× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Three children drowned in Chapainawabganj river
google_news print-icon

চাঁপাইনবাবগঞ্জ নদীতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-নদীতে-ডুবে-তিন-শিশুর-মৃত্যু
ভোলাহাটে মহানন্দা নদীতে গোসল করতে নেমে দুটি শিশু নিখোঁজ হয়। পরে ওদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া শিবগঞ্জের পাগলা নদীর ঘাটে গঙ্গাস্নান করতে নেমে ডুবে যায় আরেকটি শিশু।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার মহানন্দা ও শিবগঞ্জ উপজেলার পাগলা নদীতে গোসল করতে নেমে তিন শিশুর মৃত্য হয়েছে। এর মধ্যে ভোলাহাট উপজেলার বজরাটেক এলাকায় মহানন্দা নদীতে ৫-৬টি শিশু দুপুরে গোসল করতে নামে। এ সময় উপজেলার রাধানগর গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে জিহাদ মিয়া (১২) ও সুবেদ মিস্ত্রির ছেলে আজিজুল হক (১২) নিখোঁজ হয়। বিকেল ৩টার দিকে ফায়াস সার্ভিসের কর্মীরা শিশু দুটির মরদেহ উদ্ধার করেন।

অন্যদিকে শিবগঞ্জ উপজেলার তত্তিপুর ব্রিজ সংলগ্ন পাগলা নদীর ঘাটে পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে গঙ্গাস্নান করার সময় ডুবে নিখোঁজ হয় রানিহাটি কর্মকারপাড়ার রূপকুমারের মেয়ে পিয়াঙ্কা (১১)। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

শিবগঞ্জ থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন ও ভোলাহাট থানার ওসি সুমন কুমার জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহত শিশুদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বাঁশখালীতে পুকুরে ডুবে দুই শিশু নিহত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
3 bodies including two children were recovered after digging a hole in Mymensingh

ময়মনসিংহে গর্ত খুঁড়ে দুই শিশুসহ ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

ময়মনসিংহে গর্ত খুঁড়ে দুই শিশুসহ ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার মঙ্গলবার বিকেলে ত্রিশালের কাকচর এলাকা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
ত্রিশাল থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, ‘বলেন, ‘মরদেহগুলো ক্ষতবিক্ষত, কোনোটিতে আঙুল নেই। ফলে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না।’

ময়মনসিংহের ত্রিশালে গর্ত খুঁড়ে এক নারী ও দুই শিশুসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার কাকচর এলাকা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে ত্রিশাল থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, ‘বিকেলে শিয়ালে অনুমান তিন একটি শিশুর মরদেহ গর্ত থেকে টেনে বের করে। স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে গর্ত খুঁড়ে আনুমানিক ৩৫ বছর বয়সী এক নারী ও ছয় বছর বয়সী আরও এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা করে।’

তিনি বলেন, ‘মরদেহগুলো ক্ষতবিক্ষত, কোনোটিতে আঙুল নেই। ফলে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, সপ্তাহখানেক আগে তাদের হত্যা করে গর্তে পুঁতে রাখা হয়েছে।’

নিহতদের নাম-পরিচয় শনাক্তসহ হত্যার কারণ উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে বলেও জানিয়েছেন ওসি কামাল হোসেন।

আরও পড়ুন:
রেললাইনে নারীর দ্বিখণ্ডিত মরদেহ, বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন
খেলতে খেলতে গলায় ফাঁস লেগে প্রাণহীন ছোট্ট নুসরাত
মেঘনায় নিখোঁজের দুই দিন পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার
তিউনিশিয়ায় নৌকাডুবি: ৮ বাংলাদেশির মরদেহ ঢামেকে
নিখোঁজের দুই দিন পর মেঘনায় মিলল জেলের মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two killed in oil tanker crash in Pabna

