× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
For the third time in a month and a half there has been a fire at Bangabandhu Hospital in Faridpur
google_news print-icon

দেড় মাসে তৃতীয়বারের মতো আগুন ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু হাসপাতালে

দেড়-মাসে-তৃতীয়বারের-মতো-আগুন-ফরিদপুরের-বঙ্গবন্ধু-হাসপাতালে
ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের স্টোর রুমে বৃহস্পতিবার সকালে ধরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। ছবি: নিউজবাংলা
ডিসি কামরুল আহসান তালুকদার বলেন, ‘গত দেড় মাসে হাসপাতালে তিনবার অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়। আমরা আতঙ্কিত ও শঙ্কিত। এটি এক হাজার বেডের হাসপাতাল। এসব স্থানে আগুন লাগলে বিপুলসংখ্যক প্রাণহানির শঙ্কা থাকে।’

ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের স্টোর রুমে আগুন লেগে ওষুধ ও যন্ত্রপাতি পুড়ে গেছে।

এ নিয়ে গত দেড় মাসে তিনবার আগুনের ঘটনা ঘটল হাসপাতালটিতে।

সর্বশেষ বৃহস্পতিবার সকাল আটটার দিকে হাসপাতালটির দ্বিতীয় তলার স্টোর রুমে আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিস আধা ঘণ্টার মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণ আনে।

আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) কামরুল আহসান তালুকদার ও পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম।

এদিকে বারবার আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ২০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ভেতরে অনেক ওষুধ ও যন্ত্রপাতি রয়েছে, তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রাথমিকভাবে নির্ধারণ করা যায়নি।’

হাসপাতালের উপপরিচালক দীপক কুমার বলেন, ‘হঠাৎ করে হাসপাতালটির দ্বিতীয় তলার স্টোর রুমে আগুন লাগে। তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ধোঁয়ায় অন্ধকার সৃষ্টি হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্টোর রুমটিতে হাসপাতালের ওষুধপত্র, যন্ত্রপাতি, ফ্রিজসহ নানা সরঞ্জাম রয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের কয়েকটি টিম এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে এখনও জানা যায়নি।’

ডিসি কামরুল আহসান তালুকদার বলেন, ‘গত দেড় মাসে হাসপাতালে তিনবার অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়। আমরা আতঙ্কিত ও শঙ্কিত। এটি এক হাজার বেডের হাসপাতাল। এসব স্থানে আগুন লাগলে বিপুলসংখ্যক প্রাণহানির শঙ্কা থাকে।’

তিনি বলেন, ‘কেন বারবার আগুন লাগছে, তার কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

‘স্টোর রুমটিতে ওষুধ ও নতুন নতুন যন্ত্রপাতি রয়েছে। তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

ডিসি আরও বলেন, ‘হাসপাতালের স্ট্রাকচারাল (কাঠামোগত) কিছু ত্রুটি রয়েছে। আগুন নির্বাপণে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের বেগ পেতে হয়েছে। বিকল্প ব্যবস্থা সৃষ্টি করতে আমরা ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে কথা বলব।’

আরও পড়ুন:
ভুল চিকিৎসায় মা ও নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ, হাসপাতাল ভাঙচুর
পুড়ছে সুন্দরবন
সুন্দরবনের আগুন ছড়িয়েছে ২ কিলোমিটারে
সুন্দরবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে বনরক্ষীরা, যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস
১০ একরের চারাগাছ পুড়ে যাওয়ার পর নিয়ন্ত্রণে শাল-গজারির আগুন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Air pollution kills 2000 children every day in the world report

বায়ুদূষণে বিশ্বে প্রতিদিন ২ হাজার শিশুর মৃত্যু: প্রতিবেদন

বায়ুদূষণে বিশ্বে প্রতিদিন ২ হাজার শিশুর মৃত্যু: প্রতিবেদন প্রতীকী ছবি/নিউজ এইটিন
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউটের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে বায়ুদূষণের সংস্পর্শে ৮১ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যা সব মৃত্যুর প্রায় ১২ শতাংশ। অর্থাৎ তামাক ব্যবহার ও দুর্বল খাদ্যাভ্যাসকেও ছাড়িয়ে গেছে বায়ুদূষণ।

