× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Low winds on holidays mean third cover
google_news print-icon

ছুটির দিনে বাতাসের নিম্ন মানে তৃতীয় ঢাকা

ছুটির-দিনে-বাতাসের-নিম্ন-মানে-তৃতীয়-ঢাকা
দূষিত বাতাসে ঢাকার বাসিন্দাদের চলাচল। ফাইল ছবি
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানি আইকিউ এয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে ১৬৪ স্কোর নিয়ে ১০০টি শহরের মধ্যে বায়ুর নিম্ন মানে তৃতীয় ছিল ঢাকা।

রমজানের মধ্যে সরকারি ছুটির দিনেও ‘অস্বাস্থ্যকর’ রয়ে গেছে ঢাকার বাতাস।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানি আইকিউ এয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে ১৬৪ স্কোর নিয়ে ১০০টি শহরের মধ্যে বায়ুর নিম্ন মানে তৃতীয় ছিল ঢাকা।

একই সময়ে প্রথম ও দ্বিতীয় ছিল পাকিস্তানের লাহোর ও কাজাখস্তানের আস্তানা।

ছুটির দিনে বাতাসের নিম্ন মানে তৃতীয় ঢাকা

আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ দিনের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ১৬ দশমিক ১ গুণ বেশি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১৬৪। এর মানে হলো ওই সময়টাতে নিঃশ্বাসের সঙ্গে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস নিতে হয় রাজধানীবাসীকে।

আরও পড়ুন:
ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’, নিম্ন মানে সপ্তম
ছুটির দিনে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস, নিম্ন মানে পঞ্চম
দ্বিতীয় রোজায় ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস, তালিকায় চতুর্থ
ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’, বাইরে মাস্ক পরার পরামর্শ
সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The leave of fire service personnel prepared to deal with Cyclone Remal has been cancelled

ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ মোকাবিলায় প্রস্তুত ফায়ার সার্ভিস, কর্মীদের ছুটি বাতিল

ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ মোকাবিলায় প্রস্তুত ফায়ার সার্ভিস, কর্মীদের ছুটি বাতিল উপকূলীয় এলাকায় মাইকিং করছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ছবি: ফায়ার সার্ভিস
যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে সেবা গ্রহণের জন্য ফায়ার সার্ভিসের নিকটবর্তী ফায়ার স্টেশন, বিভাগীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের হটলাইন নম্বর ১৬১৬৩ অথবা কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলের জরুরি মোবাইল নম্বর ০১৭৩০৩৩৬৬৯৯-এ ফোন করার জন্য সকলকে অনুরোধ জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে সার্বিকভাবে প্রস্তুত রয়েছে। দুর্যোগপ্রবণ এলাকার জনসাধারণকে সচেতন, সতর্ক ও সাবধান করছে ওই অঞ্চলের ফায়ার স্টেশনগুলো।

শনিবার দুপুরের পর থেকে সচেতনতা সৃষ্টির এই প্রচারণা চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস।

ঘূর্ণিঝড়-পূর্ব, ঘূর্ণিঝড়ের সময় ও ঘূর্ণিঝড়-পরবর্তী সকল কাজ কেন্দ্রীয়ভাবে সমন্বয় করতে ঢাকার সদর দপ্তরে একটি মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে বলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, খুলনা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে। এছাড়া এসব বিভাগের খোলা হয়েছে বিভাগীয় মনিটরিং সেল।

উদ্ধারকারী দলটির প্রস্তুতির অংশ হিসেবে উপকূলীয় এলাকাসমূহের ফায়ার স্টেশনগুলোর সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করে সকলকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন।

