× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
No political case against BNP PM
google_news print-icon

বিএনপির বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক মামলা নেই: প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির-বিরুদ্ধে-কোনো-রাজনৈতিক-মামলা-নেই-প্রধানমন্ত্রী
সরকারি বাসভবন গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ফোকাস বাংলা
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, “তারা (বিএনপি) যেভাবে বলছে তাদের ৬০ লাখ লোক গ্রেপ্তার হয়েছ, ৬০ লাখ লোক ধারণ করার ক্ষমতাও নাই এসব জেলে। তারপরও যতটুকু ধারণ ক্ষমতা আছে সবই বিএনপির লোক এটাই তো তারা বলতে চাচ্ছে। তার মানে বাংলাদেশে যত অপরাধ সব অপরাধ করে বিএনপি।”

বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনো মামলাই রাজনৈতিক নয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অগ্নিসংযোগ, গ্রেনেড হামলা, আগ্নেয়াস্ত্র চোরাচালান ও দুর্নীতির মতো সুনির্দিষ্ট ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্তরাই এ সংক্রান্ত মামলার আসামি হয়েছেন।

তিনি বলেন,“আজকে তারা (বিএনপি) সব জায়গায় কান্নাকাটি বলছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা। তাদের জিজ্ঞেস করতে হবে মামলাগুলো কীসের মামলা? অগ্নিসন্ত্রাস, অস্ত্রপাচার, গ্রেনেড হামলাসহ বিভিন্ন অপরাধের মামলা। তারা অপরাধ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সেটাই তো বাস্তবতা।”

এসব মামলাগুলো দ্রুত শেষ করে এগুলোর শাস্তি দিয়ে দেয়া উচিত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা শুক্রবার সকালে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ কৃষক লীগের ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে দেয়া ভাষণে এসব কথা বলেন। খবর বাসসের

২০১৩ ও ১৪ সালে নির্বাচন বানচালের জন্য এবং পরবর্তীতে বিএনপি-জামায়াতের আগুন সন্ত্রাস ও সহিংসতার প্রসংগ টেনে তিনি বলেন, তারা ৩ হাজার ৮০০ গাড়ি পুড়িয়েছে, বাস, লঞ্চ ও রেল পুড়িয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হবে না তো কি হবে।

তিনি বলেন, ওদের বিরুদ্ধে কোনো মামলাইতো পলিটিক্যাল মামলা না, প্রত্যেকটা মামলা হচ্ছে অগ্নিসন্ত্রাসের মামলা। তারা মানুষ হত্যা করেছে আগুন দিয়ে। নির্বাচন ঠেকাতে যেয়ে তারা রেলে আগুন দিয়ে মা-শিশুকে পুড়িয়ে মেরেছে, যারা এগুলো করলো তাদের বিরুদ্ধে কি মামলা হবে না?

“যারা এগুলো করলো তাদের বিরুদ্ধে কি মামলা হবে না? তাদেরকে কি মানুষ পূজা করবে,” সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

বিএনপির নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কান্নাকাটি করে তারা সব জায়গায় বলছে এত লাখ লোক তাদের গ্রেপ্তার। সারা দেশে যত জেলখানা আছে সেগুলোর একটা ধারণ ক্ষমতা রয়েছে, তারা যত লক্ষ গ্রেপ্তার হয়েছে বলছে জেলখানাগুলোর তত ধারণ ক্ষমতা নেই।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, “তারা (বিএনপি) যেভাবে বলছে তাদের ৬০ লাখ লোক গ্রেপ্তার হয়েছ, ৬০ লাখ লোক ধারণ করার ক্ষমতাও নাই এসব জেলে। তারপরও যতটুকু ধারণ ক্ষমতা আছে সবই বিএনপির লোক এটাই তো তারা বলতে চাচ্ছে। তার মানে বাংলাদেশে যত অপরাধ সব অপরাধ করে বিএনপি।”