বায়ুদূষণের সঙ্গে যুক্ত স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে সারা বিশ্বে প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার শিশু মারা যায়। উচ্চ রক্তচাপের পর অকালে মৃত্যুর জন্য এটি দ্বিতীয় প্রধান ঝুঁকির কারণ হয়ে উঠেছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউটের একটি প্রতিবেদনে বুধবার এ দাবি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে বায়ুদূষণের সংস্পর্শে ৮১ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যা সব মৃত্যুর প্রায় ১২ শতাংশ। অর্থাৎ তামাক ব্যবহার ও দুর্বল খাদ্যাভ্যাসকেও ছাড়িয়ে গেছে বায়ুদূষণ।

ছোট বাচ্চারা বায়ুদূষণের জন্য বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফের যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থাটির বার্ষিক স্টেট অব গ্লোবাল এয়ার প্রতিবেদনের অংশীদার। এ ছাড়া এ প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিক্স অ্যান্ড ইভালুয়েশন পরিচালিত গ্লোবাল বার্ডেন অব ডিজিজ স্টাডি থেকে দুই শতাধিক দেশ ও অঞ্চলের ডেটা ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বায়ুদূষণ পাঁচ বছরের কম বয়সি সাত লাখেরও বেশি শিশুর মৃত্যুর জন্য দায়ী। এর মধ্যে পাঁচ লাখেরও বেশি শিশুর মৃত্যুর জন্য কয়লা, কাঠ বা গোবরের মতো নোংরা জ্বালানি ব্যবহার করে ঘরের ভেতরে রান্না দায়ী। এসব মৃত্যুর অধিকাংশই হয়েছে আফ্রিকা ও এশিয়ায়।

হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউটের গ্লোবাল হেলথের প্রধান পল্লবী পান্ত বলেন, ‘এগুলো এমন সমস্যা, যা আমরা জানি যে সমাধান করা সম্ভব।’

প্রতিবেদনটিতে আরও দেখা যায়, বিশ্বের প্রায় প্রতিটি মানুষই প্রতিদিন অস্বাস্থ্যকর মাত্রার বায়ুদূষণে শ্বাস নেয়। ৯০ শতাংশেরও বেশি মৃত্যু পিএম ২.৫ নামের ক্ষুদ্র বায়ুবাহিত দূষণের সঙ্গে যুক্ত। পিএম ২.৫ নিশ্বাসে ফুসফুসের ক্যান্সার, হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।

প্রতিবেদনটির উদ্দেশ্য ছিল বায়ুদূষণের মাত্রার সঙ্গে এ ধরনের রোগের হারকে যুক্ত কর, কিন্তু এমন ভয়াবহ পরিসংখ্যান সত্ত্বেও প্রতিবেদনটি এখনও বায়ুদূষণের প্রভাবকে অবমূল্যায়ন করতে পারে বলে পান্ত জানান। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, বায়ুদূষণ কীভাবে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য, নিউরোডিজেনারেটিভ রোগ বা তাপের জন্য শুষ্ক জ্বালানি ব্যবহারে কী প্রভাব ফেলতে পারে, তা বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পৃথিবী উষ্ণ হওয়ায় ওজোনদূষণ আরও খারাপ হতে পারে। ২০২১ সালে প্রায় এটি পাঁচ লাখ মৃত্যুর জন্য দায়ী ছিল।

আরও পড়ুন:
খুলি ও টুকরো টুকরো মাংস উদ্ধার: নিখোঁজ শর্মিলার বাবার মামলা
ঢাকা মেডিক্যালে যমজ নবজাতকের একটিকে চুরি
খুলি নিয়ে টানাটানি করছিল কুকুর, বস্তায় মিলল টুকরো টুকরো মাংস
হাওরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু
নিখোঁজের ১৭ দিন পর বাড়ি ফিরছে শিশুটি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
DM 140 after being injured while performing sacrifice in the capital

রাজধানীতে কোরবানি করতে গিয়ে আহত হয়ে ঢামেকে ১৫০

রাজধানীতে কোরবানি করতে গিয়ে আহত হয়ে ঢামেকে ১৫০ পশু কোরবানি করতে গিয়ে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া কয়েকজন। ছবি: সংগৃহীত
ঢামেক জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. আমান বলেন, কোরবানি দিতে গিয়ে আহত হওয়া ১৫০ জন এখানে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন। একজনের অবস্থা বেশি খারাপ হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঈদুল আজহায় সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পশু কোরবানি করতে গিয়ে ধারালো ছুরির আঘাতে আহত হয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন কমপক্ষে ১৫০ জন। তাদের মধ্যে একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার সকাল থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চিকিৎসা নিতে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসেন তারা।

