× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Illegal cable and DTH operators are burning their foreheads
google_news print-icon

অবৈধ ক্যাবল ও ডিটিএইচ অপারেটরদের কপাল পুড়ছে

অবৈধ-ক্যাবল-ও-ডিটিএইচ-অপারেটরদের-কপাল-পুড়ছে
মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দেশি-বিদেশি টেলিভিশন চ্যানেলের অবৈধ সম্প্রচার বন্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ-সংক্রান্ত এক সভায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। ছবি: নিউজবাংলা
তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যারা অবৈধ সেট টপ বক্সের মাধ্যমে অবৈধভাবে চ্যানেলগুলো দেখাচ্ছে, ক্লিনফিডের ব্যবস্থা না করে ইচ্ছেমতো বিজ্ঞাপনসহ চ্যানেল দেখাচ্ছে, তাদের কারণে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এক্ষেত্রে সরকার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

সরকার অনুমোদিত দেশি ও বিদেশি টেলিভিশন চ্যানেলের ফিড কেবলমাত্র বৈধ ক্যাবল ও ডিটিএইচ অপারেটররা গ্রাহকের কাছে পৌঁছাতে পারবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। এতে করে কপাল পুড়তে চলেছে অবৈধ ক্যাবল ও ডিটিএইচ অপারেটরদের।

মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দেশি-বিদেশি টেলিভিশন চ্যানেলের অবৈধ সম্প্রচার বন্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ-সংক্রান্ত এক সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দিন আহমেদ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার অনুমোদিত দেশি ও বিদেশি টিভি চ্যানেলের ফিড কেবলমাত্র বৈধ ক্যাবল ও ডিটিএইচ অপারেটররা গ্রাহকের কাছে পৌঁছাতে পারবে। তাদের বাইরে অন্য কেউ এ কাজ করলে তা বেআইনি ও অবৈধ। এ বেআইনি কাজ বন্ধে সরকার আইনগত ব্যবস্থা নেবে। এ বেআইনি কাজের কারণে সরকার রাজস্ব হারায় এবং বিভিন্নভাবে বিদেশে অর্থ পাচার হয়। একইসঙ্গে দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।’

তিনি বলেন, ‘বিদেশি চ্যানেলের অবৈধ সম্প্রচারের মাধ্যমে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধে যে ক্লিনফিডের ব্যবস্থা করা হয়েছে, তার বাস্তবায়ন ব্যাহত হয়। বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে এ-সংক্রান্ত আইনের বাস্তবায়ন করা হবে।

‘যারা অবৈধ সেট টপ বক্সের মাধ্যমে অবৈধভাবে চ্যানেলগুলো দেখাচ্ছে, ক্লিনফিডের ব্যবস্থা না করে ইচ্ছেমতো বিজ্ঞাপনসহ চ্যানেল দেখাচ্ছে, তাদের কারণে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এক্ষেত্রে সরকার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘অবৈধ সেট টপ বক্স যেগুলো বাজারজাত ও আমদানি করা হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন অভিযান আরও জোরদার করবে। আমরা একটা কঠোর বার্তা দিতে চাই- কেউ যেন কোনোভাবে সেট টপ বক্স অবৈধভাবে আমদানি না করে এবং সেটা বাজারজাত না করে।

‘বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধির স্বার্থে, বিদেশে অর্থ পাচার রোধে এবং আমাদের শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে আমরা এ অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে যাচ্ছি।’

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় একসঙ্গে মিলে শক্ত অবস্থান গ্রহণ করছে বলে তিনি জানান।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Arrested in the case of attack on journalist in Savar 2

সাভারে সাংবাদিকের ওপর হামলা মামলায় গ্রেপ্তার ২

সাভারে সাংবাদিকের ওপর হামলা মামলায় গ্রেপ্তার ২ সাভারে সাংবাদিকের ওপর হামলা মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
সাভার মডেল থানার এসআই সুদীপ কুমার গোপ বলেন, ‘সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হলে গতকাল (সোমবার) রাতে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় সাংবাদিকের হারানো ফোনটিও উদ্ধার করা হয়।’

