× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Demand to ensure access of journalists to Bangladesh Bank
google_news print-icon
সম্পাদক পরিষদ ও নোয়াবের বিবৃতি

বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের দাবি

বাংলাদেশ-ব্যাংকে-সাংবাদিকদের-প্রবেশাধিকার-নিশ্চিতের-দাবি
কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশে অলিখিত নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে নোয়াব ও সম্পাদক পরিষদ এক বিবৃতিতে বলেছে, এটা স্বাধীন সাংবাদিকতা, গণতন্ত্র এবং মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রবেশ করতে পারছেন না। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ব্যাংক ও আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অলিখিত নিষেধাজ্ঞার কারণে সাংবাদিকদের অস্থায়ী পাস ইস্যু বন্ধ রাখা হয়েছে। অর্থনীতিবিষয়ক প্রতিবেদন তৈরির সঙ্গে যুক্ত সাংবাদিকরা প্রতিবাদ জানিয়ে এলেও বিষয়টির সুরাহা হয়নি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশে অলিখিত এই নিষেধাজ্ঞাকে স্বাধীন সাংবাদিকতা, গণতন্ত্র এবং মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী বলে মনে করছে নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (নোয়াব) ও সম্পাদক পরিষদ।

সম্পাদক পরিষদের সভাপতি মাহফুজ আনাম ও নোয়াব সভাপতি এ কে আজাদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে মঙ্গলবার বলা হয়, এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক গণমাধ্যমে যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটি নোয়াব ও সম্পাদক পরিষদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

মুখপাত্র বলেছেন, ‘এখন থেকে সাংবাদিকরা বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দিষ্ট অনুমতিপত্র (প্রবেশ পাস) নিয়ে শুধু মুখপাত্রের কাছে যেতে পারবেন। কোনো কর্মকর্তা যদি সাংবাদিকদের পাস দেন, সেক্ষেত্রে শুধু সেই কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করা যাবে। তবে আগের মতো সাংবাদিকরা অবাধে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোনো বিভাগে প্রবেশ করতে পারবেন না।’

কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুখপাত্রের বক্তব্যে উল্লিখিত এ পদক্ষেপ সাংবাদিক প্রবেশে অঘোষিত নিষেধাজ্ঞারই বহিঃপ্রকাশ।

নোয়াব ও সম্পাদক পরিষদ মনে করে বাংলাদেশ ব্যাংকের এ সিদ্ধান্ত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণেরই নামান্তর। এ নিষেধাজ্ঞার ফলে ব্যাংক ও আর্থিক খাত তথা দেশের অর্থনীতির প্রকৃত অবস্থা জানার অধিকার থেকে জনগণ বঞ্চিত হবে। প্রকারান্তরে এটি এই খাত নিয়ে জনমনের অনাস্থাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। একইসঙ্গে তা ব্যাংক ও আর্থিক খাতের অনিয়ম-দুর্নীতিকে আরও উৎসাহিত করবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যেকোনো দেশের অর্থনীতি ও গণমানুষের আস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

দীর্ঘমেয়াদে টেকসই ব্যাংক খাত বিনির্মাণ এবং এ খাতের ওপর জনগণের আস্থাকে সুদৃঢ় করতে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। স্বাধীনতার পর গত ৫৩ বছর সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রবেশ ও তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে জনসাধারণের তথ্য চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দেশের ব্যাংক ও আর্থিক খাতে জবাবদিহিতা নিশ্চিতে ভূমিকা রেখে এসেছেন। এ অবস্থায় সাংবাদিকদের বাধাহীন প্রবেশ দ্রুততার সঙ্গে নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ ও নোয়াব।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার নিন্দা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
29 lakhs stolen from IFIC bank branch in Bogra

বগুড়ায় আইএফআইসি ব্যাংকের সিন্দুক কেটে ২৯ লাখ টাকা চুরি

বগুড়ায় আইএফআইসি ব্যাংকের সিন্দুক কেটে ২৯ লাখ টাকা চুরি আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসির লেগো। ছবি: ফেসবুক পেজ
সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শাহীনুজ্জামান বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে নিউজবাংলাকে জানান, বুধবার রাতের কোনো এক সময় মাটিডালি এলাকায় অবস্থিত ব্যাংকটির উপশাখার সিন্দুক কেটে ২৯ লাখ লাখ টাকা চুরি হয়। ঘটনাস্থলে কাজ করছে পুলিশ।  

