× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Without Sheikh Hasina there would have been no courage to build the Padma Bridge
google_news print-icon
স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তারা

শেখ হাসিনা না থাকলে পদ্মা সেতু করার সাহস হতো না

শেখ-হাসিনা-না-থাকলে-পদ্মা-সেতু-করার-সাহস-হতো-না
ঢাকা মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদ আয়োজিত শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তব্য দিচ্ছেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক সরদার মাহামুদ হাসান রুবেল। ছবি: নিউজবাংলা
শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন প্রসঙ্গে মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, “১৯৮১ সালে জিয়া সরকার স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তিদের দিয়ে ‘শেখ হাসিনা আগমন প্রতিরোধ কমিটি’ পর্যন্ত করিয়েছিল। আওয়ামী লীগেরও অনেকেই শেখ হাসিনার প্রত্যার্বতন হোক তা চাননি।”

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে এসেছেন বলেই বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশে এখন রোল মডেল। তিনি এসেছেন বলেই যুদ্ধাপরাধী ও বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সংগঠনটির আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা।

ঢাকা মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ আলাউদ্দিন সভার সভাপতিত্ব করেন। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক সরদার মাহামুদ হাসান রুবেল।

পদ্মা সেতুর শুরুর কথা তুলে ধরে বক্তারা বলেন, বিশ্বব্যাংক আমাদের চোর অপবাদ দিয়ে পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন করা থেকে সরে গিয়েছিল। বঙ্গবন্ধু পরিবারের সবাইকে- শেখ রেহানা, জয়, ববি, সবার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেয়া হয়েছিল। সেদিন শেখ হাসিনা না থাকলে পদ্মা সেতু করার সাহস হতো না।

তারা বলেন, একাত্তর ও পঁচাত্তরের ঘাতকরা সবাই শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করেছে, কিন্তু মহান আল্লাহর রহমতে তিনি বেঁচে আছেন। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা হয় শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য। সেদিন আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা হয়েছে। যারা বলে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা হবে, তারা পাকিস্তানে যাক। বাংলাদেশ কখনও শ্রীলঙ্কা হবে না।

সংগঠনটির নেতারা আরও বলেন, ছিটমহল সমস্যার সমাধান, তিস্তা পানি সমস্যার সমাধান, গৃহহীনদের বাড়ি দেয়া, মেট্রোরেল, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন- এসবই শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তনের কারণে সম্ভব হয়েছে।

শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন প্রসঙ্গে মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, “১৯৮১ সালে জিয়া সরকার স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তিদের দিয়ে ‘শেখ হাসিনা আগমন প্রতিরোধ কমিটি’ পর্যন্ত করিয়েছিল। আওয়ামী লীগেরও অনেকেই শেখ হাসিনার প্রত্যার্বতন হোক তা চাননি।”

বঙ্গবন্ধুকন্যার দেশে ফেরার বিষয়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ডা. এস এ মালেকের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে ও দলের সভাপতি বানাতে ওই সময় ডা. মালেক অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। প্রধানমন্ত্রী নিজেও তা স্বীকার করে তার বক্তব্যে বলেছেন।’

সরদার মাহামুদ হাসান রুবেল বলেন, ‘আমরা রাজনীতি শিখেছি ডা. মালেকের কাছ থেকে, যিনি শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনেন। শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি সবসময় উৎসাহিত করেছেন।’

রুবেল বলেন, ‘শেখ হাসিনার দেশে ফেরা ঠেকাতে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এরপরও তাকে আটকানো যায়নি। তিনি এসেছেন।’

ঢাকা মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, ‘একটা সময় ছিল, ঈদ ছাড়া জামাকাপড় কেনা হতো না। অনেক দরিদ্র বন্ধুদের দেখেছি, ঈদের সময় স্কুলড্রেস বানিয়ে পরত, পরে সেটি পরেই স্কুলে যেত। সেই দিন বাংলাদেশে আর নেই। দেশের এই উন্নয়ন ও পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার মধ্য দিয়ে।’

