× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Planned murder of MP Anar at Kolkata residence Home Minister
google_news print-icon

কলকাতার বাসায় এমপি আনারকে পরিকল্পিত হত্যা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কলকাতার-বাসায়-এমপি-আনারকে-পরিকল্পিত-হত্যা-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ফাইল ছবি
কলকাতার বাসায় আনারকে হত্যার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কাছে যা ইনফরমেশন, আমরা আরও ইনফরমেশন যখন পাব, তখন আপনাদেরকে আরও তথ্য জানাতে পারব। তো আমরা এইটুকুই এখন জানাতে পারছি, আপনাকে জানাতে চাচ্ছি, সেটা হলো তিনি খুন হয়েছেন। কলকাতার এক বাসায় তাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে।’

চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে নিখোঁজ ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ও কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ারুল আজীম আনারকে কলকাতার একটি বাসায় পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে বুধবার জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

আনারের নিখোঁজ হওয়ার খবরটি গত রোববার সংবাদমাধ্যমকে জানান তার ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) আবদুর রউফ।

তিনি ওই দিন বলেন, ‘সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার চিকিৎসার জন্য ১১ মে ভারতে যান। এরপর দুই দিন পরিবার ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। ১৪ মে থেকে তার সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে আমাদের।’

কলকাতার নিউটাউন এলাকার সঞ্জিভা গার্ডেন থেকে আজ সকালে এমপি আনারের মরদেহ উদ্ধারের খবর জানায় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের ঝিনাইদহের এক মাননীয় সংসদ সদস্য ১২ মে চিকিৎসার জন্য তিনি ভারতে গিয়েছিলেন। ভারতে যাওয়ার পরে আমরা দুই দিন পরে তার আর কোনো খোঁজখবর পাইনি। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে তার মেয়ে আমাদেরকে খোঁজখবর জানালে আমাদের পুলিশ এ ঘটনাটি (নিয়ে) ইন্ডিয়ান পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন।

‘আমরা আজকে সুনিশ্চিত হয়েছি সকালবেলায়, ভারতীয় পুলিশ জানিয়েছেন যে, তিনি খুন হয়েছেন। তো আমরা ইতোমধ্যেই তাদের যে তথ্য ভারতীয় পুলিশ আমাদেরকে দিয়েছিলেন, সেই তথ্য অনুযায়ী আমাদের পুলিশ, বাংলাদেশের পুলিশ, এদের তথ্য অনুযায়ী, যারা খুন করেছেন বা খুনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন, আমরা যা সন্দেহ করছি এবং তাদের থেকে আমরা যে তথ্য পেয়েছিলাম, সে তথ্য অনুযায়ী তাদের মধ্য থেকে তিনজন অপরাধীকে আমাদের পুলিশ ধরেছেন এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে, তদন্ত চলছে।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, ওই এলাকাটা একটা সন্ত্রাসপ্রবণ এলাকা, ওই ঝিনাইদহের এলাকাটা; ওই সীমান্ত এলাকা। আমাদের আনার সাহেব সেখানের মাননীয় সংসদ সদস্য হিসেবে এবারও নির্বাচিত হয়েছিলেন। চিকিৎসার জন্য তিনি যাওয়ার পরে এ ঘটনাটি ঘটে।

‘আমাদের পুলিশ এটা নিয়ে তদন্ত করছেন। আমরা শিঘ্রই খুনের মোটিভটা কী ছিল, আমরা আপনাদেরকে জানাতে পারব এবং ভারতীয় পুলিশ আমাদেরকে সর্ব ধরনের সহযোগিতা করছে।’