ঢাকার সাভারে বেসরকারি টিভি চ্যানেল নাগরিক টেলিভিশন ও ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের সাংবাদিকের ওপর হামলা মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুদীপ কুমার গোপ মঙ্গলবার সকালে এ তথ্য জানান। এর আগে সোমবার রাতে সাভারের ব্যাংক কলোনি এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার দুইজন হলেন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের খালিশপুর এলাকার মনির হোসেন (৩৪) ও লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দনগঞ্জ থানার মো. বাবুল (৩৪)। তারা দুইজনই সাভারের ব্যাংক কলোনি এলাকায় বসবাস করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ মে কাতলাপুরের বেঙ্গল ফাইন সিরামিক লিমিটেড কারখানা দখলের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান সাংবাদিক আকাশ। সেখানে কারখানার শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের বের করে দিয়ে দখলের পর সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করে দখল করতে থাকে দুর্বৃত্তরা। এ সময় সিসি ক্যামেরা ভাঙচুরের ভিডিও ধারণ করায় দখলকারীরা সাংবাদিক আকাশ মাহমুদের ওপর হামলা করে মোবাইল ছিনিয়ে নেয়।

খবর পেয়ে অন্য সংবাদকর্মীরা তাকে প্রথমে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

হামলায় সাংবাদিক আকাশের চোখের কর্নিয়া মারাত্মক জখম হয়েছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসক।

এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার এসআই সুদীপ কুমার গোপ বলেন, ‘সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হলে গতকাল রাতে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় সাংবাদিকের হারানো ফোনটিও উদ্ধার করা হয়। আসামিদের তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে আজ সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

রিমান্ড মঞ্জুর হলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
সাভারে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার সাংবাদিক
ভুয়া সাংবাদিকের বিষয়ে সতর্ক থাকুন: কাদের
দস্যুতার মামলায় দুই ঢাবি শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার, পরে জামিন
শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলা: ড. ইউনূসের জামিন ৪ জুলাই পর্যন্ত
গজারিয়ায় যুগান্তর ও যমুনার প্রতিনিধির ওপর হামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
300 platoons of BGB in the polling ground

ভোটের মাঠে ৩০০ প্লাটুন বিজিবি

ভোটের মাঠে ৩০০ প্লাটুন বিজিবি টহল দিচ্ছে বিজিবির গাড়ি। ছবি: সংগৃহীত
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তৃতীয় ধাপে সারা দেশে ৩০০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপের ভোটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৩০০ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) এক বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তৃতীয় ধাপে সারা দেশে ৩০০ প্লাটুন (এক প্লাটুনে ৩০ থেকে ৪০ সদস্য) বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৯ মে অনুষ্ঠিতব্য উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার নিমিত্তে ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার-এর আওতায় ২৭ মে থেকে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত নির্বাচনি এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার্থে বিজিবি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The young man who was picked up from Tentulia has been found

তেঁতুলিয়া থেকে তুলে নেয়া সেই যুবকের সন্ধান মিলেছে

তেঁতুলিয়া থেকে তুলে নেয়া সেই যুবকের সন্ধান মিলেছে নিখোঁজ সাগর আলী। ছবি: সংগৃহীত
পুলিশ সুপার এসএম সিরাজুল হুদা বলেন, ‘একপর্যায়ে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, সাগর বড় ধরনের একটি অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকায় পুলিশের একটি ইউনিট তাকে ধরে নিয়ে গেছে। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জেনেছি, তবে সাগর বর্তমানে নিরাপদে রয়েছে।’

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় ‘প্রশাসনের লোক’ পরিচয়ে সাগর আলী নামে এক যুবককে তুলে নিয়ে যাওয়ার দুদিন পর তার সন্ধান মিলেছে।

