× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Approval of the new committee of Shabiprobi branch Chhatra League in Sylhet
google_news print-icon

প্রায় ১১ বছর পর শাবি ছাত্রলীগের নতুন কমিটি

প্রায়-১১-বছর-পর-শাবি-ছাত্রলীগের-নতুন-কমিটি
শাবি শাখা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির সভাপতি খলিলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সজিবুর রহমান। ছবি: নিউজবাংলা
নতুন কমিটিতে সাবেক পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক খলিলুর রহমানকে সভাপতি ও সাবেক উপদপ্তর সম্পাদক সজিবুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

প্রায় ১১ বছর পর সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবি) শাখা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার রাত ১২টার দিকে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন কমিটিতে সাবেক পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক খলিলুর রহমানকে সভাপতি ও সাবেক উপদপ্তর সম্পাদক সজিবুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এক বছর মেয়াদি ৪৪ সদস্যের কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়।

কমিটিতে মনোনীত অন্যদের মধ্যে সহসভাপতি পদে রয়েছেন মামুন শাহ, ফারহান রুবেল, তায়েফ হোসেন, ইশতিয়াক আহম্মেদ, নাজমুল হুদা শুভ, ইউসুফ হোসেন টিটু, মো. ইয়াসিন আহমেদ, সাজেদুল ইসলাম, রেজাউল হক সিজার, নাজমুল হাসান, আইরিন লিনজা, সৈয়দ মোতাহির আল হোসেন, সাইমন আক্তার, সামশেদ সিদ্দিকী সুমন, সাদ্দাম হোসেন পিয়াস, আদিল আহমেদ, সবুজ মিয়া, আরিফুল ইসলাম আরিফ, আকাশ তালুকদার, মো. মনসুর আলম নিরব, আশিকুর রহমান আশিক, শৈশব আহমেদ, হাবিবুর রহমান হাবিব, আল শাহরিয়া, সৈয়দ সাকিবুর রহমান ও আফসরো তাসনিমা ঋষিতা।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে জায়গা পেয়েছেন ইমামুল হোসেন হৃদয়, সুমন মিয়া, সাজ্জাদ হোসেন, আজিজুল ইসলাম সীমান্ত, জাফর উদ্দিন লাসিম, উজ্জ্বল মিয়া, উজ্জ্বল দাস চিনু ও সাবিহা সাইমুন পুষ্প।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রয়েছেন সাদাত আলম তালুকদার, নূরে আলম শ্রাবণ, লোকমান হোসেন, শাকিল হাওলাদার, আর কে রাকিব আহমেদ, ফারহান হোসেন চৌধুরী আরিয়ান, শুভ সাহা ও অমিত সাহা।

এর আগে ২০১৩ সালে শাবিতে ছাত্রলীগের সবশেষ কমিটি হয়েছিল।

২০১৩ সালের ৮ মে এক বছর মেয়াদি সাত সদস্যের কমিটি গঠন হয় শাবি ছাত্রলীগের। মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়ার দুই বছর পর ২০১৬ সালের ৮ মে কমিটিকে ১৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ করা হয়।

এরপর ২০২১ সালের ১৭ জুন এ কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এরপর থেকে শাবিতে ছাত্রলীগের কমিটি ছিল না।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Half of the electrical products in the market are counterfeit and unauthorized
এমডব্লিউবির গবেষণা

বাজারের ইলেক্ট্রিক্যাল পণ্যের অর্ধেকই নকল ও অনুমোদনহীন

বাজারের ইলেক্ট্রিক্যাল পণ্যের অর্ধেকই নকল ও অনুমোদনহীন ঢাবির মার্কেটিং বিভাগে শনিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গবেষণার তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে এমডব্লিউবি। ছবি: নিউজবাংলা
গবেষণায় উঠে এসেছে, দেশীয় কোম্পানিগুলো বাজারে ব্যাপকভাবে আধিপত্য বিস্তার করছে। যেহেতু দেশীয় কোম্পানিগুলোর প্রবৃদ্ধির হার অনেক বেশি, তাই আগামী দিনগুলোতে দেশীয় কোম্পানিগুলো বাজারে আরও বেশি আধিপত্য বিস্তার করবে বলে আশা এমডব্লিউবির।

বাংলাদেশে ইলেক্ট্রিক্যাল ও লাইটিং পণ্যের সম্মিলিত বাজারের আকার ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকার। এসব পণ্যের বাজার গত দুই দশক ধরে অব্যাহতভাবে বেড়ে চললেও এর অর্ধেক স্থান দখল করে আছে নন-ব্র্যান্ডেড অর্থাৎ নিম্নমানের নকল ও অনুমোদনবিহীন পণ্য।

ইলেক্ট্রিক্যাল ও লাইটিং পণ্যের ওপর মার্কেটিং ওয়াচ বাংলাদেশের (এমডব্লিউবি) করা একটি গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মার্কেটিং বিভাগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমডব্লিউবির করা গবেষণার তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরা হয়।

