× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
UP members complaint that the chairman beat him like a thief
google_news print-icon

চোর পেটানোর মতো পিটিয়েছেন চেয়ারম্যান, অভিযোগ ইউপি সদস্যের

চোর-পেটানোর-মতো-পিটিয়েছেন-চেয়ারম্যান-অভিযোগ-ইউপি-সদস্যের
মারধরে আহত গাজীপুরের কালিয়াকৈরের বোয়ালী ইউপি সদস্য মজনু মন্ডল ও চেয়ারম্যান আবজাল হোসেন খান। কোলাজ: নিউজবাংলা
কালিয়াকৈর থানার ওসি এএফএম নাসিম বলেন, ‘ওই ইউপি সদস্যকে পেটানোর ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বনের জমি জবরদখল করে বোয়ালী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানের জামাতার নির্মাণাধীন মার্কেট ভেঙে দিয়েছে বন বিভাগ।

এ ঘটনায় তথ্যদাতা সন্দেহে চেয়ারম্যান ও তার লোকজনের বেধড়ক মারধরে আহত হওয়ার অভিযোগ করেছেন বোয়ালী ইউপির এক সদস্য।

মারধরে আহত ব্যক্তি হলেন কালিয়াকৈর উপজেলার নলোয়া এলাকার হেলাল উদ্দিন মন্ডলের ছেলে মজনু মন্ডল। তিনি বর্তমানে বোয়ালী ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য।

স্থানীয় বাসিন্দা, ইউপি সদস্যের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যয়, কালিয়াকৈর উপজেলার নলোয়া বাজার এলাকায় বনের জমি জবরদখল করে মার্কেট নির্মাণ করা হচ্ছিল। স্থানীয় বোয়ালী বন বিট কর্মকর্তা আবু ইউনুছ ও বন বিভাগের কর্মীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে বোয়ালী ইউপি চেয়ারম্যানের জামাতা শাহিন ওই মাকেট নির্মাণ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে এলে মঙ্গলবার সকালে মার্কেটটি ভেঙে দেন বন বিভাগের লোকজন।

মেম্বার ও তার পরিবারের অভিযোগ, ওই মার্কেট ভাঙার পেছনে মজনু মন্ডলের হাত রয়েছে, এমন সন্দেহে ইউপি চেয়ারম্যান আবজাল হোসেন খান, তার ছেলে নিসাদুল রহমান, ভাতিজা পলাশ, শ্যালক হাসানসহ কয়েকজন ওই বাজারের একটি দোকানের ভেতর থেকে ইউপি সদস্যকে তুলে বাইরে বের করেন। ওই সময় তারা সবাই মিলে চোর পেটানোর মতোই ওই ইউপি সদস্যকে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকেন। পরে আশপাশের লোকজন আহত অবস্থায় মজনুকে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এ ঘটনায় গতকালই ইউপি সদস্য মজনু মন্ডল কালিয়াকৈর থানায় অভিযোগ করেন। এরপর বুধবার দুপুরে ঘটনার তদন্তে যায় কালিয়াকৈর থানা পুলিশ।

খবর পেয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুরাদ কবীর, ওই ইউনিয়নের অন্যান্য ইউপি সদস্য হাসপাতালে মজনুকে দেখতে যান, কিন্তু তাকে দেখতে যাননি অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারমান আবজাল হোসেন খান।

আহত ইউপি সদস্য ও তার পরিবারের অভিযোগ, গত ছয় মাস আগে এক দিন সকালে কে বা কারা ৯ লাখ টাকার মালামালসহ তাদের মৎস্য খামারের গোডাউন আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছিল। বছরখানেক আগে রাতের আঁধারে তাদের বসতবাড়িতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। ১৫ দিন আগে ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে মৎস্য খামারের রাস্তা বন্ধ করে দেন চেয়ারম্যানের লোকজন।

তাদের ভাষ্য, ইউপি সদস্যকে পেটানোর ঘটনা থেকে প্রতীয়মান যে, আগের ঘটনাগুলোতে চেয়ারম্যান ও তার লোকজন জড়িত।