শেখ হাসিনা বলেন, তাদের ভাগ্য ভালো আমরা ক্ষমতায় আছি, আমরা তাদের মতো প্রতিশোধপরায়ণ না, তাই তারা এখনো কথা বলার সুযোগ পায়। তারা সারাদিন কথা বলে মাইক লাগিয়ে, তারপর বলবে কথা বলার সুযোগ পায় না।

বিরোধী দলে থাকার সময়কার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ অফিসেতো আমরা ঢুকতেই পারতাম না। কীভাবে তারা অত্যাচার করেছে আমাদের ওপর, আমরা তো তার কিছুই করি নাই। আমরা প্রতিশোধ নিতে ব্যস্ত থাকিনি। আমরা আমাদের সব শক্তি-মেধা কাজে লাগিয়েছি দেশের উন্নয়নে, দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে।

শেখ হাসিনা বলেন, তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদাংক অনুসরণ করে সমবায় ভিত্তিক কৃষি নিশ্চিত করে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি দেশের প্রতি ইঞ্চি অনাবাদি জমি চাষের আওতায় আনার মাধ্যমে সার্বিক উৎপাদন বাড়ানোর জন্য তার আহবান পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমবায় ভিত্তিক কৃষি চালু করে জমির আইল দূর করে বিপুল পরিমাণ আবাদি জমি রক্ষা করা যেতে পারে। কৃষিতে গবেষণার পাশাপাশি কৃষিকে যান্ত্রিকীকরণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “কৃষি গবেষণায় বাংলাদেশ সবচেয়ে সফল। আমাদের সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।”

প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের উদ্যোগে কৃষিখাতের উন্নয়ন এবং খাদ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থানার পদক্ষেপ সমূহের চুম্বকাংশ তুলে ধরে বলেন, “বাংলাদেশের কৃষি উন্নত হয়েছে, কারণ সরকার কৃষিখাতের গবেষণাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার কৃষি খাতে ২৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপের ফলে দেশের খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে।

তিনি বলেন, “একসময় যারা নুন-ভাত বা ডাল-ভাতের কথা ভাবতেন, তারা এখন মাছ-মাংস-ডিমের কথা ভাবেন। তাই যারা সরকারের সমালোচনা করেন, তাদের বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত যে, বাংলাদেশ উন্নত হয়েছে কি না।”

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানান সংগঠনের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ সরকার বিটু।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Chairman candidate Riazs candidature was canceled in Mathbaria
উপজেলা নির্বাচন

মঠবাড়িয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী রিয়াজের প্রার্থিতা বাতিল

মঠবাড়িয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী রিয়াজের প্রার্থিতা বাতিল ফাইল ছবি।
ভিডিও ফুটেজসহ অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা ও শুনানি নেয়ার পর আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনাটি বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন কমিশন সর্বসম্মতভাবে ওই প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করে।

নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদের প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বৃহস্পতিবার দুপুরে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় নির্বাচন কমিশনে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছিল রিয়াজ উদ্দিনকে। সোমবার (২০ মে) নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখা থেকে কমিশনের উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাকে তলবের আদেশ দেয়া হয়।

এর আগে ১৩ মে মঠবাড়িয়ার প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। ইসির পক্ষ থেকে ওইদিন প্রার্থীদের সব ধরনের সভা-সমাবেশ করতে নিষেধ করা হয়।

কমিশনের আদেশ অমান্য করে মঠবাড়িয়া পৌরসভার সামনে বিশাল মিছিল ও সমাবেশ করেন রিয়াজ। এরপর ১৪ মে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হলে রিটার্নিং অফিসারের কাছে জবাব দেন এই প্রার্থী।

সন্তোষজনক জবাব না পাওয়ায় কেন প্রার্থিতা বাতিল করা হবে না সেই ব্যাখ্যা দিতে ২৩ মে কমিশনে তলব করা হয় রিয়াজকে।

ইসি সচিব বলেন, শুনানিতে দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন রিয়াজ।

