× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Bangladesh also supports demand to arrest Netanyahu Foreign Minister
google_news print-icon

নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের দাবির প্রতি বাংলাদেশেরও সমর্থন আছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নেতানিয়াহুকে-গ্রেপ্তারের-দাবির-প্রতি-বাংলাদেশেরও-সমর্থন-আছে-পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইসিসির চিফ প্রসিকিউটর নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির যে দাবি জানিয়েছেন, তা আমরা সমর্থন করি। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী এখন মানবতার শত্রুতে পরিণত হয়েছেন। তিনি এত দূর গিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের কথাও শুনছেন না।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) চিফ প্রসিকিউটর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির যে দাবি করেছেন, তাতে বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন আছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ ও সাপ্তাহিক গণবাংলা আয়োজিত ‘বিশ্বশান্তি ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রতি স্বীকৃতি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইসিসির চিফ প্রসিকিউটর নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির যে দাবি জানিয়েছেন, তা আমরা সমর্থন করি। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী এখন মানবতার শত্রুতে পরিণত হয়েছেন। তিনি এত দূর গিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের কথাও শুনছেন না।

এ সময় ফিলিস্তিন ইস্যুতে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর তীব্র সমালোচনা করেন হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত ইসলামের জন্য মায়াকান্না করে অথচ সমগ্র বিশ্ব যখন গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে সোচ্চার, তখন তারা ফিলিস্তিনের পক্ষে কখনো একটি শব্দও বলে না। আর জামায়াতের ব্যাটারা ইসলাম-ইসলাম করে মুখে ফেনা তুলে ফেলে অথচ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে, ফিলিস্তিনে হত্যার বিরুদ্ধে টুঁ শব্দও করে না। এভাবে চুপ থেকে বিএনপি-জামায়াত ইসরায়েলের, নেতানিয়াহুর দোসরে পরিণত হয়েছে।

গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান বলেন, ইসলামি কিছু দলও নির্বাচনের আগে বায়তুল মুকাররমের সামনে আন্দোলন সমাবেশ করেছে কিন্তু তারা ফিলিস্তিনের পক্ষে একটা বড় সমাবেশ করতে পারেনি, করেছে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনগুলোই।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন জরুরি। ইসরায়েলি বাহিনী নির্বিচারে গুলি করছে। মানুষ হত্যা করছে। বিশ্বের সবখানের জনগণ এখন ফিলিস্তিনের পক্ষে। তবে জাতিসংঘে যখন এ ইস্যু তোলা হয়, তখন কোনো কোনো দেশ ভেটো দেয়। এটি অত্যন্ত দু:খজনক।

তিনি বলেন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবসময় সোচ্চার। তিনি ফিলিস্তিনের জন্য সাহায্য পাঠিয়েছেন। সবসময় ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলছেন।

সভায় প্রধান আলোচক ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খান দুলাল বলেন, বাংলাদেশের অবস্থান ফিলিস্তিনের পক্ষে। বাংলাদেশ ইসরায়েলের নৃশংসতার জন্য সবসময় নিন্দা জানিয়ে আসছে। ইসরায়েল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলেও বাংলাদেশ তা প্রত্যাখ্যান করেছিল।

তিনি বলেন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে আমাদের অবস্থান খুব স্পষ্ট। আমরা দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান চাই। আল আকসার সঙ্গে মুসলমানদের আবেগ জড়িত। আমরা সেখানে মুসলমানদের আলাদা ভূখণ্ড, দেশ ও পতাকা চাই। এ বিষয়ে আমাদের সব সমর্থন ও সহযোগিতা থাকবে।

সংসদ সদস্য কৃষিবিদ আওলাদ হোসেন বলেন, ফিলিস্তিনে মানবতা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে। সেখানে শিশু, নারী ও পুরুষদের হত্যা করা হচ্ছে। সারা বিশ্বে এ নৃশংস হত্যাকে গণহত্যা বলে অভিহিত করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার মা বলেই ইসরায়েলের নৃশংসতার বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করছেন।

আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য উপ-কমিটির সদস্য লায়ন মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ও আলোচকের বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব সফিকুল বাহার মজুমদার টিপু, আওয়ামী লীগ নেতা এম এ করিম, স্বাধীনতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন টয়েল।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Governments support for football development will continue PM

ফুটবলের উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

ফুটবলের উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে শেখ হাসিনা আন্তঃব্যাংক ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ শেষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। ছবি: সংগৃহীত
শেখ হাসিনা বলেন, ‘যখন সরকারে এসেছি তখন থেকেই আমার প্রচেষ্টা, বাংলাদেশ যেন খেলাধুলায় আরও এগিয়ে যায়। দেশের প্রতিটি উপজেলায় আমরা খেলার মাঠ করে দিচ্ছি, সেটা হলো শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম। চেষ্টা করে যাচ্ছি সবাই যেন খেলাধুলার প্রতি আরও মনোযোগী হয়।’

দেশে ফুটবলের উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে শেখ হাসিনা আন্তঃব্যাংক ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ শেষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেকে দেশের জন্য প্রস্তুত করে তোলা যায়। এজন্য প্রত্যেক উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম গড়ে তোলা হচ্ছে। সময় পেলে আমি নিজেও ফুটবল খেলা উপভোগ করি।

‘আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফুটবল খেলতেন। আমার ভাই শেখ কামাল এবং শেখ জামালও ফুটবল খেলতেন। এখন আমাদের নাতি-নাতনীরাও ফুটবল খেলছে।’

তিনি বলেন, ‘খেলাধুলা, সংস্কৃতি চর্চা এগুলোর পৃষ্ঠপোষকতা না করলে হয় না। এমন আয়োজনের মাধ্যমে ভালো খেলোয়াড় তৈরি হবে, যাতে করে দেশের ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল হতে পারে বিশ্ব-পরিমণ্ডলে। একদিন আমাদের খেলোয়াড়রাও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পারদর্শিতা দেখাবে।’

খেলাধুলার প্রসারে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যখন সরকারে এসেছি তখন থেকে আমার প্রচেষ্টা, বাংলাদেশ যেন খেলাধুলায় আরও এগিয়ে যায়; ছেলেমেয়েরা আরও বেশি মনোযোগী হয়। বাংলাদেশের প্রতিটি উপজেলায় আমরা খেলার মাঠ করে দিচ্ছি, সেটা হলো শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম। চেষ্টা করে যাচ্ছি সবাই যেন খেলাধুলার প্রতি আরও মনোযোগী হয়।’

প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করে সরকারপ্রধান বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে খেলোয়াড়দের উপযুক্ত করে গড়ে তোলা, এটা সবচেয়ে বেশি দরকার। সেজন্য আমরা প্রত্যেক বিভাগে একটি করে বিকেএসপি করে দিচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের অর্থনীতিকে উন্নত করেছি। দারিদ্র্যের হার অর্ধেকের বেশি কমিয়ে এনেছি, এখন ১৮ দশমিক ৭ ভাগ। অতিদারিদ্র্যের হার ২৫ ভাগের উপরে ছিল, তা ৫ দশমিক ৬ ভাগে নামিয়ে এনেছি। ইনশাল্লাহ, এটুকুও থাকবে না। বাংলাদেশে কোনো মানুষ অতিদরিদ্র থাকবে না। প্রত্যেককে বিনা পয়সায় ঘর করে দিচ্ছি, লেখাপড়ার বই দিচ্ছি, বৃত্তি দিচ্ছি- সব ধরনের সহযোগিতা করে যাচ্ছি।’

শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, এই ধারা অব্যাহত রেখে আমরা এগিয়ে যাব। বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে বিশ্ব দরবারে এগিয়ে যাবে উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে।’