মার্কেটিং বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ও এমডব্লিউবির সহ-প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান ও আরেক সহ-প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসাইন সংবাদ সম্মেলনে গবেষণার ফলাফল ও দিকনিদেশর্না তুলে ধরেন।

এ সময় মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এবিএম শহীদুল ইসলাম ও আরেক শিক্ষক অধ্যাপক ড. রাজিয়া বেগম সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

এমডব্লিউবির পক্ষ থেকে জানানো জানানো হয়, এই গবেষণায় গুণগত (কোয়ালিটেটিভ) ও পরিমাণগত (কেয়ান্টিটেটিভ)- দুই পদ্ধতিই অনুসরণ করা হয়েছে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত এই গবেষণার জন্য সারা দেশের ২ হাজার ১৬ জন ব্যবহারকারী, ১০৩ জন খুচরা বিক্রেতা ও ৯৯ জন ইলেক্ট্রিশিয়ানকে নমুনা হিসেবে বেছে নেয়া হয়। এছাড়া ৫ জন বৈদ্যুতিক পণ্য বিশেষজ্ঞের সাক্ষাৎকারও নেয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এই গবেষণার আওতাধীন পণ্যগুলো ছিল- সুইচ, সকেট, হোল্ডার, মাল্টি-প্লাগ, সার্কিট ব্রেকার, মিটার ও বিভিন্ন হালকা পণ্য যেমন: এলইডি লাক্স, এলইডি টিউব, এলইডি প্যানেল, ব্র্যাকেট এলইডি, জিএলএস, অ্যানার্জি এফিশিয়েন্সি বাল্ব ও ইমার্জেন্সি লাইটিং।

প্রতিবেদন অনুসারে, এটি একটি বড় ও অপার সম্ভাবনাময় শিল্প। বর্তমানে দেশজুড়ে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার খুচরা বিক্রেতা এবং ২ হাজার ৫০০ উদ্যোক্তাসহ মোট ৫ লাখেরও বেশি মানুষ এই শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত। দুই ক্যাটাগরির পণ্যের সম্মিলিত বাজারের আকার সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে ইলেক্ট্রিক্যাল পণ্যের বাজার তিন হাজার ৩৭৫ কোটি এবং লাইটিং পণ্যের বাজার ২ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা।

গবেষণা বলছে, পণ্যের গড় প্রবৃদ্ধির হার যথাক্রমে ১২ শতাংশ ও ১৫ শতাংশ। যদি আগামী দিনগুলোতে এই প্রবৃদ্ধির হার অব্যাহত থাকে তাহলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এই খাতটি একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় বড় খাত হিসেবে আবির্ভূত হবে।

গবেষণায় উঠে এসেছে, এই বাজারের প্রায় অর্ধেকই নন-ব্র্যান্ডেড অর্থাৎ নিম্নমানের নকল ও অনুমোদনবিহীন পণ্য দখল করে আছে। তবে দেশীয় কোম্পানিগুলো বাজারে ব্যাপকভাবে আধিপত্য বিস্তার করছে।

যেহেতু দেশীয় কোম্পানিগুলোর প্রবৃদ্ধির হার অনেক বেশি, তাই আগামী দিনগুলোতে দেশীয় কোম্পানিগুলো বাজারে আরও বেশি আধিপত্য বিস্তার করবে বলে আশা এমডব্লিউবির। আর এজন্য তারা গ্রে-মার্কেটের কার্যক্রম হ্রাসে সরকারের তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করার আহ্বান জানায়।

গবেষণার ফল অনুযায়ী, দেশীয় কোম্পানিগুলোর মধ্যে সুপারস্টার গ্রুপ উভয় প্রকার পণ্যের ক্ষেত্রে বাজারে শীর্ষস্থান দখল করে আছে।

গবেষণার তথ্যানুসারে, ইলেক্ট্রিক্যাল ব্র্যান্ডেড পণ্যের মার্কেট শেয়ারে সুপারস্টার ২৯ শতাংশ, ওয়ালটন ১৭ শতাংশ, ক্লিক ১৭ শতাংশ, এনার্জি প্যাক ৯ শতাংশ, ওসাকা ৪ শতাংশ এবং ব্লিঙ্ক, এমইপি ও লাক্সারি প্রত্যেকে ৩ শতাংশ করে বাজার দখল করে আছে। অন্যদিকে, ব্রান্ডেড লাইটিং পণ্যের মার্কেট শেয়ারে সুপারস্টার ২৫.৫৯ শতাংশ, ক্লিক ১৩ শতাংশ, ওয়ালটন ১২ শতাংশ, ট্রান্সটেক ১০ শতাংশ, এনার্জি প্যাক ৮ শতাংশ ও ফিলিপস ৭ শতাংশ বাজার দখল করে আছে।

ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যাকসেসরিজ ও লাইটিং পণ্যে গুরুতর কী কী সমস্যা দেখা যায় সেসবও জানতে চাওয়া হয় গবেষণায় অংশ নেয়াদের কাছ থেকে।

