× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Dhaka air is bearable during holidays
google_news print-icon

ছুটির দিনে ‘সহনীয়’ ঢাকার বাতাস

ছুটির-দিনে-সহনীয়-ঢাকার-বাতাস
প্রাণভরে নিশ্বাস নিতে রাজধানীর অনেকেই যান রমনা পার্কে। ফাইল ছবি
আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ সকালের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ৬ দশমিক ১ গুণ বেশি।

বাতাসের নিম্ন মানের দিক থেকে আইকিউএয়ারের তালিকায় নিয়মিত শীর্ষ দশে থাকা ঢাকার বায়ুর মানের উন্নতি হয়েছে।

সরকারি ছুটির দিন শনিবার সকালে ‘সহনীয়’ বা ‘মধ্যম মানের’ বাতাস পেয়েছে রাজধানীবাসী।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে ৯১ স্কোর নিয়ে বাতাসের মানের দিক থেকে ১১৯টি শহরের মধ্যে ১৮তম অবস্থানে ছিল ঢাকা।

একই সময়ে বাতাসের নিম্ন মানের দিক থেকে শীর্ষে ছিল ভারতের দিল্লি।

আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ সকালের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ৬ দশমিক ১ গুণ বেশি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ৯১। এর মানে হলো সে সময়টাতে মধ্যম মানের বা সহনীয় বাতাস নিতে পেরেছেন রাজধানীবাসী।

আরও পড়ুন:
ঢাকার বাতাস ‘সহনীয়’
তালিকায় উন্নতি, তবু অস্বাস্থ্যকর ঢাকার বাতাস
ছুটির দিনেও ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস
ঢাকার বাতাস সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর
সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর ঢাকার বাতাস

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Light to heavy rain forecast on Eid day

ঈদের দিন হালকা থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

ঈদের দিন হালকা থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস ঈদের জামাতে বৃষ্টির হানা। ফাইল ছবি
রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে।

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ত্যাগের মহিমা নিয়ে সোমবার সারাদেশে পালিত হতে যাচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। এদিন দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সঙ্গে সারা দেশে অনুভূত হতে পারে ভ্যাপসা গরম। এছাড়া নয়টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঈদের দিন রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। পাশাপাশি রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে।

গোপালগঞ্জ, পাবনা, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া ও মাগুরা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং ঈদের দিনও তা অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি ভাব বিরাজমান থাকতে পারে। তিনি আরও জানান, ঈদের দু-একদিন পর থেকে সারা দেশে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে পারে।

আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানা জানান, এখন মনসুন মৌসুম। সে অনুযায়ী সারাদেশে কম-বেশি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ঈদের দিনও আবহাওয়া এরকমই থাকবে। সেক্ষেত্রে ঈদের দিনও বৃষ্টি হবে, এটা স্বাভাবিক। তবে অঞ্চলভেদে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কম বা বেশি হতে পারে৷

তিনি আরও জানান, ঈদের দিন রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রামে বিভাগে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। এ অঞ্চলগুলোতে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Flood situation worsens in Sylhet due to heavy rains

ভারি বর্ষণ আর ঢলে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

ভারি বর্ষণ আর ঢলে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ছবি: সংগৃহীত
বাপাউবো সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ জানান, ভারতের চেরাপুঞ্জিতে অতি বৃষ্টিপাত হওয়ার কারণে সিলেটের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। উজানে এভাবে বৃষ্টিপাত অবিরাম চলতে থাকলে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।

টানা ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আাসা পাহাড়ি ঢলে সিলেট অঞ্চলে আবারও বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। ভারতের চেরাপুঞ্জিতে প্রবল বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শনিবার থেকে রোববার পর্যন্ত সিলেটের অন্তত চারটি উপজেলার নিম্নাঞ্চল নতুন করে তলিয়ে গেছে। উপজেলাগুলো হচ্ছে কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনগাট, কানাইঘাট ও ওসমানীনগর।

