× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Two more upazilas of Sylhet are also flooded
google_news print-icon

সিলেটের আরও দুই উপজেলা প্লাবিত, নগরেও ঢুকছে পানি

সিলেটের-আরও-দুই-উপজেলা-প্লাবিত-নগরেও-ঢুকছে-পানি
সিলেট বন্যায় প্লাবিত সড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন কয়েকজন ব্যক্তি। ছবি: নিউজবাংলা
সিলেটের সাত উপজেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে পানিবন্দি অবস্থায় আছে জেলার প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষ।

সিলেটে বন্যায় নতুন করে আরও দুটি উপজেলা প্লাবিত হয়েছে। নতুন করে পানি প্রবেশ করেছে বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ উপজেলায়।

এ নিয়ে জেলার সাত উপজেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে পানিবন্দি অবস্থায় আছে জেলার প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষ।

এদিকে বৃহস্পতিবার রাত থেকে নদী উপচে সিলেট নগরেও পানি প্রবেশ করতে শুরু করে। নগরের নদী তীরবর্তী কয়েকটি এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

এমন পরিস্থিতিতে সব কর্মীর ছুটি বাতিল করেছে সিলেট সিটি করপোরেশন। জরুরি সেবার জন্য চালু করা হয়েছে কন্ট্রোল রুম।

সিলেটে বৃষ্টি থেমেছে, বৃষ্টিপাত হচ্ছে মেঘালয়ে

টানা কয়েক দিন বৃষ্টির পর শুক্রবার সকাল থেকে সিলেটে বৃষ্টি থেমেছে। রোদেরও দেখা মিলেছে, তবে বৃষ্টি হচ্ছে সিলেটের উজানে ভারতের মেঘালয়ে।

গত ২৪ ঘণ্টায় মেঘালয়ের সবচেয়ে বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চল চেরাপুঞ্জিতে ১৯৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজিব।

টানা বৃষ্টি ও ঢলে বুধবার রাতেই তলিয়ে যায় ভারত সীমান্তবর্তী সিলেটের পাঁচ উপজেলা জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জকিগঞ্জ। পরের দিন বৃহস্পতিবার রাতে নতুন করে প্লাবিত হয় বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ উপজেলা।

সিলেটের আরও দুই উপজেলা প্লাবিত, নগরেও ঢুকছে পানি

বন্যাকবলিত এলাকায় ৫৪৭টি আশ্রয়কেন্দ্রে চালু করেছে জেলা প্রশাসন। এর মধ্যে প্লাবিত সাত উপজেলার ৩৪৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত চার হাজার ৮০২ জন আশ্রয় নিয়েছে। নগরের আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখার কথা জানিয়েছে সিটি করপোরেশন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সিলেট কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল ৯টায় সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৯৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। সিলেট পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার শূন্য দশমিক ৩০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে, জকিগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারে কুশিয়ারার পানি দুটি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এর মধ্যে অমলসিদ পয়েন্টে ২০৭ সেন্টিমিটার ও শেওরা পয়েন্টে ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল।

পাউবো সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী দিপক রঞ্জন দাস বলেন, ‘সিলেটে এবারের বন্যা দেখা দিয়েছে ঢলের কারণে। উজানে বৃষ্টি থামলে ঢলও বন্ধ হবে। তখন বন্যা পরিস্থিতিরও উন্নতি হবে।’

বন্যায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে জৈন্তাপুর উপজেলা। এ উপজেলার ৭৫ শতাংশ এলাকাই পানিতে তলিয়ে যায়। পানি উঠে গেছে বেশির ভাগ বাড়িতে।

বাড়িতে পানি উঠে যাওয়ায় জৈন্তাপুরের ফতেহপুর এলাকার বৃদ্ধা হাওয়া বিবি আশ্রয় নিয়েছেন স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আশ্রয়কেন্দ্রে।

তিনি বলেন, ‘আগেও বাড়িতে পানি উঠছে, কিন্তু এত দ্রুত পানি বাড়তে জীবনে দেখিনি। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পানিতে সব তলিয়ে গেল।

‘পানি দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ঘর থেকে কিছুই নিয়ে আসতে পারিনি। আসবাবপত্র সব পানিতে ভিজে নষ্ট হচ্ছে।’

জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী জানান, উপজেলার টিলা এলাকা ছাড়া বাকি সব এলাকাই প্লাবিত। কোথাও কোথাও মানুষের বাড়ির চাল পর্যন্ত পানিতে ডুবে গেছে। বন্যা কবলিতদের জন্য চাল বরাদ্দ দেয়া হলেও অনেকের রান্না করে খাওয়ার মতো শুকনো জায়গাও নেই।