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন ড. আব্দুল ওয়াদুদ, ঢাকা মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদের সহ-সভাপতি বিনয়ভূষণ তালুকদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম ওয়াহিদুজ্জামান মিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল আমিন রঞ্জন, মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক মাসুদুর রহমান, সংগঠনের আইনবিষয়ক সম্পাদক নিতীশ সরকার, নুর ইসলাম, হাবিবুর রহমান খোকন, দৃষ্টি প্রামানিক, মো. জামিল হোসেন, অহিদুর রহমান, আপেল মাহমুদ, এস এম শামীম আহমেদ, সাংবাদিক মাজেদুল হক তানভীর প্রমুখ।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The dead bodies of two young people in the office room in Paltan

পল্টনে অফিস কক্ষে দুই তরুণের মরদেহ

পল্টনে অফিস কক্ষে দুই তরুণের মরদেহ দুই তরুণের মরদেহ উদ্ধারের পর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
পল্টন থানার এসআই রাম কানাই সরকার বলেন, ‘নয়াপল্টন কালভার্ট রোডের রূপায়ন তাজ মাতৃভূমি ডেভেলপার কোম্পানির অফিস কক্ষ থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। ওই কক্ষে মদের গন্ধ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত মদপানে তাদের মৃত্যু হয়েছে।’

রাজধানীর নয়াপল্টনে একটি রূপায়ন তাজ-এর অফিস কক্ষ থেকে দুই তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তারা হলেন ২১ বছর বয়সী ফরহাদ ও ২৩ বছর বয়সী ইমন। অতিরিক্ত মদপানে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা পুলিশের।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে নয়াপল্টন কালভার্ট রোডের রূপায়ন তাজ মাতৃভূমি ডেভেলপার কোম্পানির একটি অফিস কক্ষ থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।

আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাম কানাই সরকার।

তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে আমারা খবর পেয়ে ঘটনাস্থল নয়াপল্টনের ওই ভবনের ছয় তলা থেকে দরোজার তালা ভেঙে দুই তরুণের মরদেহ উদ্ধার করি।

‘খোঁজ নিয়ে জানতে পারি যে ওই দুজন মাতৃভূমি ডেভেলপার কোম্পানির পিয়ন ছিলেন। অফিসের অন্য সবাই ঈদের ছুটিতে গেলেও তারা দুজন অফিসেই ছিলেন। বৃহস্পতিবার থেকে স্বজনরা তাদেরকে মোবাইল ফোনে পাচ্ছিলেন না।’

এসআই রাম কানাই আরও বলেন, ‘অফিসের যে কক্ষ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, সেখানে মদের গন্ধ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত মদপানে তাদের মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।’

ইমনের বোন জামাই মোহাম্মদ লিটন জানান, ইমন ও ফরহাদ সম্পর্কে চাচাতো ভাই। তাদের বাড়ি ভোলার লালমোহন উপজেলায়। ফরহাদের গ্রামের নাম চকিদার। তার বাবার নাম আব্দুল জলিল। আর ইমনের গ্রাম ত্রিমোহনী চকিদার বাড়ি। বাবার নাম নুর ইসলাম পাটোয়ারী। ওরা দুজন নয়াপল্টনের ওই অফিসেই থাকতেন।

আরও পড়ুন:
দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে পুকুরে মিলল মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ
ঢামেকে অসুস্থ হাজতির মৃত্যু
মরদেহের খোঁজে মাদক কারবারির বাড়িতে দিনভর তল্লাশি
গজারিয়ায় সড়কের পাশে মরদেহ, গায়ে আঘাতের চিহ্ন
টেকনাফে সাগরে মিলল জেলের মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Unhealthy Dhaka air even on holidays

ছুটির দিনেও ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস

ছুটির দিনেও ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস ফাইল ছবি
সরকারি ছুটির দিন শুক্রবার সকালে একিউআইয়ের ১২৪ সূচক নিয়ে সবচেয়ে খারাপ বায়ুমানের শহরের তালিকায় সপ্তম স্থানে রয়েছে ঢাকা।