সেই তথ্যানুসারে, ২৩ শতাংশ অংশগ্রহণকারী বলেছে, ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যাকসেসরিজের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সমস্যা লুজ কানেকশন। দ্বিতীয় প্রধান সমস্যা হলো ইলেক্ট্রিক্যাল শর্ট সার্কিট। ২০ শতাংশ অংশগ্রহণকারী এর পক্ষে মত দিয়েছেন।

বাকি সমসস্যগুলো হলো- ওয়ারেন্টি কার্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরপরই পণ্য ড্যামেজ হয়ে যাওয়া, ওভারহিটিং ইত্যাদি।

অন্যদিকে, লাইটিং পণ্যের ক্ষেত্রে প্রধান সমস্যা হলো- সময়ের সঙ্গে সঙ্গে লাইটের উজ্জ্বলতা কমে যাওয়া, লাইটের ক্ষণস্থায়ী জীবন, মিটমিট করা, অধিক বিদ্যুৎ গ্রহণ করা ও ওভারহিটিং।

এমডব্লিউবি বলছে, এই শিল্পের অগ্রগতির পেছনে মূলত গত ২৫ বছরে ব্যাপক বিদ্যুতায়ন, অব্যাহত জিডিপি প্রবৃদ্ধি, ক্রমবর্ধমান আয়, দ্রুত ও পরিকল্পিত নগরায়ন, গ্রামীণ উন্নয়ন ও সরকারের গৃহীত সমন্বিত উদ্যোগ নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে।

এই শিল্পের কী কী চ্যালেঞ্জ রয়েছে সেটিও তুলে ধরা হয়েছে গবেষণার ফল উপস্থাপনে। গ্রে-মার্কেটের আধিপত্য, অসম প্রতিযোগিতা, ব্যবহারকারীদের ব্র্যান্ডের পণ্য নিয়ে সচেতনতার অভাবসহ আরও বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা হয়।

দুর্দান্ত সম্ভাবনাময় এই শিল্পের প্রবৃদ্ধির জন্য সুপারিশ হিসেবে এমডব্লিউবির সহ-প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘গ্রে-মার্কেটের কার্যক্রম হ্রাসে সরকারের তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে, দেশীয় কোম্পানিগুলোকে উৎসাহিত করার জন্য সরকারের বিদ্যমান ট্যাক্স পদ্ধতির আমূল পরিবর্তন করতে হবে যাতে কোম্পানিগুলো কম ব্যয়ে পণ্যের কাঁচামাল আমদানি করতে পারে।

পাশাপাশি এ সমস্ত শিল্পের ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ গড়ে তোলার জন্য সরকার ও ব্যবসায়ীদের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা এবং জনগণের মধ্যে নিরাপদ ও মানসম্মত বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি ব্যবহারে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে বলেও উল্লেখ করেন অধ্যাপক মিজান।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Allegations against BCL for beating students in Rabi

রাবিতে শিক্ষার্থীকে মারধর করে হলছাড়া, অভিযোগ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে

রাবিতে শিক্ষার্থীকে মারধর করে হলছাড়া, অভিযোগ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। ইনসেটে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা আতিকুর রহমান আতিক। কোলাজ: নিউজবাংলা
ভুক্তভোগী সবুজ বিশ্বাস রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। অন্যদিকে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা আতিকুর রহমান আতিক হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি। অভিযুক্তদের মধ্যে অজ্ঞাতনামা আরও ৮-১০ জন ছাত্রলীগ কর্মী রয়েছেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলে এক ছাত্রকে বেধড়ক মারধর করে হলছাড়া করার অভিযোগ উঠেছে এক ছাত্রলীগ নেতাসহ কয়েক কর্মীর বিরুদ্ধে। মারধরের পাশাপাশি হিন্দু ধর্মাবলম্বী ওই শিক্ষার্থীকে ‘শিবির’ আখ্যা দিয়ে তাকে হত্যার হুমকি দেয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সবুজ বিশ্বাস এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার রাতে হল প্রাধ্যক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের এই শিক্ষার্থী বুধবার রাতে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হাতে নির্যাতনের শিকার হন।

অন্যদিকে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা আতিকুর রহমান আতিক হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি। অভিযুক্তদের মধ্যে অজ্ঞাতনামা আরও ৮-১০ জন ছাত্রলীগ কর্মী রয়েছেন। তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুর অনুসারী।

ভুক্তভোগী সবুজ বিশ্বাস অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, ‘১৬ মে রাত আনুমানিক ২টার দিকে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক ও তার ৮-১০ জন অনুসারী আমাকে কক্ষ থেকে বের করে হলের ছাদে নিয়ে বেধড়ক মারধর করে এবং শিবির আখ্যা দিয়ে হত্যার হুমকি দেয়।

‘পরবর্তীতে আমি সনাতন ধর্মাবলম্বী বলে জানালে আরও বেশি মারধর করে। আমি প্রাণ রক্ষার্থে দৌড়ে হল ত্যাগ করি। এ অবস্থায় নিরাপত্তা শঙ্কায় আমার পড়াশোনার সুষ্ঠু পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে আমি নিরাপত্তাহীনতার কারণে বাড়িতে অবস্থান করছি।’

