× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The officer was attacked while trying to rescue the forest land
google_news print-icon

বনের জমি উদ্ধারে গিয়ে হামলায় কর্মকর্তা হাসপাতালে

বনের-জমি-উদ্ধারে-গিয়ে-হামলায়-কর্মকর্তা-হাসপাতালে
দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভূমিদস্যুদের হামলার শিকার বন কর্মকর্তা খাইরুল আলম। ছবি: নিউজবাংলা
আহত খাইরুল আলম বলেন, ‘বনের জমি দখলমুক্ত করতে গেলে তারা আমাদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। এক পর্যায়ে লাঠিসোটা নিয়ে আমার উপর হামলা করেন।’

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ বনের জমিতে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করতে গিয়ে স্থানীয়দের হামলার শিকার হয়েছেন খাইরুল আলম নামে এক বন কর্মকর্তা। বর্তমানে তিনি দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নবাবগঞ্জ উপজেলার মালিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নবাবগঞ্জ বনবিভাগে কর্মরত মোকারম হোসেন বলেন, ‘মালিপাড়া এলাকায় বাবলু নামে একজন অবৈধভাবে বনের জমি দখল করে ইটের দেয়াল করছিলেন। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেয়াল অপসারণ করে রওয়ানা দিয়েছি। হঠাৎ বাবলু তার পরিবারের সদস্যরাসহ ১০ থেকে ১৫ জন মিলে লাঠিসোটা নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করেন।

‘এতে মাথা, হাত ও পায়ে আঘাত পান কর্মকর্তা খাইরুল আলম। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’

আহত খাইরুল আলম বলেন, ‘বনের জমি দখলমুক্ত করতে গেলে তারা আমাদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। এক পর্যায়ে লাঠিসোটা নিয়ে আমার উপর হামলা করেন।’

দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের ইনডোর মেডিক্যাল অফিসার ডা. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘বন কর্মকর্তা খাইরুল আলমের মাথার ডান দিকে আঘাত লেগেছে। পাশাপাশি বাম পা ও হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমরা প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা দিয়েছি। কয়েকটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বিস্তারিত জানা যাবে।’

চোরকাই রেঞ্জের বন কর্মকর্তা নিশিকান্ত মালাকার বলেন, ‘একদল ভূমিদস্যু বিভিন্ন উপায়ে বনের জায়গা দখল করে ঘরবাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করে থাকে। সেগুলো দখলমুক্ত করতে গিয়ে বারবার হামলার শিকার হচ্ছি আমরা। আজকে খাইরুল আলমের সঙ্গেও এমনটা হয়েছে।

‘আমরা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ওসির সঙ্গে কথা বলেছি। এ ঘটনায় আমরা মামলা করব।’

আরও পড়ুন:
শাসন করায় ছাত্র-অভিভাবকদের হামলা, প্রধান শিক্ষকসহ আহত ৫
অফিস সহকারীকে কক্ষ পরিদর্শনে রেখে বনভোজনে শিক্ষক, খাতা উধাও
পুলিশের ওপর মৌলভীবাজার যুবলীগ ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Punishment of women for filing false rape cases

মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করায় নারীর শাস্তি

মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করায় নারীর শাস্তি ছবি: নিউজবাংলা
২০১৮ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৭ ধারায় আমেনা বেগমের বিরুদ্ধে শাহীনুজ্জামান বাবু বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলার পর থেকে আসামি আমেনা বেগম পলাতক রয়েছেন।

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করায় আমেনা বেগম নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। সেইসঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, যা অনাদায়ে আরও মাস সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাকে।

সোমবার বিকেলে আসামির অনুপস্থিতিতে মানিকগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বেগম তানিয়া কামাল এই রায় ঘোষণা করেন।

৩৯ বছর বয়সী আমেনা বেগম নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ভূপাড়া এলাকার মোহাম্মদ আরিফ হোসেনের স্ত্রী। কাজের সুবাদে তিনি শিবালয়ের টেপড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

ভুক্তভোগী শাহীনুজ্জামান বাবু শিবালয়ের শিবরামপুর এলাকার বাসীন্দা।

মামলার এজহারে বলা হয়, ২০১৭ সালের ২৬ মে শাহীনুজ্জামান বাবুকে আসামি করে শিবালয় থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ মামলা করেন আমেনা বেগম। এরপর ২০১৭ সালের ৯ জুন অভিযুক্ত শাহীনুজ্জামান বাবুকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। চার মাস কারাভোগের পর শাহীনুজ্জামান জামিনে বের হন।

পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগটি তদন্ত করেন এবং অভিযোগের বিষয়ে কোসো সত্যতা ও স্বাক্ষী না পাওয়ায় অভিযোগটি মিথ্যা বলে ট্রাইব্যুনালে চার্জশিট দাখিল করেন। একইসঙ্গে মামলার বাদী আমেনা বেগমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৭ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন।

পরে ২০১৮ সালের ২৩ জানুয়ারি মামলাটি খারিজ করেন বিচারক। এরপর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৭ ধারায় আমেনা বেগমের বিরুদ্ধে শাহীনুজ্জামান বাবু বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলার পর থেকে আসামি আমেনা বেগম পলাতক রয়েছেন।

মামলায় ৫ জনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বেগম তানিয়া কামাল আমেনা বেগমকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

রায়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি একেএম নুরুল হুদা রুবেল সন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে আসামি পক্ষের আইনজীবীর নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি এবং এ বিষয়ে তার মতামত জানাও সম্ভব হয়নি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rule on cancellation of bail of 7 people including Major Mannan
অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের মামলা

