× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Two youths were hacked to death in Chakaria
google_news print-icon

চকরিয়ায় দুই যুবককে কুপিয়ে হত্যা

চকরিয়ায়-দুই-যুবককে-কুপিয়ে-হত্যা
ফাইল ছবি
বিগত ইউপি নির্বাচনে বর্তমান মেম্বার জাহেদুল ইসলামের সঙ্গে সেলিম ও শফিউল আলমের বড় ভাই শামসুল আলম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনের দিন দু’পক্ষে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা স্থানীয়দের।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সেলিম ও শফিউল আলম নামে দুই যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী। এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে গত ইউপি নির্বাচনের সৃষ্ট বিরোধের জের রয়েছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার সুরাজপুর মানিকপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরপাড়ায় এই জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সেলিম ওই এলাকার নূর মোহাম্মদের ছেলে। অপরজন শফিউল আলম একই এলাকার আবু সালামের ছেলে।

নিহত সেলিমের পিতা নুর মোহাম্মদ জানান, স্থানীয় ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহেদুল ইসলাম ও সেলিমের মধ্যে গত ইউপি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। এর জের ধরে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে মানিকপুর উত্তরপাড়া বাজার এলাকার নবীন ক্লাবের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় জাহেদুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল ভাড়াটে সন্ত্রাসী অতর্কিত হামলা চালায় নিহতদের ওপর।

ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত সেলিমকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। অপরজন শফিউল আলমের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে নেয়ার পথে রাত সাড়ে ১২টার দিকে শফিউল আলমের মৃত্যু হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেনে সুরাজপুর মানিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিমুল হক।

প্রসঙ্গত, বিগত ইউপি নির্বাচনে বর্তমান মেম্বার জাহেদুল ইসলামের সঙ্গে সেলিম ও শফিউল আলমের বড় ভাই শামসুল আলম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনের দিন দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার জের ধরে এই জোড়া হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা স্থানীয়দের।

চকরিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘নিহত দুজনই একটি হত্যা মামলার আসামি। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্বের জের ধরে এই হত্যার ঘটনা ঘটেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
কুমিল্লায় অপহরণের পর যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, সাবেক চেয়ারম্যান আটক
সর্বহারা নেতা রাজ্জাক হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৫
বন কর্মকর্তা হত্যা মামলার প্রধান আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার
বাগেরহাটে হাত-পা ও মুখ বাঁধা এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার
গাইবান্ধার আলোচিত লেবু শেখ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Two DU students arrested and released on bail in robbery case

দস্যুতার মামলায় দুই ঢাবি শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার, পরে জামিন

দস্যুতার মামলায় দুই ঢাবি শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার, পরে জামিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি
নাফিজ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবীর শয়নের আর বাঁধন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতের অনুসারী বলে ক্যাম্পাসে পরিচিত।

মারধর করে প্রায় দুই লাখ টাকা ডাকাতির মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) দুই শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে শাহবাগ থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৩ মে) তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শুক্রবার তাদের আদালতে তোলা হলে জামিন পেয়েছেন তারা।

গত ২১ এপ্রিল মো. রুবেল নামের এক ব্যবসায়ী তিনজনের নাম উল্লেখ করে আরও ৫/৬ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে শাহবাগ থানায় মামলা করেন। অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে এই দুই শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- নিশান, রাসেল মিয়া ও রাফি। তাদের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাজিব শেখ বলেন, ‘দস্যুতার মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন শিক্ষার্থী নাফিজ ফুয়াদ এবং মাহিদুর রহমান বাঁধনকে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার করে পরদিন আদালতে পাঠানো হয়। বর্তমানে তারা জামিনে আছেন।’

এই মামলায় সর্বমোট কতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে- জানতে চাইলে রাজিব শেখ বলেন, ‘মোট কতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সেটি আমি বলতে পারব না। কারণ এটি তদন্তাধীন মামলা।’