তিনি বলেন, বন্যা কবলিত মানুষজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, তবে গৃহপালিত পশু উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। বন্যায় গবাদিপশুর ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।

এদিকে প্লাবিত উপজেলাগুলোতে শুক্রবারও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চাল, শুকনা খাবার ও অর্থ বরাদ্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও দুর্গত মানুষের খোঁজ নিতে বিভিন্ন উপজেলায় যান জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান।

তিনি জানান, বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় সেনাবাহিনী প্রস্তুত।

সিলেটের আরও দুই উপজেলা প্লাবিত, নগরেও ঢুকছে পানি

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্লাবিত এলাকায় ১ হাজার বস্তা শুকনা খাবার, ৭৫ টন চাল ও নগদ তিন লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আরও বরাদ্দের জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া বন্যার্তদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য ইউনিয়নভিত্তিক মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে ।

নগরে ঢুকছে পানি

সুরমা নদী উপচে বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে সিলেট নগরের নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করে। শুক্রবার নগরের জামতলা, তালতলা, মাছিমপুর, ছড়ারপাড় তোপখানা, সোবহানীঘাটসহ বেশ কয়েকটি এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। পানি ঢুকে পড়েছে তালতলা এলাকার সিলেট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কার্যালয়ে।

ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. বেলাল হোসেন বলেন, ‘বন্যার পানি ওঠার কারণে এ স্টেশন থেকে সব যন্ত্রপাতি আলমপুর স্টেশনে নিয়ে রাখা হয়েছে। পানি আরও বাড়লে গাড়িগুলোও অন্যত্র নিয়ে রাখতে হবে। সেই সঙ্গে কর্মীদের আপাতত সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে অস্থায়ীভাবে থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’

সিলেট সিটি করপোরেশনের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে পড়েছে ফায়ার সার্ভিসের মূল স্টেশন। ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শান্তনু দত্ত বলেন, ‘তালতলা ফায়ার স্টেশন ছাড়াও নগরের বাগবাড়ি, উপশহর এলাকার নিম্নাঞ্চলে পানি উঠতে শুরু করেছে।’

সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, উজানের পানি নেমে আসায় নদীতে পানি বেড়েছে। যেখানে ছড়ার পানি নদীতে যাওয়ার কথা, সেখানে নদীর পানি ছড়া উপচে নগরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে।

জরুরি সভা

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দেয়ায় বৃহস্পতিবার বিকেলে জরুরি সভা করে সিটি করপোরেশন।

সভায় নগরের কয়েকটি ওয়ার্ডকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং ওই ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোতে কাউন্সিলরদের মাধ্যমে আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুতের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। শুক্রবার থেকে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি এবং প্রাথমিক চিকিৎসাসামগ্রী পাঠানো শুরু হয়।

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় উদ্ধারকাজের জন্য নৌকার ব্যবস্থা, নিম্নাঞ্চলের বিদ্যুৎকেন্দ্র, উপকেন্দ্রগুলো বন্যার পানিতে যাতে ডুবে না যায়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সহযোগিতা প্রদান, নগরবাসীর জরুরি সেবার জন্য ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম চালুসহ পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করলে রান্না করা খাবার পরিবেশনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সভায় জনস্বার্থে সিলেট সিটি করপোরেশনের বিদ্যুৎ, পানি, স্বাস্থ্য ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শাখার সব কর্মীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এরই মধ্যে প্রাথমিকভাবে তিন টন চিড়া, তিন টন মুড়ি, গুড়, খাবার পানি, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও ওরাল স্যালাইন কেনা হয়েছে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান বলেন, ‘উজানের পানি নেমে আসায় নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। যেখানে সিলেট নগরের ছড়ার পানি নদীতে পড়ার কথা, সেখানে নদীর পানি উল্টো ছড়া উপচে নগরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি।'

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোবারক হোসেন জানান, বন্যার্তদের সহায়তায় উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে মেডিক্যাল টিম গঠন করা হচ্ছে। বন্যাদুর্গত মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা হচ্ছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সবার কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
বিপৎসীমা ছাড়িয়েছে সিলেটের সব নদ-নদীর পানি
রিমালের প্রভাবে বিদ্যুৎহীন সিলেট, মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যাহত
প্রতিদিনই রেকর্ড ছাড়াচ্ছে সিলেটের তাপমাত্রা, গরমে হাঁসফাঁস
সিলেটের আরেক কূপে গ্যাসের সন্ধান
আফগানিস্তানে ফের আকস্মিক বন্যায় ৬০ প্রাণহানি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Body of missing college student found after bathing in Tangon river

