি ইকো পার্কের জন্য ক্রেতারা অর্ডার দিয়েছেন। পরিবেশবান্ধব কাঠের তৈরি এমন ১২০টি বসতঘর তাদের প্রয়োজন। আগামী দুই বছরের মধ্যে এসব ঘর বেলজিয়ামের ক্রেতাদের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাদের চুক্তি হয়েছে, দেশি মেহগনি কাঠ দিয়ে এসব ঘর তৈরি করতে হবে। এছাড়া এসব বাড়ির কাঁচামাল বায়োগ্রেডিবল বা পরিবেশে মিশে যায় এমন হতে হবে। পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন কোনো পণ্য চলবে না।’

বাগেরহাটে তৈরি পরিবেশবান্ধব কাঠের বাড়ির গন্তব্য ইউরোপ
বাগেরহাটে ন্যাচারাল ফাইবার-এর কারখানায় তৈরি করা কাঠের বাড়ির ভেতরের দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত

আশপাশের এলাকা থেকে সংগ্রহ করা কাঠ দিয়ে বসতবাড়ি তৈরি করা হয় এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বাগেরহাট সদর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম কররীতে নিজস্ব কারখানায় তৈরি করা হচ্ছে কাঠের এসব বসতবাড়ি। শ্রমিকরা তৈরি করছেন বসতঘরের দরোজা-জানালা, ফ্রেম ও দেয়াল। সবশেষে শ্রমিকদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় রং ও পালিশের মাধ্যমে শেষ করা হচ্ছে নান্দনিক ও পরিবেশবান্ধব কাঠের বসতবাড়িগুলোর নির্মাণ কাজ।

এই ঘর ১১ মিটার লম্বা এবং সোয়া চার মিটার চওড়া। সম্পূর্ণ কাঠের তৈরি এই বাড়ির বিভিন্ন অংশকে ছোট আকারে খণ্ড খণ্ড করা হয়। এর ফলে পুরো বাড়িটিকে স্বল্প স্থানে পরিবহন করা সহজ হয়। পরে এই খণ্ডগুলো জুড়ে দিলে সহজেই যেকোনো জায়গায় স্থাপন করা যায়।

কারখানার কাঠমিস্ত্রি মোজাহিদ বলেন, ‘আমাদের প্রথমে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। তারপর ডিজাইন দেখে সম্পূর্ণ একটি বসতঘর তৈরি করেছি। এরপর কোম্পানি ও বিদেশি লোকজন তা দেখে পছন্দ করছে। এখন আমরা পুরোদমে কাজ শুরু করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রতিটি বাড়ি তৈরিতে এক সপ্তাহ সময় লাগে। এখানে প্রায় দুইশ’ শ্রমিক কাজ করছে।’

কারখানার শ্রমিক শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা আগে কখনও এই ঘর তৈরি করিনি। এখন দেখছি খুবই সুন্দর হয়েছে ঘরগুলো।’

সাইফুল নামে অপর এক শ্রমিক বলেন, ‘আমাদের হাতে তৈরি কাঠের ঘর বিদেশে যাচ্ছে, এটা আমাদের জন্য গর্বের। আমরা এই ঘর তৈরি করতে পেরে আনন্দিত।’

বাগেরহাট ন্যাচারাল ফাইবারের কনসালট্যান্ট মো. মনিরুজ্জামান মোল্লা শাহিন বলেন, ‘সম্পূর্ণ স্থানীয় কাঠ মেহগনি দিয়ে তৈরি বসতঘর যদি মোংলা দিয়ে রপ্তানি করা হতো তাহলে সময় ও অর্থ সাশ্রয় হতো। কিন্তু আমাদের পণ্য পাঠাতে হয় চট্রগ্রাম বন্দর থেকে। সরকারের কাছে আমাদের দাবি- এই রপ্তানি কাজে আমরা যেন মোংলা বন্দর ব্যবহার করতে পারি।’