আহত ইউপি সদস্য মজনু মন্ডল বলেন, ‘চেয়ারম্যানের জামাতা শাহিনের নির্মাণাধীন মার্কেট ভেঙে দিয়েছে বন বিভাগের লোকজন, কিন্তু চেয়ারম্যান ও তার স্বজনরা আমাকে সন্দেহ করে দোকানের ভেতর থেকে তুলে নিয়ে চোর পেটানোর মতো পিটিয়েছেন। এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’

অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান আবজাল হোসেন খান মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ইউপি সদস্য মজনু মন্ডল বনের জমিতে স্থাপনা ভাঙাগড়ার সঙ্গে জড়িত। ওই স্থাপনাটি ভাঙলে স্থানীয় লোকজন তার সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করে।

‘আমি তাদের সবাইকে সরিয়ে দিয়েছি, কিন্তু আমি তাকে মারধর করি নাই।’

এ বিষয়ে জানতে স্থানীয় বোয়ালী বিট কর্মকর্তা আবু ইউনুছের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিয়েও পাওয়া যায়নি।

কালিয়াকৈর থানার ওসি এএফএম নাসিম বলেন, ‘ওই ইউপি সদস্যকে পেটানোর ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
রাষ্ট্রদূত হাসকে হুমকি দেয়া চেয়ারম্যান মুজিবুল বরখাস্ত
ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বারদের ভাতা বাড়তে পারে
মাদারীপুরে শিক্ষিকাকে মারধরের ঘটনায় শিক্ষক বরখাস্ত
কলা চুরির অভিযোগে কলেজছাত্রকে মারধর, দুজন আটক
রাজশাহীতে রেলওয়ে স্টেশনে মারধরে আনসার সদস্যের মৃত্যু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Students agitation should be stopped Home Minister

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থামানো উচিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থামানো উচিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শনিবার ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সে গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। ছবি: নিউজবাংলা
আসাদুজ্জামান খান বলেন, ছাত্র ভাইদের কিছু বলার থাকলে তারা রাস্তাঘাট বন্ধ না করে আদালতে এসে বলতে পারেন। রাস্তাঘাট বন্ধ করলে জনগণের দুর্ভোগ বাড়ে, হাসপাতালগামী রোগীদের দুর্ভোগ বাড়ে। সেই সাধারণ মানুষের যে কী অভিব্যক্তি তা ছাত্রদের শোনা উচিত।’

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে দেশব্যাপী চলমান শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘আমি মনে করি, ছাত্রদের একটু অপেক্ষা করা উচিত, আন্দোলন থামানো উচিত।’

শনিবার বিকেলে ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সে ‘মুক্তিযুদ্ধে পুলিশ: ময়মনসিংহ জেলা’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন এবং সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ছাত্র ভাইদের কিছু বলার থাকলে তারা রাস্তাঘাট বন্ধ না করে আদালতে এসে বলতে পারেন। রাস্তাঘাট বন্ধ করলে জনগণের দুর্ভোগ বাড়ে, হাসপাতালগামী রোগীদের দুর্ভোগ বাড়ে। সেই সাধারণ মানুষের যে কী অভিব্যক্তি তা ছাত্রদের শোনা উচিত।’

আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘পৃথিবীর সব জায়গায় কিন্তু কোটা রয়েছে। সব দেশেই কিছু অনগ্রসর জায়গা থাকে, যেমন আমাদের ক্ষুদ্র জাতি-গোষ্ঠীর জন্য কোটা রয়েছে এবং সংবিধানেও সেটি বলা আছে। এটি বাতিল করে দিলে এরা কোনো দিন সমাজের মূল স্রোতে আসতে পারবে না। আমরা মনে করছি, সবাই যেন একসঙ্গে চলতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী কোটা উঠিয়ে দিয়েছিলেন। বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন। বিচার বিভাগ থেকে বার্তা এসেছে, কোটা আবার চালু হবে। এতে সংক্ষুব্ধ হয়েছেন আমাদের ছাত্ররা।