পুনরায় বাড়তে শুরু করেছে সিলেটের নদ-নদীর পানি। বর্ষণ আর ঢলের কারণে এই অঞ্চলে আবারও বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা সদর, রুস্তমপুর, লেংগুড়া, ডৌবাড়ি, নন্দীরগাঁও, পূর্ব ও পশ্চিম আলীরগাঁও, পশ্চিম জাফলং, মধ্য জাফলং ইউনিয়নের হাওড় ও নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করেছে। তলিয়ে গেছে উপজেলার সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়ক। ফলে ওই সড়ক দিয়ে যান চলাচল প্রায় বন্ধ রয়েছে। গোয়াইনঘাট-রাধানগর-জাফলং সড়কের শিমুলতলায় সড়কের ওপর দিয়েও পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ছনবাড়ি, চিকাডহর, শাহ-আরেফিন বাজার ও জালিয়ারপাড় গ্রাম ইতোমধ্যে বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। লোকজন বাড়িঘর থেকে বের হতে পারছে না। ছনবাড়ি-ভোলাগঞ্জ রাস্তাটি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। অবশ্য উপজেলার নিম্নাঞ্চলগুলো আগে থেকেই বন্যার পানিতে নিমজ্জিত ছিল।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) সূত্রে জানা যায়, সিলেটে দুটি নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় কানাইঘাটে সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৪০ সেন্টিমিটার এবং ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার ৫৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। সিলেটে সুরমা এবং মলসীদ ও শেওলায় কুশিয়ারা বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও দুটি নদীতেই পানি বাড়ছে।

বাপাউবো সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ জানান, ভারতের চেরাপুঞ্জিতে অতি বৃষ্টিপাত হওয়ার কারণে সিলেটের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। উজানে এভাবে বৃষ্টিপাত অবিরাম চলতে থাকলে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।

‘ভারতের চেরাপুঞ্জিতে যদি প্রতিদিন দুশ’ মিলিমিটারের অধিক বৃষ্টিপাত হয় তাহলে সিলেটে বড় বন্যার আশঙ্কা প্রবল।’

সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজিব হোসাইন জানান, শনিবার সকাল ৬টা থেকে রোববার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ৬৬ দশমিক ৫ মিলিমিটার। আর রোববার সকাল ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় এখানে বৃষ্টি হয়েছে ২৮ মিলিমিটার।

এর আগের ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত) সিলেটে ৬২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। আর শনিবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ৫৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। শনিবার রাতেও সিলেটে বৃষ্টি হয়েছে। রোববার সকাল থেকে ফের থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে।

সিলেটে সোমবার ঈদের দিনও মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত এবং বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, সিলেটে ২৭ মে থেকে আগাম বন্যা দেখা দেয়। দুই সপ্তাহব্যাপী চলমান এ বন্যায় আক্রান্ত হন ১২টি উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ। সেই বন্যার পানি পুরোপুরি নেমে যাওয়ার আগেই সিলেটে ফের দেখা দিয়েছে বন্যা।

এমন পরিস্থিতিতে ইতোমধ্যে সিলেটের জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান।

আরও পড়ুন:
পাহাড়ি ঢলে ভেঙেছে বাঁধ, সুনামগঞ্জের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত
৭২ ঘণ্টায় পানি বাড়তে পারে উত্তরাঞ্চল, সিলেটের বিভিন্ন নদীর
তিন আতঙ্কে সিলেটবাসী
টিলা ধসে ৩ জন নিহতের ঘটনায় মামলা, তদন্তে কমিটি
টিলার পাদদেশে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস, বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Some villages of Sunamganj were flooded when the dam broke due to landslides

পাহাড়ি ঢলে ভেঙেছে বাঁধ, সুনামগঞ্জের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত

পাহাড়ি ঢলে ভেঙেছে বাঁধ, সুনামগঞ্জের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত ঢলে প্লাবিত হয়েছে দোয়ারাজারের নোয়াখালী গ্রাম। ছবি: নিউজবাংলা
সুনামগঞ্জ পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জে ৭৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হলেও ভারতের চেরাপুঞ্জিতে ৫১৩ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ কারণে সীমান্তের ওপার থেকে নেমে আসা নদীতে পানির উচ্চতা বেড়েছে।