রাজধানী শহর ঢাকার বাতাসের মান আজও অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় রয়েছে।

সরকারি ছুটির দিন শুক্রবার সকালে একিউআইয়ের ১২৪ সূচক নিয়ে সবচেয়ে খারাপ বায়ুমানের শহরের তালিকায় সপ্তম স্থানে রয়েছে ঢাকা। খবর ইউএনবির

বৃহস্পতিবার এয়ার কোয়ালিটি ইন্ডেক্সের সূচক ৮৪ নিয়ে বায়ুর মান মাঝারি থাকলেও আজ তা অস্বাস্থ্যকর হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে ‘ভালো’ এবং ৫০ থেকে ১০০ এর মধ্যে থাকলে তাকে ‘মাঝারি’ বা ‘গ্রহণযোগ্য’ পর্যায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে বাতাসের মান ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’, ১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়, ৩০১+ একিউআই স্কোরকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।

দীর্ঘদিন ধরে বায়ু দূষণে ভুগছে ঢাকা। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার বায়ু দূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো- ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলো।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএইচও) অনুসারে, বায়ু দূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sadarghat is bustling with people returning to Dhaka after Eid

ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, সরগরম সদরঘাট

ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, সরগরম সদরঘাট পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরছেন কর্মজীবী মানুষেরা। বৃহস্পতিবার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকার চিত্র। ছবি: নিউজবাংলা
পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর বরিশালগামী লঞ্চগুলোতে যাত্রী কমায় ঢাকার সদরঘাটের চেনা রূপ অনেকটাই হারিয়ে গিয়েছিল। ঈদের ছুটির সঙ্গে ফিরেছে চেনা সেই ভিড়। তবে ঈদের পর ঢাকার সদরঘাটে ভিড় বাড়লেও আগের মতো যাত্রী নেই বলে জানিয়েছেন লঞ্চ-সংশ্লিষ্টরা।

ঈদের ছুটি শেষে অফিস শুরুর প্রথম দিন বুধবার থেকেই রাজধানী ঢাকার প্রধান নদীবন্দর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে নগরমুখী মানুষের ভিড় শুরু হয়। বৃহস্পতিবারও ছিল একই চিত্র।

গ্রামে যাওয়া মানুষেরা ক্রমে ক্রমে ঢাকা ফিরতে থাকায় চাপ কম লক্ষ্য করা গেছে সদরঘাটে। শুক্র-শনিসহ ঈদের তিন দিন মিলে পাঁচদিনের লম্বা ছুটি শেষে কর্মমুখী মানুষ ঢাকায় ফিরতে থাকায় বৃহস্পতিবারও দক্ষিণাঞ্চল থেকে আসা যাত্রীর চাপ ছিল সদরঘাটে। তবে যাত্রীর উপচেপড়া ভিড় বলতে যা বুঝায় তেমনটা দেখা যায়নি।

বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকেই ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের লঞ্চগুলো ডেকে পরিপূর্ণ যাত্রী নিয়ে সদরঘাটের পন্টুনে ভিড়তে থাকে। সন্ধ্যা পর্যন্ত সদরঘাটের লঞ্চ টার্মিনালে মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

দুপুরের পর থেকে গ্রিন লাইন-৩ ও সন্ধ্যার পর পারাবত-৯, ১০, ১২ ও ১৮; মানামী, কুয়াকাটা-২, কীর্তনখোলা-২ ও ১০, সুরভী-৮ ও ৯, অ্যাডভেঞ্চার-১ ও ৯, সুন্দরবন-১২ লঞ্চসহ মোট ১৫টি লঞ্চ বরিশাল নদীবন্দর থেকে সদরঘাটে এসে পৌঁছায়।