পাবনায় তেলবাহী লরির চাপায় দুজন নিহত

পাবনায় তেলবাহী লরির চাপায় দুজন নিহত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে সুজানগর থানার সামনের মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা
পুলিশ জানায়, রাতে সুজানগর থানার সামনের মোড়ে একটি চায়ের দোকানে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন ওই দুই ব্যক্তি। এ সময় সুজানগর বাজার থেকে নাজিরগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল তেলবাহী ট্রাকটি। ট্রাকটি বাজারের সড়ক থেকে বাঁধের সড়কে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের চাপা দেয়।

পাবনার সুজানগর উপজেলায় তেলবাহী লরির চাপায় কামরুল ইসলাম ও আব্দুল মান্নান নামের দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে সুজানগর থানার সামনের মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- সুজানগরের পৌর এলাকার চর সুজানগরের ৩৮ বছর বয়সী কামরুল ইসলাম এবং পৌর এলাকার মসজিদ পাড়ার ৪০ বছর বয়সী আব্দুল মান্নান।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, রাতে সুজানগর থানার সামনের মোড়ে একটি চায়ের দোকানে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন ওই দুই ব্যক্তি। এ সময় সুজানগর বাজার থেকে নাজিরগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল তেলবাহী ট্রাকটি। ট্রাকটি বাজারের সড়ক থেকে বাঁধের সড়কে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় ট্রাকের তলা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সুজানগর থানার ওসি জালালউদ্দিন বলেন, ‘তেলবাহী ট্রাকচাপায় কামরুল ও মান্নান নামের দুইজন নিহত হয়েছেন। তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ট্রাকটি জব্দ করে থানায় আনা হয়েছে। ড্রাইভার পালাতক রয়েছেন। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

আরও পড়ুন:
শ্রীনগরে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় নিহত ২
সাভারে সড়ক দুর্ঘটনায় স্ত্রী নিহত, আহত পুলিশ কর্মকর্তা
মেরিন ড্রাইভ সড়কে দুর্ঘটনায় পর্যটকসহ নিহত ২
বাড়ি ফেরার পথে ট্রাকের ধাক্কায় কলেজছাত্র নিহত
বাইক নিয়ে নির্বাচনি শোডাউনে গিয়ে প্রাণ গেল যুবকের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1 killed in upazila election clash in Coxs Bazar

কক্সবাজারে উপজেলা নির্বাচনে সংঘাত, ছুরিকাঘাতে নিহত ১

কক্সবাজারে উপজেলা নির্বাচনে সংঘাত, ছুরিকাঘাতে নিহত ১
দেলোয়ার নামে টেলিফোন প্রতীকের সমর্থককে আটক করে রাখে মোটরসাইকেল প্রতীকের সমর্থকরা। এ খবরে তাকে বাঁচাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতের শিকার হন সফুর আলম নামের ওই যুবক। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কক্সবাজারের নবগঠিত ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাচনে হামলা, অবরোধ এবং প্রাণহানির মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ভোটগ্রহণ। মঙ্গলবার সকাল থেকে ছোট ছোট বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও ভোটগ্রহণ শেষ হতেই খবর আসে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে টেলিফোন প্রতীকের এক কর্মী-সমর্থক নিহত হয়েছেন।

দেলোয়ার নামে টেলিফোন প্রতীকের সমর্থককে আটক করে রাখে মোটরসাইকেল প্রতীকের সমর্থকরা। এ খবরে তাকে বাঁচাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতের শিকার হন সফুর আলম নামের ওই যুবক।

ভোটগ্রহণ শেষে ঈদগাঁও উপজেলার পশ্চিম পোকখালী ৪ নম্বর ওয়ার্ডে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তি পশ্চিম পোকখালী ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মামমোরা পাড়ার নুর উদ্দিনের ছেলে।

দেলোয়ার জানান, তিনি একটি বাড়িতে খাবার খেতে গেলে সেখানে তাকে মোটরসাইকেল প্রতীকের কর্মী-সমর্থকরা আটকে রাখে। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধারে ছুটে গেলে সেখানে সফুর আলমকে ছুরিকাঘাত করা হয়। তাকে উদ্ধার করে ৪টা ২০ মিনিটের দিকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঈদগাঁও থানার ওসি শুভ রঞ্জন চাকমা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