কলকাতার বাসায় আনারকে হত্যার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কাছে যা ইনফরমেশন, আমরা আরও ইনফরমেশন যখন পাব, তখন আপনাদেরকে আরও তথ্য জানাতে পারব। তো আমরা এইটুকুই এখন জানাতে পারছি, আপনাকে জানাতে চাচ্ছি, সেটা হলো তিনি খুন হয়েছেন। কলকাতার এক বাসায় তাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য হওয়ায় গড় আয়ু বেড়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ফাঁকা গুলি ছুড়েছেন সাবেক এমপি বদি, অভিযোগ উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীর
রাজধানীতে রাত ১১টার পর চা-বিড়ির দোকান বন্ধের নির্দেশ
ব্যারিস্টার সুমনের চেষ্টায় কমল লোডশেডিং
জব্বারের বলী খেলা বৃহস্পতিবার, তৎপর সিএমপি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Beating in elevator Livestock officer Azizul suspended

লিফটে মারধর: প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আজিজুল সাময়িক বরখাস্ত

লিফটে মারধর: প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আজিজুল সাময়িক বরখাস্ত আজিজুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত
অভিযোগ রয়েছে, রাজধানীর পরীবাগে ১৩ জুন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. আবদুর রহমানের বাসার লিফটে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের কর্মকর্তা মলয় কুমার শূরকে মারধর করেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আজিজুল ইসলাম। এ ঘটনায় মলয় কুমার শাহবাগ থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন।

লিফটে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আজিজুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বুধবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে তাকে সাময়িক বরখাস্তের তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের সচিব সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দরের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের ঢাকায় ডেপুটেশনে কর্মরত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আজিজুল ইসলামকে (লিভ, ডেপুটেশন অ্যান্ড ট্রেনিং রিজার্ভ পদ) সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ এর বিধি অনুযায়ী বুধবার (১৯ জুন) থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

আজিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১৩ জুন রাজধানীর পরীবাগে দিগন্ত টাওয়ারে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. আবদুর রহমানের বাসার লিফটে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের কর্মকর্তা মলয় কুমার শূরকে তিনি মারধর করেন। অভিযোগ ওঠার পর কর্মকর্তার নতুন পদায়ন বাতিল করা হয়। এ ঘটনায় প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের পরিচালক (প্রশাসন) ভুক্তভোগী কর্মকর্তা মলয় কুমার শূর হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে রাজধানীর শাহবাগ থানায় আজিজুল ইসলামকে আসামি করে মামলা করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In Sonaimuri haze surrounds the dead body of the madrasa student

সোনাইমুড়িতে মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ ঘিরে ধোঁয়াশা

সোনাইমুড়িতে মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ ঘিরে ধোঁয়াশা নিহত মাদ্রাসাছাত্র মান্নান মেহেরাজ। ছবি: সংগৃহীত
নিহত শিক্ষার্থী পানিতে ডুবে মারা গেছে- সিসি টিভি ফুটেজে এমনই দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন সোনাইমুড়ী থানার ওসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পানি থেকে তোলার সময় মরদেহের মাথা থেকে বুক পর্যন্ত বস্তাবন্দি ছিল।

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে মাদ্রাসাছাত্র খুনের ৯ দিন পেরিয়ে গেলেও হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়নি। নিহত ১৪ বছরের মান্নান মেহেরাজের মরদেহের সর্বাংশে স্পষ্ট আঘাতের চিহ্ন থাকলেও খুনি কে, তা এখনও বের করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি, এ ঘটনায় নিহতের পরিবারকে মামলা প্রত্যাহার করতে অব্যাহত হুমকি দেয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

গত বুধবার বিকেলে নাটেশ্বর ইউনিয়নের দারুল আরকাম ইসলামিয়া মাদ্রাসার পুকুর থেকে নাজেরা বিভাগের ছাত্র মেহেরাজের মরদেহ ভেসে ওঠে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মরদেহের মাথা থেকে বুক পর্যন্ত বস্তাবন্দি ছিল। পঁচা-গলা মরদেহটি মাদ্রাসার মোহতামিমের নির্দেশে পুকুর থেকে তুলে আনে ছাত্ররা।