নাফিজ ফুয়াদ ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি। মাহিদুর রহমান বাঁধন নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী এবং ফজলুল হক মুসলিম হল ছাত্রলীগের পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক।

এদের মধ্যে নাফিজ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবীর শয়নের আর বাঁধন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতের অনুসারী বলে ক্যাম্পাসে পরিচিত।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি শয়ন বলেন, ‘বিষয়টি আমরা পর্যবেক্ষণে রেখেছি। আদালতের রায়ে যদি তারা দোষী সাব্যস্ত হয় তাহলে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব।’

মামলার এজাহারে ভুক্তভোগী মো. রুবেল লেখেন, ‘আমি গার্মেন্টস এক্সেসরিজ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকায় এক নম্বর আসামি নিশানের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। গত ১৫ এপ্রিল নিশান আমাকে দরকারি কথা আছে বলে শাহবাগ থানাধীন সুপার হোস্টেলে আসতে বলায় আমি সেখানে যাই। সেখানে তার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলার পর খাবার খাওয়াবে বলে সে আমাকে নিচে নামালে রাসেল, রাফিসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা তিনটি মোটরসাইকেলে করে আমাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের নির্জন জায়গায় নিয়ে যায়। ঈদের বন্ধ থাকার কারণে সেখানে খুব কম লোকের আনাগোনা ছিল।

‘তখন নিশান বাকী আসামিদের বলে, আমার কাছে অনেক টাকা আছে, ব্যাংক ব্যালেন্সও অনেক আছে। এরপর আমাকে মোবাইলের লক খুলতে বলা হলে আমি অস্বীকৃতি জানালে অজ্ঞাতনামা আসামিরা আমাকে খেলার মাঠে ফেলে লাথি, কিল-ঘুষি মারতে থাকে। প্রচণ্ড মারধরের কারণে আমি মোবাইলের খুলে দেই।

‘এরপর তারা আমার মোবাইলের সিটি ব্যাংকের অ্যাপ থেকে আমার বিকাশ অ্যাকাউন্টে পঞ্চাশ হাজার টাকা সেন্ডমানি করে সেখান থেকে তাদের বিকাশ অ্যাকাউন্টে নিয়ে নেয়। পরে আমার নগদ অ্যাকাউন্ট থেকে ৪৯ হাজার ৯৩৫ টাকা, রকেট অ্যাকাউন্ট থেকে ২০ হাজার ৬০০ টাকা এবং এটিএম কার্ডের পিন নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাচ বাংলা ব্যাংকের বুথ থেকে আরও ৫০ হাজার টাকা আসামিরা নিয়ে নেয়।’

এজাহারে ভুক্তভোগী রুবেল বলেন, ‘আসামিরা আামার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি নিয়ে খালি স্ট্যাম্পে আমার স্বাক্ষর নেয়। এরপর রাত সাড়ে আটটায় আমার মানিব্যাগ থেকে আরও ৫ হাজার টাকা নিয়ে আমার এটিএম কার্ড, মোবাইল ফেরত দিয়ে আমাকে মাঠ থেকে বের করে দেয়া হয়।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. মাকসুদুর রহমান বলেন, ‘দুই শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তারের খবর পেয়েছি। থানা থেকে এখনও আমরা মামলার কাগজপত্র পাইনি। পেলে আমরা বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।’

আরও পড়ুন:
শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলা: ড. ইউনূসের জামিন ৪ জুলাই পর্যন্ত
যাত্রীবেশে চালকের গলা কেটে অটোরিকশা ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৩
পুলিশের ওপর হামলা মামলার আসামি মিঠু চেয়ারম্যান বরখাস্ত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Attempts were made to kill MP Annar twice before DB