উপজেলা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া ও ঈদগাঁও উপজেলার ভোট ইভিএম পদ্ধতিতে নেয়া হয়েছে। চকরিয়া ও পেকুয়ার সার্বিক পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ হলেও ঈদগাঁওতে দিনব্যাপী বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে দুপুরে একটি কেন্দ্রে প্রবেশের চেষ্টাকালে মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী সামশুল আলমকে মারধর করা হয়।

তার প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট মৌলভী ইয়াছিন হাবিব জানান, মোটরসাইকেল প্রতীকের সমর্থকরা এই মারধরের ঘটনা ঘটায়।

একই সময় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী আবু তালেবকে মারধর করেন বলে অভিযোগ প্রার্থীর।

বেলা আড়াইটার দিকে আনারস প্রতীকের প্রার্থী সেলিম আকবার কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ এনে কর্মী-সমর্থকেদের নিয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার হাইওয়ে সড়কে অবরোধ করেন। এসময় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী লাঠিচার্জ করে তাকে সরিয়ে দেয়।

আরও পড়ুন:
দ্বিতীয় ধাপে ভোট পড়েছে ৩০ শতাংশের বেশি: সিইসি
১৫৬ উপজেলা নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ, গণনা চলছে
কুড়িগ্রামে জাল ভোট দিতে গিয়ে রিকশাচালক আটক
প্রতিপক্ষের এজেন্টকে মারধর, আ.লীগ নেতার কারাদণ্ড
চার ঘণ্টায় ভোট পড়েছে ১৭ শতাংশ: ইসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
New polarization in Sylhet Awami League

সিলেট আওয়ামী লীগে নতুন মেরুকরণ

সিলেট আওয়ামী লীগে নতুন মেরুকরণ
নাসির উদ্দিন (বাঁয়ে) ও মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। কোলাজ: নিউজবাংলা
সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে যুক্তরাজ্য প্রবাসী মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী জয়লাভের পর সিলেটের আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নিজের বলয় তৈরিতে সচেষ্ট হন তিনি। যা স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের অনেকেই মেনে নিতে পারেননি।

ভেতরে ভেতরে সিলেট আওয়ামী লীগের নতুন মেরুকরণ আর বিরোধ চলছিল বছরখানেক ধরেই। বিশেষত গত জুনে সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পর থেকে।

সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে যুক্তরাজ্য প্রবাসী মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী জয়লাভের পর সিলেটের আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নিজের বলয় তৈরিতে সচেষ্ট হন তিনি। যা স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের অনেকেই মেনে নিতে পারেননি।

এ থেকেই দেখা দেয় বিরোধ। তবে এই বিরোধ এতোদিন গোপনেই ছিল। প্রকাশ্যে ঐক্যের সুরই উচ্চারিত হচ্ছিল আওয়ামী লীগ নেতাদের মুখে। তবে বিরোধ প্রকাশ্যে আসে সম্প্রতি সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন খান এবং সিলেট সিটি মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর দুটি পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে।

কারো নাম উল্লেখ না করেই সিলেট আওয়ামী লীগের এই দুই প্রভাবশালী নেতা সম্প্রতি পরষ্পরকে বিষাদাগার করে বক্তব্য দেন। এতেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে সিলেট আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ বিরোধ আর নতুন মেরুকরণ।

সিলেটে আওয়ামী লীগে বিভক্তি দীর্ঘদিনের। এক সময় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুস সামাদ আজাদ ও সাবেক স্পিকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী গ্রুপে বিভক্ত ছিল সিলেট আওয়ামী লীগ। কথিত রয়েছে, এই দুই প্রভাবশালী নেতার বিরোধের কারণে তখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও সিলেটে কাঙ্খিত উন্নয়ন হয়নি। হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর মৃত্যুর পর স্পিকার গ্রুপের হাল ধরেন সাবেক মন্ত্রী ও ডাকসাইটে রাজনীতিক সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর সিলেটে আওয়ামী লীগ বিভক্ত হয়ে পড়ে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও তৎকালীন সিটি মেয়র বদরউদ্দিন আহমদ কামরান বলয়ে। তবে সরকার ও দলে মুহিতের প্রভাবের কারণে সেসময় কামরান অনুসারীরা তেমন সুবিধা করতে পারেননি।