টাঙ্গন নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

টাঙ্গন নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার ঠাকুরগাঁওয়ের শাহপাড়ায় টাঙ্গন নদীর ঘাট সংলগ্ন এলাকা থেকে বুধবার কলেজছাত্র রায়হানের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস। ছবি: নিউজবাংলা
উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করে ঠাকুরগাঁও ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার রবিউল ইসলাম জানান, সকাল সাতটায় উদ্ধারকাজ শুরু করে রংপুর থেকে আসা ডুবরি দল ও ফায়ার সার্ভিস। প্রায় দুই ঘণ্টা উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেন চার ডুবরি। এরই মধ্যে খবর আসে ঘটনাস্থল থেকে দুই কিলোমিটার দূরে ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ ভেসে উঠেছে। পরে শাহপাড়ায় নদীর ঘাট সংলগ্ন এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।

ঠাকুরগাঁও সদরে টাঙ্গন নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ হওয়া কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

মরদেহটি বুধবার সকাল ৯টার দিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ওই সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও ছাত্রের পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রাণ হারানো রায়হান ইসলাম (১৬) ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের মুজিবনগর গ্রামের শহিদের ছেলে।

উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করে ঠাকুরগাঁও ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার রবিউল ইসলাম জানান, সকাল সাতটায় উদ্ধারকাজ শুরু করে রংপুর থেকে আসা ডুবরি দল ও ফায়ার সার্ভিস। প্রায় দুই ঘণ্টা উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেন চার ডুবরি। এরই মধ্যে খবর আসে ঘটনাস্থল থেকে দুই কিলোমিটার দূরে ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ ভেসে উঠেছে। পরে শাহপাড়ায় নদীর ঘাট সংলগ্ন এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।

ছাত্রের পরিবার সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুর দুইটার দিকে রায়হানসহ পাঁচ বন্ধু মিলে নদীতে গোসলে নামে। সে নিখোঁজ হওয়ার এক দিন অতিবাহিত হলেও তার পরিবারকে খবর দেয়নি বন্ধুরা। পরে জানতে পেরে পরিবারের পক্ষ থেকে ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়।

ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রংপুর বিভাগের ডুবরি দলকে খবর দেয়৷ ডুবরি দল এসে মরদেহ উদ্ধার করে।

আরও পড়ুন:
‘ভাই যে নদীতে নেমেছিল, এ কথা কেউ জানায়নি’
সাভারে কলেজের কক্ষ থেকে অধ্যক্ষের মরদেহ উদ্ধার
ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে যুবক নিহত
রামুর বাঁকখালী নদীতে ভেসে এলো গলা কাটা মরদেহ
রাজধানীতে ১৩ বছর অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ গৃহকর্মীর
বাংলাদেশ
Flood situation further worsened in Kurigram with more than 200 villages inundated

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, ২ শতাধিক গ্রাম প্লাবিত

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, ২ শতাধিক গ্রাম প্লাবিত কুড়িগ্রামে বন্যার পানিতে ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন মানুষজন। বানভাসি পরিবারগুলো বসতবাড়িতে বাঁশের মাচান, নৌকা ও কলাগাছের ভেলায় আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। ছবি: নিউজবাংলা
কুড়িগ্রামে এরই মধ্যে বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে নদ-নদী তীরবর্তী ৪১ ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের দুই শতাধিক গ্রামে। এতে বেসরকারি হিসাব অনুযায়ী, পানিবন্দি সোয়া লাখ মানুষ। জেলা প্রশাসনের হিসাব অনুযায়ী, দুর্যোগকবলিত মানুষের সংখ্যা ৬২ হাজার ২০০।

কুড়িগ্রামে চলমান বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে শুক্রবার।

জেলায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী, নুনখাওয়া ও হাতিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এর ফলে প্লাবিত হয় নতুন নতুন এলাকা।

কুড়িগ্রামে এরই মধ্যে বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে নদ-নদী তীরবর্তী ৪১ ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের দুই শতাধিক গ্রামে। এতে বেসরকারি হিসাব অনুযায়ী, পানিবন্দি দেড় লাখ মানুষ।

জেলা প্রশাসনের হিসাব অনুযায়ী, দুর্যোগকবলিত মানুষের সংখ্যা ৬২ হাজার ২০০।

বন্যার পানিতে ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন মানুষজন। বানভাসি পরিবারগুলো বসতবাড়িতে বাঁশের মাচান, নৌকা ও কলাগাছের ভেলায় আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

অনেক পরিবারে গত পাঁচ দিন ধরে চুলা জ্বলছে না। বন্যার পানিতে ভেসে যায় তাদের গৃহপালিত পশুপাখি। চারণভূমি তলিয়ে যাওয়ায় দেখা দেয় গো-খাদ্যের তীব্র সংকট।

