× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
In three years the money donated to Pagla Mosque has increased three times
google_news print-icon

তিন বছরে সোয়া তিন গুণ বেড়েছে পাগলা মসজিদে দানের টাকা

তিন-বছরে-সোয়া-তিন-গুণ-বেড়েছে-পাগলা-মসজিদে-দানের-টাকা
সাধারণত প্রতি তিন মাস পর পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো খুলে গণনা শেষে টাকার পরিমাণ ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। ছবি: নিউজবাংলা
ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটিতে ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি দানবাক্স খুলে পাওয়া যায় দুই কোটি ৩৮ লাখ ৫৫ হাজার ৫৪৫ টাকা। আর ২০২৪ সালের ২০ এপ্রিল আগের সব রেকর্ড ভেঙে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মেলে সাত কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজার ৫৩৭ টাকা। সেই হিসাবে তিন বছরের বেশি সময়কালে মসজিদটিতে দানের টাকা বেড়েছে সোয়া তিন গুণের বেশি।  

মনের বাসনা পূরণের আশায় কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদে প্রতিনিয়ত টাকা, অলংকারের মতো বিভিন্ন বস্তু ও হাঁস, মুরগির মতো জীবিত প্রাণী দান করেন স্থানীয়সহ অন্য জেলার লোকজন।

সাধারণত প্রতি তিন মাস পর দানবাক্সগুলো খুলে গণনা শেষে টাকার পরিমাণ ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। এ ঘটনাটি দেশজুড়ে থাকে আলোচনায়।

দানবাক্স গণনার পর প্রতিবারই টাকার পরিমাণটা সাধারণত আগের মাসের চেয়ে বেশি হতে দেখা যায়। গত তিন বছরের হিসাবে দেখা যায়, কিছু ব্যতিক্রম বাদে প্রতিবারই বেড়েছে দানের টাকা।

কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া এলাকায় নরসুন্দার তীরে প্রায় ১০ শতাংশ জমিতে গড়ে ওঠে ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ। সম্প্রসারণের পর মসজিদের আওতাধীন জায়গা দাঁড়িয়েছে তিন একর ৮৮ শতাংশে।

তিন বছরে সোয়া তিন গুণ বেড়েছে পাগলা মসজিদে দানের টাকা

তিন বছরের কোন সময়ে কত টাকা দান

পাগলা মসজিদে ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি দানবাক্সের টাকা গণনা করা হয়েছিল। চলতি বছরের ২০ এপ্রিল গণনা করা হয় টাকা।

ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটিতে ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি দানবাক্স খুলে পাওয়া যায় দুই কোটি ৩৮ লাখ ৫৫ হাজার ৫৪৫ টাকা। আর ২০২৪ সালের ২০ এপ্রিল আগের সব রেকর্ড ভেঙে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মেলে সাত কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজার ৫৩৭ টাকা। সেই হিসাবে তিন বছরের বেশি সময়কালে মসজিদটিতে দানের টাকা বেড়েছে সোয়া তিন গুণের বেশি।

মসজিদটিতে ২০২১ সালের ১৯ জুন পাওয়া যায় দুই কোটি ৩৩ লাখ ৯৩ হাজার ৪৯৪ টাকা। একই বছরের ৬ নভেম্বর পাওয়া যায় রেকর্ড পরিমাণ তিন কোটি সাত লাখ ৭০ হাজার ৫৮৫ টাকা।

পরে ২০২২ সালের ১৩ মার্চ দানবাক্সে পাওয়া গিয়েছিল তিন কোটি ৭৮ লাখ ৫৩ হাজার ২৯৫ টাকা। এ ছাড়া ওই বছরের ৩ জুলাই পাওয়া গিয়েছিল তিন কোটি ৬০ লাখ ২৭ হাজার ৪১৫ টাকা। একই বছরের ২ অক্টোবর মেলে তিন কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার ৮৮২ টাকা।

তিন মাস এক দিন পর ২০২৩ সালের ৭ জানুয়ারি দানবাক্স খোলা হয়েছিল। ২০টি বস্তায় তখন চার কোটি ১৮ লাখ ১৬ হাজার ৭৪৪ টাকা পাওয়া গিয়েছিল।