খেলাধুলায় বাংলাদেশ ভালো করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সারা বাংলাদেশে মেয়েদের বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট এবং ছেলেদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ফুটবল টুর্নামেন্ট প্রতিযোগিতা আছে। সেখান থেকে ধীরে ধীরে ভালো খেলোয়াড় উঠে আসছে। তারা শুধু দেশে না, দেশের মাটি পার হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের জন্য মর্যাদা বয়ে নিয়ে আসছে। বাংলাদেশকে খেলাধুলার মাধ্যমে বিশ্বের কাছে তুলে ধরা, এটা তারা করছে।’

ফুটবল টুর্নামেন্টটি আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই খেলাধুলার মধ্য দিয়ে এক সময় উপযুক্ত খেলোয়াড় গড়ে উঠবে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলাধুলা করে কোনোদিন হয়ত বিশ্ব ফুটবলে আমরা চ্যাম্পিয়নও হয়ে যেতে পারি। সেটাই আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ ব্যাংকসের (বিএবি) চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার।

টুর্নামেন্টের ফাইনালে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিকে ২-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ইসলামী ব্যাংক প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আগে ফাইনাল ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

আরও পড়ুন:
২১ সহযোগিতা নথিতে সই ঢাকা-বেইজিংয়ের
বাংলাদেশ-চীন প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠক শুরু
ঋণের সুদ হার কমাতে এআইআইবির প্রতি শেখ হাসিনার আহ্বান
সময় এখন বাংলাদেশে বিনিয়োগের: চীনা ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী
বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Prime Ministers press conference on China visit on Sunday

চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন রোববার

চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন রোববার সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংকে উদ্ধৃত করে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসের খবরে বলা হয়, ‘প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আগামীকাল (রোববার) বিকেল ৪টায় এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।’

চীনে সাম্প্রতিক সফর নিয়ে রোববার সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংকে উদ্ধৃত করে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসের খবরে বলা হয়, ‘প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আগামীকাল (রোববার) বিকেল ৪টায় এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।’

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে গত সোমবার সরকারি সফরে বেইজিং যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেন।

৮ থেকে ১০ জুলাই বেইজিংয়ে অবস্থানকালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গেও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।

গত বুধবার সকালে প্রতিনিধি পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর বাংলাদেশ ও চীন ২১টি সহযোগিতার নথিতে সই ও নবায়ন করে। এসবের বেশির ভাগই সমঝোতা স্মারক।

বৈঠকে এশিয়ার এ দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।

বাংলাদেশ ও চীন উভয়ই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) বিষয়ে যৌথ সম্ভাব্যতা সমীক্ষার সমাপ্তিসহ সাতটি ঘোষণা করে।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ-চীন প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠক শুরু
ঋণের সুদ হার কমাতে এআইআইবির প্রতি শেখ হাসিনার আহ্বান
সময় এখন বাংলাদেশে বিনিয়োগের: চীনা ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী
বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
দ্বিপক্ষীয় সফর: চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Police case in Shahbag police station on behalf of quota protesters

কোটা আন্দোলনকারীদের নামে শাহবাগ থানায় মামলা পুলিশের

কোটা আন্দোলনকারীদের নামে শাহবাগ থানায় মামলা পুলিশের রাজধানীর শাহবাগে শুক্রবার কোটা সংস্কারের দাবিতে সমবেত শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা। ছবি: নিউজবাংলা
মামলার এজাহারে বাদী খলিলুর রহমান বলেন, ‘ছাত্ররা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের ওপর হামলা এবং শাহবাগ থানায় ছাত্রদের ধরে নিয়ে গেছে বলে গুজব ছড়িয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করে এবং পুলিশকে মারার জন্য তেড়ে আসে ও পুলিশকে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে শাহবাগ মোড় ত্যাগ করে।’

সরকারি চাকরির সব গ্রেডে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের নামে রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলা করেছে পুলিশ।