বানভাসিদের অনেকেই গবাদি পশুসহ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও আশ্রয়কেন্দ্রে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।

জেলায় গ্রামাঞ্চলের কাঁচা-পাকা সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে খাদ্য, বিশুদ্ধ খাবার পানি ও শুকনো খাবার এবং জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে বানভাসিদের। স্যানিটেশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।

প্লাবিত যেসব অঞ্চল

জেলার ৯টি উপজেলাই বন্যা কবলিত। এর মধ্যে ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকায় ছয়টি উপজেলা আক্রান্ত বেশি। ভারতের আসাম-মেঘালায় রাজ্যে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায়।

ভারতের আসাম রাজ্যের ধুবড়ি জেলা হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করছে কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর,নাগেশ্বরী এবং রৌমারী উপজেলা দিয়ে।

ভারতের পাহাড়ি ঢল আর ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে ব্রহ্মপুত্র নদের তিনটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে কুড়িগ্রামের ছয়টি উপজেলার দেড় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ার পাশাপাশি কয়েক হাজার ঘরবাড়ি নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে।

ব্রহ্মপুত্র নদের প্রবেশপথে যেসব ইউনিয়ন আক্রান্ত হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা, নারায়ণপুর, নুনখাওয়া, কালিগঞ্জ, বল্লভের খাস ও কেদার।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ঘোগাদহ, যাত্রাপুর ও পাঁচগাছি প্লাবিত হয়েছে । উলিপুর উপজেলার সাহেবের আলগা, হাতিয়া প্লাবিত হয়।

চিলমারী উপজেলার রাণীগঞ্জ, অষ্টমিরচর, নয়ারচর, চিলমারী সদর ও রমনা এলাকায় বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে।

রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা, রৌমারী সদর, বন্দবের, চরশৌলমারী ও যাদুরচর প্লাবিত হয়। এ ছাড়া রাজিবপুর উপজেলার কোদালকাটি, মোহনগঞ্জ, রাজিবপুর সদর ইউনিয়নের মানুষ বেশি আক্রন্ত হয়েছে।

কুড়িগ্রাম সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়নের মিলপাড়া এলাকার আবদুল মতিন বলেন, ‘পানি হু হু করে বাড়ছে। ঘরেও পানি প্রবেশ করেছে। চিন্তাভাবনা করছি উঁচু স্থানে আশ্রয় নেয়ার।’

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, ২ শতাধিক গ্রাম প্লাবিত

সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল গফুর বলেন, ‘আমার ইউনিয়নের অনেক চর ও দ্বীপ চর তলিয়ে গেছে। অনেক কষ্টে বসবাস করছে চরের মানুষ।

‘এ ছাড়াও কুড়িগ্রাম-যাত্রাপুর সড়কের দুটি স্থানে পানি ওঠায় যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। এ ইউনিয়নে পানিবন্দি মানুষের সংখ্যা ৩০ হাজারের বেশি।’

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, ২ শতাধিক গ্রাম প্লাবিত

পানি উন্নয়ন বোর্ড কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্রসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। ব্রহ্মপুত্রের পানি তিনটি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যান্য নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে।

জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা আবদুল হাই সরকার জানান, এখন পর্যন্ত বানভাসিদের জন্য ৯ উপজেলায় ২৮২ টন চাল ও ২১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা বিতরণের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। মজুত আছে ৩৯৫ টন চাল, আট লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ৫০০ প্যাকেট শুকনা খাবার। এগুলো পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হবে।

জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ জানান, সরকারের নির্দেশনায় স্থানীয় প্রশাসন বন্যার্তদের পাশে থেকে দুর্ভোগ কমাতে সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। শুক্রবার সকাল থেকে উলিপুর ও সদর উপজেলার বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন এবং বন্যার্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার জাকির হোসেন।

তিনি জানান, জেলার ৯ উপজেলার সবগুলো বন্যা কবলিত। বন্যার্তদের জন্য ৪০৪টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত আশ্রয়কেন্দ্রে গেছেন এক হাজার ২৪৬ জন।

ডিসি আরও জানান, শুক্রবার ৯ উপজেলায় দুই হাজার ৮৫০টি পরিবারের মধ্যে ২৮ টন চাল বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া শুকনা খাবার, তেল, ডালসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীও বিতরণ করা হয়।

আরও পড়ুন:
শিশু কাওছা‌রের হৃৎপিণ্ডে ছিদ্র, বাঁচানোর আকুতি বাবার
আট টাকায় শাড়ি, লুঙ্গি
সাংবাদিককে মারধর: আওয়ামী লীগ নেতাসহ তিনজনের নামে মামলা
পাঁচ বছর ধরে দুই শতাধিক মুসল্লির ইফতার আয়োজন করছে মসজিদটি
ভুটানের রাজা আসবেন কুড়িগ্রামে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Action if Chhatra Leagues involvement in sugar scandal is found Sheikh Inan

