× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Despite getting a chance in DU Saiful of Purbadhala is in uncertainty due to lack of money
google_news print-icon

ঢাবিতে চান্স পেয়েও অর্থাভাবে ভর্তি অনিশ্চয়তায় সাইফুল

ঢাবিতে-চান্স-পেয়েও-অর্থাভাবে-ভর্তি-অনিশ্চয়তায়-সাইফুল
ঢাবির ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় ৭২তম হয়েছেন সাইফুল। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলতি বছর ‘গ’ ইউনিটে যে ৪ হাজার ৫৮২ জন মেধাবী শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন, তাদের মধ্যে ৭২তম হয়েছেন সাইফুল ইসলাম। অদম্য মেধাবী এ শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষা অর্জনের লড়াইয়ে বিত্তবান মহৎ ব্যক্তি ও দাতব্য সংস্থা শরিক হলে তার পথটা সহজ হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষায় মেধা তালিকার ৭২তম অবস্থানে স্থান পেয়েও অর্থের অভাবে ভর্তি নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন মেধাবী শিক্ষার্থী মো. সাইফুল ইসলাম।

২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় সাধুপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ এবং ২০২৩ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় পূর্বধলা সরকারি কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন নেত্রকোনার সাইফুল ইসলাম।

সাইফুল ইসলাম পূর্ব ভিকুনীয়া গ্রামের মোছা. রিনা বেগমের ছেলে। বাবা পূর্বধলা উপজেলার নিজ-হোগলা গ্রামের মো. জামাল উদ্দিনের সঙ্গে অনেক আগেই ডিভোর্স হয়েছে তার মায়ের।

বর্তমানে মায়ের সঙ্গে নানার বাড়িতে বসবাস করেন সাইফুল। সংসারের ব্যয়ভার মিটিয়ে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে ছেলের পড়ালেখার খরচ বহন করার সামর্থ্য নেই মা মোছা. রিনা বেগমের। প্রাথমিক অবস্থায় ভর্তির জন্য যে টাকা লাগবে সেটাই এখনও জোগাড় করতে পারেননি তিনি।

রিনা বেগম বলেন, ‘এই ছেলে ছাড়া আমার আর কিছু নেই। স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্স হবার পর থেকে ছেলেকে নিয়ে বৃদ্ধ বাবার অভাব-অনটনের সংসারে বসবাস করছি। অভাবের কারণে ছেলেকে তেমন কোনো প্রাইভেট কোচিংয়ে পড়াশোনা করাতে পারিনি। কোনোমতে সংসার চলে। সাইফুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) সুযোগ পেয়েছে; এখন খরচ তো আরও বেড়ে গেল!’

দারিদ্রের সঙ্গে লড়াই করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া মো. সাইফুল ইসলাম জানান, ‘আমার বয়স যখন দুই বছর পাঁচ মাস, তখন আমার বাবা-মায়ের ডিভোর্স হয়ে যায়। তখন থেকে মায়ের সঙ্গে নানার বাড়িতে থাকি। আমার মা তখন থেকে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, যেভাবেই হোক আমাকে পড়াশোনা করিয়ে মানুষের মতো মানুষ করবেন।’

তিনি বলেন, ‘নানার আর্থিক অবস্থা খুবই দুর্বল ছিল। আমাকে পড়াশোনা করানোর জন্য তাই মাকে অন্যের বাড়িতে কাজ করতে হয়েছে। তবে আমার ভাগ্য ভালো যে, আমি আমার নানা- নানু ও মামাদের পাশাপাশি আশপাশে অনেক ভালো মানুষ পেয়েছি। যারা আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছেন।

‘আমার যখন টাকার প্রয়োজন হয়েছে অথবা কোনো সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি, তারা সমাধান করেছেন। আমার শিক্ষকরা আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছেন। আমার এলাকার বড় ভাই ঢাবি ছাত্র শ্যামল চন্দ্র এবং আমার আরেক বড় ভাই জসিম শেখ আমাকে বিশেষ সহযোগিতা করেছেরন।