রাজারবাগ পুলিশ লাইনসের পরিবহন শাখার চালক খলিলুর রহমান বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

মামলায় আসামি হিসেবে সুনির্দিষ্ট কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে অজ্ঞাতনামা হিসেবে অনেকের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলাটি শুক্রবার করা হলেও বিষয়টি প্রকাশ পায় শনিবার।

জানতে চাইলে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাজিরুর রহমান এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করবেন না বলে জানান।

যা আছে এজাহারে

দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৭, ১৪৯, ১৫২, ৩৪১, ৩২৩, ৩৩২, ৩৫৩, ৪২৭ ও ৫০৬ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বাদী খলিলুর রহমান বলেন, ‘গত ১১ জুলাই (বৃহস্পতিবার) কোটা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি উপলক্ষে এপিসি এবং ওয়াটার ক্যাননসহ দুপুর দুইটা থেকে সিনিয়র স্যারসহ শাহবাগ থানাধীন শাহবাগ মোড়ে অবস্থান করছিলাম। আন্দোলনকারী অজ্ঞাতনামা ছাত্ররা বিকেল চারটা ৪০ মিনিটে স্লোগান দিতে দিতে শাহবাগ মোড়ের দিকে অগ্রসর হতে থাকে এবং একপর্যায়ে আন্দোলনকারীরা শাহবাগ মোড় অতিক্রম করে সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করে শাহবাগ মোড়ে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ফেলে ও পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের এলোপাতাড়ি মারপিট করে জখম করে।

‘এরপর তারা ইন্টারকন্টিনেন্টালের দিকে অগ্রসর হতে থাকলে সিনিয়র স্যাররা ছাত্রদের বুঝিয়ে পুনরায় শাহবাগ মোড়ে ফিরিয়ে নিয়ে আসার সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) পাশে নিরাপদ স্থানে রাখা এপিসি-২৫ ও ওয়াটার ক্যাননের চারদিকে ঘেরাও করে অনেকসংখ্যক আন্দোলনকারী উঠে উদ্দাম নৃত্য শুরু করে এবং ওয়াটার ক্যানন ড্রাইভারকে গাড়ি থেকে জোর করে বের করার চেষ্টা ও গতিরোধ করে। এর ফলে এপিসি ২৫ এবং ওয়াটর ক্যাননের বিভিন্ন ক্ষয়ক্ষতি হয়, যার পরিমাণ প্রায় পাঁচ লাখ টাকা।’

এজাহারে বলা হয়, ‘ছাত্রদেরকে সিনিয়র স্যারগন বুঝিয়ে এপিসি ও ওয়াটার ক্যানন থেকে নামিয়ে আনে এবং পরিবেশ পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন, কিন্তু তাহারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে পানির বোতল, টেপটেনিস বল ও ইটের টুকরা ছুড়ে মারে। এতে অনেক পুলিশ আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

‘অজ্ঞাতনামা ছাত্ররা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শাহবাগের আন্দোলনে যোগদান করে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বারডেম হাসপাতালের গেটের ব্যারিকেড ভেঙে পুলিশকে আহত করে এবং পুলিশকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন ধরনের অশ্লীল কটূক্তি করতে থাকে।’

এতে আরও বলা হয়, ‘ছাত্ররা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের ওপর হামলা এবং শাহবাগ থানায় ছাত্রদের ধরে নিয়ে গেছে বলে গুজব ছড়িয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করে এবং পুলিশকে মারার জন্য তেড়ে আসে ও পুলিশকে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে শাহবাগ মোড় ত্যাগ করে।’

আরও পড়ুন:
কোটা আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধী প্রেতাত্মা ভর করেছে: আইনমন্ত্রী
বেনজীরের স্ত্রীর ঘেরের মাছ চুরির মামলায় তিনজন গ্রেপ্তার
মোমবাতি জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ কুবি শিক্ষার্থীদের, যানজট
সারা দেশে শুক্রবার বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা
চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় হামলার প্রতিবাদে রাজশাহীতে রেললাইন অবরোধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Quader meeting with the protesting teacher leaders

আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক কাদেরের

আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক কাদেরের বৈঠকে উপস্থিত আওয়ামী লীগ নেতা ও শিক্ষক প্রতিনিধিরা। ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে বেলা ১১টা থেকে ওই বৈঠক শুরু হয়।

সর্বজনীন পেনশনের প্রত্যয় স্কিম প্রত্যাহারসহ তিন দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে শনিবার বৈঠকে বসেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে বেলা ১১টা থেকে ওই বৈঠক শুরু হয়।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও নীল দলের সাবেক আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আবদুস সামাদ বলেন, ‘উনার (ওবায়দুল কাদের) সাথে যে বৈঠক হবে, সেটা বেশ কিছু দিন ধরেই বোঝা যাচ্ছিল। অবশেষে আজকে উনি আমাদের সাথে বৈঠকে বসেছেন। শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে শিক্ষক ফেডারেশন সমিতির দায়িত্বপ্রাপ্তরা সেখানে গিয়েছেন।’

বৈঠকে শিক্ষকদের প্রতিনিধি দলে রয়েছেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. আখতারুল ইসলাম, মহাসচিব অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া, ঢাবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, শিক্ষক নেতা অধ্যাপক শফিউল আলম ভূইয়াসহ সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে একবার শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও কাদেরের রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির ব্যস্ততার কথা জানিয়ে সেটি বাতিল করা হয়।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান কাদেরের
ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ জাবি শিক্ষার্থীদের 
খুলনায় সড়ক রেলপথ অবরোধ কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের
সুপ্রিম কোর্টের আদেশের পরও ‘রাজপথে থাকবেন’ কোটাবিরোধীরা
মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালে হাইকোর্টের রায়ে স্থিতাবস্থা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Day and night temperatures may rise across the country

দেশজুড়ে বাড়তে পারে দিন-রাতের তাপমাত্রা

দেশজুড়ে বাড়তে পারে দিন-রাতের তাপমাত্রা গরমে রাজধানীর হাতিরঝিলে সাঁতারে নামা এক শিশু। ফাইল ছবি
তাপমাত্রার বিষয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়, সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

দেশের সব বিভাগে বৃষ্টির আভাস দিয়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, দেশজুড়ে সামান্য বাড়তে পারে দিন ও রাতের তাপমাত্রা।

রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানিয়েছে।

পূর্বাভাসে সিনপটিক অবস্থা নিয়ে বলা হয়, মৌসুমি বায়ুর অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি থেকে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।

আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার বৃষ্টিপাত নিয়ে বলা হয়, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গা, রংপুর, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গা এবং ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।

তাপমাত্রার বিষয়ে বলা হয়, সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন:
ভারি বর্ষণ হতে পারে ৪ বিভাগের কোথাও কোথাও
সামান্য বাড়তে পারে দিন ও রাতের তাপমাত্রা
দেশজুড়ে সামান্য বাড়তে পারে দিন-রাতের তাপমাত্রা
বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে দেশের সব বিভাগে
সর্বোচ্চ ৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে ২০ জেলায়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Ministry of Energy said when the gas crisis will end

গ্যাস সংকট কখন কাটবে তা জানাল জ্বালানি মন্ত্রণালয়

গ্যাস সংকট কখন কাটবে তা জানাল জ্বালানি মন্ত্রণালয়
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত ৪২ ইঞ্চি ব্যাসের আনোয়ারা-ফৌজদারহাট পাইপলাইন মেরামতের কাজ শুক্রবার সকাল ৭টা ২০ মিনিটে শেষ হয়েছে। আজ বিকেল থেকে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।

