× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
BNP will have to run away again if it does illegal activities Kader
google_news print-icon

আইন-বহির্ভূত কর্মকাণ্ড করলে ফের পালাতে হবে বিএনপিকে: কাদের

আইন-বহির্ভূত-কর্মকাণ্ড-করলে-ফের-পালাতে-হবে-বিএনপিকে-কাদের
রাজধানীর ধানমন্ডিতে রোববার আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি রাজনৈতিকভাবে এগোতে চাইলে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেও রাজনৈতিকভাবে জবাব দেয়া হবে, কিন্তু আন্দোলনের নামে সন্ত্রাস করলে তা আইনগতভাবে মোকাবিলা করা হবে। আইন-বহির্ভূত কর্মকাণ্ড করলে বিএনপিকে আবারও পালাতে হবে।’

আইন-বহির্ভূত কর্মকাণ্ড করলে বিএনপিকে আবার পালাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে সোমবার আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি রাজনৈতিকভাবে এগোতে চাইলে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেও রাজনৈতিকভাবে জবাব দেয়া হবে, কিন্তু আন্দোলনের নামে সন্ত্রাস করলে তা আইনগতভাবে মোকাবিলা করা হবে। আইন-বহির্ভূত কর্মকাণ্ড করলে বিএনপিকে আবারও পালাতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করার দরকার নেই। সরকারেরও দরকার নেই। গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির নেতা-কর্মীরা বক্তব্য দিয়েছে, আওয়ামী লীগ পালানোর পথ পাবে না। সেদিনও দেখলাম পল্টন ময়দান থেকে একে একে দৌড়াতে দৌড়াতে অলিগলি কোথায় দিয়ে যে পালিয়েছে, কেউ চিন্তাও করেনি।’

বিএনপিকে মোকাবিলার কৌশল নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা হবে। যদি তারা আবারও জ্বালাও-পোড়াও করে, তবে উদ্ভূত পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। আন্দোলনের নামে সন্ত্রাস করলে বিএনপিকে আবারও পালাতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ইতিহাসে পালিয়ে যাওয়ার কোনো রেকর্ড নেই। ২০০৭ সালে আর রাজনীতি করব না—এই মুচলেকা দিয়ে বিদেশে পালিয়ে গেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাদের মূল নেতা পালিয়ে আছে।’

আরও পড়ুন:
ডোনাল্ড লুর বাংলাদেশ সফর, যা বললেন ওবায়দুল কাদের
তিস্তা সেচ প্রকল্প উন্নয়নের নামে গাছ না কাটার আহ্বান জিএম কাদেরের
অগণতান্ত্রিক পন্থায় সরকার পরিবর্তন চায় না দেশের মানুষ: হানিফ
বিএনপি আমলে ভারতের সঙ্গে অবিশ্বাসের সম্পর্ক ছিল: কাদের
সরকার দৈত্য হয়ে জনগণের কাঁধে চেপে বসেছে: জিএম কাদের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Businessman dies after being hit by a train in Malibagh

মালিবাগে ট্রেনে কাটা পড়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

মালিবাগে ট্রেনে কাটা পড়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। ছবি: নিউজবাংলা
নিহতের ছেলে আবু বক্কার সিদ্দিকী বলেন, ‘আমার বাবা পান-সুপারির ব্যবসা করেন। আজ দুপুরে তিনি দোকানের জন্য শান্তিনগর বাজারে পান-সুপারি আনতে যাওয়ার সময় মালিবাগে রেললাইন পারাপারের সময় ট্রেনে কাটা পড়ে।’

রাজধানীর মালিবাগে রেললাইন পারাপারের সময় ট্রেনে কাটা পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

রেলগেট এলাকায় রোববার দুপুর পৌনে ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রাণ হারানো মো. আলম হোসেনের (৫০) বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে। তিনি খিলগাঁও নন্দীপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় সপরিবারে থাকতেন।

খিলগাঁও ফায়ার সার্ভিসের লিডার কামরুল ইসলাম মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল (ঢামেক) কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের ছেলে মোহাম্মদ আবু বক্কার সিদ্দিকী বলেন, ‘আমার বাবা পান-সুপারির ব্যবসা করেন। আজ দুপুরে তিনি দোকানের জন্য শান্তিনগর বাজারে পান-সুপারি আনতে যাওয়ার সময় মালিবাগে রেললাইন পারাপারের সময় ট্রেনে কাটা পড়ে।’