‘দিলরুবা হাবিব শিক্ষা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ওসমান গনি সুমন স্যার আমার এলাকার একজন সম্মানিত ব্যক্তি। সাংবাদিক মোস্তাক আহমেদ খান সম্পর্কে আমার নানা হন। উনিও আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছেন। এভাবেই আমি পড়াশোনা চালিয়ে গেছি এবং পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করে নিজেও টাকা উপার্জন করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি স্বপ্ন দেখতাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করব। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমার সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।

‘ঢাবিতে ভর্তির সুযোগ পেয়েছি, কিন্তু মায়ের পক্ষে পড়াশোনার খরচ জোগাড় করা অসম্ভব। চান্স পেয়ে খুশি হয়েছিলাম, কিন্তু ভর্তি ও পড়াশোনার টাকার চিন্তায় সবকিছু এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়ার স্বপ্ন মনে হয় আর পূরণ হবে না।’

এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পূর্বধলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রুকন উদ্দিন রানা বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পূর্বধলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি-সংক্রান্ত বিষয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা ও সহায়তা প্রদান করে। সাইফুল ইসলামকেও সংগঠনের পক্ষ থেকে সাধ্যমতো সহযোগিতা করা হবে।’

পূর্বধলা সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞানের প্রভাষক আবু হানিফ তালুকদার রাসেল বলেন, ‘সাইফুল অসম্ভব মেধাবী। আমরা যতটুকু পেরেছি তাকে সহযোগিতা করেছি। পারিপার্শ্বিক অবস্থার কারণে সে হয়তো মেধা তালিকায় প্রথম দশের মধ্যে স্থান পায়নি, তবে সে যে মেধাবী, তার প্রমাণ সে দিয়েছে। সমাজের বিত্তবান মহৎ ব্যক্তি, সরকারি বা বেসরকারি দাতব্য সংস্থা পাশে দাঁড়ালে সাইফুলের স্বপ্ন পূরণ হতে পারে।’

তিনি বলেন, “সাইফুলের সঙ্গে ০১৯৯০-৬২৬১৭০ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলতি বছর ‘গ’ ইউনিটে যে ৪ হাজার ৫৮২জন মেধাবী শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়েছে, তাদের মধ্যে ৭২তম হয়েছে সে। অদম্য মেধাবী সাইফুলের উচ্চশিক্ষা অর্জনের লড়াইয়ে বিত্তবান মহৎ ব্যক্তি ও দাতব্য সংস্থা শরিক হলে তার লড়াইটা সহজ হবে।’

আরও পড়ুন:
ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় চার ইউনিটে প্রথম যারা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Cancellation of admission of 169 students of Vikarunnisa ordered investigation of irregularities

ভিকারুননিসার ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল, অনিয়ম তদন্তের নির্দেশ

ভিকারুননিসার ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল, অনিয়ম তদন্তের নির্দেশ ছবি: সংগৃহীত
অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে  শিক্ষার্থী ভর্তির নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ভর্তির সময় দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে কমিটি গঠন করে দেয়া হয়েছে।

রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রথম শ্রেণিতে ১৬৯ ছাত্রীর ভর্তিতে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে বলা হয়েছে, ওই ১৬৯ ছাত্রীর ভর্তি বাতিল থাকবে এবং অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে।

ভর্তির সময় হওয়া দুর্নীতি ও অনিয়ম তদন্তের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছে উচ্চ আদালত। কমিটিতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের একজন প্রতিনিধি এবং বুয়েটের একজন আইটি এক্সপার্টকে রাখতে বলা হয়েছে।

বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে মঙ্গলবার রায় দেয়। রায়ে আদালত বলেছে, ১৬৯ শিশুর ভর্তি নিয়ে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তাতে অভিভাবকরা দায় এড়াতে পারেন না।

আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান, ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন ও আইনজীবী শামীম সরদার।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ রাফিউল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান।

ভিকারুননিসায় শিক্ষার্থী ভর্তি নিয়ে বয়সের নিয়ম না মানার অভিযোগ এনে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তিচ্ছু দুই শিক্ষার্থীর মা ১৪ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২৩ জানুয়ারি হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেয়। আদালতের নির্দেশে ২৮ ফেব্রুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এ বিষয়ে একটি স্মারক হাইকোর্টে উপস্থাপন করে।