নিউজবাংলার সঙ্গে কথোপকথনেও সবুজ বিশ্বাস অভিযোগ তুলে ঘটনার একই বর্ণনা দেন। এ সময় আবাসিক শিক্ষার্থী না হয়েও হলে অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার এক বড় ভাই আমাকে এই হলে তুলেছে। আমি রাজনীতির সাথে জড়িত না।’

তবে কোন বড় ভাই হলে তুলে দিয়েছেন তা জানাতে রাজি হননি এই শিক্ষার্থী।

অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রলীগ নেতা আতিকুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এসব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তাদের অপকর্ম লুকানোর জন্য আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ। আমি তাকে চিনি না। আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ প্রমাণ করতে পারলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব।’

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবু বলেন, ‘সোহরাওয়ার্দী হলের যে ঘটনা সেটি আমি জানার সঙ্গে সঙ্গে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলি। বিষয়টির সমাধান করে দেওয়া হয়েছে।

‘লিখিত অভিযোগ পুরোপুরি সত্যি নয়। সবুজ ওই হলের আবাসিক কোনো শিক্ষার্থী নয়। আবাসিকতা ছাড়া হলে থাকার কোনো প্রশ্নই আসে না।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সোহরাওয়ার্দী হলের প্রাধ্যক্ষ মো. জাহাঙ্গীর হোসেন নিউজবাংলা বলেন, ‘আমরা অভিযোগপত্র পেয়েছি। হল প্রশাসন থেকে দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলে তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two Siraj are contenders for the post of vice president of EB Chhatra League

ইবি ছাত্রলীগের এক সহসভাপতি পদের দাবিদার দুই সিরাজ

ইবি ছাত্রলীগের এক সহসভাপতি পদের দাবিদার দুই সিরাজ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ (বাঁয়ে) ও সিরাজুল ইসলাম। কোলাজ: নিউজবাংলা
কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সম্পাদক শেখ ইনানের স্বাক্ষরিত এ কমিটিতে সহ-সভাপতি পদে ক্যাম্পাসের ৭১ জন নেতাকে মনোনীত করা হয়।

দীর্ঘ ৮ বছর পর ঘোষিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রলীগের কমিটিতে সহসভাপতির এক পদ নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে।

গত ১০ মে রাতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ১৯৯ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ ওই কমিটি গঠন করা হয়। কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সম্পাদক শেখ ইনানের স্বাক্ষরিত এ কমিটিতে সহ-সভাপতি পদে ক্যাম্পাসের ৭১ জন নেতাকে মনোনীত করা হয়।

তবে কমিটি ঘোষণার পর পরই সহ-সভাপতি পদ পেয়েছেন দাবি করে সিরাজ নামের দুজন সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেন। এ নিয়ে তৈরি হয় বিভ্রান্তি।

জানা যায়, কেন্দ্র ঘোষিত ১৯৯ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ৬৬ নম্বর সহ-সভাপতি পদটি দেয়া হয় সিরাজুল ইসলাম সিরাজ নামের ব্যাক্তিকে। তবে এই পদটি নিজের বলে দাবি একই নামের দুজন ব্যক্তি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেকে নেতা বলে ওই দুজনের দাবির পাশাপাশি কর্মীরাও জানিয়েছেন উভয়কেই প্রাণঢালা অভিনন্দন।

সহ-সভাপতি দাবিদারদের একজন হলেন বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। অপরজন হলেন কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সিরাজুল ইসলাম।

পদের দাবিদার বায়োটেকনোলজি বিভাগের সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, আমার নাম সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। যে পদ দাবি করছে তার নামের সাথে পদের মিল নাই। পূর্বে হল পোস্টে আমার নাম আর নাম্বার দেয়া আছে। জয় ভাই আমাকে আমার পদ বলে নিশ্চিত করেছেন। সক্রিয় কর্মী হিসেবে সবাই আমাকে চেনে এবং জানে। অন্য একজন কেন পদ দাবি করছে বুঝতেছি না।

সিএসই বিভাগের সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি শাখা ছাত্রলীগের ১ নম্বর সহ-সভাপতি তন্ময় সাহা টনি ভাইয়ের কর্মী। উনি আমাকে আমার পদের ব্যাপারে নিশ্চিত করেছেন। আরেকজন যিনি পদ দাবি করছেন, আমার জানামতে তার ছাত্রত্ব শেষ হয়েছে ২০২১ সালে। তাহলে ২৪ সালে এসে কীভাবে কমিটিতে পদ পায় তা আমারও প্রশ্ন।

শাখা ছাত্রলীগের ১ নম্বর সহ-সভাপতি তন্ময় সাহা টনি বলেন, শাখা ছাত্রলীগের নেতারা আমাদের কারো সাথে আলোচনা বা সমন্বয় না করেই পছন্দমত কমিটি জমা দেয়ায় আমরাও আমাদের কর্মীদের মূল্যায়নের স্বার্থে কয়েকজনের নাম কেন্দ্রে জমা দেই। আমি যে সিরাজুলের নাম দিয়েছি, বিভ্রান্তি দূর করার জন্য ওর নামের পাশে নিকনেম হিসেবে সিরাজ দিয়েছিলাম। কিন্তু এটাও যে আরেকজনের সাথে মিলে যাবে তা আমি বুঝতে পারি নাই।