সীমান্তের ওপারে মেঘালয়-চেরাপুঞ্জিতে অতিবৃষ্টি হওয়ায় সুনামগঞ্জের সীমান্ত নদী টইটুম্বুর হয়ে প্লাবিত হয়েছে জেলার কয়েকটি গ্রাম। কোথাও কোথাও বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকছে।

জেলার দোয়ারাবাজার সীমান্তের লক্ষীপুর ইউনিয়নের নোয়াপাড়া-লক্ষীপুরের মধ্যস্থলের বেড়িবাঁধ শনিবার সকালে ভেঙে গেছে। এর ফলে লক্ষীপুর, নোয়াপাড়া, রসরাই, সুলতানপুর, হাছনবাহার গ্রামের বাসিন্দারা বেকায়দায় পড়েছেন। তাদের বসতঘরে তিন থেকে চার ফুট সমান পানি উঠেছে। এতে খাসিয়ামারা নদীর রাবারড্যামের পাশের বাংলাবাজার সড়কও প্লাবিত হয়েছে।

দোয়ারা বাজারের নোয়াপাড়া গ্রামের শিক্ষক মছদ্দর আলী জানান, হঠাৎ করেই বাঁধ ভেঙে পাহাড়ি ঢলের পানিতে বাড়ি, ঘর, দোকান পাঠ, স্কুল প্লাবিত হয়েছে। নোয়াপাড়াসহ আসপাশের প্রায় ৫০টি পুকুর প্লাবিত হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মাছচাষীরা। প্লাবনে অন্তত ১০টি পোল্ট্রি ফার্ম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ভারতের মেঘালয়ে বৃষ্টিপাত কমলে পানিও দ্রুত নেমে যেতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তবে আমরা খুবই বেকায়দায় পড়ে গেছি।’

লক্ষ্মীপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা হেলাল-খসরু হাইস্কুলের প্রধানশিক্ষক ফারুক আহমদ জানান, সকাল থেকে প্রবল বেগে পাহাড়ি ঢল নামা শুরু হয়। সাড়ে নয়টায় ঢলের চাপে খাসিয়ামারা নদীর নোয়াপাড়া-লক্ষীপুরের মধ্যস্থলের বেড়িবাঁধ ভেঙে যায়। এসময় পাহাড়ি ঢলে লক্ষীপুরের তাছির উদ্দিনের বসতঘর, মুখশেদ আলীর পোলট্রি ফার্ম ও আশরাফ আলীর দোকানঘর ভেসে যায়। এছাড়া এলাকার পাঁচটি গ্রামের ঘরবাড়িতে পানি উঠেছে। নোয়াপাড়া থেকে চকবাজার যাওয়ার সড়কটিও পানিতে ডুবে গিয়েছে।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জে ৭৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হলেও ভারতের চেরাপুঞ্জিতে ৫১৩ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ কারণে সীমান্তের ওপার থেকে নেমে আসা নদীতে পানির উচ্চতা বেড়েছে।

তিনি জানান, ওপারের পানি প্রবল বেগে নেমে সুরমা নদীতে পড়ছে। এর ফলে সুরমার পানিও কিছুটা বেড়েছে। তবে সুরমা নদীর সুনামগঞ্জ পয়েন্টে পানি শনিবার বেলা ২টার দিকে বিপৎসীমার ২৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কিন্তু ছাতকে সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে যাচ্ছে।

ইতোমধ্যে নদীর পানির উচ্চতা কমতে শুরু হয়েছে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
বানভাসীরা কেন আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে চান না
সিলেটে গ্রামাঞ্চলে কমছে পানি, বাড়ছে নগরে
সিলেটের আরও দুই উপজেলা প্লাবিত, নগরেও ঢুকছে পানি
সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির আভাস
সুনামগঞ্জে নদ-নদীর পানি বাড়লেও আতঙ্কের কিছু নেই: পাউবো

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sylhet city under water again after three hours of rain

