× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Bloody corpse of a female garment worker in a deserted bamboo plantation
google_news print-icon

নির্জন বাঁশবাগানে নারী পোশাকশ্রমিকের রক্তাক্ত মরদেহ

নির্জন-বাঁশবাগানে-নারী-পোশাকশ্রমিকের-রক্তাক্ত-মরদেহ
প্রতীকী ছবি
প্রাণ হারানো আনজু খাতুন আশুলিয়ার নরসিংহপুরের হা-মীম গ্রুপের একটি তৈরি পোশাক কারখানার অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন। তার বাড়ি গাইবান্ধা সদর থানার ঘাগুয়া ইউনিয়নে।

রাজধানীর উপকণ্ঠ সাভারের আশুলিয়ায় একটি নির্জন বাঁশবাগানের ভেতর থেকে এক নারী পোশাকশ্রমিকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আশুলিয়ার কাঠগড়া নয়াপাড়া এলাকার বাঁশবাগান থেকে শুক্রবার সকালে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

প্রাণ হারানো আনজু খাতুন আশুলিয়ার নরসিংহপুরের হা-মীম গ্রুপের একটি তৈরি পোশাক কারখানার অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন। তার বাড়ি গাইবান্ধা সদর থানার ঘাগুয়া ইউনিয়নে।

পুলিশের ভাষ্য, বাঁশবাগানের ভেতর নারী পোশাকশ্রমিকের মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। এর পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ আরও জানায়, ওই নারীর গলায় ঝোলানো পরিচয়পত্রে দেখা যায়, তিনি হা-মীম গ্রুপের একটি পোশাক কারখানার অপারেটর।

হা-মীম গ্রুপের টিআইএসডব্লিএল-১ কারখানার মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘আনজু খাতুন নামে এক নারী শ্রমিক গতকাল রাত ৯টা ১৫ মিনিটের পরে কারখানা থেকে বাসায় যায়, কিন্তু আজ সকালে তিনি আর কারখানায় আসেননি।

‘পরে লাইনের সুপারভাইজার আনজুকে কল দিলেও সে রিসিভ করেনি।’

আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ভজন চন্দ্র বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে কেউ তাকে (পোশাকশ্রমিক) হত্যা করে ফেলে রেখে যেতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।’

আরও পড়ুন:
গোলাপশাহ মাজারের সামনে থেকে মরদেহ উদ্ধার
নারায়ণগঞ্জে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ গাড়ি ভাংচুর, আহত ৩০
মুহুরী নদীতে মিলল নিখোঁজ নৌ সৈনিকের মরদেহ
ছেলের বিরুদ্ধে মাকে খুন করার অভিযোগ
রূপপুরে পড়ে গিয়ে আহত শ্রমিকের মৃত্যু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Bank accounts of Pion Jahangis wife children and organization have been seized

‘পিয়ন’ জাহাঙ্গীর, স্ত্রী-সন্তান ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ

‘পিয়ন’ জাহাঙ্গীর, স্ত্রী-সন্তান ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ জাহাঙ্গীর আলম। ছবি: সংগৃহীত
সত্রে জানায়, বিএফআইইউ সব ব্যাংকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়েছে। সে সঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম ও তার স্ত্রী-সন্তানদের ব্যাংক একাউন্ট খোলার ফরমসহ যাবতীয় তথ্য আগামী পাঁচদিনের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে। এর আগে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জাহাঙ্গীর আলম সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক করে বলা হয়েছিল- প্রধানমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে জাহাঙ্গীর আলমের কোনো সম্পর্ক নেই।

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার নাহার খিল গ্রামের মৃত রহমত উল্যাহর ছেলে মো. জাহাঙ্গীর আলম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সহকারী পরিচয়ে গত এক দশক ধরে নোয়াখালী জেলাসহ নানা জায়গায় দাপিয়ে বেড়িয়েছেন তিনি। ব্যক্তিগত সফরে গাড়িবহর ও প্রশাসনিক প্রটোকল নিয়ে চলাচল করতেন রাজকীয় স্টাইলে।