তিনি আরও বলেন, শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সেক্রেটারি যার কথা বলছে সে ক্যাম্পাসে থাকেও না, রাজনীতিতেও সক্রিয় নয়। শেষ কবে এসে মিছিল মিটিং করেছে তা খোঁজ নিয়ে দেখা প্রয়োজন। যেহেতু কেন্দ্রীয় নেতারা কমিটির অনুমোদন দিয়েছে, এই বিভ্রান্তি তারাই দূর করতে পারবে। আমরা তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করি।

এ বিষয়ে রাতে পুনরায় সিএসই বিভাগের সিরাজুল ইসলামকে ফোন দেয়া হলে তিনি সহ-সভাপতি তন্ময় সাহা টনিকে দিয়ে কথা বলান। সে সময় সহ-সভাপতি টনি একই কথা বলেন।

৬৬ নম্বর সহ-সভাপতি পদটি বায়োটেকনোলজি বিভাগের সিরাজুল ইসলাম সিরাজের বলে নিশ্চিত করে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয় বলেন, এখানে বিভ্রান্তি তৈরি হলেও আমি বিষয়টি পরিষ্কার করে দিয়েছি। সভাপতি সেক্রেটারির বাইরে যেয়ে কেন্দ্রে কারো নাম প্রস্তাব করার কোন সুযোগ নেই। যার সাথে যার সম্পর্ক ভালো তার কাছে হয়তো সুপারিশ বা অনুরোধ করতে পারে কিন্তু কমিটি প্রস্তাবনার এখতিয়ার একমাত্র আমাদের।

পদপ্রাপ্ত সিরাজের রাজনীতিতে সক্রিয়তার ব্যাপারে জানতে চাইলে জয় বলেন, যে পদ পেয়েছে সে ক্যাম্পাসে আছে, পড়াশোনা করছে। সবাই তো সব সময় ক্যাম্পাসে থাকে না, পারিবারিক কারণে বাসায়ও যায়। কে কি বললো সেসবের চেয়ে এতদিন পর সর্বজন গৃহীত একটা সুন্দর কমিটি হয়েছে, এটাই গুরুত্বপূর্ণ।

শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত বলেন, সহসভাপতি পদটি মূলত বায়োটেকনোলজি বিভাগের যে সিরাজের। ওর পদটা শাখা ছাত্রলীগের সেক্রেটারি দিয়েছে। নামের পাশে বিভাগ বা সেশন উল্লেখ না থাকায় এই জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। আমরা পদধারী প্রত্যেকের জন্য চিঠি পাঠাব। আসন্ন অনুষদ ও হল কমিটিতে প্রয়োজনবোধে নামের পাশে বিভাগ বা সেশন উল্লেখ রাখব।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম পান্থ বলেন, ইবি ছাত্রলীগের সব নেতা-কর্মীকে তো আমরা চিনি না। ওই পদের বিষয়ে কেন্দ্র থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ভালো বলতে পারবেন।

শাখা ছাত্রলীগের ১ নম্বর সহ-সভাপতি তন্ময় সাহা টনির বক্তব্যের সূত্র ধরে কমিটিতে নাম প্রস্তাবনার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যে কেউই প্রস্তাবনা দিতে পারেন যে এই নামে একটি ছেলে আছে, সে ভালো কি মন্দ, তাকে কমিটিতে রাখা যায় কি না। নাম প্রস্তাব দেয়া আর কমিটিতে রাখা তো এক কথা নয়। যেখানে সভাপতি, সেক্রেটারি আছে সেখানে ১ নাম্বার সহ-সভাপতি কে? যেকোনো বিষয়ে তাদের সাথে কথা বলবেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Body of missing school student found in Chabir Jharna

চবির ঝরনায় নিখোঁজ স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

চবির ঝরনায় নিখোঁজ স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার প্রাণ হারানো জুনায়েদ হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর লিটন মিত্র বলেন, ‘প্রায় প্রতি বছরই এখানে দুই একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। এ এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে। সেখানে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ‘নিষিদ্ধ’ ঝরনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সে নিখোঁজ হয়। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে।

প্রাণ হারানো জুনায়েদ হোসেন (১৩) হাজী মহসিন উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝরনা থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। আমরা মরদেহটি হাটহাজারী মডেল থানায় পাঠিয়েছি।’

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চট্টগ্রাম শহরের প্রবর্তক বিদ্যালয় ও হাজী মহসিন বিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীদের একটি দল ঘুরতে যায় চবিতে। দুপুর ১২টার দিকে তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝরনায় গোসল করতে নামে। কিছুক্ষণ পর থেকে তাদের একজন কে খুঁজে পাওয়া যায় না, তখন অন্যান্যরা মিলে ঝরনা ও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করেও জুনায়েদকে পান না।

