× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The young man was beaten to death by being tied to a tree
google_news print-icon

ঝালকাঠিতে গাছে বেঁধে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

ঝালকাঠিতে-গাছে-বেঁধে-যুবককে-পিটিয়ে-হত্যা
গ্রামপুলিশ সিরাজ জোমাদ্দার বলেন, ‘রোববার রাত ২টায় আমি হাওলাদার বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় দেখি গাছের সঙ্গে একটা লোককে বেঁধে পেটাচ্ছে সরোয়ার এমাদুলসহ স্থানীয় আরও ৪/৫ জন। পরদিন সকালে গিয়ে দেখি লোকটি রাস্তায় পড়ে আছে।’

ঝালকাঠিতে গাছের সঙ্গে বেঁধে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। জেলার নলছিটি উপজেলার বিসিক শিল্প নগরীর পেছনে ঢাপর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার সকালে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। ২৪ বছর বয়সী নিহত যুবকের নাম মো. রিয়াজ ফকির। বাবার নাম নূরু ফকির। বাড়ি পিরোজপুর জেলার চরখালি গ্রামে।

ভৈরবপাশা ইউনিয়নের ঢাপর এলাকার গ্রামপুলিশ সিরাজ জোমাদ্দার ঘটনার আংশিক বর্ণনা দিয়ে বলেন, “রোববার রাত ২টায় আমি হাওলাদার বাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছিলাম। তখন দেখি ওই বাড়ির সামনে গাছের সঙ্গে একটা লোককে বেঁধে পেটাচ্ছে সরোয়ার এমাদুলসহ স্থানীয় আরও ৪/৫ জন।

“আমি তাদের কাছে জানতে চাইলে সরোয়ার বলে, ‘অচেনা লোক এলাকায় ঘুরতেছে। হয়তো চোর হবে।’ তারপর আমি বাড়ি চলে যাই। সকালে আবার সেখানে গিয়ে দেখি বাড়ির পেছনে রাস্তায় ওই লোক পড়ে আছে। তারপর আমি থানায় ফোন করি এবং হাসপাতালে নিয়ে যাই। হাসপাতালে আনার পর ডাক্তার জানান যে লোকটি ইতোমধ্যে মারা গেছে।”

লাশের সুরতহালকারী কর্মকর্তা ঝালকাঠি সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) গৌতম কুমার ঘোষ বলেন, ‘মরদেহের মাথার ডান পাশে রক্তাক্ত আঘাত এবং ডান পায়ের হাঁটুর নিচে দুটি স্থানে রক্তাক্ত জখম রয়েছে। নিহতের পকেটে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে নাম-পরিচয় পেয়ে স্বজনদের খবর দেয়া হয়েছে।’

নিহত রিয়াজের বাবা নূরু ফকির বলেন, ‘আমার ছেলে শুক্রবার সন্ধ্যায় পিরোজপুরের চরখালী থেকে জাহাঙ্গীর মোল্লার ট্রলারে করে কলাপাড়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। সেখান থেকে ওর সাগরে মাছ ধরতে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সে ঝালকাঠিতে কেমনে এলো, কারা মারল কিছুই বুঝতেছি না। আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে কারা হত্যা করা হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচার চাই।’

সদর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে বোঝা যাচ্ছে যে এটি একটি হত্যাকাণ্ড। ঘটনাটি পার্শ্ববর্তী নলছিটি থানা এলাকায় ঘটেছে। সেহেতু ময়নাতদন্ত রিপোর্ট দেখে নলছিটি থানা পুলিশ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেবে।’

আরও পড়ুন:
জমি নিয়ে বিরোধে ভাতিজিকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ
লংগদুতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে দুই কর্মী নিহত: ইউপিডিএফ
জমি নিয়ে বিরোধের জেরে শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
মৃত বাবাকে দেখতে এক ঘণ্টা সময় পেলেন মেয়ে
মাদ্রাসাছাত্র হত্যা: ১১ মাস পর প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
If he got money he would make birth registration of Rohingyas
কুমিল্লার মুরাদনগর সদর ইউপি সচিব গ্রেপ্তার