এ ঘটনায় মাদ্রাসা ছাত্রের পরিবার গত শুক্রবার (১৪ জুন) হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করে। অপরদিকে, মাদ্রাসা রোববার (১৬ জুন) এই ঘটনায় গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদ ভিত্তিহীন দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করে কর্তৃপক্ষ।

নিহতের বাবা মো. কামাল বাদী হয়ে হত্যার অভিযোগে শিক্ষক আহসান হাবিবকে আসামি করে ৫ জনের বিরুদ্ধে নোয়াখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৬ নম্বর আমলি আদালতে মামলা করেন। আগামী বুধবার (২৬ জুন) এ মামলার শুনানির দিন ধার্য করেছে আদালত।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, নিহত মান্নান মেহেরাজ তার নাজেরা বিভাগের শিক্ষক আহসান হাবিবকে আরেক শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক বলাৎকার করার ঘটনা দেখে ফেলে। ওই ঘটনা ধামাচাপা দিতে আব্দুল মান্নানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

এদিকে, মাদ্রাসার পুকুর থেকে মেহেরাজের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেন মোহতামিম মহিন উদ্দিন।

সংবাদ সম্মেলনে তার দাবি ছিল, এটি নিছক একটি দুর্ঘটনা। ছেলেটি পানিতে পড়ে মারা গেছে।

এসময় ছাত্র নিহতের ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি।

গত শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে উপজেলার উত্তর মির্জানগর মন্ত্রীর মসজিদের সামনে ভুক্তভোগী পরিবার মানববন্ধন করে।

এসময় তারা উল্লেখ করেন, নাজেরা বিভাগের শিক্ষক আহসান হাবিব আরেক শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক বলাৎকার করার ঘটনা দেখে ফেলায় খুন করা হয় মান্নান মেহেরাজকে। এছাড়া গত সোমবার (১০ জুন) থেকে মেহরাজ নিখোঁজ থাকলেও তার পরিবারকে মাদ্রাসার পক্ষ থেকে কিছুই জানানো হয়নি, থানা থেকে মামলা নেয়া হয়নি। আদালতে মামলা করায় তাদের হুমকি দেয়া হচ্ছে।

তবে সোনাইমুড়ী থানার ওসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, মরদেহটি মাদ্রাসার পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। সিসি টিভি ফুটেজে দেখা গেছে, ছেলেটি পানিতে ডুবে মারা গেছে।

নিহতের বড়ভাই মো. হানিফ বলেন, ‘পানি থেকে উদ্ধার করার পর দেখতে পাই, মেহরাজের মরদেহের ডান হাতের তিনটি আঙ্গুল ক্ষতবিক্ষত। দুই পায়ের উরুতে হাতের ছাপ ও গলায় আঙুলের ছাপ রয়েছে।

তিনি জানান, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাকে জানিয়েছে, সিসি টিভি ফুটেজে দেখা গেছে, গত মঙ্গলবার (১১ জুন) দুপুরে পানিতে ডুবে গেছে মান্নান। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্ররা বক্তব্য দিয়েছে, এ ঘটনার একদিন আগে থেকেই মান্নান নিখোঁজ। আর নিখোঁজের ঘটনার তিন দিন পেরিয়ে গেলেও তা তার পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়নি।

এছাড়া, সিসি টিভি ফুটেজ অনুযায়ী, সোমবার দুপুরে পানিতে ডুবে পরদিন বিকেলে মরদেহ ভেসে ওঠে। মরদেহ দেখতে পেয়েও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ পুলিশকে কিংবা নিহতের পরিবারকে কিছুই জানায়নি। পরে প্রতিবেশীর মাধ্যমে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা জানতে পেরে মাদ্রাসায় গিয়ে মরদেহ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে পরিবারের সদস্যরা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

অন্যদিকে, পুলিশ সিসি টিভি ফুটেজ দেখতে চাইলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ‘হার্ডডিস্ক মাইজদিতে রয়েছে’ জানায়। এর দুই ঘণ্টা পর মাইজদি থেকে হার্ডডিস্ক এলে সিসি টিভি ফুটেজ দেখানো হয় পুলিশকে।