এরপর রমজানের কারণে চার মাস পর ৬ মে দানবাক্স খোলা হয়েছিল। তখন ১৯টি বস্তায় রেকর্ড পাঁচ কোটি ৫৯ লাখ সাত হাজার ৬৮৯ টাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালংকার, হীরা ও বিপুল পরিমাণ রুপা পাওয়া গিয়েছিল। ওই বছরের ১৯ আগস্ট খোলা হয়েছিল এ মসজিদের আটটি দানবাক্স। তখন রেকর্ড ২৩ বস্তা টাকা পাওয়া গিয়েছিল। সাড়ে ১৩ ঘণ্টায় ২০০ জনেরও বেশি লোক এ টাকা গণনা শেষে রেকর্ড পাঁচ কোটি ৭৮ লাখ ৯ হাজার ৩২৫ টাকা পান।

একই বছরের ৯ ডিসেম্বর খোলা হয়েছিল দানবাক্সগুলো। তখন রেকর্ড ছয় কোটি ৩২ লাখ ৫১ হাজার ৪২৩ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। ওই সময়ে পাওয়া যায় বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার।

পাগলা মসজিদে আটটি দানবাক্স থাকলেও তখন থেকে একটি বাড়ানো হয়।

গত বছরের পর এবার ৪ মাস না যেতেই আলোচিত ও ঐতিহাসিক মসজিদটির দানবাক্সে সব রেকর্ড ভেঙে মেলে পৌনে আট কোটি টাকা।

দান করেন কারা

দিনের পাশাপাশি গভীর রাতে গোপনে অনেকে দান করে থাকেন পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলোতে। টাকা, অলংকারের পাশাপাশি প্রতিদিন মসজিদে দান করা হয় হাঁস-মুরগি ও গরু-ছাগল। কারা দান করেন এসব টাকা এবং কোন খাতে ব্যয় হয় এসব অর্থ, সে তথ্য জানার চেষ্টা করেছে নিউজবাংলা।

পাগলা মসজিদের নৈশপ্রহরী মো. মকবুল হোসেন এ মসজিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন ২৭ বছর ধরে, যার ভাষ্য, ‘শুধু মুসলিম নয়, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষ এখানে এসে দান করেন। টাকা-পয়সা, স্বর্ণালংকার, বৈদেশিক মুদ্রা ছাড়াও প্রচুর পরিমাণ হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগলও দান করেন অনেকে। করোনার শুরুতে যখন জনসমাগম বন্ধ ছিল, তখনও অনেকে গভীর রাতে এসে দানবাক্সে দান করেছেন।’

তিনি জানান, অতীতে এ মসজিদে কেবল আশপাশের এলাকার মানুষ দান করতেন। আর এখন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন এসে টাকা-পয়সা দান করেন। এ ছাড়া বিদেশিরা অনেক সময় আসেন। পুরো মসজিদ ঘুরে দেখে যাওয়ার সময় দানবাক্সে বৈদেশিক মুদ্রা দান করেন।

মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি খলিলুর রহমান জানান, প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এসে দান করছেন এই মসজিদে। যারা দান করতে আসেন তারা বলেন, এখানে দান করার পর তাদের আশা পূরণ হয়েছে। আর এ বিষয়টির কারণেই এখানে দান করেন তারা।

তিন বছরে সোয়া তিন গুণ বেড়েছে পাগলা মসজিদে দানের টাকা

টাকা ব্যয় হয় যেসব খাতে

পাগলা মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শওকত উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, প্রতি মাসে পাগলা মসজিদের স্টাফ বাবদ ব্যয় হয় পাঁচ লাখ ৬০ হাজার টাকা। ২০২১ সালে দুরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত ১২৪ জন ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য এবং অসহায় ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খরচের জন্য ১৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকা অনুদান দেয়া হয়েছে। এ ছাড়াও করোনাকালে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালকে সাত লাখ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।