‘প্রধান বিচারপতি কিন্তু স্পষ্ট করে নির্দেশনা দিয়েছেন, আদালত যে রায়টি দিয়েছিলেন সেটি স্থগিত করা হয়েছে এবং ছাত্রদেরও বলেছেন, তারা যেন উচ্চ আদালতে যেখানে বিচারটি চলছে, সেখানে গিয়ে তাদের কথা বলেন। তারা বললে সে অনুযায়ী বিচারপতিদের বিচার করতে সুবিধা হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘করোনার সময় যখন সন্তান বাবা-মায়ের কাছে যায়নি, তখন পুলিশ গেছে। এখানের পুলিশ সবার হৃদয় জয় করেছে। পুলিশ শুধু জনগণকে ভালোবাসে না, দেশের ইতিহাসকেও রক্ষা করে। নির্বাচনে পুলিশের কোনো পক্ষপাতিত্ব ছিল না। তার উদাহরণ বর্তমান আইজিপির ভাই নৌকা নিয়ে দাঁড়ালেও পরাজিত হয়েছেন। পুলিশ বাহিনী সব নির্বাচনে সঠিক দায়িত্ব পালন করেছে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) শাহ আবিদ হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শরীফ আহমেদ এমপি, মোহাম্মদ মোহিত উর রহমান এমপি, মাহমুদুল হক এমপি, নজরুল ইসলাম এমপি, আবদুল মালেক সরকার এমপি, এ বি এম আনিছুজ্জামান এমপি, মাহমুদ হাসান এমপি, ফাহ্‌মী গোলন্দাজ এমপি, আবদুল ওয়াহেদ এমপি, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এমদাদুল হক, ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া, জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইউসুফ খান পাঠান, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এহতেশামুল আলম, ময়মনসিংহ চেম্বার অফ কমার্সের সভাপতি আমিনুল হক, নাট্যব্যক্তিত্ব ম. হামিদ প্রমুখ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এর আগে ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সে এসে জেলা পুলিশের ১১টি প্রকল্প এবং জেলা পুলিশের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর উদ্বোধন করেন।

আরও পড়ুন:
জানমালের অনিশ্চয়তা দেখা দিলে পুলিশ বসে থাকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আন্দোলনকারীদের প্রতি কঠোর হবে না পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মিয়ানমারকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে পাল্টা গুলি চালাব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
প্রতি জেলায় হবে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র
এমপি আনার চোরাচালানে জড়িত ছিলেন তা বলিনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Annas murder The investigation will not be hampered even if the accused retract their statements
ডিএমপি ডিবি প্রধান বললেন

আনার হত্যা: আসামিরা জবানবন্দি প্রত্যাহার করলেও তদন্ত বাধাগ্রস্ত হবে না

আনার হত্যা: আসামিরা জবানবন্দি প্রত্যাহার করলেও তদন্ত বাধাগ্রস্ত হবে না ডিএমপি ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ শনিবার মিন্টো রোডের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। ছবি: নিউজবাংলা
এমপি আনার হত্যার ঘটনায় তিন আসামি জবানবন্দি প্রত্যাহার করতে চাওয়ায় মামলায় কোনো প্রভাব পড়বে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে হারুন অর রশীদ বলেন, ‘আদালতে যে কেউ আবেদন করতে পারেন। সেই আবেদন আদালত গ্রহণ করতে পারে আবার বাতিলও করতে পারে। এতে তদন্তে কোনো বাধার সৃষ্টি হবে না।’

সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ মামলায় ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক কাজী কামাল আহমেদ বাবু ওরফে গ্যাস বাবুসহ তিনজন আইনজীবীর মাধ্যমে জবানবন্দি প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন। এ ঘটনায় মামলার তদন্ত বাধাগ্রস্ত হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

শনিবার রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জবানবন্দি প্রত্যাহারের আবেদন করা অন্য দুজন হলেন শিমুল ভুইঁয়া ওরফে শিহাব ওরফে ফজল মোহাম্মদ ভুইঁয়া ওরফে আমানুল্যাহ সাঈদ ও তানভীর ভুইঁয়া।

তিনজন আসামি জবানবন্দি প্রত্যাহার করতে চেয়েছেন। এতে মামলায় কোনো প্রভাব পড়বে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে হারুন বলেন, ‘আদালতে যে কেউ আবেদন করতে পারেন। সেই আবেদন আদালত গ্রহণ করতে পারে আবার বাতিলও করতে পারে। এতে তদন্তে কোনো বাধার সৃষ্টি হবে না।’

হারুন বলেন, ‘আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যার ঘটনায় এ পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ছয়জন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। এছাড়া ভারতীয় পুলিশের কাছে দুজন রয়েছেন।