চিনিকাণ্ডে ছাত্রলীগের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা: ইনান

চিনিকাণ্ডে ছাত্রলীগের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা: ইনান আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন (ডানে) ও নাজমুল হীরা। ফাইল ছবি
শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান বলেছেন, ‘কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমনের বিরুদ্ধে চিনি চোরাচালানে সম্পৃক্ততার অভিযোগটি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে শিগগিরই সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

ভারত থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে চিনি এনে দেশে বিক্রি চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন ও তার স্বজন নাজমুল হীরার বিরুদ্ধে। ইতোমধ্যেই বিষয়টি নজরে এসেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান বলেন, ‘কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমনের বিরুদ্ধে চিনি চোরাচালানে সম্পৃক্ততার অভিযোগটি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে শিগগিরই সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সম্প্রতি চোরাচালানের চিনিসহ একটি ট্রাক আটক করে পুলিশ। ট্রাকটি সুমন ও হীরার ঘনিষ্ঠ একজন আনেন বলে খবর চাউর হয়, মামলার আসামি করা হয় ছাত্রলীগের অন্য এক নেতাকে। ওই নেতার দাবি, চোরাই চিনিবোঝাই ট্রাক ধরিয়ে দিতে তিনি সহযোগিতা করেছেন।

তিনি বলেন, ‘সুমন নিজে বাঁচতে ও তার ভাগ্নে হীরাকে বাঁচাতে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।’

ভারতীয় অবৈধ চিনি বোঝাই ট্রাকটি আটকের পর চোরাকারবারীদের সঙ্গে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন যেসব বার্তা আদান-প্রদান করেছেন, তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

বার্তা আদান-প্রদানের স্ক্রিনশটে দেখা যায়, সুমন নিয়মিত খোঁজ রাখছেন কয়টা গাড়ি শহরে প্রবেশ করেছে এবং তাকে কী পরিমাণ টাকা দিতে হবে।

একটি বার্তায় সুমন লেখেন, ‘কত করে কত দিনের দিছস?’ জবাবে তাকে বলা হয়, ‘ছয় দিনের ১০ করে।’ উত্তরে সুমন লেখেন, ‘তোরে না বলছি প্রতিদিন ১৫ করে দিতে?’ আরেকটি মেসেজে সুমন জানতে চেয়েছেন, ‘সকালে গাড়ি কয়টা এসেছে?’ জবাব আসে, ‘ওইদিকে ঝামেলা। কালকে দুইটা আসবে।’

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমনের সঙ্গে একবার ফোনে সংক্ষিপ্ত কথা হয়। চিনির ট্রাক আটকের ঘটনায় সে সময় তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পুলিশ যাদের সম্পৃক্ততা পেয়েছে, তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এ ঘটনায় যদি আমার কোনো সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়, তাহলে আমার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ হবে। এতে তো কোনো সমস্যা নেই!’

ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের এই চোরাচালানে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি।

সুমন বলেন, ‘যারা চোরাই কারবারের জড়িত, তারা মূলত নামধারী ছাত্রলীগ। তারা কোনো পদ-পদবিতে না থাকায় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ারও সুযোগ থাকে না।’

স্ক্রিনশট ভাইরাল হলে পরবর্তীতে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে বার বার কল করা হলেও তিনি আর ফোন ধরেননি।

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি নাজমুল হীরার দাবি, মেসেজের স্ক্রিনশটগুলো সুমনের নয়।

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন সফটওয়্যারের মাধ্যমে এগুলো বানানো যায়। তা ছাড়া মেসেজের কোথাও কি লেখা আছে যে, কীসের গাড়ি? বৈধ চিনির গাড়ি, নাকি অবৈধ চিনির গাড়ি?’

অনেক আগে থেকেই সুমন ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে শহরের সিএনজি অটোরিকশা স্ট্যান্ড থেকে চাঁদা আদায়, টাকার বিনিময়ে উপজেলা কমিটির অনুমোদনসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। আর এসব অভিযোগ এনেছেন ছাত্রলীগের স্থানীয় নেতা-কর্মীরাই।

দৃশ্যমান আয়ের উৎস না থাকলেও ছাত্রলীগের কমিটিতে নাম আসার পর সুমন বেশ বিত্তশালী হয়ে গেছেন। তার নির্মিত ডুপ্লেক্স বাড়িতে বিলাস আর খরচের ছাপ স্পষ্ট।