টাকা পেলেই রোহিঙ্গাদের জন্ম নিবন্ধন বানিয়ে দিতেন তিনি

টাকা পেলেই রোহিঙ্গাদের জন্ম নিবন্ধন বানিয়ে দিতেন তিনি কুমিল্লার মুরাদনগর সদর ইউপির সচিব মো. ইসমাইল হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
নাম প্রকাশ না করার শর্তে মুরাদনগর সদর ইউনিয়নের একাধিক বাসিন্দা জানান, পর্যাপ্ত টাকা পেলে ইউপি সচিব যে কারও যে কোনো অসংগতিপূর্ণ ঠিকানায় জন্মনিবন্ধন বানিয়ে দেন। এমন কাজে সদর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান কাজী তুফরীজ এটন জড়িত থাকারও অভিযোগ রয়েছে।

ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে রোহিঙ্গা যুবকের জন্য জন্মনিবন্ধন তৈরির অভিযোগে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. ইসমাইল হোসেন গ্রেপ্তার হয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে তিনি ভুয়া ঠিকানায় রোহিঙ্গাদের জন্মনিবন্ধন তৈরি করে দিতেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কোম্পানীগঞ্জ-মুরাদনগর সড়কের নিমাইকান্দি এলাকা থেকে ইসমাইলকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। ইসমাইল কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার গুনাইনন্দী গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে।

গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজেস বড়ুয়া বলেন, ‘ইউপি সচিব ইসমাইলকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে এক রোহিঙ্গা যুবককে ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে জন্ম নিবন্ধন তৈরি করে দেয়ার কথা স্বীকার করেছেন তিনি। শুক্রবার বিকেলে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।’

ঘটনা আলোচনায় যেভাবে

চলতি বছরের জানুয়ারিতে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসে মো. ইয়াছিন নামে ১৯ বছর বয়সী এক রোহিঙ্গা। সে মিয়ানমারের বলিবাজার এলাকার সৈয়দ হোসেনের ছেলে। বাংলাদেশে আসার পর কক্সবাজার বালুখালি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ব্লকে থাকতো সে।

ইয়াসিন ১৫ ফেব্রুয়ারি পাসপোর্ট তৈরির জন্য মুরাদনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নের ঘোড়াশাল গ্রামের ভুয়া পরিচয়ে জন্ম নিবন্ধন বানিয়ে কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যায়। এ সময় পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে তারা রোহিঙ্গা যুবক ইয়াছিনকে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

গোয়েন্দা পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রোহিঙ্গা যুবক ইয়াছিন জানায়, তার চাচাতো ভাই উসমান কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস সংলগ্ন মদিনা ট্রাভেলসের হাসান মাহমুদ ও মোশাররফ নামে দুই দালালের সঙ্গে পাসপোর্ট করার চুক্তি করে। চুক্তি অনুযায়ী ওই দুজন কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার পশ্চিম ঘোড়াশাল গ্রামের ভুয়া ঠিকানায় রোহিঙ্গা যুবক ইয়াছিনের সব কাগজপত্র তৈরি করে দেয়।

গোয়েন্দা পুলিশ এ ঘটনায় সে সময় কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করে। একইসঙ্গে রোহিঙ্গা যুবক কীভাবে জন্ম নিবন্ধন সনদ সংগ্রহ করেছে তা তদন্তে নামে তারা।

তদন্তে ইউপি সচিব ইসমাইল হোসেনসহ বেশ কয়েকজনের সম্পৃক্ত থাকার তথ্য পান গোয়েন্দারা। তথ্য অনুসন্ধানের পর বৃহস্পতিবার ইউপি সচিব ইসমাইলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মুরাদনগর সদর ইউনিয়নের একাধিক বাসিন্দা জানান, বৈধভাবে অনেকেই জন্মনিবন্ধন বানাতে পারে না। অথচ পর্যাপ্ত টাকা পেলে ইউপি সচিব যে কারও যে কোনো অসংগতিপূর্ণ ঠিকানায় জন্মনিবন্ধন বানিয়ে দেন। এমন কাজে সদর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান কাজী তুফরীজ এটন জড়িত থাকারও অভিযোগ রয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে চেয়ারম্যান কাজী তুফরীজ এটন বলেন, ‘রোহিঙ্গা যুবকের জন্মবিন্ধন বানানোর ঘটনা ঠিক নয়। আইডি হ্যাক হয়েছে। বিষয়টি আমরা মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি।’