দুর্যোগপ্রবণ এলাকার জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতি ফায়ার স্টেশনে ফায়ারফাইটিং টিম, সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ টিম, প্রাথমিক চিকিৎসাকা প্রদানকারী দল এবং ওয়াটার রেসকিউ টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিস বলেছে, প্রয়োজনীয় সংখ্যক অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার সরঞ্জামসহ অ্যাম্বুলেন্স, চেইন স, হ্যান্ড স, রোটারি রেসকিউ স, স্প্রেডার, মেগাফোন, র‌্যামজ্যাক বা এয়ার লিফটিং ব্যাগ, ফাস্ট এইড বক্সসহ যাবতীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়-পরবর্তী অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজসহ রাস্তাঘাট যান চলাচল উপযোগী করার কাজে ফায়ার সার্ভিস নিয়োজিত থাকবে। তাদের সঙ্গে সহযোগিতা করবেন ফায়ার সার্ভিসের প্রশিক্ষিত সেচ্ছাসেবীরা। এসব এলাকায় জীবন ও মালামাল সুরক্ষা সংক্রান্ত যেকোনো কাজে ২৪ ঘণ্টা ফায়ার সার্ভিসের সেবা গ্রহণ করতে পারবে মানুষ।

সকল আশ্রয়কেন্দ্রের পাশাপাশি প্রয়োজনে উপকূলবর্তী ফায়ার স্টেশনগুলোতেও সাধারণ জনগণ আশ্রয় নিতে পারবেন।

ফায়ার সার্ভিসের মনিটরিং সেল, কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষসহ সকল বিভাগীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সারাক্ষণ সংবাদ সংগ্রহে নিয়োজিত থাকবে।

যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে সেবা গ্রহণের জন্য ফায়ার সার্ভিসের নিকটবর্তী ফায়ার স্টেশন, বিভাগীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের হটলাইন নম্বর ১৬১৬৩ অথবা কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলের জরুরি মোবাইল নম্বর ০১৭৩০৩৩৬৬৯৯-এ ফোন করার জন্য সকলকে অনুরোধ জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

আরও পড়ুন:
ঘূর্ণিঝড় ‘রেমালে’ রূপ নিয়েছে গভীর নিম্নচাপ, ৭ নম্বর বিপদ সংকেত
‘রেমাল’ মোকাবিলায় ৬ জেলায় বিশেষ প্রস্তুতির নির্দেশ
ঝালকাঠিতে রেমালের প্রভাব শুরু, আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনীহা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Cyclone Remal has become deep depression number 7 warning signal

ঘূর্ণিঝড় ‘রেমালে’ রূপ নিয়েছে গভীর নিম্নচাপ, ৭ নম্বর বিপদ সংকেত

ঘূর্ণিঝড় ‘রেমালে’ রূপ নিয়েছে গভীর নিম্নচাপ, ৭ নম্বর বিপদ সংকেত ঘূর্ণিঝড় রেমালের গতিপথ। গ্রাফিক্স: আবহাওয়া অধিদপ্তর
ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে উপকূলীয় জেলাগুলো স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩ থেকে ৫ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে বর্তমানে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংগ্ন এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ‘রেমালে’ রূপ নিয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঘূর্ণিঝড় বিষয়ক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪০৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হতে পারে বলে।

এ অবস্থায় পায়রা ও মোংলা সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত নামিয়ে ৭ নম্বর সতর্ক দেখাতে বলা হয়েছে। সেসঙ্গে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৬ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়ার ৮ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের আশপাশ এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩ থেকে ৫ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় ‘রেমালের’ প্রভাবে রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার সব নৌকা ও ট্রলারকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন:
‘রেমাল’ মোকাবিলায় ৬ জেলায় বিশেষ প্রস্তুতির নির্দেশ
ঝালকাঠিতে রেমালের প্রভাব শুরু, আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনীহা
টেকনাফে তীব্রগতির বাতাস, শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টি
বাগেরহাটে বৃষ্টি শুরু, প্রস্তুত ৩৫৯ আশ্রয়কেন্দ্র
বন্দরে বিভিন্ন সংকেতের কী অর্থ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Special preparation orders in 6 districts to deal with Remal

