× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Water in tube well without gas pressure in Haor land
google_news print-icon

হাওরের জমিতে গ্যাস, বিনা চাপে নলকূপে পানি

হাওরের-জমিতে-গ্যাস-বিনা-চাপে-নলকূপে-পানি
বিনা চাপেই পড়ছে নলকূপের পানি। ছবি: নিউজবাংলা
বাপেক্স ভূতাত্ত্বিক বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার আলমগীর হোসেন বলেন, ‘সুনামগঞ্জে এর আগেও গ্যাস উদগীরণ জনিত কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ অফিশিয়ালি আমাদের জানালে আমরা বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়ে ব্যবস্থা নেব।’

দুই বছর আগে সুনামগঞ্জের হাওরের দুর্গম এলাকায় একটি নলকূপ বসানোর সময় গ্যাস উদগীরণ হতে থাকলে নলকূপ কর্মীরা তড়িঘড়ি করে কাজ করে চলে যান। এরপর থেকে সার্বক্ষণিক বিনা চাপেই নলকূপ থেকে পানি পড়তে থাকে।

পূর্বে বসানো নলকূপের এক হাজার ফুটের মধ্যে সম্প্রতি একটি ডিপ নলকূপ বসানোর সময়ও একইভাবে গ্যাস উদগীরণ হতে থাকে।

স্থানীয়রা জানান, দুইটি নলকূপ থেকেই গ্যাসের চাপে আপনা আপনি বের হচ্ছে পানি। এ নিয়ে এলাকায় সবার মাঝে কৌতূহল দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন মাটির নিচে প্রাকৃতিক গ্যাস রয়েছে।

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার বেহেলী ইউনিয়নের হালির হাওরের ঘটনা এটি। হাওরাঞ্চল নিয়ে কথায় আছে ‘বর্ষায় নাও হেমন্তে পাও’। এ ছাড়া কোনোভাবেই হাওরের গভীরে যাওয়া যায় না।

সংশ্লিষ্টরা জানান, হালির হাওরের ভেতর শুকনো মৌসুমে জিরাতিরা (ছয় মাসের অস্থায়ী কাঁচা ঘর তৈরি করে হাওরে বসবাস) এসে বসবাস করেন। এই জিরাতিদের জন্যই দুই বছর আগে হাওরের গুদারকান্দায় সরকারি উদ্যোগে নলকূপ বসানো হয়। প্রায় ৩০০ ফুট বসানোর পরেই পাইপ দিয়ে গ্যাস নির্গত হতে থাকে। কর্মীরা কোনোভাবে গ্যাস নির্গমন কমতেই পাইপ বসিয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যান।

সেই থেকে গ্যাসের চাপে ওই নলকূপ দিয়ে আপনা আপনি পানি উঠতে থাকে। এই পানিই পান করছেন জিরাতিসহ হাওরে কাজ করতে যাওয়া কৃষকরা।

উলুকান্দির কৃষক সুমন দাস বলেন, ‘নলকূপ এবং ডিপ নলকূপ দিয়ে আপনা আপনি পানি পড়ে। এই পানি দিয়ে আমরা হাত মুখ ধুই, এই পানি আমরা খাই। পানিতে গ্যাসের গন্ধ পাওয়া যায়। নিশ্চই এর নিচে গ্যাস আছে।’

উলুকান্দি গ্রামের লিটন দাস বলেন, ‘গুদারকান্দার নলকূপ থেকে দুই বছর হয় আপনা আপনি পানি বের হচ্ছে। এই নলকূপের মুখে কাপড় বেঁধে উপরের অংশে ম্যাচ দিয়ে টুকা দিলেই আগুন জ্বলে ওঠে। নলকূপের পানিই দুই বছর হয় পান করছে হাওরে কাজ করতে আসা জিরাতিসহ অন্য কৃষকেরা।

‘আরেকটি ডিপ নলকূপ ২০ থেকে ২৫ দিন আগে কাজ শুরু হয়েছিল। এটি দিয়েও গ্যাস নির্গত হতে থাকে। কেউ আগুন দিলে, এই ডিপ নলকূপেও আগুন জ্বলে ওঠে।’