ভিডিও ফুটেজসহ অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা ও শুনানি নেয়ার পর আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনাটি বিবেচনায় নিয়ে কমিশন সর্বসম্মতভাবে এই প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করে।

আরও পড়ুন:
প্রার্থিতা বাতিল বহাল, সেলিম প্রধানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা
নরসিংদীর এক কেন্দ্রে ভোট বাতিল
ভোটগ্রহণের দিন ৩২ ট্রেনের যাত্রা বাতিল
নৌকা ঠেকাতে ঈগলের প্রার্থিতা প্রত্যাহার
রিটে প্রার্থিতা ফিরল লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের আবদুস সাত্তার পালোয়ানের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Raipura upazila election postponed

রায়পুরা উপজেলা নির্বাচন স্থগিত

রায়পুরা উপজেলা নির্বাচন স্থগিত
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে বুধবার প্রচার চালানোর সময় একজন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হন। এর পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন ওই উপজেলায় নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করেছে।

ভোটের প্রচারকালে প্রতিপক্ষের হামলায় এক প্রার্থী নিহত হওয়ার পর নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলা পরিষদের সব পদে নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়েছেন।

ইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্বাচনের আগে একজন বৈধ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় রায়পুরা উপজেলা পরিষদের সব পদে নির্বাচন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

জানা গেছে, বুধবার নির্বাচনী প্রচার চালানোর সময় সুমন মিয়া নামে একজন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী অপর প্রার্থীর লোকজনের হামলায় নিহত হন।

আইন অনুযায়ী, কোনো বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হলে সেখানে সব পদে ভোট স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন:
নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস হলে গণতন্ত্র থাকবে না: ইসি রাশেদা
৪ জুলাই যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচন, জানালেন ঋষি সুনাক
মাত্র ১১ শতাংশ ভোটেই উপজেলা চেয়ারম্যান
চমক দেখালেন তৃতীয় লিঙ্গের মুন্নী
কালীগঞ্জে চাচাকে হারিয়ে এমপিপুত্রের জয়লাভ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Investigation will come out whether the MP is involved in Annas crime who

এমপি আনার অপরাধে জড়িত কি না, তদন্তে বেরিয়ে আসবে: কাদের

এমপি আনার অপরাধে জড়িত কি না, তদন্তে বেরিয়ে আসবে: কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
কাদের বলেন, ‘ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারকে তৃতীয়বার মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল তার জনপ্রিয়তার জন্য। এলাকায় গিয়ে দেখেন, তার জন্য শোকার্ত এলাকার মানুষেরা। ভেতরে সে কোনো অপকর্ম করে কি না এসব যখন প্রমাণ হয়, তখন শেখ হাসিনা কাউকে ছাড় দেন না দলের লোক হলেও। জিরো টলারেন্স নীতি তার।’

ভারতে চিকিৎসা করাতে গিয়ে খুন হওয়া ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনার অপরাধে জড়িত ছিলেন কি না, তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে নবগঠিত যুব ও ক্রীড়া উপকমিটির সদস্যদের পরিচিতি সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

কলকাতার নিউটাউন এলাকার সঞ্জিভা গার্ডেন থেকে বুধবার সকালে এমপি আনারের মরদেহ উদ্ধারের খবর জানায় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।

এর আগে গত রোববার আনারের নিখোঁজ হওয়ার খবরটি সংবাদমাধ্যমকে জানান তার ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) আবদুর রউফ।

কাদের বলেন, ‘ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারকে তৃতীয়বার মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল তার জনপ্রিয়তার জন্য। এলাকায় গিয়ে দেখেন, তার জন্য শোকার্ত এলাকার মানুষেরা। ভেতরে সে কোনো অপকর্ম করে কি না এসব যখন প্রমাণ হয়, তখন শেখ হাসিনা কাউকে ছাড় দেন না দলের লোক হলেও। জিরো টলারেন্স নীতি তার।

