× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
1 killed in clash between two groups over land dispute in Pabna
google_news print-icon

পাবনায় জমির বিরোধে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১

পাবনায়-জমির-বিরোধে-দুই-গ্রুপের-সংঘর্ষে-নিহত-১
ছবি: নিউজবাংলা
এ ঘটনায় আরও অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন, যাদের বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে খাইরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন, যাদের বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

শুক্রবার বিকেলে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের চরগড়গড়ী আলহাজ মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ৪০ বছর বয়সী খাইরুল ইসলাম চরগড়গড়ী আলহাজ মোড় পশ্চিমপাড়ার মৃত নসিম উদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে।

আহতদের মধ্যে কয়েক জনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন, ৫০ বছর বয়সী সাজু হুদী, জামাত ফকির ও নুর বেগম, ৫৫ বছর বয়সী মানু প্রামানিক, ৬০ বছর বয়সী মোসলেম উদ্দিন, ৩৫ বছর বয়সী খোকন প্রামাণিক, জিল্লুর, ওলিউর রহমান, মজিদ, ইছাই প্রামানিক ও মো. মিঠুন এবং ৩০ বছর বয়সী নাসিরউদ্দিন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, কয়েকদিন আগে জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই গ্রুপের লোকজনদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এ নিয়ে গত দুই দিনে দুই গ্রুপের মধ্যে ছোটোখাটো মারামারির ঘটনাও ঘটে। এইসব ঘটনার জের ধরে শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে তারা ফের সংঘর্ষে জড়ায়।

সংঘর্ষ চলাকালে ঘটনাস্থলেই খাইরুল নিহত হন। আর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান স্থানীয়রা। তাদদের মধ্যে অন্তত ১০ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঈশ্বরদী থানার ওসি (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় একজন মারা গেছেন। আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত বলতে পারব।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The DB chief gave a chilling description of MP Annas murder plan

এমপি আনার হত্যা-পরিকল্পনার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন ডিবিপ্রধান

এমপি আনার হত্যা-পরিকল্পনার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন ডিবিপ্রধান বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিণ্টো রোডে সংবাদ সম্মেলনে এমপি আনার হত্যাকাণ্ড নিয়ে কথা বলেন ডিএমপি ডিবি প্রধান হারন অর রশীদ। ছবি: নিউজবাংলা
হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী আমানুল্লাহ ও পরিকল্পনাকারী শাহিনের গার্লফ্রেন্ড শিলাস্তি রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের পাওয়া তথ্য অনুযায়ী-১৩ মে বেলা ২টা ৫১ মিনিটে এমপি আনারকে কৌশলে কলকাতার একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে যায় ঘাতকরা। সেখানে তারা এমপির কাছে আখতারুজ্জামানের পাওনা টাকা পরিশোধের প্রসঙ্গ তোলে। এ নিয়ে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে সবাই মিলে আনারকে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করে। পরে গুম করার উদ্দেশ্যে মরদেহ টুকরো টুকরো করা হয়।

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যার পরিকল্পনা করা হয় রাজধানী ঢাকায় বসে। এই তথ্য জানানোর পাশাপাশি সেই হত্যা-পরিকল্পনার পুরো বর্ণনা তুলে ধরেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা (ডিবি) শাখার প্রধান হারুন অর রশীদ।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর মিণ্টো রোডে ডিএমপি ডিবি কার্যালয়ে এমপি আনার হত্যার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন তিনি।

হারুন অর রশীদ জানান, হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী আখতারুজ্জামান শাহিনের গুলশান ও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার দুটি ফ্ল্যাটে একাধিক বৈঠক করেন হত্যাকারীরা। এই পরিকল্পনা নিয়ে দুই থেকে তিন মাস ধরে একের পর এক বৈঠক চলে।

ভিকটিম (এমপি আনার) প্রায়ই ভারতের কলকাতায় আসা-যাওয়া করতেন। তাই কলকাতার মাটিতেই তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার পর সে অনুযায়ী মূল হত্যাকারী আমানুল্লাহ, তার সহযোগী তানভীর ভূঁইয়া ও আখতারুজ্জামান শাহিনের গার্লফ্রেন্ড শিলাস্তি রহমান গত এপ্রিল মাসের ৩০ তারিখ কলকাতায় যান।