তিন ঘণ্টার বৃষ্টিতেই ফের পানির নিচে সিলেট নগর

তিন ঘণ্টার বৃষ্টিতেই ফের পানির নিচে সিলেট নগর সোমবার সকালের তিন ঘণ্টার বৃষ্টিতেই জলমগ্ন হয়ে পড়ে সিলেট নগর। ছবি: নিউজবাংলা
সিলেট সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাজলু লস্কর বলেন, ‘প্রচুর বৃষ্টি হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় পানি জমেছে। এছাড়া পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় সুরমা নদীও টইটম্বুর। এতে নগরে প্রবাহিত ছড়া ও খাল দিয়ে পানি গিয়ে নদীতে মিশতে পারছে না। তাই বৃষ্টিতে নগরের নিচু এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ছে।’

সিলেট নগরের বিভিন্ন এলাকায় ফের জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। সোমবার সকাল থেকে শুরু হওয়া ভারী বৃষ্টিতে নগরজুড়ে জলজট লেগে যায়। এ নিয়ে আট দিনের ব্যবধানে তিনবার ডুবল নগরের অর্ধশতাধিক এলাকা।

আগের দুবার রাতের বৃষ্টিতে তলিয়ে গেলেও এবার সকালের তিন ঘণ্টার বৃষ্টিতেই জলমগ্ন হয়ে পড়ে নগর।

এর আগে, ২ জুন রাতে কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে নগরজুড়ে তীব্র জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। সেসময় অধিকাংশ এলাকার পানি নামতে পরদিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। তবে অন্তত ১২টি এলাকার পানি নামতে বেশ কিছুদিন সময় লেগেছিল। এরপর শনিবার (৮ জুন) রাতে ভারী বৃষ্টি হলে নগরের শতাধিক এলাকা প্লাবিত হয়। সোমবার সকালের বৃষ্টিতে আবারও জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।

সিলেট আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজীব হোসাইন জানান, সোমবার সকাল ছয়টা থেকে নয়টা পর্যন্ত সিলেটে ১৩৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়।

এদিন সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নগরের উপশহর, শিবগঞ্জ, আগপাড়া সোবহানীঘাট, তেরোরতন, মাছিমপুর, তালতলা ও শেখঘাট এলাকায় বৃষ্টির পানি জমেছে। এসব এলাকার কোথাও কোথাও হাঁটুসমান পানি। তবে দুপুরের মধ্যে অনেক এলাকা থেকে পানি নেমে যায়।

এ বিষয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাজলু লস্কর বলেন, ‘এটাকে ঠিক জলাবদ্ধতা বলা যাবে না। প্রচুর বৃষ্টি হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় পানি জমেছে। এছাড়া পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় সুরমা নদীও টইটম্বুর। এতে নগরে প্রবাহিত ছড়া ও খাল দিয়ে পানি গিয়ে নদীতে মিশতে পারছে না। তাই বৃষ্টিতে নগরের নিচু এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ছে।’

আরও পড়ুন:
সিলেটে টিলা ধস: ছয় ঘণ্টা পর ৩ মরদেহ উদ্ধার
সিলেটে টিলা ধস: চাপা পড়েছেন একই পরিবারের তিনজন
এক সপ্তাহে দুবার তলিয়ে গেল সিলেট নগর
সিলেটের বন্যাকবলিত অঞ্চলে এইচএসসি পরীক্ষা পরে নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jamalpur Yamuna severe erosion started sleepless local residents

জামালপুরে যমুনায় তীব্র ভাঙন শুরু, নির্ঘুমে এলাকাবাসী

জামালপুরে যমুনায় তীব্র ভাঙন শুরু, নির্ঘুমে এলাকাবাসী জামালপুরের মাদারগঞ্জে যমুনা নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে জনপদ। ছবি: নিউজবাংলা
মাদারগঞ্জ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের পাকরুল এলাকায় যমুনা নদীর ভাঙনে প্রায় তিন কিলোমিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদী-তীরবর্তী চরের কয়েক শ’ হেক্টর ফসলি জমি ফসলসহ চলে গেছে নদীতে।

জামালপুরের যমুনা নদীতে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। আশ্রয়হীনতার ভয় আর আতঙ্কে অনিশ্চিত দিন পার করছেন নদী পাড়ের মানুষ। তাদের রাত কাটছে নির্ঘুম। কোনো ত্রাণ নয়, স্থায়ী বাঁধের দাবি জানান ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষ।

