× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Promotion of Upazila Elections during Jumma Namaz and Iftar
google_news print-icon

জুম্মার নামাজ ও ইফতারে উপজেলা নির্বাচনের প্রচার

জুম্মার-নামাজ-ও-ইফতারে-উপজেলা-নির্বাচনের-প্রচার
ছবি: নিউজবাংলা
গত নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কমলগঞ্জ উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুলকে প্রতি শুক্রবার আলাদা এলাকার মসজিদে উপস্থিত হয়ে জুম্মার নামাজ আদায় করতে দেখা যায়। নামাজের আগে তিনি উপস্থিত মুসল্লীদের কাছে ভোট চেয়ে অেনুরোধ করছেন।

আগামী মে মাস থেকে সারাদেশে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন শুরু হবে। ইতিমধ্যে প্রথম পর্যায়ের নির্বাচনের তপশিলও ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তপশিল এখনও ঘোষণা করা না হলেও জুম্মার ও তারাবির নামাজে উপস্থিত হয়ে ও বিভিন্ন ইফতার পার্টিতে অংশ নিয়ে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার কথা বলছেন প্রার্থীরা। তাছাড়া বিভিন্ন ইউনিয়নে সমাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা।

গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হয়ে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে নির্বাচিত হয়েছিলেন অধ্যাপক মো রফিকুর রহমান। সে বছর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদন্দ্বিতা করছেন সাংসদ ও বর্তমান কৃষি মন্ত্রী উপাধ্যক্ষ ড. এম এ শহীদের ছোট ভাই কমলগঞ্জ উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল। এ নিয়ে সে সময় বেশ উত্তেজনাসহ দলীয় বড় বিরোধ সৃষ্টি হয়। এবারের উপজেলা পরিষদ দলীয় মনোনয় না থাকায় উন্মুক্তভাবে প্রার্থীতা চাওয়া হয়। ফলে এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন কমলগঞ্জে আরও উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।

কমলগঞ্জ উপজেলার ৯ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এলাকা ঘুরে দেখা যায় বর্তমান কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো.অধ্যাপক মো রফিকুর রহমান তার তৃণমুল পর্যায়ের কিছু নেতা কর্মী নিয়ে নির্বাচনের প্রচারণা করছেন। এক এক শুক্রবার এক এক এলাকার মসজিদে উপস্থিত হয়ে সাধারণ মুসল্লীর সাথে নামাজ আদায় করে আসন্ন নির্বাচনে ভোট দিয়ে আবারও চতুর্থবারের মত নির্বাচিত করার আহ্বান জানান। অধ্যাপক মো: রফিকুর রহমানকে আবার বিভিন্ন সংগঠনের ইফতার পার্টিতে অংশ নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতেও দেখা যায়।

অন্যদিকে, গত নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কমলগঞ্জ উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুলকে প্রতি শুক্রবার আলাদা এলাকার মসজিদে উপস্থিত হয়ে জুম্মার নামাজ আদায় করতে দেখা যায়। নামাজের আগে তিনি উপস্থিত মুসল্লীদের কাছে ভোট চেয়ে অেনুরোধ করছেন। প্রতিদিন কোন না কোন এলাকায় ইফতার পার্টি, খেলাধুলা, ও চায়ের দোকানে অংশ নিয়ে নির্বাচন সম্পর্কে বক্তব্য রাখছেন। প্রতিদিন গড়ে ৮ থেকে ২০ টি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হবেন উল্লেখ্য করে তাকে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায় কমলগঞ্জ পৌরসভা ও ৯ টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, সদস্য ও সাধারণ জনগনসহ একটি শক্তিশালী কর্মী তাঁর হয়ে প্রচারণায় কাজ করছেন।

একইভাবে কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) আলমগীর হোসেন ও সাবেক ভাইরাস চেয়ারম্যান মো. সিদ্দেক আলী, এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান বিলকিস বেগম ও আওয়ামী লীগ নেত্রী মুন্না রায় নির্বাচনের প্রচারণা চালাচ্ছেন।

কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল বলেন, ‘তিনি কোন জনপ্রতিনিধি না হয়েও বিগত দেড় দশক ধরে কমলগঞ্জবাসীর সেবা করছেন। এখন সুযোগ এসেছে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে আরও বেশি জনসেবা করার।