এমপি আনারকে আগেও দু’বার হত্যার চেষ্টা হয়েছে: ডিবি

এমপি আনারকে আগেও দু’বার হত্যার চেষ্টা হয়েছে: ডিবি এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার (বাঁয়ে); সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন ডিএমপি ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ। কোলাজ: নিউজবাংলা
ডিএমপি ডিবি প্রধান জানান, ৬ জাতীয় নির্বাচনের আগে এবং পরবর্তীতে ওই মাসেই এমপি আনারকে খুনের পরিকল্পনা করেছিলেন হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড আক্তারুজ্জামান শাহীন ও আমানুল্লাহ আমান ওরফে শিমুল ভূঁইয়া। কিন্তু তাদের পাতা ফাঁদে পা না দেয়ায় দু’বারই বেঁচে যান তিনি।

ঝিনাইদহ-৪ আসনের তিনবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে এর আগেও দু’বার হত্যার চেষ্টা করা হয়। তৃতীয় বারের চেষ্টায় ঘাতকরা হত্যাকাণ্ড ঘটাতে সক্ষম হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ শনিবার রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

ডিএমপি ডিবি প্রধান জানান, ৬ জাতীয় নির্বাচনের আগে এবং পরবর্তীতে ওই মাসেই এমপি আনারকে খুনের পরিকল্পনা করেছিলেন হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড আক্তারুজ্জামান শাহীন ও আমানুল্লাহ আমান ওরফে শিমুল ভূঁইয়া। কিন্তু তাদের পাতা ফাঁদে পা না দেয়ায় দু’বারই বেঁচে যান আনার।

তিনি জানান, খুনিদের পরিকল্পনা ছিল হত্যার আগে সংসদ সদস্য আনোয়ারুলকে জিম্মি করে ব্ল্যাকমেইল করা। তার আপত্তিকর ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল করে হুন্ডির মাধ্যমে এবং কলকাতায় থাকা তার বন্ধুদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করার পরিকল্পনা ছিল তাদের।

আনার কলকাতার ভাড়া করা ওই ফ্ল্যাটে যাওয়ার পর তার মুখে চেতনানাশক ব্যবহার করায় তিনি জ্ঞান হারান। অজ্ঞান অবস্থায় আনারের আপত্তিকর ছবি তোলা হয়। হত্যাকারীদের মূল টার্গেট ছিল আনারকে হত্যা করা। আর শেষ পর্যন্ত তারা সেটা করেছে।

হারুন বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের মদতদাতা আক্তারুজ্জামান শাহিন ৩০ এপ্রিল কলকাতায় তিনজনকে নিয়ে যান। সেই দলে একজন নারীও ছিলেন। কিলিং মিশন বাস্তবায়নে পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির নেতা আমানুল্লাহ আমান ওরফে শিমুল ভুঁইয়াকে বুঝিয়ে দিয়ে শাহিন ১০ মে পর্যন্ত কলকাতায় অবস্থান করে দেশে ফেরেন।

‘গ্রেপ্তার আসামিদের কাছ থেকে আমরা বেশকিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছি। ভারতীয় পুলিশ আমাদের এখানে কাজ করছে। তাদের কাজ শেষ হলে আমরাও কলকাতায় চলে যাব।’

কী কারণে এমপি আনারকে হত্যা করা হয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এই হত্যার পেছনে অনেক কারণই থাকতে পারে। কী কারণে হত্যা করা হয়েছে, সেটি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হত্যার মূল কারণ তদন্ত শেষে বলা যাবে।’

অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, আগেও সংসদ সদস্য আনোয়ারুলকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। সবশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তাকে একবার হত্যার চেষ্টা করা হয়। তখন তারা ব্যর্থ হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ১৭ থেকে ১৮ তারিখ পর্যন্ত সংসদ সদস্য আনোয়ারুল কলকাতায় যান। সে সময় খুনিরাও তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কলকাতায় যায়। কিন্তু হোটেলে থাকার কারণে সেই চেষ্টাও ব্যর্থ হয়। তৃতীয় দফায় তারা সফল হয়েছে।’