চট্টগ্রামের আনোয়ারা-ফৌজদারহাট গ্যাস পাইপলাইনের মেরামত ও গ্যাস কমিশনিং কাজ শেষ করেছে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অফ বাংলাদেশ (পিজিসিবি)। সে সুবাদে চলমান গ্যাস সংকট আজ শুক্রবার বিকেল থেকেই কাটবে বলে জানিয়েছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত ৪২ ইঞ্চি ব্যাসের আনোয়ারা-ফৌজদারহাট পাইপলাইন মেরামতের কাজ আজ শুক্রবার সকাল ৭টা ২০ মিনিটে শেষ হয়েছে। আজ বিকেল থেকে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ ও গ্যাস গ্রিডের প্রেসারের (বর্তমান ৭০ পিএসআই) সঙ্গে সিঙ্ক্রোনাইজ করে গ্যাস সঞ্চালন ও চাপ ধীরে ধীরে বাড়ানো হচ্ছে।

এর আগে মঙ্গলবার (৯ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে কর্ণফুলী টানেল ও কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানির (কাফকো) মাঝামাঝি স্থানে ৪২ ইঞ্চি ব্যাসের আনোয়ারা-ফৌজদারহাট পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এদিকে তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় কয়েকদিন ধরে দেশে ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে।

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি জানায়, দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহে প্রায় দুই হাজার মেগাওয়াট ঘাটতি ছিল।

এই পরিস্থিতির জন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে গ্যাস সরবরাহ মারাত্মকভাবে কমে যাওয়াকে দায়ী করছেন বিদ্যুৎ ইউটিলিটি কর্মকর্তারা।

পেট্রোবাংলার সরকারি হিসাবে দেখা গেছে, আমদানি করা এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশে গ্যাস সরবরাহ কমে দাঁড়িয়েছে দৈনিক দুই হাজার ২৫৩ মিলিয়ন ঘনফুটে (এমএমসিএফডি)।

পিডিবির কর্মকর্তারা জানান, পেট্রোবাংলার এলএনজি সরবরাহ ক্ষমতা এক হাজার ১০০ এমএমসিএফডি থেকে ২৫৩ এমএমসিএফডিতে নেমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে যায়।

আরও পড়ুন:
‘সারা দেশে ১৫ জুলাই থেকে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ’
২২ ঘণ্টা পর ময়মনসিংহ নেত্রকোনায় গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক
পাইপলাইনে লিকেজ, ময়মনসিংহ-নেত্রকোনায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ
গজারিয়ায় তিন দিনে ২৯ কিলোমিটার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন
গজারিয়ায় আড়াই হাজার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
GI recognition for Gopalganj bronze jewellery

গোপালগঞ্জের ব্রোঞ্জের গহনাকে জিআই স্বীকৃতি

গোপালগঞ্জের ব্রোঞ্জের গহনাকে জিআই স্বীকৃতি
গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলম বলেন, ‘জিআই পণ্য হিসেবে গোপালগঞ্জের ব্রোঞ্জের গহনা নিবন্ধনের জন্য বৃহস্পতিবার ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন, ২০১৩ এর ধারা ১২ অনুসারে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর কর্তৃক জার্নালে প্রকাশ করা হয়েছে।’

জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে গোপালগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ব্রোঞ্জের গহনা। এটি জেলার দ্বিতীয় পণ্য হিসেবে জিআই স্বীকৃতি অর্জন করেছে।

গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলম বাসসকে শুক্রবার এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে গোপালগঞ্জের ব্রোঞ্জের গহনা নিবন্ধনের জন্য বৃহস্পতিবার ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন, ২০১৩ এর ধারা ১২ অনুসারে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর কর্তৃক জার্নালে প্রকাশ করা হয়।’

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘এই স্বীকৃতির ফলে জেলার মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড়ের ব্রোঞ্জের গহনার ঐতিহ্যকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব হবে। এছাড়া ব্রোঞ্জের গহনা তৈরির সঙ্গে সম্পৃক্ত কারিগরদের কর্মসংস্থান ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে তা সহায়ক হবে বলেও আমরা বিশ্বাস করি। এতে ব্রোঞ্জ শিল্পভিত্তিক অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে। এলাকার আর্থ-সামজিক অবস্থারও উন্নয়ন ঘটবে।’