জামালপুরের পাঁচটি উপজেলার সীমানা বেষ্টিত প্রবহমান যমুনা নদী। এই নদীকে কেন্দ্র করে এখানকার অনেক মানুষ জীবিকা নির্বাহ করেন। আবার এই নদীই বহু পরিবারকে নিঃস্ব করে পথের ফকির করেছে।

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের পাকরুল এলাকায় ১৫ দিন ধরে যমুনা নদীর তীব্র ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। ফলে ভিটেমাটি হারিয়ে অনেক পরিবার গবাদি পশু নিয়ে আশ্রয় খুঁজছেন।

ভাঙনের কবলে পড়ে নদীর প্রায় তিন কিলোমিটার তীর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদী-তীরবর্তী চরের কয়েক শ’ হেক্টর ফসলি জমিতে আবাদ করা হয়েছিলো মরিচ, ঘাস, পাটসহ অন্যান্য মৌসুমী ফসল। কয়েক দিনের ভাঙনে তা চলে গেছে নদীগর্ভে।

স্থানীয় বাসিন্দা শরিফউদ্দিন জানান, নদী ভাঙনের শিকার বেশকিছু বাড়ি-ঘর কয়েক দিনে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এভাবে ভাঙন অব্যাহত থাকলে ফসলি জমি বিলীন হওয়ার পাশাপাশি হুমকির মুখে পড়বে চর চরপাকেরদহ ইউনিয়নের পাকরুল গ্রামের যমুনা নদীর তীরবর্তী কয়েক হাজার বাসিন্দার ঘরবাড়ি।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মাদ্রাসাসহ অন্যান্য স্থাপনাও ভাঙনের কবলে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এখনই ভাঙন রোধে কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে নদীর ভাঙন ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে। তাতে করে নিঃস্ব হবে অনেক মানুষ। বাড়বে ক্ষতির পরিমাণ।

নদী তীরের বাসিন্দা আবু হাসেম বলেন, ‘ভাঙন আতঙ্কে আমরা রাতে ঘুমাতে পারছি না। নদীর পাড় ভেঙে পড়লে ভূমিকম্পের মতো মাটি কেঁপে ওঠে। আমরা খুব দুশ্চিন্তায় আছি। আমাদের দেখার কেউ নেই। সরকার যদি স্থায়ী বাঁধের ব্যবস্থা করে তাহলেই কেবল আমরা বাঁচতে পারব।’

একদিকে বস্তা দিয়ে ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও অন্যদিকে আবার ভাঙন শুরু হচ্ছে। তাই স্থায়ীভাবে নদীভাঙন রোধে সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয় শাহিনুর বেগম জানান, ১০/১৫ দিন ধরে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে নদী-তীরবর্তী কয়েক শ’ হেক্টর ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এলাকার গাছপালা, ঘরবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ফসলের জমি হুমকির মুখে পড়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় তিন কিলোমিটার তীর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। সরকারের কোনো ত্রাণ বা সাহায্য নয়, এখানে স্থায়ী বায়ধের দাবি জানান তিনি।

জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম জানান, ভাঙনকবলিত মাদারগঞ্জের চরপাকেরদহ ইউনিয়নের পাকরুল এলাকায় ৭০ মিটার ও ইসলামপুর উপজেলার কাটমা এলাকায় ৩০০ মিটার অংশে ভাঙন রোধে জরুরিভিত্তিতে জিও ব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রম চলমান।

পাশাপাশি পাকরুল এলাকায় ১৫শ’ মিটারের স্থায়ী বাঁধের প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। এছাড়াও কাটমা এলাকায় সমীক্ষা প্রকল্পের প্রস্তাবনা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। সুপারিশ অনুযায়ী প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন:
ভাঙন রোধে ফুলছড়িতে বাঁধ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর
অসময়ে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে দিশেহারা কুড়িগ্রামবাসী
ভাঙনের কবলে কুশিয়ারার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ
ভাঙনে যমুনায় মিশছে শাহজাদপুরের একের পর এক গ্রাম
যমুনার ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
13 feet long python in Srimangal cattle shed