উলুকান্দি গ্রামের কৃষক সুধাংশু দাস বলেন, ‘মনে হচ্ছে গ্যাসের চাপে মাটির নিচ থেকে নলকূপে পানি পড়ছে। এখানে যদি গ্যাস পাওয়া যায় তবে কোটি কোটি টাকার সম্পদ হবে। এতে আমাদের যেমন লাভ হবে তেমনি দেশেরও লাভ হবে।’

একই গ্রামের কৃষক পরেশ দাস বলেন, ‘নলকূপের পাইপ ২০ থেকে ৩০ ফুট যাওয়ার পরই গ্যাস উঠতে থাকে। সার্বক্ষণিক নলকূপ দিয়ে পানি পড়ায় জমি সব সময় ভিজা থাকে এতে আমাদের ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। নলকূপ কর্মীরা বলেছিল ধীরে ধীরে পানি পড়া কমে যাবে কিন্তু কোনো পরির্বতন হচ্ছে না।’

বাপেক্স ভূতাত্ত্বিক বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার আলমগীর হোসেন বলেন, ‘সুনামগঞ্জে এর আগেও গ্যাস উদগীরণ জনিত কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ অফিশিয়ালি আমাদের জানালে আমরা বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়ে ব্যবস্থা নেব। গ্যাসের নমুনা এনে পরীক্ষা করে দেখতে হবে এটি খনির গ্যাস নাকি অন্যকিছু। দুর্ঘটনা এড়াতে এর পূর্বে জায়গাটি লাল কাপড় দিয়ে চিহ্নিত করে রাখতে হবে।’

সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সমর কুমার পাল বলেন, ‘ইতোমধ্যেই বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বলেছি এই বিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে আমাদের কাছে দেয়ার জন্য।

‘প্রতিবেদনটি পেলে গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মহোদয়ের কাছে পাঠিয়ে সহযোগিতা চাইব। অনুসন্ধান করে তারাই বলতে পারবেন এখানে কতটুকু গ্যাস রিজার্ভ রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
নষ্ট একমাত্র নলকূপ, পানি সংকটে জবি শিক্ষার্থীরা
নওগাঁয় সেচমূল্য নিয়েও পানি না দেয়ার অভিযোগ কৃষকদের
নব্বই বছরের সুপেয় পানির সমস্যার সমাধান করলেন সেই ইউটিউবার
টাঙ্গাইলে একদিনের বৃষ্টিতে ভেসে গেছে ৯ কোটি টাকার মাছ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Arrested in the case of attack on journalist in Savar 2

সাভারে সাংবাদিকের ওপর হামলা মামলায় গ্রেপ্তার ২

সাভারে সাংবাদিকের ওপর হামলা মামলায় গ্রেপ্তার ২ সাভারে সাংবাদিকের ওপর হামলা মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
সাভার মডেল থানার এসআই সুদীপ কুমার গোপ বলেন, ‘সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হলে গতকাল (সোমবার) রাতে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় সাংবাদিকের হারানো ফোনটিও উদ্ধার করা হয়।’

ঢাকার সাভারে বেসরকারি টিভি চ্যানেল নাগরিক টেলিভিশন ও ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের সাংবাদিকের ওপর হামলা মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুদীপ কুমার গোপ মঙ্গলবার সকালে এ তথ্য জানান। এর আগে সোমবার রাতে সাভারের ব্যাংক কলোনি এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার দুইজন হলেন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের খালিশপুর এলাকার মনির হোসেন (৩৪) ও লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দনগঞ্জ থানার মো. বাবুল (৩৪)। তারা দুইজনই সাভারের ব্যাংক কলোনি এলাকায় বসবাস করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ মে কাতলাপুরের বেঙ্গল ফাইন সিরামিক লিমিটেড কারখানা দখলের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান সাংবাদিক আকাশ। সেখানে কারখানার শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের বের করে দিয়ে দখলের পর সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করে দখল করতে থাকে দুর্বৃত্তরা। এ সময় সিসি ক্যামেরা ভাঙচুরের ভিডিও ধারণ করায় দখলকারীরা সাংবাদিক আকাশ মাহমুদের ওপর হামলা করে মোবাইল ছিনিয়ে নেয়।

