× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The candidate is the cousin of former minister Zahid Malek ignoring the party decision
google_news print-icon
উপজেলা নির্বাচন

দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে প্রার্থী হলেন সাবেক মন্ত্রী জাহিদ মালেকের ফুফাতো ভাই

দলীয়-সিদ্ধান্ত-উপেক্ষা-করে-প্রার্থী-হলেন-সাবেক-মন্ত্রী-জাহিদ-মালেকের-ফুফাতো-ভাই
ফাইল ছবি
সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের ফুফাতো ভাই ইসরাফিল হোসেন এবং ইসরাফিল হোসেনের মামাতো ভাই হচ্ছেন বর্তমান সংসদ সদস্য জাহিদ মালেক।

দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদ মালেকের আপন ফুফাতো ভাই মো. ইসরাফিল হোসেন।

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইসরাফিল এরই মধ্যে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, ইসরফিল হোসেনের মা মৃত রাহেলা বেগম সাবেক বস্ত্রমন্ত্রী ও ঢাকা সিটি করপোরশনের সাবেক মেয়র কর্নেল (অব.) আব্দুল মালেকের আপন বোন। আর কর্নেল মালেকের ছেলে হচ্ছেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও বর্তমান মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সদস সদস্য জাহিদ মালেক।

এ হিসেবে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের ফুফাতো ভাই ইসরাফিল হোসেন এবং ইসরাফিল হোসেনের মামাতো ভাই হচ্ছেন বর্তমান সংসদ সদস্য জাহিদ মালেক।

মন্ত্রী-সংসদ সদস্যদের আত্মীয়দের উপজেলা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে হবে- সম্প্রতি এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ। এর জন্য সাংগঠনিক সম্পাদকদের সারা দেশ থেকে তথ্য নিয়ে তালিকা তৈরির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

আসন্ন ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ইসরাফিল হোসেন টানা তৃতীয় বারের মতো চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ইসরফিল হোসেন ২০১৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এর আগে ২০১৪ সালে ৪র্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তৎকালীন যুবদলের সাবেক সভাপতি মো.আতাউর রহমান আতাকে পরাজিত করে প্রথম বারের মতো মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি।

এরপর ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ২য় বারের মতো মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ইসরাফিল হোসেন বলেন, আমি নির্বাচন করব। কারণ উপজেলা নির্বাচনে দল বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সিদ্বান্ত নিয়েছে,আমি সেই ক্যাটাগরিতে পড়ি না। সুতরাং আমার ক্ষেত্রে দলীয় সিদ্বান্তের প্রভাব পরবে না এবং নির্বাচনে কোনো বাধার হবে না।

তিনি বলেন, বরং আমি নির্বাচন না করলে আমাদের তৃণমূলে বিভেদ ও বিশৃঙাখলা বাড়বে। তাছাড়া আমি নির্বাচন না করলে, কলাগাছ দাঁড়ালেও জিতবে। দীর্ঘদিন ধরে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি এবং প্রায় ৪০-৪২ বছর ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আর আমার আত্মীয়স্বজন আমার অনেক (জাহিদ মালেক) মহদয় রাজনীতি আসছেন।

এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী দীপক কুমার ঘোষ বলেন, যারা নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবেন, তাদের প্রত্যেককে দলীয় সিদ্বান্ত মেনে নেয়া উচিত। আর যদি কেউ দলীয় সিদ্বান্ত অমান্য করে, তাহলে দলীয় সিদ্বান্ত অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

নাম প্রকাশে একাধিক চেয়ারম্যান প্রার্থী জানান, ইসরাফিল হোসেন যে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের আপন ফুফাতো ভাই এটা মানিকগঞ্জের প্রত্যেক নেতা-কর্মীরজানা আছে। দলীয় সিদ্বান্তের আগে দিনও সম্ভাব্য উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সাথে আলোচনা করেছিলেন জাহিদ মালেক। ইসরাফিল হোসেনের জন্য অনেক প্রার্থীকে নির্বাচন থেকে সরে যেতেও বলেছিলেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তারা জানান, নির্বাচনে যতই দলীয় সিদ্বান্ত বা নির্দেশনা থাকুক না কেন, গোপনে তো এমপি (জাহিদ মালেক) ইসরাফিলের জন্য কাজ করবেই। কারণ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জাহিদ মালেকের প্রার্থী হচ্ছে ইসরাফিল হোসেন।