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি ঢাকা রেলওয়ে থানাকে জানানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাইভেট কারের চালকসহ নিহত ৫
শেরপুরে ট্রাকচাপায় পল্লী বিদ্যুতের মিটার রিডার নিহত 
অটোরিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু
‘হামলায়’ শ্যালক নিহত, দুলাভাই গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Main Eid Jamaat at DNCC Mirpur Golartek ground

ডিএনসিসিতে ঈদের প্রধান জামাত মিরপুর গোলারটেক মাঠে

ডিএনসিসিতে ঈদের প্রধান জামাত মিরপুর গোলারটেক মাঠে গোলারটেক মাঠে ঈদের জামাতের প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন ডিএনসিসির কর্মকর্তারা। ছবি: নিউবাংলা
ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকা উত্তরে বসবাসরত নগরবাসীর মধ্যে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে এবার ঈদে গোলারটেক মাঠে ডিএনসিসির প্রধান জামাত আয়োজনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আমি নিজেও এই জামাতে অংশগ্রহণ করব।’

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে মিরপুর গোলারটেক মাঠে।

ঈদের প্রধান জামাত শুরু হবে সকাল ৮টায়। এলাকাবাসীর সঙ্গে ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, ডিএনসিসির কাউন্সিলর এবং কর্মকর্তারা এ জামাতে অংশগ্রহণ করবেন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে প্রতিটি ওয়ার্ডে পাঁচটি করে ঈদের জামাত আয়োজন করা হয়েছে। কাউন্সিলরদের তত্ত্বাবধানে ৫৪টি ওয়ার্ডে মোট ২৭০টি ঈদের জামাত আয়োজন করা হচ্ছে ডিএনসিসির উদ্যোগে। এর মধ্যে প্রথমবারের মতো মিরপুর গোলারটেক মাঠে ডিএনসিসির ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকা উত্তরে বসবাসরত নগরবাসীর মধ্যে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে এবার ঈদে গোলারটেক মাঠে ডিএনসিসির প্রধান জামাত আয়োজনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে এলাকাবাসীর মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠবে। আমি নিজেও এই জামাতে অংশগ্রহণ করব।

‘এর ফলে ঢাকা উত্তরের জনগণের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ হবে। ওয়ার্ড ভিত্তিক ঈদের জামাত আয়োজনের পাশাপাশি এবার প্রথম বড় পরিসরে মিরপুরে ডিএনসিসির প্রধান জামাত আয়োজন হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় নগরবাসীকে সম্পৃক্ত করে বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদযাপন এবং সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য উৎসব আয়োজনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গুলশানে এ বছর পহেলা বৈশাখ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসও উদযাপন করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
শোলাকিয়ায় হামলার মতো ঘটনা ঘটবে না সেই নিশ্চয়তা দিচ্ছি: র‍্যাব ডিজি
মাদারীপুরে ২৫ গ্রামে ঈদ উদযাপন
সৌদির সঙ্গে মিল রেখে মুন্সীগঞ্জের ১৫ গ্রামে ঈদ
ত্যাগের চেতনায় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান
রাজধানীতে কোথায় কখন ঈদ জামাত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Four people who were burnt in the explosion in Vatara are in the country of no return

ভাটারায় বিস্ফোরণে দগ্ধ চারজনই না ফেরার দেশে

ভাটারায় বিস্ফোরণে দগ্ধ চারজনই না ফেরার দেশে
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘ভাটারা থেকে নারী-শিশুসহ চারজনকে দগ্ধ অবস্থায় এখানে আনা হয়েছিল। তারা সবাই একে একে মারা গেছেন। সবশেষ শনিবার রাতে  মারা যন রকসি আক্তার নামে এক তরুণী। তার শরীরের ৫৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি বাসার রান্নাঘরে বিস্ফোরণে দগ্ধ চারজনের কেউই বাঁচলেন না। সবশেষ রকসি আক্তার নামে দগ্ধ তরুণী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

শনিবার রাত ১টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মারা যান তিনি।

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘ভাটারা থেকে নারী-শিশুসহ চারজনকে দগ্ধ অবস্থায় এখানে আনা হয়েছিল। তারা সবাই একে একে মারা গেছেন। সবশেষ শনিবার রাতে মারা যন রকসি আক্তার নামে এক তরুণী। তার শরীরের ৫৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

এর আগে বুধবার ভোরের দিকে আয়ান নামে তিন বছরের এক শিশু চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এর পর ফুতু আক্তার নামে এক নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। শনিবার রাতে তার নানা আব্দুল মান্নান মারা যান।