তিনি জানান, পাগলা মসজিদের টাকায় ২০০২ সালে মসজিদের পাশেই একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে এ মাদ্রাসায় ১৩০ জন এতিম শিশু পড়াশোনা করছে। মসজিদের টাকায় তাদের যাবতীয় ভরণপোষণ ও জামাকাপড় দেয়া হয়ে থাকে। ওয়াকফ এস্টেটের অডিটর দিয়ে প্রতি বছরের সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাসে পাগলা মসজিদের আয়-ব্যয়ের অডিট করা হয়।

শওকত উদ্দিন জানান, পাগলা মসজিদ ও ইসলামী কমপ্লেক্স পরিচালনার জন্য ৩১ সদস্যের কমিটি রয়েছে। এ কমিটিতে জেলা প্রশাসক সভাপতি এবং কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র সাধারণ সম্পাদক। এ ছাড়াও স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তি, আইনজীবী, সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা এই কমিটিতে আছেন।

অতীতে জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসায় দান করা হলেও বর্তমানে সেটি বন্ধ রয়েছে জানিয়ে এ কর্মকর্তা বলেন, দানের টাকায় আন্তর্জাতিক মানের একটি আধুনিক মসজিদ নির্মাণ করা হবে। তাই কর্তৃপক্ষের নির্দেশেই অনুদান বন্ধ রয়েছে।

বিপুল পরিমাণ দানের টাকার বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘ঐতিহ্যবাহী পাগলা মসজিদ এ এলাকার মানুষের একটি আবেগের স্থান, যে কারণে আমরা প্রতিবারই দান হিসাবে বিপুল পরিমাণ টাকা পেয়ে থাকি।

‘আমরা মানুষের স্বপ্ন ও ইচ্ছা অনুযায়ী বর্তমান মসজিদের স্থানে একসাথে ৩০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারে এমন একটি বিশাল মসজিদ নির্মাণ করব। আধুনিক স্থাপত্যের এ মসজিদ নির্মাণে অচিরেই নকশা চূড়ান্ত করাসহ কাজ শুরু হবে।’

তিনি জানান, প্রাপ্ত দানের টাকা থেকে পাগলা মসজিদ এবং এর অন্তর্ভুক্ত মাদ্রাসা, এতিমখানা ও গোরস্থানের ব্যয় নির্বাহ করা হয়। এ ছাড়া দানের টাকায় জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানায় সহায়তার পাশাপাশি গরিব ছাত্র ও দুস্থদের আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়।

দানের টাকায় আন্তর্জাতিক ইসলামি কমপ্লেক্স

মেয়র পারভেজ মিয়া জানান, পাগলা মসজিদের দানের টাকায় আন্তর্জাতিক মানের একটি ইসলামি কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে। কমপ্লেক্সটি এশিয়া মহাদেশের মধ্যে অন্যতম ধর্মীয় স্থাপনা হিসেবে বানানো হবে। এ জন্য আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৫ থেকে ১২০ কোটি টাকা। সেখানে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। ২০০ গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। এ ছাড়া একসঙ্গে পাঁচ হাজার নারীর নামাজের জন্য আলাদা ব্যবস্থা থাকবে।

আরও পড়ুন:
বেনাপোল ছেড়ে ভোমরায়, নেপথ্যে...
ভারত থেকে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি করবে টিসিবি
তিন দিনের মধ্যে ভারত থেকে পেঁয়াজ আসবে: প্রতিমন্ত্রী
ভারত থেকে আরও ৩০০ টন আলু আমদানি
নারীর দান করা দুই হাত জোড়া লাগল পুরুষের শরীরে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Happy Buddha Purnima today

শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা আজ

শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা আজ
রাজধানীসহ দেশজুড়ে বৌদ্ধ বিহারগুলোতে বুদ্ধ পূজা, প্রদীপ প্রজ্বলন, শান্তি শোভাযাত্রা, ধর্মীয় আলোচনা সভা, প্রভাত ফেরি, সমবেত প্রার্থনা, আলোচনা সভা, ধ্যান ও বুদ্ধ পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়াও মানব জাতির সর্বাঙ্গীন শান্তি ও মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।

বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা আজ বুধবার। যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সারা দেশে এই উৎসব উদযাপন করবেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা।

এ উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশজুড়ে বৌদ্ধ বিহারগুলোতে বুদ্ধ পূজা, প্রদীপ প্রজ্বলন, শান্তি শোভাযাত্রা, ধর্মীয় আলোচনা সভা, প্রভাত ফেরি, সমবেত প্রার্থনা, আলোচনা সভা, ধ্যান ও বুদ্ধ পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়াও মানব জাতির সর্বাঙ্গীন শান্তি ও মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। এ দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি উপভোগ করছে দেশ।

বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বঙ্গভবনের ক্রেডেনশিয়াল হলে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সংবর্ধনা দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন জানিয়েছেন, বুধবার বিকেল ৪টায় বৌদ্ধ নেতাদের সংবর্ধনা শুরু হবে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গণমাধ্যমের মাধ্যমে সারা দেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।

বাংলাদেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে বৌদ্ধ নেতাদের শুভেচ্ছাও জানাবেন রাষ্ট্রপতি ও তার সহধর্মিণী ড. রেবেকা সুলতানা। বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতারাও বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতিকে ফুলের তোড়া উপহার দেবেন।

আট শতাধিক অতিথিসহ এক হাজারেরও বেশি ব্যক্তি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতারা ও বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট সচিবগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।

এ উপলক্ষে টেলিভিশনে বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার এবং জাতীয় পত্রিকাসমূহে বিশেষ ক্রোড়পত্র ও নিবন্ধ প্রকাশিত হবে।

শুভেচ্ছা বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘একটি সৌহার্দ্য ও শান্তিপূর্ণ বিশ্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মহামতি গৌতম বুদ্ধ আজীবন সাম্য ও মৈত্রীর বাণী প্রচার করে গেছেন। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ‘অহিংস পরম ধর্ম’- বুদ্ধের এই অমিয় বাণী আজও সমভাবে প্রযোজ্য।

‘আজকের এই অশান্ত ও অসহিষ্ণু বিশ্বে মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধ, যুদ্ধ-বিগ্রহ, ধর্ম-বর্ণ-জাতিগত হানাহানি রোধসহ সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মহামতি বুদ্ধের দর্শন ও জীবনাদর্শ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।’

শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মৈত্রীময় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। মহামতি গৌতম বুদ্ধের শুভ জন্ম, বোধিজ্ঞান লাভ ও মহাপরিনির্বাণ এ উৎসবের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত।’

শুভেচ্ছা বাণীতে দেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়সহ সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে সমুন্নত রাখতে বদ্ধপরিকর। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রণীত আমাদের সংবিধানে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের সমঅধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি- ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’। সকল শ্রেণি-পেশা ও সম্প্রদায়ের জনগণের উন্নয়নই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মহামতি গৌতম বুদ্ধ লোভ, দ্বেষ, লালসাকে অতিক্রম করে জীবন ও কর্মের মাধ্যমে মানবজগতকে আলোকিত করেছেন। তিনি ছিলেন সত্য ও সুন্দরের আদর্শে উজ্জীবিত।’

তিনি বলেন, “আমরা সকল সম্প্রদায়ের মানুষের মর্যাদাপূর্ণ ও নিরাপদ জীবনযাপন নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছি। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীগণ যুগ যুগ ধরে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমানভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন। আমি আশা করি, গৌতম বুদ্ধের আদর্শ ধারণ ও লালন করে সকলে বাংলাদেশকে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবেন।”

গৌতম বুদ্ধের শুভ জন্ম, বোধিজ্ঞান ও নির্বাণ লাভ- এই ত্রিস্মৃতি বিজড়িত বৈশাখী পূর্ণিমা বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব।

বিশ্বের সকল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে এটি ‘বুদ্ধ পূর্ণিমা’ নামে পরিচিত।

বৌদ্ধ ধর্মমতে, আড়াই হাজার বছর আগে এই দিনে মহামতি গৌতম বুদ্ধের আবির্ভাব হয়েছিল। তার জন্ম, বোধিলাভ ও মহাপ্রয়াণ বৈশাখী পূর্ণিমার দিনে হয়েছিল বলে এর অপর নাম দেয়া হয় ‘বুদ্ধ পূর্ণিমা’।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Kubi student temporarily expelled for insulting religion