খবর পেয়ে অন্য সংবাদকর্মীরা তাকে প্রথমে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

হামলায় সাংবাদিক আকাশের চোখের কর্নিয়া মারাত্মক জখম হয়েছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসক।

এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার এসআই সুদীপ কুমার গোপ বলেন, ‘সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হলে গতকাল রাতে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় সাংবাদিকের হারানো ফোনটিও উদ্ধার করা হয়। আসামিদের তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে আজ সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

রিমান্ড মঞ্জুর হলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
সাভারে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার সাংবাদিক
ভুয়া সাংবাদিকের বিষয়ে সতর্ক থাকুন: কাদের
দস্যুতার মামলায় দুই ঢাবি শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার, পরে জামিন
শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলা: ড. ইউনূসের জামিন ৪ জুলাই পর্যন্ত
গজারিয়ায় যুগান্তর ও যমুনার প্রতিনিধির ওপর হামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Firefighter dies due to electrocution during rescue operation

উদ্ধারকাজে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ফায়ারফাইটারের মৃত্যু

উদ্ধারকাজে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ফায়ারফাইটারের মৃত্যু প্রাণ হারানো রাসেল হোসেন। ছবি: ফায়ার সার্ভিস মিডিয়া সেল
ফায়ার সার্ভিস মিডিয়া সেল জানায়, রাত ১০টার সময় সংবাদ পেয়ে খাগড়াছড়ি ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে যায় এবং গাছ অপসারণ করতে থাকে। গাছ অপসারণের একপর্যায়ে আকস্মিক বিদুৎ চলে আসায় ফায়ারফাইটার রাসেল হোসেন বিদ্যুতায়িত হন।

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ঘূর্ণিঝড়ের কারণে পড়ে যাওয়া গাছ কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ফায়ারফাইটারের মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলার আলুটিলা এলাকায় সোমবার রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স মিডিয়া সেল।

গুরুতর আহত অবস্থায় ফায়ারফাইটার রাসেল হোসেনকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নেয়া হলে রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাকে মৃত বলে জানান চিকিৎসক।

প্রাণ হারানো রাসেলের বাড়ি ঢাকার ধামরাইয়ের বাসনা গ্রামে। তিনি ২০২৩ সালে একজন ফায়ারফাইটার হিসেবে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে যোগদান করেন।

ফায়ার সার্ভিস মিডিয়া সেল জানায়, গতকাল সারা দেশে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘রিমালের’ ফলে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার আলুটিলা এলাকায় গাছ পড়ে যায়। রাত ১০টার সময় সংবাদ পেয়ে খাগড়াছড়ি ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে যায় এবং গাছ অপসারণ করতে থাকে। গাছ অপসারণের একপর্যায়ে আকস্মিক বিদুৎ চলে আসায় ফায়ারফাইটার রাসেল হোসেন বিদ্যুতায়িত হন।

আরও পড়ুন:
রিমালের তাণ্ডবে এখনও বিদ্যুৎহীন অনেক এলাকা
রিমালে ভেঙে পড়া শতাধিক গাছ অপসারণ করেছে ফায়ার সার্ভিস
ঘূর্ণিঝড় রিমালে বিদ্যুৎহীন দুই কোটি ২২ লাখ মানুষ
‘রিমাল’ আরও দুর্বল হয়ে এখন মানিকগঞ্জে
হাতিয়ায় পানিবন্দি হাজারও মানুষ, বিদ্যুৎ নেই

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The young man who was picked up from Tentulia has been found