‘রেমাল’ মোকাবিলায় ৬ জেলায় বিশেষ প্রস্তুতির নির্দেশ

‘রেমাল’ মোকাবিলায় ৬ জেলায় বিশেষ প্রস্তুতির নির্দেশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান শনিবার দুপুরে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন। ছবি: বাসস
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান বলেন, ‘উপকূলবর্তী সব জেলাকে ঘূর্ণিঝড়ের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, খুলনা, বরগুনা, পটুয়াখালী ও ভোলা জেলাকে বিশেষভাবে প্রস্তুত থাকার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’-এর সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় উপকূলীয় ছয়টি জেলার প্রশাসনকে বিশেষ প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এগুলো হলো সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, খুলনা, বরগুনা, পটুয়াখালী ও ভোলা।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান শনিবার দুপুরে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান। সূত্র: বাসস

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘উপকূলবর্তী সব জেলাকে ঘূর্ণিঝড়ের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, খুলনা, বরগুনা, পটুয়াখালী ও ভোলা জেলাকে বিশেষভাবে প্রস্তুত থাকার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পর্কে জানাতে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে মহিববুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালের যে কোন ধরনের ধ্বংসলীলা থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষকে রক্ষা করতে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, ঘূর্ণিঝড়টি মোকাবেলায় সার্বক্ষণিক তথ্য বিনিময়ের লক্ষ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের এনডিআরসিসি ২৪ ঘণ্টা খোলা রয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর উপকূলীয় জেলাগুলোতে মানবিক সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রম পাঠানো শুরু করেছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘৭৮ হাজার স্বেচ্ছাসেবক কয়েকদিন ধরে মাঠে আগাম সতর্কবার্তা প্রচারসহ আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন ও প্রস্তুতের কাজ করছে। ওয়্যারলেসের মাধ্যমে সরাসরি ১৭৪টি মাঠ কার্যালয়কে সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সাড়া বিশ্বের রোলমডেল। গত ১৫ বছরে ঘূর্ণিঝড়সহ সব দুর্যোগে তার নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশনায় আমরা যথাসময়ে প্রস্তুতি নিয়ে মানুষের দুর্দশা লাঘব এবং জীবন ও সম্পদের ক্ষতি কমাতে সক্ষম হয়েছি।

‘ঘূর্ণিঝড় রেমালও যাতে একই ধারাবাহিকতায় সফলভাবে মোকাবেলা করতে পারি তার জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি।’

আরও পড়ুন:
ঝালকাঠিতে রেমালের প্রভাব শুরু, আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনীহা
টেকনাফে তীব্রগতির বাতাস, শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টি
চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা বেড়ে ৪১.৭ ডিগ্রি, বাড়ছে অস্বস্তি
বাগেরহাটে বৃষ্টি শুরু, প্রস্তুত ৩৫৯ আশ্রয়কেন্দ্র
বন্দরে বিভিন্ন সংকেতের কী অর্থ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In Jhalkathi Remals influence begins with reluctance to go to shelters

ঝালকাঠিতে রেমালের প্রভাব শুরু, আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনীহা

ঝালকাঠিতে রেমালের প্রভাব শুরু, আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনীহা ঝালকাঠিতে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনীহা প্রকাশ করছে সাধারণ মানুষ। ছবি: নিউজবাংলা
জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক ফারাহ গুল নিঝুম বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে আশ্রয়ের জন্য জেলায় ৮২৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ৬২টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে না চাইলে জোর করে নেয়া হবে। এমনটাই নির্দেশ দেয়া হয়েছে সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে।’

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘রোমাল’- এমন খবরেও আশ্রয় কেন্দ্রে যায়নি কেউ। শনিবার রাত ৮টায় এই প্রতিবেদন লেখার সময়ও আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে না গিয়ে মানুষজন নিজ নিজ ঘরেই অবস্থান করছিল।