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে কুবি শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে কুবি শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। ফাইল ছবি
এ ঘটনায় স্বপ্নীলকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রোভার স্কাউট থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।

মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি ও ইসলাম ধর্ম অবমাননার দায়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ বর্ষের শিক্ষার্থী স্বপ্নীল মুখার্জিকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর আগে তার কাছে ধর্ম অবমাননার কারণ ব্যাখ্যা চেয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত স্বপ্নীলকে সাময়িক বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. আমিরুল হক চৌধুরী। রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তিতে নিউজবাংলার হাতে এসেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী স্বপ্নীল মুখার্জীকে গত ১৫ মে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসলাম ধর্মের অবমাননা ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটুক্তি করার বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়। কিন্তু নোটিশের জবাব প্রদান না করায় কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হলো।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকে বিভিন্ন সময়ে স্বপ্নীলের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটুক্তির অভিযোগ উঠেছে। প্রথমে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার সহপাঠী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ ঝাড়েন। পরে এ নিয়ে গত বুধবার শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করে প্রক্টর বরাবর তাকে স্থায়ী বহিষ্কারের আবেদন জানান।

স্বপ্নীলের বাড়ি যশোর জেলার কেশবপুরে। সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ, বাংলাদেশের কার্যনির্বাহী সংসদ ২০২৩-২৪ এর প্রচার সম্পাদক তিনি।

এ ঘটনায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রোভার স্কাউট থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The agency will not be able to collect the Qurbani money from the pilgrims

হজযাত্রীদের থেকে কোরবানির টাকা নিতে পারবে না এজেন্সি

হজযাত্রীদের থেকে কোরবানির টাকা নিতে পারবে না এজেন্সি
হজ এজেন্সিগুলোকে হজ ফ্লাইট ডাটা যথাসময়ে এন্ট্রি করতে হবে। এছাড়া হজযাত্রীদের মাধ্যমে জর্দার কার্টন না পাঠানোসহ আরও কিছু বিষয়ে হজ এজেন্সিগুলোকে হুঁশিয়ার করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

হজযাত্রীদের কাছ থেকে কোরবানির অর্থ না নেয়ার জন্য হজ এজেন্সিগুলোকে সতর্ক করে দিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে হজ ফ্লাইট ডাটা যথাসময়ে এন্ট্রি করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া হজযাত্রীদের মাধ্যমে জর্দার কার্টন না পাঠানোসহ আরও কিছু বিষয়ে হজ এজেন্সিগুলোকে হুঁশিয়ার করেছে মন্ত্রণালয়।

রোববার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জুম প্লাটফর্মে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের জেদ্দা এয়ারপোর্ট সার্ভিসের মহাপরিচালক আব্দুর রহমান ঘ্যানামের সঙ্গে সভা শেষে এসব নির্দেশনা জারি করে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

ওই সভায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ছাড়াও বাংলাদেশ হজ অফিস, মক্কা ও জেদ্দার কর্মকর্তা এবং হজ এজেন্সির মালিকরা অংশ নেন।

মন্ত্রণালয় সোমবার এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা পত্র জারি করেছে।

ওই সভায় সৌদি আরবের পক্ষ থেকে বলা হয়, হজ প্যাকেজে উল্লেখ থাকা সত্ত্বেও অনেক এজেন্সি হজযাত্রীদের কাছ থেকে হজে যাওয়ার আগে কুরবানি বাবদ অর্থ নিচ্ছে। হজযাত্রী তার ইচ্ছামাফিক সৌদি সরকারের ব্যাংকের কুপন কিনে বা তার নিজের ব্যবস্থাপনায় কুরবানি সম্পন্ন করবেন।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনায় বলেছে, এজেন্সি কোনোভাবেই কুরবানির টাকা নিতে পারবে না। এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