‘ভারতের গণমাধ্যমে এসেছে চোরাচালানের কথা। তার মৃত্যুর আগে দেশের কোনো সাংবাদিকের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে কেন বিষয়টা এলো না?’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের সঙ্গে জিয়াউর রহমান জড়িত না থাকলে খুনিদের কেন নিরাপদে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিলেন? বিভিন্ন দূতাবাসে খুনিদের চাকরি দিয়েছেন। সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী এনে খুনিদের দায়মুক্তি দিতে বিচারের পথ রুদ্ধ করেছেন। সাংবিধানিকভাবে খুনিদের বিচারের পথ কেন রুদ্ধ করলেন, মির্জা ফখরুলের কাছে জানতে চাই।’

জিয়াউর রহমানের বাকশালের সদস্য হয়েছিলেন দাবি করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সেনাবাহিনী প্রধানের বাকশালের সদস্য পদ হবার নিয়ম ছিল, কিন্তু উপ-সেনাপ্রধানের সে সুযোগ ছিল না। ‘জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর কাছে দরখাস্ত করে কাকুতি-মিনতি করে বাকশালের সদস্য হয়েছিলেন। এর প্রমাণ আছে। বাকশালের ৭১ নম্বর সদস্য। ইতিহাস নিয়ে বিএনপি বারবার মিথ্যাচার করছে।’

বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ‘বিএনপি বলছে, আজকে ছাত্রলীগ যুবলীগ নাকি অর্থ পাচার করছে। অর্থ পাচারে বিএনপি সুপরিচিত। সিঙ্গাপুর, আমেরিকায় কে অর্থপাচার করেছে? তারেক রহমান ও কোকো। সিঙ্গাপুরে পাচার হওয়া অর্থের একটা অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। এফবিআই ঢাকায় এসে সাক্ষ্য দিয়ে গেছে।

‘নিজেরা যে অপরাধে অপরাধী, তার দায় তারা ছাত্রলীগ যুবলীগের ওপর চাপাতে চায়। এরা কত মিথ্যাচার অপপ্রচার করতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক নানাবিধ কারণে ডলার সংকটে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি। সরকার বসে নেই। কাজ করে যাচ্ছে।’

বক্তব্যে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে হতাশার কোনো কারণ নেই মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, ‘ক্রিকেট অনেক এগিয়ে গেছে। ফুটবলটা আরও এগোতে পারত। বিশ্বকাপ ফুটবলে যখন দেখি আইসল্যান্ডের মতো দেশ খেলছে, তখন ভাবি আমরা কেন পারি না?’

আরও পড়ুন:
বাবা হত্যার বিচারে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চান আনারকন্যা
কলকাতার বাসায় এমপি আনারকে পরিকল্পিত হত্যা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভারতে গিয়ে নিখোঁজ এমপি আনারের মরদেহ উদ্ধার
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাক্টে আজিজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা: কাদের
ঢাকা শহরে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলার অনুমতি প্রধানমন্ত্রীর: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
14 parties are sitting in the meeting

বৈঠকে বসছে ১৪ দল

বৈঠকে বসছে ১৪ দল ১৪ দলীয় জোটের নেতারা। ফাইল ছবি
সন্ধ্যা ৭টায় আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে তার সভাপতিত্বে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট ১৪ দলের বৈঠক বৃহস্পতিবার।

সন্ধ্যা ৭টায় আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে তার সভাপতিত্বে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাসময়ে বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এই বৈঠক হতে যাচ্ছে প্রথম বৈঠক। এমন সময়ে এই বৈঠক হতে যাচ্ছে যখন জোটটি নিষ্ক্রিয় বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

জোটটির নেতাদের বিভিন্ন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Only 11 percent votes are upazila chairman

মাত্র ১১ শতাংশ ভোটেই উপজেলা চেয়ারম্যান

মাত্র ১১ শতাংশ ভোটেই উপজেলা চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান সরকার। ছবি: সংগৃহীত
পাবনার ফরিদপুর উপজেলার খলিলুর রহমান সরকার উপজেলার মোট ভোটের মাত্র ১১.১৫ শতাংশ ভোটেই উপজেলার জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই উপজেলায় ভোট পড়েছে ৩৭.৪৬ শতাংশ।