মাউশির ওই স্মারকমতে, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা অনুসরণ করেনি। ১ জানুয়ারি ২০১৭ সালের আগে জন্মগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের ভর্তি করার প্রক্রিয়া ছিল বিধিবহির্ভূত। এভাবে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২০১৬ সালে জন্মগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৫৯ জন এবং ২০১৫ সালে জন্মগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ জন। এই মোট ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করে মাউশিকে অবহিত করার অনুরোধ করা হয়।

মাউশির নির্দেশে স্কুল কর্তৃপক্ষ ১৬৯ জনের ভর্তি বাতিল করে। এরপর ৬ মার্চ হাইকোর্ট আদেশ দেয়- অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে শূন্য আসনে ভর্তি নেয়া হোক।

ওই আদেশের বিরুদ্ধে ভর্তি বাতিল হওয়া শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা আপিল বিভাগে আবেদন করেন। আপিল বিভাগ ২০ মার্চ হাইকোর্টের জারি করা রুলটি দু’মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেয় এবং ১৬৯ ছাত্রীর ভর্তির ওপর স্থিতাবস্থা জারি করে।

রুল নিষ্পত্তি করে রায় দেয়ার মাধ্যমে ওই স্থিতাবস্থা কেটে গেল। এখন হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়ন করবে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
11th admission from July 15 25 classes start on July 30

একাদশে ভর্তি ১৫-২৫ জুলাই, ক্লাস শুরু ৩০ জুলাই

একাদশে ভর্তি ১৫-২৫ জুলাই, ক্লাস শুরু ৩০ জুলাই
২৬ মে থেকে ১১ জুন পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। http://www.xiclassadmission.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একাদশে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন। ১৫০ টাকা আবেদন ফি জমা দিয়ে সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ দশটি কলেজে পছন্দক্রমের ভিত্তিতে আবেদন করা যাবে।

চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে ১৫ জুলাই। তা চলবে ২৫ জুলাই পর্যন্ত। আর একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে ৩০ জুলাই।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি ভর্তির আবেদন, ফল প্রকাশ, ভর্তি ও ক্লাস শুরু বিষয়ে এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এর আগে একাদশে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে। এবারও শিক্ষার্থীদের ফলের ভিত্তিতে অনলাইনে ভর্তির আবেদন করতে হবে। তিন পর্যায়ে আবেদন নেয়া হবে। ২৬ মে থেকে ১১ জুন পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ১২ মে। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী এবার পাস করেছেন ১৬ লাখ ৭২ হাজার ১৫৩ জন শিক্ষার্থী। পাসের হার ৮৩ দশমিক ০৪ শতাংশ। তাদের মধ্যে এক লাখ ৮২ হাজার ১২৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

শিক্ষা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে একাদশ শ্রেণিতে আসন রয়েছে ২৫ লাখ। অর্থাৎ এসএসসি পাস সবাই কলেজে ভর্তি হওয়ার পরও আট লাখের বেশি আসন খালি থেকে যাবে।

অনলাইনে http://www.xiclassadmission.gov.bd এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একাদশে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন। ১৫০ টাকা আবেদন ফি জমা দিয়ে সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ দশটি কলেজে পছন্দক্রমের ভিত্তিতে আবেদন করা যাবে।

একজন শিক্ষার্থী যতগুলো কলেজে আবেদন করবেন তার মধ্য থেকে তার মেধা, কোটা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটি কলেজে তার অবস্থান নির্ধারণ করা হবে। কেবল শিক্ষার্থীদের এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।

১২-১৩ জুন প্রথম পর্যায়ের আবেদন যাচাই, বাছাই ও নিষ্পত্তি করা হবে। এই সময়েই পুনঃনিরীক্ষণে ফল পরিবর্তিত শিক্ষার্থীদের আবেদন গ্রহণ করা হবে।