মুরাদনগর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিফাত উদ্দিন বলেন, ‘রোহিঙ্গা যুবকের জন্মনিবন্ধন তৈরি সংক্রান্ত সরকারি মামলায় ইউপি সচিবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের সেবা কার্যক্রম চালু রাখার জন্য ভারপ্রাপ্ত হিসেবে একজনকে দায়িত্ব দেয়া হবে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Police Service Association requests caution in publishing news about the police

পুলিশকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশে সতর্কতার অনুরোধ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের

পুলিশকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশে সতর্কতার অনুরোধ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের লোগো। ছবি: সংগৃহীত
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সাম্প্রতিক সময়ে সংবাদমাধ্যমে (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া) এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের নিয়ে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত/প্রচারিত অতিরঞ্জিত রিপোর্ট সম্পর্কে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। এ ধরনের আংশিক, উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও ঢালাওভাবে প্রকাশিত ও প্রচারিত অতিরঞ্জিত রিপোর্টের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।’

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে ‘অতিরঞ্জিত রিপোর্ট’ আখ্যা দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএসসি)।

জননিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর রিপোর্ট প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে বিপিএসসি।

পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) অতিরিক্ত আইজিপি মো. মনিরুল ইসলাম এবং অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেলের সই করা বিজ্ঞপ্তিটি শুক্রবার সংবাদমাধ্যমে পাঠান হয়।

এতে বলা হয়, ‘সাম্প্রতিক সময়ে সংবাদমাধ্যমে (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া) এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের নিয়ে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত/প্রচারিত অতিরঞ্জিত রিপোর্ট সম্পর্কে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। এ ধরনের আংশিক, উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও ঢালাওভাবে প্রকাশিত/প্রচারিত অতিরঞ্জিত রিপোর্টের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।’

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘স্বাধীনতা বিরোধী সাম্প্রদায়িক শক্তি এবং গণতন্ত্র ও দেশবিরোধী চক্র কর্তৃক নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড যেমন ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, বোমাবাজি ও পেট্রোল বোমাবাজদের প্রতিহত করার ক্ষেত্রে পুলিশের সফলতার কারণে উক্ত গোষ্ঠী বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীকে প্রতিপক্ষ বিবেচনায় প্রতিনিয়তই পুলিশের বিরুদ্ধে নেতিবাচক সমালোচনায় লিপ্ত। স্বাধীনতা ও দেশবিরোধী চক্র তাদের দোসর বিদেশে পলাতক সাইবার সন্ত্রাসী কর্তৃক ধারাবাহিকভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা ও অতিরঞ্জিত তথ্য প্রকাশ করে পুলিশ কর্মকর্তাদের চরিত্র হননে ব্যস্ত।

‘তাদেরই অনুকরণে ইদানীং কোনো কোনো সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশের বর্তমান ও প্রাক্তন সদস্য সম্পর্কে উদ্দেশ্য প্রণোদিত মানহানিকর নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ করছে, যা বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার হীন উদ্দেশ্য বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।’

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এ ধরনের রিপোর্টের অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোনো তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই জানিয়ে বলা হয়, ‘তথ্যসূত্রবিহীন বাস্তবতা বিবর্জিত অতি কথিত এ ধরনের রিপোর্টে বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদার সদস্যদের মনোবল ক্ষুণ্নের পাশাপাশি পুলিশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে। পলাতক সাইবার সন্ত্রাসীদের অনুপ্রেরণায় বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদার ভূমিকাকে জনসমক্ষে প্রশ্নবিদ্ধ করে পুলিশকে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর জন্য কতিপয় মিডিয়া অত্যন্ত সচেতনভাবে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে এক ধরনের কুৎসিত প্রচার যজ্ঞে শামিল হয়েছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।’

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “বাংলাদেশ পুলিশ দুর্নীতির বিরুদ্ধে সর্বদা ‘জিরো টলারেন্স’ (শূন্য সহনশীলতা) নীতি অনুসরণ করে আসছে। কোন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে কোন ধরনের ছাড় দেওয়া হয় না। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়।

“আমরা বিশ্বাস করি, সংবাদমাধ্যম সমাজের দর্পণ। সংবাদমাধ্যম কর্তৃক গঠনমূলক সমালোচনাকে আমরা বরাবরই স্বাগত জানাই। কিন্তু সংবাদমাধ্যমে কোন খণ্ডিত বা আংশিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ করতে চাই। সংবাদমাধ্যমে কোনো ঘটনার সামগ্রিক চিত্র উঠে আসুক, সত্য উন্মোচিত হোক। সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট হোক সত্যাশ্রয়ী ও বস্তুনিষ্ঠ।”