পাবনার তিনটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের মধ্যে চাটমোহর উপজেলায় সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মির্জা রেজাউল করিম দুলাল, ভাঙ্গুড়া উপজেলায় স্থানীয় সংসদ সদস্যের ছেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম হাসনাইন রাসেল এবং ফরিদপুর উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খলিলুর রহমান সরকার বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

এর মধ্যে ফরিদপুরের খলিলুর রহমান সরকার উপজেলার মোট ভোটের মাত্র ১১.১৫ শতাংশ ভোটেই উপজেলার জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই উপজেলায় ভোট পড়েছে ৩৭.৪৬ শতাংশ।

এছাড়া চাটমোহরে মির্জা রেজাউল করিম দুলাল মাত্র ১৫.৮১ শতাংশ ভোট পেয়ে উপজেলার জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন। এই উপজেলায় মোট ভোট পড়েছে মাত্র ১৮.০১ শতাংশ। আর ভাঙ্গুড়ার গোলাম হাসনাইন রাসেল মোট ভোটের ৩০.৫৮ শতাংশ পেয়েছেন। এই উপজেলায় মোট ভোট পড়েছে ৩৩.৮০ শতাংশ।

মঙ্গলবার রাতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের স্বাক্ষরিত বেসরকারি ফলাফল বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

চাটমোহর উপজেলায় মির্জা রেজাউল করিম দুলাল আনারস প্রতীকে ৩৯ হাজার ৩৩৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাইদুল ইসলাম চৌধুরী ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ১৬২ ভোট।

এই উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ২ লাখ ৪৮ হাজার ৬০৫ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৮৭টি। এখানে মোট ভোট পড়েছে ৪৮ হাজার ৮০৬টি, যা মোট ভোটের ১৮.০১ শতাংশ।

ফরিদপুর উপজেলায় দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে ১২ হাজার ৫৫৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন খলিলুর রহমান সরকার। এই উপজেলায় ৭ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোটরসাইকেল প্রতীকের আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ১২ হাজার ৪০০ ভোট।

এই উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ৬টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ১ লাখ ১২ হাজার ৫৪১ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৪৫টি। এখানে মোট ভোট পড়েছে ৪২ হাজার ১৬৩টি, যা মোট ভোটের ৩৭.৪৬ শতাংশ।

অন্যদিকে, ভাঙ্গুড়া উপজেলায় মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী গোলাম হাসনাইন রাসেল ৩১ হাজার ৫৫৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী এম মেছবাহুর রহমান রোজ পেয়েছেন ২ হাজার ৬৭৯ ভোট। অপর প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আনারস প্রতীকের মো. বাকি বিল্লাহ পেয়েছেন ৫৪১ ভোট।

এমপিপুত্র রাসেলের বিরুদ্ধে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ তুলে আগেই নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান বাকি বিল্লাহ।

এই উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ৬টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ১ লাখ ৩ হাজার ১৯১ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৪৫টি। এখানে মোট ভোট পড়েছে ৩৪ হাজার ৮৭৩টি, যা মোট ভোটের ৩৩.৮০ শতাংশ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chhatra Dal protests in Nayapaltan against the attack on Shravan

শ্রাবণের ওপর হামলার প্রতিবাদে নয়াপল্টনে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

শ্রাবণের ওপর হামলার প্রতিবাদে নয়াপল্টনে ছাত্রদলের বিক্ষোভ সাবেক ছাত্রদল নেতা শ্রাবণের ওপর হামলার প্রতিবাদে বুধবার নয়াপল্টনে বিক্ষোভ মিছিল করে ছাত্রদল। ছবি: নিউজবাংলা
নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বুধবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে নাইটিংগেল মোড় ঘুরে পুনরায় পার্টি অফিসের অপর পাশের সড়কে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে ছাত্রদল।