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের বাগেরহাটের শিল্পনগরী কর্মকর্তা ইউনুস আর রাফি বলেন, ‘এ ধরনের পণ্য বিদেশে গেলে আমাদের দেশের সুনাম বাড়বে। দেশীয় পণ্য বিদেশের বাজারে রপ্তানি করতে ইচ্ছুক উদ্যোক্তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।’

এর আগে কারখানাটিতে তৈরি কাঠের বিভিন্ন পণ্য বেশ সাড়া ফেলেছিল ইউরোপের বাজারে। সেসময় প্রতিষ্ঠানটিতে তৈরি হতো কাঠের সাইকেল, সানবেড, হোটেল বেড, কুকুর-বিড়ালের খেলনাসহ পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন পণ্য। তবে বর্তমানে শুধু কাঠের বাড়ি তৈরি করছে প্রতিষ্ঠানটি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Project of Jago Foundation Trust on Child and Adolescent Protection

শিশু ও কিশোরী সুরক্ষায় জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের প্রকল্প

শিশু ও কিশোরী সুরক্ষায় জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের প্রকল্প কক্সবাজারের বেস্ট ওয়েস্টার্ন অ্যান্ড হেরিটেজ হোটেলে বুধবার প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: নিউজবাংলা
প্রকল্পটি মূলত কক্সবাজার এলাকায় শিশু ও কিশোরীকেন্দ্রিক সুরক্ষা ব্যবস্থা তথা সেইফগার্ড মেকানিজম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে। তিন বছরের মধ্যে মোট ৩০০ কিশোরী ও তরুণীকে এই প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

বেকারত্ব, সামাজিক ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা এবং যৌন হয়রানির মতো সমস্যার সমাধান এবং সম্ভাব্য সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে শিশু ও কিশোরীদের সুরক্ষার লক্ষ্যে জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের উদ্যোগে কক্সবাজারে ‘স্বপ্নের সারথি- সী-শোর গার্লস প্রজেক্ট’ শুরু হয়েছে।

ইউনিসেফের সহযোগিতা ও অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পটির অবহিতকরণ সভা বুধবার কক্সবাজারের বেস্ট ওয়েস্টার্ন অ্যান্ড হেরিটেজ হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রকল্পটি মূলত কক্সবাজার এলাকায় শিশু ও কিশোরীকেন্দ্রিক সুরক্ষা ব্যবস্থা তথা সেইফগার্ড মেকানিজম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে। এজন্য ইউনিসেফের চাইল্ড প্রটেকশনস স্পোর্টস ফর ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ-এর অধীনে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এলাকায় একটি সী-শোর গার্লস হাব চালু করা হয়েছে।

প্রকল্পটির আওতায় খেলাধুলা, বিশেষ করে সার্ফিংয়ের মাধ্যমে মেয়েদের মানসিক বিকাশ, জীবন দক্ষতা এবং কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা সরবরাহ করবে। তিন বছরের মধ্যে মোট ৩০০ কিশোরী ও তরুণীকে এই প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ দেয়া হবে, যাতে তারা নিরাপদ এবং সহায়ক পরিবেশে নিজেদের ক্ষমতায়ন করতে পারে।

ইউনিসেফ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জেনারেশন আনলিমিটেডের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মারিয়ান ওয়েলার্স বলেন, ‘মেয়েদেকে শোষণ এবং সহিংসতা থেকে রক্ষার জন্য তাদের ক্ষমতায়ন করতে হবে। স্বপ্নের সারথি প্রকল্পটি সার্ফিং, লাইফগার্ড প্রশিক্ষণ, প্রাথমিক চিকিৎসা, সাঁতার এবং সফট স্কিলসের মাধ্যমে মেয়েদের দক্ষতা ও ক্ষমতায়ণ বৃদ্ধি করতে কাজ করছে। প্রকল্পটিতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করছি।’

আরও পড়ুন:
জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতার হাতে র‌্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BRTC Eid Special Bus Service from June 13