আরও পড়ুন:
ভারতে চামড়া পাচার রোধে সীমান্তে সতর্ক বিজিবি-পুলিশ
কান্না থামছে না পুলিশ সদস্য মনিরুলের ছেলের
সহকর্মীকে গুলি করে হত্যার মামলায় কনস্টেবল কাওসার রিমান্ডে
চট্টগ্রামে পুলিশের ওপর হামলা করে আসামি ছিনতাই 
বারিধারায় পুলিশের গুলিতে পুলিশ নিহত: পূর্ণাঙ্গ তদন্তের ঘোষণা আইজিপির

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Calcutta CID has called Annar and daughter to give DNA samples
এমপি আনার হত্যাকাণ্ড

ডিএনএ নমুনা দিতে আনার-কন্যাকে ডেকেছে কলকাতা সিআইডি

ডিএনএ নমুনা দিতে আনার-কন্যাকে ডেকেছে কলকাতা সিআইডি এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারকে কলকাতায় এই ভবনের ফ্ল্যাটে হত্যা করা হয় বলে জানা গেছে। ফাইল ছবি
এমপি আনারের পিএস আব্দুর রউফ বলেন, ‘বৃহস্পতিবার কলকাতা সিআইডির এক কর্মকর্তা ফোন করে ডিএনএ নমুনা দিতে ডরিনকে এক সপ্তাহের মধ্যে কলকাতায় যেতে বলেছেন। আমরা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা ডিবির টিমের সঙ্গে ভারতে যাব।’

ভারতের কলকাতায় নিহত ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের মরদেহের ফরেনসিক প্রতিবেদন পেয়েছে কলকাতার অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এরপরই ডিএনএ (ডি-অক্সিরাইবো নিউক্লিয়িক এসিড) নমুনা দিতে আনারের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিনকে কলকাতায় ডেকেছে তারা।

নিহত এমপি আনারের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) আব্দুর রউফ এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার কলকাতা সিআইডির এক কর্মকর্তা ফোন করে ডিএনএ নমুনা দিতে ডরিনকে এক সপ্তাহের মধ্যে কলকাতায় যেতে বলেছেন। আমরা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছি।

‘ডরিনের ভারতে যাওয়ার ভিসা রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা ডিবির একটি টিমের সঙ্গে ভারতে যাব।’

এদিকে এমপি আনার হত্যার ঘটনায় ভারতে দুজন ও বাংলাদেশে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাংলাদেশে গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজনের মধ্যে চারজনই আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

অপরজন ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু এখন পর্যন্ত আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি। ১৩ জুন মিন্টুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে আদালতে হাজির করেন। শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন মিন্টু।

আদালতকে মিন্টু বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। এমপি নির্বাচনে মনোনয়ন চাওয়াটাই আমার অপরাধ।’

গত জাতীয় নির্বাচনে ঝিনাইদহ-৪ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন, বিষয়টি তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আনার হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার অন্যতম আসামি শিমুল ভূঁইয়ার আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুর নামও উঠে আসে। আওয়ামী লীগ নেতা বাবুকে জিজ্ঞাসাবাদের সময়ও নাম আসে মিন্টুর। বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ নিশ্চিত হয় যে আনার হত্যার পেছনে মিন্টুর বড় ধরনের ভূমিকা রয়েছে। এ সংক্রান্ত একাধিক তথ্যও পায় ডিবি। পরে ১১ জুন রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে আটক করা হয় মিন্টুকে।

প্রসঙ্গত, এমপি আনার ১২ মে ভারতে যান। পরদিন ১৩ মে কলকাতার নিউটাউন এলাকার সঞ্জীবা গার্ডেনের একটি ফ্ল্যাটে খুন হন তিনি। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে ২২ মে। ওইদিন রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় আনারের মেয়ে ডরিন অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ মামলা করেন।

তদন্তের নেমে কলকাতার ওই ফ্ল্যাটের সেপটিক ট্যাংক থেকে মাংসের টুকরো এবং খাল থেকে হাড় উদ্ধার করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। উদ্ধার করা ওই মাংস ও হাড় ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। প্রাথমিক পরীক্ষায় ও হাড় ও মাংস মানুষের বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। সে কারণে আনার-কন্যা ডরিনকে কলকাতায় ডাকা হয়।