ডিএমপি ডিবিপ্রধান বলেন, ‘আমরা আগেও বলেছি যে অযথা কাউকে ডাকাডাকি করছি না। আবার এ ঘটনার সঙ্গে যে বা যারা জড়িত তিনি বা তারা যত বড় নেতাই হোন কাউকে ছাড় দেয়া হচ্ছে না। আরও বেশ কয়েকজনের নাম আমরা পেয়েছি। এর মধ্যে মাস্টারমাইন্ড দেশের বাইরে রয়েছে। সবকিছু মিলিয়েই তদন্ত কার্যক্রম চলছে। ভারতের সঙ্গেও যোগাযোগ রয়েছে আমাদের।’

তিনি বলেন, ‘এমপি আনার হত্যার ঘটনায় অবাধ ও সুষ্ঠু তদন্ত করছে ডিবি। তদন্তের প্রয়োজনে আমরা কলকাতা ও নেপালে গিয়েছি। আদালতের অনুমতি নিয়ে গ্যাস বাবুকে সঙ্গে নিয়ে ঝিনাইদহের দুটি পুকুরে মোবাইল উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
মমতার বৈঠকে এমপি আনার হত্যা প্রসঙ্গ
আনার হত্যা মামলায় ফয়সাল ও মোস্তাফিজুর রিমান্ডে
আনার হত্যা মামলার আসামি মোস্তাফিজ ও ফয়সাল গ্রেপ্তার
গ্যাস বাবুর ফেলে দেয়া ফোন উদ্ধারে ঝিনাইদহে অভিযান
এমপি আনার হত্যা: গ্যাস বাবুকে ঝিনাইদহ কারাগারে স্থানান্তর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Three people died due to electrocution in the capital

রাজধানীতে বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনজনের মৃত্যু

রাজধানীতে বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনজনের মৃত্যু প্রতীকী ছবি।
শুক্রবার রাজধানীর পল্লবী ও কোতোয়ালি থানার সিএমএম আদালতের পাশে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন আলাউদ্দিন, রাসেল ও আইউব আলী।

রাজধানীতে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাজধানীর পল্লবী ও কোতোয়ালি থানার সিএমএম আদালতের পাশে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন আলাউদ্দিন, রাসেল ও আইউব আলী।

আলাউদ্দিন ময়মনসিংহের তারাকান্দা থানার মেঘেরা গ্রামের বাচ্চু মিয়ার সন্তান। রাসেল চট্টগ্রামের পটিয়া থানার কেলিশহর দারোগার হাট গ্রামের রতন দাসের ছেলে। দুজনই পল্লবী এলাকায় থাকতেন। আর আইউব আলী পিরোজপুরের নাজিরপুর থানার তারাবুনিয়া গ্রামের বেলায়েত শেখের সন্তান।

শুক্রবার দুপুরে পল্লবীর আজিজ মার্কেটের পাশে আসবাব কারখানায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান আলাউদ্দিন ও রাসেল। তারা দুজনই ওই কারখানায় মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন।

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার পর অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল আজিজ বলেন, ‘খবর পেয়ে কুর্মিটোলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ট্রলির ওপর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।’

স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, বৃষ্টির কারণে আসবাব কারখানায় পানি জমে যায়। মালপত্র রেখে পানি সরানোর সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এই দুজন। তবুও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

অপর ঘটনায় শুক্রবার রাতে ঢাকার সিএমএম আদালতের পাশে আগরবাতি গলিতে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান আইউব আলী। তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার পর অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আইউব আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম জানান, তার বাবা মিস্ত্রির কাজ করতেন। রাতে কাজ শেষ করে বাসায় ফেরার পথে আগরবাতি গলি এলাকায় জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ন্যাশনাল হাসপাতাল নেয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিক্যারল কলেজ হাসাপাতালে নিলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

কোতোয়ালি থানা উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাজীব ঢালী জানান, খবর পেয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের মরদেহ ঢাকা মেডিক্যালের মর্গে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন:
আইপিএস মেরামতের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মিস্ত্রির মৃত্যু
কুড়িগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে সহোদর দুই শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু
কুকুর মারার ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রাশিয়া থেকে বাড়িতে আসা ছেলের সঙ্গে প্রাণ গেল মায়েরও
নকলায় বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে দুজনের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Attempts are being made to sideline the quota agitators Harun