সাগরকে তুলে নেয়ার পর তিনি ঢাকায় পুলিশের একটি ইউনিটের হেফাজতে ছিলেন বলে জানান পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার এসএম সিরাজুল হুদা।

তিনি জানান, সাগরকে একটি মামলায় সোমবার বিকেলে ঢাকার একটি আদালতে তোলা হয় তাকে।

পুলিশ সুপার এসএম সিরাজুল হুদা বলেন, ‘পরিবারের পক্ষ থেকে নিখোঁজ সাধারণ ডায়েরির পর থেকে সাগরের সন্ধানে আমরা কাজ শুরু করি। একপর্যায়ে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, সাগর বড় ধরনের একটি অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকায় পুলিশের একটি ইউনিট তাকে ধরে নিয়ে গেছে।

‘তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জেনেছি, তবে সাগর বর্তমানে নিরাপদে রয়েছে বলে পরিবারের সদস্যদের আমরা জানিয়েছি।’

এর আগে সোমবার বিকেলে তেঁতুলিয়া মডেল থানার পুলিশ তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা এলাকার হোটেল ধানসিঁড়ি ইন্টারন্যাশনালে (আবাসিক) নিখোঁজ সাগরের বাবাকে ডেকে নিয়ে জানায়, সাগর বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন এবং নিরাপদে রয়েছেন, তবে কী কারণে তাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে পরিবারের সদস্যদের তা জানায়নি পুলিশ।

সাগরের ছোট বোন বলেন, ‘সোমবার বিকেলে তেঁতুলিয়া থানা পুলিশ আমার বাবাকে ডেকে নিয়ে জানিয়েছে ভাইয়া নাকি তাদের কাছে আছে, নিরাপদে আছে। আমরা যেন কোনো টেনশন না করি, তবে আমার ভাইয়ের কী অপরাধ আর কেনবা তাকে ধরে নিয়ে গেল পুলিশ, এসব কিছু আমাদের জানায়নি।’

শনিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর এলাকার শ্যামলী কাউন্টার থেকে সাগরকে ডেকে নিয়ে সাদা একটি মাইক্রোবাসের কাছে নিয়ে যান সাদা পোশাকে পুলিশের পরিচয় দেয়া একটি দল। এ সময় সাগরকে জানানো হয়, কিছু তথ্য জিজ্ঞাসা করে তাকে ছেড়ে দেয়া হবে। একপর্যায়ে সাগরকে সাদা ওই মাইক্রোবাসে করে তুলে নেয়া হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়।

এ ঘটনায় শনিবার রাতেই সাগরের বাবা তেঁতুলিয়া মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (নিখোঁজ) দায়ের করেন।

সাগরের বাড়ি উপজেলার বাংলাবান্ধা ইউনিয়নের বাংলাবান্ধা বাজার এলাকায়। তিনি বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে শ্যামলী পরিবহনের একটি টিকিট কাউন্টারে বুকিং সহকারীর কাজ করেন।

আরও পড়ুন:
‘ঢাকঢোল পিটিয়ে’ বিয়ে করছেন আসামি, খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ
প্রশাসনের লোক পরিচয়ে যুবককে তুলে নেয়ার অভিযোগ
সাভারে রেস্তোরাঁ থেকে গ্রেপ্তার জামায়াতের ২২ নেতা-কর্মী
ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে পা ভাঙার অভিযোগ রিকশাচালকের
গরুবাহী ট্রাকের ধাক্কায় পুলিশ কনস্টেবল নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Detectives are looking for the weapon used to kill the MP

কোন অস্ত্রে খুন এমপি আনার, খুঁজছেন গোয়েন্দারা

কোন অস্ত্রে খুন এমপি আনার, খুঁজছেন গোয়েন্দারা ফাইল ছবি
ট্রলিতে ভর্তি এমপি আনারের হলুদমাখা মরদেহের টুকরো হস্তান্তর হয়েছিল নিউ টাউনের একটি পাবলিক টয়লেটে। খুনের মূল অভিযুক্ত আমানুল্লাহ ওই পাবলিক টয়লেটেই তার সঙ্গী জিহাদ হাওলাদারের হাতে তুলে দিয়েছিল ওই ট্রলি।