স্থানীয়রা জানান, শহরের একাধিক এলাকায় জমি কিনেছেন মোল্লা সুমন। এর একটি জমির দামই নাকি কোটি টাকার বেশি।

আরও পড়ুন:
সংঘর্ষের ঘটনায় শাবি ছাত্রলীগের চার নেতাকর্মী হল থেকে বহিষ্কার
নাটোরে ছাত্রলীগ কর্মীকে কুপিয়ে জখম
রাবিতে শিক্ষার্থীকে মারধর করে হলছাড়া, অভিযোগ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে
ইবি ছাত্রলীগের এক সহসভাপতি পদের দাবিদার দুই সিরাজ
ছাত্রলীগের সহসভাপতির নামে গরু ছিনতাইয়ের মামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Boat sinking in Teesta Another childs body recovered Missing 5

তিস্তায় নৌকাডু‌বিতে আরও এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার

তিস্তায় নৌকাডু‌বিতে আরও এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার তিস্তা নদীতে বুধবার সন্ধ্যায় নৌকাডু‌বির ঘটনা ঘটেছে। ফাইল ছবি
স্থানীয় ইউপি সদস‌্য এনামুল হক বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে প্রায় তিন কিলো‌মিটার দ‌ক্ষিণ-পূর্ব দিকে তিস্তা নদীর কোলায় বালুতে আটকে ছিল শিশু‌টি। দুই হাত পানির ওপরে ভাসতে দেখে স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। এ ঘটনায় এখনও পাঁচজন নিখোঁজ রয়েছে।’

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় তিস্তা নদীতে নৌকাডু‌বির ঘটনায় নি‌খোঁজের তিন‌ দিন পর আরেক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার বজরা ইউনিয়নের জিগাবা‌ড়ির চর এলাকায় তিস্তা নদীতে শ‌নিবার সকালে শিশু‌টির মরদেহ ভাসতে‌ দেখে স্বজনরা। পরে তাকে উদ্ধার করে‌ নিয়ে আসা হয়।

প্রাণ হারানো আড়াই বছর বয়সী কুলসুম খাতুন সাতালস্কর গ্রামের কয়জর আলির মেয়ে। গত বুধবার রাতে মায়ের সঙ্গে দাওয়াত খেতে যাওয়ার পথে নৌকা ডুবে নিখোঁজ হয় সে।

বিষয়‌টি‌ নি‌শ্চিত করেছেন উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতাউর রহমান।

স্থানীয় ইউপি সদস‌্য এনামুল হক বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে প্রায় তিন কিলো‌মিটার দ‌ক্ষিণ-পূর্ব দিকে তিস্তা নদীর কোলায় বালুতে আটকে ছিল শিশু‌টি। দুই হাত পানির ওপরে ভাসতে দেখে স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে।’

তি‌নি‌ জানান, নৌকাডু‌বির ঘটনায় এখনও পাঁচজন নিখোঁজ রয়েছে। তারা হলেন পশ্চিম বজরার আনিছুর রহমান (৩০), তার স্ত্রী রুপা‌লি বেগম (২৫), তাদের কন‌্যা সন্তান আইরিন (৯), ভাগ্নি হীরা ম‌নি (৯), আজিজু‌র রহমানের ছেলে শা‌মিম হোসেন (৫)।

উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতাউর রহমান জানান, গত বুধবার সন্ধ‌্যায় প‌শ্চিম বজরা এলাকার ২৬ জন যাত্রী নিয়ে আত্মীয়র বা‌ড়িতে দাওয়াত খেতে যাওয়ার সময় নৌকাডু‌বির ঘটনা ঘটে। এ সময় ১৯ জন নদী সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও সাতজন নিখোঁজ হয়। পরে ওই দিন তল্লা‌শি চা‌লিয়ে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শ‌নিবার আরও এক শিশু‌র মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বা‌কিদের উদ্ধারে ফায়ার সা‌র্ভিসের পাশা‌পা‌শি আমাদের লোকজনও কাজ করছে।’

আরও পড়ুন:
সমুদ্রে গোসলে নেমে নিখোঁজ কিশোরের মরদেহ উদ্ধার
সেতুর নিচে মিলল কারা হিসাবরক্ষকের মরদেহ
নিখোঁজের পরদিন পুকুরে কলেজছাত্রীর মরদেহ
দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে পুকুরে মিলল মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ
ঢামেকে অসুস্থ হাজতির মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mother killed newborn by dropping from ninth floor Police