কোটা আন্দোলনকারীদের অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে: হারুন

কোটা আন্দোলনকারীদের অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে: হারুন রাজধানীর মিণ্টো রোডের কার্যালয়ে শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ডিএমপি ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ। ছবি: সংগৃহীত
ডিএমপি ডিবি প্রধান বলেন, ‘কেউ যদি মনে করে যে আদালত মানবে না, পুলিশের কথা মানবে না, তাহলে আমাদের করার কী আছে? আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যে ক্ষমতা আমরা সেটাই করবো।’

কোটা আন্দোলনকারীদের অন্য কেউ ইন্ধন দিতে পারে এবং ঘটনাটি অন্যদিকে ধাবিত করারও চেষ্টা চলছে বলে উল্লেখ করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে শনিবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

ডিএমপি ডিবি প্রধান বলেন, ‘কেউ যদি আদালতের আদেশ না মানে, সড়ক অবরোধ করে এবং আন্দোলনের নামে জানমালের ক্ষতি করে তাহলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যে যৌক্তিক কাজ সেটাই করা হবে।

তিনি বলেন, ‘কোটার ব্যবস্থার প্রচলন শুধু বাংলাদেশে নয়, অনেক দেশেই আছে। কোটার বিরোধিতা করে কিছু লোক ও কিছু শিক্ষার্থী রাস্তায় আন্দোলন করছে। ইতোমধ্যে সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি নিয়ে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের ওপর এক মাসের স্থিতাবস্থা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

‘সুপ্রিম কোর্ট সবার ভরসাস্থল। আদালতের নির্দেশনা সবার মেনে চলা উচিত। কিন্তু কয়েকদিন ধরে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে না গিয়ে বিভিন্ন সড়কে বসে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। অনেক জায়গায় গাড়িতে তারা হাত দিচ্ছে এবং একটি মামলাও রুজু হয়েছে।’

হারুন বলেন, ‘কেউ যদি মনে করে যে আদালত মানবে না, পুলিশের কথা মানবে না, তাহলে আমাদের করার কী আছে? আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যে ক্ষমতা আমরা সেটাই করবো।’

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অন্য কেউ ইন্ধন দিচ্ছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি ডিবি প্রধান বলেন, ‘আন্দোলনে অনুপ্রবেশকারী ঢুকেছে কিনা, ঘটনাটি অপরদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে কিনা- এসব নিয়ে ডিবির টিম ও পুলিশ কাজ করছে। কেউ যদি হাইকোর্টের নির্দেশনা না মেনে আন্দোলনের নামে সড়কে নেমে অবরোধ করে গাড়িতে হামলা ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে, তবে আমরা ধরে নিতে পারি অনুপ্রবেশকারীরাই এসব কাজ করছে।’

আরও পড়ুন:
কোটা আন্দোলনকারীদের দাবি সংবিধানবিরোধী: কাদের
কোটা আন্দোলনকারীদের নামে শাহবাগ থানায় মামলা পুলিশের
কোটা নিয়ে আন্দোলনকারীদের দাবি সঠিক নয়: সেলিম মাহমুদ
পুলিশি হামলার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Police case in Shahbag police station on behalf of quota protesters

কোটা আন্দোলনকারীদের নামে শাহবাগ থানায় মামলা পুলিশের

কোটা আন্দোলনকারীদের নামে শাহবাগ থানায় মামলা পুলিশের রাজধানীর শাহবাগে শুক্রবার কোটা সংস্কারের দাবিতে সমবেত শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা। ছবি: নিউজবাংলা
মামলার এজাহারে বাদী খলিলুর রহমান বলেন, ‘ছাত্ররা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের ওপর হামলা এবং শাহবাগ থানায় ছাত্রদের ধরে নিয়ে গেছে বলে গুজব ছড়িয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করে এবং পুলিশকে মারার জন্য তেড়ে আসে ও পুলিশকে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে শাহবাগ মোড় ত্যাগ করে।’

সরকারি চাকরির সব গ্রেডে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের নামে রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলা করেছে পুলিশ।

রাজারবাগ পুলিশ লাইনসের পরিবহন শাখার চালক খলিলুর রহমান বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