এছাড়া ভারতে একটি হত্যা মামলা হয়। দুই দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত হিসেবে এ পর্যন্ত ১২ জনের নাম এসেছে।

আরও পড়ুন:
এমপি আনার হত্যা: এবার গ্যাস বাবুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
মিন্টুর মুক্তির দাবিতে ঝিনাইদহে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন
আনার হত্যাকাণ্ড: আওয়ামী লীগ নেতা মিন্টু আটদিনের রিমান্ডে
মিন্টু প্রশ্নের সদুত্তর দিতে না পারলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: হারুন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে এমপি আনার হত্যার বিচার দাবি মেয়ে ডরিনের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
DU student missing in Kolkata

কলকাতায় ঢাবি ছাত্র নিখোঁজ

কলকাতায় ঢাবি ছাত্র নিখোঁজ প্রতীকী ছবি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী দেলওয়ার হোসেন চিকিৎসার জন্য পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ১৮ জুন কলকাতায় যান। মির্জা গালিব স্ট্রিটে একটি হোটেলে ওঠেন তারা। বুধবার রাতে দেলওয়ার সবার অলক্ষ্যে বাইরে বেরিয়ে যান।

চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছেন। কলকাতার পার্ক স্ট্রিটের একটি হোটেল থেকে বুধবার তিনি নিখোঁজ হন। মোহাম্মদ দেলওয়ার হোসেন নামের ওই তরুণের খোঁজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মেলেনি।

অনলাইন টেলিগ্রাফ-এর প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, দেলওয়ার হোসেন গত বছর স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। চিকিৎসার জন্য নিখোঁজ হওয়ার দু’দিন আগে তিনি কলকাতা যান।

দেলওয়ারের বাবা আবদুল করিম বলেছেন, ‘সে খুব কমই কথা বলতে পারে। শারীরিক অবস্থার কারণে বেশি পথ হাঁটতে পারে না। এর আগে তার জন্ডিস হয়েছিল।’

পুলিশ বলেছে, হোটেল ও সড়কের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে দেলওয়ার পার্ক স্ট্রিটের দিকে হেঁটে যাচ্ছেন।

পার্ক স্ট্রিট পুলিশ স্টেশনের এক কর্মকর্তা জানান, দেলওয়ারের পরিবার ১৮ জুন কলকাতা যান। মির্জা গালিব স্ট্রিটে একটি হোটেলে ওঠেন তারা। বুধবার রাতে দেলওয়ার সবার অলক্ষ্যে বাইরে বেরিয়ে যান।

হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, তিনি স্থানীয় সময় রাত ১১টা ২৭ মিনিটের দিকে বাইরে বের হন। তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি প্রথমে বুঝতে পারেন তার মা।

দেলওয়ারের পিতা আবদুল করিম পাবনা জেলা সিভিল কোর্টের একজন আইনজীবী। তিনি বলেন, ‘নিখোঁজের পরের রাত পুরোটা সময় ছেলের খোঁজে বাইরে কাটিয়েছি। ঘুমিয়েছি রাস্তায়।

‘আমাদের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো স্ট্রোক করার পর থেকে সে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। ঠিকমতো কথাও বলতে পারে না।’

পার্ক স্ট্রিট পুলিশ স্টেশনে নিখোঁজের ডায়রি করেছে দেলওয়ারের পরিবার।

থানার সিনিয়র কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Youth Dal leader released on silent bail

যুবদল নেতা নিরব জামিনে কারামুক্ত

যুবদল নেতা নিরব জামিনে কারামুক্ত শুক্রবার বিকেলে কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তির পর নেতাকর্মীরা কারাফটকে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। ছবি: সংগৃহীত
শুক্রবার বিকেলে কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান নিরব। বিএনপি ও যুবদলের শতাধিক নেতাকর্মী কারাফটকে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নিরব প্রায় ১৬ মাস পর জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

বিএনপি এবং যুবদলের শতাধিক নেতাকর্মী কারাফটকে সাইফুল আলম নিরবকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

২০২৩ সালের ৩ মার্চ রাজধানীর কারওয়ান বাজার রেলগেট থেকে সাইফুল আলম নিরবকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আটকের পর বিভিন্ন মামলায় সাজা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