তেঁতুলিয়া থেকে তুলে নেয়া সেই যুবকের সন্ধান মিলেছে

তেঁতুলিয়া থেকে তুলে নেয়া সেই যুবকের সন্ধান মিলেছে নিখোঁজ সাগর আলী। ছবি: সংগৃহীত
পুলিশ সুপার এসএম সিরাজুল হুদা বলেন, ‘একপর্যায়ে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, সাগর বড় ধরনের একটি অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকায় পুলিশের একটি ইউনিট তাকে ধরে নিয়ে গেছে। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জেনেছি, তবে সাগর বর্তমানে নিরাপদে রয়েছে।’

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় ‘প্রশাসনের লোক’ পরিচয়ে সাগর আলী নামে এক যুবককে তুলে নিয়ে যাওয়ার দুদিন পর তার সন্ধান মিলেছে।

সাগরকে তুলে নেয়ার পর তিনি ঢাকায় পুলিশের একটি ইউনিটের হেফাজতে ছিলেন বলে জানান পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার এসএম সিরাজুল হুদা।

তিনি জানান, সাগরকে একটি মামলায় সোমবার বিকেলে ঢাকার একটি আদালতে তোলা হয় তাকে।

পুলিশ সুপার এসএম সিরাজুল হুদা বলেন, ‘পরিবারের পক্ষ থেকে নিখোঁজ সাধারণ ডায়েরির পর থেকে সাগরের সন্ধানে আমরা কাজ শুরু করি। একপর্যায়ে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, সাগর বড় ধরনের একটি অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকায় পুলিশের একটি ইউনিট তাকে ধরে নিয়ে গেছে।

‘তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জেনেছি, তবে সাগর বর্তমানে নিরাপদে রয়েছে বলে পরিবারের সদস্যদের আমরা জানিয়েছি।’

এর আগে সোমবার বিকেলে তেঁতুলিয়া মডেল থানার পুলিশ তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা এলাকার হোটেল ধানসিঁড়ি ইন্টারন্যাশনালে (আবাসিক) নিখোঁজ সাগরের বাবাকে ডেকে নিয়ে জানায়, সাগর বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন এবং নিরাপদে রয়েছেন, তবে কী কারণে তাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে পরিবারের সদস্যদের তা জানায়নি পুলিশ।

সাগরের ছোট বোন বলেন, ‘সোমবার বিকেলে তেঁতুলিয়া থানা পুলিশ আমার বাবাকে ডেকে নিয়ে জানিয়েছে ভাইয়া নাকি তাদের কাছে আছে, নিরাপদে আছে। আমরা যেন কোনো টেনশন না করি, তবে আমার ভাইয়ের কী অপরাধ আর কেনবা তাকে ধরে নিয়ে গেল পুলিশ, এসব কিছু আমাদের জানায়নি।’

শনিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর এলাকার শ্যামলী কাউন্টার থেকে সাগরকে ডেকে নিয়ে সাদা একটি মাইক্রোবাসের কাছে নিয়ে যান সাদা পোশাকে পুলিশের পরিচয় দেয়া একটি দল। এ সময় সাগরকে জানানো হয়, কিছু তথ্য জিজ্ঞাসা করে তাকে ছেড়ে দেয়া হবে। একপর্যায়ে সাগরকে সাদা ওই মাইক্রোবাসে করে তুলে নেয়া হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়।

এ ঘটনায় শনিবার রাতেই সাগরের বাবা তেঁতুলিয়া মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (নিখোঁজ) দায়ের করেন।

সাগরের বাড়ি উপজেলার বাংলাবান্ধা ইউনিয়নের বাংলাবান্ধা বাজার এলাকায়। তিনি বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে শ্যামলী পরিবহনের একটি টিকিট কাউন্টারে বুকিং সহকারীর কাজ করেন।

আরও পড়ুন:
‘ঢাকঢোল পিটিয়ে’ বিয়ে করছেন আসামি, খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ
প্রশাসনের লোক পরিচয়ে যুবককে তুলে নেয়ার অভিযোগ
সাভারে রেস্তোরাঁ থেকে গ্রেপ্তার জামায়াতের ২২ নেতা-কর্মী
ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে পা ভাঙার অভিযোগ রিকশাচালকের
গরুবাহী ট্রাকের ধাক্কায় পুলিশ কনস্টেবল নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Teenager arrested for sexual abuse of child

শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে কিশোর গ্রেপ্তার

শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে কিশোর গ্রেপ্তার প্রতীকী ছবি
সদর থানার ওসি তানভীরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে যৌন নিপীড়নের সত্যতা পাওয়া যায়। ওই কিশোরকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

নীলফামারীতে পাঁচ বছরের কন্যা শিশুকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় ১৬ বছরের এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে সদর উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের সুখধন দাসপাড়া গ্রামে। সোমবার ওই কিশোরকে টুপামারীর রামগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে সদর থানা পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত ২৩ মে দুপুরে নিজ বাড়ির উঠানে বসে খেলছিল ওই পাঁচ বছরের শিশু। এ সময় ওই কিশোর শিশুটিকে কৌশলে একটি খড়ি রাখার ঘরে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে তার স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে যৌন নিপীড়ন চালায়। পরে শিশুটির পরিবার বিষয়টি বুঝতে পেরে সদর থানায় একটি অভিযোগ করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সদর থানার ওসি তানভীরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে যৌন নিপীড়নের সত্যতা পাওয়া যায়। ওই কিশোরকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Devotees flock to the Ganesh Pagal Mela ignoring the storm

ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে গণেশ পাগলের মেলায় ভক্তদের ভীড়

ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে গণেশ পাগলের মেলায় ভক্তদের ভীড় গণেশ পাগলের মেলায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে এসেছেন সাধুসন্যাসী ও ভক্তবৃন্দ। ছবি: নিউজবাংলা
প্রতি বছর এ মেলায় লাখ লাখ ভক্তের সমাগম ঘটলেও এ বছর ঝড়বৃষ্টির কারণে সেই সংখ্যাটি কিছুটা কম বলে জানান আয়োজকরা। প্রতি বছর মেলা প্রাঙ্গণ হাজারো বাউল-সন্ন্যাসী মিলনমেলায় পরিণত হলেও বৃষ্টির কারণে এবার আসর বসাতে পারেননি তারা।

ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে মাদারীপুরের রাজৈরের কদমবাড়ির শ্রী শ্রী গণেশ পাগলের সেবাশ্রমে হাজার হাজার ভক্তের সমাগম হয়েছে। মেলার ১৪২তম আয়োজনে প্রায় ৫ বর্গকিলোমিটার জায়গাজুড়ে বসেছে সারি সারি নানা রকমের দোকান।

১৪২ বছর আগে জ্যৈষ্ঠ মাসের ১৩ তারিখে ১৩ জন সাধু ১৩ কেজি চাল ও ১৩ টাকা নিয়ে রাজৈর উপজেলার কদমবাড়ীর দীঘিরপাড় ভারতের কুম্ভমেলাকে অনুসরণ করে এ মেলার আয়োজন করেন। সেই থেকে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার কদমবাড়ীর দীঘিরপাড় শ্রী শ্রী গণেশ পাগল সেবাশ্রমে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

এক রাতের মেলা হলেও মেলাটি বর্তমানে চলে ৩দিন। ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে জেলায় ঝড়বৃষ্টি হলেও তা মাথায় নিয়েই সোমবার সকাল থেকে দলে দলে জয়ডঙ্কা ও নানা রকমের বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে জয় হরিবল, জয়বাবা গণেশ পাগল ধ্বনিত করতে করতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে আসতে থাকেন সাধুসন্যাসী ও ভক্তবৃন্দ। বাস, ট্রাক, ট্রলারে, এমনকি পায়ে হেঁটেও তাদের অনেকে আসতে শুরু করে মেলা প্রাঙ্গণে। তবে ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টির কাণে মন্দির প্রাঙ্গনসহ বিভিন্ন নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন তারা।

ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে গণেশ পাগলের মেলায় ভক্তদের ভীড়