‘করিৎকর্মা’ জাহাঙ্গীর এবার ভিন্নভাবে আলোচনায় এসেছেন। রোববার জাহাঙ্গীর ছাড়াও তার স্ত্রী কামরুন নাহার ও তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সব ব্যাংকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়েছে। সে সঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম ও তার স্ত্রী-সন্তানদের ব্যাংক একাউন্ট খোলার ফরমসহ যাবতীয় তথ্য আগামী পাঁচদিনের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানে উল্লিখিত ব্যক্তিবর্গ ও তাদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো হিসাব থাকলে সেসব হিসাবের লেনদেন মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২–এর ২৩ (১) (গ) ধারার আওতায় ৩০ দিনের জন্য স্থগিত রাখার নির্দেশনা দেয়া হলো।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এর আগে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর জাহাঙ্গীর আলম সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের সেই সতর্ক বার্তায় বলা হয়েছিল, ‘প্রধানমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে জাহাঙ্গীর আলমের কোনো সম্পর্ক নেই। তার ব্যাপারে প্রয়োজনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তা নিতেও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে।’

তথ্য বলছে, নব্বই দশকের দিকে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাড়ি সুধা সদনে আসা দলীয় নেতা-কর্মীদের পানি খাওয়ানোর কাজ করতেন জাহাঙ্গীর। আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে শেখ হাসিনার খাদ্য বহনকারী হিসেবে ‘টিফিন ক্যারিয়ার’ তিনি নিজ হাতে রাখতেন। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে গ্রেনেড হামলার সময় দুঃসাহসিক ভূমিকা রাখায় তিনি আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মাঝে পরিচিতি লাভ করেন।

আওয়ামী লীগ নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসার পর গণভবনে যাতায়াতের সুযোগ পান জাহাঙ্গীর। ঢাকার ইপিজেডে ২০০৯ সালে ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি। দলীয় নেতা-কর্মীরা ঝুট ব্যবসায় হাত দিলে জাহাঙ্গীর প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী পরিচয়ে ফোন করে সরাসরি তাদের প্রতি নিষেধাজ্ঞা জারি করতেন। এই ব্যবসার মাধ্যমে বিপুল অর্থ আয় করেন তিনি। এরপর আর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। আওয়ামী লীগের দলীয় এমপি এবং মন্ত্রীদের কাছে নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী পরিচয় দিয়ে তদবির করতেন।

গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ এলাকা নোয়াখালী-১ থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়ে পাননি জাহাঙ্গীর। পরে নোয়াখালী-১ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য এইচএম ইব্রাহীমের বিপক্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রচার চালান তিনি। শেষে নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।

প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি নিজের বাসার সাবেক এক কর্মীর অর্থসম্পদের বিষয়টি সামনে আনেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার বাসায় কাজ করেছে, পিয়ন ছিল সে। এখন ৪০০ কোটি টাকার মালিক। হেলিকপ্টার ছাড়া চলে না। বাস্তব কথা। কী করে বানাল এত টাকা? জানতে পেরেছি, পরে ব্যবস্থা নিয়েছি।’

জানা যায়, জাহাঙ্গীর আলম প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে টানা দুই মেয়াদের পাশাপাশি গত মেয়াদেও কিছুদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীকালে বিভিন্ন অভিযোগ ওঠায় তাকে ওই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু তারপরও প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী পরিচয় দিয়ে তিনি বিভিন্ন অনৈতিক কাজ করে গেছেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There is no obstacle to the release of Milton Samadda who got bail