ভারতে চিকিৎসা করাতে হত্যার শিকার ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনারের মরদেহের খণ্ডিতাংশ উদ্ধার হয়নি এখনও। উদ্ধার হয়নি তাকে যে অস্ত্র দিয়ে হত্যা করেছে সেগুলোও। তবে এগুলোর খোঁজে তল্লাশি চলছে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ ভারতে এ সংক্রান্ত অভিযানে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা জানিয়েছেন।

তিনি জানান, মরদেহের অংশ কীভাবে ও কোথায় ফেলা হয়েছে, তার খোঁজ চলছে। তবে যে অস্ত্রগুলো দিয়ে দেহের অংশ কাটা হয়েছিল, সিআইডি খালে ডুবুরি নামিয়ে সেগুলোরও সন্ধান চালাচ্ছে। দু দেশের পুলিশ এক সঙ্গে এই খুনের তদন্ত চালাচ্ছে।

সংবাদ প্রতিদিন বলছে, ট্রলিতে ভর্তি এমপি আনারের হলুদমাখা মরদেহের টুকরো হস্তান্তর হয়েছিল নিউ টাউনের একটি পাবলিক টয়লেটে। খুনের মূল অভিযুক্ত আমানুল্লাহ ওই পাবলিক টয়লেটেই তার সঙ্গী জিহাদ হাওলাদারের হাতে তুলে দিয়েছিল ওই ট্রলি।

সোমবার জিহাদকে সঙ্গে নিয়েই ওই পাবলিক টয়লেটে হানা দেন বাংলাদেশের গোয়েন্দারা। এদিন জিহাদকে সঙ্গে নিয়ে নিউ টাউনের ফ্ল্যাটসহ ঘটনাস্থলসহ বেশ কয়েকটি জায়গায় গিয়ে আনোয়ারুল আজিম আনার খুন ও তার দেহাংশ সরানোর ঘটনার তদন্ত করে পুলিশ।

গোয়েন্দা কর্মকর্তা হারুন অর রশীদের সঙ্গে ছিলেন ওয়ারি বিভাগের ডিসি মুহাম্মদ আব্দুল আহাদ ও এডিসি শাহিদুর রহমান। এ ছাড়াও ছিলেন বাংলাদেশ ডেপুটি হাই কমিশনের কর্মকর্তা, সিআইডি কর্মকর্তারাও।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এদিন সকালে ঝড়বৃষ্টির মধ্যেই জিহাদকে নিউ টাউনের অভিজাত বহুতলের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান গোয়েন্দারা। খুনের পর দেহের মাংস ও হাড় আলাদা করে ফেলে এই জিহাদ ও তার সঙ্গী সিয়াম। মাংস ও হাড় আলাদা করা হয়। একেকটি মাংসের টুকরো ছিল ৭০ থেকে ১০০ গ্রাম।

পেশায় কশাই আন্দাজে মাংস কেটে তার সঙ্গে থাকা ছোট ওজনযন্ত্রে কয়েকটি মাংসের টুকরো ওজন করে দেখেও নিয়েছিল। আজিমের মাথা আধখানা করে তা-ও টুকরো টুকরো করে দেয়া হয়।

জিহাদের দাবি, মাথার টুকরো অন্য দুই অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর ও ফয়জল টুকরোর আলাদা ট্রলিতে ভরেছিল। ওই টুকরোগুলো দুজন বনগাঁ সীমান্তের কাছে যশোর রোডের ওপর ফেলে দেয়।

জিহাদকে নিয়ে গোয়েন্দারা নিউ টাউনের ফ্ল্যাটে নিয়ে গিয়ে কোথায়ি এমপি আনারকে প্রথমে বালিশচাপা দিয়ে খুন করা হয়, এর পর মেঝের কোন জায়গায় প্লাস্টিক পেতে তার দেহ জিহাদ ও সিয়াম টুকরো করতে শুরু করে, তার তদন্ত করেন গোয়েন্দারা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
DB investigators in that Kolkata flat about Butcher Jihad
এমপি আনার হত্যাকাণ্ড