হজ এজেন্সি কর্তৃক ফ্লাইট ডাটা সঠিকভাবে ও নিয়মিত সৌদি ই-হজ সিস্টেমে এন্ট্রি না দেয়ায় সভায় অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, হজ ফ্লাইট ডাটা এন্ট্রি না দেয়ার কারণে মদিনা ও জেদ্দা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ হজযাত্রীদের প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারছে না। ফলে কোন ফ্লাইটে কতজন হজযাত্রী আসছে, তারা কোন মোয়াল্লেমের হজযাত্রী এবং কোন হোটেল বা বাড়িতে তাদের আবাসন ইত্যাদি বিষয়ে সমস্যা হচ্ছে।

এছাড়া হজযাত্রী ও তাদের লাগেজ পরিবহনের ক্ষেত্রেও সমস্যা হচ্ছে। মোয়াল্লেমের প্রতিনিধিও হোটেল বা বাড়িতে সার্ভিস দেয়ার জন্য উপস্থিত থাকছে না। এ কারণে হজযাত্রীদের কাঙ্ক্ষিত সেবা দেয়া যাচ্ছে না এবং রুট-টু-মক্কার সুবিধা থেকে হজযাত্রীরা বঞ্চিত হচ্ছেন।

সভায় হজ ফ্লাইট যাত্রা শুরুর আগেই সঠিকভাবে ফ্লাইট ডাটা সৌদি ই-হজ সিস্টেমে এন্ট্রি করার অনুরোধ করা হয়। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় হজ এজেন্সিগুলোকে আরও কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি সম্পর্কে সতর্ক করেছে। বলা হয়েছে, কিছু এজেন্সি তাদের হজযাত্রীদের মাধ্যমে জর্দার কার্টন পাঠিয়েছে, যা জেদ্দা বিমান বন্দরে আটক হয়েছে। এতে দেশের সম্মান নষ্ট হচ্ছে। অনেক এজেন্সি হজযাত্রীদের সঙ্গে হজ গাইড বা প্রতিনিধি না পাঠানোর কারণে হজযাত্রীরা বিড়ম্বনায় পড়ছেন।

আরও পড়ুন:
হজ্ব ভিসায় মক্কা, মদিনা ও জেদ্দার বাইরে নয়: সৌদি আরব
সৌদিতে কোরবানি ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা
ভিসা ছাড়াই ওমরাহ করতে পারবেন ২৯ দেশের নাগরিক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Inauguration of Bimans Hajj flight from Chittagong

চট্টগ্রাম থেকে বিমানের হজ ফ্লাইট উদ্বোধন

চট্টগ্রাম থেকে বিমানের হজ ফ্লাইট উদ্বোধন ছবি: সংগৃহীত
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জানায়, চট্টগ্রাম থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রথম হজ ফ্লাইটে ৩৯৮ জন যাত্রী মদিনার পথে যাত্রা করেন।

চট্টগ্রাম থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের হজ ফ্লাইট উদ্বোধন হয়েছে মঙ্গলবার। এদিন সকালে বিমানের ডেডিকেটেড হজ ফ্লাইটটি চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে হজযাত্রীদের নিয়ে সৌদি আরবের উদ্দেশে যাত্রা করে।

ফ্লাইটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জানায়, চট্টগ্রাম থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রথম হজ ফ্লাইটে ৩৯৮ জন যাত্রী মদিনার পথে যাত্রা করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালক (বিপণন ও বিক্রয়) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন তাসলিম আহমেদ ও বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম।

আরও পড়ুন:
হজযাত্রীদের থেকে কোরবানির টাকা নিতে পারবে না এজেন্সি
হজ্ব ভিসায় মক্কা, মদিনা ও জেদ্দার বাইরে নয়: সৌদি আরব
সৌদিতে কোরবানি ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা
ভিসা ছাড়াই ওমরাহ করতে পারবেন ২৯ দেশের নাগরিক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The outer skin cannot enter Dhaka for seven days after Eid