পরবর্তীতে তার বড় ভাই ও বাবা ক্যাম্পাসে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জুনায়েদের নিখোঁজ হওয়ার কথা জানান। সন্ধ্যা ৬টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঝরনায় খোঁজাখুঁজি শুরু করে। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর ডুবে যাওয়া স্কুলছাত্র জুনায়েদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত জুনায়েদের বন্ধু ইকরাম হসেন রিমন বলে, ‘আমরা দুই স্কুলের বন্ধুরা মিলে প্রায় ১৪ থেকে ১৫ জন ঘুরতে আসি। ১২টার দিকে ঝরনায় গোসল করতে নামে সবাই। আমি ড্রেস চেঞ্জ করে সবার শেষে পানিতে নামি। তখন জুনায়েদকে না দেখে জিজ্ঞেস করলে অনেকেই বলে আশেপাশে আছে হয়তো। পরে অনেকক্ষণ খুঁজে না পেয়ে আমরা চলে যাই।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর লিটন মিত্র বলেন, ‘বাচ্চাটি দুপুরে নিখোঁজ হয়, কিন্তু তার বন্ধুরা আমাদের কিছু জানায়নি। বিকেলের দিকে তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানায়। আমরা দ্রুত ফায়ার সার্ভিসে কল দিলে তারা এসে ঝরনায় খোঁজাখুঁজি শুরু করে। আড়াই ঘণ্টা অভিযানের পর তার মরদেহটি খুঁজে পাওয়া যায়।’

তিনি বলেন, ‘প্রায় প্রতি বছরই এখানে দুই একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। এ এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে। সেখানে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
চবিসাসের ৭ পদে নির্বাচন বুধবার
চবিতে ভর্তিযুদ্ধ শুরু শনিবার, আসনপ্রতি প্রার্থী ৪৯
ভর্তি পরীক্ষার আয়-ব্যয়ের হিসাব সাধারণ শিক্ষকরা জানেন না
চবিতে দফায় দফায় সংঘর্ষ: কঠোর ব্যবস্থা নিতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী
ধর্ষণচেষ্টায় অভিযুক্ত চবি শিক্ষককে অপসারণের সিদ্ধান্ত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Kubi student temporarily expelled for insulting religion

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে কুবি শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে কুবি শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। ফাইল ছবি
এ ঘটনায় স্বপ্নীলকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রোভার স্কাউট থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।

মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি ও ইসলাম ধর্ম অবমাননার দায়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ বর্ষের শিক্ষার্থী স্বপ্নীল মুখার্জিকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর আগে তার কাছে ধর্ম অবমাননার কারণ ব্যাখ্যা চেয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত স্বপ্নীলকে সাময়িক বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. আমিরুল হক চৌধুরী। রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তিতে নিউজবাংলার হাতে এসেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী স্বপ্নীল মুখার্জীকে গত ১৫ মে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসলাম ধর্মের অবমাননা ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটুক্তি করার বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়। কিন্তু নোটিশের জবাব প্রদান না করায় কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হলো।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকে বিভিন্ন সময়ে স্বপ্নীলের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটুক্তির অভিযোগ উঠেছে। প্রথমে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার সহপাঠী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ ঝাড়েন। পরে এ নিয়ে গত বুধবার শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করে প্রক্টর বরাবর তাকে স্থায়ী বহিষ্কারের আবেদন জানান।

স্বপ্নীলের বাড়ি যশোর জেলার কেশবপুরে। সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ, বাংলাদেশের কার্যনির্বাহী সংসদ ২০২৩-২৪ এর প্রচার সম্পাদক তিনি।

এ ঘটনায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রোভার স্কাউট থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
EB Chhatra League editors plate rotting meat shop closed

ইবি ছাত্রলীগ সম্পাদকের প্লেটে পচা মাংস, দোকান বন্ধ

ইবি ছাত্রলীগ সম্পাদকের প্লেটে পচা মাংস, দোকান বন্ধ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে থাকা খাবার হোটেল; সেখানে পাওয়া মাংসের নমুনা। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
ক্যাম্পাসের ভেতরে দোকানটিতে দুপুরে খাবার খেতে বসেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয়। কিন্তু তাকে পরিবেশন করা রোস্টটি বাসি বলে অভিযোগ তার। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দোকানটি বন্ধ করে দেয়।

ক্যাম্পাসের ভেতরে দোকান থাকলেও রান্না হতো বাইরে। বাইরের সেই কিচেন থেকে প্রতিদিন বিরিয়ানি ও খিচুড়ি রান্না করে এনে বিক্রি করা হতো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) জিয়া মোড়ে অবস্থিত ঢাকা বিরিয়ানী হাউজে। তবে অবিক্রীত মুরগির মাংস ও রাইস পরদিন গরম করে আবারও শিক্ষার্থীদের খাওয়ানো হতো- এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে দোকানটির বিরুদ্ধে।