নবজাতককে নয় তলা থেকে ফেলে হত্যা করেন মা: পুলিশ

নবজাতককে নয় তলা থেকে ফেলে হত্যা করেন মা: পুলিশ কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বাড়ি থেকে নিখোঁজ এক নবজাতকের মরদেহ ঝোপ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
ভৈরব থানা ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নিজ হাতেই নবজাতক সন্তানকে হত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে নবজাতকের মা তৃশা আক্তার ৯ তলার বেলকনির জানালা দিয়ে শিশুটিকে ছুড়ে ফেলে হত্যা করে।’

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে এক মা নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে তার সাত দিনের নবজাতককে নয় তলায় ছাদ থেকে ফেলে হত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে শহরের কমলপুর নিউ টাউন ফুল মিয়া সিটি এলাকায় একটি নয় তলা ভবনের নিচে ঝোপ থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সোমবার মধ্যরাতে শিশুটি বাসা থেকে নিখোঁজ হয় বলে জানায় পরিবার।

প্রাণ হারানো সাত দিন বয়সী শিশুটির নাম তাসনিদ এহসান। তার বাবা উসমান গনি স্থানীয় সেন্ট্রাল হাসপাতালের মালিক ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক।

ভৈরব থানা ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নিজ হাতেই নবজাতক সন্তানকে হত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে নবজাতকের মা তৃশা আক্তার ৯ তলার বেলকনির জানালা দিয়ে শিশুটিকে ফেলে হত্যা করে।

‘স্ত্রীকে আসামি করে মামলা করেছেন নবজাতকের পিতা চিকিৎসক উসমান গনি। বিল্ডিং থেকে পড়েই নবজাতকটির মৃত্যু হয়েছে। শিশুটির মাথায় ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’

তিনি জানান, এ ঘটনায় তৃশা আক্তারকে আটক করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জ মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে হত্যার আরও কারণ জানতে পুলিশ কাজ করছে।

শিশুটির নিখোঁজের বিষয়ে স্বজনরা জানিয়েছিলেন, সোমবার রাতে শিশুকে নিয়ে ঘুমিয়েছিলেন মা। বাবা ছিলেন আরেক রুমে। ঘরে শিলা ও মিম নামে দুইজন গৃহকর্মীও ছিলেন। এ ছাড়াও সুমাইয়া নামের একজন নারী ছিলেন। তিনি শিশুটির মায়ের বান্ধবী। রাত তিনটার দিকে মা বিছানা থেকে উঠে দেখেন বাচ্চাটি নিখোঁজ। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে তাৎক্ষণিক ভৈরব থানায় অভিযোগ দেয় শিশুটির পরিবার।

তারা আরও জানান, সকাল সাড়ে আটটার দিকে গৃহকর্মীর মাধ্যমে জানা যায় শিশুটিকে বাড়ির পাশে একটি ঝোপে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ সময় দুই গৃহকর্মী, নবজাতকের মা ও তার বান্ধবীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা নিয়ে যায় পুলিশ।

এ দিকে স্থানীয়রা জানান, ডা. উসমান গনির দ্বিতীয় স্ত্রী তৃশা। তাদের পরিবারে দেড় বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। সাত দিন আগে ডা. উসমান গনির মাধ্যমে সিজারিয়ান অপারেশনে নবজাতকের জন্ম হয়। প্রায় সময় তাদের বাসা থেকে চিৎকার চেঁচামেচির শব্দ পাওয়া যেত।

নিহত শিশুর মা ওই দিন জানান, মধ্যরাতে কে বা কারা তার শিশু সন্তানটিকে নিয়ে গেছে তিনি জানেন না। তিনি বাথরুমে গেলে ১৫ মিনিট পর ফিরে সন্তানকে বিছানায় পাননি।

এ বিষয়ে বিল্ডিংয়ের কেয়ার টেকার আফজাল জানান, ‘ভোর ৫টার দিকে ডা. উসমান গনি জানান তাদের সন্তান কে বা কারা চুরি করে নিয়ে গেছে। পরে কাজের মেয়ে জানায় যে বিল্ডিংয়ের অদূরে একটি ঝোপে বাচ্চাটি পড়ে আছে।’

ওই সময় ভৈরব থানা ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘হত্যার বিষয়টি রহস্যজনক। শিশুটির মাথায় ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বিল্ডিং থেকে ফেলা হয়েছে কি না বা মেরে ফেলে রাখা হয়েছে কি না তা বলা যাচ্ছে না।’

আরও পড়ুন:
টেকনাফে মামলায় হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে কুপিয়ে হত্যা
মিন্টুর মুক্তির দাবিতে ঝিনাইদহে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন
আনার হত্যাকাণ্ড: আওয়ামী লীগ নেতা মিন্টু আটদিনের রিমান্ডে
স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর থানায় হাজির
সালিশে মারধর ও জরিমানা করায় মাতব্বরকে হত্যা: পুলিশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bhattarai building blast One more burnt to death