ডিবি প্রধান বলেন, সংসদ সদস্য আনার হত্যার ঘটনা তদন্তে ভারতীয় পুলিশের একটি দল ঢাকায় কাজ করছে। পাশাপাশি আমাদের হাতে গ্রেপ্তার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ করে আমরা দুটি বিষয় পেয়েছি। দুটি গ্রুপ এখানে কাজ করেছে। একটি গ্রুপ মদদ দিয়েছে, আরেকটি গ্রুপ হত্যাকাণ্ড বাস্তবায়নে কাজ করেছে।

এই হত্যার সঙ্গে স্বর্ণ চোরাচালান চক্রের কোনো সম্পৃক্ততা আছে কি না জানতে চাইলে ডিবিপ্রধান বলেন, ‘নির্দিষ্ট করে কোনো কিছুই বলা যাবে না। তবে অনেক বিষয় আছে। তদন্ত শেষ করে আমরা জানাতে পারব।’

আরও পড়ুন:
এমপি আনার হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি: হারুন
এমপি আনার হত্যা: অপরাধী হলে শিলাস্তির বিচার চান দাদা
এমপি আনার হত্যা মামলায় ৩ আসামি রিমান্ডে
এনডিটিভির প্রতিবেদনে এমপি আনার হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা
হাজারও মানুষের জানাজায় অংশ নেয়া এমপি আনারের মরদেহই মিলছে না

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The exact reason behind the killing of MP Anna Harun is not yet known

এমপি আনার হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি: হারুন

এমপি আনার হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি: হারুন রাজধানীর মিণ্টো রোডের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন ডিএমপি ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ। ছবি: নিউজবাংলা
ডিএমপি ডিবি প্রধান বলেন, ‘খুনিরা কলকাতার ফ্ল্যাটে এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারকে হত্যার পর চারটি মোবাইল ফোন সেট নিয়ে বেনাপোল সীমান্তবর্তী এলাকায় আসে এবং পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হত্যাকাণ্ডে ফাঁসাতে তাদেরকে ফোন করে।’

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যার পেছনে ব্যবসায়িক লেনদেন, আধিপত্য বিস্তারসহ অনেক কারণ থাকতে পারে। তবে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ এখনও জানা যায়নি।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ শনিবার সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। সূত্র: ইউএনবি

রাজধানীর মিণ্টো রোডে ডিবি’র সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তিন সদস্যের একটি দল শনিবার রাত বা রোববার সকালের মধ্যে ভারতের উদ্দেশে রওনা হবে।

বাংলাদেশ পুলিশের পাশাপাশি কলকাতা পুলিশও সংসদ সদস্য আনার হত্যার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত করছে। তারা ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সফর করেছে।

ডিএমপি ডিবি প্রধান বলেন, ‘অপহরণের পর খুনিরা এমপি আনারকে ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। তারপর খুনিরা তার একটি ফোন অন্য জায়গায় নিয়ে যায়। উদ্দেশ্য, এটা বুঝানো যে তিনি অন্য জায়গায় আছেন।

‘এছাড়া খুনিরা তাকে হত্যার পর চারটি মোবাইল ফোন সেট নিয়ে বেনাপোল সীমান্তবর্তী এলাকায় আসে এবং পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হত্যাকাণ্ডে ফাঁসাতে তাদেরকে ফোন করে।’

মরদেহ পাওয়া যায়নি অথচ পুলিশ কেন এটাকে হত্যাকাণ্ড বলছে- এমন প্রশ্নের জবাবে হারুন বলেন, ‘এমন অনেক মামলা আছে যেখানে বছরের পর বছর ধরে লাশ পাওয়া যায়নি।’

প্রসঙ্গত, এমপি আনার চিকিৎসার জন্য ১১ মে কলকাতায় যান এবং ১৪ মে থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ২২ মে বলেন, কলকাতার অদূরে নিউ টাউনের একটি ফ্ল্যাটে তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে।

এমপি আনারের মৃত্যুর ঘটনায় ২২ মে একটি মামলা দায়ের করা হয়।

ইতোমধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার তিন আসামির আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