প্রতি বছর এ মেলায় লাখ লাখ ভক্তের সমাগম ঘটলেও এ বছর ঝড়বৃষ্টির কারণে সেই সংখ্যাটি কিছুটা কম বলে জানান আয়োজকরা। প্রতি বছর মেলা প্রাঙ্গণ হাজারো বাউল-সন্ন্যাসী মিলনমেলায় পরিণত হলেও বৃষ্টির কারণে এবার আসর বসাতে পারেননি তারা।

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, নেপাল ও অন্যান্য রাষ্ট্র থেকেও বহু ভক্তবৃন্দ আসেন ঐতিহ্যবাহী এ মেলায়।

হারিয়ে যাওয়া অনেক পণ্যের দেখা মেলে এ মেলায়। তবে বৃষ্টির কারণে এবার মেলায় আসার দোকানগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এদিকে মেলায় আগত মানুষের জন্য তিনস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আরও পড়ুন:
৬০ লাখ দর্শনার্থীর মেলায় ৬০ কোটি টাকার বই বিক্রি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Thousands of people in Hatia have no electricity
ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাব

হাতিয়ায় পানিবন্দি হাজারও মানুষ, বিদ্যুৎ নেই

হাতিয়ায় পানিবন্দি হাজারও মানুষ, বিদ্যুৎ নেই ফুলে-ফেঁপে ওঠা সাগরের পানিতে ভাসছে হাতিয়ার গ্রাম। ছবি: নিউজবাংলা
জোয়ারের প্রভাবে হাতিয়ায় নদীর পানির উচ্চতা স্বাভাবিকের চেয়ে ৪-৫ ফুট বেড়ে গেছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় ৪০ হাজার মানুষ।

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের নয়টি গ্রামসহ ১৪টি গ্রাম জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। অপরদিকে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি, বেগমগঞ্জ ও সেনবাগে অতিবর্ষণ আর ঝড়ে ভেঙে পড়েছে গাছপালা।

জানা যায়, নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে জেলা সদর ও ৯টি উপজেলায় ৮ লাখ ৬৬ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক রয়েছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবি) অধীনে এক লাখ ৭ হাজার এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অধীনে ৭ লাখ ৫৯ হাজার গ্রাহক রয়েছেন।

পল্লী বিদ্যুৎ নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের জেনারেল ম্যানেজার জাকির হোসেন বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ৯টি উপজেলায় ২২৮টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়েছে। ৩২টি ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়েছে। ৬ শতাধিক গাছ ভেঙে পড়ে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে গেছে। এর ফলে ৫০ শতাংশের বেশি গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছেন। বিদ্যুৎকর্মীরা এসব লাইন মেরামত ও খুঁটি বসানোর কাজ শুরু করেছেন।

অপরদিকে ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের নয়টিগ্রাম সহ ১৪টি গ্রাম জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের প্রধান সড়ক ও বাজারগুলো এখনও পানির নিচে।

রোববার (২৬ মে) দুপুর থেকে শুরু হওয়া জোয়ারে এসব গ্রাম প্লাবিত হয়। জোয়ারের প্রভাবে হাতিয়ায় নদীর পানির উচ্চতা স্বাভাবিকের চেয়ে ৪-৫ ফুট বেড়ে গেছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় ৪০ হাজার মানুষ।

প্লাবিত হওয়া গ্রামগুলো হলো- নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের মোল্লা গ্রাম, মুন্সি গ্রাম, আদর্শ গ্রাম, বান্দাখালী গ্রাম, ডুবাইয়ের খাল গ্রাম, ইসলামপুর গ্রাম, আনন্দগুচ্ছ গ্রাম, বাতায়ন গ্রাম, বসুন্ধরা গ্রাম ও ধানসিঁড়ি গ্রাম, পূর্বাচল গ্রাম, হরণী ইউনিয়নের চর ঘাসিয়া, বয়ারচর গ্রাম, নলচিরা ইউনিয়নের তুফানিয়া গ্রাম ও তমরদ্দি ইউনিয়নের পশ্চিম তমরদ্দি গ্রাম।