ঢামেক জরুরি বিভাগের (ভারপ্রাপ্ত) আবাসিক সার্জন ডা. আমান বলেন, কোরবানি দিতে গিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আহত হওয়া ১৪০ জন ঢামেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে-ছিঁড়ে যাওয়া এসব রোগীর সবাইকে সেলাইয়ের পাশাপাশি প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। একজনের অবস্থা বেশি খারাপ থাকায় তাকে ভর্তি দেয়া হয়েছে।

হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, কোরবানি দিতে গিয়ে আহত হয়ে ১৫০ জন ঢামেকে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। কেবল একজন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

আরও পড়ুন:
কোরবানির পর ঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখবেন যেভাবে
শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে শব্দমুখর কামার পল্লী
অধিক মজুরির আশায় ঢাকায় ছুটছেন মেহেরপুরের কসাইরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Four people who were burnt in the explosion in Vatara are in the country of no return

ভাটারায় বিস্ফোরণে দগ্ধ চারজনই না ফেরার দেশে

ভাটারায় বিস্ফোরণে দগ্ধ চারজনই না ফেরার দেশে
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘ভাটারা থেকে নারী-শিশুসহ চারজনকে দগ্ধ অবস্থায় এখানে আনা হয়েছিল। তারা সবাই একে একে মারা গেছেন। সবশেষ শনিবার রাতে  মারা যন রকসি আক্তার নামে এক তরুণী। তার শরীরের ৫৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি বাসার রান্নাঘরে বিস্ফোরণে দগ্ধ চারজনের কেউই বাঁচলেন না। সবশেষ রকসি আক্তার নামে দগ্ধ তরুণী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

শনিবার রাত ১টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মারা যান তিনি।

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘ভাটারা থেকে নারী-শিশুসহ চারজনকে দগ্ধ অবস্থায় এখানে আনা হয়েছিল। তারা সবাই একে একে মারা গেছেন। সবশেষ শনিবার রাতে মারা যন রকসি আক্তার নামে এক তরুণী। তার শরীরের ৫৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

এর আগে বুধবার ভোরের দিকে আয়ান নামে তিন বছরের এক শিশু চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এর পর ফুতু আক্তার নামে এক নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। শনিবার রাতে তার নানা আব্দুল মান্নান মারা যান।

প্রসঙ্গত, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ভাটারার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এভারকেয়ার হাসপাতালের পাশের একটি ভবনের নিচতলায় রান্নাঘরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের নারী ও শিশুসহ চারজন দগ্ধ হন। পরে দগ্ধদের শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়।

আরও পড়ুন:
ভাষানটেকে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে মৃত বেড়ে ৪
সাভারে গোডাউন খুলতেই বিস্ফোরণ, দগ্ধ তিন
গাজীপুরে ব্যাটারি কারখানায় বিস্ফোরণে চীনের প্রকৌশলী নিহত, আহত ৫
টেইলার্সে এসি বিস্ফোরণে আটজন আহত
ভাষানটেকে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধদের মধ্যে এক নারীর মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
4 year old child infected with bird flu in West Bengal

পশ্চিমবঙ্গে বার্ড ফ্লু আক্রান্ত ৪ বছরের শিশু

পশ্চিমবঙ্গে বার্ড ফ্লু আক্রান্ত ৪ বছরের শিশু বার্ড ফ্লুর নমুনা সংগ্রহের টিউব ও ভারতের পতাকা। গ্রাফিক্স: রয়টার্স
ডব্লিউএইচওর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত শিশুটির মারাত্মক শ্বাসকষ্ট, উচ্চ জ্বর ও পেটে ব্যথা ছিল। তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। শিশুটি হাসপাতালে ভর্তি হয় ফেব্রুয়ারি এবং ছাড়পত্র পায় তিন মাস পর।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে চার বছরের এক শিশুর দেহে এইচ৯এন২ ভাইরাসবাহিত ব্লার্ড ফ্লুর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

