× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
We are moving by relying on the power of the people Fakhrul
google_news print-icon

জনগণের শক্তিতে ভর করেই আন্দোলন করছি: ফখরুল

জনগণের-শক্তিতে-ভর-করেই-আন্দোলন-করছি-ফখরুল
গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে মঙ্গলবার গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহতি
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণ কারও ওপর নির্ভর করে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনবে এমনটা আমরা মনে করি না। আমরা যে আন্দোলন করছি তা সম্পূর্ণ জনগণের শক্তির ওপর নির্ভর করেই।’

বাংলাদেশের জনগণ কারও ওপর নির্ভর করে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনবে এমনটা বিএনপি মনে করে না বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম। বিএনপি মহাসচিব বলেছেন, ‘দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে আমরা সম্পূর্ণ জনগণের শক্তির ওপর নির্ভর করেই আন্দোলন করছি।’

রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে মঙ্গলবার যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দল গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুলের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণ সব সময় নিজের শক্তিতে এবং নিজের পায়ের ওপর ভর করে ৭০ সালের আগে আন্দোলন করেছে, ৭০ সালে আন্দোলন করেছে, ৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ করেছে। পরবর্তীকালে আমরা যে আন্দোলন করছি, তা-ও সম্পূর্ণ জনগণের শক্তির ওপর নির্ভর করেই।’

দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘একেবারে ভয়াবহ পর্যায়ে। খাদের কিনারায় চলে গেছে। পড়ে যাবে।’

বৈঠকের আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের জন্য কী ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করা যায় এবং কীভাবে আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছানো যায়, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তার বিশ্লেষণ- সেসঙ্গে কর্মসূচি নির্ধারণে আমরা প্রাথমিক কিছু আলোচনা করেছি।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। দেশে একটা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে। বর্তমান যে অবৈধ সরকার, যারা বিনা ম্যান্ডেটে জোর করে ক্ষমতা দখল করে আছে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা দীর্ঘকাল ধরে সংগ্রাম ও লড়াই করছি। এজন্য আমরা প্রায় ৬৩টি রাজনৈতিক দল যুগপৎ আন্দোলন করে আসছি।’

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, ‘আমাদের অতীতের আন্দোলনের বিষয়বস্তু নিয়ে পর্যবেক্ষণ করেছি। সেখানে জনগণের যে সমর্থন ও রাজপথে উপস্থিতি ছিলো, সেখানে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে সরকার যেভাবে দমন-পীড়ন করেছে এবং আইন-আদালতকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে বিরোধীদল নির্মূল করে একদলীয় শাসন কায়েমের জন্য সরকারের যে অপচেষ্টা, সেটা নিয়ে আমরা সবাই সতর্ক আছি। এই স্বৈরশাসনের অবসান না হওয়া পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলোর যুগপৎ আন্দোলন চলবে।’

নুর ছাড়াও বৈঠকে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান, উচ্চতর পরিষদের সদস্য আবু হানিফ, শাকিল উজ্জামান, অ্যাডভোকেট নূরে এরশাদ সিদ্দিকী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, মাহফুজুর রহমান খান, রবিউল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন ও মানবাধিকার সম্পাদক অ্যাডভোকেট খালিদ হাসান উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির লিয়াজোঁ কমিটির সদস্যরা পরে গণতান্ত্রিক বামঐক্যের সঙ্গে বৈঠক করেন। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক পার্টির (পিডিপি) মহাসচিব হারুন আল রশিদ খান, সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড ডা. সামছুল আলম ও বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক কমরেড হারুন চৌধুরী।

আরও পড়ুন:
জনগণের শক্তিতে ভর করেই আন্দোলন করছি: ফখরুল
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বিভাজন ভুলে কাজ করা উচিত: ফখরুল
সংসদ নির্বাচনের পর সংকট আরও গভীর হয়েছে: ফখরুল
অদৃশ্য শক্তি দেশ চালাচ্ছে, আওয়ামী লীগ নয়: ফখরুল
নয়াপল্টনে সমাবেশের মৌখিক অনুমতি মিলেছে: বিএনপি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
By realizing the significance of sacrifice the path of peace and welfare should be created who