তবে এ বিষয়ে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদ মালেকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

নির্বাচন কমিশনার মো.আলমগীর জানান, সংশ্লিষ্ট উপজেলার ভোটাররা, নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারবেন। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নির্বাচনে কোনো বাধা নেই এবং এই নির্বাচনে দলীয় কোনো পরিচয়ের প্রয়োজনও নেই। তবে নির্বাচনীয় আইনে বিরুদ্ধে ঋণ খেলাপি আছে, ক্রিমিনাল মামলা ২-৩বছর সাজা খেটেছেন। অথবা যারা নাগরিত্ব হারান, তাহলে তারা নির্বাচন করতে পারবেন না।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Allegations against BCL for beating students in Rabi

রাবিতে শিক্ষার্থীকে মারধর করে হলছাড়া, অভিযোগ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে

রাবিতে শিক্ষার্থীকে মারধর করে হলছাড়া, অভিযোগ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। ইনসেটে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা আতিকুর রহমান আতিক। কোলাজ: নিউজবাংলা
ভুক্তভোগী সবুজ বিশ্বাস রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। অন্যদিকে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা আতিকুর রহমান আতিক হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি। অভিযুক্তদের মধ্যে অজ্ঞাতনামা আরও ৮-১০ জন ছাত্রলীগ কর্মী রয়েছেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলে এক ছাত্রকে বেধড়ক মারধর করে হলছাড়া করার অভিযোগ উঠেছে এক ছাত্রলীগ নেতাসহ কয়েক কর্মীর বিরুদ্ধে। মারধরের পাশাপাশি হিন্দু ধর্মাবলম্বী ওই শিক্ষার্থীকে ‘শিবির’ আখ্যা দিয়ে তাকে হত্যার হুমকি দেয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সবুজ বিশ্বাস এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার রাতে হল প্রাধ্যক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের এই শিক্ষার্থী বুধবার রাতে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হাতে নির্যাতনের শিকার হন।

অন্যদিকে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা আতিকুর রহমান আতিক হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি। অভিযুক্তদের মধ্যে অজ্ঞাতনামা আরও ৮-১০ জন ছাত্রলীগ কর্মী রয়েছেন। তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুর অনুসারী।

ভুক্তভোগী সবুজ বিশ্বাস অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, ‘১৬ মে রাত আনুমানিক ২টার দিকে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক ও তার ৮-১০ জন অনুসারী আমাকে কক্ষ থেকে বের করে হলের ছাদে নিয়ে বেধড়ক মারধর করে এবং শিবির আখ্যা দিয়ে হত্যার হুমকি দেয়।

‘পরবর্তীতে আমি সনাতন ধর্মাবলম্বী বলে জানালে আরও বেশি মারধর করে। আমি প্রাণ রক্ষার্থে দৌড়ে হল ত্যাগ করি। এ অবস্থায় নিরাপত্তা শঙ্কায় আমার পড়াশোনার সুষ্ঠু পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে আমি নিরাপত্তাহীনতার কারণে বাড়িতে অবস্থান করছি।’

নিউজবাংলার সঙ্গে কথোপকথনেও সবুজ বিশ্বাস অভিযোগ তুলে ঘটনার একই বর্ণনা দেন। এ সময় আবাসিক শিক্ষার্থী না হয়েও হলে অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার এক বড় ভাই আমাকে এই হলে তুলেছে। আমি রাজনীতির সাথে জড়িত না।’

তবে কোন বড় ভাই হলে তুলে দিয়েছেন তা জানাতে রাজি হননি এই শিক্ষার্থী।

অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রলীগ নেতা আতিকুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এসব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তাদের অপকর্ম লুকানোর জন্য আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ। আমি তাকে চিনি না। আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ প্রমাণ করতে পারলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব।’

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবু বলেন, ‘সোহরাওয়ার্দী হলের যে ঘটনা সেটি আমি জানার সঙ্গে সঙ্গে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলি। বিষয়টির সমাধান করে দেওয়া হয়েছে।