জামিন পেলেন মিল্টন সমাদ্দার, কারামুক্তিতে বাধা নেই

জামিন পেলেন মিল্টন সমাদ্দার, কারামুক্তিতে বাধা নেই মিল্টন সমাদ্দারকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। ফাইল ছবি
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মানবপাচার মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এজ কেয়ার আশ্রমের চেয়ারম্যান মিল্টন সমাদ্দার। আরেকটি মামলায় সিএমএম আদালত থেকে জামিন পান তিনি। এ নিয়ে সব মামলায় জামিন পেলেন তিনি।

রাজধানীর মিরপুর থানায় দায়ের করা মানবপাচার আইনের মামলায় চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এজ কেয়ার আশ্রমের চেয়ারম্যান মিল্টন সমাদ্দারের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছে আদালত।

সোমবার বিকালে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় আসামির জামিনের আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মানবপাচার মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান মিল্টন সমাদ্দার। আরেকটি মামলায় সিএমএম আদালত থেকে জামিন পান তিনি। সব মামলায় জামিন পাওয়ায় এখন তার কারামুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই।

গত ১ মে রাতে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিল্টন সমাদ্দারকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এরপর তার বিরুদ্ধে মিরপুর মডেল থানায় তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মৃত্যু সনদ তৈরির মামলায় ২ মে মিল্টন সমাদ্দারকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত। ৫ মে মানবপাচার আইনের মামলায় আদালত তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। ৯ মে রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, একটি জাতীয় দৈনিকে ২৫ এপ্রিল প্রকাশিত প্রতিবেদনে মিল্টন সমাদ্দারের বিরুদ্ধে প্রতারণার নানা অভিযোগ উঠে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়, মিল্টন সমাদ্দারের মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ১৬টির বেশি নম্বর এবং তিনটি ব্যাংক হিসাবে প্রতি মাসে প্রায় কোটি টাকা জমা হয়। এর বাইরে অনেকেই তার প্রতিষ্ঠানে সরাসরি অনুদান দিয়ে আসেন। এই অর্থের অপব্যবহার করছেন চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এজ কেয়ার আশ্রমের চেয়ারম্যান।

মানবিক কাজের জন্য এ পর্যন্ত তিনটি রাষ্ট্রীয় পুরস্কারও পেয়েছেন মিল্টন সমাদ্দার।

আরও পড়ুন:
মানুষের হাত-পা কেটে মিল্টন পৈশাচিক আনন্দ পেতেন: ডিবি
মিল্টন সমাদ্দার এবার মানবপাচার মামলায় রিমান্ডে
মিল্টন সমাদ্দারের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ, তদন্ত হবে: ডিবি প্রধান
মিল্টন সমাদ্দারকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
SI dies after jumping into river to catch accused

আসামি ধরতে নদীতে ঝাঁপ, এসআইর মৃত্যু

আসামি ধরতে নদীতে ঝাঁপ, এসআইর মৃত্যু তাড়াশ থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রেজাউল ইসলাম শাহ। ছবি: সংগৃহীত
পুলিশ সূত্র জানায়, রায়গঞ্জে হত্যা ও ডাকাতি মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার এড়াতে সরস্বতী নদীতে ঝাঁপ দেয়। তাকে ধরতে এ সময় থানার এসআই রেজাউল ইসলামও নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। কিন্তু আসামি সাঁতরে নদীর ওপারে উঠে গেলেও এসআই রেজাউল মাঝনদীতে তলিয়ে যান।

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে একটি হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে ধরতে গিয়ে সরস্বতী নদীতে ঝাঁপ দিয়ে রেজাউল ইসলাম শাহ নামে পুলিশের একজন উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি নওগাঁর সাপাহারের তোজাম্মেল হক শাহর ছেলে।

সোমবার সকাল ১০টার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রায়গঞ্জের এরানদহ গ্রামের আলোচিত চাচার লাঠির আঘাতে ভাতিজা খুন ও ডাকাতি মামলার প্রধান আসামি নাজমুল হাসানকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালায় থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার এড়াতে আসামি সরস্বতী নদীতে ঝাঁপ দেয়। এ সময় থানার এসআই রেজাউল ইসলামও তাকে ধরতে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়েন।