বগুড়া সদর উপজেলায় বেসরকারি আইএফআইসি ব্যাংকের উপশাখার সিন্দুক কেটে ২৯ লাখ টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুশিশ।

সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শাহীনুজ্জামান বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে নিউজবাংলাকে জানান, বুধবার রাতের কোনো এক সময় মাটিডালি এলাকায় অবস্থিত ব্যাংকটির উপশাখার সিন্দুক কেটে ২৯ লাখ লাখ টাকা চুরি হয়। ঘটনাস্থলে কাজ করছে পুলিশ।

এ কর্মকর্তা আরও জানান, ব্যাংকটিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না, যার ফলে এ ধরনের চুরি সম্ভব হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপির তথ্য চাইল বাংলাদেশ ব্যাংক
সাংবাদিক প্রবেশের বিষয়টি স্পষ্ট করল বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংক মেরুদণ্ড সোজা রেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারছে না: সিপিডি
পঞ্চগড়ে যা বললেন ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম
এক ঘণ্টা পর নিভল ধোলাইখালের মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের আগুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
New schedule for bank transactions after Eid

ঈদের পর ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়সূচি

ঈদের পর ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়সূচি
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত ১৯ জুন থেকে ব্যাংকগুলোতে সকাল ১০টা থেকে লেনদেন শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। আর অফিস কার্যক্রম সকাল ১০টায় শুরু হয়ে চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। তবে আগের মতোই শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।

ব্যাংক লেনদেনের নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঈদুল আজহার ছুটির পর ১৯ জুন থেকে নতুন সময়সূচিতে ব্যাংকে লেনদেন ও অফিস কার্যক্রম চলবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অফ অফসাইট সুপারভিশন (ডিওএস) থেকে রোববার এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

ডিওএস পরিচালক মাসুমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সার্কুলারে বলা হয়েছে, সরকার ঘোষিত অফিস সময়সূচির অনুবর্তনে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত ১৯ জুন থেকে ব্যাংকগুলোতে সকাল ১০টা থেকে লেনদেন শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে।

আর অফিস কার্যক্রম সকাল ১০টায় শুরু হয়ে চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। তবে আগের মতোই শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।

বর্তমানে ব্যাংকগুলোতে লেনদেন হয় সকাল ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। ব্যাংকগুলোর অফিস চলে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

প্রসঙ্গত, ঈদুল আজহার ছুটির পর ১৯ জুন থেকে সরকারি অফিসও নতুন সময়সূচিতে চলবে। ওইদিন থেকে আগের মতো সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অফিস করবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

৩ জুন মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদনের পর ৬ জুন এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The defaulted loans increased to a record 1 lakh 82 thousand crores

খেলাপি ঋণ বেড়ে রেকর্ড ১ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা

খেলাপি ঋণ বেড়ে রেকর্ড ১ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক। ফাইল ছবি
গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকিংখাতে খেলাপি ঋণ ছিল ১ লাখ ৪৫ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা।

ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংক নানা সুবিধা দিলেও তা নিয়ন্ত্রণে আসছে না; বরং দিন দিন বেড়েই চলেছে। সবশেষ ২০২৪ সালের মার্চ প্রান্তিক শেষে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ১ লাখ ৮২ হাজার ২৯৫ কোটি টাকা দাঁড়িয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হালনাগাদ বিবরণী থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে মার্চ পর্যন্ত তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩৬ হাজার ৩৬৭ কোটি টাকা, যা আগের তিন মাসের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি।

গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকিংখাতে খেলাপি ঋণ ছিল ১ লাখ ৪৫ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা।

চলতি বছরের মার্চ শেষে মোট বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে ১ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা খেলাপি হয়েছে।

বর্তমানে বিতরণকৃত ঋণের ১১ দশমিক ১১ শতাংশই খেলাপি ঋণে পরিণত হয়েছে।

আরও পড়ুন:
আইএমএফ নির্বাহী বোর্ডে অনুমোদন হলেই ঋণের তৃতীয় কিস্তি ছাড়
ভুয়া এনআইডি তৈরি করে ৩০ কোটি টাকা ব্যাংক ঋণ
তৃতীয় কিস্তির ঋণ পেতে রিজার্ভ লক্ষ্যমাত্রা পূরণে জোর আইএমএফের
আইপিএলে বাজি হেরে কোটি টাকার ঋণ, স্ত্রীর আত্মহত্যা
বাংলাদেশকে ৭১ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Islami Bank customer rally held

ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত
বুধবার ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ কায়সার আলী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ফরেন এক্সচেঞ্জ কর্পোরেট শাখার উদ্যোগে বৈদেশিক মুদ্রা জমা ও কার্ড বিষয়ক গ্রাহক সমাবেশ শাখা প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ কায়সার আলী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শাখাপ্রধান মো. মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. রফিকুল ইসলাম, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মানজুরুল হক, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. রফিকুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান।

স্বাগত বক্তব্য দেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. ইবরাহিম ভূঁইয়া। এসময় ব্যাংকের নির্বাহী, কর্মকর্তা, গ্রাহক, শুভানুধ্যায়ী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রেস রিলিজ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In May remittances reached 225 million dollars

মে মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২২৫ কোটি ডলার

মে মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২২৫ কোটি ডলার
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক বলেন, ‘পরপর দুই মাস দেশে প্রবাসী আয় দুই বিলিয়ন ডলার ছাড়াল। এর মধ্যে মে মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবাসী আয় ৩২ দশমিক ৩৫ শতাংশ বেড়েছে।’

সদ্য বিদায়ী মে মাসে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ২ দশমিক ২৫ বিলিয়ন (২২৫ কোটি) ডলার। গত বছরের একই মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন (১৭০ কোটি) ডলার। সে হিসাবে বছরের ব্যবধানে দেশে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৫৫ কোটি ডলার বা ৩২ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পরপর দুই মাস দেশে প্রবাসী আয় দুই বিলিয়ন ডলার ছাড়াল। এর মধ্যে সবশেষ মাসে (মে) আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবাসী আয় ৩২ দশমিক ৩৫ শতাংশ বেড়েছে।’

ব্যাংক-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের দাম বৃদ্ধি ও ক্রলিং পেগ পদ্ধতি চালুকে কেন্দ্র করে বৈধপথে প্রবাসী আয় বেড়েছে। তাদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের দাম এক লাফে ৭ টাকা বাড়িয়েছে। এ ছাড়া ৮ মে ডলারের বিনিময় মূল্য নির্ধারণে ক্রলিং পেগ পদ্ধতি চালু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই পদ্ধতি চালু করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলারের বিপরীতে টাকার বড় ধরনের অবমূল্যায়ন করে।

মূলত ক্রলিং পেগ পদ্ধতির আওতায় ডলারের মধ্যবর্তী একটি দাম নির্ধারণ করে ব্যাংকগুলোকে এই দরের আশপাশে স্বাধীনভাবে লেনদেন করতে বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মধ্যবর্তী এই দর নির্ধারণ করা হয়েছে ১১৭ টাকা। তার আগে ব্যাংক খাতে প্রতি ডলারের বেঁধে দেওয়া দাম ছিল ১১০ টাকা। ক্রলিং পেগ পদ্ধতি চালুর পর এক লাফে প্রতি ডলারের দাম ৭ টাকা বেড়ে যায়। তাই বৈধপথে ডলারের ভালো দাম পাওয়ায় প্রবাসীরা ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী আয় পাঠানো বাড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মে মাসে বেশি প্রবাসী আয় এসেছে আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে। তাদের মতে, প্রতিবছরই মুসলিমদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসবকে (ঈদুল আজহা) সামনে রেখে অভিবাসী কর্মীরা দেশে বেশি অর্থ পাঠান।