মামলায় আসামি হিসেবে সুনির্দিষ্ট কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে অজ্ঞাতনামা হিসেবে অনেকের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলাটি শুক্রবার করা হলেও বিষয়টি প্রকাশ পায় শনিবার।

জানতে চাইলে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাজিরুর রহমান এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করবেন না বলে জানান।

যা আছে এজাহারে

দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৭, ১৪৯, ১৫২, ৩৪১, ৩২৩, ৩৩২, ৩৫৩, ৪২৭ ও ৫০৬ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বাদী খলিলুর রহমান বলেন, ‘গত ১১ জুলাই (বৃহস্পতিবার) কোটা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি উপলক্ষে এপিসি এবং ওয়াটার ক্যাননসহ দুপুর দুইটা থেকে সিনিয়র স্যারসহ শাহবাগ থানাধীন শাহবাগ মোড়ে অবস্থান করছিলাম। আন্দোলনকারী অজ্ঞাতনামা ছাত্ররা বিকেল চারটা ৪০ মিনিটে স্লোগান দিতে দিতে শাহবাগ মোড়ের দিকে অগ্রসর হতে থাকে এবং একপর্যায়ে আন্দোলনকারীরা শাহবাগ মোড় অতিক্রম করে সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করে শাহবাগ মোড়ে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ফেলে ও পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের এলোপাতাড়ি মারপিট করে জখম করে।

‘এরপর তারা ইন্টারকন্টিনেন্টালের দিকে অগ্রসর হতে থাকলে সিনিয়র স্যাররা ছাত্রদের বুঝিয়ে পুনরায় শাহবাগ মোড়ে ফিরিয়ে নিয়ে আসার সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) পাশে নিরাপদ স্থানে রাখা এপিসি-২৫ ও ওয়াটার ক্যাননের চারদিকে ঘেরাও করে অনেকসংখ্যক আন্দোলনকারী উঠে উদ্দাম নৃত্য শুরু করে এবং ওয়াটার ক্যানন ড্রাইভারকে গাড়ি থেকে জোর করে বের করার চেষ্টা ও গতিরোধ করে। এর ফলে এপিসি ২৫ এবং ওয়াটর ক্যাননের বিভিন্ন ক্ষয়ক্ষতি হয়, যার পরিমাণ প্রায় পাঁচ লাখ টাকা।’

এজাহারে বলা হয়, ‘ছাত্রদেরকে সিনিয়র স্যারগন বুঝিয়ে এপিসি ও ওয়াটার ক্যানন থেকে নামিয়ে আনে এবং পরিবেশ পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন, কিন্তু তাহারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে পানির বোতল, টেপটেনিস বল ও ইটের টুকরা ছুড়ে মারে। এতে অনেক পুলিশ আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

‘অজ্ঞাতনামা ছাত্ররা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শাহবাগের আন্দোলনে যোগদান করে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বারডেম হাসপাতালের গেটের ব্যারিকেড ভেঙে পুলিশকে আহত করে এবং পুলিশকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন ধরনের অশ্লীল কটূক্তি করতে থাকে।’

এতে আরও বলা হয়, ‘ছাত্ররা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের ওপর হামলা এবং শাহবাগ থানায় ছাত্রদের ধরে নিয়ে গেছে বলে গুজব ছড়িয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করে এবং পুলিশকে মারার জন্য তেড়ে আসে ও পুলিশকে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে শাহবাগ মোড় ত্যাগ করে।’

আরও পড়ুন:
কোটা আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধী প্রেতাত্মা ভর করেছে: আইনমন্ত্রী
বেনজীরের স্ত্রীর ঘেরের মাছ চুরির মামলায় তিনজন গ্রেপ্তার
মোমবাতি জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ কুবি শিক্ষার্থীদের, যানজট
সারা দেশে শুক্রবার বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা
চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় হামলার প্রতিবাদে রাজশাহীতে রেললাইন অবরোধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Son arrested in case of hacking mother to death in Pirojpur

