× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Fire at S Alam Oil Mill in Chittagong
google_news print-icon

চট্টগ্রামে এস আলম অয়েল মিলের আগুন নিয়ন্ত্রণে

চট্টগ্রামে-এস-আলম-অয়েল-মিলের-আগুন-নিয়ন্ত্রণে-
ফাইল ছবি
শুক্রবার সকাল ৮টা ২৭ মিনিটে কর্ণফুলী থানাধীন মইজ্জারটেক এলাকায় অবস্থিত ওই মিলে আগুনের সূত্রপাত।

চট্টগ্রাম নগরীর কর্ণফুলীতে এস আলম এডিবল অয়েল মিলে আগুনের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার সকাল ৮টা ২৭ মিনিটে কর্ণফুলী থানাধীন মইজ্জারটেক এলাকায় অবস্থিত ওই মিলে আগুনের সূত্রপাত।

ফায়ার সার্ভিসের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার জানান, খবর পেয়ে তাদের আটটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ করে সকাল ৯টা ২০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তা পুরোপুরি নির্বাপণ হয়নি।

আগুনের কারণ ও এতে কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি রোজিনা আক্তার।

ফায়ার সার্ভিসের চট্টগ্রামের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সকাল প্রায় সাড়ে ৮টার দিকে এস আলম এডিবল অয়েল মিলে আগুন লাগার খবর পাই। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

এর আগে গত ৪ মার্চ চট্টগ্রামে এস আলমের সুগার মিলের অপরিশোধিত চিনির গুদামে আগুনের ঘটে। ওই আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে ৬৭ ঘণ্টা পর।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Two lives were lost on the road in Manikganj and Chuadanga

মানিকগঞ্জ ও চুয়াডাঙ্গায় সড়কে ঝরল দুই প্রাণ

মানিকগঞ্জ ও চুয়াডাঙ্গায় সড়কে ঝরল দুই প্রাণ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে স্কুলবাসের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণ যায় মোটরসাইকেল আরোহী শ্রাবন মিয়ার। ছবি: নিউজবাংলা
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সাড়ে দশটার মধ্যে এই ঘটনাদুটি ঘটে।

মানিকগঞ্জ ও চুয়াডাঙ্গায় পৃথক দুই সড়ক দুর্ঘটনায় দুজন হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সাড়ে দশটার মধ্যে এই ঘটনাদুটি ঘটে।

স্কুলবাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে মানিকগঞ্জে শ্রাবন মিয়া নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার আমতলী এলাকার মিতরা-বরুন্ডী আঞ্চলিক সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

২২ বছর বয়সী শ্রাবন মিয়া সিংগাইর উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের বড় কালিয়াকৈর এলাকার ওহাব আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, মাানিকগঞ্জ শহর থেকে জেনিথ স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি বাস শিক্ষার্থীদের পৌঁছে দিতে বরুন্ডীর দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে আমতলী এলাকায় পৌঁছালে বিপরিত দিক থেকে আসা মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই শ্রাবন মিয়া নিহত হন।

মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. হাবিল হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সুরতহাল শেষে মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক বাসটি জব্দ করা হলেও চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছে জানিয়ে ওসি বলেন, ‘এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

অন্যদিকে, ইজিবাইক-পাখিভ্যান ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে চুয়াডাঙ্গায় শান্ত আলী নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন তারই চাচাতো ভাই মোটরসাইকেল চালক রায়হান আলী।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার জাফরপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

২৫ বছর বয়সী শান্ত আলী চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ফুলবাড়ি গ্রামের বকুল আলীর ছেলে। তিনি পেশায় টাইলস মিস্ত্রী ছিলেন।

আহত ১৯ বছর বয়সী রায়হান আলী একই গ্রামের বাবুল আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন ইলেকট্রিক মিস্ত্রী।

স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, সকালে বাড়ি থেকে চাচাতো ভাই রায়হানের মোটরসাইকেলযোগে চুয়াডাঙ্গায় কাজে যাচ্ছিলেন শান্ত। এ সময় জাফরপুর মাদ্রাসা-সংলগ্ন স্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ইজিবাইক ও পাখিভ্যানের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে শান্ত ও রায়হান দুজনই গুরুতর আহত হন। পরে তাদের দ্রুত উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেন স্থানীয়রা। এর কিছুক্ষণ পর জরুরি বিভাগে চিকিৎসারত অবস্থায় মারা যান শান্ত।

জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ওয়াহিদ মাহমুদ রবিন বলেন, ‘আহত অবস্থায় দুজনকে নিয়ে আসলে কিছুক্ষণ পরই মারা যান শান্ত। রায়হান মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। তাকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।’

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি শেখ সেকেন্দার আলী বলেন, ‘কোনো অভিযোগ না থাকায় আবেদনের প্রেক্ষিতে নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল দুই স্কুলছাত্রের
এপ্রিলে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ৭০৮, আহত ২৪২৬
পাবনায় তেলবাহী লরির চাপায় দুজন নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The murder of MP Ana in Kaliganj is hazy

এমপি আনার হত্যা নিয়ে কালীগঞ্জে ধোঁয়াশা!