প্রসঙ্গত, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ভাটারার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এভারকেয়ার হাসপাতালের পাশের একটি ভবনের নিচতলায় রান্নাঘরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের নারী ও শিশুসহ চারজন দগ্ধ হন। পরে দগ্ধদের শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়।

আরও পড়ুন:
ভাষানটেকে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে মৃত বেড়ে ৪
সাভারে গোডাউন খুলতেই বিস্ফোরণ, দগ্ধ তিন
গাজীপুরে ব্যাটারি কারখানায় বিস্ফোরণে চীনের প্রকৌশলী নিহত, আহত ৫
টেইলার্সে এসি বিস্ফোরণে আটজন আহত
ভাষানটেকে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধদের মধ্যে এক নারীর মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Where and when is the Eid congregation in the capital?

রাজধানীতে কোথায় কখন ঈদ জামাত

রাজধানীতে কোথায় কখন ঈদ জামাত জাতীয় ঈদগাহ ময়দান প্রস্তুতে শেষ মুহূর্তের কাজ চলছে। ফাইল ছবি
ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে পাঁচটি জামাত। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, মিরপুর-১২ নম্বরসহ রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদের ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

ত্যাগের মহিমায় সোমবার সারা দেশে পালিত হবে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় প্রতিবারের মতো এবারও পশু কোরবানি করবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

ঈদের আনুষ্ঠানিকতার অন্যতম হলো সবাই মিলে ঈদের নামাজ আদায় করা। ঈদ জামাতের জন্য ইতোমধ্যে রাজধানীতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। সকাল সাড়ে ৭টায় এই জামাতে অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ।

তবে প্রতিকূল আবহাওয়া বা অন্য কোনো কারণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করা সম্ভব না হলে রাষ্ট্রপতি সকাল ৮টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমে ঈদের নামাজ আদায় করবেন।

বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে পাঁচটি জামাত। সকাল ৭টা, সকাল ৮টা, সকাল ৯টা, সকাল ১০টা এবং ১০টা ৪৫ মিনিটে এসব জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি রুহুল আমিন মূল ইমাম, সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতি মিজানুর রহমান বিকল্প ইমাম, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনী দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক মো. আনিছুর রহমান সরকার মূল উপস্থাপক, জাতীয় মসজিদের মুয়াজ্জিন ক্বারী মো. ইসহাক মূল ক্বারী হিসেবে প্রধান ঈদ জামাতে দায়িত্ব পালন করবেন।

এদিকে সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়ও অনুষ্ঠিত হবে ঈদুল আজহার জামাত।

সকাল ৮টায় এবং ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দুটি জামাত হবে। একইসঙ্গে সলিমুল্লাহ মুসলিম হল মসজিদে সকাল ৭টায়, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলে সকাল ৮টায় ও ফজলুল হক মুসলিম হলের পূর্ব পাশের খেলার মাঠে সকাল ৮টায় জামাত হবে।

বুয়েটের খেলার মাঠে সকাল ৭টায় হবে ঈদের জামাত। এছাড়া সকাল ৮টায় আজিমপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় বায়তুন নূর জামে মসজিদে সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে ঈদের জামাত।

এছাড়া ধানমন্ডির ১২/এ রোডের তাকওয়া মসজিদে সকাল ৮টায়, ৩ নম্বর রোডের এনায়েত মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায়, ৭ নম্বর রোডের বাইতুল আমান মসজিদে সকাল ৮টায়, সোবহানবাগ মসজিদে সকাল ৮টায় ঈদের জামাত হবে।

গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদ অ্যান্ড ঈদগাহে ঈদের নামাজের তিনটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত সকাল ৬টায়, দ্বিতীয় জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় এবং তৃতীয় জামাত ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে।

মিরপুর-১২ নম্বরে হারুণ মোল্লাহ ঈদগাহ, পার্ক ও খেলার মাঠে সকাল ৭টায় নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

ঈদগাহ মাঠে থাকবে চিকিৎসকসেবা

জাতীয় ঈদগা মাঠে ঈদের জামাত সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করতে পর্যাপ্ত অজুখানা, শৌচাগার, নারীদের আলাদা পথ রাখার পাশাপাশি খাবার পানির পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ঝড়বৃষ্টির ক্ষতি থেকে বাঁচাতে পুরো মাঠে ত্রিপল দেয়া হয়েছে।