‘লিখিত অভিযোগ পুরোপুরি সত্যি নয়। সবুজ ওই হলের আবাসিক কোনো শিক্ষার্থী নয়। আবাসিকতা ছাড়া হলে থাকার কোনো প্রশ্নই আসে না।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সোহরাওয়ার্দী হলের প্রাধ্যক্ষ মো. জাহাঙ্গীর হোসেন নিউজবাংলা বলেন, ‘আমরা অভিযোগপত্র পেয়েছি। হল প্রশাসন থেকে দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলে তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Journalists gave false information to Donald Luke during questioning BNP

প্রশ্নের সময় ডোনাল্ড লুকে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন সাংবাদিকরা: বিএনপি

প্রশ্নের সময় ডোনাল্ড লুকে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন সাংবাদিকরা: বিএনপি বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সফরের সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যান যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু। ছবি: যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস
বিএনপির বিবৃতিতে বলা হয়, “বিএনপিকে হেয় করতেই প্রথম আলো ও ইনডিপেনডেন্ট টিভি চ্যানেলের সাংবাদিকরা অবান্তর প্রশ্ন করেছেন। প্রশ্নে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের একটি বিরোধী দল বিএনপি অভিযোগ করেছে যে, ভারতের মধ্যস্থতায় প্রভাবিত হয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র তাদের অবস্থান নরম করেছে।’”

দেশের দুটি সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিক বাংলাদেশে সম্প্রতি সফরকারী দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লুকে প্রশ্ন করার সময় সম্পূর্ণরূপে অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।

দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা শুক্রবারের এ অভিযোগ করা হয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।

ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লুর সফরের মধ্যে বুধবার সন্ধ্যায় তিনি সাক্ষাৎকার দেন দৈনিক প্রথম আলো ও বেসরকারি টিভি চ্যানেল ইনডিপেনডেন্ট টিভিকে।

বিএনপির বিবৃতিতে বলা হয়, “বিএনপিকে হেয় করতেই প্রথম আলো ও ইনডিপেনডেন্ট টিভি চ্যানেলের সাংবাদিকরা অবান্তর প্রশ্ন করেছেন। প্রশ্নে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের একটি বিরোধী দল বিএনপি অভিযোগ করেছে যে, ভারতের মধ্যস্থতায় প্রভাবিত হয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র তাদের অবস্থান নরম করেছে।’”

বিবৃতিতে দাবি করা হয়, ‘বিএনপির কোনো পর্যায়ের নেতাই কখনও কোথাও এ ধরনের মন্তব্য করেননি বা বক্তব্য দেননি। এ ধরনের মনগড়া বক্তব্য প্রকাশ করা বড় ধরনের ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করে।’

এতে উল্লেখ করা হয়, প্রথম আলো ও ইনডিপেনডেন্ট টিভির মতো বহুল প্রচারিত সংবাদমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের এ ধরনের ‘অবাস্তব প্রশ্ন’ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সুনামকে ক্ষুণ্ন করে।

বিএনপির পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বর্তমানে দেশের জনগণ ভয়াবহ দুঃশাসনের যাঁতাকলে পিষ্ট। বিএনপির নেতা-কর্মীরা জীবন বাজি রেখে, জেল-জুলুম, নিপীড়ন ও নির্যাতন সহ্য করে দেশের মানুষের অধিকার আদায়ে আন্দোলন-সংগ্রাম করছে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জনগণের অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বিএনপি বদ্ধপরিকর।’

আরও পড়ুন:
জনগণের শক্তিতে ভর করেই আন্দোলন করছি: ফখরুল
নাশকতা মামলায় চুয়াডাঙ্গা বিএনপির ১৩ নেতা-কর্মী জেলে
ঢাকায় পৌঁছেছেন ডোনাল্ড লু
প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, ৫০ ভরি স্বর্ণ, টাকা লুটের অভিযোগ
আইন-বহির্ভূত কর্মকাণ্ড করলে ফের পালাতে হবে বিএনপিকে: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sheikh Hasina Shaper of Changing Bangladesh Obaidul Quader

শেখ হাসিনা বদলে যাওয়া বাংলাদেশের রূপকার: ওবায়দুল কাদের

শেখ হাসিনা বদলে যাওয়া বাংলাদেশের রূপকার: ওবায়দুল কাদের ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় শুক্রবার বিকেলে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘অনেকে বলেন- বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতাবিরোধীদের ক্ষমা করে দিয়েছিলেন, এটা সত্যি নয়। ১১ হাজার স্বাধীনতাবিরোধী কারাগারে ছিল।’