এদিকে, নিহত মাদ্রাসা ছাত্র মান্নান মেহেরাজ সাঁতার জানত বলে জানিয়েছেন তার ভাই মো. হানিফ।

আরও পড়ুন:
পরিচালকের বিরুদ্ধে মাদ্রাসা ও এতিমখানার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
ফুটবল খেলার ‘অপরাধে’ মাদ্রাসায় তিন শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে জখম
‘ছাত্রলীগ নেতা আল-আমিন হত্যাকারীদের খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী’
ছাত্রলীগ নেতা হত্যা: মানববন্ধনে নিস্তব্ধতা, গ্রেপ্তার ১
কুমিল্লায় ছাত্রদল নেতা গুলিবিদ্ধসহ আহত ৮

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The girl was stuck in the eaves of the seventh floor and was rescued by calling 999

সাততলার কার্নিশে আটকা কিশোরী, ৯৯৯ নম্বরে ফোনে উদ্ধার

সাততলার কার্নিশে আটকা কিশোরী, ৯৯৯ নম্বরে ফোনে উদ্ধার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ভবনের কার্নিশে আটকা পড়া মেয়েটিকে উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস। ছবি: নিউজবাংলা
অনেকদিন ধরেই মায়ের কাছে যেতে চাইছিল মেয়েটি। কিন্তু দাদী যেতে দেননি। এ নিয়ে দাদীর ওপর অভিমান করে সে। বুধবার সকালে পালিয়ে আটতলা ভবনের সাততলা থেকে কার্নিশ বেয়ে নেমে মায়ের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে কার্নিশে আটকে যায় মেয়েটি।

চৌদ্দ বছর বয়সী কিশোরীর বাবা মারা গেছেন। মায়ের বিয়ে হয়ে গেছে অন্যত্র। রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বি-ব্লকের একটি ভবনে সে দাদীর সঙ্গে থাকে।

অনেকদিন ধরেই মায়ের কাছে যেতে চাইছিল মেয়েটি। কিন্তু দাদী যেতে দেননি। এ নিয়ে দাদীর ওপর অভিমান করে সে। তাকে ফাঁকি দিয়ে বুধবার সকালে আটতলা ভবনের সাততলা থেকে কার্নিশ বেয়ে নেমে মায়ের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে কার্নিশে আটকে যায় মেয়েটি।

সাততলার কার্নিশে আটকা কিশোরী, ৯৯৯ নম্বরে ফোনে উদ্ধার
ভবনের কার্নিশে আটকা পড়ে থাকা কিশোরী। ছবি: নিউজবাংলা

বাইরে থেকে মেয়েটিকে বহুতল ভবনের কার্নিশে আটকা পড়ে থাকতে দেখে এক ব্যক্তি জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি জানায়। কলটি রিসিভ করেন ৯৯৯ কল টেকার এএসআই লোকমান হোসেন। এএসআই লোকমান তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি বারিধারা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এবং ভাটারা থানাকে জানিয়ে দ্রুত উদ্ধারে ব্যবস্থা নিতে বলেন।

সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও ভাটারা থানা পুলিশের উদ্ধারকারী দল অবিলম্বে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সংশিষ্ট ফায়ার সার্ভিস স্টেশন, থানা পুলিশ ও কলারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছিলেন ৯৯৯ ডিসপাচার ফায়ার ফাইটার মেহেদী হাসান।

অবশেষে আটতলা ভবনের সাততলার ফ্ল্যাটের ভেতর থেকে জানালার গ্রিল কেটে কার্ণিশ থেকে ওই কিশোরীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

বারিধারা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. রাজু ৯৯৯ কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন:
ডুবন্ত ট্রলার থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ২৯ জেলে উদ্ধার
৯৯৯-এ ফোন: সাগরে ডুবন্ত ট্রলার থেকে ১৮ জেলে উদ্ধার
হাওরে পথ হারিয়ে ৯৯৯-এ কল, শতাধিক পর্যটক উদ্ধার
৯৯৯-এ কল: উদ্ধার পেলেন পুলিশ
পদ্মা সেতু দেখতে গিয়ে বিকল নৌযান, ৯৯৯ কলে উদ্ধার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Police baton passengers at Benapole check post