কোরবানির তাৎপর্য অনুধাবন করে শান্তি-কল্যাণের পথ রচনা করতে হবে: কাদের

কোরবানির তাৎপর্য অনুধাবন করে শান্তি-কল্যাণের পথ রচনা করতে হবে: কাদের আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, মহান আল্লাহ পাকের প্রতি গভীর আনুগত্য ও সর্বোচ্চ ত্যাগের নিদর্শনে ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা। আমাদেরকে কোরবানির তাৎপর্য এবং মর্মার্থ অনুবাধন করে সমাজে শান্তি ও কল্যাণের পথ রচনা করতে হবে। আর এজন্য সবাইকে সংযম ও ত্যাগের মানসিকতায় উজ্জীবিত হওয়ার বিকল্প নেই।

কোরবানির তাৎপর্য ও মর্মার্থ অনুধাবন করে সমাজে শান্তি-কল্যাণের পথ রচনার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সোমবার দেয়া এক শুভেচ্ছা ভিডিও বার্তায় তিনি এই আহ্বান জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পবিত্র ঈদে আমি দেশবাসীসহ প্রবাসে অবস্থানরত বাংলাদেশি সবাইকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা- ঈদ মোবারক।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, বছর ঘুরে আবার এসেছে ঈদ-উল-আজহা। ত্যাগের মহিমায় সমুজ্জ্বল। মহান আল্লাহ পাকের প্রতি গভীর আনুগত্য ও সর্বোচ্চ ত্যাগের নিদর্শনে ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা। আমাদেরকে কোরবানির তাৎপর্য এবং মর্মার্থ অনুবাধন করে সমাজে শান্তি ও কল্যাণের পথ রচনা করতে হবে। আর এজন্য সবাইকে সংযম ও ত্যাগের মানসিকতায় উজ্জীবিত হওয়ার বিকল্প নেই।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, অর্জনের ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে ভারসাম্যপূর্ণ, শোষণহীন, ন্যায়নিষ্ঠ এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন তা সফল করতে প্রয়োজন নিষ্ঠা, সততা ও ত্যাগ। অকৃত্রিম ভালোবাসা ও ত্যাগের আদর্শ আমাদের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে প্রতিফলিত হলে প্রতিষ্ঠিত হবে প্রত্যাশিত শান্তি ও সৌহার্দ্য।

দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে একটি অসাম্প্রদায়িক, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে কর্ম ও চিন্তায় ত্যাগ, আনুগত্য এবং সততা চর্চায় নিবেদিত হওয়ার আহবান জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘ঐক্যের মন্ত্রে উজ্জ্বীবিত হয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা অভিমুখে এগিয়ে যাওয়ার পথ রচনা করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
মিয়ানমার সীমান্ত কঠোর নজরদারিতে রয়েছে: কাদের
সেন্টমার্টিনে মিয়ানমারের গুলির ঘটনায় প্রয়োজনে জবাব: কাদের
যানজট নেই, তবে সড়কে চাপ আছে: কাদের
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন কাদের
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সব নিবন্ধিত দলকে আমন্ত্রণ জানাবে আওয়ামী লীগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Prime Minister exchanged Eid greetings with A League leaders at Ganabhaban

গণভবনে আ.লীগ নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়

গণভবনে আ.লীগ নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলের শীর্ষ নেতারা সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান। ছবি: বাসস
প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সোমবার সকালে আওয়ামী লীগ ও দলটির সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ঈদুল আজহা উপলক্ষে দলীয় নেতাদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।

সোমবার সকালে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগ ও দলটির সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলের শীর্ষ নেতারা সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

এরপর ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর আওয়ামী লীগ, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুব মহিলা লীগ ও ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

আরও পড়ুন:
ত্যাগের চেতনায় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান
প্রধানমন্ত্রীকে ঈদের শুভেচ্ছা মোদির

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP will pay respects at Zias grave on Eid ul Azha

ঈদুল আজহায় জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা জানাবে বিএনপি

ঈদুল আজহায় জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা জানাবে বিএনপি
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের নেতৃত্বে দলের নেতা-কর্মীরা জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করবেন। এ সময় তার (জিয়া) বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করবেন তারা।’

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আজ সোমবার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত ও ফাতেহা পাঠ করবেন দলের নেতা-কর্মীরা।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের নেতৃত্বে দলের নেতা-কর্মীরা জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করবেন।

‘তার (জিয়া) বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করবেন তারা।’

পরে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসায় তার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

খালেদা জিয়া প্রতি ঈদে স্বামী জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করতেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ঈদের দিন গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজায়’ নিকটাত্মীয়দের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করছেন।