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বুধবার দুপুর ১টায় এই মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি নাইটিংগেল মোড় ঘুরে পুনরায় পার্টি অফিসের অপর পাশের সড়কে এসে শেষ হয়।

যুবদল ও ছাত্রদলের বর্তমান এবং সাবেক নেতারা মিছিলে অংশ নেন।

এর আগে মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির সামনে রড, চাপাতি, রামদা ও হকিস্টিক নিয়ে শ্রাবণের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এতে গুরুতর আহত হন শ্রাবণ। তাকে উদ্ধার করে পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

শ্রাবণ এবং সংগঠনের দাবি, ছাত্রলীগ এই হামলা চালিয়েছে।

এদিকে বিক্ষোভ মিছিল শেষে নয়াপল্টনে সংক্ষিপ্ত পথসভা করে ছাত্রদল। এতে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছিরের পরিচালনায় পথসভায় বক্তব্য দেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোনায়েম মুন্না প্রমুখ।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘ছাত্রলীগকে এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যেন তারা সন্ত্রাসী, টাকা পাচারকারী হয়। এটা এখন প্রমাণিত। এরা জনগণের দুশমন। সরকারকে বলব, এই বাংলায় সহসাই কালবৈশাখীর ঝড় হবে। ফ্যাসিস্ট সরকার ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কালবৈশাখী ঝড়ের চেয়েও ভয়ঙ্কর হবে।’

ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকেন্দ্রিক লক্ষাধিক টাকার অবৈধ চাঁদাবাজির খবর সম্প্রতি প্রমাণসহ সংবাদমাধ্যমগুলোতে উঠে এসেছে। সাবেক সেনাপ্রধানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার খবরও প্রকাশ হয়েছে।

‘আওয়ামীলীগের জন্য খুবই বিব্রতকর এই দুই সংবাদ থেকে দেশবাসীর দৃষ্টি সরানোর জন্যই মূলত সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মওলা রনি ও কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণের ওপর হামলা করা হয়েছে। ছাত্রদল এই হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। অচিরেই এসব হামলার জবার দেয়া হবে।

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ, পূর্ব-পশ্চিম, ঢাকা কলেজ, তিতুমীর কলেজ, তেজগাঁও কলেজ, কবি নজরুল কলেজ, বাংলা কলেজ, ইডেন কলেজ, বদরুন্নেসা কলেজ ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
হামলায় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শ্রাবণসহ দুজন আহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Govt responsible for ban on Gen Aziz Fakhrul

জেনারেল আজিজের ওপর নিষেধাজ্ঞার জন্য সরকার দায়ী: ফখরুল

জেনারেল আজিজের ওপর নিষেধাজ্ঞার জন্য সরকার দায়ী: ফখরুল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বাইরে মিডিয়াগুলো থেকে অনেকবার আজিজের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু সরকার সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়নি। এখনও তারা যা বলছে সেটা রাজনৈতিক কথাবার্তা। সেনাবাহিনী হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে ভরসার একটি প্রতিষ্ঠান। সেই সেনাবাহিনীকে যদি সরকারের কারণে হেয়প্রতিপন্ন হতে হয়, সেটা এদেশের মানুষ মেনে নেবে না।’

সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার জন্য সম্পূর্ণভাবে সরকার দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে যৌথসভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলে মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, ‘দেখুন, কত বড় লজ্জার কথা। সাবেক সেনাপ্রধান আজিজের বিরুদ্ধে আমেরিকা থেকে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। এটা আমাদের জাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জার। এজন্য দায়ী সম্পূর্ণভাবে সরকার। তারা সেনাবাহিনীকে অন্যায়ভাবে ব্যবহারের চেষ্টা করার কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে।