স্থানীয় বাসিন্দা জিল্লুর রহমান বলেন, ‘টানা বর্ষণ ও অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে পুরো উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। পানি ঢুকে পড়েছে বাড়িগুলোতে।’

আরও পড়ুন:
অঝোর ধারার বৃষ্টিতে রাজধানীর জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে
ঢাকায় ২০-৩০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস
রিমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ১৯ জেলা, দেড় লাখ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত
জলাবদ্ধতা নিরসনে ডিএসসিসির নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু
ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে ছয় জেলায় ১০ প্রাণহানি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Parents attempt suicide after killing their child

সন্তানকে হত্যার পর বাবা-মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা

সন্তানকে হত্যার পর বাবা-মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৪ ঘণ্টার ডাক্তারি পর্যবেক্ষণে রয়েছে ওই দম্পতি। ছবি: সংগৃহীত
অসুস্থ মাসরুল হোসাইন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মাসখানেক আগে ময়মনসিংহে আমার কাছ থেকে কোম্পানির দুই লাখ ২০ হাজার টাকা ছিনতাই হয়ে যায়। ঘটনাটি অফিসে জানালে চাকরি চলে যায় এবং কোম্পানি টাকার জন্য আমার ওপর চাপ প্রয়োগ করতে থাকে।

দেনার দায়ে টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ৪ বছর বয়সী একমাত্র মেয়েকে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে এক দম্পতি।

সোমবার ভোরে উপজেলার ভাদুরিচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশুটির নাম ফাউজিয়া শেহতাজ মৃত্তিকা। অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার বাবা ৩৫ বছর বয়সী মাসরুল হোসাইন ও মা মীরা আফরোজ সাথী।

জাপান টোব্যাকোর সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং পদে ময়মনসিংহে চাকরিরত মাসরুল পরিবার নিয়ে উত্তর গোপালপুরের ভাদুরিচর গ্রামের হারুন অর রশিদের বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

পুলিশ জানায়, এদিন ভোরে সন্তানের মৃত্যু নিশ্চিতের পর ওই দম্পতি ঘুমের ওষুধ ও কীটনাশক পানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। তবে বিষয়টি টের পেয়ে প্রতিবেশীরা তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক পুলক কান্তি সাহা জানান, স্বামী-স্ত্রী উভয়কেই ২৪ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এখনও তারা শঙ্কামুক্ত নন। তাদের চিকিৎসা চলছে। তবে আগের চেয়ে এখন কিছুটা সুস্থ।

অসুস্থ মাসরুল হোসাইন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মাসখানেক আগে ময়মনসিংহে আমার কাছ থেকে কোম্পানির দুই লাখ ২০ হাজার টাকা ছিনতাই হয়ে যায়। ঘটনাটি অফিসে জানালে চাকরি চলে যায় এবং কোম্পানি টাকার জন্য আমার ওপর চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। উপায়ান্তর না পেয়ে রোববার বিভিন্ন ফার্মেসি থেকে ১২০টি ঘুমের ওষুধ ও কীটনাশক কিনে আনি। মধ্যরাতের পর একমাত্র মেয়েকে ১২টি ঘুমের ঔষধ খাইয়ে বালিশ চাপা দিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিতের পর আমরা (স্বামী-স্ত্রী) আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে ভোররাতে ঘুমের ওষুধ ও কীটনাশক পান করি।’

গোপালপুর থানার ওসি ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘হতাশাগ্রস্ত বাবা-মা সন্তানকে খুন করার অপরাধে ও বাবা-মায়ের আত্মহত্যা চেষ্টার দায়ে নিয়মিত মামলা হবে।’

আরও পড়ুন:
যশোরে প্রেম নিয়ে একজনকে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৩
ঝিনাইদহে প্রবাসীর স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা, আটক ২
বিষ খাইয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী সন্তানকে হত্যার অভিযোগে বাবা-মা গ্রেপ্তার
কাপড় ধুতে বলায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা: স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

মন্তব্য

p
উপরে