বুধবার বিকেল ৫টার দিকে পচা খাবার পরিবেশনের অভিযোগে দোকানটি প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এ সময় প্রক্টরিয়াল বডির মধ্যে সহকারী প্রক্টর ড. মো. আমজাদ হোসেন, মো. ইয়ামিন মাসুম, মো. নাসির মিয়া ও নিরাপত্তা শাখার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দোকানটিতে দুপুরে খাবার খেতে বসেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয়। খাবারের মেনুতে ছিল মোরগ-পোলাও। খাবার খাওয়ার সময় পরিবেশিত রোস্টটি বাসি বলে অভিযোগ তার।

দোকান কর্তৃপক্ষ বিষয়টি স্বীকার করে নিয়ে বলেন, বাবুর্চি ভুল করে দিয়ে দিয়েছেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে জয় এ ঘটনার সঠিক বিচার দাবি করেন। তবে এর আগেও পচা-বাসি পরিবেশন করা হয়েছে এমন অভিযোগ অন্য অনেক সাধারণ শিক্ষার্থীর।

ইবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জয় বলেন, ‘এই দোকান থেকে প্রতিদিন ক্যাম্পাসের দুই থেকে আড়াই হাজার শিক্ষার্থী খাবার নিচ্ছে। তাদের সবার সঙ্গে এই অন্যায়টা হচ্ছে। এমন অনেক শিক্ষার্থী আছে যারা খাওয়া-দাওয়া করে এ অন্যায়টুকু মেনে নিয়ে চলে যায়। কিন্তু আমি একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে প্রতিবাদ করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি চাই সাংবাদিক, সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি এবং প্রশাসনসহ এ বিষয়ে বসে সবার সামনে কথা দোকানি কথা দেবে যে, তারা শিক্ষার্থীদের ভালো খাবার খাওয়াবে, শিক্ষার্থীদের ঠকাবে না। তারপর তাদের ব্যবসা পুনরায় শুরু করতে পারবে।’

ঘটনাস্থলে থাকা জাকারিয়া নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘এটি ক্যাম্পাসের ভেতরে প্রথম বিরিয়ানির দোকান। প্রথম দিকে খাবারের মান ভালো থাকায় এবং দামে সাশ্রয়ী হওয়ায় অনেকেই এখানে ভিড় করতো। তবে দিন দিন খাবারের মান কমতে থাকে, শিক্ষার্থীও আসা কমে যায়। এরপর অতিরিক্ত লাভের আশায় তারা হয়তো পচা তরকারি পুনরায় বিক্রি করত।’

এ বিষয়ে দোকানের কর্মচারী বাবুর্চির ওপর দোষ চাপিয়ে বলেন, ‘একজন শিক্ষার্থী খাবার খেতে আসলে তার প্লেটে যে খাবারটা দেয়া হয়েছিল তাতে একটু সমস্যা ছিল। কিন্তু এ ব্যাপারে আমি জানতাম না। এদিকে বাবুর্চি হয়তো আগের খাবারের সাথে নতুন খাবার মিক্স করে দিয়েছিল। বাবুর্চি ভুল করে থাকলে দোকানের কর্মচারী হিসেবে এতে আমার কিছু করার থাকে না।’

সার্বিক বিষয়ে সহকারী প্রক্টর মো. ইয়ামিন মাসুম বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের স্বার্থে খারাপ খাবারের বিষয়টি বিবেচনা করে আমরা সাময়িক দোকানে তালা লাগিয়ে দিয়েছি। পরবর্তীতে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
ইবিতে শিক্ষকের সামনেই পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ নিরাপত্তাকর্মীর বিরুদ্ধে
অধ্যাপক ছাড়াই চলছে ইবির ৩৬ বিভাগের ১৪টি
ইবি উপাচার্যকে ব্যতিক্রমী ঘুষের প্রস্তাব
সরকারি চাকুরেদের সম্পদের তথ্য জমা বাতিল হলে দুর্নীতি বাড়বে
যৌন হয়রানি: নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক বহিষ্কার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Allegation of receiving honorarium against Kubi vice chancellor and treasurer

কুবি উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালন না করে সম্মানী নেয়ার অভিযোগ

কুবি উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালন না করে সম্মানী নেয়ার অভিযোগ কুবি উপাচার্য ড. এএফএম. আবদুল মঈন ও কোষাধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। কোলাজ: নিউজবাংলা
কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘তোমার কাছে ভুল তথ্য আছে। আমি অফিস করেছি, স্বাক্ষরও করেছি।’

গুচ্ছের ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় কেন্দ্রে না এসে সম্মানী নেয়ার অভিযোগ উঠেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএফএম. আবদুল মঈন ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে। শিক্ষকদের অভিযোগ, তারা ক্ষমতা অপব্যবহার করে এ সম্মানী নিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ১০ মে গুচ্ছভুক্ত ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) কেন্দ্রের সার্বিক দিক দেখার অংশ হিসেবে উপাচার্যকে ১৫ হাজার টাকা ও কোষাধ্যক্ষকে ১২ হাজার টাকা সম্মানী দেয়া হয়েছে।