এরপর ২৩ জুন রাত ৮টায় প্রথম পর্যায়ের নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে। ৩০ জুন থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত দ্বিতীয় পর্যায়ের এবং ৯ ও ১০ জুলাই তৃতীয় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ করা হবে।

৪ জুলাই রাত ৮টায় দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল ও প্রথম মাইগ্রেশনের ফল এবং ১২ জুলাই রাত ৮টায় তৃতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল ও দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে।

আরও পড়ুন:
একাদশে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু ২৬ মে
১৫ জুলাইয়ের মধ্যে ক্লাস শুরুর আশ্বাস জবি উপাচার্যের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
That Avantika is the third job in the academic examination

একাডেমিক পরীক্ষায় তৃতীয় জবির সেই অবন্তিকা

একাডেমিক পরীক্ষায় তৃতীয় জবির সেই অবন্তিকা ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকা। ফাইল ছবি
আইন বিভাগের অষ্টম সেমিস্টারের পরীক্ষা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. সরকার আলী আক্কাস বলেন, ‘অবন্তিকাকে সবসময়ই ভালো ফলাফল করতে দেখেছি। সে বরাবরই ভালো ছাত্রী ছিল। এবারও পরীক্ষায় সে ভালো ফল করেছে।’

শিক্ষক-সহপাঠীকে দায়ী করে আত্মহননের পথ বেছে নেয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফাইরুজ অবন্তিকা এলএলবির (স্নাতক) ফলাফলে সর্বমোট সিজিপিএ ৪.০০-এর মধ্যে ৩.৬৫ পেয়েছেন। বিভাগের ব্যাচে তৃতীয় হয়েছেন তিনি। এছাড়াও অভিযুক্ত শিক্ষার্থী মো. রায়হান সিদ্দিকী আম্মান পেয়েছেন ৩.০৯।

রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অষ্টম সেমিস্টারের ফল প্রকাশ হয়।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, অষ্টম সেমিস্টারে ৩.৭৩ পেয়েছেন অবন্তিকা। এর মধ্যে স্পেশাল পেনাল ল’ কোর্সে ৩.৭৫; ল’ অফ ক্রিমিনাল প্রসিডিউরে ৩.৫০; কনভিয়েন্সিং, ড্রাফটিং অ্যান্ড ট্রায়াল অ্যাডভোকেসি ট্রেনিংয়ে ৩.৫০; লিগ্যাল রিসার্চ অ্যান্ড রাইটিং কোর্সে ৩.৭৫; লিবারেশন মুভমেন্ট অ্যান্ড ইন্ডিপেন্ডেন্ট কোর্সে ৪.০০ ও মৌখিক পরীক্ষায় জিপিএ ৪.০০ পেয়েছেন তিনি।

বিভাগের অষ্টম সেমিস্টারের পরীক্ষা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. সরকার আলী আক্কাস বলেন, ‘অবন্তিকাকে সবসময়ই ভালো ফলাফল করতে দেখেছি। সে বরাবরই ভালো ছাত্রী ছিল। এবারও পরীক্ষায় সে ভালো ফল করেছে।’

এর আগে ১৬ মার্চ শিক্ষক-সহপাঠীকে দায়ী করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকা আত্মহত্যা করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ বর্ষের শিক্ষার্থী। পরবর্তীতে ১৭ মার্চ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের আলটিমেটামের ৬ ঘণ্টার মধ্যেই অবন্তিকাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম ও সহপাঠী রায়হান সিদ্দিকী আম্মানকে আটক করে পুলিশ। ৮ মে হাইকোর্টের আদেশে জামিনে মুক্তি পান শিক্ষক দ্বীন ইসলাম।

এদিকে নিজ বিভাগের শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ আনা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের ছাত্রী কাজী ফারজানা মীমের পরীক্ষা রোববার নেয়া শুরু হয়েছে।

বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন জানান, রোববার থেকে ইম্প্রুভমেন্ট পরীক্ষা নেয়া শুরু হয়েছে। ২৩ ও ২৭ তারিখ আরও দুটো পরীক্ষা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
অবন্তিকার আত্মহনন: জামিন পেলেন সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম
স্বপ্নজয়ে প্রতিবন্ধকতার কাছে হার মানেনি ওরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The child was stuck in the school toilet for 6 hours