বিগত কয়েকবার ৭ থেকে ১০ নম্বর সংকেত জারি হলেও শেষ পর্যন্ত ঘূর্ণঝড় আঘাত হানেনি উপকূলীয় এই জনপদে। এবারও আঘাত হানবে না- এমনটা ধারণা করে নদী-তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষেরা আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনীহা প্রকাশ করছেন। ভিটেবাড়ি ও গবাদিপশু ছেড়ে যাবেন না বলে নিজ নিজ ঘরেই অবস্থান করছেন এই অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ।

শনিবার দিনভর আবহাওয়া ভালো থাকলেও সন্ধা ৭টা থেকে ঝালকাঠিতে শুরু হয়েছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। সঙ্গে থেমে থেমে ঘূর্ণি বাতাস। বৃষ্টি শুরুর পরই ছুটোছুটি করে গন্তব্যে ফিরছে শহরের মানুষ।

জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক ফারাহ গুল নিঝুম বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে আশ্রয়ের জন্য জেলায় ৮২৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ৬২টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে না চাইলে জোর করে নেয়া হবে। এমনটাই নির্দেশ দেয়া হয়েছে সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে।’

ঝালকাঠির পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল বলেন, ‘আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়া মানুষদের বসতঘরের মালামাল যাতে লুণ্ঠিত না হয়, সেদিকে পুলিশ কড়া নজর রাখবে।’

আরও পড়ুন:
টেকনাফে তীব্রগতির বাতাস, শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টি
চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা বেড়ে ৪১.৭ ডিগ্রি, বাড়ছে অস্বস্তি
বাগেরহাটে বৃষ্টি শুরু, প্রস্তুত ৩৫৯ আশ্রয়কেন্দ্র
বন্দরে বিভিন্ন সংকেতের কী অর্থ
উত্তর দিকে অগ্রসর হলো গভীর নিম্নচাপ, বন্দরে তিন নম্বর সংকেত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Heavy rain has started in Teknaf
নিম্নচাপের প্রভাব

টেকনাফে তীব্রগতির বাতাস, শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টি

টেকনাফে তীব্রগতির বাতাস, শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টি নিম্নচাপের প্রভাবে কক্সবাজারের টেকনাফ ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ ধেয়ে আসার শঙ্কার মাঝেও শনিবার সকাল থেকে কক্সবাজারের পরিবেশ-প্রকৃতিতে এর আলামত দেখা যায়নি। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে প্রকৃতির রূপ। টেকনাফ, সেন্টমার্টিন ও শাহপরীর দ্বীপে তীব্র গতির বাতাস বইছে। শুরু হয়েছে অঝোর ধারার বৃষ্টি। উত্তাল হয়ে উঠেছে সাগর।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি শনিবার রাতেই ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’-এ রূপ নিতে পারে। এর আগেই শনিবার বিকেলে দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ ধেয়ে আসার শঙ্কার মাঝেও শনিবার সকাল থেকে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজারের পরিবেশ-প্রকৃতিতে এর আলামত দেখা যায়নি। অন্যান্য দিনের মতোই ছিল শান্ত। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে এখানকার প্রকৃতির রূপ।

গভীর নিম্নচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে উপকূলের দিকে এগুতে থাকায় কক্সবাজারের টেকনাফ, সেন্টমার্টিন ও শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় তীব্র গতির বাতাস বইছে। একইসঙ্গে ঝরছে অঝোর ধারার বৃষ্টি। উত্তাল হয়ে উঠেছে সাগর।

শনিবার বিকেল ৪টা থেকে টেকনাফ, শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় ব্যাপক বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। একইসঙ্গে বেড়েছে বাতাসের গতি।

শনিবার সকাল থেকে টেকনাফ ও সেন্টমার্টিন এলাকায় কিছুটা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়। মেরিন ড্রাইভ এলাকায় প্রচণ্ড গতির বাতাস থাকলেও বৃষ্টি খুব একটা ছিল না। বিকেল ৪টার দিকে মেরিন ড্রাইভ এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়।

টেকনাফেও বাতাস থাকলেও বৃষ্টি ছিল কম। দুপুর ১টার পর থেকে বৃষ্টির তীব্রতা যেমন বেড়ে যায় সে সঙ্গে বাড়ে বাতাসের গতিবেগও।