আরও পড়ুন:
এমপি আনার হত্যা: অপরাধী হলে শিলাস্তির বিচার চান দাদা
এমপি আনার হত্যা মামলায় ৩ আসামি রিমান্ডে
এনডিটিভির প্রতিবেদনে এমপি আনার হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা
হাজারও মানুষের জানাজায় অংশ নেয়া এমপি আনারের মরদেহই মিলছে না
মাঠের মাঝে শাহীনের রহস্যঘেরা বাংলো

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Killing of MP Anna Dada wants punishment for the culprit

এমপি আনার হত্যা: অপরাধী হলে শিলাস্তির বিচার চান দাদা

এমপি আনার হত্যা: অপরাধী হলে শিলাস্তির বিচার চান দাদা এমপি আনার হত্যাকাণ্ডে জড়িত হিসেবে নাম এসেছে শিলাস্তি রহমানের। ছবি: নিউজবাংলা
দাদা সেলিম মিয়া বলেন, ‘আরিফুর রহমানের দুই সন্তান। শিলাস্তি বড় ও সুবাহ ছোট। ভাতিজা ঝুট ব্যবসায়ী। ছোট বেলা থেকেই ঢাকার উত্তরায় বসবাস করে। মাঝেমধ্যে গ্রামের বাড়িতে এলেও দুই/একদিন থেকেই চলে যায়। যতটুকু দেখেছি, আমার নাতনী শিলাস্তির চলাফেরা উচ্ছৃঙ্খল। সে অপরাধী হয়ে থাকলে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।’

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডে জড়িয়ে গেছে একটি নাম- শিলাস্তি রহমান। তথ্য বেরিয়েছে, শিলাস্তি রহমান হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী শিমুল ভূঁইয়ার পরিকল্পনার অংশ হয়ে হত্যাকাণ্ডে সহযোগীর ভূমিকা রেখেছেন। তাকে দিয়ে টোপ ফেলেই

এমপি আনারকে তার বন্ধুর বাসা থেকে ঘাতকদের ফ্ল্যাটে নেয়া হয়।

টাঙ্গাইলের নাগরপুরের এই তরুণী বাস্তবিকই যদি অপরাধী হয়ে থাকেন তাহলে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছেন দাদা বীর মুক্তিযোদ্ধা সেলিম মিয়া।

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ধুবরিয়া ইউনিয়নের পাইসানা গ্রামের মিয়া বাড়ির সন্তান শিলাস্তি রহমান। শনিবার দুপুরে সরজমিনে দেখা গেছে, বাড়িটি পুরোপুরি ফাঁকা। শিলাস্তিদের টিনের ঘরের দরোজায় তালা ঝুলছে। টিনের ঘরের পাশেই নির্মাণ করা হয়েছে দোতলা একটি বাড়ি। তবে বাড়ির ভেতরে কোনো আসবাবপত্র নেই।

এমপি আনার হত্যা: অপরাধী হলে শিলাস্তির বিচার চান দাদা
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার নাগরপুর পাইসানা গ্রামের মিয়া বাড়ির সন্তান শিলাস্তি (বাঁয়ে); দাদা সেলিম মিয়া। ছবি: নিউজবাংলা

এ সময় পাশের ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সেলিম মিয়া। তিনি শিলাস্তির বাবা আরিফুর রহমানের বাবার ছোট ভাই।

সেলিম মিয়া জানান, তার ভাতিজা আরিফুর রহমানের দুই সন্তান। শিলাস্তি বড় ও সুবাহ ছোট। তাদের কোনো ভাই নেই। আরিফুর রহমান একজন জুট ব্যবসায়ী। ছোট বেলা থেকেই তারা ঢাকার উত্তরায় বসবাস করেন। মাঝেমধ্যে গ্রামের বাড়িতে এলেও দুই/একদিন পরই আবার ঢাকায় চলে যান। গ্রামে পাড়া-প্রতিবেশী কারও সঙ্গেই ওদের তেমন কোনো কথাবার্তা হয় না।