নীরবের আইনজীবী ইনজামুল হক সুমন জানান, আটক করার পর নিরবকে চার দফায় ১০ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। আর সাতটি মামলায় তাকে সাড়ে ২১ বছরের সাজা দেয় আদালত।

আরও পড়ুন:
বিএনপি নেতা আলাল কারামুক্ত
বিএনপি নেতা সরোয়ার ও আমিনুল কারামুক্ত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Accused of killing the shopkeeper for not giving him cigarettes

বাকিতে সিগারেট না দেয়ায় দোকানিকে হত্যার অভিযোগ

বাকিতে সিগারেট না দেয়ায় দোকানিকে হত্যার অভিযোগ সুনামগঞ্জে বাকিতে সিগারেট না দেয়ায় এক মুদি দোকানিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, এমরান বাকিতে সিগারেট না দেয়ায় প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে লিটন নিজ বাড়ি থেকে ধারালো দা নিয়ে এসে দোকানের ভেতরেই এমরানকে কুপিয়ে হত্যা করে।

সুনামগঞ্জে বাকিতে সিগারেট না দেয়ায় এক মুদি দোকানিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর-বাদাঘাট সড়কের পাশে হোসনারঘাট গ্রামে শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে হত্যার ঘটনা ঘটে।

প্রাণ হারানো দোকানি এমরান মিয়া (২২) ওই গ্রামের বাসিন্দা। তার স্ত্রী ও তিন শিশু সন্তান রয়েছে। আটক লিটন মিয়াকে (৩৪) উপজেলার হোসনারঘাট গ্রামের বাসিন্দা।

তাহিরপুর থানার ওসি এসব তথ্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হোসনারঘাট এলাকায় বসতঘরের ভেতর থাকা ছোট একটি কামড়ায় মুদির ব্যবসা করে আসছিলেন এমরান মিয়া। একই গ্রামের লিটন মিয়া অনেকদিন থেকে ওই দোকান থেকে বাকিতে সিগারেটসহ নানা পণ্য সামগ্রী ক্রয় করেও বকেয়া পরিশোধ করছিলেন না। বকেয়া টাকা পরিশোধ না করেই ফের শুক্রবার সকালে ওই দোকান থেকে বাকিতে সিগারেট নিতে যান লিটন।

এমরান বাকিতে সিগারেট না দেয়ায় প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে লিটন নিজ বাড়ি থেকে ধারালো দা নিয়ে এসে দোকানের ভেতরেই এমরানকে কুপিয়ে হত্যা করে।

হত্যাকাণ্ডের পর ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পথে খবর পেয়ে থানার ওসির নেতৃত্বে বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই নাজমুল ইসলাম, এএসআই নাজিম উদ্দিন, এএসআই বাচ্চু মিয়া একদল পুলিশ নিয়ে তাহিরপুর-বাদাঘাট সড়কের পাতারগাঁও এলাকা থেকে লিটনকে সকাল ৯টার দিকে আটক করেন।

তাহিরপুর থানার ওসি মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন:
গণপূর্তের হিসাবরক্ষকের বিরুদ্ধে ঠিকাদারদের বিল আটকে রাখার অভিযোগ
পাল্টাপাল্টি খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত শাহপরীর দ্বীপ
ইউএনওর সামনে শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ
ছাগল কলাগাছ খাওয়ায় জামাতাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
জীবিতদের ‘মৃত’ দেখিয়ে ভাতা বন্ধের অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
UP member Rafiqul hired a killer for four lakh taka
ঝালকাঠিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ফুয়াদ হত্যাকাণ্ড

চার লাখ টাকায় খুনি ভাড়া করেন ইউপি সদস্য রফিকুল

চার লাখ টাকায় খুনি ভাড়া করেন ইউপি সদস্য রফিকুল যুবলীগ নেতা ফুয়াদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি মিজানুর রহমানকে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
পুলিশ জানায়, প্রধান আসামি মিজানুরকে গ্রেপ্তারের পর নলছিটির সিদ্ধকাঠি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি জিয়াউল আহসান ফুয়াদ হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়েছে। একজন সহকারী নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায় মিজানুর। আর তাদেরকে চার লাখ টাকায় ভাড়া করেছিলেন ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম হাওলাদার।