ভাঙা কাঁচে কেটেছে হাত, বেনাপোলে যাত্রীদের পেটাল পুলিশ

ভাঙা কাঁচে কেটেছে হাত, বেনাপোলে যাত্রীদের পেটাল পুলিশ মামুলি ঘটনায় বুধবার বেনাপোল স্থলবন্দরে যাত্রীদের মারধর করেন পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। ছবি: নিউজবাংলা
বেনাপোল চেকপোস্ট আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের সামনে ভারতগামী যাত্রীর দীর্ঘ লাইন ছিল। হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে যাত্রীরা টার্মিনালের বারান্দায় উঠে যান। আর যাত্রীর চাপে টার্মিনালের গ্লাস ভেঙে একজন আর্মস ব্যাটালিয়ন সদস্যের হাত কেটে যায়। এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশ ও আনসার যাত্রীদের ওপর লাঠিচার্জ করে।

বেনাপোল আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় দায়িত্বরত আর্মস ব্যাটালিয়ন ও আনসার সদস্যরা পাসপোর্টধারী যাত্রীদের বেধড়ক পিটিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার সকাল ৭টার দিকে বেনাপোল আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আতঙ্কিত হয়ে অনেক যাত্রী সঙ্গে থাকা ব্যাগ ফেলে ছোটাছুটি শুরু করেন। এতে কিছু সময় যাত্রী যাতায়াত বন্ধ থাকে।

সরেজমিনে দেখা যায়, আর্মস ব্যাটালিয়ন ও আনসার সদস্যরা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে যাত্রীদের লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটাচ্ছেন। পরবর্তীতে বন্দর থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জানা যায়, প্রতিদিনের মতোই বুধবার সকাল ৭টার দিকে বেনাপোল চেকপোস্ট আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের সামনে ভারতগামী যাত্রীর দীর্ঘ লাইন ছিল। হঠাৎ গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হলে ভিজে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পেতে যাত্রীরা লাইন ভেঙে প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের বারান্দায় উঠে যান। এক পর্যায়ে অতিরিক্ত যাত্রীর ঠাসাঠাসিতে টার্মিনালের সামনের গ্লাস ভেঙে একজন আর্মস ব্যাটালিয়ন সদস্যের হাত কেটে যায়।

এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে আর্মস ব্যাটালিয়নের পুলিশ ও আনসার সদস্যরা যাত্রীদের ওপর এলোপাতাড়ি লাঠিচার্জ করে। এতে বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হন। এর পরিপ্রেক্ষিতে কিছু সময় যাত্রী পারাপার বন্ধ থাকে।

ঢাকার পাসপোর্টধারী যাত্রী আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সকাল ৭টায় ইমিগ্রেশনের কাজ সম্পন্ন করার জন্য প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ সামান্য বৃষ্টি শুরু হলে লাইন থেকে সরে প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের বারান্দায় উঠি। এ সময় আর্মস পুলিশ ও আনসার সদস্যরা আমাদের এলোপাতাড়ি মারতে থাকে। পরে জানলাম একজন পুলিশ সদস্য ভাঙা কাচে সামান্য আহত হওয়ায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে যাত্রীদের লাঠিপেটা করেছে।’

পাসপোর্টধারী যাত্রী আনন্দ মণ্ডল বলেন, ‘বৃদ্ধ বাবা-মা ও শিশুদের নিয়ে বৃষ্টিতে ভিজে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়ানোর কষ্ট পুলিশ ও আনসাররা বুঝবে কী করে। তারা তো টাকার বিনিময়ে লাইন ছাড়া লোক পার করার কাজে ব্যস্ত থাকে। বিষয়টি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের দেখা উচিত।’