এমপি আনার হত্যা নিয়ে কালীগঞ্জে ধোঁয়াশা! কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার কালো পতাকা উত্তোলন করেন দলীয় নেতৃবৃন্দ। ছবি: নিউজবাংলা
কালীগঞ্জ উপজেলার মানুষের মধ্যে এক ধরনের ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। বৃহস্পতিবারও এমপির বাসভবন ও দলীয় কার্যালয়ের সামনে সাধারণ মানুষ ভিড় জমায়। তাদের অনেকেরই প্রশ্ন- এমপি হত্যার শিকার হয়ে থাকলে তার মরদেহ কোথায়?

ভারতের কলকাতায় ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারকে নৃশংসভাবে হত্যার খবরে স্তব্ধ কালীগঞ্জ। তার মরদেহ উদ্ধার না হওয়ায় স্থানী জনমনে কিছুটা ধোঁয়াশা আছে।

আওয়ামী লীগ দলীয় এই সংসদ সদস্য হত্যার প্রতিবাদে দলীয় কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলনসহ কর্মসূচির ডাক দেয়া হয়েছে।

কালীগঞ্জ উপজেলা সদরে এমপি আনারের বাসভবন ও পাশেই দলীয় কার্যালয়ের সামনে বৃহস্পতিবারও সহস্রাধিক নারী-পুরুষ ভিড় জমান। উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দুপুর ১২টার পর ভূষণ রোডের দলীয় কার্যালয়ে কালো পতাকা, দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

পতাকা উত্তোলনকালে কান্নায় ভেঙে পড়েন পৌর আওয়ামী লীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক ও পৌর মেয়র আশরাফুল আলম আশরাফ।

পতাকা উত্তোলনকালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আয়ুব হোসেন, মতিয়ার রহমান মতি, ওহিদুজ্জামান ওদু ও মোস্তাফিজুর রহমান বিজুসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘আনারকে যারা হত্যা করেছে তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচার করতে হবে। আমরা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কাছে আবেদন জানাই, আমাদের এমপির মরদেহ দ্রুত দেশে আনার ব্যবস্থা করুন।’

এমপি আনার আওয়ামী লীগ মনোনীত টানা তিনবারের সংসদ সদস্য ও কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। দলীয়ভাবে শনিবার সকালে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সভা আহ্বান করে আনার হত্যার প্রতিবাদে বিভিন্ন কর্মসূচি দেয়া হবে বলে জানান নেতৃবৃন্দ।

রাষ্ট্রীয়ভাবে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে এমপি আনার হত্যার খবর জানা গেলেও মরদেহ উদ্ধার না হওয়ায় উপজেলার মানুষের মধ্যে এক ধরনের ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। বৃহস্পতিবারও সকাল থেকেই এমপির শহরের বাসভবন ও দলীয় কার্যালয়ের সামনে সাধারণ মানুষ ভিড় জমায়। তাদের অনেকেরই প্রশ্ন- এমপিকে হত্যার শিকার হয়ে থাকলে তার মরদেহ কোথায়?

কালীগঞ্জ থানার ওসি আবু আজিফ জানান, এমপি আনার নিখোঁজ হওয়ার উল্লেখ করে তার সেজো ভাই এনামুল হক ইমান ১৯ মে কালীগঞ্জ থানায় একটি ডিডি করেন। বিষয়টি আমাদের ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে জানিয়েছি। বিষয়টি সরকারের ঊর্ধ্বতন সংস্থাগুলো পর্যবেক্ষণ করছে, যোগ করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা (ডিবি) শাখার প্রধান হারুন অর রশীদ বৃহস্পতিবার ঢাকায় সংবাদ সম্মেলনে এমপি আনার হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা তুলে ধরেন। ইতোমধ্যে পুলিশের হাতে আটকদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের উল্লেখ করে তিনি এই বর্ণনা দেন।

ডিএমপি ডিবি প্রধান বলেন, ‘মরদেহ পাওয়ার আশা খুবই কম। কেননা হত্যার পর গুম করার উদ্দেশ্যে মরদেহ টুকরো টুকরো করা হয়। পরে তা কয়েক কিস্তিতে সরিয়ে নেয়া হয়। তারপরও চেষ্টা করছি এমপি আনারের দেহের অংশবিশেষ উদ্ধারের।’