বিআরটিসির ঈদ স্পেশাল বাস সার্ভিস ১৩ জুন থেকে

বিআরটিসির ঈদ স্পেশাল বাস সার্ভিস ১৩ জুন থেকে
ঈদযাত্রায় স্পেশাল বাস সার্ভিসের অগ্রিম টিকিট সোমবার বিক্রি শুরু করেছে বিআরটিসি। ঢাকার মতিঝিল, জোয়ার সাহারা, কল্যাণপুর, গাবতলী, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, যাত্রাবাড়ী, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ (চাষাঢ়া) বিআরটিসির বিভিন্ন ডিপো থেকে অগ্রিম টিকিট কেনা যাচ্ছে।

ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের আরামদায়ক ও নির্বিঘ্ন গন্তব্যে পৌঁছানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) ১৩ জুন বুধবার থেকে ঈদ স্পেশাল বাস সার্ভিস পরিচালনা করবে।

সে লক্ষ্যে সোমবার শুরু হয়েছে অগ্রিম টিকিট বিক্রি। এই টিকিট বিক্রি চলবে ১৮ জুন পর্যন্ত।

রাজধানী ঢাকার মতিঝিল, জোয়ার সাহারা, কল্যাণপুর, গাবতলী, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, যাত্রাবাড়ী, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ বাস ডিপোসহ (চাষাঢ়া) বিআরটিসির বিভিন্ন ডিপো থেকে অগ্রিম টিকিট কিনতে পারবেন যাত্রীরা।

বিশেষ রুট এবং বাস ডিপোগুলো হলো-

মতিঝিল ডিপো: ঢাকা-রংপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নওগাঁ, কুষ্টিয়া, বরিশাল, গোপালগঞ্জ, জয়পুরহাট, জামালপুর ও কলমাকান্দা রুট।

কল্যাণপুর ডিপো: ঢাকা-রাজশাহী, নওগাঁ, নেত্রকোণা, সৈয়দপুর, ঠাকুরগাঁও, বরিশাল, গোপালগঞ্জ, গাইবান্ধা, বগুড়া, রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, কুষ্টিয়া, নাগরপুর, পাটুরিয়া ও নালিতাবাড়ি রুট।

গাবতলী ডিপো: ঢাকা-রংপুর, ভাটিয়াপাড়া ও পাটুরিয়া রুট।

জোয়ারসাহারা ডিপো: ঢাকা-রংপুর, দিনাজপুর, নওগাঁ, ময়মনসিংহ; সিবিএস ২ (গুলিস্তান)-বরিশাল ও বগুড়া রুট।

মিরপুর ডিপো: ঢাকা-ঠাকুরগাঁও, রংপুর, পঞ্চগড়, স্বরূপকাঠি, গোপালগঞ্জ ও বগুড়া রুট।

মোহাম্মদপুর ডিপো: ঢাকা-রংপুর, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, বগুড়া, নওগাঁ, বরিশাল, খুলনা, গোপালগঞ্জ ও ময়মনসিংহ রুট।

গাজীপুর ডিপো: গাজীপুর-খুলনা, বরিশাল, রংপুর, বগুড়া ও ময়মনসিংহ রুট।

যাত্রাবাড়ী ডিপো: ঢাকা-রংপুর, দিনাজপুর, খুলনা, কুড়িগ্রাম, ভাঙ্গা ও বরিশাল রুট।

নারায়ণগঞ্জ ডিপো: ঢাকা-ভাঙ্গা (ফরিদপুর), বরিশাল, হবিগঞ্জ, রংপুর, লালমনিরহাট, নওগাঁ, নেত্রকোনা ও বগুড়া রুট।

কুমিল্লা ডিপো: কুমিল্লা-সিলেট ও সুনামগঞ্জ রুট।

নরসিংদী ডিপো: ঢাকা-পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, রংপুর, নওগাঁ ও বগুড়া রুট।

