× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Greetings from the Prime Minister of Russia on Independence Day
google_news print-icon

স্বাধীনতা দিবসে রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

স্বাধীনতা-দিবসে-রাশিয়ার-প্রধানমন্ত্রীর-শুভেচ্ছা
কোলাজ: নিউজবাংলা
রুশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও তার দায়িত্বশীল কাজে নতুন সাফল্য এবং বন্ধুপ্রতিম বাংলাদেশি জনগণের সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্টিন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লেখা এক চিঠিতে মিখাইল মিশুস্টিন বলেন, ‘রাশিয়ান ফেডারেশন সরকারের পক্ষ থেকে এবং আমার নিজের পক্ষ থেকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে অভিনন্দন।’

তিনি বলেন, ‘রাশিয়া-বাংলাদেশ সম্পর্ক বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার চেতনায় বিকশিত হচ্ছে, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা এগিয়ে যাচ্ছে এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে নানা যৌথ প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করলে বন্ধুত্ব আরও শক্তিশালী এবং উভয়ের স্বার্থরক্ষা হবে।’

রুশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও তার দায়িত্বশীল কাজে নতুন সাফল্য এবং বন্ধুপ্রতিম বাংলাদেশি জনগণের সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Kamala Harris has overtaken Trump in popularity
রয়টার্স/ইপসোসের জরিপ

জনপ্রিয়তায় ট্রাম্পকে পেছনে ফেলেছেন কমলা হ্যারিস

জনপ্রিয়তায় ট্রাম্পকে পেছনে ফেলেছেন কমলা হ্যারিস যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আসন্ন নির্বাচনে সম্ভাব্য ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট প্রার্থী কমলা হ্যারিস। ছবি: সংগৃহীত
জরিপে দেখা গেছে, বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেয়ার পর ট্রাম্পের চেয়ে ৪২ থেকে ৪৪ শতাংশ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন সম্ভাব্য ডেমোক্র্যাট প্রার্থী বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস।

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে জো বাইডেন সরে দাঁড়ানোর পর ডেমোক্র্যাট দল থেকে বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস লড়বেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় নির্বাচন-পূর্ব সবশেষ জরিপের তথ্য বলছে, জনপ্রিয়তার দৌড়ে রিপাবলিকান প্রার্থী ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে দুই শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছেন সম্ভাব্য এই ডেমোক্র্যাট প্রার্থী।

রয়টার্স/ইপসোস সোম ও মঙ্গলবার (২২ ও ২৩ জুলাই) পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, বাইডেন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেয়ার পর ট্রাম্পের চেয়ে ৪২ থেকে ৪৪ শতাংশ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন কমলা হ্যারিস।

যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ৫৯ বছর বয়সী কমলা হ্যারিসকে ‘মানসিকভাবে তীক্ষ্ণ এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম’ হিসেবে দেখছেন দেশটির নিবন্ধিত ভোটারদের ৫৬ শতাংশ, যেখানে ৭৮ বছর বয়সী ট্রাম্পের প্রতি আস্থা রয়েছে ভোটারদের ৪৯ শতাংশের।

বয়স ও মানসিক সুস্থতার নিয়ে উদ্বেগের কারণে দলের নেতাকর্মীদের ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে রোববার (২১ জুলাই) আসন্ন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন বাইডেন। এরপর সোমবার কমলা হ্যারিস ঘোষণা করেন, তিনি তার দলের কাছ থেকে (প্রেসিডেন্ট পদে লড়াইয়ে) যথেষ্ট সমর্থন পেয়েছেন।

এদিকে সোমবার পিবিএস/এনপিআর/মেরিস্ট পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্প কমলা হ্যারিসের চেয়ে ৪৬-৪৫ শতাংশ ভোটে এগিয়ে আছেন।

জরিপে অবশ্য এ-ও দেখা গেছে, ৬৫ শতাংশ ডেমোক্র্যাটসহ ৪১ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন, বাইডেনের পদত্যাগ নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেবে।