তিনি বলেন, ‘সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য, কমলগঞ্জ পৌরসভা মেয়র ও কাউন্সিলর তার হয়ে প্রচারণায় ব্যস্ত। তাই ইনশাআল্লাহ নির্বাচিত হবো। গত নির্বাচনে আমি প্রার্থী ছিলাম, আল্লাহর হুকুম হয়নি, সে সময় আমি জয়লাভ করতে পারিনি। এবার শতভাগ নিশ্চিত আমি মানুষের ভালোবাসায় বিপুল ভোটে নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারবো।’

কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান বলেন, ‘আমি আবারও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধীতা করবো। জয়ের ব্যপারে আমি আশাবাধি এলাকায় প্রচুর উন্নয়নমূলক কার্যক্রম করেছি সেই সুবাধে জনগন আমায় আবারও পূন নিবাচিত করবে। তিনি আরও বলেন, কিছু সুবিধাভোগী নেতাকর্মীরা আমার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে,তারা কখনো সফল হবে না।’

এদিকে নির্বাচনের বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে কমলগঞ্জ পৌর মেয়র মো. জুয়েল আহমেদ বলেন, ‘মানুষ উন্নয়ন চায়। তাই একজন পরিচ্ছন্ন সমাজকর্মী। যিনি দীর্ঘদিন যাবত নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এই উপজেলার জন্য। সেজন্য কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল ভাইয়ের বিকল্প নাই। তিনি বলেন, যে ব্যক্তির বড় কোন রাজনৈতিক পদ না থাকা সত্যেও তৃনমূল মানুষের পাশে ছিলেন সেই মানুষকে সাধারন জনগন চায়। আমরা শতভাগ আশাবাদি এবারের উপজেলা নির্বাচনে ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল ভাই নির্বাচিত হবেন।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Anti social activities arrested behind spa center in Gulshan 28

গুলশানে স্পা সেন্টারের আড়ালে অসামাজিক কর্মকাণ্ড, গ্রেপ্তার ২৮

গুলশানে স্পা সেন্টারের আড়ালে অসামাজিক কর্মকাণ্ড, গ্রেপ্তার ২৮

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে স্পা সেন্টারের আড়ালে অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) গুলশান-২ এলাকার পৃথক দুটি স্পা সেন্টারে এ অভিযান পরিচালনা করে গুলশান থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মোর্শেদ আলম (৩৩), কায়কোবাদ সরকার (২৫), রমজান ভুঁইয়া (৪৫), মেহেদী হাসান (২৭), তারভীর আলম (২২), মাহফুজ কামাল স্বাধীন (৩২), মনিরুল ইসলাম মুন্না (২৬), মো. হাসান (৩৭), বাবুল হোসেন (৩৮), মো. মোস্তফা (৬০), পরিতোষ শীল (৩৭), মো. শোহান (২৫), রফিকুল ইসলাম রানা (৩৭), জহিরুল ইসলাম (৩৬), মো. আরিফুল ইসলাম (৪৩), খাদিজা ইসলাম শান্তা (২৫), ফাহিমা সুলতানা (২৫), রত্না আক্তার (২৩), মাহিমা আক্তার (২৪), ফারজানা আমিন (২৬), রোকসানা আক্তার (৩২), মায়া আক্তার (২৪), ফারিয়া ইসলাম (২৪), ইসরাত জাহান জয়া (২২), রুবিনা আক্তার (১৯), তাহিয়া ইসলাম (২৩), ময়না (২১) ও মাহমুদা আক্তার (৪২)।

শুক্রবার (৫ জুন) গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, স্পা ব্যবসার আড়ালে অসামাজিক কর্মকাণ্ড, দেহব্যবসা এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দুটি স্পা সেন্টারে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধ একটি চক্র রাজধানীর অভিজাত এলাকায় কয়েকটি স্পা সেন্টার পরিচালনা করে আসছিল। এসব প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যসেবা ও সৌন্দর্যচর্চার আড়ালে অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হওয়ার অভিযোগ ছিল। স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহলের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে বিভিন্ন সময় অভিযোগ পাওয়া যায়।

ওসি জানান, রাজধানীতে স্পা সেন্টারের আড়ালে কোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হবে না। এ ধরনের অভিযোগের বিষয়ে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
DMP demands spreading misleading information about Commissioners visit

কমিশনারের গমনাগমন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের দাবি ডিএমপির