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার চাঞ্চল্যকর ফুয়াত কাজী হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের সাড়ে পাঁচ মাস পর মামলার প্রধান আসামি মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর তার জবানবন্দিতেই বেরিয়ে এসেছে হত্যার রহস্য।

প্রধান আসামির স্বীকারোক্তির উল্লেখ করে পুলিশ জানিয়েছে, চার লাখ টাকা চুক্তিতে হত্যা মিশনে অংশ নেয় মিজানুর রহমান। তার সঙ্গে আরেকজন ছিল। আর তাদেরকে ভাড়া করেন স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম হাওলাদার।

চার লাখ টাকায় খুনি ভাড়া করেন ইউপি সদস্য রফিকুল
স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জিয়াউল আহসান ফুয়াদ কাজী। ফাইল ছবি

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করে নলছিটি উপজেলার কুসঙ্গল গ্রাম থেকে ফুয়াত কাজী হত্যা মামলার প্রধান আসামি মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মিজানকে গ্রেপ্তারের তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মুহিতুল ইসলাম।

চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি জিয়াউল আহসান ফুয়াদ কাজীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনার সাড়ে ৫ মাস পর শুক্রবার এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে হত্যায় ব্যবহৃত দেশীয় ধারালো অস্ত্র।

গ্রেপ্তারকৃত আসামি মিজানের স্বীকারোক্তির উল্লেখ গমমাধ্যমকে পুলিশ জানায়, চার লাখ টাকা চুক্তিতে হত্যা মিশনে অংশ নেয় মিজানুর রহমান। হত্যার এই মিশনে তারা দুজন অংশ নেয়। মিজানের সঙ্গী ফুয়াদ কাজীর কোমর ঝাপটে ধরে এবং সে অনবরত কোপাতে থাকে। এ সময় মিজানের সঙ্গীর হাতেও রক্তাক্ত জখম হয়। পরে সে বরিশালের একটি বেসরকারি হাসাপাতালে চিকিৎসা নেয়।

মিজান জানিয়েছে, স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম হাওলাদার ফুয়াদকে হত্যা করার জন্য তাদেরকে ভাড়া করেছিলেন।

চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি রাতে জাতীয় নির্বাচনি কাজ শেষে বাড়িতে ফিরছিলেন সিদ্ধকাঠি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি জিয়াউল আহসান ফুয়াদ কাজী। পথে চৌদ্দবুড়িয়া মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয় তাকে।

জানা যায়, সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জেসমিন কাজীর সঙ্গে জেলা পরিষদ সদস্য হানিফ মোল্লার বিরোধ চলে আসছিল। ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যান জেসমিন কাজীর সঙ্গে ফুয়াদের দূরত্ব তৈরি হয়। অপরদিকে জেলা পরিষদ সদস্য হানিফ মোল্লার সঙ্গে ফুয়াদের সখ্য গড়ে ওঠে।

সংসদ নির্বাচনে এমপি আমির হোসেন আমু বিজয়ী হওয়ার পর বিজয় মিছিল বের করে ইউনিয়নবাসী। ওই মিছিলে ফুয়াদ অংশ নেন। সেদিন দলীয় অফিসে সবাই মিষ্টি খেয়ে বাড়ি চলে যান। আর বাড়ি যাওয়ার পথে চৌদ্দবুড়িয়া গ্রামে ফুয়াদকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।’

নলছিটি থানার ওসি মুরাদ আলী বলেন, ‘ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সিদ্ধকাঠি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জেসমীন আক্তারকে ২৯ মার্চ রাত ১২টার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া ওই ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার রফিকুল ইসলাম হাওলাদারসহ তিনজনকে আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

ওসি আরও বলেন, ‘আগে গ্রেপ্তারকৃতদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে কুশঙ্গল ইউনিয়নের বাসিন্দা আইয়ুব আলী হাওলাদারের ছেলে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই।’

আরও পড়ুন:
ঝালকাঠিতে হত্যা মামলায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ চারজনের যাবজ্জীবন
ঝালকাঠিতে গাছে বেঁধে যুবককে পিটিয়ে হত্যা
মৃত বাবাকে দেখতে এক ঘণ্টা সময় পেলেন মেয়ে
ঝালকাঠিতে শ্রমিক দলের শোভাযাত্রায় পুলিশের বাধা

মন্তব্য

p
উপরে