শ্রীমঙ্গলে গোয়ালঘরে ১৩ ফুট লম্বা অজগর

শ্রীমঙ্গলে গোয়ালঘরে ১৩ ফুট লম্বা অজগর শ্রীমঙ্গলের কালাপুর ইউনিয়নে গোয়ালঘর থেকে রোববার ১৩ ফুট লম্বা অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল জানান, রোববার দুপুরে খবর আসে যে লামুয়া গ্রামে হাসান মিয়ার গরুর ঘরে একটি বড় অজগর সাপ দেখা গেছে। পরে অজগরটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় গোয়ালঘর থেকে ১৩ ফুট লম্বা একটি অজগর সাপ উদ্ধার হয়েছে। রোববার দুপুর ২টায় উপজেলার কালাপুর ইউনিয়নের লামুয়া গ্রামে হাসান মিয়ার গোয়ালঘর থেকে অজগর সাপটি উদ্ধার করেন বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল।

তিনি জানান, দুপুরে আমাদের কাছে খবর আসে যে লামুয়া গ্রামের ছাদই মিয়ার বাড়িতে হাসান মিয়ার গরুর ঘরে একটি বড় অজগর সাপ দেখা গেছে। পরে অজগরটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করে বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন।

লাউয়াছড়া বন রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, অজগরটি সুস্থ থাকায় লাউয়াছড়া বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
তেঁতুলিয়ায় প্রায় ৫ ফুট লম্বা অজগর উদ্ধার
চা বাগানে উদ্ধার ১৩ ফুট অজগর অবমুক্ত লাউয়াছড়ায়
১০ ফুট লম্বা অজগর উদ্ধারের পর লাউয়াছড়ায় অবমুক্ত    
চবির জোবরা গ্রামে ১০ ফুট লম্বা অজগর
শিশুটিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল অজগর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Lightning claimed 8 lives in three districts in one day

বজ্রপাতে এক দিনে তিন জেলায় গেল ৮ প্রাণ

বজ্রপাতে এক দিনে তিন জেলায় গেল ৮ প্রাণ ফাইল ছবি
নিউজবাংলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও নাটোর প্রতিনিধির পাঠানো তথ্যানুসারে, শুক্রবার দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে এ ঘটনাগুলো ঘটে।

বজ্রপাতে রাজশাহী বিভাগের তিন জেলায় এক দিনে আটজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তিনজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ ছাড়াও বজ্রপাতে দুটি ছাগলের মৃত্যু হয়েছে।

নিউজবাংলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও নাটোর প্রতিনিধির পাঠানো তথ্যানুসারে, শুক্রবার দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে এ ঘটনাগুলো ঘটে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে তিনজনের মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ ও ভোলাহাটে বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে শিবগঞ্জ উপজেলায় শিশুসহ দুজন ও ভোলাহাটে একজন মারা যান।

শুক্রবার বেলা আড়াইটা থেকে তিনটার মধ্যে ঝড়বৃষ্টির সময় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

শিবগঞ্জ থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন জানান, ঝড়বৃষ্টির সময় আম কুড়াতে গিয়ে শিবগঞ্জ পৌরসভার আলীডাঙ্গা মহল্লার সুভাস ভকতের স্ত্রী ৩২ বছর বয়সী ববি ভকত ও শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাঁকা নিশিপাড়ার এরশাদ আলীর মেয়ে ৮ বছরের কবিতা খাতুন টিউবয়েলে পানি আনতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হন।

অন্যদিকে, ভোলাহাট থানার ওসি সুমন কুমার জানান, ভোলাহাট উপজেলার আন্দিপুরের হঠাৎপাড়া আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা ইসলাম আলীর মেয়ে ১০ বছরের আমেনা খাতুন বাড়ির পাশের আম বাগানে আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নাটোরে দুজন নিহত, আহত ১