মঙ্গলবার উইসকনসিনের মিলওয়াকিতে নিজের প্রথম নির্বাচনি সমাবেশে হ্যারিস নিজের ও ট্রাম্পের মধ্যে যথাক্রমে ‘স্বাধীনতা, সহানুভূতি ও আইনের শাসন’ বনাম ‘বিশৃঙ্খলা, ভয় ও ঘৃণা’-এর মধ্যে একটিকে বেছে নিতে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান।

সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প আমাদের দেশকে পেছনের দিকে নিয়ে যেতে চান।’

এদিকে মঙ্গলবার এক কনফারেন্স কলে ট্রাম্প হ্যারিসকে পরাজিত করতে নিজের দক্ষতার ওপর আস্থা প্রকাশ করেছেন। শুধু তা-ই নয়, হ্যারিসের সঙ্গে একাধিক বিতর্কের প্রস্তাবও দিয়েছেন তিনি।

দেশটির গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, কনফারেন্স কলের বেশিরভাগ সময় তিনি অভিবাসন ও সীমান্ত ইস্যুতে কমলা হ্যারিসের রেকর্ডের সমালোচনা করেন।

আরও পড়ুন:
বাইডেন করোনায় আক্রান্ত, আইসোলেশনে থেকে করবেন কাজ
ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গুলির ঘটনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নিন্দা
ট্রাম্পের ওপর হামলার নিন্দা, ঐক্যের ডাক বাইডেনের
প্রেসিডেন্ট পদে লড়ছি, জিততে যাচ্ছি: বাইডেন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
18 passengers died after the plane crashed from the runway in Nepal

নেপালে রানওয়ে থেকে ছিটকে বিমান বিধ্বস্ত, ১৮ যাত্রীর মৃত্যু

নেপালে রানওয়ে থেকে ছিটকে বিমান বিধ্বস্ত, ১৮ যাত্রীর মৃত্যু রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ার পর বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। ছবি: সংগৃহীত
পুলিশ কর্মকর্তা বসন্ত রাজৌরি বলেন, কর্তৃপক্ষ ১৮টি মরদেহ উদ্ধার করেছে। আর বিমানটির পাইলটকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কাঠমান্ডু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। চোখে আঘাত লাগলেও তিনি শঙ্কামুক্ত।

নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি অভ্যন্তরীণ উড়োজাহাজ উড্ডয়নের সময় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা ১৮ যাত্রীর মৃত্যু খবর পাওয়া গেছে। বিমানটির পাইলটকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সূত্র: ইউএনবি

পুলিশ কর্মকর্তা বসন্ত রাজৌরি বলেন, কর্তৃপক্ষ ১৮টি মরদেহ উদ্ধার করেছে। আর বিমানটির পাইলটকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কাঠমান্ডু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, পাইলটের চোখে আঘাত লেগেছে। তবে তিনি শঙ্কামুক্ত।

সৌর্য এয়ারলাইন্সের বিমানটি কাঠমান্ডু থেকে পোখারার দিকে যাচ্ছিল।

এয়ারলাইন্সটি অভ্যন্তরীণ রুটে বোম্বার্ডিয়ার সিআরজে-২০০ পরিচালনা করে।

রানওয়েতে বিমানটি ছিটকে যাওয়ার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকামিত ছবিতে দেখা যায়, বিমানের ধ্বংসাবশেষ একটি খাদে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে এবং তা থেকে ধোঁয়া উঠছে।

বিমানটিতে ধরে যাওয়াআগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে বলে জানা যায়।

জরুরি উদ্ধার কর্মীরা কাজ শুরু করলে এসময় নেপালের এই প্রধান বিমানবন্দর বন্ধ করে দেয়া হয়।

প্রসঙ্গত, নেপালের এই ত্রিভুবন বিমানবন্দরে এর আগে ২০১৯ সালে বাংলাদেশি একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৫১ জনের মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:
নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ অলির
নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্প দাহাল ক্ষমতাচ্যুত
নেপালে ভূমিধসে দুই বাসের ৬২ যাত্রী নিখোঁজ
এভারেস্টের বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধের নির্দেশ
বাংলাবান্ধা দিয়ে ৪০ বছর পর স্বদেশ নেপালের পথে বীর বাহাদুর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
What effect will the attack on Daif have on the ceasefire talks?