আরও পড়ুন:
এমপি আনার হত্যা-পরিকল্পনার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন ডিবিপ্রধান
এমপি আনার অপরাধে জড়িত কি না, তদন্তে বেরিয়ে আসবে: কাদের
এমপি আনার খুন: ভারতের সংবাদমাধ্যম যা বলছে
শেরেবাংলা নগর থানায় এমপি আনারের মেয়ের মামলা
এমপি হত্যায় ভারতকে দোষারোপ না করার আহ্বান কাদেরের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two died due to electrocution in separate incidents in Laksam

লাকসামে আলাদা ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজনের মৃত্যু

লাকসামে আলাদা ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজনের মৃত্যু লাকসামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ হারানো ব্যবসয়ী সামসুর রহমান (৩৫) ও শিশু মোহাম্মদ মাহি (৩)। কোলাজ: নিউজবাংলা
লাকসামের কান্দিরপাড় ইউনিয়নের ইরুয়াইন এবং পৌরসভার রাজঘাট এলাকায় বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুজন প্রাণ হারায়।

কুমিল্লার লাকসামে বৃহস্পতিবার সকালে আলাদা ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলার কান্দিরপাড় ইউনিয়নের ইরুয়াইন এবং পৌরসভার রাজঘাট এলাকায় ঘটনা দুটি ঘটে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে লাকসাম থানার ওসি মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন খান দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি জানান।

ইরুয়াইন

ওসি শাহাব উদ্দিন জানান, সকালে ইরুয়াইনের নাগরাপাড়া ব্রিজ সংলগ্ন নিজের মুদি দোকানের পেছনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ হারান সামসুর রহমান (৩৫) নামের ব্যবসায়ী।

তিনি আরও জানান, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জ দিয়ে সংযোগ খোলার সময় সামসুর রহমান বিদ্যুতায়িত হন। পরে স্থানীয় লোকজন লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সামছুর রহমান কান্দিরপাড় ইউনিয়নের ছনগাঁও পশ্চিমপাড়ার প্রয়াত মফিজুর রহমানের ছেলে।

রাজঘাট

লাকসাম থানার ওসি শাহাব উদ্দিন জানান, সকালে ঘরের পাশে থাকা বৈদ্যুতিক মোটরে হাত দিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় রাজঘাটের মোহাম্মদ মাহি (৩)। বেশ কিছুক্ষণ পর তার বড় বোন সায়মা (৭) এসে স্পর্শ করলে সেও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়।

পরে সায়মার চিৎকারে ঘরের লোকজন ছুটে এসে মাহিকে স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান।

মাহি রাজঘাট উত্তরপাড়ার ছাত্তার ভান্ডারীর বাড়ির সাইফুল ইসলামের ছেলে।

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে পরিবারের পাঁচ সদস্যের পর চলে গেল শিশু সোনিয়াও
মৌলভীবাজারে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু
একুশে ফেব্রুয়ারিতে পতাকা টানাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু
মায়ের সাহসিকতায় বেঁচে গেল শিশু, কব্জি বিদ্যুতের তারে
নোয়াখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তিন নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There will be no democracy if the electoral system is destroyed EC Rasheda

নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস হলে গণতন্ত্র থাকবে না: ইসি রাশেদা

নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস হলে গণতন্ত্র থাকবে না: ইসি রাশেদা ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে নওগাঁ জেলা প্রশাসকের (ডিসি) সম্মেলনকক্ষে বৃহস্পতিবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন ইসি রাশেদা সুলতানা। ছবি: নিউজবাংলা
‘নির্বাচন ব্যবস্থা গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি। নির্বাচনের ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেলে দেশের গণতন্ত্র বলে কিছু থাকবে না এবং দেশের মানুষের জন্য কোনো মঙ্গল বয়ে আনবে না’, বলেন রাশেদা সুলতানা।

নির্বাচন ব্যবস্থাকে গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) রাশেদা সুলতানা বলেছেন, এ ব্যবস্থা ধ্বংস হলে দেশে গণতন্ত্র থাকবে না।

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে নওগাঁ জেলা প্রশাসকের (ডিসি) সম্মেলনকক্ষে বৃহস্পতিবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

‘নির্বাচন ব্যবস্থা গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি। নির্বাচনের ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেলে দেশের গণতন্ত্র বলে কিছু থাকবে না এবং দেশের মানুষের জন্য কোনো মঙ্গল বয়ে আনবে না’, বলেন রাশেদা।