ডব্লিউএইচওর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত শিশুটির মারাত্মক শ্বাসকষ্ট, উচ্চ জ্বর ও পেটে ব্যথা ছিল। তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। শিশুটি হাসপাতালে ভর্তি হয় ফেব্রুয়ারি এবং ছাড়পত্র পায় তিন মাস পর।

ডব্লিউএইচও জানায়, বাড়ি ও আশপাশে গৃহপালিত পাখির (হাঁস-মুরগি) সংস্পর্শে এসেছিল শিশুটি। তার পরিবার কিংবা সংস্পর্শে আসা কারও মধ্যে শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত কোনো অসুস্থতার খবর পাওয়া যায়নি।

সংস্থাটি আরও জানায়, ভারতে ২০১৯ সালে মানবদেহে প্রথম ব্লার্ড ফ্লু সংক্রমণের ঘটনা ঘটে। এরপর চলতি বছর পশ্চিমবঙ্গের শিশুটি আক্রান্ত হয়।

ব্লার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত ব্যক্তি সাধারণত সামান্য অসুস্থতায় ভোগেন জানিয়ে ডব্লিউএইচওর পক্ষ থেকে বলা হয়, আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে বিক্ষিপ্তভাবে সংক্রমণের ঘটনা ঘটতে পারে।

আরও পড়ুন:
লোকসভায় বিরোধী দলনেতা হচ্ছেন রাহুল গান্ধী
মোদির শপথ অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে হেসেখেলে জিতল ভারত
ভারতীয় বোলিং তোপে অল্পতেই গুটিয়ে গেল আয়ারল্যান্ড
টস জিতে ফিল্ডিংয়ে ভারত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
One of the newborn twins was stolen from Dhaka Medical

ঢাকা মেডিক্যালে যমজ নবজাতকের একটিকে চুরি

ঢাকা মেডিক্যালে যমজ নবজাতকের একটিকে চুরি মঙ্গলবার চুরির ঘটনার পর শিশুটির দাদীর সঙ্গে কথা বলেন ঢামেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। ছবি: নিউজবাংলা
নবজাতক কন্যার দাদি হাসিনা বেগম বলেন, ‘সকাল ৮টার দিকে আমার যমজ নাতনীর জন্ম হয়। চিকিৎসকের কথামতো দুই নাতনীসহ আমরা হাসপাতালের বারান্দায় বসে ছিলাম। পরে আমার ছেলে শহিদুলের সঙ্গে এক মহিলা এসে এক নাতনীকে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে ওই মহিলাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে জন্ম নিয়েছে দুই যমজ (মেয়ে)। এই দুই নবজাতকের মধ্যে একটি শিশুকে চুরি করে নিয়ে গেছে বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ। অজ্ঞাত কেউ

মঙ্গলবার দুপুর ১২ থেকে ১টার মধ্যে কৌশলে শিশুটিকে চুরি করে নিয়ে যায়।

নবজাতক কন্যার দাদি হাসিনা বেগম বলেন, ‘আজ (মঙ্গলবার) সকাল ৮টার দিকে আমার যমজ নাতনীর জন্ম হয়। চিকিৎসক দুই নাতনীসহ আমাদেরকে হাসপাতালের বারান্দায় বসতে বলেন। চিকিৎসকের কথামতো আমরা বারান্দায় বসে ছিলাম। পরে আমার ছেলে শহিদুলের সঙ্গে এক মহিলা এসে এক নাতনীকে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে ওই মহিলাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

‘আমার ছেলে দুই বিয়ে করেছে। ওর আগের ঘরে এক ছেলে আছে। আর এই ঘরে দুই কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। আর এখন একটা কন‍্যাকে চোরা মহিলা নিয়ে গেল।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, ‘গতকাল সোমবার রাতে অন্তঃসত্ত্বা নারী সুখী হাসপাতালের ২১২ নম্বর গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি হন। আজ (মঙ্গলবার) সকালে দুই নবজাতক কন্যা শিশুকে দাদী ও তার বাবার কাছে দিয়ে বারান্দায় বসতে বলা হয়। তখন তার স্বামীর পরিচিত এক নারী কৌশলে এক নবজাতক কন্যাকে নিয়ে যায়।