কমিশনারের গমনাগমন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের দাবি ডিএমপির

কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের গমনাগমন বিষয়ে সংবাদকে বিভ্রান্তিকর ও অসম্পূর্ণ বলে জানিয়েছে ডিএমপি। শুক্রবার (৫ জুন) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ‘ট্রাফিক আইন মানার ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি সবাই সমান’ শীর্ষক সংবাদে ডিএমপি কমিশনারের গমনাগমন সংক্রান্ত যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা বিভ্রান্তিকর, অসম্পূর্ণ এবং প্রকৃত পরিস্থিতির সঠিক প্রতিফলন নয়। মিন্টো রোডের সংশ্লিষ্ট সিগন্যালটি ‘ওয়ান ওয়ে’ বা একমুখী এবং ডিএমপি কমিশনারের গাড়িবহরকে নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে অস্থায়ী প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে পার করা হয়েছে সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বাস্তবে বিষয়টি এমন নয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মিন্টো রোড কোনোভাবেই একমুখী সড়ক নয়। এ সড়কে উভয় দিকেই যানবাহন চলাচল করে থাকে। যানবাহন চলাচল ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে কয়েক মাস আগে পরীক্ষামূলকভাবে প্লাস্টিকের অস্থায়ী কোণ স্থাপনের মাধ্যমে উত্তরমুখী যানবাহনকে ইউটার্ন করে দক্ষিণমুখী করার একটি অস্থায়ী ট্রাফিক ব্যবস্থা চালু করা হয়। এটি কোনো স্থায়ী অবকাঠামো বা স্থায়ী ট্রাফিক বিধিনিষেধ নয়। সংশ্লিষ্ট স্থানে ট্রাফিক পরিস্থিতি, যানবাহনের চাপ এবং তাৎক্ষণিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন অনুযায়ী এই অস্থায়ী ইউটার্ন ব্যবস্থা প্রতিদিনই একাধিকবার খোলা ও বন্ধ করা হয়ে থাকে।

এটি দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত একটি নিয়মিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম এবং এ পথে নিয়মিত চলাচলকারী চালক ও পথচারীরা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত রয়েছেন। ডিএমপি কমিশনার গাড়িবহরের গমনাগমনও সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক কর্মকর্তাদের পরামর্শ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আওতাতেই সম্পন্ন হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন, বিশেষ সুবিধা গ্রহণ কিংবা নিয়মের ব্যত্যয় ঘটেনি।

বিজ্ঞপ্তিতে পূর্ণাঙ্গ তথ্য যাচাইপূর্বক সংবাদ পরিবেশনের জন্য সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
World Environment Day Tree plantation program held in the capital

বিশ্ব পরিবেশ দিবস: রাজধানীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন

বিশ্ব পরিবেশ দিবস: রাজধানীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন

‘রোড ডিভাইডারে গাছ লাগাই সবুজে সাজাই শহর সবাই’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রিন কনসার্নস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রাজধানীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকালে তেজগাঁওয়ের বিএসটিআই ও আমাদের সময়ের মাঝখানের সড়ক বিভাজকে এই কর্মসূচি পালিত হয়। সংগঠনটি দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছে।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন গ্রিন কনসার্নস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান ও দৈনিক আমাদের সময়ের নির্বাহী সম্পাদক নজরুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সেক্রেটারি রণজিৎ সরকার, আমাদের সময়ের অনলাইন ইনচার্জ বিপুল হাসান, সিনিয়র রিপোর্টার আব্দুল্লাহ ক্বাফী, গ্রিন কনসার্নস ফাউন্ডেশনের সদস্য গিরীশ গৈরিক, এমিলিয়া খানম, লাবণ্য লিপি, আমাদের সময়ের সিনিয়র রিপোর্টার শাহজাহান মোল্লাসহ সংগঠনের সদস্যরা। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সার্বিক সহযোগিতা করেছে শিকদার এন্টারপ্রাইজের কর্ণধার আমিনুল ইসলাম।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে দৈনিক আমাদের সময়ের নির্বাহী সম্পাদক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘পৃথিবীর ভারসাম্য রক্ষা ও বাসযোগ্য করতে হলে পরিবেশের বিকল্প নেই। যেহেতু এই পৃথিবী দিন দিন উষ্ণ হয়ে ওঠছে। আজ থেকে ১০ বছর আগে এই দেশে গড় তাপমাত্রা কত ছিল? এখন কত? বিষয়গুলো সবাইকে অনুধাবন করতে হবে। বাসযোগ্য দেশ গড়তে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। আমরা আজকে এখানে নিম গাছ রোপণ করলাম। প্রশ্ন আসতে পারে নিম গাছ কেন? কারণ নিম গাছ বেশি অক্সিজেন ত্যাগ করে এবং বেশি করে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এটা নাগরিকদের স্বস্তি দেবে। সবুজ পৃথিবী গড়তে প্রত্যেকের অন্তত একটা করে গাছ লাগানো উচিত। বর্তমান সরকার পরিবেশের বিষয়টাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিকল্পনাজুড়ে পরিবেশ রক্ষার অঙ্গীকার।