চলতি বছরের ১২ মার্চ জলিরপাড়ের ব্রোঞ্জের গহনার জিআই পণ্যের স্বীকৃতি চেয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোতে আবেদন করা হয়। এর আগে গোপালগঞ্জের রসগোল্লা জেলার প্রথম পণ্য হিসেবে জিআই স্বীকৃতি লাভ করে।

ব্রোঞ্জ মার্কেটের ব্যবসায়ী ও জলিরপাড় ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার সুভাষ বৈদ্য বলেন, ‘আমাদের ওয়ার্ডে প্রায় ১শ’ বছর আগে গড়ে উঠেছে ব্রোঞ্জের গহনা তৈরির পল্লী। পরে এটি জলিরপাড় ইউনিয়নের ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এই পল্লীকে কেন্দ্র করে এখানে ব্রোঞ্জ মার্কেট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জলিরপাড়ের ব্রোঞ্জের গহনার সুখ্যাতি সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। ক্রমে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে এটি বিদেশের বাজারে ছড়িয়ে যায়।

‘কিন্তু এই শিল্পে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি। তাই সম্প্রতিকালে ভারতসহ বিভিন্ন দেশের ব্রোঞ্জের গহনা আমাদের বাজারের প্রায় ৫০ ভাগ দখল করে নিয়েছে। তারপরও জলিরপাড়ের ব্রোঞ্জের গহনা শতাধিক পরিবার টিকিয়ে রেখেছে। জলিরপাড় ব্রোঞ্জ মার্কেটে এখনও ৪৫টি দোকান রয়েছে। এসব দোকানে এখনও ব্রোঞ্জের গহনা বিক্রি হচ্ছে।’

ব্রোঞ্জ গহনা প্রস্তুতকারক জলিরপাড় গ্রামের জগদীশ শীল বলেন, ‘ব্রোঞ্জ গহনা তৈরির তামা, দস্তা ও পিতলের দাম বেড়েছে। সহজপ্রাপ্যতা কমেছে। ভারতসহ অন্যান্য দেশের ব্রোঞ্জ গহনার রং খুব চকচকে। আমাদের গহনার রং তাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না।

‘সুদৃশ্য, মনোহর ও সৌখিন দামী গহনার বাজার ভারত ও চীনের দখলে চলে গেছে। তাই কানের দুল, হাতের বয়লাসহ যেসব গহনার চাহিদা রয়েছে এমন সব গহনা আমরা তৈরি করি। সরকার এ শিল্পকে আধুনিকায়ন, প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ও সব ধরনের সহযোগিতা করলে আমরা ব্রোঞ্জ গহনার শত বছরের ঐতিহ্য ধরে রাখতে পারব।’

জগদীশ আরও বলেন, ‘এখানে এখনও মানসম্পন্ন কারিগর রয়েছে। আধুনিক যন্ত্রপাতি সমন্বয়ে তাদের কাজে লাগিয়ে আমরাও দামি গহনা তৈরি করতে পারি। এতে শ্রমিক, মালিক ও ব্যবসায়ীরা আরও বেশি উপার্জন করতে পারবেন। একইসঙ্গে এই শিল্প দেশের অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ ও গতিশীল করবে।’

আরও পড়ুন:
গোপালগঞ্জের রসগোল্লা পেল জিআই পণ্যের স্বীকৃতি
জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেল মুক্তাগাছার মণ্ডা
টাঙ্গাইল শাড়িকে জিআই পণ্য ঘোষণা করেছে সরকার
টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই স্বত্ব পেতে অবশেষে আবেদন
টাঙ্গাইলের শাড়িতে ভারতের জিআই স্বত্ব মানা যায় না 

মন্তব্য

p
উপরে