স্কুলের টয়লেটে ৬ ঘণ্টা আটকে ছিল শিশু

স্কুলের টয়লেটে ৬ ঘণ্টা আটকে ছিল শিশু প্রতীকী ছবি
পরীক্ষা শেষে বেলা ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটির পর রাফিন টয়লেটে যাওয়ার পর স্কুলের দপ্তরি খোকন খান টয়লেট চেক না করেই বাইরে থেকে রশি দিয়ে আটকিয়ে দেন।

মাদারীপুরে একটি স্কুলের টয়লেটে প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর আটকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। ছুটির পর সবাই বাড়ি চলে গেলেও টয়লেটে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে শিশুটি। এ ঘটনার ৬ ঘণ্টা পর তাকে সেখান থেকে বের করা হয়।

মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের ৯ নম্বর পাঁচখোলা বোর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটে। তবে এ বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে শনিবার।

ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীর নাম রাফিন। সে পাঁচখোলা এলাকার মৃত্যু নুরুল হকের ছেলে এবং ৯ নম্বর পাঁচখোলা বোর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্র।

শিশুটির পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও স্কুলে গিয়েছিল রাফিন। তখন তাদের পরীক্ষা চলছিল। পরীক্ষা শেষে বেলা ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটির পর রাফিন টয়লেটে যাওয়ার পর স্কুলের দপ্তরি খোকন খান টয়লেট চেক না করেই বাইরে থেকে রশি দিয়ে আটকিয়ে দেন। পরে শিশুটি দরজাটি খোলার জন্য ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া পায়নি। এ সময় আতঙ্কিত হয়ে বারবার দরজা খুলতে চিৎকার করতে থাকে সে। প্রায় ছয় ঘণ্টার চেষ্টার পর সে এক পর্যায়ে টয়লেটের দরজা খুলতে সক্ষম হয়।

এদিকে ছুটির পর রাফিন বাড়িতে না ফেরায় তার বাড়ির লোকজন বিভিন্ন ছাত্র ও আত্মীয়ের বাড়িতে খুঁজতে থাকে। অন্যদিকে, সন্ধ্যা ৬টার পর বিদ্যালয়ের তিনতলা থেকে এক মুদি দোকানীকে বিদ্যালয়ের গেট খোলার জন্য ডাকাডাকি করতে করতে অসুস্থ হয়ে পড়ে রাফিন। এরপর কয়েকজন মিলে তাকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে নিয়ে যায়।

এলাকাবাসী এ ঘটনাকে ১৯৮০ সালের শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘ছুটির ঘণ্টা’র সঙ্গে তুলনা করে বলে, ‘৬ ঘণ্টা পর স্কুলের বাথরুম থেকে জীবিত ফিরে এলেও আর কিছু সময় হলেই ছুটির ঘণ্টা বেজে যেত শিশুটির।’

ওই মুদি দোকানদার বলেন, ‘দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাথরুমের আটকা পড়ার পরে কোনোমতে দরজা খুলেই তিনতালার বেলকনি থেকে আমাদের ডাক দেয় রাফিন। পরে আমরা গিয়ে তাকে উদ্ধার করি।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রওশন আরা বেগম বলেন, ‘ওইদিন আমি একটি মিটিংয়ে ছিলাম। বের হবার আগপর্যন্ত এমন কিছু আমার নজরে পড়েনি। আমি পরে জানতে পেরেছি। বিষয়টির সঙ্গে কে জড়িত রয়েছে, তা তদন্ত করে বের করা হবে।’

মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল মামুন বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনাদের মাধ্যমেই জানতে পেরেছি। যদি এরকম কিছু হয়ে থাকে, তদন্ত সাপেক্ষে আইনহত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Advice for Bangladeshi students to stay at home in Kyrgyzstan

কিরগিজস্তানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ঘরে থাকার পরামর্শ