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে মুক্তিযুদ্ধের হারিয়ে যাওয়া মূল্যবোধের প্রত্যাবর্তন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শেখ হাসিনার ৪৪তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। খবর বাসস

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশের গত ৪৪ বছরে সবচেয়ে সাহসী রাজনীতিকের নাম শেখ হাসিনা, সবচেয়ে বিচক্ষণ নেতার নাম শেখ হাসিনা, সবচেয়ে দক্ষ প্রশাসকের নাম শেখ হাসিনা, সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতার নাম শেখ হাসিনা, সবচেয়ে সফল কূটনীতিকের নাম শেখ হাসিনা।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে গত ৪৪ বছরের ইতিহাসে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর থেকে যে পরিবর্তন হয়েছে, এই পরিবর্তন, রূপান্তরের রূপকার শেখ হাসিনা। তিনি বদলে যাওয়া বাংলাদেশের রূপকার। বঙ্গবন্ধু পয়েট অফ পলিটিক্স আর শেখ হাসিনা ম্যাজিক অফ পলিটিক্স। শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন মুক্তিযুদ্ধের হারিয়ে যাওয়া মূল্যবোধের প্রত্যাবর্তন।’

বেসামাল বিএনপি প্রতিনিয়ত আওয়ামী লীগকে আক্রমণ করছে অভিযোগ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি তাদের বলতে চাই, আপনারা মুক্তির কথা বলেন, লজ্জা করে না? জিয়াউর রহমান আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য দলের ৬২ হাজার নেতাকে জেলে রেখেছিল। আপনাদের কতজন নেতা জেলে আছেন? আমাদের ৩ হাজার নেতাকর্মী ও সরকারি অফিসারদের গুম করেছিলেন জিয়াউর রহমান।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘অনেকে বলেন- বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতাবিরোধীদের ক্ষমা করে দিয়েছিলেন, এটা সত্যি নয়। ১১ হাজার স্বাধীনতাবিরোধী কারাগারে ছিল। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে এদের মুক্তি দিয়েছিল। যার মধ্যে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ছিল ৭১৩ জন। এদের মুক্তি দিয়েছিল জিয়াউর রহমান।

‘১৯৭৫ সালের পর জিয়াউর রহমান নাস্তা খেতে খেতে আমাদের বিভিন্ন সামরিক বাহিনীর ১১ শ’ নেতাকর্মীকে ফাঁসি দিয়েছিল। এই ইতিহাস ভুলে গেছেন? কথায় কথায় আজ বলেন, কারাগার। আমি কি মিথ্যা বলেছি? জিয়াউর রহমান কী করেছিল এর প্রমাণ আছে।’

‘প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশকে নিয়ন্ত্রণ করে’ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘ফখরুল সাহেবকে বলছি, শেখ হাসিনাকে কেউ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। আমাদের নিয়ন্ত্রণ করে দেশের জনগণ, সংবিধান। এই সংবিধানের বাইরে আমরা যাব না। যত ষড়যন্ত্র করুক, বিদেশি শক্তির নামে হুমকি-ধমকি দিতে পারেন। তিনি কোনো বিদেশি শক্তির পরোয়া করেন না, বাংলাদেশের জনগণকে পরোয়া করেন।’

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেখেশুনে বলছি, নিজেদের শত্রু নিজেরা হবেন না। আপন ঘরে যাদের শত্রু, তাদের বাইরের শত্রুর দরকার হয় না। আজ শেখ হাসিনা, বঙ্গবন্ধুর জীবন থেকে শিক্ষা নিতে হবে। তার সততা, সাহস থেকে। সাহস আর সততায় শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর মতোই হয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের শেখ হাসিনার নির্দেশ মেনে চলতে হবে। তার নির্দেশনার বাইরে যেন না যাই, অপকর্ম না করি, সতর্ক হয়ে যান। তিনি চুপচাপ আছেন বলে শাস্তি পাবেন না, তা নয়। শাস্তি ভোগ করতে হবে। যারা শাস্তি পেয়েছেন, তারা বুঝবেন। আর যারা পাননি, তারা স্মরণ করবেন।’

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ডা. দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম।

এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন শহীদ আলতাফ মাহমুদের কন্যা শাওন মাহমুদ, শহীদ বুদ্ধিজীবী ডাক্তার আলিমের কন্যা ডাক্তার নুজহাত, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বেনজির আহমেদ, দক্ষিণের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
শেখ হাসিনা না থাকলে পদ্মা সেতু করার সাহস হতো না

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Awami League will take the country forward by confronting the conspiracy Prime Minister

ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে আওয়ামী লীগ দেশকে এগিয়ে নেবে: প্রধানমন্ত্রী

ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে আওয়ামী লীগ দেশকে এগিয়ে নেবে: প্রধানমন্ত্রী গণভবনে শুভেচ্ছা জানাতে আসা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ফোকাস বাংলা
শেখ হাসিনা বলেন ‘আমি আমার বাবার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলব, আমার সব শক্তি-সাহস মা-বাবার কাছ থেকে পেয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দেশের জনগণকে সুন্দর ও উন্নত জীবন দিতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে তার দল দেশকে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যাবে বলে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘প্রতিবার নির্বাচনের সময় চক্রান্ত হয়, সেটা মোকাবেলা করে আমরা বেরিয়ে আসি। আমাদের তা ধরে রাখতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ রক্ত দিয়ে যে অধিকারগুলো আদায় করেছিল, সেটা আমরা সমুন্নত করতে পেরেছি। কিন্তু আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শুক্রবার সকালে তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে তাকে গণভবনে শুভেচ্ছা জানাতে আসা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এ কথা বলেন। খবর বাসসের

’৭৫ এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর ১৯৮১ সালের ১৭ মে দীর্ঘ প্রবাস জীবন কাটাতে বাধ্য হওয়া শেখ হাসিনা এক রকম জোরকরেই দেশে ফিরে আসেন। এর আগে তার অনুপস্থিতিতেই তাকে সর্বস্মতিক্রমে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। এদিন বিকেল সাড়ে ৪টায় ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে তিনি ভারতের রাজধানী দিল্লী থেকে কোলকাতা হয়ে তৎকালীন ঢাকা কুর্মিটোলা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। ঝড়-ঝাঞ্ঝা বিক্ষুদ্ধ সেই দিনে বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে লাখ লাখ জনতা তাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানায়।

তিনি যখন দেশে ফেরেন তখন যুদ্ধাপরাধি এবং জাতির পিতার হত্যাকারিরা ক্ষমতায় ছিল। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তার পাশে ছিল বাংলাদেশের জনগণ। তিনি জানতেন তাকেও তার বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যদের ভাগ্যবরণ করতে হতে পারে। কিন্তু দেশবাসী ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের প্রতি ছিল তার আস্থা।

শেখ হাসিনা বলেন ‘আমি আমার বাবার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলব, আমার সব শক্তি-সাহস মা-বাবার কাছ থেকে পেয়েছি।’

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় এত বড় সংগঠন চালানোর অভিজ্ঞতা তার ছিল না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ এখন দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী, বৃহত্তম এবং জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য সংগঠনে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ পঞ্চম মেয়াদে ক্ষমতায় এসেছে।

আজকের বাংলাদেশ বদলে যাওয়া বাংলাদেশ উল্লেখ করে টানা চারবারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের যদি রাজনৈতিক চিন্তা-চেতনা না থাকে, দেশপ্রেম না থাকে, সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় না থাকে, তাহলে সেটা এগুতো পারে না। সামনে আরও বদলাতে হবে। কারণ, আমার বাবার একটাই স্বপ্ন ছিল দেশটাকে গড়ার। আমাদের পরিকল্পনা সেটাই আছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ’৭৫ এর পর যারা ক্ষমতায় ছিল তারা নিজেদের ক্ষমতা কুক্ষিগত করার চেষ্টা করেছিল। দেশের কোন উন্নতি করতে পারেনি। তারা বরং শত শত সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে এবং ক্ষমতায় থাকার জন্য আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের অমানবিক নির্যাতন ও হত্যা করেছে। এ সময় প্রতিরাতে কারফিউ বলবৎ রাখার জিয়াউর রহমানের কারফিউ গণতন্ত্রের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে আওয়ামী লীগের অগনিত নেতা-কর্মীর গণতন্ত্র পুন:প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ও আত্মাহুতির কথাও তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী তার উন্নয়নের মূলমন্ত্র তুলে ধরে বলেন, কী পেলাম, না পেলাম সেই চিন্তা করেনি। ভবিষ্যত কী সেই চিন্তাও করি না। চিন্তা করি দেশের মানুষের ভবিষ্যত যেন আরও সুন্দরভাবে গড়ে তুলে দিয়ে যাব। সেটাই আমাদের লক্ষ্য।