কলকাতায় আগে থেকেই ভাড়া করে রাখা নিউটাউন এলাকার সঞ্জিভা গার্ডেনের একটি ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাটে ওঠেন তারা। আর কলকাতায় আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন আখতারুজ্জামানের দুই সহযোগী সিয়াম ও জিহাদ। সেখানে বসে তারা এমপি আনারকে হত্যার ছক সাজান। মূল হত্যাকারীর নাম শিমুল ভূঁইয়া হলেও তিনি আমানুল্লাহ আমান নামে নতুন একটি পাসপোর্ট করে কলকাতায় যান।

ডিএমপি ডিবি প্রধান আরও জানান, হত্যার পুরো দায়িত্ব আমানকে বুঝিয়ে দিয়ে ১০ মে দেশে ফিরে আসেন আখতারুজ্জামান। এমপি আনার যে ১২ মে কলকাতায় যাবেন তা আগে থেকেই জানতেন আখতারুজ্জামান। ১২ মে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্ত দিয়ে কলকাতায় যান এমপি আনার। প্রথম দিন তিনি তার বন্ধু গোপালের বাসায় থাকেন। পরদিন ১৩ মে কৌশলে এমপি আনারকে নিউটাউনের সেই ফ্ল্যাটে ডেকে নিয়ে যায় হত্যাকারীরা।

হারুন বলেন, ফয়সাল নামে এক ব্যক্তি এমপি আনারকে ১৩ মে দুপুরে সাদা একটি গাড়িতে রিসিভ করেন। পরে হত্যাকাণ্ড সংঘটনকারীদের অন্যতম আমানুল্লাহ ওরফে শিমুল ভুইয়া ও ফয়সালসহ আনার ওই ফ্ল্যাটে যান। এরপর মোস্তাফিজ নামে আরও একজন ওই ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন। জিহাদ ও সিয়াম নামে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আরও দুজন সেখানে ছিলেন।

১৩ মে বেলা ২টা ৫১ মিনিটে এমপি আনার কলকাতার ওই বাসায় যান। এ সময় তারা এমপির কাছে আখতারুজ্জামানের পাওনা টাকা পরিশোধের প্রসঙ্গ তোলেন। বিষয়টি নিয়ে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে সবাই মিলে আনারকে ঝাপটে ধরে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করে। আধ ঘণ্টার মধ্যে ওরা হত্যাকাণ্ডের পুরো বিষয়টি শেষ করে। হত্যার পর আমান বিষয়টি আখতারুজ্জামানকে জানান।

এমপি আনারকে হত্যার পর তার মরদেহ খণ্ড-বিখণ্ড করা হয় জানিয়ে ডিবির হারুন বলেন, ‘আখতারুজ্জামানের পরামর্শমতো মরদেহ গুম করতেই ঘাতকরা এই কাজ করে। এরপর ফ্ল্যাটের কাছেই শপিংমল থেকে আনা হয় দুটি বড় ট্রলিব্যাগ ও পলিথিন। পরে দেহের টুকরোগুলো পলিথিনে পেঁচিয়ে ট্রলিব্যাগে ভরা হয়। এরপর ভিন্ন ভিন্ন দিনে সেগুলো ফ্ল্যাটের বাইরে নিয়ে যায় খুনিরা। আর ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে ঘরের রক্তের দাগ ও দুর্গন্ধ পরিষ্কার করে তারা।

আটক আমানের স্বীকারোক্তি ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, হত্যাকাণ্ডের পরদিন বিকেলে একটি ট্রলিব্যাগ হাতে নিয়ে বাসা থেকে বের হন আমান। জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে তিনি জানিয়েছেন, বাসা থেকে বের হয়ে পাশের একটি শপিংমলের সামনে ট্রলিব্যাগটি তিনি সিয়ামের হাতে তুলে দেন। সিয়াম ব্যাগ নিয়ে আগে থেকেই ভাড়া করে রাখা গাড়ি নিয়ে অজ্ঞাত স্থানের দিকে চলে যান। আরেকটি ব্যাগ বাসাতেই ছিল। ওই ব্যাগ থেকে দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করেছিল। সহযোগীদের ট্রলিটি অন্য কোথাও ফেলে দেয়ার নির্দেশনা দিয়ে ১৫ মে শিলিস্তাকে নিয়ে আমান ঢাকায় চলে আসেন।