মুসল্লিদের স্বাস্থ্যসেবায় এবার চিকিৎসক, নার্স নিয়ে একটি টিম রাখা হয়েছে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি জানান, কেউ যদি অসুস্থ হয়ে যান, তিনি যেন দ্রুত চিকিৎসাসেবা পেতে পারেন সেজন্য সিভিল সার্জনসহ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে আলাদা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র করা হয়েছে।

জায়নামাজ-ছাতা ছাড়া অন্য কিছু সঙ্গে আনা যাবে না

ঈদের নামাজ আদায় করতে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে জায়নামাজ-ছাতা ছাড়া অন্য ব্যাগ জাতীয় কিছু আনা যাবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান। জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে নেয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ শেষে তিনি এ কথা জানান।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে জঙ্গি বা নতুন কোনো হুমকি নেই। তবে শোলাকিয়া ঈদগাহে অতীতের দুর্ঘটনার বিষয়টি মাথায় রেখে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In Mohakhali 4 people including the bus driver are in the clutches of the unknown party

মহাখালীতে বাসচালকসহ ‘অজ্ঞান পার্টির’ খপ্পরে ৪ জন

মহাখালীতে বাসচালকসহ ‘অজ্ঞান পার্টির’ খপ্পরে ৪ জন মহাখালী বাস টার্মিনালে চারজন অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। কোলাজ: নিউজবাংলা
বাসচালক শাহিন বলেন, ‘ওই লোকটি বলে এত গরমে ঠান্ডা পানি খেলে আরাম লাগবে। তখন আমরা সবাই পানি পান করি। এরপর বাসটি টার্মিনালে ঢুকতেই লোকটিকে আর দেখা যায়নি। মনে হচ্ছে ওই ব্যক্তি অজ্ঞান পার্টির সদস্য ছিল, তবে আমাদের কাছ থেকে টাকা পয়সা নিতে পারে নাই।’

রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনালে বাসের চালক, সুপারভাইজার ও হেলপারসহ চারজন অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-নেত্রকোণা চলাচল করা নেত্রকোণা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে এ ঘটনা ঘটে। পরে সহকর্মীরা অচেতন অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।

অসুস্থ চারজন হলেন বাসচালক মোহাম্মদ শাহিন (৩০), সুপারভাইজর রফিকুল ইসলাম (২৬), হেলপার সৌরভ (২৭) ও রবিন (২৫)।

তাদের ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া মোহাম্মদ বাবু জানান, তারা চারজনই নেত্রকোণা পরিবহন বাসের স্টাফ। রাতে তারা নেত্রকোণা থেকে ঢাকায় আসেন। বাসটি মহাখালী টার্মিনালে ঢুকতেই চালকসহ চারজনই বাসের ভেতরে অচেতন হয়ে পড়েন, তবে শাহিনের জ্ঞান ছিল।

বাসচালক শাহিন বলেন, ‘নেত্রকোণা থেকে বাস নিয়ে রাতে মহাখালী আসার পরে টার্মিনালে ঢোকার আগে এক ব্যক্তি আমাদের ঠান্ডা পানি খেতে দেয়। ওই লোকটি বলে এত গরমে ঠান্ডা পানি খেলে আরাম লাগবে। তখন আমরা সবাই পানি পান করি। এরপর বাসটি টার্মিনালে ঢুকতেই লোকটিকে আর দেখা যায়নি। মনে হচ্ছে ওই ব্যক্তি অজ্ঞান পার্টির সদস্য ছিল, তবে আমাদের কাছ থেকে টাকা পয়সা নিতে পারে নাই।’

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘মহাখালী টার্মিনাল খেকে চারজনকে অচেতন অবস্থায় ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাদেরকে স্টমাক ওয়াশ দিয়ে মেডিসিন ওয়ার্ডে পাঠান।’

আরও পড়ুন:
অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব খোয়ালেন পুলিশ সদস্য

মন্তব্য

বাংলাদেশ
At the last minute the animal market of the capital has gathered satisfied buyers

শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে রাজধানীর পশুর হাট, দামে সন্তুষ্ট ক্রেতারা

শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে রাজধানীর পশুর হাট, দামে সন্তুষ্ট ক্রেতারা কোরবানির জন্য বিক্রি হয়ে যাওয়া গরুটিকে শেষবারের জন্য আদর করে দিচ্ছেন এক বিক্রেতা। রাজধানীর দক্ষিণ শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনি হাট থেকে তোলা। ছবি: নিউজবাংলা
ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত হাট থাকলেও এখন আর ক্রেতা-বিক্রেতা কেউই ঝুঁকি নিতে চাচ্ছেন না। হাটে ঘুরেফিরে দর-দামে মিলে গেলেই নিয়ে নিচ্ছেন পছন্দের পশুটি।

মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনে স্থায়ী দুটিসহ মোট ২০টি পশুর হাটে শেষ মুহূর্তে বেচাকেনা বেশ জমে উঠেছে। পশুর হাটগুলোতে দামও সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে বলে ক্রেতা-বিক্রেতারা জানিয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবার থেকে রাজধানী দুই সিটিতে পশুর হাট বসেছে। চলবে ১৭ জুন অর্থাৎ ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত মোট ৫ দিন। বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিক হাট বসলেও হাটগুলোতে মূলত কয়েক দিন আগে থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসতে শুরু করে পশুর পিকআপ ও ট্রাক। খবর বাসস

ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত হাট থাকলেও এখন আর ক্রেতা-বিক্রেতা কেউই ঝুঁকি নিতে চাচ্ছেন না। হাটে ঘুরেফিরে দর-দামে মিলে গেলেই নিয়ে নিচ্ছেন পছন্দের পশুটি।

রোববার রাত পোহালেই পরের দিন সোমবার পবিত্র ঈদুল আজহা। রাজধানীজুড়ে মানুষ ও কোরবানির পশুতে একাকার। উত্তরার দিয়াবাড়ি ১৬ ও ১৮ নম্বর সেক্টরের পাশের খালি জায়গায় বসেছে বড় দুটি পশুর হাট। এই পশুর হাটগুলোতে রয়েছে পর্যাপ্ত গরু, ছাগল ও ভেড়া। শুক্রবার পর্যন্ত পশুর দাম একটু কম থাকলেও আজ দাম কিছুটা চড়া। তবে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের মতে দাম এখনও সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।

শনিবার উত্তরার গরুর হাট সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, হাটভর্তি বিভিন্ন জাতের দেশীয় ছোট, মাঝারি ও বড় জাতের অসংখ্য গরু উঠেছে, হাটে ক্রেতাদের প্রচণ্ড ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। তবে পশুর হাটে আসা অধিকাংশ ক্রেতাই স্থানীয়ভাবে খামারে লালন-পালন করা দেশি গরুই পছন্দ করছেন। অনেক ক্রেতা মনে করছেন শেষ দিনে দাম কমে যাবে। তখন কোরবানির পশু তারা সস্তায় কিনবেন। তবে বেশির ভাগ ক্রেতাই আজকের মধ্যেই পশু কিনে নেবেন বলে জানিয়েছেন।

বিভিন্ন জায়গা থেকে গরু নিয়ে উত্তরার হাটে এসেছেন মোস্তফা মাতাব্বর, মো. রাসেল ও রফিক নামে তিন গরু ব্যবসায়ী। তারা জানান, এ বছর পশুর হাটে ভারতীয় গরু নেই বললেই চলে। হাটে যেসব ক্রেতা আসছেন তারা দেশীয় জাতের গরু এবং স্বাভাবিক খাবার দিয়ে খামারে লালন-পালন করা গরুই বেশি পছন্দ করছেন। উত্তরার হাটে গরুর সরবরাহ বেড়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ হাটে এলেও দর-দাম করেই তাদের পছন্দের গরু কিংবা ছাগল কিনে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন। সেই সঙ্গে বাজারে বড় গরুরও কমতি নেই। তবে ছোট ও মাঝারি জাতের গরুর চাহিদাই বেশি।

হাটে পাবনা থেকে গরু নিয়ে আসা সালাম বেপারী বলেন, পরিবহনে করে গরুর নিয়ে আসা, হাটে তোলা, খাওয়ানো ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলা- এই পুরো সময়টাজুড়ে তাদের হাড়ভাঙা পরিশ্রম করতে হয়। এ ছাড়া সব সময় গরুর দড়ি ধরে থাকা, গরুকে সামলানো এবং গরুর গোবর তোলাসহ নানান কারণে হাতও পরিচ্ছন্ন রাখা যাচ্ছে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শহিদুল ইসলাম শিশির হাটে এসেছেন গরু কিনতে। তিনি বলেন, ‘যতটুক ঘুরে দেখেছি, আমার কাছে মনে হয়েছে এবার গরুর দাম অন্যান্য বছরের তুলনায় একটু কমই আছে।’