এদিকে একক মাস হিসেবে চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ে রেকর্ড হয়েছে সদ্য সমাপ্ত মে মাসে। পাশাপাশি পরপর দুই মাস দুই বিলিয়ন ডলারের বেশি প্রবাসী আয় এসেছে। এর মধ্যে গত এপ্রিলে ২ দশমিক শূন্য ৪ বিলিয়ন ডলার এবং মে মাসে ২ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে। সে হিসাবে এপ্রিলের তুলনায় মে মাসে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২১ কোটি ডলার বা ১০ দশমিক ২৯ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মে পর্যন্ত দেশে প্রবাসী আয় এসেছে ২১ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলার বা ২ হাজার ১৩৭ কোটি ডলার। আগের বছরের একই সময়ে এ আয় এসেছিল ১৯ দশমিক ২৭ বিলিয়ন ডলার বা ১ হাজার ৯২৭ কোটি ডলার। অর্থাৎ আগের অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে দেশে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার বা ১০ দশমিক ৯০ শতাংশ।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্যমতে, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মী গেছেন ২ লাখ ২৬ হাজার ৮৩৭ জন। আর ২০২৩ সালে বাংলাদেশ থেকে প্রবাসে রেকর্ড ১৩ লাখ ৫ হাজার ৪৫৩ জন কর্মী বিভিন্ন দেশে কাজের জন্য গেছেন। কিন্তু সেই অনুপাতে দেশের প্রবাসী আয় বাড়েনি। বর্তমানে সব মিলিয়ে দেশের বিদেশে অবস্থানকারী প্রবাসীর সংখ্যা ১ কোটি ৬৩ লাখ ২ হাজার ৩৬০ জন।

আরও পড়ুন:
চার মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ৮৩১ কোটি ডলার 
এপ্রিলের ১৯ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১২৮ কোটি ডলার
চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্সের সিংহভাগ এসেছে ঢাকা জেলায়
ঈদের আগের সপ্তাহে এসেছে সাড়ে ৪৫ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স
ঈদ সামনে রেখেও রেমিট্যান্স প্রবাহে নিম্নগতি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chance to win freezer by sending remittance to Islami Bank

ইসলামী ব্যাংকে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে ফ্রিজার জেতার সুযোগ

ইসলামী ব্যাংকে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে ফ্রিজার জেতার সুযোগ
ক্যাম্পেইন চলাকালীন ডিজিটাল ড্র-এর মাধ্যমে প্রতি ব্যাংকিং ডে-তে ২টি করে ফ্রিজার জিতে নেয়ার সুযোগ রয়েছে। এ অফার চলবে ১ জুন থেকে ৩০ জুন ২০২৪ পর্যন্ত ।

হ্যালো পয়সার মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ক্যাশ রেমিট্যান্স গ্রাহকরা আফ্রিকা ও ইউএই থেকে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে ফ্রিজার জিতে নিতে পারবেন।

ক্যাম্পেইন চলাকালীন ডিজিটাল ড্র-এর মাধ্যমে প্রতি ব্যাংকিং ডে-তে ২টি করে ফ্রিজার জিতে নেয়ার সুযোগ রয়েছে। এ অফার চলবে ১ জুন থেকে ৩০ জুন ২০২৪ পর্যন্ত ।

২ জুন ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে প্রধান অতিথি হিসেবে ইসলামী ব্যাংক-হ্যালো পয়সা রেমিট্যান্স উৎসবের উদ্বোধন করেন ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ কায়সার আলী। গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য দেন হ্যালো পয়সার ম্যানেজিং ডাইরেক্টর সেইজিল ম্যাগান। ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মিফতাহ উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর জে.কিউ.এম. হাবিবুল্লাহ, এফসিএস, মোঃ আলতাফ হুসাইন এবং হ্যালো পয়সার বাংলাদেশ কান্ট্রি হেড ফজলুল ফায়েজ উল্লাহ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ শাব্বির, কাজী মো. রেজাউল করিম ও ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ক্যামেলকো তাহের আহমেদ চৌধুরী এবং আইবিটিআরএ-এর প্রিন্সিপাল মো. নজরুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিসেস উইংপ্রধান মোহাম্মদ ইহসানুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী, সকল জোনপ্রধান, শাখাপ্রধান এবং উপশাখা ইনচার্জগণ, বিভিন্ন শাখা ও উপশাখার রেমিট্যান্স সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ ভার্চুয়াল প্লাটফর্মের মাধ্যমে সংযুক্ত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Ban on entry of journalists to Bangladesh Bank for the benefit of the financial elite CPD

আর্থিক অভিজাতদের স্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা: সিপিডি

আর্থিক অভিজাতদের স্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা: সিপিডি রাজধানীতে বৃহস্পতিবার ‘বাংলাদেশে ব্যাংকিং সেক্টরের জন্য সামনে কী আছে?’ শীর্ষক সংলাপের আয়োজন করে সিপিডি। ছবি: সংগৃহীত
নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘দেশের ব্যাংকিং খাতে ভঙ্গুরতা দেখা দিয়েছে। সুশাসন ও জবাবদিহিতার ক্ষতি হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের ইচ্ছায় নয়, বরং বাইরের চাপে স্বাধীনভাবে কাজ করছে না। এই অবস্থার পরিবর্তন হওয়া উচিত।’