মরদেহ পাওয়ার আশা খুবই কম জানিয়ে ডিএমপি ডিবি প্রধান বলেন, ‘তারপরও চেষ্টা করছি এমপি আনারের দেহের কিছু খণ্ড অন্তত উদ্ধার করার। হত্যাকাণ্ড বাস্তবায়নকারী আমানুল্লাহ ছদ্মনাম। তার নাম শিমুল ভূঁইয়া। তিনি পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির নেতা। বর্তমানে আমানুল্লাহ ও পরিকল্পনাকারী শাহিনের গার্লফ্রেন্ড শিলাস্তি রহমান ডিবির হাতে আটক রয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার পুরো ঘটনা জানা গেছে।’

তিনি বলেন, ‘এমপি আনারকে হত্যার পর শাহিনের গার্লফেন্ড শিলাস্তি ও আমানুল্লাহ ১৫ মে এবং মোস্তাফিজ ১৬ মে ঢাকায় ফেরেন। এরপরই ভিস্তা এয়ারলাইন্সে করে মূল পরিকল্পনাকারী শাহিন দিল্লি হয়ে কাঠমাণ্ডুতে চলে যান। বর্তমানে তিনি পলাতক।’

হারুন বলেন, “১৮ তারিখ গোপাল বিশ্বাস বন্ধু আনার নিখোঁজ উল্লেখ করে কলকাতার সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশে জিডি করেন। পরে হত্যাকারীরা ভিকটিমের মোবাইল ফোন থেকে কল ও মেসেজ দিয়ে বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টা করে। এর অংশ হিসেবে ‘দিল্লি যাচ্ছি’ জানিয়ে ১৮ মে এমপি আনারের ফোন থেকে বার্তাও দেয়া হয়।’

কলকাতা পুলিশের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে জানিয়ে হারুন বলেন, ‘একটি টিম আজ (বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশে আসছে। প্রয়োজনে আমরাও সেখানে গিয়ে তদন্ত করব।’

এদিকে তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা জানান, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের জের ধরে এমপি আনারকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তারই ছোটবেলার বন্ধু ও ব্যবসায়িক পার্টনার আখতারুজ্জামান শাহীন। শাহীন ঝিনাইদহের বাসিন্দা ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। তার ভাই সহিদুজ্জামান ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর পৌরসভার মেয়র।

আরও পড়ুন:
এমপি আনার অপরাধে জড়িত কি না, তদন্তে বেরিয়ে আসবে: কাদের
এমপি আনার খুন: ভারতের সংবাদমাধ্যম যা বলছে
শেরেবাংলা নগর থানায় এমপি আনারের মেয়ের মামলা
এমপি হত্যায় ভারতকে দোষারোপ না করার আহ্বান কাদেরের
এমপি আনারকে হত্যা করেছে বাংলাদেশি অপরাধীরা: ডিএমপি ডিবি প্রধান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Wife strangled to death for asking him to wash clothes Husband sentenced to death

কাপড় ধুতে বলায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা: স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

কাপড় ধুতে বলায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা: স্বামীর মৃত্যুদণ্ড কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবন। ছবি: নিউজবাংলা
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, রাজু ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যান। পরের দিন ভোরে স্বামীকে কাপড় ধুয়ে দেয়ার কথা বলেন খালেদা। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে খালেদার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তার স্বামী।

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে কাপড় ধুতে বলায় খালেদা আক্তার নামের নারীকে ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে স্বামী মোজাম্মেল হোসেন রাজুকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত।

অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক রোজিনা খান বৃহস্পতিবার দুপুরে এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত রাজুর বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শাটিষক গ্রামে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, খালেদা আক্তারকে বিয়ের পর থেকেই তার স্বামী রাজু বেকার ছিলেন। এ কারণে মেয়েসন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকতেন খালেদা।

রাজু ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যান। পরের দিন ভোরে স্বামীকে কাপড় ধুয়ে দেয়ার কথা বলেন খালেদা। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে খালেদার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তার স্বামী।

মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, খালেদার মরদেহ পুকুর ঘাটের কাছে ফেলে রেখে আসামি পালিয়ে যান। এরপর ঘাটে মেয়ের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে রাজুকে আসামি করে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থানায় হত্যা মামলা করেন খালেদার বাবা।