কিন্তু আসামি সাঁতরে নদীর ওপারে উঠে গেলেও এসআই রেজাউল মাঝনদীতে তলিয়ে যান। পরে উল্লাপাড়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ শহীদ এম এ মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মণ্ডল বলেন, সকালে ডাকাতি ও হত্যা মামলার আসামি ধরতে গিয়ে নদীতে অভিযান চালানোর সময় পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন এসআই রেজাউল। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এক ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক গোলাম আম্বিয়া বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
পুলিশের ৪০ ঊর্ধ্বতন পদে রদবদল
পুলিশকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশে সতর্কতার অনুরোধ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের
ভারতে চামড়া পাচার রোধে সীমান্তে সতর্ক বিজিবি-পুলিশ
সালিশে মারধর ও জরিমানা করায় মাতব্বরকে হত্যা: পুলিশ
কান্না থামছে না পুলিশ সদস্য মনিরুলের ছেলের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Coast Guard prevented the entry of 66 border guards of Myanmar

মিয়ানমারের ৬৬ সীমান্তরক্ষীর অনুপ্রবেশ ঠেকাল কোস্ট গার্ড

মিয়ানমারের ৬৬ সীমান্তরক্ষীর অনুপ্রবেশ ঠেকাল কোস্ট গার্ড দুটি ট্রলারে করে বিজিপি সদস্যরা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে চেয়েছিল বলে জানায় কোস্ট গার্ড। ছবি: কোস্ট গার্ড
টেকনাফ পৌরসভার প্যানেল মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, ‘নাফ নদীতে দুটি ট্রলারে করে মিয়ানমারের বিজিপির বেশ কিছু সদস্য অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেন, তবে কোস্ট গার্ড তাদের অনুপ্রবেশ রোধ করে।’

মিয়ানমারের রাখাইনে বিদ্রোহীদের সঙ্গে সামরিক জান্তার বাহিনীর সংঘর্ষের মধ্যে রোববার দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ৬৬ সদস্যের অনুপ্রবেশ রোধ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কোস্ট গার্ডের চট্টগ্রাম মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সোয়াইব বিকাশ জানান, গতকাল বিকেলে নাফ নদে দুটি ট্রলারে করে কক্সবাজারের টেকনাফে অনুপ্রবেশ করতে চেয়েছিলেন বিজিপি সদস্যরা। কোস্ট গার্ড তাদের অনুপ্রবেশ রোধ করে।

তিনি বলেন, ‘দুইটি ট্রলারে করে নাফ নদীতে ভাসমান অবস্থায় দেখলে কোস্ট গার্ড তাদের অনুপ্রবেশ রোধ করে। দুটি নৌকায় ৬৬ জন বিজিপি সদস্য ছিল।

‘তারা মূলত বাংলাদেশে প্রবেশ করার চেষ্টা চালিয়েছেন। কোস্ট গার্ড সবসময় অনুপ্রবেশ রোধ করতে কাজ করে যাচ্ছে।’

টেকনাফ পৌরসভার প্যানেল মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, ‘নাফ নদীতে দুটি ট্রলারে করে মিয়ানমারের বিজিপির বেশ কিছু সদস্য অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেন, তবে কোস্ট গার্ড তাদের অনুপ্রবেশ রোধ করে।’

এ বিষয়ে টেকনাফ-২ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘আজকেও (রোববার) সীমান্তের ওপারে বিভিন্ন জায়গায় গোলাগুলির শব্দ পাওয়া গেছে, তবে নতুন করে যাতে কেউ সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য আমরা সর্বোচ্চ সর্তক অবস্থানে রয়েছি।’