ঈদ-পরবর্তী সাতদিন বাইরের চামড়া ঢাকায় ঢুকতে পারবে না

ঈদ-পরবর্তী সাতদিন বাইরের চামড়া ঢাকায় ঢুকতে পারবে না মতিঝিলে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে রোববার টাস্কফোর্সের সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: নিউজবাংলা
টাস্কফোর্সের সভায় শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, ‘কোরবানির ঈদ সামনে রেখে চামড়া শিল্প খাতের উন্নয়নে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে। চামড়া ব্যবসায়ী ও পাইকাররা যাতে সহজ শর্তে ঋণ পান সে বিষয়েও পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।’

ঈদুল আজহা-পরবর্তী সাতদিনের মধ্যে বাইরে থেকে কোরবানির পশুর চামড়াবাহী গাড়ি ঢাকার ভেতরে ঢুকতে পারবে না। সিইটিপি’র পরিশোধন ক্ষমতা বিবেচনায় চামড়ার সরবরাহ সীমিত রাখার লক্ষ্যে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

‘চামড়া শিল্প খাতের উন্নয়নে সুপারিশ প্রদান ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত টাস্কফোর্স’-এর সপ্তম সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

রোববার রাজধানীর মতিঝিলে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভায় অনুষ্ঠিত হয়।

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানাসহ টাস্কফোর্সের সদস্যরা সভায় অংশ নেন।

সভায় শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘কোরবানির ঈদ সামনে রেখে চামড়া শিল্প খাতের উন্নয়নে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে। বিসিক ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নীতিগত সহযোগিতাসহ এসব করণীয় বাস্তবায়নে সব ধরনের সহায়তা দেয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের চামড়া শিল্প খাতে সংরক্ষণ সুবিধা বাড়াতে হবে, যাতে চামড়া নষ্ট না হয়। চামড়া ব্যবসায়ী ও পাইকাররা যাতে পুঁজির সমস্যায় না পড়েন ও সহজ শর্তে ঋণ পান, সে বিষয়েও পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।’

সভায় অন্যান্য বছরের মতো এবারও আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ এবং চামড়া সঠিকভাবে ছাড়ানো, সংগ্রহ ও সংরক্ষণের জন্য বিজ্ঞাপন ও টিভিসি আকারে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারের ব্যবস্থা করা, স্থানীয়ভাবে চামড়া সংগ্রহ এবং পর্যাপ্ত লবণ দিয়ে চামড়া সংরক্ষণের জন্য কৌশলগত স্থানে অস্থায়ী সংরক্ষণাগার নির্মাণ, কোরবানির পশুর চামড়ার পাচার রোধ, চামড়া সংগ্রহ ও পরিবহন কার্যক্রমে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, বিশৃঙ্খলা বা বাধার সৃষ্টি না হয় এবং চামড়া নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াসহ গণমাধ্যমে যেন কোনো গুজব না ছড়ায় সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এছাড়াও সিইটিপি’র পরিশোধন ক্ষমতার মধ্যে সীমিত রাখার লক্ষ্যে কোরবানির পরবর্তী সাতদিনের মধ্যে বাইরে থেকে যাতে কোরবানির পশুর চামড়া ঢাকার ভিতরে প্রবেশ করতে না পারে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সভায় গৃহীত অন্যান্য সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে- চামড়া শিল্প নগরীতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে রেশনিং পদ্ধতিতে ইফ্লুয়েন্ট ডিসচার্জ করা, সারাদেশে পর্যাপ্ত লবণ সরবরাহ নিশ্চিতকরণসহ এতিমখানাগুলোতে বিনামূল্যে লবণ সরবরাহ করতে বিসিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hajj visa processing time increased again

হজযাত্রীদের ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময় ফের বাড়ল

হজযাত্রীদের ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময় ফের বাড়ল ফাইল ছবি।
হজযাত্রীদের ভিসার জন্য আবেদনের সময় নির্ধারিত ছিল ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত। প্রথম দফায় ৭ মে পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়। তারপরও অনেক এজেন্সি ভিসার কার্যক্রম শেষ করতে ব্যর্থ হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে দ্বিতীয় দফায় ১১ মে পর্যন্ত সময় বাড়াল ধর্ম মন্ত্রণালয়।