সিলেট ডিপো: সিলেট-চট্টগ্রাম, লক্ষীপুর, ময়মনসিংহ, রংপুর ও তারাকান্দি রুট।

দিনাজপুর ডিপো: দিনাজপুর-ঢাকা (গাবতলী) রুট।

সোনাপুর ডিপো: সোনাপুর-চট্টগ্রাম ও বরিশাল রুট।

বগুড়া ডিপো: বগুড়া-রংপুর রুট।

রংপুর ডিপো: রংপুর-মোংলা ও ঢাকা রুট।

খুলনা ডিপো: খুলনা-ঢাকা, শ্যামনগর-কিশোরগঞ্জ ও রংপুর রুট।

পাবনা ডিপো: পাবনা-গাজীপুর চৌরাস্তা রুট।

ময়মনসিংহ ডিপো: ঢাকা-ময়মনসিংহ, ফুলপুর, ঠাকুরগাঁও, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম রুট।

চট্টগ্রাম ডিপো: চট্টগ্রাম-রংপুর, বরিশাল, ভোলা (চরফ্যাশন), মজু চৌধুরীর হাট ও চাঁদপুর রুট।

টুঙ্গীপাড়া ডিপো: ঢাকা-পাটগাতি রুট।

বরিশাল ডিপো: বরিশাল-ঢাকা ও রংপুর রুট।

পাশাপাশি বিআরটিসির ঈদ স্পেশাল সার্ভিসের বাস রিজার্ভের জন্য যেসব নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে সেসব বাস ডিপোর ম্যানেজারের (অপারেশন) ফোন নম্বরগুলো হলো-

মতিঝিল: ০১৭১৮-১৮৩৫৮৯, কল্যাণপুর: ০১৭১৫-৬৫২৬৮৩, গাবতলী: ০১৭১৭-৭৬৩৮২০, জোয়ারসাহারা: ০১৭১৬-৬৮৪১৪৪, মিরপুর: ০১৭৪০-০৯৮৮৮৮, মোহাম্মদপুর: ০১৭১০-৮১৫৮৫৬, গাজীপুর: ০১৯৬৪-৩৭৭৯৭৫, যাত্রাবাড়ী: ০১৭১১-৩৯১৫১৪, নারায়ণগঞ্জ: ০১৯১৯-৪৬৫২৬৬, কুমিল্লা: ০১৭৩৬-৯৮৪৯৩৫, নরসিংদী: ০১৯১২-৭৭০৮৬৪, দিনাজপুর: ০১৭১২-৩৮২১৪৪, সোনাপুর: ০১৯১৬-৭২১০৪৪, বগুড়া: ০১৯১৩-৭৪১২৩৪, রংপুর: ০১৮১৪-৪৯৮৬৬১, খুলনা: ০১৭১৫-১০৩৪২৪, ময়মনসিংহ: ০১৭৫৮-৮৮০০১১, চট্টগ্রাম: ০১৭৯৮-১৩১৩১৩, টুঙ্গীপাড়া: ০১৭১২-১৮৭৭৯০, বরিশাল: ০১৭১১-৯৯৮৬৪২ ও ও সিলেট: ০১৭১০-৩৫৮১৪২।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Drug protest through painting

চিত্রাঙ্কনের মাধ্যমে মাদকের প্রতিবাদ

চিত্রাঙ্কনের মাধ্যমে মাদকের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেয়া শিক্ষার্থী ও আয়োজক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষার্থী ও যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা এবং জনসচেতনতা তৈরিতে কক্সবাজারের চকরিয়ায় সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মানবিক পাঠশালার উদ্যোগে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও মাদকবিরোধী শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে৷

শিক্ষার্থী ও যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা এবং জনসচেতনতা তৈরিতে কক্সবাজারের চকরিয়ায় সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মানবিক পাঠশালার উদ্যোগে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও মাদকবিরোধী শপথ গ্রহণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে৷

এসপি চিত্রালয় আর্ট স্কুলে শনিবার বিকেলে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই কর্মসূচি উদ্বোধন করেন অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ বিকাশ কান্তি দাশ ও সাংবাদিক ইউসুফ বিন হোসাইন।