আরও পড়ুন:
টেকনাফে মামলায় হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে কুপিয়ে হত্যা
সেন্টমার্টিন থেকে এসেছে যাত্রী, টেকনাফ থেকে পণ্যবাহী ট্রলার যায়নি
মিয়ানমার থেকে আসা গুলির শব্দে টেকনাফে নির্ঘুম রাত
সেন্টমার্টিন রুটে স্পিডবোট লক্ষ্য করে মিয়ানমার থেকে গুলি
কক্সবাজার ‘মহাপরিকল্পনা’ প্রণয়নে জনপ্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two Bangladeshis were killed by Indian Khasias on Sylhet border

সিলেট সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত

সিলেট সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত
প্রতীকী ছবি
বিজিবির কালাইরাগ বিওপির এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘দুজন বাংলাদেশি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের লাশ এখনও বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়নি। আমরা এ বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি।’

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে রোববার ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে বাংলাদেশি দুই নাগরিক নিহত ও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

নাজিরেরগাঁও কাওয়ারটুক ১২৫৩ পিলারের ওপারে গতকাল বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

কালাইরাগ সীমান্ত চৌকি (বিওপি) ও বিজিবির মিডিয়া উইং বিষয়টি নিশ্চিত করে।

গুলিতে প্রাণ হারানো দুজন হলেন কালাইরাগ কারবালারটুক গ্রামের আলী হুসেন ও কাউছার আহমদ। এ ঘটনায় একই গ্রামের নবী হুসেন গুরুতর আহত হন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলী হুসেন, কাউছার ও নবী হুসেন সীমান্তের ওপার থেকে মালামাল নিয়ে আসার জন্য রোববার কোনো এক সময় ভারতে প্রবেশ করেন। বিকেল তিনটায় খবর পাওয়া যায় ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন আলী হুসেন ও কাউছার আহমদ। এর কিছু পর গুরুতর আহত হয়ে ফিরে আসেন নবী হুসেন। তাকে পরিবারের লোকজন চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।

উপজেলার উত্তর রণিখাই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ২ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ফখরুল মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘নিহত দুজনের লাশ নাজিরেরগাঁও কারবালারটুক সীমান্ত এলাকায় পড়ে থাকতে দেখেছি। এ ঘটনা নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফ পতাকা বৈঠক করে লাশগুলো বিজিবির আওতায় রেখেছেন।

‘নিহতদের বাড়িতেও আমি গিয়েছি। তারা সবাই শোকাহত হয়ে কান্নাকাটি করছে।’

উত্তর রণিখাই ইউপি চেয়ারম্যান ফয়জুর রহমান বলেন, ‘ভারতীয় খাসিয়ার গুলিতে আলী হোসেন ও কাওসার নামে দুজন মারা গেছেন। আরও কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পেয়েছি এবং তাদের পরিবারের লোকজনের সাথে কথা বলে নিহতের ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।’

কোম্পানীগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার আসাদুল ইসলাম বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় দুজন নিহত হওয়ার খবর পেয়ে আমাদের থানার অফিসার ইনচার্জ স্যার বিজিবির সাথে কথা বলেছেন, কিন্তু তারা ঘটনা শুনেছেন বলে জানালেও নিহতের খবর নিশ্চিত করেননি।’

এ বিষয়ে জানতে ৪৮ বিজিবির কালাইরাগ ক্যাম্পের কমান্ডারের মোবাইল নম্বরে কল দিলে তিনি গতকাল রাতে বলেন, ‘আমরাও স্থানীয়দের কাছ থেকে সীমান্তে দুজন নিহত হয়েছে বলে শুনেছি। ঘটনাস্থলে বিজিবি সদস্যরা যাচ্ছে। তারপর একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।’

বিজিবির কালাইরাগ বিওপির এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘দুজন বাংলাদেশি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের লাশ এখনও বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়নি। আমরা এ বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি।’

আরও পড়ুন:
পিরোজপুরে মাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ছেলে গ্রেপ্তার
মেয়ে হত্যায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বাবা গ্রেপ্তার
চিনি চোরাচালানের ‘নিরাপদ রুট’ সিলেট
দুই সন্তানকে হত্যা করে পাশেই বসে ছিলেন মা
ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধে রাজমিস্ত্রিকে কুপিয়ে হত্যা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Order to dismiss Sonali Lifes five executives stayed in High Court