তার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার ও পরিবারের সদস্যরা গুলশানের বাসভবনে তার সঙ্গে দেখা করবেন।

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, তার শারীরিক অবস্থা আগের মতোই আছে। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসা চলছে।’

৭৮ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে লিভার, হার্টের সমস্যা, আর্থ্রাইটিস, ফুসফুস, ডায়াবেটিস ও চোখের সমস্যায় ভুগছেন।

এদিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁওয়ে ঈদ উদযাপন করছেন। এর আগে শনিবার রাতে গুলশানের বাসায় খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।

এদিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পৃথক বাণীতে নেতা-কর্মীসহ দেশবাসী এবং মুসলিম উম্মাহকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Prostrate government not even giving statement on St Martin issue Fakhrul

নতজানু সরকার সেন্টমার্টিন ইস্যুতে স্টেটমেন্টও দেয়নি: ফখরুল

নতজানু সরকার সেন্টমার্টিন ইস্যুতে স্টেটমেন্টও দেয়নি: ফখরুল ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ীতে নিজ বাসভবনে রোববার মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের ভূখণ্ড সেন্টমার্টিনে গুলি হচ্ছে। মিয়ানমারের যুদ্ধজাহাজও সেখানে দেখা যাচ্ছে। অথচ এই অনির্বাচিত সরকার, দখলদারিত্বের সরকার এ বিষয়ে কোনো স্টেটমেন্ট দেয়নি। কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমাদের ভূখণ্ড সেন্টমার্টিনে গোলাগুলি হচ্ছে। মিয়ানমারের যুদ্ধজাহাজও সেখানে দেখা যাচ্ছে। দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি আঘাত আসছে। আর তারা বলছে (সরকার)- আমরা দেখছি।’

রোববার দুপুর ২টায় ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ীতে নিজ বাসভবনে মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

সরকারের কঠোর সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিনে যাওয়ার আমাদের আন্তর্জাতিক যে সমুদ্র পথ সে পথে আমরা যেতে পারছি না। এটা বাংলাদেশের জন্য হুমকি।

দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো- এই অনির্বাচিত সরকার, দখলদারিত্বের সরকার এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো স্টেটমেন্ট দেয়নি। কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আলোচনা করবে বলছে; কিন্তু কোনো আলোচনা এখন পর্যন্ত আমরা শুনিনি। তাহলে এ সরকারের প্রতি মানুষ কী করে আস্থা রাখবে। এটি একটি নতজানু সরকার। বিদেশের ওপর নির্ভর করে এই সরকার টিকে আছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘যেসব কর্মকর্তা-কর্মকারী মনে করছেন যে আওয়ামী লীগকে সমর্থন করে, লুটপাট করে, বিএনপিকে নির্যাতন করে টিকে থাকতে পারবেন; তারা তা পারবেন না। আল্টিমেটলি এভাবে টিকে থাকা যায় না। তার প্রমাণ বেনজীর ও আজিজ। আওয়ামী লীগ সরকারই তাদেরকে বলির পাঁঠা বানিয়েছে।

‘এখন সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার ফিরিস্তি পত্রিকায় বের হয়েছে। একে একে সবার থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে। এ সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে তাদেরকে চুরির সুযোগ দিচ্ছে। তারা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। সরকার ফেল। তাদের উচিত পদত্যাগ করা।’

ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচন একটা তামাশা। এটা করতে হয় তাই আওয়ামী লীগ করছে। নির্বাচনের আগেই বিরোধী দলের সিনিয়র নেতাদের গ্রেপ্তার করে তারা জেলে পাঠিয়েছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।

‘ভারতেও নির্বাচনের আগে বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। তাদের ব্যাংক একাউন্ট জব্দ করা হয়েছে। তার কারন হলো যারা শাসন ক্ষমতায় থাকে তারা গণএন্ত্র বিশ্বাস করে না।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সাহস করে যদি আপনারা না দাঁড়ান তাহলে সংবাদ মাধ্যমে টিকে থাকতে পারবেন না। আওয়ামী লীগ সরকারই ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন চারটি পত্রিকা রেখে বাকি সব পত্রিকা বন্ধ করে দিয়েছিল।

‘সাংবাদিকরা তখন ভিক্ষা করতেন, ফল বিক্রি করতেন। এখন অনেকটিভি চ্যানেল হয়েছে। কিন্তু কোনো সাংবাদিক তার মালিকের হুকুম ছাড়া কিছুই করতে পারেন না।’

মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সাল আমীন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফ, আবু নুর চৌধুরীসহ অন্যান্য নেতা।

আরও পড়ুন:
সেন্টমার্টিন ইস্যুতে সরকারের নীরবতা দাসসুলভ: ফখরুল
তারেক রহমানকে গ্রেপ্তারের হুমকি গভীর চক্রান্তের অংশ: ফখরুল
সরকার দেশের রাজনৈতিক কাঠামো ধ্বংস করেছে: ফখরুল
দেউলিয়া আওয়ামী লীগ দুর্নীতির নতুন উপায় খুঁজছে: ফখরুল
ভারতের নতুন সরকার বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশাকে মর্যাদা দেবে: আশা ফখরুলের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Myanmar border under strict surveillance Obaidul Quader

মিয়ানমার সীমান্ত কঠোর নজরদারিতে রয়েছে: কাদের

মিয়ানমার সীমান্ত কঠোর নজরদারিতে রয়েছে: কাদের ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে রোববার সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সেন্টমার্টিন পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দিয়েছেন। পরিস্থিতি সম্পর্কে তার কোনো ধারণা নেই। সেন্টমার্টিনে যে ঘটনা ঘটেছে, সেটা করেছে আরাকান আর্মি। মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় বাহিনী সেটা করেনি।’

মিয়ানমার সীমান্ত সরকারের কঠোর নজরদারিতে রয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ কারও সঙ্গে কখনও নতজানু আচরণ করেনি। মিয়ানমার সীমান্তে কঠোর নজরদারি করছে বাংলাদেশ। আমরা সতর্ক অবস্থায় রয়েছি।’

রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে রোববার দুপুরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘সেন্টমার্টিন পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দিয়েছেন। পরিস্থিতি সম্পর্কে তার কোনো ধারণা নেই। সেন্টমার্টিনে যে ঘটনা ঘটেছে, সেটা করেছে আরাকান আর্মি। মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় বাহিনী সেটা করেনি।’

সেন্টমার্টিনে খাদ্যবাহী জাহাজ নিয়মিত যাতায়াত করছে জানিয়ে ওবায়দুর কাদের বলেন, ‘আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান চাই। গায়ে পড়ে মিয়ানমারের সঙ্গে যুদ্ধ বাধানোর কোনো প্রয়োজন নেই বাংলাদেশের।

‘আমরা কারও সঙ্গে কখনও নতজানু আচরণ করিনি, করব না। কয়েক দিন আগে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তাদেরকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে।’

সেন্টমার্টিন দখল হয়ে যাচ্ছে বলে গুজব ছড়ানো হচ্ছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় শীর্ষ এই নেতা বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত এসব গুজব ছড়াচ্ছে। মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী যারা অনুপ্রবেশ করেছিল তাদেরকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বিএনপি পারে শুধু অর্বাচীনের মতো হাস্যকর মন্তব্য করতে। এখনও সেটাই করছে। সেনাবাহিনীসহ দায়িত্বপ্রাপ্তরা সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরে যেতেই হবে। সেই কূটনৈতিক প্রয়াস অব্যাহত আছে। আমরা কোনো নতজানু আচরণ করিনি, ভবিষ্যতেও করব না।’

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
স্বাধীনতার পথে সংগ্রামের ঐতিহাসিক মাইলফলক ছয় দফা: কাদের
প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থনৈতিক সংকটে পড়বে দেশ: জিএম কাদের
প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবসম্মত ও গণমুখী: ওবায়দুল কাদের
সার্বিক বিচারে উপজেলা নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে: কাদের
বেনজীর-আজিজ আওয়ামী লীগের কেউ না: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rizveer asked whose interests Bangladesh is protecting on the Myanmar issue

বাংলাদেশ কার স্বার্থ রক্ষা করছে- মিয়ানমার ইস্যুতে প্রশ্ন রিজভীর

বাংলাদেশ কার স্বার্থ রক্ষা করছে- মিয়ানমার ইস্যুতে প্রশ্ন রিজভীর নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে রোববার সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন রুহুল কবির রিজভী। ছবি: সংগৃহীত
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে দীর্ঘদিন থেকেই চরম অস্থিরতা চলছে। অথচ বাংলাদেশ সরকার জান্তা সেনাদের আগ্রাসী ভূমিকায়ও নির্বিকার।  মিয়ানমারের ব্যাপারে বাংলাদেশ কী নীতি অবলম্বন করছে তা জানার অধিকার জনগণের রয়েছে।’