দলীয় নেতাদের আওয়ামী লীগ প্রধান বলেন, এটাই মনে রাখবেন একটা দল করি শুধু নেতা হওয়ার জন্য নয়, মানুষের জন্য কতটুকু করতে পারলাম, কী দিতে পারলাম, কী দিয়ে গেলাম। এটাই রাজনৈতিক মানুষের জীবনের বড় কথা। এই কথা মাথায় রাখতে পারলে দেশের মানুষের জন্য অনেক কিছুই করা যেতে পারে।

সংগঠনকে শক্তিশালী করার তাগিদ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আর যেন যুদ্ধাপরাধী, খুনিরা বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে এই ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে।

‘দেশের মানুষ রক্ত দিয়ে যে অধিকার পেয়েছিল, তা তারা পুন:প্রতিষ্ঠা করেছেন উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, দেশের ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা হয়েছিল এবং বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার ও জয় বাংলা স্লোগান এর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। কিন্তু জয়বাংলা শ্লোগান আবার ফিরে এসেছে এবং জাতির পিতা ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্ব ঐতিহ্যের প্রামান্য দলিলে যেমন স্থান করে নিয়েছে। তেমনি অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভভাষা দিবসের স্বীকৃতি অর্জন করেছে।

এর আগে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা তাদের দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাকে ৪৪তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে গণভবনে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Govt has brought country to the brink of destruction Nitai Roy

সরকার দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে: নিতাই রায়

সরকার দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে: নিতাই রায় শৈলকুপায় বিএনপির লিফলেট বিতরণ। ছবি: নিউজবাংলা
নিতাই রায় বলেন, বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন যে সরকার সেই সরকার সম্পূর্ণরুপে একটি ফ্যাসিস্ট সরকার। এর রাষ্টযন্ত্রকে সম্পূর্ণরুপে দখল করে নিয়ে বাংলাদেশকে স্বৈরাচারী রাষ্টে পরিণত করেছে। বাংলাদেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে এই সরকার।

ক্ষমতাসীন সরকার বাংলাদেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী।

শুক্রবার সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ভোট বর্জনের আহ্বান জানিয়ে লিফলেট বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি এ অভিযোগ করেন।

নিতাই রায় বলেন, বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন যে সরকার সেই সরকার সম্পূর্ণরুপে একটি ফ্যাসিস্ট সরকার। এর রাষ্টযন্ত্রকে সম্পূর্ণরুপে দখল করে নিয়ে বাংলাদেশকে স্বৈরাচারী রাষ্টে পরিণত করেছে। বাংলাদেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে এই সরকার।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতি ধ্বংস করেছে, শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণরুপে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে সরকার। এই সরকার যদি ক্ষমতায় থাকে তাহলে আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি, আমাদের দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব তারা জলাঞ্জলি দেবে। তাই এই সরকারের অন্যায়ের বিরুদ্ধে নেতা-কর্মীদের বিদ্রোহ করতে হবে।

কর্মসূচিতে বিএনপির কেন্দ্রীয় মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান, জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সহ-সভাপতি কামাল আজাদ পান্নু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসিফ ইকবাল মাখন, শৈলকুপা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান তুর্কি, যুবদলের আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম, সদস্য সচিব সাদাত হোসেন, ছাত্রদলের সভাপতি সাইদুর রহমান মিঠু, সাধারণ সম্পাদক আল আমিনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

শুরুতে শহরের কবিরপুর মোড় এলাকা থেকে লিফলেট বিতরণ শুরু করেন নেতাকর্মীরা। সেখান থেকে শুরু করে নতুন ব্রিজ এলাকায় গিয়ে কর্মসূচি শেষ করেন। কর্মসূচিতে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two Siraj are contenders for the post of vice president of EB Chhatra League