কসাই জিহাদকে নিয়ে কলকাতার সেই ফ্ল্যাটে ডিবির তদন্তকারীরা

কসাই জিহাদকে নিয়ে কলকাতার সেই ফ্ল্যাটে ডিবির তদন্তকারীরা ছবি: সংগৃহীত
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্তকারী দল সোমবার দুপুরে কলকাতার সঞ্জিবা গার্ডেনের আলোচিত ফ্ল্যাটটিতে যায়। এ সময় কলকাতা পুলিশ তাদের সঙ্গে ছিল।

সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যার ঘটনা তদন্তে বর্তমানে ভারতের কলকাতায় ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) তদন্তকারী দল। তদন্তকারীরা এই হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া কসাই জিহাদকে সঙ্গে নিয়ে কলকাতার সঞ্জিবা গার্ডেনের আলোচিত সেই ফ্ল্যাটে গেছেন।

ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল সোমবার দুপুরে ওই ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন। এ সময় কলকাতা পুলিশ তাদের সঙ্গে ছিল।

সঞ্জিবা গার্ডেনস থেকে বেরিয়ে সোজা বাগজোলা খালে যান ডিএমপি ডিবিপ্রধান হারুন ও অন্য তদন্তকারীরা। খালটিতে যেখানে এমপি আনারের মরদেহের টুকরো ফেলা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, বৃষ্টির মধ্যেই সে স্থানটি পরিদর্শন করেন তদন্তকারীরা।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ভারতীয় সিআইডির কর্মকর্তাকে ডিএমপি ডিবিপ্রধান জিজ্ঞাসা করেন, এখানে বাঁশের ঝাড় কোথায়? সিআইডির কর্মকর্তা বাঁশঝাড় দেখিয়ে দিলে হারুন নিজে সেই স্থানটি সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন।

এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে হারুন অর রশীদ বলেন, ‘আমাদের একজন সংসদ সদস্যকে কলকাতায় হত্যা করা হয়েছে। তার ধারাবাহিকতায় আমরা বাংলাদেশে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছি। তাদের কাছ থেকে বেশকিছু তথ্য পেয়েছি।

‘কলকাতা পুলিশও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। আপনারা জানেন, এই হত্যার পরিকল্পনা হয়েছিল বাংলাদেশ এবং বাস্তবায়ন হয়েছে কলকাতায়। তাই আমরা নিউটাউন থানায় এসে এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে বেশকিছু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। যে রুমে এমপি আনারকে হত্যা করা হয়েছিল সেটিও পরিদর্শন করা হয়েছে।’

এর আগে রোববার সকালে ডিএমপি ডিবিপ্রধানের নেতৃত্বে কলকাতায় যায় ডিবির তিন সদস্যের একটি দল।

কলকাতা যাওয়ার আগে শাহজালাল বিমানবন্দরে হারুন অর রশীদ সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশের তদন্ত দল কলকাতায় প্রথমে ঘটনাস্থলে যাবে। এরপর ভারতে গ্রেপ্তার জিহাদ হাওলাদারকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

পুলিশ জানিয়েছে, জিহাদ হাওলাদার একজন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী। তার বাড়ি খুলনার দিঘলিয়া থানায়। তার বাবার নাম জয়নাল হাওলাদার। তবে জিহাদ বসবাস করত ভারতের মুম্বাই শহরে। সেখানে সে একটি মাংসের দোকানে কসাইয়ের কাজ করত।

রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে ২৩ মে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ জানান, এমপি আনারকে হত্যার পর খুনিরা তার দেহের মাংস হাড় থেকে আলাদা করে ফেলে। এরপর মাংসে হলুদের গুঁড়া ও মসলা মিশিয়ে ফ্রিজে রাখা হয়। পরে মাংস হিসেবে বাজারের ব্যাগে ভরে তা ট্রলিতে বাইরে নেয়া হয়।