দাইফের ওপর হামলা যুদ্ধবিরতি আলোচনায় কী প্রভাব ফেলবে

দাইফের ওপর হামলা যুদ্ধবিরতি আলোচনায় কী প্রভাব ফেলবে হামাসের সামরিক শাখার প্রধান দুর্ধর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ দাইফ। ছবি: সংগৃহীত
ওয়াশিংটনভিত্তিক মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের ফিলিস্তিন বিষয়ক বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষক খালেদ আল-গিন্দি বলেন, ‘খান ইউনিসে ইসরায়েলের শনিবারের হামলায় হামাসের সামরিক প্রধান মোহাম্মদ দাইফ নিহত হয়েছেন কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তিনি নিহত হয়ে থাকলে তা ইসরায়েলিদের জন্য বিজয়ের আখ্যান হতে পারে। তবে তা হামাসের অবস্থানকেও শক্ত করবে। কেননা এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব মেনে নেয়া হামাসের জন্য আত্মসমর্পণের শামিল বলে বিবেচিত হবে।’

হামাসের সামরিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ দাইফকে লক্ষ্যবস্তু করার দাবি করে শনিবার খান ইউনিসে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ওই হামলায় কমপক্ষে ৯০ জন নিহত এবং অন্তত ৩০০ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

নিহতদের মধ্যে দুর্ধর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ দাইফ ছিলেন কিনা তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দাবি, তিনি ও হামাসের দ্বিতীয় কমান্ডার রাফা সালামাকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়।

এক সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু বলেন, ‘শুধু এই দুজন নয়, হামাসের সব নেতাকে হত্যা করাই ইসরায়েলের লক্ষ্য।’

কে এই মোহাম্মদ দাইফ

হামাসের সামরিক শাখা আল-ক্বাসাম ব্রিগেডের প্রধান মোহাম্মেদ দাইফকে দীর্ঘদিন ধরেই হন্যে হয়ে খুঁজছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী (এআইডি)। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ই‌সরায়েলের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় রয়েছেন তিনি।

দাইফকে টার্গেট করে বার বার হামলার ছক সাজিয়েছে তেলআবিব। ২০ বছর আগে ইসরায়েলের বিমান হামলায় কোনোক্রমে বেঁচে যান দায়েফ। সেই হামলায় এক চোখ, এক হাত ও দুই পা হারান তিনি। তারপর থেকে হুইলচেয়ারে বসেই হামাসের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এই ফিলিস্তিনি গত বছর থেকে হামাসের সামরিক বাহিনীর প্রধানের দায়িত্বে রয়েছেন।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলার পর নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসেন এই দুর্ধর্ষ কমান্ডার। ওইদিন সকালে ‘আল আকসা বন্যা’ নামের ওই অভিযানের ঘোষণা দিয়ে দাইফের একটি ভয়েস রেকর্ড প্রকাশ করে হামাস।

হামলার ঠিক আগে রেডিওতে প্রকাশিত ৫৮ বছর বয়সী দাইফের ওই কমান্ড শুনে ইসরায়েলের ওপর ঝাপিয়ে পড়ে হাজারো যোদ্ধা।

ষাটের দশকে গাজায় খান ইউনূস শরণার্থী শিবিরে জন্ম দাইফের। জন্মের সময় তার নাম ছিল মোহম্মদ দিয়াব ইব্রাহিম আল-মাসরি। সে সময় মিসরের দখলে ছিল গাজা। পরে দাইফ নামে পরিচিতি পান তিনি। গাজায় ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন তিনি। ১৯৬৭ সালের জুন মাসে গাজা দখল করে নেয় ইসরায়েল।

১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে ইসলামপন্থী ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস গঠনের পরপরই দাইফ তাতে যোগ দেন বলে ধারণা করা হয়।

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আত্মগোপনে রয়েছেন হামাসের এই শীর্ষস্থানীয় নেতা। এমনকি ইন্টারনেটেও তার খুব বেশি ছবি নেই।