‘সেই কথা বিবেচনা করেই নির্বাচন কমিশন সবগুলো নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার চেষ্টা করেছে, যাতে এই নির্বাচনগুলো সহিংসতা মুক্ত হয়; মানুষ যাতে ভোটকেন্দ্র নির্বিঘ্নে এসে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে পছন্দের প্রার্থীকে’, যোগ করেন এ কমিশনার।

প্রথম দুই ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে উপজেলা নির্বাচন ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সামনের নির্বাচনগুলোও আমরা আরও ভালোভাবে সম্পন্ন করতে চাই, যাতে সাধারণ মানুষ বলতে পারে এই নির্বাচন কমিশন ভালো নির্বাচন করতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন কোনো ব্যক্তিকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে কাজ করে না। প্রশাসনকেও সেভাবেই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

‘আমাদের একটাই উদ্দেশ্য, নির্বাচন যাতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়; দেশে-বিদেশের সব জায়গায় যেন প্রশংসিত হয় বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে। নির্বাচন কমিশনের একটাই প্রত্যাশা, নির্বাচনে যেন কোনো ব্যত্যয় না ঘটে; কালিমালিপ্ত না হয়।’

প্রার্থীদের উদ্দেশে এ কমিশনার বলেন, ‘আচরণবিধি মেনে প্রার্থীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে। বিনা কারণে একজন আরেকজনের প্রতিপক্ষ হয়ে আক্রমণ করে কথা বলা যাবে না। ভোটার যাতে ভোটকেন্দ্রে আসে, সেই পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।’

কোনো প্রার্থীর অভিযোগ কমিশনকে জানালে সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের নিরপেক্ষতা বজায় রেখে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে রাশেদা বলেন, ‘দেশে সুন্দর নির্বাচন ব্যবস্থা যাতে বিরাজমান থাকে ও জোরদার হয়, সেই চিন্তা করে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। মানুষ যেন বলে এই কমিশনের সময় নির্বাচন ব্যবস্থা কোনোভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ হয় নাই, ধ্বংস হয় নাই।’

নওগাঁর ডিসি গোলাম মওলার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন রাজশাহীর অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ইমতিয়াজ হোসেন, অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) বিজয় বসাক, নওগাঁর পুলিশ সুপার (এসপি) মুহাম্মদ রাশিদুল হক, রাজশাহীর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেনসহ সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন:
৪ জুলাই যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচন, জানালেন ঋষি সুনাক
রাইসির জানাজায় জনসমুদ্র
মাত্র ১১ শতাংশ ভোটেই উপজেলা চেয়ারম্যান
ইসরায়েলের প্রতি আইসিসির নিষেধাজ্ঞা সমর্থনের ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের
চমক দেখালেন তৃতীয় লিঙ্গের মুন্নী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Parents arrested for killing physically challenged child by consuming poison

বিষ খাইয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী সন্তানকে হত্যার অভিযোগে বাবা-মা গ্রেপ্তার

বিষ খাইয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী সন্তানকে হত্যার অভিযোগে বাবা-মা গ্রেপ্তার সন্তানকে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার বাবা-মা। ছবি: নিউজবাংলা
শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভূনবীর ইউনিয়নের রাজপাড়া গ্রামের দুই বছরের শিশু ফারিয়া জান্নাত মিলি জন্মগতভাবে শারীরিক প্রতিবন্ধী ছিল। সে কোনোভাবে চলাফেরা করতে পারতো না। তার বাবা রাশেদ মিয়া ও মা শাপলা বেগম তাকে দেখাশোনা করতে গিয়ে এক সময় অধৈর্য হয়ে পড়েন।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে শারীরিক প্রতিবন্ধী এক শিশু সন্তানকে বিষ খাইয়ে হত্যার অভিযোগে তার বাবা-মাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার রাতে হবিগঞ্জ সদর থানাধীন দক্ষিণ চাতুল গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

দুই বছর বয়সী শিশুকে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার দুজন হলেন রাশেদ মিয়া এবং তার স্ত্রী মা শাপলা বেগম।

থানা সূত্রে জানা যায়, শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভূনবীর ইউনিয়নের রাজপাড়া গ্রামের দুই বছরের শিশু ফারিয়া জান্নাত মিলি জন্মগতভাবে শারীরিক প্রতিবন্ধী ছিল। সে কোনোভাবে চলাফেরা করতে পারতো না। তার বাবা রাশেদ মিয়া ও মা শাপলা বেগম তাকে দেখাশোনা করতে গিয়ে এক সময় অধৈর্য হয়ে পড়েন।