সোনালী লাইফের পাঁচ নির্বাহীকে বরখাস্তের নির্দেশ হাইকোর্টে স্থগিত

সোনালী লাইফের পাঁচ নির্বাহীকে বরখাস্তের নির্দেশ হাইকোর্টে স্থগিত
অনিয়ম, দুর্নীতি ও পারিবারিক দ্বন্দ্বের অভিযোগ এনে চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে প্রশাসক নিয়োগ করে বীমা নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ। ভেঙে দেয়া হয় পরিচালনা পর্ষদ। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ৭ জুলাই নতুন প্রশাসক কোম্পানির শীর্ষ পাঁচ কর্মকর্তাকে বরখাস্তের নির্দেশনা দেন। ওই নির্দেশনা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ওই পাঁচ কর্মকর্তা।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের কোম্পানি সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পাঁচ শীর্ষ নির্বাহীকে বরখাস্তের নির্দেশনা স্থগিত করেছে উচ্চ আদালত। একইসঙ্গে কোম্পানির বর্তমান প্রশাসক, আইডিআরএ চেয়ারম্যান ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবের কাছে তাদের বরখাস্তের আদেশ বাতিল কেন স্থায়ীভাবে হবে না তার কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে।

বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের ডিভিশন বেঞ্চ রোববার এ আদেশ দেয়।

এর আগে চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল অনিয়ম, দুর্নীতি ও পারিবারিক দ্বন্দ্বের অভিযোগ এনে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে প্রশাসক নিয়োগ করে বীমা নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ। একইসঙ্গে ভেঙে দেয়া হয় তখনকার পরিচালনা পর্ষদ। প্রশাসক হিসেবে সে সময় নিয়োগ পান অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম ফেরদৌস।

তবে তারপরও সোনালী লাইফে সমস্যার সমাধান হয়নি। নতুন প্রশাসকের বিরুদ্ধে একের পর অভিযোগ আনেন সোনালী ইন্স্যুরেন্সের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা।

এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ৭ জুলাই নতুন প্রশাসক কোম্পানির শীর্ষ পাঁচ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করার নির্দেশনা দেন। সেই তালিকায় ছিলেন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম, উপ-সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্লাহিল কাফী, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মোস্তফা, সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মো. আজিম ও সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মঞ্জুর মোর্শেদ।

তবে তাদের বরখাস্তের প্রক্রিয়াটি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন সোনালী লাইফের এই পাঁচ শীর্ষ কর্মকর্তা। রোববার ওই নির্দেশনা স্থগিত করে আদেশ দেয় উচ্চ আদালত।

এদিকে সোনালী লাইফে টানা পঞ্চম দিনের মতো চলছে আন্দোলন ও কর্মবিরতি। বরখাস্তকৃত কর্মকর্তাদের পুনরায় নিয়োগসহ আটটি দাবি নিয়ে কঠোর আন্দোলন চলছে রাজধানীর মালিবাগে কোম্পানিটির প্রধান অফিসে।

আন্দোলনকারীরা বলছেন, অনিয়ম বন্ধের কথা বলে প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হলেও তিনি নিজেই নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন।

সোনালী লাইফের সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমদাদুল হক সাহিল অভিযোগ করেন, নতুন করে আরও বহিষ্কারের তালিকা তৈরি করেছেন প্রশাসক। তিনি জানান, শীর্ষ ওই পাঁচ কর্মকর্তার পর আরও ১৩ জনকে ছাঁটাই করেছেন প্রশাসক।

এসব অভিযোগের বিষয়ে কোম্পানির প্রশাসক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম ফেরদৌসের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা সত্য নয়।’