বেনাপোল বন্দরে দায়িত্বপ্রাপ্ত আর্মস ব্যাটালিয়নের ইনচার্জ বাদল চন্দ্র বলেন, ‘আজকে যাত্রীর অনেক ভিড় ছিল। এ কারণে তাদেরকে লাইনে আনতে গিয়ে হয়তো কিছু ঘটনা ঘটতে পারে। তবে আমার সদস্যরা কারও ওপর লাঠিচার্জ করেনি।’

আরও পড়ুন:
ঈদের ছুটিতে বেনাপোলে যাত্রীর ভিড়, পেট্রাপোলে ভোগান্তি
বেনাপোলসহ শার্শা সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে বিজিবি
বেনাপোল-মোংলা রুটে শনিবার থেকে চলবে ট্রেন
পাচার হওয়া তিন বাংলাদেশিকে তিন বছর পর ফেরাল ভারত
নষ্ট এসি ভোগাচ্ছে বেনাপোল ইমিগ্রেশনে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mother killed newborn by dropping from ninth floor Police

নবজাতককে নয় তলা থেকে ফেলে হত্যা করেন মা: পুলিশ

নবজাতককে নয় তলা থেকে ফেলে হত্যা করেন মা: পুলিশ কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বাড়ি থেকে নিখোঁজ এক নবজাতকের মরদেহ ঝোপ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
ভৈরব থানা ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নিজ হাতেই নবজাতক সন্তানকে হত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে নবজাতকের মা তৃশা আক্তার ৯ তলার বেলকনির জানালা দিয়ে শিশুটিকে ছুড়ে ফেলে হত্যা করে।’

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে এক মা নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে তার সাত দিনের নবজাতককে নয় তলায় ছাদ থেকে ফেলে হত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে শহরের কমলপুর নিউ টাউন ফুল মিয়া সিটি এলাকায় একটি নয় তলা ভবনের নিচে ঝোপ থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সোমবার মধ্যরাতে শিশুটি বাসা থেকে নিখোঁজ হয় বলে জানায় পরিবার।

প্রাণ হারানো সাত দিন বয়সী শিশুটির নাম তাসনিদ এহসান। তার বাবা উসমান গনি স্থানীয় সেন্ট্রাল হাসপাতালের মালিক ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক।

ভৈরব থানা ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নিজ হাতেই নবজাতক সন্তানকে হত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে নবজাতকের মা তৃশা আক্তার ৯ তলার বেলকনির জানালা দিয়ে শিশুটিকে ফেলে হত্যা করে।

‘স্ত্রীকে আসামি করে মামলা করেছেন নবজাতকের পিতা চিকিৎসক উসমান গনি। বিল্ডিং থেকে পড়েই নবজাতকটির মৃত্যু হয়েছে। শিশুটির মাথায় ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’

তিনি জানান, এ ঘটনায় তৃশা আক্তারকে আটক করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জ মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে হত্যার আরও কারণ জানতে পুলিশ কাজ করছে।

শিশুটির নিখোঁজের বিষয়ে স্বজনরা জানিয়েছিলেন, সোমবার রাতে শিশুকে নিয়ে ঘুমিয়েছিলেন মা। বাবা ছিলেন আরেক রুমে। ঘরে শিলা ও মিম নামে দুইজন গৃহকর্মীও ছিলেন। এ ছাড়াও সুমাইয়া নামের একজন নারী ছিলেন। তিনি শিশুটির মায়ের বান্ধবী। রাত তিনটার দিকে মা বিছানা থেকে উঠে দেখেন বাচ্চাটি নিখোঁজ। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে তাৎক্ষণিক ভৈরব থানায় অভিযোগ দেয় শিশুটির পরিবার।

তারা আরও জানান, সকাল সাড়ে আটটার দিকে গৃহকর্মীর মাধ্যমে জানা যায় শিশুটিকে বাড়ির পাশে একটি ঝোপে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ সময় দুই গৃহকর্মী, নবজাতকের মা ও তার বান্ধবীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা নিয়ে যায় পুলিশ।