এমপি আনার হত্যার ঘটনায় এ পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। তারা হলেন- আমানুল্লাহ ওরফে শিমুল ভূঁইয়া, শিলাস্তি রহমান ও ফয়সাল আলী ওরফে সাজি। তাদেরকে আটদিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত।

আরও পড়ুন:
মৃত্যুর প্রমাণ পাওয়ার পর সংসদে আনারের আসন শূন্য ঘোষণা
এমপি আনার হত্যা: ডিবির তদন্ত দল কলকাতায়
আওয়ামী লীগ নেতাকে হত্যা করে দেশ ছাড়েন ‘কসাই জিহাদ’
এমপি আনারকে আগেও দু’বার হত্যার চেষ্টা হয়েছে: ডিবি
এমপি আনার হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি: হারুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Parents attempt suicide after killing their child

সন্তানকে হত্যার পর বাবা-মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা

সন্তানকে হত্যার পর বাবা-মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৪ ঘণ্টার ডাক্তারি পর্যবেক্ষণে রয়েছে ওই দম্পতি। ছবি: সংগৃহীত
অসুস্থ মাসরুল হোসাইন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মাসখানেক আগে ময়মনসিংহে আমার কাছ থেকে কোম্পানির দুই লাখ ২০ হাজার টাকা ছিনতাই হয়ে যায়। ঘটনাটি অফিসে জানালে চাকরি চলে যায় এবং কোম্পানি টাকার জন্য আমার ওপর চাপ প্রয়োগ করতে থাকে।

দেনার দায়ে টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ৪ বছর বয়সী একমাত্র মেয়েকে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে এক দম্পতি।

সোমবার ভোরে উপজেলার ভাদুরিচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশুটির নাম ফাউজিয়া শেহতাজ মৃত্তিকা। অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার বাবা ৩৫ বছর বয়সী মাসরুল হোসাইন ও মা মীরা আফরোজ সাথী।

জাপান টোব্যাকোর সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং পদে ময়মনসিংহে চাকরিরত মাসরুল পরিবার নিয়ে উত্তর গোপালপুরের ভাদুরিচর গ্রামের হারুন অর রশিদের বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

পুলিশ জানায়, এদিন ভোরে সন্তানের মৃত্যু নিশ্চিতের পর ওই দম্পতি ঘুমের ওষুধ ও কীটনাশক পানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। তবে বিষয়টি টের পেয়ে প্রতিবেশীরা তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক পুলক কান্তি সাহা জানান, স্বামী-স্ত্রী উভয়কেই ২৪ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এখনও তারা শঙ্কামুক্ত নন। তাদের চিকিৎসা চলছে। তবে আগের চেয়ে এখন কিছুটা সুস্থ।

অসুস্থ মাসরুল হোসাইন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মাসখানেক আগে ময়মনসিংহে আমার কাছ থেকে কোম্পানির দুই লাখ ২০ হাজার টাকা ছিনতাই হয়ে যায়। ঘটনাটি অফিসে জানালে চাকরি চলে যায় এবং কোম্পানি টাকার জন্য আমার ওপর চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। উপায়ান্তর না পেয়ে রোববার বিভিন্ন ফার্মেসি থেকে ১২০টি ঘুমের ওষুধ ও কীটনাশক কিনে আনি। মধ্যরাতের পর একমাত্র মেয়েকে ১২টি ঘুমের ঔষধ খাইয়ে বালিশ চাপা দিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিতের পর আমরা (স্বামী-স্ত্রী) আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে ভোররাতে ঘুমের ওষুধ ও কীটনাশক পান করি।’

গোপালপুর থানার ওসি ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘হতাশাগ্রস্ত বাবা-মা সন্তানকে খুন করার অপরাধে ও বাবা-মায়ের আত্মহত্যা চেষ্টার দায়ে নিয়মিত মামলা হবে।’