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বাংলাদেশের সীমান্ত আজ অনিরাপদ। বিপন্ন স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব। অথচ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার নির্বিকার।

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে রোববার সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও ভোটের অধিকার হারিয়ে জনগণ আজ নিজ দেশেই যেন পরাধীন ও বন্দি। অরক্ষিত দেশের সীমান্ত। সেন্টমার্টিন প্রায় অবরুদ্ধ। বাংলাদেশের নাগরিকরা সেখানে যেতে নিরাপদ বোধ করছে না। সেন্টমার্টিনকে ঘিরে গত কয়েকদিন মিয়ানমার যা করছে, তা দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য চূড়ান্ত হুমকি।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে দীর্ঘদিন থেকেই চরম অস্থিরতা চলছে। মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ভারী অবৈধ অস্ত্র ঢুকছে। যুদ্ধকবলিত মিয়ানমারের জান্তা সেনারা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রায়শ ঢুকে পড়ছে। অথচ বাংলাদেশ সরকার জান্তা সেনাদের আগ্রাসী ভূমিকায়ও নির্বিকার।’

বাংলাদেশ কোনো দেশের স্বার্থ রক্ষা করছে কিনা এমন প্রশ্ন তুলে বিএনপির এই নেতা বলেন, এই সরকার কার স্বার্থ রক্ষা করছে? মিয়ানমারের ব্যাপারে বাংলাদেশ কী নীতি অবলম্বন করছে তা জানার অধিকার অবশ্যই জনগণের রয়েছে।

‘প্রধানমন্ত্রীর তাঁবেদারি আচরণের কারণে বাংলাদেশের নাগরিকরা যেন আজ কোনো সীমান্তেই নিরাপদ নয়। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশসহ মোট সাতটি দেশের সীমান্ত রয়েছে। অন্য কোনো দেশের সীমান্তে গুলি করে মানুষ হত্যা করার সাহস না করলেও বাংলাদেশ সীমান্তে প্রায়শই বিএসএফের গুলিতে প্রাণ হারাচ্ছে বাংলাদেশি নাগরিক।’

রিজভী বলেন, এই আনন্দঘন ঈদে মানুষের মনে সুখ নেই, আনন্দ নেই। মানুষের আনন্দ কেড়ে নিয়েছে এই লুটেরা সরকার। মানুষের ঘরে খাবার নেই। উচ্চ-মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তরাও এখন অর্থনৈতিকভাবে কোণঠাসা। তারাও কোরবানি করার সামর্থ্য হারিয়ে ফেলেছে। কোরবানির পশুর হাটে ক্রেতা কম, যারা আছেন বেশিরভাগ সরকারি দলের লুটেরা, অবৈধ অর্থের মালিক।

তিনি বলেন, ‘দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রেই চরম অরাজক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। শেয়ার বাজার থেকে আরম্ভ করে পাড়া-মহল্লার কাঁচাবাজার পর্যন্ত প্রতিটি সেক্টরেই সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে অসহায় সাধারণ জনগণ। লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার।

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘দেশের সবক’টি ব্যাংক এখন প্রায় দেউলিয়া। শুধু ডলার সংকটই নয়, ব্যাংকগুলোতে নগদ টাকার সংকট তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠেছে। এমনকি ব্যাংকে গিয়ে গ্রাহকরা চাহিদামতো নগদ পাঁচ হাজার টাকাও তুলতে পারছেন না। ডলার সংকটের কারণে ব্যবসায়ীরা এলসি খুলতে পারছেন না।’

আরও পড়ুন:
ওবায়দুল কাদের বেশি অবান্তর কথা বলেন: রিজভী
বিএনপি নেতা-কর্মীদের পরিবারে ঈদ আনন্দ নেই: রিজভী
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষের ঈদের আনন্দ ম্লান: রিজভী
বাংলাদেশ যুদ্ধ করিডোর হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে কী না প্রশ্ন রিজভীর
সরকার দেশকে প্রতিবেশী দেশের অধীনতার দিকে ঠেলে দিয়েছে: রিজভী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Govts silence on St Martin issue is servile Fakhrul