‘নবজাতকের বাবা শহিদুল ইসলাম খাতায় সিগনেচার দিয়ে এবং ওই মহিলাকে আত্মীয় বলে তার কাছে নবজাতক কন্যাকে তুলে দেন। এখন বলছেন যে তিনি ওই মহিলাকে চেনেন না। হাসপাতালের প্রতিটি গেট ও ওয়ার্ডের সিসিটিভি ফুটেজ চেক করা হচ্ছে। শাহবাগ থানাকে জানানো হয়েছে। তারাও খোঁজখবর নিচ্ছে।’

নবজাতকের বাবার বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বাঁশগ্রামে। ট্রাকের হেলপার শরিফুলের দ্বিতীয় স্ত্রী সুখী বেগম। বর্তমানে ধামরাইয়ের কালামপুরে পরিবারের সঙ্গে থাকেন তিনি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Osmani Hospital in Sylhet suffered due to water entering

সিলেটে ওসমানী হাসপাতালে পানি ঢুকে চরম দুর্ভোগ

সিলেটে ওসমানী হাসপাতালে পানি ঢুকে চরম দুর্ভোগ টানা বৃষ্টিতে সোমবার সকালে ডুবে যায় সিলেট এমএজি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিচতলা। ছবি: নিউজবাংলা
প্রধান ফটকসহ আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ায় হাসপাতালের নিচতলার বিভিন্ন স্থানে পানি উঠে যায়। এতে ২৬, ২৭ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের রোগীদের সেবাদান কার্যক্রম ব্যাহত হয়। দুই শতাধিক রোগীকে স্থানান্তর করতে হয়। আর কলেজে পানি প্রবেশ করায় তিনটি ক্লাস-পরীক্ষা বাতিল করা হয়।

অতিবৃষ্টিতে সোমবার ভোরের দিকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিচতলা তলিয়ে যায়। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন হাসপাতালের রোগী, চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্টরা। ব্যাহত হয় সেবা কার্যক্রম।

এদিকে ওসমানী মেডিক‍্যাল কলেজেরও নিচতলায়ও ঢুকে পড়ে পানি। ফলে কলেজের সোমবারের সব পরীক্ষা ও ক্লাস স্থগিত করা হয়েছে।

রোববার মধ্যরাত থেকে সিলেটে ভারি বৃষ্টিপাত শুরু হয়। ভোরের দিকে ওসমানী হাসপাতাল ও কলেজের নিচতলায় পানি প্রবেশ করতে শুরু করে। পানি ঢুকে পড়ায় সকালে ২৬ ও ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের দুই শতাধিক রোগীকে স্থানান্তর করা হয়।

এছাড়া বন্ধ হয়ে পড়ে প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা কার্যক্রম। ফলে বিঘ্নিত হয় চিকিৎসা সেবা। সকালে হাসপাতাল চত্বরের কোথাও হাঁটু পানি, কোথাও বা কোমর সমান পানি জমে যায়। কর্মকর্তাদের কক্ষেও পানি ঢুকে পড়ে।

তবে বিকেলে এই প্রতিবেদন লেখার সময় হাসপাতাল চত্বর থেকে পানি নেমে গেছে। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে সেবা কার্যক্রম।

সংশ্লিষ্টরা জানান, হাসপাতালের নিচতলা ও রক্ত পরিসঞ্চালন কেন্দ্রে ভোর থেকে পানি ঢুকতে শুরু করে। এতে ঘুমন্ত রোগী ও স্বজনরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ফ্লোর, বারান্দা ও প্রবেশপথ তলিয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েন রোগী ও তাদের স্বজনরা। তাই কর্তৃপক্ষ জরুরিভিত্তিতে এখানকার রোগীদের অন্য ওয়ার্ডে স্থানান্তর করে।

এছাড়া রক্ত পরিসঞ্চালন কেন্দ্রসহ প্যাথলজি বিভাগে পানি প্রবেশ করায় এর কার্যক্রম সকালে বন্ধ ছিল বলে জানিয়েছেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সৌমিত্র চক্রবর্তী। তিনি জানান, বানের পানি প্রবেশ করায় চিকিৎসা সেবা কিছুটা সময় ব্যাহত হয়। দুই শতাধিক রোগীকে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এছাড়া রক্ত সঞ্চালন বিভাগ এবং প্যাথলজি বিভাগে পানি প্রবেশ করায় এখানকার কার্যক্রম বন্ধ ছিল। পানি নামার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চিকিৎসা সেবা দ্রুত স্বাভাবিক করে।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. মাহবুবুর রহমান ভুঁইয়া জানান, প্রধান ফটকসহ আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ায় হাসপাতালের নিচতলার বিভিন্ন স্থানে পানি উঠে যায়। এতে ২৬, ২৭ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের রোগীদের সেবাদান কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