পিরোজপুরে মাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ছেলে গ্রেপ্তার

পিরোজপুরে মাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ছেলে গ্রেপ্তার নাজিরপুর উপজেলার শ্রীরামকাঠী ইউনিয়নের উত্তর জয়পুর থেকে শুক্রবার যতীশ বালাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
সংবাদ সম্মেলনে পিরোজপুরের এসপি জানান, বৃহস্পতিবার রাতে নাজিরপুর উপজেলার উত্তর জয়পুর এলাকায় জ্যোতিকা বালা নামের এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। এরই অংশ হিসেবে নিহতের বড় ছেলে যতীশ বালাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে পুলিশের কাছে মাকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি।

পিরোজপুরের নাজিরপুরে এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় তার ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

উপজেলার শ্রীরামকাঠী ইউনিয়নের উত্তর জয়পুর থেকে শুক্রবার যতীশ বালাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) শরীফুল ইসলাম গতকাল রাতে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানান।

কোপে প্রাণ হারানো জ্যোতিকা বালা (৫০) নাজিরপুর উপজেলার শ্রীরামকাঠী ইউনিয়নের উত্তর জয়পুর গ্রামের নারায়ণ বালার স্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে পিরোজপুরের এসপি জানান, বৃহস্পতিবার রাতে নাজিরপুর উপজেলার উত্তর জয়পুর এলাকায় জ্যোতিকা বালা নামের এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। এরই অংশ হিসেবে নিহতের বড় ছেলে যতীশ বালাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে পুলিশের কাছে মাকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি।

যতীশের বরাত দিয়ে এসপি জানান, দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক নানা সংকট ও পারিবারিক বিরোধের কারণে তার মায়ের ওপর ক্ষোভ ছিল। তাই পরিকল্পিতভাবে বৃহস্পতিবার রাতে ঘরে থাকা দা দিয়ে মাকে কুপিয়ে হত্যা করেন তিনি।

এসপি আরও জানান, কোপে জ্যোতি নিহতের ঘটনায় তার স্বামী নারায়ণ বালা বাদী হয়ে নাজিরপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
বাড়ির সামনে পড়ে ছিল বৃদ্ধের গলা কাটা মরদেহ
সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন
ভৈরবে ইজিবাইক চালক হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড
আত্মহত্যার চিরকুট লিখে আত্মগোপনে
‘কাঠের চেলার আঘাতে’ বাবা নিহত, ছেলে আটক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Father arrested for life sentence for daughters murder

মেয়ে হত্যায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বাবা গ্রেপ্তার

মেয়ে হত্যায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বাবা গ্রেপ্তার কমলগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল শ্রীমঙ্গল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে শুক্রবার গভীর রাতে আসামি ছমিরকে গ্রেপ্তার করে। ছবি: নিউজবাংলা
ছমিরকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানিয়ে কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, ‘মৌলভীবাজার জেলার পুলিশ সুপার মো. মনজুর রহমান বিপিএম, পিপিএম (বার)-এর নির্দেশনায় চলমান বিশেষ অভিযানে শুক্রবার রাতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছমির মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে শনিবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।’

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে নিজ মেয়েকে হত্যার ঘটনায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।

কমলগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল শ্রীমঙ্গল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে শুক্রবার গভীর রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার ছমির মিয়ার বাড়ি কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামে।

রামচন্দ্রপুর এলাকায় ২০১১ সালে স্ত্রীর সঙ্গে রাগ করে নিজের তিন বছরের মেয়ে ফাহিমাকে বাড়ির পাশে ধলাই নদীতে ফেলে হত্যা করেন ছমির। সে সময় শিশুর মা রুবি বেগম বাদী হয়ে তার স্বামীর নামে কমলগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন।

শিশু হত্যার এ ঘটনায় দীর্ঘ এক যুগ পর আদালত ছমির মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়।

ছমিরকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানিয়ে কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, ‘মৌলভীবাজার জেলার পুলিশ সুপার মো. মনজুর রহমান বিপিএম, পিপিএম (বার)-এর নির্দেশনায় চলমান বিশেষ অভিযানে শুক্রবার রাতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছমির মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে শনিবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
বাড়ির সামনে পড়ে ছিল বৃদ্ধের গলা কাটা মরদেহ
সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন
ভৈরবে ইজিবাইক চালক হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড
আত্মহত্যার চিরকুট লিখে আত্মগোপনে
‘কাঠের চেলার আঘাতে’ বাবা নিহত, ছেলে আটক

মন্তব্য

p
উপরে