১৯৮৯ সালে ফিলিস্তিনের প্রথম ইন্তিফাদা বা গণজাগরণের সময় ইসরায়েলি বাহিনী দাইফকে গ্রেপ্তার করে। অবশ্য পরে তাকে ছেড়েও দেয়।

২০০২ সালে ক্বাসাম ব্রিগেডের তৎকালীন প্রধান ইসরায়েলি হামলায় নিহত হলে তার স্থলাভিষিক্ত হন দাইফ। তিনি গাজাজুড়ে মাটির নিচ দিয়ে অসংখ্য সুড়ঙ্গ নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নায়ক ছিলেন বলে ধারণা করা হয়। এছাড়া আত্মঘাতী বোমা হামলাসহ বহু ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিককে হত্যার পরিকল্পনার জন্য তাকে দায়ী করে ইসরায়েল।

ছাড়া পাওয়ার পর থেকে দাইফ একেবারে পর্দার আড়ালে চলে গেছেন। তার চেহারা, এমনকি তিনি সুস্থ আছেন কি না, তাও ফিলিস্তিনিদের বেশিরভাগের কাছেই অজানা।

কয়েকটি মিডিয়া রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের হামলায় আহত হওয়ার পর থেকে তিনি হুইল চেয়ার ব্যবহার করেন। আবার অনেকে বলেছেন, তিনি হাঁটতে পারেন।

আরবিতে তার নাম ‘দাইফ’ এর অর্থ ‘অতিথি’, যা তার ঘন ঘন স্থান পরিবর্তনের সমার্থক।

মে মাসে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রধান কৌঁসুলি করিম খান ঘোষণা করেন, তিনি দাইফ, সিনওয়ার ও হামাসের নির্বাসিত সর্বোচ্চ নেতা ইসমাইল হানিয়ার গ্রেপ্তার চান। একইসঙ্গে সেসময় নেতানিয়াহু ও ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গালান্টেরও গ্রেপ্তার চান তিনি।

দাইফের ওপর হামলা যুদ্ধবিরতি আলোচনায় কী প্রভাব ফেলবে

হামাসের সামরিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ দাইফকে হত্যা করতে পারলে নিঃসন্দেহে ইসরায়েলের জন্য তা সর্বোচ্চ বিজয় হিসেবে চিহ্নিত হবে। অন্যদিকে হামাসের জন্য তা হবে ব্যাপক মানসিক পরাজয়। আর এই অবস্থান থেকে ইসরায়েলের ওপর আরও বেশি প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে উঠবে হামাস। আর তাতে নয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধে চলমান আলোচনা ভেস্তে যাবে। আরও বেশি রক্তপাতের ক্ষেত্র হয়ে উঠবে মধ্যপ্রাচ্যের এই জনপদ।

শনিবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু বলেন, ‘হামাসের সব নেতাকে হত্যার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। নেতাদের হত্যা করে গোষ্ঠীটির ওপর চাপ বাড়ানো হলে তা যুদ্ধবিরতিতে সহায়ক হবে।’

তাই দাইফকে হত্যা করতে পারলে নেতানিয়াহু যুদ্ধবিরতি আলোচনায় আরও ইতিবাচক হতে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

নেতানিয়াহু এর আগেই বলেছেন, ইসরায়েল তার লক্ষ্য (হামাসের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করা) অর্জন না করা পর্যন্ত তিনি যুদ্ধ শেষ করবেন না।

তবে দাইফকে ইসরায়েল যদি হত্যা করতে পারে তাহলে তা যুদ্ধবিরতি আলোচনা থেকে হামাসকে সরিয়ে দিতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ এই নেতার মৃত্যু তাদের যুদ্ধবিরতি আলোচনার পরিবর্তে প্রতিহিংসার দিকে ঠেলে দিতে পারে।

এ বিষয়ে ওয়াশিংটনভিত্তিক মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের ফিলিস্তিন বিষয়ক বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষক খালেদ আল-গিন্দি বলেন, ‘ইসরায়েলিদের জন্য এটি তাদের বিজয়ের আখ্যান হতে পারে, যা তারা গত নয় মাস ধরে মরিয়া হয়ে তাড়া করে চলেছে। তবে তা হামাসের অবস্থানকেও শক্ত করবে।