‘বাইরে মিডিয়াগুলো থেকে অনেকবার আজিজের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু সরকার সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়নি। এখনও তারা যেটা বলছে সেটা রাজনৈতিক কথাবার্তা। সেনাবাহিনী হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে ভরসার একটি প্রতিষ্ঠান। সেই সেনাবাহিনীকে যদি সরকারের কারণে হেয়প্রতিপন্ন হতে হয়, সেটা কখনোই এদেশের মানুষ মেনে নেবে না।’

এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘র‌্যাবের যেসব কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা এলো, তা থেকে তো তারা (সরকার) কোনো শিক্ষা নিল না। তাদের মধ্যে একজন আইজিপিও হলেন। এখনও মনে হয় আছেন। এটার কতটুকু প্রভাব এদের ওপর পড়ে আমার ধারণা নেই। তারা (সরকার) তাদের ক্ষমতায় থাকার লক্ষ্যকে চূড়ান্ত করার জন্য এই বাহিনীগুলোকে ব্যবহার করে।’

উপজেলা নির্বাচন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই নির্বাচন নিয়ে কোথাও প্রতিক্রিয়া দেখছি না। কেউ লক্ষ্যও করছে না যে নির্বাচন হচ্ছে। কোথাও আলোচনা, কথাবার্তাও নাই। নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর থেকেই মানুষের আস্থা চলে গেছে। এই সরকার এটা করেছে।’

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের মরদেহ ভারতে উদ্ধার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিক নয়, তাদের (বাংলাদেশ সরকার) তথাকথিত সংসদ সদস্য বিদেশে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে গেলেন, তার কোনো খবর দিতে পারল না। না পারলো বাংলাদেশ সরকার, না পারলো তাদের বন্ধুরাষ্ট্র ভারত। আমরা কী মনে করব? এদের একমাত্র লক্ষ্য হচ্ছে দুর্নীতি করা। টাকার পাহাড় তৈরি করা, বিদেশে পাঠানো।’

তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গোলাম মাওলা রনির গাড়িতে হামলা হয়েছে। কারণ একটাই, রনি তার বিভিন্ন বক্তব্যে সরকারের সমালোচনা করেন। অর্থাৎ সমালোচনা করা যাবে না। আর সে কারণে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ করা হয়েছে।’

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের শাহাদাতকে আমরা কখনও খাটো করে দেখতে পারি না। একটা সাধারণ ঘটনা মনে করি না। একটা গভীর চক্রান্তে বাংলাদেশে সম্পূর্ণভাবে পরনির্ভরশীল নেতৃত্ব সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই সেদিন জাতীয়তাবাদী নেতা জিয়াউর রহমানকে হত্যা করা হয়। আর ওই হত্যাকাণ্ডের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে বিনষ্ট করে দেয়া হয়।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকের শাসক গোষ্ঠী জিয়াউর রহমানের নাম ইতিহাস থেকে মুছে ফেলতে চায়। তাকে খলনায়কে পরিণত করার জন্য তারা সেই কাজ শুরু করেছে। প্রাথমিক স্কুল থেকে শুরু করে সব জায়গায় ইতিহাসকে বিকৃত করা হচ্ছে।

‘কয়েকদিন আগে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জিয়াউর রহমান নাকি বাকশালে যোগ দিয়েছিলেন! এটা পুরোপুরিভাবে একটা সত্যের অপলাপ। জিয়াউর রহমান কখনোই বাকশালের ফরম পূরণ করেননি। এভাবে মিথ্যা কথা বলে বলে তারা জিয়াউর রহমানকে ভিন্নভাবে পরিচিত করতে চান।’

আরও পড়ুন:
বিরোধীদের কারাগারে পাঠানো সরকারের প্রধান কর্মসূচি হয়ে দাঁড়িয়েছে: ফখরুল
বাংলাদেশকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে ভারত: ফখরুল
যুক্তরাষ্ট্র আগের অবস্থানে আছে, ফখরুল কী করে জানলেন: কাদের
জনগণের শক্তিতে ভর করেই আন্দোলন করছি: ফখরুল
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বিভাজন ভুলে কাজ করা উচিত: ফখরুল

মন্তব্য

p
উপরে