ইবি ছাত্রলীগের এক সহসভাপতি পদের দাবিদার দুই সিরাজ

ইবি ছাত্রলীগের এক সহসভাপতি পদের দাবিদার দুই সিরাজ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ (বাঁয়ে) ও সিরাজুল ইসলাম। কোলাজ: নিউজবাংলা
কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সম্পাদক শেখ ইনানের স্বাক্ষরিত এ কমিটিতে সহ-সভাপতি পদে ক্যাম্পাসের ৭১ জন নেতাকে মনোনীত করা হয়।

দীর্ঘ ৮ বছর পর ঘোষিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রলীগের কমিটিতে সহসভাপতির এক পদ নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে।

গত ১০ মে রাতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ১৯৯ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ ওই কমিটি গঠন করা হয়। কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সম্পাদক শেখ ইনানের স্বাক্ষরিত এ কমিটিতে সহ-সভাপতি পদে ক্যাম্পাসের ৭১ জন নেতাকে মনোনীত করা হয়।

তবে কমিটি ঘোষণার পর পরই সহ-সভাপতি পদ পেয়েছেন দাবি করে সিরাজ নামের দুজন সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেন। এ নিয়ে তৈরি হয় বিভ্রান্তি।

জানা যায়, কেন্দ্র ঘোষিত ১৯৯ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ৬৬ নম্বর সহ-সভাপতি পদটি দেয়া হয় সিরাজুল ইসলাম সিরাজ নামের ব্যাক্তিকে। তবে এই পদটি নিজের বলে দাবি একই নামের দুজন ব্যক্তি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেকে নেতা বলে ওই দুজনের দাবির পাশাপাশি কর্মীরাও জানিয়েছেন উভয়কেই প্রাণঢালা অভিনন্দন।

সহ-সভাপতি দাবিদারদের একজন হলেন বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। অপরজন হলেন কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সিরাজুল ইসলাম।

পদের দাবিদার বায়োটেকনোলজি বিভাগের সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, আমার নাম সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। যে পদ দাবি করছে তার নামের সাথে পদের মিল নাই। পূর্বে হল পোস্টে আমার নাম আর নাম্বার দেয়া আছে। জয় ভাই আমাকে আমার পদ বলে নিশ্চিত করেছেন। সক্রিয় কর্মী হিসেবে সবাই আমাকে চেনে এবং জানে। অন্য একজন কেন পদ দাবি করছে বুঝতেছি না।

সিএসই বিভাগের সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি শাখা ছাত্রলীগের ১ নম্বর সহ-সভাপতি তন্ময় সাহা টনি ভাইয়ের কর্মী। উনি আমাকে আমার পদের ব্যাপারে নিশ্চিত করেছেন। আরেকজন যিনি পদ দাবি করছেন, আমার জানামতে তার ছাত্রত্ব শেষ হয়েছে ২০২১ সালে। তাহলে ২৪ সালে এসে কীভাবে কমিটিতে পদ পায় তা আমারও প্রশ্ন।

শাখা ছাত্রলীগের ১ নম্বর সহ-সভাপতি তন্ময় সাহা টনি বলেন, শাখা ছাত্রলীগের নেতারা আমাদের কারো সাথে আলোচনা বা সমন্বয় না করেই পছন্দমত কমিটি জমা দেয়ায় আমরাও আমাদের কর্মীদের মূল্যায়নের স্বার্থে কয়েকজনের নাম কেন্দ্রে জমা দেই। আমি যে সিরাজুলের নাম দিয়েছি, বিভ্রান্তি দূর করার জন্য ওর নামের পাশে নিকনেম হিসেবে সিরাজ দিয়েছিলাম। কিন্তু এটাও যে আরেকজনের সাথে মিলে যাবে তা আমি বুঝতে পারি নাই।

তিনি আরও বলেন, শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সেক্রেটারি যার কথা বলছে সে ক্যাম্পাসে থাকেও না, রাজনীতিতেও সক্রিয় নয়। শেষ কবে এসে মিছিল মিটিং করেছে তা খোঁজ নিয়ে দেখা প্রয়োজন। যেহেতু কেন্দ্রীয় নেতারা কমিটির অনুমোদন দিয়েছে, এই বিভ্রান্তি তারাই দূর করতে পারবে। আমরা তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করি।

এ বিষয়ে রাতে পুনরায় সিএসই বিভাগের সিরাজুল ইসলামকে ফোন দেয়া হলে তিনি সহ-সভাপতি তন্ময় সাহা টনিকে দিয়ে কথা বলান। সে সময় সহ-সভাপতি টনি একই কথা বলেন।