মাদকবিরোধী এই চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা মাদকের ভয়াল থাবা ও সামাজিক অবক্ষয়কে চিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরে।

শিল্পের ছোঁয়ায় মাদকবিরোধী এই নীরব প্রতিবাদকে মানবিক পাঠশালার একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ আখ্যা দিয়ে সমাজকর্মী ও সাংবাদিক ইউসুফ বিন হোসাইন সব শিক্ষার্থীকে মাদকবিরোধী শপথ পাঠ করান।

চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী এক শিক্ষার্থীর অভিব্যক্তি, ‘এই প্রথম মাদকবিরোধী প্রতিবাদ জানিয়ে একটি চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছি। মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে অনেক কিছু জানার সুযোগ হয়েছে। সব বন্ধুকে নিয়ে মাদকবিরোধী শপথ গ্রহণ করেছি। এমন উদ্যোগ গ্রহণ করায় আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

মাদকের কুফল সম্পর্কে আলোচনা করে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বিকাশ কান্তি দাশ বলেন, ‘পরিবার ও সমাজের জন্য মাদক হুমকিস্বরূপ। মাদকাসক্ত ব্যক্তি অপরাধ ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড করতে কোনো দ্বিধা করে না এবং মাদকাসক্তি সমাজে অপরাধপ্রবণতা বৃদ্ধিসহ শৃঙ্খলা নষ্ট করে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ অলিগলি ও পাড়া-মহল্লায় আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে মাদকাসক্তের সংখ্যা। মাদকাসক্তি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে তা সমাজে ভয়ংকর রূপ ধারণ করবে।

মানবিক পাঠশালার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য তাছিন রাজ্জাক আলভি জানান, মাদকবিরোধী চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা হয় এবং মাদক থেকে দূরে থাকতে শিক্ষার্থীদের শপথ পাঠ করানো হয়।

মানবিক পাঠশালার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সমন্বয়ক ইরানুল ইসলাম বলেন, ‘মানবিক পাঠশালা শুধু একটি সংগঠনই নয়, একটি সামাজিক আন্দোলনও। এই সামাজিক আন্দোলনের অন্যতম হচ্ছে মাদকবিরোধী আন্দোলন। মানবিক পাঠশালার উদ্যোগে মাদকবিরোধী এ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মানবিক পাঠশালার সদস্য মেহেদী ইকবাল ইমন, আরশাদুল ইসলাম আপনসহ সংগঠনের অন্য নেতৃবৃন্দ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Safe Motherhood Day is Tuesday

নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস আজ

নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস আজ
গর্ভকালীন, প্রসবকালীন ও প্রসব-পরবর্তী সময়ে সব নারীর জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণই হল নিরাপদ মাতৃত্ব। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- ‘হাসপাতালে সন্তান প্রসব করান, মা ও নবজাতকের জীবন বাঁচান।’

নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস আজ মঙ্গলবার। প্রতিবছরের মতো এবারও দিবসটি উপলক্ষে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য- ‘হাসপাতালে সন্তান প্রসব করান, মা ও নবজাতকের জীবন বাঁচান।’

নিরাপদ মাতৃস্বাস্থ্য, মাতৃমৃত্যু হার হ্রাস ও নবজাতকের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যেই নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালিত হয়ে আসছে। গর্ভকালীন, প্রসবকালীন ও প্রসব-পরবর্তী সময়ে সব নারীর জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণই হল নিরাপদ মাতৃত্ব।

দেশব্যাপী নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালন শুরু হয় ১৯৯৮ সালে। এরপর থেকে নিরাপদ মাতৃস্বাস্থ্য, মাতৃমৃত্যু হার কমানো ও নবজাতকের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে প্রতি বছর ২৮ মে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালে এ বিষয়ে অনুমোদন দিলে পরের বছর থেকে দেশব্যাপী দিবসটি পালন শুরু হয়। পরে ২০১৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ উদ্যোগ টেকসই উন্নয়নের অন্তর্ভুক্ত করে।

মন্তব্য

p
উপরে