তিনি বলেন, ‘আমার নাতনী শিলাস্তির চলাফেরা উচ্ছৃঙ্খল এবং বাড়ির বাইরে দিনের পর দিন সময় কাটায়। এসব কারণে ওদের সঙ্গে কথা বলা বাদ দিয়েছি। আমার পরিবারের লোকজনও ওদেরকে এড়িয়ে চলে।

‘বাড়িতে অল্প সময়ের জন্য এলেও শিলাস্তির যে ড্রেসআপ তা দেখে মনে হতো ওর বাবা কোটিপতি। সে বাড়িতে বসেই সবার সামনে সিগারেটও টানে। আমি বাধা দিলেও শুনতো না। পরে আর বাধা দেয়ারও চেষ্টা করিনি। আমার নাতনী শিলাস্তি অপরাধ করে থাকলে তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করছি।’

স্থানীয় লোকজন জানায়, শিলাস্তি রহমান ও তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই ঢাকায় বসবাস করে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর পরই শিলাস্তি রহমানের দাদার সম্পত্তি তার বাবা আরিফুর রহমান বিক্রি করে ঢাকায় চলে যায়। বাড়িটা থাকলেও তারা কেউ এখানে তেমন একটা আসে না।

এ বিষয়ে নাগরপুরের ধুবরিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান খান বলেন, ‘ওরা অনেক আগে থেকেই ঢাকায় থাকে। কেউ সঠিকভাবে বলতেও পারে না যে শিলাস্তি কোথাকার। এখন আমরা জানতে পারলাম যে তার বাড়ি নাগরপুরে। গতকাল (শুক্রবার) পর্যন্তও বিষয়টি জানতাম না।

নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন বলেন, ‘শিলাস্তি নামের মেয়েটি নাগরপুরের- এমন কোনো তথ্য এখনও পাইনি। তার বিষয়েও আর কোনো তথ্য এখন পর্যন্ত আমার কাছে নেই। জানলে জানাতে পারব।’

আরও পড়ুন:
এমপি আনার হত্যা মামলায় ৩ আসামি রিমান্ডে
এনডিটিভির প্রতিবেদনে এমপি আনার হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা
হাজারও মানুষের জানাজায় অংশ নেয়া এমপি আনারের মরদেহই মিলছে না
মাঠের মাঝে শাহীনের রহস্যঘেরা বাংলো
এমপি আনার হত্যা নিয়ে কালীগঞ্জে ধোঁয়াশা!

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Comillas popular extortionist Apu arrested

কুমিল্লার আলোচিত চাঁদাবাজ অপু গ্রেপ্তার

কুমিল্লার আলোচিত চাঁদাবাজ অপু গ্রেপ্তার কুমিল্লায় চিহ্নিত চাঁদাবাজ অপুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. তাহসীন বাহার সূচনা বলেন, ‘অপু একজন চিহ্নিত চাঁদাবাজ। তার বিষয়ে অনেক অভিযোগ পেয়েছি।’

কুমিল্লা নগরীর চিহ্নিত চাঁদাবাজ আবদুল হাসান চৌধুরী অপুকে গ্রেপ্তার করেছে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ।

শুক্রবার গভীর রাতে মোগলটুলির নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কোতয়ালি মডেল থানার ওসি ফিরোজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অপুর নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধে পাঁচটি মামলা রয়েছে। এতদিন জামিনে ছিল। চাঁদাবাজি ও হামলার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

অপুর গ্রেপ্তারের খবরে নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শাকিল আহমেদ রানা বলেন, ‘৫ নম্বর ওয়ার্ডে যারাই নতুন বাড়ি নির্মাণ করে কিংবা বাড়ি সংস্কার করে তাদের কাছে চাঁদা দাবি করে অপু ও তার লোকজন। এ চাঁদাবাজ চক্রটি আমার সাথেও একই আচরণ করে।

‘গত ২২ মে রাত ১১টার দিকে চাঁদাবাজ অপু ও তার সঙ্গীরা আমার গাড়ি থামিয়ে আমাকে আক্রমণ করে। আমাকে পিটিয়ে আহত করে।’