এদিকে এমন কর্মবিরতি আর নানা সংবাদ দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন সোনালী ইন্স্যুরেন্সের অনেক গ্রাহক। অনেকেই প্রধান শাখায় এসে কর্মীদের কাছে জানতে চাচ্ছেন তাদের ইন্স্যুরেন্স পলিসির পরিস্থিতি নিয়ে।

উপরন্তু নতুন করে যারা ইন্স্যুরেন্স করতে আসছেন তারা সেবা পাচ্ছেন না বলেও জানান আন্দোলনকারী কর্মীরা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The full copy of the High Courts judgment re instating the quota is published

কোটা পুনর্বহাল করে‌ হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি প্রকাশ

কোটা পুনর্বহাল করে‌ হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি প্রকাশ সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ। ফাইল ছবি
সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া এই রায়ের ওপর ১০ জুলাই এক মাসের স্থিতাবস্থা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

সরকারি চাকরিতে (প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণী) মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে।

রায়ে বলা হয়েছে, সরকার প্রয়োজনে অথবা চাইলে কোটা সংস্কার করতে পারবে। রায়ের ২৭ পৃষ্ঠার অনুলিপি রোববার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

অবশ্য এর আগেই রাষ্ট্র ও সাধারণত শিক্ষার্থীদের পক্ষে করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ওই প্রজ্ঞাপনের ওপর এক মাসের স্থিতাবস্থা (স্ট্যাটাসকো) জারি করে আদেশ দিয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) কোটা পুনর্বহাল করে দেয়া হাইকোর্টের আলোচিত রায়ের মূল অংশ প্রকাশ করা হয় বলে মিডিয়াকে নিশ্চিত করেন ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ (এসকে) সাইফুজ্জামান জামান। এরপর রোববার রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি প্রকাশ করা হলো।

সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের ওপর গত ১০ জুলাই এক মাসের স্থিতাবস্থা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

এর আগে ৫ জুন প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয় হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় দেয়।

সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জারি করা পরিপত্র কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে হাইকোর্ট। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের সাতদিনের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছিল।

এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি নিয়ে ২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করে।

নারী কোটা ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ বাতিল করে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর ওই পরিপত্র জারি করা হয়।

তখন রিটকারীরা জানান, মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ কোটা নবম গ্রেড (পূর্বতন প্রথম শ্রেণী) এবং ১০ম থেকে ১৩তম গ্রেড (পূর্বতন দ্বিতীয় শ্রেণী) বাতিল করে (তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণী) ১৪ থেকে ২০তম গ্রেডে রাখা হয়েছে, যা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে হেয়প্রতিপন্ন করার শামিল।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-১ শাখা থেকে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর নবম গ্রেড এবং ১০ম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত সরাসরি নিয়োগে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে একটি পরিপত্র জারি করা হয়।

সেখানে বলা হয়েছিল, ৯ম গ্রেড (পূর্বতন ১ম শ্রেণী) এবং ১০ম-১৩তম গ্রেড (পূর্বতন ২য় শ্রেণী) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাতালিকার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে। ওই পদসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হলো।

ওই পরিপত্র চ্যালেঞ্জ করে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি অহিদুল ইসলাম তুষারসহ সাতজন হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।

ওই রিটের শুনানি নিয়ে কোটা বাতিলের পরিপত্র কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে আদালত।

সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে ২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর পদে ৫৬ শতাংশ কোটা বাতিল করা হয়। তবে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীতে কোটা ব্যবস্থা বহাল রাখে সরকার।

আরও পড়ুন:
কোটা আন্দোলনকারীদের অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে: হারুন
কোটা আন্দোলনকারীদের দাবি সংবিধানবিরোধী: কাদের
কোটা আন্দোলনকারীদের নামে শাহবাগ থানায় মামলা পুলিশের
কোটা নিয়ে আন্দোলনকারীদের দাবি সঠিক নয়: সেলিম মাহমুদ
পুলিশি হামলার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

মন্তব্য

p
উপরে