গ্রিন কনসার্নস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান বলেন, ‘পৃথিবীব্যাপী উষ্ণায়ন পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে।

৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস। এই দিবসকে ঘিরে আজ গ্রিন কনসার্নস ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে তেজগাঁও এলাকায় রোড ডিভাইডারের মাঝখানে গাছ লাগানো হলো। আমরা এখানে অনেকগুলো নিম গাছের চারা রোপণ করেছি। এটা একটা ঔষধিগাছ। আপনারা জানেন নিম গাছ খুবই উপকারী একটি গাছ। এটি মানুষের রূপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যচর্যায় বিভিন্ন উপকারী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আসুন সবাই একটি করে হলেও গাছ লাগাই। সবুজে ভরে উঠুক সারা পৃথিবী।’

গ্রিন কনসার্নস ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি রণজিৎ সরকার বলেন, ‘আজ আমরা একটি সুন্দর ও মানবিক উদ্যোগ নিয়ে একত্রিত হয়েছি- সড়কের ডিভাইডারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে। একটি গাছ শুধু পরিবেশ সুন্দর করে না, এটি আমাদের জীবন রক্ষা করে, বিশুদ্ধ অক্সিজেন দেয়, তাপমাত্রা কমায় এবং শহরকে বাসযোগ্যও করে তোলে। বর্তমান সময়ে জলবায়ু পরিবর্তন, তীব্র গরম, বায়ুদূষণ ও পরিবেশ বিপর্যয় আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ।

পরিবেশ রক্ষায় দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়; নাগরিক সমাজ, তরুণ প্রজন্ম এবং সচেতন প্রতিটি মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই সবুজ নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। ডিভাইডারে রোপিত প্রতিটি চারা হবে দূষণের বিরুদ্ধে একেকটি প্রতিবাদ, উষ্ণতার বিরুদ্ধে একেকটি প্রতিরোধ এবং জীবনের পক্ষে একেকটি সবুজ ঘোষণা। শুধু বৃক্ষরোপণ নয়, বৃক্ষ সংরক্ষণেও সমানভাবে দায়িত্বশীল হব। কারণ প্রকৃতিকে রক্ষা করা মানে মানবসভ্যতার অস্তিত্ব রক্ষা করা।’

গ্রিন কনসার্নস ফাউন্ডেশনের সদস্য কবি ও সাংবাদিক গিরীশ গৈরিক বলেন, ‘পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আমরা দেশব্যাপী গাছ লাগাতে চাই। এই প্রত্যাশা নিয়ে আজকে আমাদের যাত্রা শুরু হলো। সরকারের সবুজায়নের উদ্যোগকে শক্তিশালী করতে গ্রিন কনসার্নস সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dengue larvae found in 60 percent houses in Dhaka South DSCC Administrator

ঢাকা দক্ষিণের ৬০ শতাংশ বাড়িতে মিলেছে ডেঙ্গুর লার্ভা: ডিএসসিসি প্রশাসক

ঢাকা দক্ষিণের ৬০ শতাংশ বাড়িতে মিলেছে ডেঙ্গুর লার্ভা: ডিএসসিসি প্রশাসক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) আওতাধীন ৬০ শতাংশ বাড়িতে ডেঙ্গু মশার লার্ভা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন প্রশাসক আব্দুস সালাম। শুক্রবার (৫ জুন) রাজধানী ওয়ারীতে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে এই কথা জানিয়েছেন তিনি।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ৬০ শতাংশ বাড়িতে ডেঙ্গুর লার্ভা পাওয়া গেছে। তাই বাড়ির উঠান, ছাদ, ফুলের টপে যাতে পানি না জমে সেদিকে সবাইকে সচেতন হতে হবে। তা না হলে ডেঙ্গু থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব নয়।