নাটোরের নলডাঙ্গা ও গুরুদাসপুরে বজ্রপাতে দুজন নিহত হয়েছেন। ওই দুই ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার দুপুরে এই ঘটনাদুটি ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, দুপুর দেড়টার দিকে নলডাঙ্গা উপজেলার কোমরপুর এলাকায় বারনই নদীতে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে মো.কামরুল হোসেন নামে ৩৫ বছর বয়সী এক যুবক নিহত হয়েছেন। এসময় মো. মজনু নামে ৪০ বছর বয়সী আরেক ব্যক্তি আহত হন।

কামরুল হোসেন কোমরপুর গ্রামের মো. লুৎফর রহমানের ছেলে। আহত মজনু ওই গ্রামের আহমদ আলীর ছেলে।

ব্রহ্মপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান এসএম আশরাফুজ্জামান মিঠু জানান, দুপুরে মজনু ও কামরুল গ্রামের গোরস্থান-সংলগ্ন বারনই নদীতে জাল দিয়ে মাছ ধরছিলেন। এ সময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই কামরুল নিহত আর আহত হন মজনু।

খবর পেয়ে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে কামরুলের মরদেহ এবং আহত মজনুকে হাসপাতালে নিয়েচিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

অপরদিকে, গুরুদাসপুর পৌর এলাকায় বজ্রপাতে আবেরা বেগম নামের এক গৃহবধুর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে তিনি নিহত হন।

৪০ বছর বয়সী ওই গৃহবধূ দুই সন্তানের মা এবং আনন্দ নগর মহল্লার সাদ্দাদ হোসেনের স্ত্রী।

নিহতের স্বজনরা জানান, দুপুর ২টার দিকে আকাশে মেঘ দেখে আবেরা বেগম বাড়ির পাশে ডোবা থেকে হাঁস ফিরিয়ে আনতে যান। এসময় বৃষ্টি শুরু হলে তিনি একটি আম গাছের নিচে আশ্রয় নেন, কিন্তু তার পাশেই বিকট শব্দে বজ্রপাত হলে তিনি সেখানেই লুটিয়ে পড়েন। পরে স্বজনরা তাকে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নওগাঁয় তিন প্রাণহানি, আহত ২

নওগাঁর মান্দা ও পত্নীতলা উপজেলায় বজ্রপাতে তিনজনের প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া বদলগাছী উপজেলায় দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

শুক্রবার বিকেলে এসব ঘটনা ঘটে।

পত্নীতলা থানার ওসি মোজাফফর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বজ্রপাতে উপজেলার নাগরগোলা গ্রামের ৫০ বছর বয়সী খাদেমুল ও গাহন গ্রামের ৩৫ বছর বয়সী মনিকা নামের দুজন নিহত হয়েছেন।

স্থানীয়দের বরাতে ওসি জানান, ঝড়বৃষ্টির সময় বাড়ির পাশে আম কুড়াতে যান খাদেমুল। এসময় বজ্রপাত হলে সেখানেই তিনি নিহত হন।

অন্যদিকে, মনিকা বাড়ির উঠানে ধানের খড় শুকাতে দিয়েছিলেন। মেঘ দেখে তা গোছানোর সময় বজ্রপাত হলে তিনি প্রাণ হারান।

মান্দা থানার ওসি মোজ্জামেল হক তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এ ছাড়াও বদলগাছী উপজেলায় বজ্রপাতে গুরুতর আহত হয়েছেন দুই ব্যক্তি। এসময় তাদের দুটি ছাগল মারা গেছে।

বদলগাছী থানার ওসি মাহবুবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার ঘাবনা গ্রামে মাঠে গবাদি পশুকে ঘাস খাওয়াচ্ছিলেন আব্দুল খালেক ও হবিবুর রহমান নামের দুই ব্যক্তি। হঠাৎ ঝড়বৃষ্টি শুরু হলে তারা সড়কের পাশে একটি গাছের নিচে আশ্রয় নেন।

ওসি জানান, এসময় ওই গাছে বজ্রপাত হলে গাছের ডাল ভেঙে পড়ে তারা দুজন গুরুতর আহত হন। এছাড়া বজ্রপাতে তাদের দুটি ছাগল মারা যায়।

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেন।

মন্তব্য

p
উপরে