এ দিকে স্থানীয়রা জানান, ডা. উসমান গনির দ্বিতীয় স্ত্রী তৃশা। তাদের পরিবারে দেড় বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। সাত দিন আগে ডা. উসমান গনির মাধ্যমে সিজারিয়ান অপারেশনে নবজাতকের জন্ম হয়। প্রায় সময় তাদের বাসা থেকে চিৎকার চেঁচামেচির শব্দ পাওয়া যেত।

নিহত শিশুর মা ওই দিন জানান, মধ্যরাতে কে বা কারা তার শিশু সন্তানটিকে নিয়ে গেছে তিনি জানেন না। তিনি বাথরুমে গেলে ১৫ মিনিট পর ফিরে সন্তানকে বিছানায় পাননি।

এ বিষয়ে বিল্ডিংয়ের কেয়ার টেকার আফজাল জানান, ‘ভোর ৫টার দিকে ডা. উসমান গনি জানান তাদের সন্তান কে বা কারা চুরি করে নিয়ে গেছে। পরে কাজের মেয়ে জানায় যে বিল্ডিংয়ের অদূরে একটি ঝোপে বাচ্চাটি পড়ে আছে।’

ওই সময় ভৈরব থানা ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘হত্যার বিষয়টি রহস্যজনক। শিশুটির মাথায় ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বিল্ডিং থেকে ফেলা হয়েছে কি না বা মেরে ফেলে রাখা হয়েছে কি না তা বলা যাচ্ছে না।’

আরও পড়ুন:
টেকনাফে মামলায় হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে কুপিয়ে হত্যা
মিন্টুর মুক্তির দাবিতে ঝিনাইদহে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন
আনার হত্যাকাণ্ড: আওয়ামী লীগ নেতা মিন্টু আটদিনের রিমান্ডে
স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর থানায় হাজির
সালিশে মারধর ও জরিমানা করায় মাতব্বরকে হত্যা: পুলিশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two youths were hacked to death in Bogra on Eid night

ঈদের রাতে বগুড়ায় দুই তরুণকে কুপিয়ে হত্যা

ঈদের রাতে বগুড়ায় দুই তরুণকে কুপিয়ে হত্যা
স্থানীয়রা জানান, ঈদের রাত দেড়টার দিকে জেলা শহরের চকরপাড়া এলাকার একটি গলিতে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। কিছুক্ষণ পর গিয়ে দেখা যায়, শরীফ ও রোমানের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে আছে। এ সময় আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাদের আরেক বন্ধু হোসেনকে।

বগুড়ায় ঈদের রাতে শরীফ ও রোমান নামে দুই তরুণকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাত দেড়টার দিকে জেলা শহরের নিশিন্দারা চকরপাড়া এলাকায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। এ সময় আহত হয়েছে আরও একজন।

নিহত শরীফ ওই এলাকার দুদু মিয়ার ছেলে এবং রোমান শফিকুল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, ঈদের রাত দেড়টার দিকে চকরপাড়া এলাকার একটি গলিতে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। কিছুক্ষণ পর গিয়ে দেখা যায়, শরীফ ও রোমানের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে আছে। এ সময় আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাদের আরেক বন্ধু হোসেনকে।

নিহত শরীফের স্বজনরা জানান, বাসায় রাতের খাবার খাওয়ার পরপরই কেউ একজন ফোন করে শরীফকে ডেকে নেয়। পরে এলাকায় গোলাগুলির শব্দ শুনে তারা বাইরে এসে দেখেন, দুর্বৃত্তরা শরীফ, রোমান ও হোসেনকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে ফেলে গেছে। পরে হোসেনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা গেলেও ঘটনাস্থলেই নিহত হন শরীফ ও রোমান।

বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্নিগ্ধ আকতার জানান, কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। ঘটনার পর থেকেই পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট মাঠে রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
স্ত্রীর সামনে পান ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়ার অভিযোগ
পাল্টাপাল্টি খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত শাহপরীর দ্বীপ
টেকনাফে মামলায় হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে কুপিয়ে হত্যা
স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর থানায় হাজির
সালিশে মারধর ও জরিমানা করায় মাতব্বরকে হত্যা: পুলিশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Imam stabbed in Netrakona mosque died in hospital

নেত্রকোণায় মসজিদে ইমামকে ছুরিকাঘাত, হাসপাতালে মৃত্যু

নেত্রকোণায় মসজিদে ইমামকে ছুরিকাঘাত, হাসপাতালে মৃত্যু প্রতীকী ছবি।
রোববার রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে মসজিদের শয়নকক্ষে মাওলাসা আব্দুল বাতেনকে দুর্বৃত্তরা ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (মমেক) রেফার করেন। সোমবার সকালে সেখানে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নেত্রকোণার কলমাকান্দায় মসজিদের শয়নকক্ষে ইমাম মাওলানা আব্দুল বাতেনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তিনি কলমাকান্দা উপজেলার রংছাতি ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী সন্যাসীপাড়ার মৃত বাশির পণ্ডিতের ছেলে।

মাওলানা আব্দুল বাতেন রংছাতি দাখিল মাদ্রাসার সহকারী সুপার ও পার্শ্ববর্তী বিশাউতি বাইতুন নুর জামে মসজিদের ইমাম ছিলেন।

রোববার রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে বিশাউতি জামে মসজিদের বারান্দায় থাকা শয়নকক্ষে মাওলানা আব্দুল বাতেনকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

কলমাকান্দা থানার ওসি মোহাম্মদ লুৎফুল হক সোমবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

পুলিশ, স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনরা জানান, মাওলানা আব্দুল বাতেন মাদ্রাসার সহকারী সুপারের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিশাউতি বাইতুন নুর জামে মসজিদে পেশ ইমাম ছিলেন। রাতে মসজিদের বারান্দায় থাকা ইমামের কক্ষে থাকতেন তিনি।

রোববার রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে মসজিদের শয়নকক্ষে আব্দুল বাতেনকে দুর্বৃত্তরা ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত হয়ে আব্দুল বাতেন মসজিদের পাশে একটি বাড়ির সামনে গিয়ে চিৎকার দেন। চিৎকার শুনে বাড়ির লোকজন ঘর থেকে বের হয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উঠানে পড়ে থাকতে দেখেন। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (মমেক) রেফার করেন। সোমবার সকালে মমেক হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক আব্দুল বাতেনকে মৃত ঘোষণা করেন।

কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক সৌরভ ঘোষ জানান, শেষ রাতের দিকে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। বুকের বাম পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।

মাওলানা আব্দুল বাতেনের বড় ছেলে বদিউজ্জামান বদি বলেন, ‘কে বা কারা এমন নির্মমভাবে আমার বাবাকে খুন করেছে জানি না। আমার বাবা তো কোনো অপরাধী ছিলেন না। আমরা বাবা হত্যার ন্যায়বিচার চাই।’

কলমাকান্দা থানার ওসি মোহাম্মদ লুৎফুল হক বলেন, ‘কী কারণে কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা এখন‌ো পরিষ্কার নয়। তবে সবদিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটকে খবর দেয়া হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। আশা করছি দ্রুত হত্যার রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।’

তিনি জানান, মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। সেখান থেকে ময়না তদন্তের পর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরে হয়তো দু-একদিন সময় লাগবে।

আরও পড়ুন:
স্ত্রীর সামনে পান ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়ার অভিযোগ
পাল্টাপাল্টি খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত শাহপরীর দ্বীপ
টেকনাফে মামলায় হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে কুপিয়ে হত্যা
মিন্টুর মুক্তির দাবিতে ঝিনাইদহে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন
আনার হত্যাকাণ্ড: আওয়ামী লীগ নেতা মিন্টু আটদিনের রিমান্ডে

মন্তব্য

p
উপরে