টেকনাফ সৈকত সংলগ্ন সব দোকান পাট বন্ধ হয়ে গেছে। খোলা জায়গায় অনেক স্থানে গরু বাঁধা থাকলেও মানুষজনের উপস্থিতি দেখা যায়নি। টেকনাফ সড়কের চেকপোস্টগুলো ফাঁকা দেখা গেছে। স্থানীয় পরিবহন চলাচলও বন্ধ রয়েছে।

খবর নিয়ে জানা গেছে, সেন্টমার্টিনেও বাতাসের গতিবেগ বেড়েছে, সঙ্গে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। আতঙ্কের মধ্যে আছেন দ্বীপে অবস্থানরত মানুষ।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, ‘দ্বীপে সাগর উত্তাল রয়েছে। সকাল থেকে আকাশে মেঘ থাকলেও বৃষ্টি ছিল না। বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাতাস শুরু হয়েছে। এ ছাড়া স্বাভাবিকের চেয়ে সাগরের পানির উচ্চতা বেড়েছে। তবে আমরা সতর্ক অবস্থায় আছি।’

টেকনাফ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ সাফকাত আলী বলেন, ‘মেডিক্যাল টিমসহ সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাছাড়া সাগর-নাফ নদের কারণে আমরা সেন্টমার্টিন ও শাহপরীর দ্বীপকে গুরুত্ব দিচ্ছি বেশি।’

শনিবার আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (ক্রমিক নম্বর-৭) বলা হয়, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। দুপুর ১২টায় এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৪৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।

আরও পড়ুন:
বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপটি এখন গভীর নিম্নচাপ
নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছের এলাকায় সাগর উত্তাল
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, সমুদ্রবন্দরগুলোতে সতর্ক সংকেত
লঘুচাপটি নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে
সাগরে গভীর নিম্নচাপ: ৩ নম্বর সংকেত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Unhealthy air in Dhaka during the holidays is the third lowest

ছুটির দিনে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস, নিম্ন মানে তৃতীয়

ছুটির দিনে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস, নিম্ন মানে তৃতীয় মানে সামান্য হেরফের হলেও অস্বাস্থ্যকর বাতাসের চক্রে ঘুরপাক খাচ্ছে ঢাকা। ফাইল ছবি
আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ দিনের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ১২ দশমিক ৯ গুণ বেশি।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও বাতাসের নিম্ন মানে প্রথম সারিতে রয়েছে ঢাকা।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানি আইকিউ এয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ সময় শনিবার সকাল ১০টা ১০ মিনিটে ১৫৭ স্কোর নিয়ে ১১৮টি শহরের মধ্যে বায়ুর নিম্ন মানে তৃতীয় ছিল ঢাকা।

একই সময়ে প্রথম ও তৃতীয় অবস্থানে ছিল গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের কিনশাসা ও ভারতের দিল্লি।

আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ দিনের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ১২ দশমিক ৯ গুণ বেশি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ সকাল ১০টা ১০ মিনিটে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১৫৭। এর মানে হলো ওই সময়টাতে নিঃশ্বাসের সঙ্গে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস নিতে হয় রাজধানীবাসীকে।

আরও পড়ুন:
ঢাকার বাতাস ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’
বৃষ্টির পর ঢাকার বাতাসের মানের উন্নতি
ছুটির দিনে বাতাসের নিম্ন মানে চতুর্থ ঢাকা
ঢাকার বাতাসের মান ‘মধ্যম’ পর্যায়ে
ঢাকার বাতাস ‘সহনীয়’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The temperature of Sylhet is breaking records every day