এসব প্রভাবশালী নেতাদের প্রয়াণে সিলেটে আওয়ামী লীগে নেতৃত্বশূন্যতা দেখা দেয়। এতে অভ্যন্তরীণ বিরোধও অনেকটা কমে আসে। তবে সিলেটে আওয়ামী লীগে নতুন মেরুকরণ দেখা দেয় নগরের রাজনীতিতে হঠাৎ করে যুক্তরাজ্য প্রবাসী নেতা আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী আর্ভিভূত হওয়ার পর।

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান প্রবাসে থেকেও অনেকদিন ধরেই সিলেটের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। কিন্তু নীতিনির্ধারক পর্যায়ে ছিলেন না কখনোই। সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনের আগের দুটি জাতীয় নির্বাচনে তিনি সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর-বালাগঞ্জ) আসনের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তবে দল থেকে তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি।

গত সিলেট সিটি নির্বাচনে চমক হিসেবে হাজির হন আনোয়ারুজ্জামান। আওয়ামী লীগের স্থানীয় ডাকসাইটে নেতাদের টপকে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন পান তিনি। বিএনপিবিহীন এই নির্বাচনে সহজেই জয় পান আনোয়ারুজ্জামান। মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর দলের কোনো পদে না থেকেও স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও প্রভাব বিস্তারে সক্রিয় হন বঙ্গবন্ধু পরিবারের ঘনিষ্ট হিসেবে পরিচিত এই নেতা। গড়ে তোলেন নিজস্ব বলয়।

সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে নিজের প্রভাবের প্রমাণও দেন আনোয়ারুজ্জামান। এই নির্বাচনে মৌলভীবাজার-২ আসন থেকে শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সিলেট-৩ আসন থেকে হাবিবুর রহমান হাবিব এবং সুনামগঞ্জ-১ আসন থেকে রনজিত সরকার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এই তিনজনই আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর বন্ধু। তাদের দলীয় মনোনয়ন পাওয়া থেকে শুরু করে নির্বাচনে জয়লাভ পর্যন্ত আনোয়ারুজ্জামান বিশেষ ভূমিকা রাখেন বলে স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনা রয়েছে।

এরপর থেকেই সিলেটে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তার শুরু করেন আনোয়ারুজ্জামান। আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসহযোগী সংগঠনের অনেক নেতাও আনোয়ার বলয়ে যুক্ত হন। এই সময়ে সরকার এবং প্রশাসনে নিজের প্রভাবেরও জানান দেন আনোয়ারুজ্জামান।

সর্বশেষ গত মাসে স্থানীয় আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের আপত্তি সত্ত্বেও ১১ বছর পর শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নতুন কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়। এতে আনোয়ারুজ্জামান বিশেষ ভূমিকা ছিল বলে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতারা জানিয়েছেন।

হঠাৎ এসে সিলেটের রাজনীতিতে আনোয়ারুজ্জামানের এই আধিপত্য নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিলেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের অনেকেই। ভেতরে ভেতরে তারা ক্ষুব্ধ থাকলেও এ ব্যাপারে এতোদিন প্রকাশ্যে কেউ কিছু বলেননি। তবে ছাইচাপা এই ক্ষোভ প্রকাশ্যে আসে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যন নাসির উদ্দিন খানের সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে।