পুলিশ জানিয়েছে, গত ১৭ মে বিকেলে শিশু ফারিয়ার মুখে বিষ ঢেলে দেয়া হয়। পরে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে শিশুটি মারা যায় সে। ঘটনার পর শিশুর বাবা-মা বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পরে শিশুর নানা ওয়াসির মিয়া বাদী হয়ে শ্রীমঙ্গল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

শ্রীমঙ্গল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমিনুল ইসলাম জানান, থানায় অভিযোগের পর থেকেই পুলিশ মৃত শিশুর মা-বাবাকে গ্রেপ্তারে কাজ শুরু করে। গোপন সোর্স এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বুধবার রাতে হবিগঞ্জ সদর থানার এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাবা-মা তাদের প্রতিবন্ধী শিশুকে বিষ খাইয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। বৃহস্পতিবার তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Wife strangled to death for asking him to wash clothes Husband sentenced to death

কাপড় ধুতে বলায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা: স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

কাপড় ধুতে বলায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা: স্বামীর মৃত্যুদণ্ড কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবন। ছবি: নিউজবাংলা
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, রাজু ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যান। পরের দিন ভোরে স্বামীকে কাপড় ধুয়ে দেয়ার কথা বলেন খালেদা। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে খালেদার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তার স্বামী।

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে কাপড় ধুতে বলায় খালেদা আক্তার নামের নারীকে ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে স্বামী মোজাম্মেল হোসেন রাজুকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত।

অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক রোজিনা খান বৃহস্পতিবার দুপুরে এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত রাজুর বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শাটিষক গ্রামে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, খালেদা আক্তারকে বিয়ের পর থেকেই তার স্বামী রাজু বেকার ছিলেন। এ কারণে মেয়েসন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকতেন খালেদা।

রাজু ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যান। পরের দিন ভোরে স্বামীকে কাপড় ধুয়ে দেয়ার কথা বলেন খালেদা। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে খালেদার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তার স্বামী।

মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, খালেদার মরদেহ পুকুর ঘাটের কাছে ফেলে রেখে আসামি পালিয়ে যান। এরপর ঘাটে মেয়ের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে রাজুকে আসামি করে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থানায় হত্যা মামলা করেন খালেদার বাবা।

রায় ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাজু আদালতের কাঠগড়ায় অনুপস্থিত ছিলেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে অতিরিক্ত পিপি আমিনুল ইসলাম ও নুরুল ইসলাম জানান, তাদের আশা, উচ্চ আদালত এ রায় বহাল রেখে দ্রুত বাস্তবায়ন করবে।

আরও পড়ুন:
যাত্রীবেশে চালকের গলা কেটে অটোরিকশা ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৩
ফেরিওয়ালাকে হত্যায় নারীর মৃত্যুদণ্ড, স্বামীর জেল
পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে লাঠির আঘাতে হত্যার অভিযোগ
প্রেমে ব্যর্থ হয়ে ২ বন্ধুর আত্মহত্যা
টেকনাফে পিটুনিতে একজন নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Import export started with Benapole

বেনাপোল দিয়ে আমদানি রপ্তানি শুরু

বেনাপোল দিয়ে আমদানি রপ্তানি শুরু বন্দর দিয়ে শুরু হয়েছে আমদানি-রপ্তানি। ছবি: নিউজবাংলা
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কার্যক্রম শুরু হয়। টানা পাঁচ দিন ছুটির পর ফের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বন্দরের কর্মচাঞ্চল্য ফিরতে শুরু করেছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে লোকসভা নির্বাচন, বাংলাদেশে যশোরের শার্শা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ও বৌদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে টানা পাঁচ দিন বন্ধের পর বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যসহ বন্দরের সব কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কার্যক্রম শুরু হয়। টানা পাঁচ দিন ছুটির পর ফের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বন্দরের কর্মচাঞ্চল্য ফিরতে শুরু করেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চেকপোস্ট কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা আজিজ খান।

বেনাপোল স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহসিন মিলন জানান, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে লোকসভা নির্বাচন, বাংলাদেশে যশোরের শার্শা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ও বৌদ্ধপূর্নিমা উপলক্ষে টানা পাঁচ দিন বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমসহ বন্দরের ভেতরে সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। সকালে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে শুরু হয়েছে। এতে বন্দরের ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও চালকদের মাঝে কর্মচাঞ্চল্য ফিরতে শুরু করেছে।

তবে বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও বেনাপোল আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে সীমিত আকারে পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক ছিল বলে ইমিগ্রেশন ইনচার্জ আযহারুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন।

মন্তব্য

p
উপরে