ধারণ ক্ষমতার বেশি যাত্রী নিয়েও কিছু লঞ্চ ঢাকায় এসে পৌঁছায়। এছাড়াও নিকটবর্তী জেলা চাঁদপুর, ভোলা, ইলিশা থেকে ছেড়ে আসা লঞ্চগুলোও ছিলো কানায় কানায় পূর্ণ।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সদরঘাট টার্মিনাল থেকে দেশের ৩১টি নৌপথে নিয়মিত ৭০টি লঞ্চ চলাচল করে। তবে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তা দ্বিগুণের বেশি করা হয়েছে। ঈদের আগে-পরের প্রায় ১৫ দিন ছোট-বড় মিলিয়ে ১৭৫টিরও বেশি লঞ্চ যাতায়াত করেছে। আগে ঢাকা থেকে ৪১টি নৌপথে লঞ্চসহ পণ্যবাহী বিভিন্ন নৌযান চলত। নদী খনন ও ড্রেজিংয়ে অনিয়মের কারণে ঢাকা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলগামী ১০টি নৌপথ বন্ধ হয়ে গেছে।

সরকারি ছুটি শেষ হওয়ায় কর্মস্থল ঢাকায় ফিরতে লঞ্চে মানুষের ঢল নেমেছে বলে জানিয়েছেন জাহাজ মালিক, স্টাফ ও কর্মকর্তারা।

মানামি লঞ্চের চালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘এবার ঈদের আগে যেমন যাত্রী চাপ ছিলো পরে তেমন হচ্ছে না। সরকারি ছুটি শেষ হওয়ায় অনেকেই এখন ঢাকা ফিরছে। তবে অনেকে বুধ ও বৃহস্পতি ছুটি নিয়ে সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে নিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে সামনের সাপ্তাহিক ছুটির দুদিন বিশেষ করে শনিবার যাত্রীর চাপ অনেকটা বাড়বে।’

রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী থেকে ফিরেছেন ঢাকায়। তিনি বলেন, ‘এমভি টিপু-৭ লঞ্চের টিকিট পেয়েছিলাম। তবে লঞ্চে অনেক মানুষের ভিড় ছিলো। ঠিকভাবে ঢাকায় আসতে পেরেছি এটাই অনেক।’

মনপুরা থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকায় এসেছে এমভি তাসরিফ-৮। লঞ্চটির কর্মী আসাদ মুন্সি বলেন, ‘এই ট্রিপে পাঁচ-ছয়শ’ মানুষ এসেছে। ছুটি শেষ হওয়ায় মানুষ ঢাকায় ফিরছে। আরামের যাত্রা লঞ্চ। এজন্য অনেকেই লঞ্চে যাতায়াত করেন।’

ভোলার চরফ্যাশন ও বেতুয়া থেকে ছেড়ে সন্ধ্যায় সদরঘাটে ভিড়েছে এমভি টিপু-১৩। লঞ্চটিতে ঘাটে ভিড়তেই দেখা যায়, ডেকভর্তি মানুষ। অনেকে দাঁড়িয়েও এসেছেন।

ভোলা থেকে আসা যাত্রী আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘কাপড়ের দোকানে কাজ করি। ঈদের আগের দিনও খোলা ছিল। চাঁদ রাতে ঈদ করতে ঢাকা থেকে বাড়িতে গিয়েছিলাম। ছুটি শেষ, মার্কেট খুলবে। এজন্য আবার চলে আসলাম।’

পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর বরিশালগামী লঞ্চগুলোতে যাত্রী কমায় ঢাকার সদরঘাটের চেনা রূপ অনেকটাই হারিয়ে গিয়েছিল। ঈদের ছুটির সঙ্গে ফিরেছে চেনা সেই ভিড়। তবে ঈদের পর ঢাকার সদরঘাটে ভিড় বাড়লেও আগের মতো যাত্রী নেই বলে জানিয়েছেন লঞ্চ-সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে রাজধানীর প্রধান নদীবন্দর সদরঘাটে ঢাকামুখী মানুষের ভিড় থাকলেও লঞ্চে ফিরতি পথের যাত্রী ভিড় অনেকটাই কম। বরিশাল ও ভোলার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা লঞ্চগুলোর কর্মীরা যাত্রীদের ডাকাডাকি করছেন। অল্পসংখ্যক মানুষ লঞ্চে উঠেছেন। বেশ কয়েকটি লঞ্চের ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, ডেকের সিট অধিকাংশই ফাঁকা। ভেততে কিছু মানুষ বসে আছে। কেউ আবার কেবিন নিয়ে দরদাম করছেন।