আর কলেজে পানির কারণে তিনটি ক্লাস-পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ শিশির রঞ্জন চক্রবর্তী।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ শাহ মোহাম্মদ সজীব হুসাইন জানান, রোববার সকাল থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে ২২৬ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এছাড়া সোমবার ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সোমবার দুপুর ১২টার তথ্যমতে, সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি রোববার কমলেও সোমবার বেড়েছে। সুরমা নদী সিলেট পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে ও কানাইঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

অপরদিকে, কুশিয়ারার অমলসিদ পয়েন্টে সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ৫৩ সেন্টিমিটার দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নদীর তীর উপচে পানি প্রবেশ করছে লোকালয়ে। শহরের পাশাপাশি সোমবার সিলেটের বিভিন্ন এলাকায়ও পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। রোববার অনেক উপজেলায় পানি কমে বিভিন্ন সড়কে যোগাযোগ শুরু হলেও সোমবার সকাল থেকে আবার বন্ধ হয়ে যায়।

আরও পড়ুন:
ভারি বৃষ্টিতে ডুবল সিলেট নগর
সিলেটে গ্রামাঞ্চলে কমছে পানি, বাড়ছে নগরে
মাঝারি ধরনের ভারি বৃষ্টি হতে পারে কোথাও কোথাও
সিলেটের আরও দুই উপজেলা প্লাবিত, নগরেও ঢুকছে পানি
সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির আভাস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A quarter of six lakh children will eat vitamin A plus capsules of DNCC

ডিএনসিসির ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাবে পৌনে ছয় লাখ শিশু

ডিএনসিসির ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাবে পৌনে ছয় লাখ শিশু বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর গুলশান-২ নগরভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী। ছবি: নিউজবাংলা
শনিবার ডিএনসিসির ৫৪টি ওয়ার্ডের এক হাজার ৯০৪টি কেন্দ্র এই ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮ থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কেন্দ্রগুলোতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

৫ লাখ ৭৯ হাজার ২৫৮ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

শনিবার ডিএনসিসির ৫৪টি ওয়ার্ডের এক হাজার ৯০৪টি কেন্দ্র এই ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮ থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কেন্দ্রগুলোতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর গুলশান-২ নগরভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী।

তিনি জানান, শিশুর সুস্থভাবে বেঁচে থাকা, স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও দৃষ্টিশক্তির জন্য ভিটামিন ‘এ’ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এক অনুপুষ্টি। ভিটামিন ‘এ’ চোখের স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি ও শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি বজায় রাখে এবং বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে থাকে। বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য নীতিমালা অনুযায়ী, বছরে দুবার ভিটামিন ‘এ’র অভাব পূরণে সম্পূরক খাদ্য হিসেবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

তিনি বলেন, ‘আগামী শনিবার (১ জুন) সারা দেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালিত হবে। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী সকল শিশুদের একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিনামূল্যে খাওয়াতে পারবেন। এছাড়া শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিমাণমত ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানোর বার্তা প্রচার করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ডিএনসিসির ১০টি অঞ্চলের আওতাধীন ৫৪টি ওয়ার্ডে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হবে। ক্যাম্পেইনটি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য এ কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।’

সার্বিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে তদারকির জন্য কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে ভিজিলেন্স টিম নিয়োজিত থাকবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, এবারের ক্যাম্পেইনে মোট ৫ লাখ ৭৯ হাজার ২৫৮ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তার মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশু ১ লাখ ৩ হাজার ৮৮৮টি এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশু রয়েছে ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৩৭৯টি।

আরও পড়ুন:
৬ লাখ ৭০ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াবে ডিএসসিসি
খালের পাড়ে বসবে ক্যামেরা, ময়লা ফেললে ব্যবস্থা

মন্তব্য

p
উপরে