কিরগিজস্তানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ঘরে থাকার পরামর্শ কিরগিজস্তানের বিসকেকে শুক্রবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হামলা চালায় স্থানীয়রা। ছবি: সংগৃহীত
কিরগিজ প্রজাতন্ত্রের জন্য স্বীকৃত উজবেকিস্তানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস বলেছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আর সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের এ সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যায় দূতাবাসের সঙ্গে ২৪ ঘণ্টা যোগাযোগের জন্য জরুরি নম্বরে (+৯৯৮৯৩০০০৯৭৮০) কল করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

কিরগিজ প্রজাতন্ত্রের জন্য স্বীকৃত উজবেকিস্তানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস বলেছে, কিরগিজস্তানের পরিস্থিতি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

দূতাবাস থেকে একইসঙ্গে বলা হয়েছে, তবে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের এই মুহূর্তে বাড়ির ভেতরে থাকতে এবং এ সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যায় দূতাবাসের সঙ্গে ২৪ ঘণ্টা যোগাযোগের জন্য জরুরি নম্বরে (+৯৯৮৯৩০০০৯৭৮০) কল করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

শনিবার রাতে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, উজবেকিস্তানে বাংলাদেশ দূতাবাস কিরগিজ প্রজাতন্ত্রে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিসকেকে সাম্প্রতিক গণসহিংসতার বিষয়ে যোগাযোগ রাখছে।

দূতাবাস এ বিষয়ে কিরগিজ প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে।

প্রসঙ্গত, কিরগিজস্তানে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের শিক্ষার্থীরা স্থানীয় উত্তেজিত জনতার হামলার শিকার হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ও শনিবার এই হামলার শিকার হন দেশটিতে অধ্যয়নরত বিদেশি শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন:
কিরগিজস্তানে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা: সাহায্য চাইলেন বাংলাদেশিরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Attack on students of Bangladesh India and Pakistan in Kyrgyzstan

কিরগিজস্তানে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা: সাহায্য চাইলেন বাংলাদেশিরা

কিরগিজস্তানে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা: সাহায্য চাইলেন বাংলাদেশিরা স্থানীয় বিক্ষুব্ধ কিরগিজস্তানের রাজধানী বিসকেকের রাস্তায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অবস্থান। ছবি: সংগৃহীত
কিরগিজস্তানের ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অফ মেডিসিনের বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সামিয়া কবির শনিবার সন্ধ্যায় ইউএনবিকে বলেন, ‘আমরা এখানে পাঁচজন বাংলাদেশি মেয়ে আছি। আমরা এখন আমাদের অ্যাপার্টমেন্টের ভেতরে। আমাদের অ্যাপার্টমেন্টের সামনে কিছু লোক জড়ো হচ্ছে। দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন।’

কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে বাংলাদেশি, ভারত ও পাকিস্তানের শিক্ষার্থীদের ওপর সহিংস জনতা হামলা চালানোর খবর পাওয়া গেছে।

দেশটিতে নিযুক্ত পাকিস্তানের মিশন জানিয়েছে, শুক্রবার (১৭ মে) রাতে শুরু হওয়া সহিংসতার মধ্যে বিশকেকের কয়েকটি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলে হামলা হয়েছে। সেখানে ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের শিক্ষার্থীরা বসবাস করেন।

কিরগিজ সরকার জানিয়েছে, ১৭-১৮ মে রাতে বিশকেকে জনতার সহিংসতায় বেশ কয়েকজন বিদেশিসহ কমপক্ষে ২৮ জন আহত হওয়ার পর চারজন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে।

এই সহিংসতার বিষয়ে পাকিস্তান ও ভারত কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। দেশ দুটি বিশকেকে তাদের শিক্ষার্থীদের বাড়ির ভেতরে অবস্থান করার জন্য সতর্ক করেছিল।

রেডিও ফ্রি ইউরোপ জানিয়েছে, ১৩ মে মিসরের মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কিরগিজ ছাত্রদের বিবাদের একটি ভিডিও অনলাইনে ব্যাপকভাবে শেয়ার হওয়ার পর এই সহিংসতা শুরু হয়।

যাদের মারধর করা হয়েছে তারা কিরগিজ যুবক বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা দাবি করার পর শুক্রবার রাতে বিশকেকের বেশ কয়েকটি স্থানে উত্তেজিত জনতা জড়ো হয়।