নৌপথেই স্বস্তি খুঁজবে যাত্রীরা- এবারের ঈদযাত্রায় এমনটা প্রত্যাশা ছিলো লঞ্চ মালিকদের। তবে ঈদের পর তা আবার কমে যাওয়ায় হতাশ তারা।

ডলার কোম্পানির ২৪টি লঞ্চের মালিক ও যাত্রী পরিবহন সংস্থার সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কালাম বলেন, ‘আমাদের লঞ্চ আছে অনেক। কিন্তু সে অনুযায়ী যাত্রী নেই। তাই লঞ্চ কম ছাড়ছে। যেগুলো ছাড়ছে সেগুলো যাত্রী ভরেই যাচ্ছে। ঈদের পরও আমরা যাত্রীর চাপ আশা করেছিলাম। কিন্তু পাইনি।’

লঞ্চ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী বলেন, ‘ঈদের আগে যাত্রীর চাপ বাড়ায় আশা পেয়েছিলাম। এখন সে আশা আর দেখছি না। সামনের দিনগুলোতে কী হয় দেখা যাক।’

সার্বিক বিষয়ে ঢাকার প্রধান নদীবন্দর সদরঘাটের দায়িত্বে থাকা বিআইডব্লিউটিএ-এর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন জানান, ‘ঈদের পর যাত্রীর চাপ স্বাভাবিক রয়েছে। আমাদের নিয়মিত লঞ্চগুলোই চলাচল করছে। অতিরিক্ত কোনো লঞ্চের প্রয়োজন পড়ছে না। আর ভাড়া বেশি নেয়ার অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।'

টার্মিনাল এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সদরঘাট নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম বলেন, ‘আজ (বৃহস্পতিবার) যাত্রীর চাপ আগের থেকে বেড়েছে। পুলিশ, র‍্যাবসহ আনসার সদস্যরা যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন। সন্দেহজনক কিছু দেখলে তল্লাশিও চালানো হচ্ছে। যাত্রীর চাপ বাড়লে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।’

আরও পড়ুন:
ঘরে ফেরা মানুষের পদচারণায় মুখর সদরঘাট
ছুটি শুরুর দিনেই সদরঘাটে যাত্রীর চাপ
ঈদযাত্রার প্রভাব নেই সদরঘাটে, গার্মেন্টস ছুটির অপেক্ষা
সদরঘাট থেকে সব রুটের লঞ্চ চলাচল বন্ধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A husband and wife were hacked to death at their home in the capital

রাজধানীতে নিজ বাসায় স্বামী-স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

রাজধানীতে নিজ বাসায় স্বামী-স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা
যাত্রাবাড়ী থানার ওসি আবুল হাসান বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভোরে শফিকুর নামাজ পড়ে ফেরার সময় প্রথমে তার ওপর হামলা হয়। পরে দোতলায় উঠে তার স্ত্রীকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। দুজনেরই মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে একটি ভবন থেকে স্বামী-স্ত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। পশ্চিম যাত্রাবাড়ীর মমিনবাগ এলাকার একটি চারতলা ভবন থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের ধারণা, বুধবার ভোরের দিকে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।

নিহতরা হলেন ৬০ বছর বয়সী শফিকুর রহমান ও তার স্ত্রী ৫০ বছরের ফরিদা ইয়াসমিন। শফিকুর রহমান জনতা ব্যাংকের চাকরি করতেন।

যাত্রাবাড়ী থানার উপ_পরিদর্শক (এসআই) রমজান আলী সাংবাদিকদের জানান, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ খবর পেয়ে ভোর সাড়ে ৬টার দিকে মমিনবাগের ১৭৫ নম্বর ভবনের নিচতলার পার্কিংয়ে শফিকুরের এবং দোতলায় শয়ন কক্ষে ফরিদার মরদেহ পাওয়া যায়।