‘এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব মেনে নেয়া হামাসের জন্য আত্মসমর্পণেরই শামিল বলে বিবেচিত হবে।’

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ঢুকে হামাসের হামলায় দেশটির অন্তত ১ হাজার ২০০ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়। সে সময় ২৫০ ইসরায়েলিকে জিম্মি করে নিয়ে যায় ফিলিস্তিনের সশস্ত্র শাসক গোষ্ঠী হামাস। ওই ঘটনার পর থেকে গাজায় ক্রমাগত হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।

নয় মাসের বেশি সময় জুড়ে চলা ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত ৩৮ হাজার ৩০০-র বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

আরও পড়ুন:
হামাসের সামরিক প্রধানকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৭১

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Israeli attack on mosque in refugee camp kills 15

শরণার্থী শিবিরের মসজিদে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১৫

শরণার্থী শিবিরের মসজিদে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১৫ ইসরায়েলের হামলায় ফিলিস্তিনে নিহতদের স্বজনের আহাজারি। ফাইল ছবি
ফিলিস্তিনের সরকারি বার্তা সংস্থা ওয়াফা এক প্রতিবেদনে জানায়, শনিবার গাজা শহরের পশ্চিমে আল-শাতি শরণার্থী শিবিরে এই হামলা চালায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। হামলায় আরও বহু মানুষ আহত হয়েছে।

উত্তর গাজার আরও একটি শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলের বিমান হামলায় অন্তত ১৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। শিবিরের একটি মসজিদ লক্ষ্য করে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে এই হামলা চালানো হয়।

ফিলিস্তিনের সরকারি বার্তা সংস্থা ওয়াফা এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

শনিবার গাজা শহরের পশ্চিমে আল-শাতি শরণার্থী শিবিরে এই হামলা চালায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। হামলায় আরও বহু মানুষ আহত হয়েছে।

এ ঘটনায় ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এর আগে তারা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গাজা উপত্যকাজুড়ে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, খান ইউনিসের মাওয়াসি এলাকার শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ৭১ জন নিহত হয়েছে। ওই ঘটনায় আরও অন্তত ২৮৯ জন আহত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ঢুকে হামাসের হামলায় দেশটির অন্তত এক হাজার ২০০ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়। সে সময় ২৫০ ইসরায়েলিকে জিম্মি করে নিয়ে যায় ফিলিস্তিনের সশস্ত্র শাসক গোষ্ঠী হামাস। ওই ঘটনার পর থেকে গাজায় আগ্রাসন চালিয়ে আসছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

আরও পড়ুন:
হামাসের সামরিক প্রধানকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৭১
ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ বন্ধের সময় এসেছে: বাইডেন
যুদ্ধবিরতির চেষ্টার মধ্যে গাজায় এক দিনে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৭৭
যুদ্ধবিরতির আলোচনার মধ্যে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৭
ইসরায়েলের সেনা অবস্থানে ২০০ রকেট ছুড়েছে হিজবুল্লাহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Israeli strike targeting Hamas military chief kills 71

হামাসের সামরিক প্রধানকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৭১

হামাসের সামরিক প্রধানকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৭১ ইসরায়েলের টানা আগ্রাসনে মৃত্যু নগরীতে পরিণত হয়েছে গাজা উপত্যকা। ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েল নির্ধারিত ‘নিরাপদ’ এলাকা মুওয়াসির ভেতরে হামলাটি চালানো হয়, যা উত্তর রাফাহ থেকে খান ইউনিস পর্যন্ত বিস্তৃত। বাস্তুচ্যুত হাজার হাজার ফিলিস্তিনি সেখানে তাঁবু করে আশ্রয় নিয়ে আছে। তবে নিহতদের মধ্যে মোহাম্মদ দাইফ আছেন কিনা তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ফিলিস্তিনে দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে হামাসের সামরিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ দাইফকে লক্ষ্যবস্তু করার দাবি করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এই হামলায় কমপক্ষে ৭১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