গরুর পাশাপাশি হাটে প্রচুর ছাগল, ভেড়াও উঠেছে। ১০ থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে কোরবানির একটি ছাগল ক্রয় করা সম্ভব। বগুড়ার নবাব, লাট বাহাদুর, কালো মানিক ও লাল বাদশা নামে ৪টি বড় জাতের বিশাল গরু উত্তরার হাটে আনা হয়েছে। এগুলোর দাম চাওয়া হচ্ছে ১২-১৫ লাখ টাকা।

উত্তরার শ্রমিক নেতা রুবেল জানান, ‘গতকাল রাতে আমার বন্ধু উত্তরার গরুর হাট থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দিয়ে দুটি বেশ বড় আকৃতির গরু কিনেছেন। আমার কাছে মনে হলো হাটে হঠাৎ গরুর দাম কমে গেছে। এতে আমি বেশ খুশি এ কারণে যে, এ বছর অনেকেই তার সাধ্য অনুযায়ী পশু কোরবানি দিতে পারবেন।’

রাজধানীর গাবতলীর স্থায়ী পশুর হাটে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এখন শুধু ছোট সাইজের গরুগুলো বিক্রি হচ্ছে বেশি। এ ছাড়া বাজারে প্রচুর পরিমাণ ছাগলও উঠেছে। বেচাকেনাও বেশ জমে উঠেছে। ছোট খাসির দাম ১০-১৫ হাজার টাকা। মাঝারি খাসি ২০-২৫ হাজার এবং বড় জাতের খাসি ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

গাবতলী পশুর হাটে ভারতের রাজস্থান থেকে আনা উট তোলা হয়েছে। উট দেখতে ভিড় করছেন দর্শনার্থী ও ইউটিউবাররা। মো. মাহফুজুর রহমান অপু দুটি উট এক মাস আগেই কিনেছেন। এরপর সড়কপথে উট দুটি বাংলাদেশে আনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

উটের মালিক মো. মাহফুজুর রহমান অপু বলেন, ‘প্রতি উটে ১৪-১৫ মণ মাংস হবে। আমার পরিবার উটের ব্যবসার সঙ্গে ২০-৩০ বছর ধরে জড়িত। আমার বাবাও এই ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত। পরিচর্যা হিসেবে ঘাস, কুড়া ও ভুসি খাওয়ানো হচ্ছে উট দুটিকে। রাজস্থান থেকে দুটি উট নিয়ে আসা হয়েছে। আমাদের মূল উদ্দেশ্য কোরবানির সময় বিক্রি করা। আমরা দুটি উটের দাম চাচ্ছি ৬০ লাখ টাকা। তবে কিছু কমে হলেও বিক্রি করব।’

উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টর বৃন্দাবন পশুর হাটের ইজারাদার মো. কফিল উদ্দিন মেম্বার বলেন, ‘হাটে এবার দেশি গরুর প্রাধান্যই বেশি। হাটে গরুতে সয়লাব হয়ে গেছে। প্রচুর পরিমাণ গরু উঠেছে। তবে পশুর হাটে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। আশা করছি, আজ রোববার আবহাওয়া ভালো থাকলে বিকেল থেকে হাটে পশুর বেচাকেনা তুলনামূলকভাবে বাড়বে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে কোরবানির পশু আসা অব্যাহত রয়েছে। এই হাটে শতকরা ৫ টাকা হারে হাসিল নেওয়া হচ্ছে। হাটে নিরাপত্তার কোনো অভাব নেই।’

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় গাবতলীর স্থায়ী হাটসহ ৯টি হাট এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় সারুলিয়া স্থায়ী পশুর হাটসহ ১১টি হাট বসেছে। তবে এ বছর আদালতের নির্দেশনার কারণে আফতাবনগরে হাট বসেনি।

ঢাকা উত্তরে অস্থায়ী ৮টি হাটের মধ্যে রয়েছে- উত্তরা দিয়াবাড়ীর ১৬ ও ১৮ নম্বর সেক্টরের পাশের খালি জায়গা, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের পাশের খালি জায়গা, মস্তুল চেকপোস্ট এলাকা, মিরপুর ৬ নম্বর সেকশনের ইস্টার্ন হাউজিংয়ের খালি জায়গা, ভাটারার সুতিভোলা খালের কাছের খোলা জায়গা, মোহাম্মদপুরের বছিলায় ৪০ ফুট সড়কের পাশের খালি জায়গা, ভাটুলিয়া সাহেব আলী মাদ্রাসা থেকে রানাভোলা স্লুইচগেট পর্যন্ত খালি জায়গা ও দক্ষিণখানের জামুন এলাকার খালি জায়গা।