দুজনেরই গলাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক (অপারেশন) তৌহিদুল হক মামুন বলেন, ‘দুজনের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

যাত্রাবাড়ী থানার ওসি আবুল হাসান বলেন, ‘কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড, কে বা কারা এর সঙ্গে জড়িত- সেসব এখনও জানা যায়নি। এটি পূর্ববিরোধ নাকি ডাকাতির ঘটনা তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভোরে শফিকুর নামাজ পড়ে ফেরার সময় প্রথমে তার ওপর হামলা হয়। পরে দোতলায় উঠে তার স্ত্রীকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। দুজনেরই মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

‘বাসার নিচের প্রধান ফটক ও ঘরের দোতলার দরজা খোলা ছিল। আলমারিও খোলা পাওয়া গেছে। শফিকুলের কাছে প্রধান ফটকের চাবি ছিল।’

পুলিশ জানায়, নিজেদের চারতলা বাড়ির দোতলায় থাকতেন শফিকুর-ফরিদা দম্পতি। উপরের দুই তলা এবং নিচতলার একপাশ ভাড়া দেয়া।

এই দম্পতির ছেলে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) এসআই ইমন এবং তার স্ত্রীও ওই বাসায় থাকেন। তবে বুধবার রাতে ইমন তার দাদাবাড়ি ফেনী এবং তার স্ত্রী বাপের বাড়িতে বেড়াতে যান।

আরও পড়ুন:
কক্সবাজারে বাড়ি থেকে দম্পতির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
নবজাতককে নয় তলা থেকে ফেলে হত্যা করেন মা: পুলিশ
ঈদের রাতে বগুড়ায় দুই তরুণকে কুপিয়ে হত্যা
নেত্রকোণায় মসজিদে ইমামকে ছুরিকাঘাত, হাসপাতালে মৃত্যু
স্ত্রীর সামনে পান ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়ার অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Air in Dhaka is bearable

ঢাকার বাতাস ‘সহনীয়’

ঢাকার বাতাস ‘সহনীয়’ প্রাণ ভরে নিশ্বাস নিতে রাজধানীর অনেকেই যান রমনা পার্কে। ফাইল ছবি
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ৭৩ নিয়ে রাজধানীর বাতাসের মান ‘সহনীয় বা মধ্যম মানের’ রয়েছে।

বাতাসের নিম্ন মানের দিক থেকে আইকিউ এয়ারের তালিকায় বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার অবস্থান ছিল ২৬তম।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ৭৩ নিয়ে রাজধানীর বাতাসের মান ‘সহনীয় বা মধ্যম মানের’ রয়েছে।

একই সময়ে যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে ছিল কঙ্গোর কিনশাসা ও উগান্ডার কাম্পালা।

আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ সকালের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ৪ দশনিক ২ গুণ বেশি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ৯৪। এর মানে হলো ওই সময়টাতে ‘সহনীয়’ বাতাসের মধ্যে বসবাস করেছে রাজধানীবাসী।

আরও পড়ুন:
ঢাকার বাতাস ‘মধ্যম মানের’
সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে ‘সহনীয়’ ঢাকার বাতাস
ঢাকার বাতাসের মান আজ ‘ভালো’
ছুটির দিনে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস, নিম্ন মানে তৃতীয়
ছুটির দিনে বাতাসের নিম্ন মানে চতুর্থ ঢাকা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Youth dies in road accident at Hanif flyover

হানিফ ফ্লাইওভারে সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত

হানিফ ফ্লাইওভারে সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত প্রতীকী ছবি
যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হিরামন বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে হানিফ ফ্লাইওভারের ওপর থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় এক যুবককে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ওই যুবককে মৃত বলে জানান।’

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মেয়র মোহম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের ওপর থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করছে পুলিশ।

বুধবার রাত সোয়া ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

প্রাণ হারানো ব্যক্তির পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি, তবে তার বয়স আনুমানিক ৩৮ বছর হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হিরামন বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে হানিফ ফ্লাইওভারের ওপর থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় একজনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান। ’