গত ১৪ মে সিলেটে একটি অনুষ্ঠানে কারো নাম উল্লেখ না করেই নাসির উদ্দিন খান বলেন, ‘অনেকে বিদেশে বসে মাল কামিয়েছেন। অনেক আন্দোলন করেছি। আজ মনে হয়, আমরা পরগাছা। সুবিধাভোগীরা অনেকে জনপ্রতিনিধি হয়ে গেছেন। এখন কেউ কেউ মনে করেন, তার বাবার সম্পত্তি হয়ে গেছে সিলেট। আমরা টাকা খরচ করে অনেককে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছি। সেটা ভুললে চলবে না। আমার পাওয়ার আছে, আমার অমুক আছে-তমুক আছে, সেটা থাকবে না। জনগণ যদি না থাকে, সংগঠন যদি না থাকে কারও অস্তিত্ব থাকবে না। রাজনীতিতে দুঃসময় এলে তারা থাকবে না, আমাদের দেশে থাকতে হবে– আমাদের দ্বৈত নাগরিকত্ব নেই। আমি বললাম, তারা চলে যাবে।’

নাসির উদ্দিন খান কারো নাম উল্লেখ না করলেও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের অনেকেই বলছেন, আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীকে উদ্দেশ্য করেই এমনটি বলেছেন নাসির।

নাসির যে অনুষ্ঠানে এমন বক্তব্য রাখেন সে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির আহমদ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের অনেক শীর্ষ নেতা।

নাসিরের এই বক্তব্যের চারদিন পর গত শনিবার (১৮ মে) সিলেটে একটি অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, নেতাকর্মীদের নির্যাতন করে নিজেদের নবাব ভাববেন না। কার দৌড় কতটুকু জানা আছে। আমরা এসব বিষয় নিয়ে বলতে চাই না।

এ সময় মেয়র আরও বলেন, কে কী বলল, তা দেখার বা শোনার সময় নেই। সবাই ঠান্ডা মাথায় মানুষের কল্যাণে কাজ করবেন। আপনারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক, শেষ হাসিনার একনিষ্ঠ কর্মী। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।

নিজের বক্তব্যে মেয়র কারো নাম উল্লেখ না করলেও তার এই বক্তব্যের সাথে ১৪ মে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন খানের দেওয়া বক্তব্যের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করছেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী।

চারদিন আগে নাসির উদ্দিন খানের এমন বক্তব্যে নিয়ে সিলেটের রাজনীতিতে তুমুল আণোচনার মধ্যেই ‘কার দৌড় কতটুকু জানা আছে’ বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন আনোয়ারুজ্জামান।

সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্পাদকীয় পদের চারজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, গত সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে মনোননয় প্রত্যাশী ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রায় এক ডজন নেতা। তাদের টপকে প্রবাস থেকে এসে দলীয় মনোনয়ন পান আনোয়ারুজ্জামান। এতে ক্ষুব্ধ হন স্থানীয় আওয়ামী লীগের বেশিরভাগ শীর্ষ নেতা। নির্বাচনে জয়ের পর দলেও প্রভাব বিস্তার শুরু করেন তিনি। এতে তার উপর ক্ষোভ আরও বাড়তে থাকে। তবে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সাথে ঘনিষ্টতার কারণে তার বিরুদ্ধে এতোদিন কেউ মুখ খোলেননি। নাসির উদ্দিনের বক্তব্য এই ক্ষোভেরই বহিপ্রকাশ।

তবে এ প্রসঙ্গে নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমি ব্যক্তিবিশেষকে উদ্দেশ করে কথা বলিনি। যারা দলকে মূল্যায়ন করে না, উড়ে এসে জুড়ে বসে, তাদের অবস্থান স্থায়ী হয় না- এটিই বোঝাতে চেয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘রাজনীতি করতে হলে কর্মী ও দলকে মূল্যায়ন করতে হবে। হাওয়ার ওপর চললে হবে না। আমার এমন বক্তব্য যদি কারও গায়ে লাগে, বলার কিছু নেই।’

এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

দলে কোনো বিরোধ নেই জানিয়ে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির আহমদ বলেন, আমাদের মধ্যে মতের অমিল হতে পারে তবে কোনো বিরোধ নেই। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সিলেট আওয়ামী লীগ পরিবার ঐক্যবদ্ধ। তবে যারা বিভিন্ন দায়িত্বে রয়েছেন তাদের কর্মীদের মূল্যায়ন করতে হবে। কারণ কর্মীদের কারণেই আমরা নেতা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Complaint of demanding money from patients sitting in government hospitals

সরকারি হাসপাতালে বসে রোগীর কাছে টাকা দাবির অভিযোগ

সরকারি হাসপাতালে বসে রোগীর কাছে টাকা দাবির অভিযোগ হাসপাতালে দালাল পোষার অভিযোগও রয়েছে ডা. মামুনুর রশীদ মৃধার বিরুদ্ধে। ছবি: নিউজবাংলা
এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক মামুনুর রশিদের কাছে জানতে চাওয়া হলে টাকা চাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন তিনি। বলেন, ‘হাসপাতালের বাইরে নিয়ে চিকিৎসার জন্য টাকা চেয়েছি।’ এ ধরনের চিকিৎসার জন্য তিনি এক লাখ টাকাও নিয়ে থাকেন বলে জানান।

সরকারি হাসপাতালে বসে চিকিৎসাবাবদ রোগীদের কাছে টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, চিকিৎসকের দাবি করা ১৫ হাজার টাকা না দেয়ায় চিকিৎসা মেলেনি তার।

মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

অভিযুক্ত ওই চিকিৎসকের নাম মামুনুর রশীদ মৃধা। তিনি কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে কর্মরত।

মজিবুর রহমান নামের এক ব্যক্তি চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলেছেন। তিনি পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের ঝাওগারচর গ্রামের বাসিন্দা বজলুর রহমানের ছেলে।

মজিবুর জানান, মারামারি সংক্রান্ত ঘটনায় রক্তাক্ত হয়ে ছোট ভাই হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান তিনি। তখন জরুরি বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন ডাক্তার মামুনুর রশিদ মৃধা। এ সময় চিকিৎসাবাবদ তার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন ডা. মামুনুর। অনেক অনুরোধের পর শেষ পর্যন্ত ১৫ হাজার টাকায় রাজি হন তিনি, কিন্তু সঙ্গে নগদ টাকা না থাকায় বাঁধে বিপত্তি। চিকিৎসক তার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে ধমক দিয়ে বলেন- ‘এটা মাছের বাজার পেয়েছ?’ টাকা দিতে না পারায় চিকিৎসা করাতে পারেননি তিনি।

তিনি বলেন, ‘তখনও আমার হাতের কাটা অংশ থেকে রক্ত ঝরছিল। এ অবস্থায় আগে চিকিৎসা নিয়ে, পরে বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা এনে দেয়ার কথা বললে ডাক্তার ধমক দেন।’

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে কয়েকজন সংবাদকর্মী গেলে ওই চিকিৎসকের অনুগত কয়েকজন দালাল তাদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন এবং ভেতর থেকে গেট লাগিয়ে দিয়ে সাংবাদিকদের মারধরের হুমকি দেন। পরে হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে গেট খুলে দিলে দালালরা চলে যান।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক মামুনুর রশিদের কাছে জানতে চাওয়া হলে টাকা চাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘হাসপাতালের বাইরে নিয়ে চিকিৎসার জন্য টাকা চেয়েছি।’

এ ধরনের চিকিৎসার জন্য বাইরে তিনি এক লাখ টাকাও নিয়ে থাকেন বলে জানান।

হাসপাতালে কেন এ ধরনের চিকিৎসা করেন না?- জবাবে তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে কোনো ফ্যাসিলিটি (সুযোগ-সুবিধা) নেই। খোঁজ নিয়ে দেখেন।’

এ বিষয়ে হাসপাতালের আরএমও ডা. দেবাশীষ ভৌমিক দালালদের উৎপাতের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘হাসপাতালকে দালালমুক্ত করতে আমি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ডা. মামুনুর রশিদ মৃধার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