৫ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তত ২০ জন বাসিন্দা জানান, অপুর চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। প্রতিনিয়ত অস্ত্র নিয়ে চলাফেরা করেন তিনি। অপু আগেও চাঁদাবাজি করে জেলে গিয়েছেন।

এ বিষয় কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. তাহসীন বাহার সূচনা বলেন, ‘অপু একজন চিহ্নিত চাঁদাবাজ। তার বিষয়ে অনেক অভিযোগ পেয়েছি।’

পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়ে তাহসীন বাহার সূচনা জানান, যারাই এ নগরীতে চাঁদাবাজি করার চেষ্টা করবে তাদের কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হবে না।

আরও পড়ুন:
স্কুল পডুয়াদের কাছে পর্নো ভিডিও বিক্রি, আটক ৭
চাকরির লোভ দেখিয়ে ভারতে নিয়ে কিডনি বিক্রি
পুলিশ সাংবাদিক পিটিয়ে অবশেষে গ্রেপ্তার মিঠু চেয়ারম্যান
স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা মামলার পলাতক আসামি বেনাপোলে গ্রেপ্তার
জয়ী প্রার্থীর সমর্থককে তুলে নিয়ে মারধরের মামলায় পরাজিত প্রার্থী গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
22 Jamaat leaders arrested from Savare restaurant

সাভারে রেস্তোরাঁ থেকে গ্রেপ্তার জামায়াতের ২২ নেতা-কর্মী

সাভারে রেস্তোরাঁ থেকে গ্রেপ্তার জামায়াতের ২২ নেতা-কর্মী ঢাকার সাভারে শুক্রবার সন্ধ্যায় রেস্তোরাঁ থেকে গ্রেপ্তার জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের কয়েকজন। ছবি: সংগৃহীত
আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাসুদুর রহমান জানান, নাশকতার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শুক্রবার জামায়াতের ২২ নেতা-কর্মীকে আটকের পর তাদের নামে মামলা করা হয়েছে। শনিবার তাদের ঢাকার মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ঢাকার সাভারে একটি রেস্তোরাঁ থেকে জামায়াতে ইসলামীর ২২ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

উপজেলার আশুলিয়ার পল্লী বিদ্যুৎ এলাকার ‘ফুড প্লানেট’ রেস্তোরাঁয় শুক্রবার সন্ধ্যায় গোপন বৈঠকের সময় তাদের আটক করা হয় বলে জানায় পুলিশ। পরে মামলা করে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

গ্রেপ্তার জামায়াত নেতা-কর্মীদের মধ্যে ১৯ জনের নাম, পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন রাজবাড়ীর পাংশার বাগমারা গ্রামের জিল্লুর রহমান (৪৫), নাটোরের বাগাতিপাড়ার আশিকুর রহমান (৪০), চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ থানার কাসাড়া গ্রামের মো. আনোয়ার (২৯), জামালপুরের মেলান্দহ থানার ঢালুখাবাড়ি চরপাড়ার আবদুর রাজ্জাক (৫০), টাঙ্গাইলের নাগরপুর থানার পাকুটিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম (৪২), মেহেরপুরের গাংগী থানার সাহেবনগর গ্রামের আবুল বাশার (৪৩), টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানার ভাওয়া গ্রামের আবদুল কাদের (৬০), সিরাজগঞ্জ সদর থানার শিলদাহ গ্রামের আমিনুল ইসলাম (৩৩), আশুলিয়ার নয়ারহাটের ঘুঘুদিয়া এলাকার আরমান হোসেন (৩৭), মাদারীপুরের শিবচর থানার সন্যাসীর চর এলাকার জলিল খান (৪২), লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ থানার কান্দিরপাড় গ্রামের সোহেল রানা (২৮), চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানার সিকিরচড় গ্রামের আবুল কালাম আজাদ (৫৩), বগুড়ার ধনুট থানার বড়মোগাচর গ্রামের আবদুল করিম (২৯), নীলফামারীর ডোমার থানার উত্তর আমবাড়ি গ্রামের নুরনবী (৩৮), লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ থানার কালিকাপুর গ্রামের তৈয়ব উল্লাহ (৪৭), ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানার উরাগাছা গ্রামের মোজাম্মেল হক (৪০), দিনাজপুরের কোতোয়ালি থানার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের মিরাজ হোসেন (৩৪), আশুলিয়ার পলাশবাড়ী বটতলা এলাকার মানিক (৩৪), বরিশালের মুলাদি থানার চরপদ্মা গ্রামের মো. হাসান (৩৫), বরিশাল সদরের চরকালামতি এলাকার জসিমউদ্দীন (৪০) ও সিরাজগঞ্জের চৌহালী থানার চৌবাড়িয়া গ্রামের জাহিদ হাসান (৪১)।

আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাসুদুর রহমান জানান, নাশকতার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শুক্রবার জামায়াতের ২২ নেতা-কর্মীকে আটকের পর তাদের নামে মামলা করা হয়েছে। শনিবার তাদের ঢাকার মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারসহ ১১ জনকে কারাদণ্ড
সাভারে দম্পতিসহ চার মরদেহ উদ্ধার
ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে পা ভাঙার অভিযোগ রিকশাচালকের
গরুবাহী ট্রাকের ধাক্কায় পুলিশ কনস্টেবল নিহত
পুলিশ সাংবাদিক পিটিয়ে অবশেষে গ্রেপ্তার মিঠু চেয়ারম্যান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two Bangladeshis were injured in a mine explosion on the border

সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে দুই বাংলাদেশি আহত

সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে দুই বাংলাদেশি আহত আহত সোনা মিয়াকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
ঘুমধুম ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মোহাম্মদ আলমের ধারণা, মিয়ানমার থেকে চোরাই পথে গরু আনতে গিয়ে তারা আহত হয়েছেন।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তমব্রু সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে দুই বাংলাদেশি আহত হয়েছেন।

শুক্রবার রাত সোয়া ৮টার দিকে তমব্রু সীমান্তের ৩২ ও ৩৩ নম্বর পিলারের মাঝামাঝি এলাকা সংলগ্ন মিয়ানমারের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।

ঘুমধুম ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মোহাম্মদ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আহতরা হলেন- তমব্রু পশ্চিমকূল এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে ১৬ বছরের নবী হোসেন ওরফে সোনা মিয়া এবং একই এলাকার আবুল কালামের ছেলে ৩০ বছর বয়সী আবু তাহের।

মেম্বার আলম জানান, রাতে সীমান্তের ৩২ ও ৩৩ নম্বর পিলার সংলগ্ন মিয়ানমারের ভেতরে হঠাৎ বড় ধরনের বিস্ফোরণ হয়। এতে স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে সীমান্তের ওপার থেকে আহত দুই ব্যক্তিকে রক্তাক্ত অবস্থায় আসতে দেখেন স্থানীয়রা।

তিনি জানান, সঙ্গে সঙ্গে তাদের কুতুপালংয়ের এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্থানীয়রা। তবে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠান।

আহতদের স্বজনরা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে সোনা মিয়ার ডান পায়ের গোড়ালি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পাশাপাশি শরীরের বিভিন্ন স্থান গুরুতর জখম হয়েছে। এছাড়া আবু তাহেরের শরীরেও বিভিন্ন স্থানে জখন হয়েছে।

ইউপি সদস্যের ধারণা, মিয়ানমার থেকে চোরাই পথে গরু আনতে গিয়ে তারা আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন:
ভারত থেকে অবৈধভাবে প্রবেশের সময় আটক ৮
গরু পাচারকারী চক্র ও ডাকাতদলের গোলাগুলি, নিহত ১
মিয়ানমারে ফের গোলাগুলি, কাঁপল টেকনাফ সীমান্ত
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে ফের ৩ বাংলাদেশি আহত
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের ওপারে মাইন বিস্ফোরণে ২ বাংলাদেশি আহত

মন্তব্য

p
উপরে