সেন্টমার্টিন ইস্যুতে সরকারের নীরবতা দাসসুলভ: ফখরুল

সেন্টমার্টিন ইস্যুতে সরকারের নীরবতা দাসসুলভ: ফখরুল জাতীয় প্রেসক্লাবে শনিবার আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সেন্টমার্টিন দ্বীপে যাওয়া-আসার পথে মিয়ানমার থেকে গুলি করা হচ্ছে। সেখানে খাদ্য সংকট দেখা দিচ্ছে। হাজার হাজার মানুষ এখন বিপদগ্রস্ত। কিন্তু সরকার এখনও নীরব। সরকারের নতজানু নীতির কারণেই এমনটা হচ্ছে।’

সেন্টমার্টিনে নৌযান চলাচলে একের পর এক গুলি ছোড়ার ঘটনায় সরকারের নীরবতা দাসসুলভ মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

‘সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এমন মন্তব্য করেন। বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) একাংশের যৌথ উদ্যোগে এই আলোচনার আয়োজন করা হয়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সেন্টমার্টিন দ্বীপে যাও-আসার পথে মিয়ানমার থেকে গুলি করা হচ্ছে। সেখানে খাদ্য সংকট দেখা দিচ্ছে। হাজার হাজার মানুষ এখন বিপদগ্রস্ত। কিন্তু সরকার এখনও নীরব। সরকারের নতজানু নীতির কারণেই এমনটা হচ্ছে।

‘আমরা আমাদের দ্বীপে যেতে পারছি না। গেলে অন্য দেশ থেকে গুলি করে মেরে ফেলা হচ্ছে। অথচ এখন পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে কিছু করা হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশকে পরনির্ভরশীল রাষ্ট্র বানিয়ে ফেলেছে বর্তমান সরকার। তারা সচেতনভাবে বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করছে। সীমান্তে হত্যা করলে, পানি না দিলে তারা কথা বলে না।’

ফখরুল বলেন, ‘গণতন্ত্রের লেবাসে দেশে একদলীয় শাসন কায়েম করেছে। দেশজুড়ে নৈরাজ্য চলছে। সাবেক সেনা ও পুলিশ প্রধানের এমন দুর্নীতি-জালিয়াতি সভ্য দেশে ভাবা যায় না।’

তিনি বলেন, ‘কারা দেশের টাকা পাচার করে, টাকা কোথায় যায়, সেটি সবাই মোটামুটি জানে। সাংবাদিকরাও জানেন। কিন্তু তারা লিখতে পারেন না। মানুষ জেনেও মুখ খুলতে পারে না। মোবাইল ব্যাংকিংয়ে প্রতি লেনদেন থেকে ৫ পয়সা করে কমিশন নেয়া হয়। সেই কমিশন দেশের বাইরে চলে যায়। কোথায় যায় সেটি আমি জানতে চাই।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এখন প্রতিটি দিনই পুরো জাতির জন্য কালো দিবস। বর্তমান সরকার ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসেই সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ শুরু করে। তারা সচেতনভাবে পরনির্ভরশীল দেশে পরিণত করছে। সাংবাদিক যারা সাহস করে কাজ করছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বেনজীর, আজিজ, আনারের ঘটনা সাংবাদিকরাই তুলে এনেছেন।’

ফখরুল বলেন, ‘রাজনৈতিক অঙ্গনে বাম ডান সবাইকে একটা জায়গায় নিয়ে এসেছি। সাংবাদিকরাও যদি এক প্লাটফর্মে আসেন তাহলে দেশে গণতন্ত্র ফিরবে।’

সভায় দৈনিক নয়া দিগন্ত সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন ও বিএফইউজে সভাপতি রহুল আমিন গাজী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, সৈয়দ আবদাল আহমেদ, সাংবাদিক নেতা কবি আবদুল হাই শিকদার প্রমুখ বক্তব্য দেন।

সভায় ধারণাপত্র পাঠ করেন বিএফইউজে একাংশের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী।

আরও পড়ুন:
রাঘব-বোয়ালদের লুটপাটের সুযোগ দিতে এই বাজেট: ফখরুল
বাজেটে নতুন করে লুটের পরিকল্পনা করা হয়েছে: ফখরুল
আওয়ামী লীগকে রক্ষায় সর্বশক্তি নিয়োগ করেছিলেন বেনজীর: ফখরুল
বেনজীরকে বাঁচাতে সরকার তাকে পাচার করে দিয়েছে: ফখরুল
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে দেশের মানুষ দিশেহারা: ফখরুল

মন্তব্য

p
উপরে