বাড়ি এবং আশেপাশের আঙ্গিনা সব জায়গাতেই পরিষ্কার রাখার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এইসব বিষয়ে অনেক সচেতন। শুধু তাই নয়, খেলার মাঠ থেকে শুরু করে সার্বিক বিষয়ে দেখভাল করছেন তিনি।

এলাকার পরিবেশ সুন্দর রাখতে হলে অবশ্যই সবাইকে আগে সচেতন হতে হবে উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, জনগণ সমর্থনে যদি মেয়র নির্বাচিত হই তাহলে নগরের শিক্ষাঙ্গনে আমূল পরিবর্তন আনা হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Five day remand to 2 accused arrested in connection with theft of telephone in Prime Ministers office

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে টেলিফোনের তার চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ আসামিকে পাঁচ দিনের রিমান্ড

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে টেলিফোনের তার চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ আসামিকে পাঁচ দিনের রিমান্ড

রাজধানীর সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোন সংযোগের তামার তার চুরি হওয়ার ঘটনায় শাহবাগ থানায় করা মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামিকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। তারা হলেন রঞ্জন চন্দ্র (২৬) ও রিজাকুল ইসলাম (৩২)।

শুক্রবার (৫ জুন) শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাতের আদালত এ আদেশ দিয়েছেন। ঢাকা মহানগর প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, আসামিদের আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) উপপরিদর্শক এনজামুল হক।

অভিযোগ অনুযায়ী, সম্প্রতি সংঘটিত স্পর্শকাতর ঘটনাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দেয়।

এ ঘটনায় বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ শাহবাগ থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে। পরে তদন্তে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সচিবালয়ের আউটসোর্সিং কর্মী রঞ্জন চন্দ্রকে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

রিমান্ড আবেদন অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদে রঞ্জন চন্দ্র স্বীকার করেন, ২২ মে সচিবালয়ের ৩ নম্বর ভবন থেকে তিনি তামার তার চুরি করেন। এরপর ১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হলের সামনে একটি ভাঙারি দোকানে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা দরে মোট ৮ কেজি ২০০ গ্রাম তামার তার বিক্রি করেন তিনি।

তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিটিটিসির একটি দল অভিযান চালিয়ে একুশে হলসংলগ্ন ভাঙারি দোকান থেকে রিজাকুল ইসলাম (৩২) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে চকবাজার থানার হোসেনী দালান রোড এলাকার একটি ভাঙারি গুদামে চুরি হওয়া তামার তার পাওয়া যায়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Coast Guard has seized a large amount of marine fish in Patuakhali to implement the ban

নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে পটুয়াখালীতে বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক মাছ জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড

নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে পটুয়াখালীতে বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক মাছ জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড

সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার দেশব্যাপী সব ধরনের মৎস্য আহরণের ওপর ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এই নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে পটুয়াখালীতে কোস্ট গার্ড ও মৎস্য অধিদপ্তর এক যৌথ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক মাছ ও জাটকা জব্দ করেছে।

কোস্ট গার্ড স্টেশন পটুয়াখালী সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে পটুয়াখালী সদর থানায় টোল প্লাজাসংলগ্ন এলাকায় একটি বিশেষ চেকপোস্ট বসানো হয়। অভিযান চলাকালীন ওই এলাকা দিয়ে যাওয়া একটি সন্দেহভাজন যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালায় যৌথ দল। এ সময় বাসটি থেকে আনুমানিক ৩৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের ৪,০০০ কেজি বিভিন্ন প্রকার সামুদ্রিক মাছ এবং ১,৮০০ কেজি জাটকা ইলিশ জব্দ করা হয়।

অভিযান শেষে বাসের ড্রাইভার ও হেল্পারদের কাছ থেকে ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার শর্তে মুচলেকা নিয়ে বাসটি ছেড়ে দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে পটুয়াখালী উপজেলা মৎস্য প্রতিনিধির উপস্থিতিতে জব্দকৃত সমস্ত মাছ স্থানীয় বিভিন্ন এতিমখানা, মাদ্রাসা এবং গরিব ও দুস্থ মানুষের মাঝে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কোস্ট গার্ডের এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Traffic jam on the western highway of Yamuna Bridge due to the pressure of people heading to the capital