ঢাকা দক্ষিণে অস্থায়ী ১০টি হাটের মধ্যে রয়েছে- খিলগাঁও রেলগেট মৈত্রী সংঘ ক্লাবসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, হাজারীবাগের ইনস্টিটিউট অব লেদার টেকনোলজি কলেজসংলগ্ন উন্মুক্ত এলাকা, পোস্তগোলা শ্মশানঘাট সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, বনশ্রীর মেরাদিয়া বাজারসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, লিটল ফ্রেন্ডস ক্লাবসংলগ্ন খালি জায়গা, কমলাপুর স্টেডিয়ামসংলগ্ন বিশ্বরোডের আশপাশের খালি জায়গা, দনিয়া কলেজসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, ধোলাইখাল ট্রাক টার্মিনালসংলগ্ন উন্মুক্ত এলাকা, আমুলিয়া মডেল টাউনের আশপাশের খালি জায়গা, লালবাগে রহমতগঞ্জ ক্লাবসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা।

আরও পড়ুন:
ঈদযাত্রার প্রভাব নেই সদরঘাটে, গার্মেন্টস ছুটির অপেক্ষা
বাজার কাঁপাতে আসছে বিগবস, বাদশা, টাইগার, বুলেট ও রক
পশুর হাটে ‘ষাঁড়ের লাথিতে’ খামারি নিহত
পশুর হাটে বাড়ছে রঙিন মালা দড়ির চাহিদা
ঢাকার কোথায় কোথায় বসছে কোরবানির পশুর হাট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sadarghat is full of people walking back home

ঘরে ফেরা মানুষের পদচারণায় মুখর সদরঘাট

ঘরে ফেরা মানুষের পদচারণায় মুখর সদরঘাট শনিবার বিকেল নামার সঙ্গে সঙ্গেই সদরঘাটে বাড়ে যাত্রীদের উপস্থিতি। ছবি: নিউজবাংলা
শনিবার সারাদিন সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বিকেল নামার সঙ্গে সঙ্গেই টার্মিনালে বেড়েছে যাত্রীদের উপস্থিতি। সকালে স্বল্প দূরত্বের যাত্রীদের চাপ থাকলেও দুপুরের দিকে যাত্রীর উপস্থিতি কমে যায়। তবে বিকেল হতেই যাত্রীর ঢল নামে টার্মিনাল এলাকায়। লঞ্চগুলোতেও দেখায় যায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়।

ঈদুল আজহার সরকারি ছুটি শুরুর আগের দিন রাজধানীর প্রধান নদীবন্দর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে বেড়েছে যাত্রীর চাপ। এদিন সকাল থেকে বিকেল গড়িয়ে রাত পর্যন্ত দক্ষিণাঞ্চলগামী ঘরমুখো মানুষের পদচারণায় মুখর থাকতে দেখা গেছে সদরঘাট। ঈদের আনন্দ সঙ্গে নিয়ে যাত্রীবোঝাই লঞ্চগুলো ঘাট ছেড়েছে।

শনিবার সারাদিন সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বিকেল নামার সঙ্গে সঙ্গেই টার্মিনালে বেড়েছে যাত্রীদের উপস্থিতি। সকালে স্বল্প দূরত্বের যাত্রীদের চাপ থাকলেও দুপুরের দিকে যাত্রীর উপস্থিতি কমে যায়। তবে বিকেল হতেই যাত্রীর ঢল নামে টার্মিনাল এলাকায়। লঞ্চগুলোতেও দেখায় যায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়।

লঞ্চ-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রোববার থেকে সরকারি ছুটি শুরু হলেও এর আগে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় অনেকেই আগেভাগে বাড়ি ফিরছেন। শুক্রবার অনেকে টিকিট কিংবা কেবিন বুকিং করতে না পারায় শনিবার যাচ্ছেন। সেজন্য বিগত কয়েকদিনের তুলনায় আজ যাত্রীর চাপ আরও বেড়েছে।

নিয়মিত চলাচলকারী লঞ্চগুলোর কেবিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি আগেই শেষ হলেও বিভিন্ন রুটে লঞ্চের সংখ্যা বাড়ানোয় এখনও কেবিনের টিকিট সংগ্রহ করতে পারছেন যাত্রীরা। তবে কেবিনের তুলনায় ডেকের যাত্রীর চাপই বেশি বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঢাকা-বরিশাল রুটে চলাচলকারী এমভি প্রিন্স আওলাদের সুপারভাইজার ইহাদ তালুকদার বলেন, ‘আজকে যাত্রীর চাপ আগের দিনগুলোর তুলনায় অনেক বেড়েছে। কাল থেকে আরও বাড়বে। ঈদের আগের দিন অনেকেই বাড়ি যাবেন। লঞ্চের সংখ্যা বাড়ানোয় টিকিটেরও ঘাটতি নেই। যাত্রীরা কেবিনের তুলনায় ডেকের টিকিট বেশি নিচ্ছেন।’