বেসরকারি থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেছেন, বাংলাদেশের আর্থিক খাত সুশাসন ও জবাবদিহিতার সংকটে ভুগছে। আর আর্থিক অভিজাতদের সুবিধার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সাংবাদিকদের প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীতে ‘বাংলাদেশে ব্যাংকিং সেক্টরের জন্য সামনে কী আছে?’ শীর্ষক এক সংলাপে মূল বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সূত্র: ইউএনবি

ফাহমিদা বলেন, ‘দেশের আর্থিক খাত ব্যাংকের ওপর নির্ভর করে। দেশের উন্নয়নে এই খাতের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেই ব্যাংকিং খাতে ভঙ্গুরতা দেখা দিয়েছে। সুশাসন ও জবাবদিহিতার ক্ষতি হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ঋণ অনুমোদন, পুনঃতফসিলীকরণ, রিট-অফ, ফোরক্লোজার সবকিছুই ব্যাংকে করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের ইচ্ছায় নয়, বরং বাইরের চাপে স্বাধীনভাবে কাজ করছে না। এই অবস্থার পরিবর্তন হওয়া উচিত।’

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘যখন ভুল তথ্য প্রকাশ করা হয়, তখন তার ওপর নির্ভর করে নীতিগত পদক্ষেপ নেয়াটা ভুল হবে। আর্থিক খাতের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে সঠিক সময়ে তথ্য সরবরাহ করতে হবে।

‘কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাংবাদিকদের জন্য তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহকে কঠিন করে গণমাধ্যমের প্রবেশকে সীমাবদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ব্যাংকিং খাতের সুশাসন পুনরুদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়ে, যখন নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা (কেন্দ্রীয় ব্যাংক) স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারে।

‘তারা (কেন্দ্রীয় ব্যাংক) নিজেরাই অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি বিভাগের অধীনস্ত এবং তারা স্বাধীন নয়। এ অবস্থায় ব্যাংকিং খাতে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে স্বাধীন ব্যাংকিং কমিশন গঠনের বিকল্প নেই। আর সেই কমিশনের স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতা থাকা উচিত এবং ব্যাংকগুলোর সার্বিক অবস্থা তুলে ধরা উচিত।’

সংলাপে উপস্থাপিত একটি গবেষণাপত্রে সিপিডি তুলে ধরেছে যে, দেশে খেলাপি ঋণের (এনপিএল) মোট পরিমাণ গত দশ বছরে তিন গুণেরও বেশি হয়েছে। ২০১১-১২ অর্থবছরের চতুর্থ ত্রৈমাসিকে খেলাপি ঋণ ছিল ৪২ হাজার ৭২৫ কোটি টাকা। ২০২৪ অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে তা এক লাখ ৪৫ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের অবস্থা একই।

তবে বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলো ব্যাংক ব্যবস্থাপনায় ভালো কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

ইসলামী ব্যাংকে ধীরে ধীরে তারল্য সংকট দেখা দিচ্ছে। ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত শরিয়াভিত্তিক ব্যাংকগুলোতে তারল্য ছিল ৩৯ শতাংশ। তবে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে পরিচালনার নেতৃত্ব পরিবর্তনের পর ব্যাংকটির ২০১৭ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তারল্য ২৫ শতাংশে নেমে আসে।

সিপিডির বিশিষ্ট ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ব্যাংকিং খাতকে এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ করতে হলে সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা অতীতে দেখেছি যে ব্যাংকিং খাতের লাভের বেসরকারিকরণ এবং লোকসান জাতীয়করণ হয়েছে।’

অনুষ্ঠানে সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, পিআরআই’র নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর, ব্যাংকার্স এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল আমিন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন:
সাংবাদিক প্রবেশের বিষয়টি স্পষ্ট করল বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংক মেরুদণ্ড সোজা রেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারছে না: সিপিডি
পঞ্চগড়ে যা বললেন ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম
সাংবাদিক প্রবেশে কড়াকড়ি ইস্যুতে যা জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের দাবি

মন্তব্য

p
উপরে