৬৬ নম্বর সহ-সভাপতি পদটি বায়োটেকনোলজি বিভাগের সিরাজুল ইসলাম সিরাজের বলে নিশ্চিত করে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয় বলেন, এখানে বিভ্রান্তি তৈরি হলেও আমি বিষয়টি পরিষ্কার করে দিয়েছি। সভাপতি সেক্রেটারির বাইরে যেয়ে কেন্দ্রে কারো নাম প্রস্তাব করার কোন সুযোগ নেই। যার সাথে যার সম্পর্ক ভালো তার কাছে হয়তো সুপারিশ বা অনুরোধ করতে পারে কিন্তু কমিটি প্রস্তাবনার এখতিয়ার একমাত্র আমাদের।

পদপ্রাপ্ত সিরাজের রাজনীতিতে সক্রিয়তার ব্যাপারে জানতে চাইলে জয় বলেন, যে পদ পেয়েছে সে ক্যাম্পাসে আছে, পড়াশোনা করছে। সবাই তো সব সময় ক্যাম্পাসে থাকে না, পারিবারিক কারণে বাসায়ও যায়। কে কি বললো সেসবের চেয়ে এতদিন পর সর্বজন গৃহীত একটা সুন্দর কমিটি হয়েছে, এটাই গুরুত্বপূর্ণ।

শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত বলেন, সহসভাপতি পদটি মূলত বায়োটেকনোলজি বিভাগের যে সিরাজের। ওর পদটা শাখা ছাত্রলীগের সেক্রেটারি দিয়েছে। নামের পাশে বিভাগ বা সেশন উল্লেখ না থাকায় এই জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। আমরা পদধারী প্রত্যেকের জন্য চিঠি পাঠাব। আসন্ন অনুষদ ও হল কমিটিতে প্রয়োজনবোধে নামের পাশে বিভাগ বা সেশন উল্লেখ রাখব।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম পান্থ বলেন, ইবি ছাত্রলীগের সব নেতা-কর্মীকে তো আমরা চিনি না। ওই পদের বিষয়ে কেন্দ্র থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ভালো বলতে পারবেন।

শাখা ছাত্রলীগের ১ নম্বর সহ-সভাপতি তন্ময় সাহা টনির বক্তব্যের সূত্র ধরে কমিটিতে নাম প্রস্তাবনার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যে কেউই প্রস্তাবনা দিতে পারেন যে এই নামে একটি ছেলে আছে, সে ভালো কি মন্দ, তাকে কমিটিতে রাখা যায় কি না। নাম প্রস্তাব দেয়া আর কমিটিতে রাখা তো এক কথা নয়। যেখানে সভাপতি, সেক্রেটারি আছে সেখানে ১ নাম্বার সহ-সভাপতি কে? যেকোনো বিষয়ে তাদের সাথে কথা বলবেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sheikh Hasina condemned the attempt to kill the Prime Minister of Slovakia

স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রীর প্রাণহানির চেষ্টার নিন্দা শেখ হাসিনার

স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রীর প্রাণহানির চেষ্টার নিন্দা শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি
স্লোভাকিয়ার রাষ্ট্রপতি জুজানা কাপুতোভার কাছে লেখা এক পত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর ওপর জঘন্য হত্যা চেষ্টার কথা জানতে পেরে বাংলাদেশের জনগণ এবং আমি গভীরভাবে মর্মাহত ও শঙ্কিত।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করার ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার এ কথা জানানো হয়েছে। খবর বাসসের

স্লোভাকিয়ার রাষ্ট্রপতি জুজানা কাপুতোভার কাছে লেখা এক পত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর ওপর জঘন্য হত্যা চেষ্টার কথা জানতে পেরে বাংলাদেশের জনগণ এবং আমি গভীরভাবে মর্মাহত ও শঙ্কিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি দ্রুত তার সুস্থতা কামনা করছি এবং স্লোভাকিয়ার জনগণ ও তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ ধরনের নির্বোধ সহিংসতা একটি বৈশ্বিক গণতান্ত্রিক রীতি ও মূল্যবোধের ওপর হামলা এবং আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।’

‘এই দুঃসময়ে আমি স্লোভাকিয়ার জনগণের পাশে আছি’ বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

মন্তব্য

p
উপরে