হজযাত্রীদের ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময় আবারও বাড়ানো হয়েছে। এই পর্যায়ে ১১ মে পর্যন্ত সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবুবকর মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই বর্ধিত সময়ের মধ্যে ভিসার কার্যক্রম শেষ করা না হলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সিকেই তার দায় নিতে হবে।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ অনুবিভাগ সব হজ এজেন্সিকে এ বিষয়ে চিঠি দিয়েছে।

এর আগে হজযাত্রীদের ভিসার জন্য আবেদনের সময় নির্ধারিত ছিল ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত। ওই সময়ের মধ্যে ভিসার কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় প্রথম দফায় ৭ মে পর্যন্ত সময় বাড়ায় মন্ত্রণালয়। তারপরও ২৫৯টি বেসরকারি হজ এজেন্সির অনেকেই এই বর্ধিত সময়ের মধ্যেও ভিসার কার্যক্রম শেষ করতে ব্যর্থ হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে দ্বিতীয় দফায় সময় বাড়াল মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন:
হজ্ব ভিসায় মক্কা, মদিনা ও জেদ্দার বাইরে নয়: সৌদি আরব
হজ ফ্লাইট শুরু হচ্ছে ৯ মে
ভিসা ছাড়াই ওমরাহ করতে পারবেন ২৯ দেশের নাগরিক
হজে গিয়ে ভিক্ষা করলে ৭ বছরের কারাদণ্ড

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hajj Visa Excludes Makkah Madinah and Jeddah Saudi Arabia

হজ্ব ভিসায় মক্কা, মদিনা ও জেদ্দার বাইরে নয়: সৌদি আরব

হজ্ব ভিসায় মক্কা, মদিনা ও জেদ্দার বাইরে নয়: সৌদি আরব ছবি: সংগৃহীত
সৌদি আরবের হজ্ব ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৪ সালে হজ্ব ভিসায় সৌদি আরবে যাওয়া যাত্রীরা কেবল পবিত্র হজ্বের আনুষ্ঠানিকতা পালনের অনুমতি পাবেন। জেদ্দা, মদিনা ও মক্কা শহরের বাইরে এই ভিসা বৈধ হবে না। কাজের জন্য কিংবা দেশটিতে বসবাসের জন্য এই ভিসা কাজ করবে না।

চলতি ২০২৪ সালে হজ্ব ভিসায় সৌদি আরবে গমনকারীরা কেবল পবিত্র হজ্বের আনুষ্ঠানিকতা পালনের অনুমতি পাবেন। সেক্ষেত্রে নির্দিষ্ট তিনটি শহরের বাইরে ভ্রমণ করা যাবে না।

হজ্ব ভিসা দেয়ার ক্ষেত্রে নতুন এই বিধিনিষেধ ঘোষণা করেছে সৌদি সরকার। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে- হজ্ব ভিসা কেবল জেদ্দা, মদিনা ও মক্কা ভ্রমণের অনুমতি দেবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম গালফ নিউজে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের হজ্ব ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে ২০২৪ সালে হজ্ব ভিসায় সৌদি আরবে যাওয়া যাত্রীরা কেবল পবিত্র হজ্বের আনুষ্ঠানিকতা পালনের অনুমতি পাবেন।

হজ্ব ভিসা কেবল জেদ্দা, মদিনা ও মক্কা শহরের মধ্যে ভ্রমণের অনুমতি দেবে। নির্ধারিত এই তিন শহরের বাইরে এই ভিসা বৈধ হবে না। কাজের জন্য কিংবা দেশটিতে বসবাসের জন্য এই ভিসা কাজ করবে না। শুধুমাত্র হজ্ব মওসুমের জন্যই এটা বৈধ হবে।

হজ্ব ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, এই বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। এছাড়া ভবিষ্যতে হজ্বব্রত পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে গমনের ক্ষেত্রে তিনি সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়তে পারেন।

আরও পড়ুন:
সৌদিতে কোরবানি ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা
ভিসা ছাড়াই ওমরাহ করতে পারবেন ২৯ দেশের নাগরিক

মন্তব্য

p
উপরে