ভাটারায় ভবনে বিস্ফোরণ: দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু

ভাটারায় ভবনে বিস্ফোরণ: দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট। ফাইল ছবি
দগ্ধ রকসির দেবর আহমেদ মোস্তফা বলেন, ‘আমার ভাবীর ব্রেইন টিউমার হয়েছে। এ জন্য এ মাসের ১ তারিখে আমরা সপরিবারে গ্রাম থেকে ঢাকায় এসে এভারকেয়ার হাসপাতালের পাশে ওই ভবনের নিচ তলায় একটি বাসায় ভাড়া উঠি। সেখান থেকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল তাকে।’

রাজধানীর ভাটারা থানায় একটি বাসায় বিস্ফোরণের ঘটনায় একই পরিবারের চারজন দগ্ধের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে মারা যান ১৮ বছর বয়সী নারী ফুতু আক্তার।

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘ভাটারা থেকে নারী-শিশুসহ চারজন আমার এখানে এসেছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটের (আইসিইউতে) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এক নারী। তার শরীরের ৫৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল।’

এর আগে বুধবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় আয়ান নামে তিন বছরের এক শিশু। শিশুটির মা রকসি আক্তার ও তার নানা আব্দুল মান্নান দগ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তবে তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানান চিকিৎসক।

এর আগে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এভারকেয়ার হাসপাতালের পাশের একটি ভবনের নিচ তলায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

দগ্ধ রকসির দেবর আহমেদ মোস্তফা বলেন, ‘আমার ভাবীর ব্রেইন টিউমার হয়েছে। এ জন্য এ মাসের ১ তারিখে আমরা সপরিবারে গ্রাম থেকে ঢাকায় এসে এভারকেয়ার হাসপাতালের পাশে ওই ভবনের নিচ তলায় একটি বাসায় ভাড়া উঠি। সেখান থেকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল তাকে।’

তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যার দিকে রান্নাঘরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে আমাদের পরিবারের চারজন দগ্ধ হন, পরে তাদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়।’

আরও পড়ুন:
মৌলভীবাজারে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু
রাজধানীতে আবাসিক ভবনে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪
সিলেটে টিলা ধস: ছয় ঘণ্টা পর ৩ মরদেহ উদ্ধার
শিল্পোদ্যোক্তা আব্দুল মোনেমের মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল
হাওরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Handover of body of Bangladeshi killed in BSF firing at Comilla border

কুমিল্লা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর

কুমিল্লা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর বিএসএফের গুলিতে নিহত আনোয়ার হোসেনের দেহ বিকেল পাঁচটার দিকে পান স্বজনরা। কোলাজ: নিউজবাংলা
বুড়িচং থানার ওসি আবু হাসানাত জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। 

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার জামতলা সীমান্তে রোববার গুলিতে নিহত বাংলাদেশি আনোয়ার হোসেনের মরদেহ ফেরত দিয়েছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।

গতকাল সকাল আটটার দিকে বিএসএফের গুলিতে নিহত হন আনোয়ার হোসেন। বিকেল পাঁচটার দিকে তার মরদেহ পান স্বজনরা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ৬০ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এএম জাবের বিন জব্বার

বলেন, ‘সকালে আনোয়ার হোসেন ভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় বিএসএফ সদস্যরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান তিনি।’

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য আবুল কাশেম জানান, রোববার সকাল আটটার দিকে স্থানীয়রা জামতলা উত্তরপাড়া সীমান্ত এলাকায় গুলির শব্দ শুনতে পান। তিনি স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পারেন, ভারত থেকে চিনি আনতে গিয়ে বিএসএফের গুলিতে একজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।

ইউপি সদস্য জানান, স্থানীয় শংকুচাইল ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে তিনি সীমান্ত এলাকায় যান।

তিনি আরও জানান, বিকেল পাঁচটার দিকে বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের পাচোড়া এলাকায় পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিজিবির কাছে আনোয়ারের মরদেহ হস্থান্তর করে বিএসএফ। বিজিবি সদস্যরা মরদেহ গ্রহণের পর বুড়িচং থানা পুলিশের কাছে সেটি হস্তান্তর করেন।

বুড়িচং থানার ওসি আবু হাসানাত জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।

আরও পড়ুন:
কুমিল্লা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত
মুজিবনগর সীমান্ত দিয়ে তিনজনকে ফেরত পাঠাল বিএসএফ
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত দম্পতি ফের র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার
বাল্কহেডের প্রতিযোগিতায় ভাঙল সেতু, ভোগান্তি ১৫ গ্রামের বাসিন্দাদের 
ঝিনাইদহ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি আহতের খবর

মন্তব্য

p
উপরে