তিনি বলেন, ‘অজ্ঞাতনামা ওই ব্যক্তির পরিচয় এখনও জানা যায়নি, তবে জানার চেষ্টা চলছে। তাকে যেই গাড়িটি ধাক্কা দিয়েছে সেটি শনাক্তের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি।’

মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
চার গাড়ির সংঘর্ষে পথচারী নিহত
ফরিদপুরে ট্রাকচাপায় বাইক আরোহী নিহত
উত্তরাখণ্ডে যাত্রীবাহী মিনিবাস খাদে পড়ে নিহত ১৪
গজারিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
অটোরিকশায় কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কা, দুজন নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The girl was stuck in the eaves of the seventh floor and was rescued by calling 999

সাততলার কার্নিশে আটকা কিশোরী, ৯৯৯ নম্বরে ফোনে উদ্ধার

সাততলার কার্নিশে আটকা কিশোরী, ৯৯৯ নম্বরে ফোনে উদ্ধার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ভবনের কার্নিশে আটকা পড়া মেয়েটিকে উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস। ছবি: নিউজবাংলা
অনেকদিন ধরেই মায়ের কাছে যেতে চাইছিল মেয়েটি। কিন্তু দাদী যেতে দেননি। এ নিয়ে দাদীর ওপর অভিমান করে সে। বুধবার সকালে পালিয়ে আটতলা ভবনের সাততলা থেকে কার্নিশ বেয়ে নেমে মায়ের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে কার্নিশে আটকে যায় মেয়েটি।

চৌদ্দ বছর বয়সী কিশোরীর বাবা মারা গেছেন। মায়ের বিয়ে হয়ে গেছে অন্যত্র। রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বি-ব্লকের একটি ভবনে সে দাদীর সঙ্গে থাকে।

অনেকদিন ধরেই মায়ের কাছে যেতে চাইছিল মেয়েটি। কিন্তু দাদী যেতে দেননি। এ নিয়ে দাদীর ওপর অভিমান করে সে। তাকে ফাঁকি দিয়ে বুধবার সকালে আটতলা ভবনের সাততলা থেকে কার্নিশ বেয়ে নেমে মায়ের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে কার্নিশে আটকে যায় মেয়েটি।

সাততলার কার্নিশে আটকা কিশোরী, ৯৯৯ নম্বরে ফোনে উদ্ধার
ভবনের কার্নিশে আটকা পড়ে থাকা কিশোরী। ছবি: নিউজবাংলা

বাইরে থেকে মেয়েটিকে বহুতল ভবনের কার্নিশে আটকা পড়ে থাকতে দেখে এক ব্যক্তি জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি জানায়। কলটি রিসিভ করেন ৯৯৯ কল টেকার এএসআই লোকমান হোসেন। এএসআই লোকমান তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি বারিধারা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এবং ভাটারা থানাকে জানিয়ে দ্রুত উদ্ধারে ব্যবস্থা নিতে বলেন।

সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও ভাটারা থানা পুলিশের উদ্ধারকারী দল অবিলম্বে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সংশিষ্ট ফায়ার সার্ভিস স্টেশন, থানা পুলিশ ও কলারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছিলেন ৯৯৯ ডিসপাচার ফায়ার ফাইটার মেহেদী হাসান।

অবশেষে আটতলা ভবনের সাততলার ফ্ল্যাটের ভেতর থেকে জানালার গ্রিল কেটে কার্ণিশ থেকে ওই কিশোরীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

বারিধারা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. রাজু ৯৯৯ কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন:
ডুবন্ত ট্রলার থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ২৯ জেলে উদ্ধার
৯৯৯-এ ফোন: সাগরে ডুবন্ত ট্রলার থেকে ১৮ জেলে উদ্ধার
হাওরে পথ হারিয়ে ৯৯৯-এ কল, শতাধিক পর্যটক উদ্ধার
৯৯৯-এ কল: উদ্ধার পেলেন পুলিশ
পদ্মা সেতু দেখতে গিয়ে বিকল নৌযান, ৯৯৯ কলে উদ্ধার

মন্তব্য

p
উপরে