ইসরায়েল নির্ধারিত ‘নিরাপদ’ এলাকা মুওয়াসির ভেতরে হামলাটি চালানো হয়, যা উত্তর রাফাহ থেকে খান ইউনিস পর্যন্ত বিস্তৃত। বাস্তুচ্যুত হাজার হাজার ফিলিস্তিনি সেখানে তাঁবু করে আশ্রয় নিয়ে আছে।

নিহতদের মধ্যে মোহাম্মদ দাইফ আছেন কিনা তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের দাবি, দাইফ ও হামাসের দ্বিতীয় কমান্ডার রাফা সালামাকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।

হামলায় আরও অন্তত ২৮৯ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হতাহতদের বেশ কয়েকজনকে পাশের নাসের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

অনেকের মতে, গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে হামলার মূল কারিগর ছিলেন হামাসের এই কমান্ডার। ওই ঘটনায় এক হাজার ২০০ বেসামরিক ইসরায়েলি নিহত হয়। আর এর পর থেকে নয় মাসের বেশি সময় ধরে গাজায় আগ্রাসন চালিয়ে আসছে ইসরায়েল।

মোহাম্মদ দাইফ বেশ কয়েক বছর ধরে ইসরায়েলের মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকার শীর্ষে রয়েছেন। অতীতে ইসরায়েলের একাধিক হত্যাচেষ্টা থেকে রক্ষা পেয়েছেন তিনি।

দাইফকে লক্ষ্য করে এই হামলা চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনাকে হুমকির মুখে ফেলেছে।

তবে ইসরায়েলের দাবি প্রত্যাখ্যান করে হামাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দখলদারদের (ইসরায়েল) ফিলিস্তিনি নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করার দাবি এটিই প্রথম নয়। কিন্তু প্রতিবারই তাদের এসব দাবি মিথ্যা প্রমাণ হয়েছে।

হামাসের মুখপাত্র জিহাদ ত্বহা বলেছেন, দাইফ হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিলেন বলে যে দাবি করা হয়েছে তা ভিত্তিহীন এবং (গাজায় সংঘটিত) অপরাধ ও গণহত্যার ন্যায্যতা ও তা ধামাচাপা দেয়ার উদ্দেশ্যেই এগুলো রটানো হচ্ছে।

মোহাম্মদ দাইফ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আত্মগোপনে রয়েছেন। একাধিক গুপ্ত হত্যাচেষ্টা থেকে বেঁচে যাওয়ার পর তিনি পক্ষাঘাতগ্রস্ত বলে ধারণা করা হয়। ইসরায়েলের প্রকাশিত একটি পরিচয়পত্রে তার ৩০ বছর বয়সী ছবিই এখন পর্যন্ত দেখা গেছে। এমনকি গাজায়ও খুব বেশি মানুষ তাকে দেখেননি।

আরও পড়ুন:
ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ বন্ধের সময় এসেছে: বাইডেন
যুদ্ধবিরতির চেষ্টার মধ্যে গাজায় এক দিনে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৭৭
যুদ্ধবিরতির আলোচনার মধ্যে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৭
ইসরায়েলের সেনা অবস্থানে ২০০ রকেট ছুড়েছে হিজবুল্লাহ
যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি চুক্তির ‘দ্বারপ্রান্তে’ ইসরায়েল ও হামাস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There is no bar to the release of the Imran couple who were acquitted in the last case

শেষ মামলায় ইমরান দম্পতি খালাস, কারামুক্তিতে বাধা নেই

শেষ মামলায় ইমরান দম্পতি খালাস, কারামুক্তিতে বাধা নেই ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবি। ছবি: সংগৃহীত
ইদ্দত মামলার কারণেই পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান জেলে আটকে আছেন। অন্য মামলাগুলোর কোনোটিতে জামিন আবার কোনোটিতে খালাস পেয়েছেন। শনিবারের এই রায়ের পর তাকে জেলে আটকে রাখার আর কোনো বিদ্যমান মামলা নেই।

কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ইসলামাবাদের জেলা ও সেশন কোর্টের একজন বিচারপতি শনিবার ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবির বিরুদ্ধে ইদ্দত মামলায় দেয়া অভিযোগ তুলে নিয়েছেন।

এই মামলাটির কারণেই পাকিস্তান তেহরিক ই ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা জেলে আটকে আছেন। অন্য মামলাগুলোর কোনোটিতে জামিন আবার কোনোটিতে খালাস পেয়েছেন। শনিবারের এই রায়ের পর তাকে জেলে আটকে রাখার আর কোনো বিদ্যমান মামলা নেই।

অনলাইন ডনের এক রিপোর্টে বলা হয়, ইমরান খান এই মামলায় প্রায় এক বছর জেলে আছেন। শনিবার দিনের শুরুতে মামলার রায় সংরক্ষিত রাখার পর স্থানীয় সময় বিকেল ৩টার পর বিচারক আফজাল মাজোকা রায় ঘোষণা করেন।

আপিল গ্রহণ করে বিচারক বলেন, ‘অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আর কোনো মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা না থাকলে অবিলম্বে পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান ও বুশরা বিবিকে মুক্তি দেয়া উচিত।

‘পিটিআই প্রধান এবং তার স্ত্রীর মুক্তির আদেশও ইস্যু করা হয়েছে।’

রিপোর্টে বলা হয়, ইমরান খানের কারামুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই। তোষাখানা ও সাইফার বা কূটনৈতিক বার্তা বিষয়ক মামলায় এর আগে তিনি বেকসুর খালাস পেয়েছেন। জাতীয় নির্বাচনের কয়েকদিন আগে ৩ ফেব্রুয়ারি ইমরান দম্পতিকে ইদ্দত মামলায় অভিযুক্ত করা হয়। বুশরা বিবির সাবেক স্বামী খাওয়ার ফরিদ মানেকার মামলায় তাদেরকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল।

ফরিদ মানেকার অভিযোগ করেন, বুশরা বিবির ইদ্দতের সময় শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই ইমরান খানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে। এ মামলার শুনানিতে সিনিয়র সিভিল জজ কুদরাতুল্লাহ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরাকে সাত বছর করে জেল এবং পাঁচ লাখ রুপি করে জরিমানা করেন।

নাগরিক সমাজ, নারী অধিকারকর্মী এবং আইনজীবীরা আদালতের এই রায়ের কড়া সমালোচনা করেন। তোষাখানা ও সাইফার মামলায় তাদেরকে জেল দেয়ার কাছাকাছি সময়ে এই রায় দেয়া হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Obamas concern about Biden

বাইডেনকে নিয়ে ওবামার শঙ্কা

বাইডেনকে নিয়ে ওবামার শঙ্কা প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। ছবি: সংগৃহীত
বারাক ওবামা জো বাইডেনের পুনর্নির্বাচনে জয়ী হওয়ার ক্ষমতা নিয়ে গভীর সংশয় প্রকাশ করেছেন বলে সিএনএনকে জানিয়েছেন একাধিক ডেমোক্র্যাট সদস্য।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং হাউস স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি নভেম্বরের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ভবিষ্যৎ নিয়ে ব্যক্তিগত মতামত দিয়েছেন।

রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী জো বাইডেনের জয়ের বিষয়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট ও স্পিকার উভয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

কংগ্রেসের এক ডজনের বেশি সদস্য, কর্মী এবং ওবামা ও পেলোসি উভয়ের যোগাযোগে থাকা একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলার পর বৃহস্পতিবারের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সিএনএন।

ওই ব্যক্তিরা বলেছেন, ওবামা ও পেলোসি দুজনই মনে করেন যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পক্ষে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরাজিত করা অনেক বেশি কঠিন হয়ে উঠেছে।

প্রথম দফার প্রেসিডেন্ট বিতর্কে প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাম্পের বিপক্ষে দুর্বল ও বিব্রতকর ফলের পর নভেম্বরের নির্বাচনের প্রার্থিতা থেকে পদত্যাগ করতে জো বাইডেনকে সরাসরি ও ব্যক্তিগতভাবে আহ্বান জানিয়ে আসছে ডেমোক্র্যাটদের একাংশ।