শিক্ষকদের অভিযোগ, উপাচার্য-কোষাধ্যক্ষ্ষ তাদের কেউই ওই দিন ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্রের সার্বিক চিত্র দেখার জন্য ভর্তি পরীক্ষার কক্ষ পরিদর্শনে যাননি। তারা ওই দিন কুবি উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ ভিসি বাংলোতে ছিলেন।

এর আগে গত ২৭ এপ্রিল ‘এ’ ইউনিট এবং ৩ মে ‘বি’ ইউনিটের সার্বিক চিত্র দেখতে ক্যাম্পাসে গিয়েছিলেন তারা।

এ বিষয়ে ‘সি’ ইউনিটের কুবির অর্থ কমিটির সদস্য সচিব শুভ্র ব্রত সাহা জানান, সদস্য সচিব হিসেবে তিনি তার দায়িত্ব পালন করেছেন। বিস্তারিত জানতে হলে, প্রতিবেদককে ওই কমিটির আহ্বায়কের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

দায়িত্ব পালন না করে কীভাবে উপাচার্য-কোষাধ্যক্ষ সম্মানী নিলেন এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে অর্থ কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ‘ভিসি বাংলো ক্যাম্পাসের অন্তর্ভুক্ত। আমি অর্থ কমিটির দায়িত্বে ছিলাম, কিন্তু অর্থ বণ্টন করে অর্থ দপ্তর। এতগুলো মানুষের টাকা এক ঘণ্টার মধ্যে বণ্টন করা সম্ভব না বিধায় পরীক্ষা শুরুর আগে থেকেই বণ্টন করা হয়েছে। অর্থ বণ্টনের পর উপাচার্য-কোষাধ্যক্ষ স্যার কেন্দ্রে আসছেন কিনা আমার জানা নাই।’

অর্থ দপ্তরের উপ-পরিচালক মো. নাছির উদ্দিন বলেন, ‘উপাচার্য স্যার বাংলোতে ছিলেন। আমি শুধু আমার দায়িত্ব পালন করেছি। এর বেশি কিছু বলতে পারব না।’

ভর্তি পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক ও ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আহসান উল্ল্যাহ বলেন, ‘ভিসি আর ট্রেজারার স্যার বাংলোতে ছিলেন। তারা আমার সাথে ছিলেন না, তবে উপ-উপাচার্য স্যার সার্বক্ষণিক আমার সাথে ছিলেন। আমার সঙ্গে বিভিন্ন দপ্তরেও গিয়েছেন।’

উপাচার্য-কোষাধ্যক্ষ কেন ক্যাম্পাসে আসেননি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘উনারা টপ লেভেলের লোক। কেন আসেননি তা আমি জানি না। উনাদের সঙ্গে কথা বলেন। তারা আমাদের নির্দেশ দেয়, সেই অনুযায়ী আমরা কাজ করি। এখন তারা ক্যাম্পাসে আসছে কিনা সেটা তারা ভালো বলতে পারবে।’

কুবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী হাসান বলেন, ‘সে (কুবি উপাচার্য) সারা দেশের গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষা কমিটির কোষাধ্যক্ষের দায়িত্বে আছেন বলে জানি, তবে সে জায়গা থেকে ন্যূনতম দায়িত্ববোধ মনে না করে অর্থনৈতিক সুবিধা নিলেন অনিয়মের মাধ্যমে।’

এ বিষয়ে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘তোমার কাছে ভুল তথ্য আছে। আমি অফিস করেছি, স্বাক্ষরও করেছি।’

কোষাধ্যক্ষ অফিসের সেকশন অফিসার নমিতা পাল বলেন, ‘যতক্ষণ আমি অফিসে ছিলাম স্যারকে দেখি নাই। এরপর আমি পরীক্ষার ডিউটিতে চলে যাই। পরীক্ষা শেষে বাংলোতে গেলেও স্যারকে পাইনি।’

উপাচার্যের পিএস টু ভিসি হোসাইন মোরশেদ ফরহাদ বলেন, ‘স্যার ক্যাম্পাসে আসেন নাই, তবে বাংলোতে ছিলেন।’

কেন আসেননি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হয়ত মন-মানসিকতা ভালো নাই। এ ধরনের কাজকর্ম চললে সবার তো মন-মানসিকতা খারাপ থাকতেই পারে।’

সার্বিক বিষয়ে জানতে কুবি উপাচার্য অধ্যাপক এএফএম আবদুল মঈনের ফোনে একাধিকবার কল করলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি ভিসি বাংলোতে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
গুচ্ছের ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় কুবিতে উপস্থিত ৮৭%
উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে কুবি শিক্ষকদের অবস্থান দ্বিতীয় দিনে
পাহাড় কেটে কুবি প্রক্টরের রেস্তোরাঁ!
বিশ্ববিদ্যালয় খুলে ক্লাস-পরীক্ষা চালুসহ ৫ দাবি কুবি শিক্ষার্থীদের
কুবির কেন্দ্রে এক টেবিলে ১৮ ভর্তিচ্ছু

মন্তব্য

p
উপরে