রায় ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাজু আদালতের কাঠগড়ায় অনুপস্থিত ছিলেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে অতিরিক্ত পিপি আমিনুল ইসলাম ও নুরুল ইসলাম জানান, তাদের আশা, উচ্চ আদালত এ রায় বহাল রেখে দ্রুত বাস্তবায়ন করবে।

আরও পড়ুন:
যাত্রীবেশে চালকের গলা কেটে অটোরিকশা ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৩
ফেরিওয়ালাকে হত্যায় নারীর মৃত্যুদণ্ড, স্বামীর জেল
পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে লাঠির আঘাতে হত্যার অভিযোগ
প্রেমে ব্যর্থ হয়ে ২ বন্ধুর আত্মহত্যা
টেকনাফে পিটুনিতে একজন নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Obaidul Quaders brother Shahadats candidacy is upheld

ওবায়দুল কাদেরের ভাই শাহাদাতের প্রার্থিতা বহাল

ওবায়দুল কাদেরের ভাই শাহাদাতের প্রার্থিতা বহাল শাহাদাত হোসেন। ফাইল ছবি
গত ৯ মে আপিলেও নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদাত হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়।

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদাত হোসেনের মনোনয়নপত্র গ্রহণে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন ৭ বিচারপতির বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেয়। খবর বাসসের

আদালতে শাহাদাত হোসেনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী একরামুল হক টুটুল। অপর প্রার্থী গোলাম শরীফ চৌধুরীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শেখ মোহাম্মদ মোরসেদ।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই শাহদাত হোসেনের মনোনয়নপত্র গ্রহণে গত ১৪ মে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। পরে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন অপর প্রার্থী গোলাম শরীফ চৌধুরী।

গত ৯ মে আপিলেও নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদাত হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়।

জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দেওয়ান মাহবুবুর রহমান হলফনামায় মামলা ও আয় বিবরণীর তথ্য গোপন করায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। এই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন শাহাদাত হোসেন।

আগামী ২৯ মে তৃতীয় ধাপে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ, সদর ও বেগমগঞ্জ উপজেলায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন:
ষোড়শ সংশোধনীর রিভিউ শুনানি ১১ জুলাই
কনডেম সেল নিয়ে হাইকোর্টের রায় আপিলে স্থগিত
মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে আসামিকে কনডেম সেলে রাখা যাবে না: হাইকোর্ট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sixteenth Amendment review hearing on July 11

ষোড়শ সংশোধনীর রিভিউ শুনানি ১১ জুলাই

ষোড়শ সংশোধনীর রিভিউ শুনানি ১১ জুলাই ফাইল ছবি
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জেষ্ঠ্য বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেয়।

ষোড়শ সংশোধনী বাতিল ঘোষণার রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদনের শুনানির জন্য ১১ জুলাই দিন ধার্য করে দিয়েছে আপিল বিভাগ।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জেষ্ঠ্য বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেয়। খবর বাসসের

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও রিট আবেদনকারীদের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদ উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় ২৭ নম্বর ক্রমিকে থাকা ষোড়শ সংশোধনীর রিভিউ আবেদনটি শুনানির জন্য রিটকারী আইনজীবী মনজিল মোরসেদ আবেদন করেন। প্রধান বিচারপতি এদিন না থাকায় আগামী ১১ জুলাই দিন ধার্য করে শুনানি মূলতবি আদেশ দেয় আপিল বিভাগ।

বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিতে ২০১৪ সালে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আনা হয়। এর বৈধতা নিয়ে করা রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ৫ মে হাইকোর্টের তিনজন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়।

হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। একই বছরের ৩ জুলাই তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার (এস কে সিনহা) নেতৃত্বে আপিল বিভাগের সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সর্বসম্মতিতে আপিল খারিজ করে রায় দেয়। ওই রায় রিভিউ চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। এখন এই রিভিউ আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Labor law violation case Dr Yunus bail till July 4

শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলা: ড. ইউনূসের জামিন ৪ জুলাই পর্যন্ত

শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলা: ড. ইউনূসের জামিন ৪ জুলাই পর্যন্ত শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন শান্তিতে নোবেলজয়ী ও গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: নিউজবাংলা
শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবদুল আউয়াল বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জামিন বাড়ানোর আদেশ দেন বলে জানান ড. ইউনূসের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন।

শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় শান্তিতে নোবেলজয়ী গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. ইউনূসসহ চারজনের জামিনের মেয়াদ ৪ জুলাই পর্যন্ত বাড়িয়েছে আদালত।

শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবদুল আউয়াল বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জামিন বাড়ানোর আদেশ দেন বলে জানান ড. ইউনূসের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন।

তিনি নিউজবাংলাকে জানান, শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল ড. ইউনূসসহ গ্রামীণ টেলিকমের চার কর্মকর্তার জামিন ৪ জুলাই পর্যন্ত বাড়িয়েছে। ওই দিন মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

এর আগে গত ১৬ এপ্রিল শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জামিন ২৩ মে পর্যন্ত বাড়ানোর আদেশ দেয় শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল।

মামলার অপর তিন আসামি হলেন গ্রামীণ টেলিকমের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আশরাফুল হাসান, পরিচালক নুরজাহান বেগম ও মো. শাহজাহান।

কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের করা এ মামলায় গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. ইউনূসসহ চারজনকে গত ১ জানুয়ারি ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয় ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়।

রায় ঘোষণার পরপরই আপিলের শর্তে ড. ইউনূসসহ চারজনকে এক মাসের অন্তবর্তীকালীন জামিন দেয় আদালত।

ড. ইউনূসসহ চারজনের নামে ২০২১ সালের ১ সেপ্টেম্বর শ্রম ট্রাইব্যুনালে মামলাটি করা হয়। গত বছরের ৬ জুন মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়।

গত বছরের ২২ আগস্ট মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়, যা শেষ হয় ৯ নভেম্বর। একই বছরের ২৪ ডিসেম্বর যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়।

শ্রম আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি আপিল করেন ড. ইউনূসসহ চারজন। শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল এ আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে।

কী আছে অভিযোগে

মামলার অভিযোগে বলা হয়, শ্রম আইন ২০০৬ ও শ্রম বিধিমালা ২০১৫ অনুযায়ী, গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক বা কর্মচারীদের শিক্ষানবিশকাল পার হলেও তাদের নিয়োগ স্থায়ী করা হয়নি। প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শ্রমিক বা কর্মচারীদের মজুরিসহ বার্ষিক ছুটি, ছুটি নগদায়ন ও ছুটির বিপরীতে নগদ অর্থ দেয়া হয়নি।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গ্রামীণ টেলিকমে শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল ও কল্যাণ তহবিল গঠন করা হয়নি। লভ্যাংশের ৫ শতাংশের সমপরিমাণ অর্থ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন আইন অনুযায়ী গঠিত বিলে জমা দেয়া হয়নি।

আরও পড়ুন:
ধর্ম নিয়ে কটূক্তির মামলায় জবি ছাত্রীর ৫ বছরের কারাদণ্ড
উপজেলা নির্বাচন: গজারিয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় আরেক মামলা
চকরিয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলায় ১৫ জনের নামে মামলা
প্রতারণার মামলায় প্রধান শিক্ষক কারাগারে
‘ভুয়া কাবিনে শারীরিক সর্ম্পক ও অর্থ আত্মসাৎ’ করেছেন পুলিশ সদস্য

মন্তব্য

বাংলাদেশ
MP Annas murder What Indias media is saying

এমপি আনার খুন: ভারতের সংবাদমাধ্যম যা বলছে

এমপি আনার খুন: ভারতের সংবাদমাধ্যম যা বলছে আনোয়ারুল আজীম আনার। ফাইল ছবি
ভারতে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার খুন হওয়ার বিষয়ে কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। মরদেহ উদ্ধার হয়েছে কী না তা-ও স্পষ্ট করে বলেনি।

ভারতে চিকিৎসা করাতে গিয়ে নিখোঁজ ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার খুন হয়েছেন। তাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এ ঘটনায় দেশে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। চলছে জিজ্ঞাসাবাদ।

কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে অবশ্য আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হচ্ছে এ খবর।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলকাতায় বাংলাদেশি এমপি নিখোঁজ। পুলিশের সন্দেহ, তিনি খুন হয়েছেন।

বাংলাদেশি মিডিয়ার বরাতে ডেকান হেরাল্ড বলেছে, আট দিন ধরে নিখোঁজ বাংলাদেশি এমপির খণ্ড-বিখণ্ড দেহ মিলল কলকাতায়।

আউটলুক ইন্ডিয়া তাদের প্রতিবেদনে শিরোনাম করেছে, পশ্চিমবঙ্গে নিখোঁজ বাংলাদেশি এমপি। পুলিশের সন্দেহ, উদ্ধার খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ তারই।

ফার্স্টপোস্টের খবরের শিরোনাম, কলকাতায় মরদেহ উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশি এমপি কি খুন হয়েছেন?

কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়েছে, ‘নিউটাউনে ‘খুন’ বাংলাদেশের সংসদ সদস্য! ঘনাচ্ছে রহস্য, তদন্তে পুলিশ।’

এবিপির খবরে শিরোনাম করা হয়েছে, বাংলাদেশের এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার কলকাতায় ‘খুন’, পুলিশ বলছে দেহ পাওয়া যায়নি; ৩ আটক।

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে জি নিউজের খবরে বলা হয়েছে, কলকাতায় নিখোঁজ বাংলাদেশি এমপি খুন।

আজতক জানিয়েছে, কলকাতায় রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ বাংলাদেশের সংসদ সদস্য। তাকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। যদিও এখনও দেহ উদ্ধার করা হয়নি।

দেশটির আরেক গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, ভারতে চিকিৎসা করাতে এসে নিখোঁজ হয়েছিলেন বাংলাদেশের ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম। অবশেষে কলকাতার নিউটাউন থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হলো। এর আগে সংসদ সদস্য কন্যা মমতারিন ফেরদৌস ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের দপ্তরে গিয়ে বাবার নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ জানিয়েছিলেন রোববার। এরপর প্রায় এক সপ্তাহ নিখোঁজ থাকার পর অবশেষে উদ্ধার হলো বাংলাদেশি সংসদ সদস্যের মরদেহ।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নিউটাউনের অভিজাত আবাসন থেকে উদ্ধার হয়েছে আনোয়ারুল আজীমের মরদেহ।

আরও পড়ুন:
শেরেবাংলা নগর থানায় এমপি আনারের মেয়ের মামলা
এমপি হত্যায় ভারতকে দোষারোপ না করার আহ্বান কাদেরের
এমপি আনারকে হত্যা করেছে বাংলাদেশি অপরাধীরা: ডিএমপি ডিবি প্রধান
এমপি আনারের হত্যাকাণ্ড দুই রাষ্ট্রের বিষয় নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাবা হত্যার বিচারে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চান আনারকন্যা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two school students died in a motorcycle accident

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল দুই স্কুলছাত্রের

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল দুই স্কুলছাত্রের প্রতীকী ছবি
তুহিন ছাতিয়ানতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ও নয়ন পার্শ্ববর্তী শ্রীনগর উপজেলার একটি স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তারা সম্পর্কে দুই বন্ধু ছিল।

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুই স্কুলশিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।

বুধবার বিকেলে কোলা ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলী বাসস্ট্যাণ্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে মুমূর্ষু অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে আনা হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতরা হলেন- ছাতিয়ানতলী এলাকার আলালউদ্দিনের ছেলে ১৬ বছরের মাহবুব আলম নয়ন ও একই এলাকার আবুল কালামের ছেলে ১৭ বছরের মো. তুহিন।

তুহিন ছাতিয়ানতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ও নয়ন পার্শ্ববর্তী শ্রীনগর উপজেলার একটি স্কুলের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। তারা সম্পর্কে দুই বন্ধু ছিল।

নয়নের নানা মো. শাহ আলম ফকির বলেন, ‘আজ বিকেলের দিকে দুই বন্ধু মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বেরিয়েছিল। তখন তুহিন মোটরসাইকেল চালাচ্ছিল আর নয়ন মোটরসাইকেলের পিছনে বসে ছিল। পরে আমরা খবর পাই মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘটনাস্থলে একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে গুরুতর আহত হয়েছে তারা। পরে দ্রুত তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক জানান, তাদের দুজনের কেউ আর বেঁচে নেই।’

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানিয়েছি।’

আরও পড়ুন:
এপ্রিলে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ৭০৮, আহত ২৪২৬

মন্তব্য

p
উপরে