শনিবার বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী তাদের নিরাপত্তার জন্য ইউএনবির কাছে সহায়তা চান।

স্থানীয় সময় শনিবার এই হামলার শিকার হন দেশটিতে অধ্যয়নরত বিদেশি শিক্ষার্থীরা।

কিরগিজস্তানের ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অফ মেডিসিনের বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সামিয়া কবির শনিবার সন্ধ্যায় ইউএনবিকে বলেন, ‘আমরা এখানে পাঁচজন বাংলাদেশি মেয়ে আছি। আমরা এখন অ্যাপার্টমেন্টের ভেতরে আছি। আমাদের অ্যাপার্টমেন্টের সামনে কিছু লোক জড়ো হচ্ছে। দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন।’

তিনি আরও বলেন, ‘কর্তৃপক্ষ আমাদের ভেতরে থাকতে বলেছে। আমরা কাছাকাছি অন্যান্য অ্যাপার্টমেন্ট থেকে কিছু আওয়াজ শুনতে পাচ্ছি। সেখানে কিছু পাকিস্তানি থাকতে পারে।’

ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ইউএনবিকে বলেন, ‘আমরা শিগগিরই একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন শেয়ার করব। উজবেকিস্তানে আমাদের মিশন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। এখন পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশি হতাহত হওয়ার খবর আমরা পাইনি। আমরা আমাদের মিশনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি।’

এদিকে কিরগিজ প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘বর্তমানে বিশকেকের পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত এবং সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

তারা গণমাধ্যমের প্রতিনিধি, ব্লগিং সম্প্রদায় এবং বিদেশি সহকর্মীদের শুধু কিরগিজ প্রজাতন্ত্রের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া সরকারি এবং যাচাইকৃত তথ্যের ভিত্তিতে খবর পরিবেশন করতে বলেছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The resignation of the Dean in the face of the demands of the students in Kuwait

কুয়েটে শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে ডিনের পদত্যাগ

কুয়েটে শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে ডিনের পদত্যাগ প্রফেসর কাজী সাজ্জাদ হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
কুয়েটের রেজিস্ট্রার মো. আনিছুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, প্রফেসর কাজী সাজ্জাদ হোসেনকে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এর আগে তিনি এই পদ থেকে পদত্যাগের জন্য আবেদন করেছিলেন। ২৪ এপ্রিল তাকে দু’বছরের জন্য ডিন হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।

শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর কাজী সাজ্জাদ হোসেন পদত্যাগ করেছেন।

শনিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুয়েটের রেজিস্ট্রার মো. আনিছুর রহমান ভূঁইয়া।

তিনি বলেন, প্রফেসর কাজী সাজ্জাদ হোসেনকে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এর আগে তিনি এই পদ থেকে পদত্যাগের জন্য আবেদন করেছিলেন। ২৪ এপ্রিল তাকে দু’বছরের জন্য ডিন হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।

অন্যদিকে সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুসারে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের নতুন ডিন হিসেবে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ডিন হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর প্রফেসর কাজী সাজ্জাদ হোসেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত কোনো জাতীয় দিবসে উপস্থিত হন না। এছাড়া প্রশাসনিক ক্ষমতার বেশকিছু অপব্যবহার শুরু করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৫ মে শিক্ষার্থীরা বেশ কিছু অভিযোগ তুলে কুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলরকে স্মারকলিপি দেন।

তবে এ প্রসঙ্গে জানতে প্রফেসর কাজী সাজ্জাদ হোসেনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

প্রসঙ্গ, প্রফেসর কাজী সাজ্জাদ হোসেন এর আগে কুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার দায়িত্ব পালনকালে বেশকিছু অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল।

আরও পড়ুন:
কুয়েটে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া
শিক্ষার্থীদের জন্য খুলনা প্রকৌশলে হুয়াওয়ের আইসিটি অ্যাকাডেমি
কুয়েট ছাত্র অন্তুর মৃত্যুর দায় কার?
কুয়েট শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

মন্তব্য

p
উপরে