সিভিল সার্জন ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা হাসপাতালে চলতে পারে না। ঘটনাটি শুনে তাৎক্ষণিক হাসপাতালের পরিচালক ও আরএমওকে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলেছি।’

আরও পড়ুন:
ভুল চিকিৎসায় মা ও নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ, হাসপাতাল ভাঙচুর
চট্টগ্রামে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতির ডাক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rickshaw driver arrested while casting fake vote in Kurigram

কুড়িগ্রামে জাল ভোট দিতে গিয়ে রিকশাচালক আটক

কুড়িগ্রামে জাল ভোট দিতে গিয়ে রিকশাচালক আটক আটক আবুল কালাম। ছবি: নিউজবাংলা
প্রিজাইডিং কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আবুল কালাম একবার এসে ভোট দিয়ে গেছেন। পরে আরও একবার ভোট দিতে আসলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে আটক করে। পরে তাকে ১৫ দিনের জেল দেয়া হয়েছে।’

কুড়িগ্রামে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে জাল ভোট দিতে যাওয়া এক রিকশা চালককে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের থেতরাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আটক করা হয়।

আটক আবুল কালাম (৩৫) ওই ইউনিয়নের কুমার পাড়া এলাকার বাসিন্দা।

থেতরাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের দায়িত্বরত প্রিজাইডিং কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আবুল কালাম একবার এসে ভোট দিয়ে গেছেন। পরে আরও একবার ভোট দিতে আসলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে আটক করে। পরে তাকে ১৫ দিনের জেল দেয়া হয়েছে।’

এ ছাড়াও ওই উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের দলদলিয়া আদর্শ হাইস্কুল কেন্দ্রে দলদলিয়া গ্রামের ফেরদৌস হাসান (১৮) নামে একজনকে আটক করার কথা নিশ্চিত করেন প্রিজাইডিং অফিসার শামসুল আলম।

তিনি বলেন, ‘যুবককে আটকিয়ে রাখা হয়েছে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এদিকে বজরা ইউনিয়নের খামার বজরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে তাসরিফ আলম আমিন নামে একজন জাল ভোট দিতে গিয়ে আটক হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান প্রিজাইডিং অফিসার সালগিরা।

আরও পড়ুন:
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষিকার
‘ভোটের টাকা’ বিলি করতে গিয়ে পিটুনি খেলেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান
আ.লীগ নেতার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল; শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
বেনাপোল দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় মিয়ানমারের একজনসহ আটক ৪
৬১৫ কেন্দ্রে ব্যালট যাবে আগের দিন, বাকিগুলোতে ভোটের সকালে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A league leader sentenced to prison for beating up an opponents agent

প্রতিপক্ষের এজেন্টকে মারধর, আ.লীগ নেতার কারাদণ্ড

প্রতিপক্ষের এজেন্টকে মারধর, আ.লীগ নেতার কারাদণ্ড বাগেরহাটের একটি উপজেলায় ভোট চলছে। ছবি: নিউজবাংলা
মঙ্গলবার ভোট চলাকালে বাগেরহাটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুল ইসলাম অভিযান পরিচালনা করে এই দণ্ড দেন।

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিপক্ষ প্রার্থীর এজেন্টকে মারধর করে ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেয়ায় একজনকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার ভোট চলাকালে বাগেরহাটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুল ইসলাম অভিযান পরিচালনা করে এই দণ্ড দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত প্রফুল্ল কুমার মন্ডল (৭০) চিতলমারীর চরবানিয়ারী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি। উপজেলার ৩৫ নম্বর চর ডাকাতিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রতিপক্ষের একজনকে মারধর করেন তিনি।

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে বাগেরহাটের ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও চিতলমারী এই তিন উপজেলায় ভোট হচ্ছে মঙ্গলবার। ফকিরহাট উপজেলার বেতাগা ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রসহ বেশ কিছু কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘলাইন লক্ষ্য করা গেছে।

মন্তব্য

p
উপরে