আরও পড়ুন:
যশোরে প্রেম নিয়ে একজনকে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৩
ঝিনাইদহে প্রবাসীর স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা, আটক ২
বিষ খাইয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী সন্তানকে হত্যার অভিযোগে বাবা-মা গ্রেপ্তার
কাপড় ধুতে বলায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা: স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The police cannot find the accused who is marrying under cover

‘ঢাকঢোল পিটিয়ে’ বিয়ে করছেন আসামি, খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ

‘ঢাকঢোল পিটিয়ে’ বিয়ে করছেন আসামি, খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ বিয়ের অনুষ্ঠানে আসমির বাড়ির সামনে তোরণ। ছবি: নিউজবাংলা
বিয়ের বর জসিম উদ্দিন একটি মারামারি মামলার আসামি। পুলিশের খাতায় ‘পলাতক’। অথচ নিজ বাড়িতে জাঁকজমক করে বিয়ের আয়োজন করেছেন তিনি।

ধুমধাম করে বিয়ের আয়োজন চলছে। বিয়েতে বরকে শুভেচ্ছা জানিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে বিশাল তোরণ।

সোমবার দুপুরে বিশাল বহর নিয়ে বিয়ে করতে কনের বাড়ি গিয়েছেন বর। তার আগে রোববার রাতে বাড়িতে হয়েছে তার গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান।

এই বিয়ের বর জসিম উদ্দিন একটি মামলার আসামি। পুলিশের খাতায় ‘পলাতক’। অথচ নিজ বাড়িতে জাঁকজমক করে বিয়ের আয়োজন করেছেন তিনি।

এমন ঘটনা ঘটেছে সিলেটের জালালাবাদ থানার মানসীনগর গ্রামে।

জানা যায়, গত ১৭ মে মানসীনগর গ্রামে একটি সালিশ বৈঠককে ঘিরে দুপক্ষের মারামারি হয়। এ ঘটনায় ওই গ্রামের সৈয়দ মিয়া বাদী হয়ে আলালাবাদ থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় ২২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞতানামা আরও ১৫/২০ জনকে আসামি করা হয়। জসিম উদ্দিন ওই মামলার ১৮ নম্বর আসামি। সোমবার তিনি বিয়ে করছেন।

মামলার বাদী সৈয়দ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ‘আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করছে না। এরইমধ্যে আজ এক আসামির বিয়ে করছেন। কাল থেকে তার বাড়িতে ঢাকঢোল বাজিয়ে বিয়ের আয়োজন চলছে। অন্যান্য আসামিরাও সেখানে জড়ো হয়েছেন। বিষয়টি একাধিকবার পুলিশকে জানালেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।’

তিনি বলেন, ‘বিষয়টি গতরাতেই (সোমবার) আমি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই লিটনকে জানাই। এরপর থেকেই তার ফোন বন্ধ পাচ্ছি। আজ দুপুরে তিনি (আসামি) বরযাত্রী নিয়ে কনের বাড়ি চলে যাওয়ার পর তদন্তকারী কর্মকর্তা আমাকে ফোন করে জানান, তিনি আসামিকে ধরতে অভিযানে যাচ্ছেন।’

তবে এমন অভিযোগ অস্বীকার করে জালালাবাদ থানার এসআই লিটন বলেন, ‘মামলার পর আসামিদের ধরতে একাধিকবার অভিযান চালিয়েছি, কিন্তু তাদের পাইনি। এক আসামির বিয়ের খবর শুনে আজকেও অভিযানে গিয়ে তাকে পাইনি। রাতে আবার যাব।’

আরও পড়ুন:
মৃত বাবাকে দেখতে এক ঘণ্টা সময় পেলেন মেয়ে
ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে পা ভাঙার অভিযোগ রিকশাচালকের
ঘুষ নেয়া মাদারীপুরের সেই দুই কনস্টেবল সাসপেন্ড
নৌপথে চাঁদাবাজির অভিযোগ: সেই পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি

মন্তব্য

p
উপরে