ঢাকা-ভাণ্ডারিয়া রুটে চলাচলকারী এমভি ফারহান-৪ এর টিকিট বিক্রেতা সুমন শেখ বলেন, ‘আমাদের অগ্রিম টিকিট আগেই বিক্রি হয়ে গিয়েছিল। শুধু ডেকের টিকিট দিচ্ছি। ইতোমধ্যে লঞ্চ ভরে গেছে। যাত্রীর চাপ আরও বাড়বে বলে মনে হচ্ছে। সেজন্য এই রুটে লঞ্চের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।’

লঞ্চ মালিক সমিতির মহাসচিব শহিদুল হক ভুঁইয়া বলেন, ‘আজকে যাত্রী চাপ বিগত কয়েকদিনের তুলনায় বেড়েছে। সন্ধ্যা থেকে তা আরও বেড়েছে। এখনও গার্মেন্টস শ্রমিকরা কাজ শেষ করে অনেকেই আসতে পারেননি। আমাদের পর্যাপ্ত লঞ্চ প্রস্তুত আছে। যাত্রী বাড়লে লঞ্চ আরও বাড়ানো হবে। টিকিটের কোনো ঘাটতি নেই। রোববার যাত্রী চাপ সামলাতে আমাদের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

এদিকে টিকিটের ঘাটতি না থাকায় অনেকটা স্বস্তি নিয়েই ঘরে ফিরছেন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। অনেকেই অগ্রিম টিকিট বুকিং দিয়ে রাখায় পরে এলেও ঝামেলা পোহাতে হয়নি। লঞ্চের সংখ্যা বাড়ানোয় যাত্রীরা ঘাটে এসেও টিকিট সংগ্রহ করতে পারছেন। টার্মিনাল এলাকাতেও তেমন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছেনা যাত্রীদের।

উত্তরা থেকে আসা বরগুনাগামী যাত্রী রাসেল শিকদার বলেন, ‘সকালে রাস্তায় একটু জ্যাম ছিল। বিকেলে এসেই টিকিট কাটতে পেরেছি। পরিবার-পরিজন নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছি। আজ একটু বেশি ভিড় দেখা গেলেও ভোগান্তি পোহাতে হয়নি। নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারলেই ভালো লাগবে।’

রামপুরা থেকে আসা ভোলাগামী যাত্রী মাবুদা আক্তার বলেন, ‘ভেবেছিলাম ঘাটে এসে টিকিট পাব না, কিন্তু এসে টিকিট পেয়েছি। বাচ্চাদের সঙ্গে নিয়ে বাড়ি যাচ্ছি। এবার ভিড় থাকলেও ভোগান্তি নেই।’

এদিকে যাত্রীদের নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিওটিএ)। আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে লঞ্চ চলাচল করবে বলা জানানো হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত বয়া-জ্যাকেটের ব্যবস্থাও রয়েছে বলে জানিয়েছে বিআইডব্লিওটিএ কর্তৃপক্ষ।

বিআইডব্লিউটিএ সদরঘাটের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘যাত্রীর চাপ আগের থেকে বেড়েছে। লঞ্চের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। যাত্রী যতই হোক, কোনো সমস্যা হবে না; পর্যাপ্ত লঞ্চ ঘাটে প্রস্তুত রয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যাত্রীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিআইডব্লিওটিএ কাজ করছে। নদীপথেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে।’

নিরাপত্তার বিষয়ে সদরঘাট নৌ-থানার ওসি মো. আবুল কালাম বলেন, ‘যাত্রীদের নিরাপত্তায় আমরা কাজ করছি। বিশেষ ফোর্সের ব্যবস্থাও রয়েছে। এছাড়া পুলিশ, নৌ-পুলিশের পাশাপাশি লঞ্চ টার্মিনাল এলাকায় র‍্যাবের একটি টিম আলাদাভাবে কাজ করছে। আনসার সদস্যরাও কাজ করছে। যাত্রীরা যাতে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারে সেজন্য আমরা সার্বক্ষণিক কাজ করছি।’

মন্তব্য

p
উপরে