রাজধানীমুখী মানুষের চাপে যমুনা সেতুর পশ্চিম মহাসড়কে যানজট

রাজধানীমুখী মানুষের চাপে যমুনা সেতুর পশ্চিম মহাসড়কে যানজট

ঈদুল আজহার ছুটি শেষে রাজধানীমুখী মানুষের চাপ বাড়ায় সিরাজগঞ্জের যমুনা সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়ক ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়েছে। পর্যাপ্ত যানবাহন না পাওয়া, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা, অতিরিক্ত ভাড়া এবং ট্রেনের বিলম্বের কারণে শ্রমজীবী ও কর্মজীবী যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। শুক্রবার (৫ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কড্ডার মোড় এলাকায় এই চিত্র দেখা যায়।

যমুনা সেতুর পশ্চিম প্রান্তের কড্ডার মোড় এলাকায় ঢাকামুখী যাত্রীরা দীর্ঘ সময় গাড়ির অপেক্ষায় ছিলেন। বাস ও পর্যাপ্ত গণপরিবহন না থাকায় অনেকে বিকল্প পরিবহনের দিকে ঝুঁকেছেন। তবে ভাড়ার অস্বাভাবিক চাপও তাদের সমস্যায় ফেলেছে।

চন্দ্রা এলাকার একটি গার্মেন্টে কর্মরত যাত্রী সাজ্জাদ হোসেন জানান, সকাল থেকে পরিবার নিয়ে ঢাকায় ফেরার অপেক্ষায় থাকলেও তিনি এখনো গাড়ি পাননি। তিনি বলেন, ‘ট্রাকে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা ভাড়া চাইছে, বাসে ৭০০-৮০০ টাকা। কিন্তু ব্যাগ থাকায় অনেক বাস নিতে চাইছে না।

একই স্থানে প্রায় ছয় ঘণ্টা অপেক্ষার কথা জানান আরেক যাত্রী আয়েশা সিদ্দিকা। তিনি বলেন, ‘মিরপুর যাওয়ার জন্য সকাল থেকে বসে আছি। এখন ভাড়াটা বিষয় না, সিটই পাওয়া যাচ্ছে না।’

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই পরিস্থিতিতে কড্ডার মোড় এলাকায় শত শত যাত্রী একই ধরনের দুর্ভোগে পড়েন।

যমুনা সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কে ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত ঢাকামুখী লেনে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। সেতুর পশ্চিম গোলচত্বর থেকে কামারখন্দ উপজেলার ঝাঐল পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট ছড়িয়ে পড়ে। দুপুরের পর ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হলেও গতি ছিল ধীর।

যাত্রীরা জানান, স্বাভাবিক সময়ে যেখানে ঢাকায় পৌঁছাতে আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা লাগে, সেখানে এবার যাত্রা অনেক দীর্ঘ হয়ে পড়েছে। পাবনার বেড়া থেকে ঢাকাগামী যাত্রী খাইরু গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সকাল ৯টায় রওনা দিয়ে যমুনা সেতু পার হলাম বিকেল ৪টার দিকে। এখনো ঢাকায় পৌঁছানোর সময় নিশ্চিত নয়।’

ঈদযাত্রায় তীব্র যানজট, অতিরিক্ত ভাড়া ও দুর্ভোগে হাজারো যাত্রী।

সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু বলেন, ‘কয়েকটি যানবাহন বিকল হয়ে পড়ায় সাময়িক যানজট তৈরি হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ কাজ করছে এবং যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফিরতে পারেন, সে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

রেলপথেও একই চিত্র দেখা গেছে। কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আব্দুর রহমান বলেন, ‘ঢাকাগামী বেশ কয়েকটি ট্রেন নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে যেতে পারেনি। কিছু ট্রেন দেড় থেকে দুই ঘণ্টা দেরিতে চলাচল করছে।’

জামতৈল স্টেশনে অপেক্ষমাণ যাত্রী শামছুল আলম জানান, ট্রেন ধরতে দুপুরের পর থেকে স্টেশনে এসে অপেক্ষা করছেন। কিন্তু বিলম্বের কারণে ঢাকায় পৌঁছানোর সময় নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তিনি।

মন্তব্য

p
উপরে