প্রতিদিনই রেকর্ড ছাড়াচ্ছে সিলেটের তাপমাত্রা, গরমে হাঁসফাঁস

প্রতিদিনই রেকর্ড ছাড়াচ্ছে সিলেটের তাপমাত্রা, গরমে হাঁসফাঁস ফাইল ছবি
সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মোহাম্মদ সজীব হোসেন বলেন, ‘দেশে সাধারণত মার্চ, এপ্রিল, মে ও জুন মাসে গরম বেশি থাকে। বৃষ্টি হলে এই সময়ে গরম কিছুটা কমে। তবে আগামী কয়েকদিন এরকম গরম থাকতে পারে।’

সিলেটজুড়ে বইছে মৃদু তাপপ্রবাহ। প্রতিদিনই রেকর্ড ছাড়াচ্ছে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের এই জনপদের তাপমাত্রা।

শুক্রবার বেলা ৩টায় সিলেটের তাপমাত্রা ছিলো ৩৭.৭ ডিগ্রি সেলিসিয়াস, যা চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে পারদ ওঠে ৩৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা মৌসুমের সর্বোচ্চ ছিল। একদিন পরই সে রেকর্ড ভেঙে তাপমাত্রা আরও বেড়ে যায়।

তাপমাত্রা বাড়ায় বেড়েছে গরমও। গত তিন-চারদিন ধরে টানা গরমে নগরবাসীর হাঁসফাঁস অবস্থা; বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষেরা রয়েছেন কষ্টে।

গত ১৬ মে ৩৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় সিলেটের তাপমাত্রা। তখন সেটিই ছিল মৌসুমের সর্বোচ্চ। তার পর থেকে ধারাবিহকভাবে বেড়ে চলছে এ জেলার পারদ।

সিলেটে গত ২ সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছে তাপপ্রবাহ। মাঝখানে সোমবার বৃষ্টি হলেও তাপমাত্রা কমার কোনো লক্ষণ নেই।

এদিকে গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে লোডশেডিং। ফলে অসহনীয় দুর্ভোগে পড়েছেন সিলেটবাসী।

শুক্রবার অফিস-আদালত ও স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া তেমন কেউ বাইরে সড়কে বের হননি। ফলে দুপুর পর্যন্ত নগরের সড়কগুলো ছিলো অনেকটাই ফাঁকা। তবে গরমের মধ্যে লোডশেডিংয়ের কারণে ঘরে থাকাও দায় হয়ে উঠেছে।

নগরের শিবগঞ্জ এলাকার গৃহিনী তাসনিম আক্তার বলেন, ‘বাচ্চাদের স্কুল বন্ধ থাকায় আজ বাইরে বের হতে হয়নি, কিন্তু রান্নাবান্না তো করতে হচ্ছে! এই গরমে ঘরে বসে থাকাই দায়; সেখানে চুলার কাছে গেলে তো মনে হয় শরীরে আগুন ধরে যাচ্ছে। এরইমধ্যে কিছুক্ষণ পরপর বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। ফলে ঘরে থাকারও উপায় নেই।’

নগরের কিন ব্রিজ এলাকায় রিকশা থামিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন চালক কায়সার আহমদ।

তিনি বলেন, ‘শীত-গরম যেটাই বাড়ুক, সবসময়ই মোদের রিকশা নিয়ে বের হতে হয়। নাহলে খাওয়া জুটবে না, কিন্তু এই গরমে রিকশা চালানো সম্ভব হচ্ছে না। তাই কিছুক্ষণ পরপর ছায়ায় বিশ্রাম নিয়ে নিচ্ছি।’

সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মোহাম্মদ সজীব হোসেন বলেন, ‘দেশে সাধারণত মার্চ, এপ্রিল, মে ও জুন মাসে গরম বেশি থাকে। বৃষ্টি হলে এই সময়ে গরম কিছুটা কমে। তবে আগামী কয়েকদিন এরকম গরম থাকতে পারে।’

তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
চুয়াডাঙ্গায় ফের তীব্র তাপপ্রবাহ, তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রিতে
সব বিভাগে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ
সুস্পষ্ট লঘুচাপটি রূপ নিল নিম্নচাপে, বন্দরে এক নম্বর সংকেত

মন্তব্য

p
উপরে