২৭ জুনের বিতর্কের পর ওবামা এক এক্স বার্তায় বলেছেন, ‘বিতর্কে খারাপ রাত আসে কখনও কখনও। এমনটা ঘটতে পারে। আমাকে বিশ্বাস করুন, আমি জানি।’

এর ঠিক পরের রাতে হাউস ডেমোক্র্যাটদের জন্য নিউ ইয়র্কে এক তহবিল সংগ্রহে ওবামা একই অনুভূতির পুনরাবৃত্তি করেন।

বারাক ওবামা জো বাইডেনের পুনর্নির্বাচনে জয়ী হওয়ার ক্ষমতা নিয়ে গভীর সংশয় প্রকাশ করেছেন বলে সিএনএনকে জানিয়েছেন একাধিক ডেমোক্র্যাট সদস্য।

দুই সপ্তাহ পার হলেও এ বিষয়ে ওবামার জনসমক্ষে মন্তব্য না করার সিদ্ধান্তকে অনেক নেতৃস্থানীয় ডেমোক্র্যাট মনে করছেন যে পুরনো রাজনৈতিক সহকর্মীর বিরুদ্ধে প্রকাশ্য বিবৃতি দেয়ার পরিকল্পনা তার নেই।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ এক ডেমোক্র্যাট সিএনএনকে বলেন, ‘তারা প্রেসিডেন্ট বাইডেনের নিজের সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য অপেক্ষা করছেন ও দেখছেন।’

বাইডেন প্রচার ক্যাম্পেইন এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছে।

তবে ওবামার সঙ্গে নিয়মিত কথা বলা একজন ডেমোক্র্যাট বলেছেন, ‘তিনি ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থীর জন্য সর্বাত্মক প্রচারে নামতে চলেছেন। আমাদের মনোনীত প্রার্থী যেই হোন না কেন, তিনি নভেম্বরে সেই ব্যক্তির বিজয় নিশ্চিত করতে সাহায্য করবেন।’

ওবামা এ বছর দুটি তহবিল সংগ্রহের ইভেন্টে বাইডেনের পাশে ছিলেন।

অন্যদিকে ক্যালিফোর্নিয়ার একজন ডেমোক্র্যাট স্পষ্ট করে বলেছেন যে পেলোসি বিতর্কের পর থেকে কয়েক বার বাইডেনের সঙ্গে কথা বলেছেন। তবে তিনি বাইডেনের রেসে থাকার সিদ্ধান্তকে চূড়ান্ত হিসাবে দেখছেন না।

পেলোসির ঘনিষ্ঠ ওই ডেমোক্র্যাট এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ডেমোক্র্যাটদের অনেকেই আশা করছেন যে ওবামা এবং পেলোসি গত দুই সপ্তাহ ধরে ডেমোক্র্যাটদের আচ্ছন্ন করে রাখা অশান্তির অবসান ঘটাতে পারবেন।

বেশ কয়েকজন নেতৃস্থানীয় ডেমোক্র্যাট বলেছেন, নির্বাচনের চার মাসের মতো সময় থাকতে আরও বেশি ক্ষতি হওয়ার আগে তাদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব প্রেসিডেন্ট বাইডেনের বিষয়ে পরিষ্কারভাবে বলা দরকার।

আরও পড়ুন:
সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের দায়মুক্তি বিপজ্জনক নজির: বাইডেন
তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে বাইডেনের কণ্ঠে জয়ের প্রত্যয়
বাইডেনকে সরে দাঁড়াতে বলল নিউ ইয়র্ক টাইমস সম্পাদকীয় পরিষদ
বিতর্কে বাজে পারফরম্যান্স স্বীকার করে ট্রাম্পকে হারানোর প্রতিজ্ঞা বাইডেনের
বিতর্কে বাইডেনকে ‘খুব খারাপ ফিলিস্তিনি’ বললেন ট্রাম্প

মন্তব্য

p
উপরে