মেজর মান্নানসহ ৭ জনের জামিন বাতিল প্রশ্নে রুল

মেজর মান্নানসহ ৭ জনের জামিন বাতিল প্রশ্নে রুল
মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে মেসার্স টেলিকম সার্ভিস এন্টারপ্রাইজের রাজিয়া সুলতানার নামে বিআইএফসি থেকে ৯ কোটি ৭৭ লাখ ৯৪ হাজার ৮৯২ টাকা ঋণ মঞ্জুর ও বিতরণ দেখিয়ে তা আত্মসাৎ করেন।

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও বিকল্প ধারা বাংলাদেশের সাবেক মহাসচিব মেজর (অব.) আব্দুল মান্নানসহ সাতজনকে বিচারিক আদালতের দেয়া জামিন কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

তাদের জামিন বাতিল চেয়ে দুদকের আনা আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

এ মামলায় বিচারিক আদালতে জামিন পাওয়া অন্যরা হলেন- বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্সিয়াল কোম্পানি লিমিটেডের (বিআইএফসি) সাবেক পরিচালক আ ন ম জাহাঙ্গীর, রইস উদ্দিন, রোকেয়া ফেরদৌস, ডিএমডি ইনামুর রহমান, পরিচালক এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ ফখরে ফয়সল।

২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর দুদকের উপ-পরিচালক আব্দুল মাজেদ দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে মেসার্স টেলিকম সার্ভিস এন্টারপ্রাইজের রাজিয়া সুলতানার নামে বিআইএফসি থেকে মোট ৯ কোটি ৭৭ লাখ ৯৪ হাজার ৮৯২ টাকা ঋণ মঞ্জুর ও বিতরণ দেখিয়ে টাকা স্থানান্তর ও রূপান্তর ঘটিয়ে আত্মসাৎ করেন।

এ মামলায় ৭ মার্চ মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ তাদের জামিন দেন। পরে জামিন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করে দুদক।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Writ seeking search of former IGP Benazirs assets

সাবেক আইজিপি বেনজীরের সম্পদ অনুসন্ধান চেয়ে রিট

সাবেক আইজিপি বেনজীরের সম্পদ অনুসন্ধান চেয়ে রিট ফাইল ছবি
রিট পিটিশনার বলেন, প্রকাশিত ওই সংবাদের বিষয়ে অনুসন্ধান চেয়ে ৪ এপ্রিল দুদকের কাছে আবেদন করা হয়। এতে ফল না পেয়ে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ১৮ এপ্রিল দুদক বরাবর আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। এর কোনো জবাব না পেয়ে অনুসন্ধানের নির্দেশনা চেয়ে রিটটি করা হয়েছে।

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের সম্পদের বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের আলোকে তা অনুসন্ধানের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন করা হয়েছে।

‘বেনজীরের ঘরে আলাদীনের চেরাগ’ ও ‘বনের জমিতে বেনজীরের রিসোর্ট’ শিরোনামে একটি দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিষয়ে অনুসন্ধান করতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রতি নির্দেশনা চায়া হয়েছে রিটে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. সালাহ উদ্দিন রিগ্যান আবেদনকারী হিসেবে রিটটি করেন। রিট দায়েরের বিষয়টি সোমবার আইনজীবী মো. সালাহ উদ্দিন রিগ্যান সাংবাদিকদের জানান।

রিট পিটিশনার বলেন, প্রকাশিত ওই সংবাদের বিষয়ে অনুসন্ধান চেয়ে ৪ এপ্রিল দুদকের কাছে আবেদন করা হয়। এতে ফল না পেয়ে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ১৮ এপ্রিল দুদক বরাবর আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। এর কোনো জবাব না পেয়ে অনুসন্ধানের নির্দেশনা চেয়ে রিটটি করা হয়েছে।

সালাহ উদ্দিন রিগ্যান বলেন, বলছি না বেনজীর আহমেদ অবৈধভাবে বা দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পদ অর্জন করেছেন বা করেননি। তবে প্রতিবেদনের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য অনুসন্ধান হওয়া উচিত। কারণ, প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী জনগণ মনে করেন, পুলিশের সাবেক আইজিপি অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন করেছেন।

তিনি বলেন, দুদক অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দিলে এই বিষয়ে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হবে। আইন দুদককে স্বেচ্ছায় অনুসন্ধানের ক্ষমতা দিয়েছে।

চলতি সপ্তাহে হাইকোর্টে রিটের ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানান রিট পিটিশনার।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Husband sentenced to death for killing his wife in Naogaon

নওগাঁয় গৃহবধূ হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

নওগাঁয় গৃহবধূ হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড নওগাঁর নিয়ামতপুরে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে সালাউদ্দিনকে সোমবার দুপুরে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত। ছবি: নিউজবাংলা
জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারপক্ষের কৌঁসুলি আবদুল খালেক বলেন, ‘আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।’

নওগাঁর নিয়ামতপুরে এক গৃহবধূকে হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ সোমবার দুপুরে এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সালাউদ্দিন ওরফে টনির (৩৫) বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার মুরাদপুর গ্রামে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারপক্ষের কৌঁসুলি আবদুল খালেক বলেন, ‘আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।’

আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিয়ামতপুর উপজেলার ধানসা গ্রামের আবু কালামের মেয়ে ২৪ বছর বয়সী তুকাজ্জেবার সঙ্গে ২০১৯ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার মুরাদপুর গ্রামের সালাউদ্দিনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সালাউদ্দিন তুকাজ্জেবার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন।

তুকাজ্জেবা স্বামী সালাউদ্দিনকে নিয়ে ২০২০ সালের ২৯ জুন বাবার বাড়ি নিয়ামতপুরের ধানসা গ্রামে বেড়াতে আসেন। পারিবারিক কলহের জেরে শ্বশুরবাড়িতে থাকা অবস্থায় ১ জুলাই সালাউদ্দিন তার স্ত্রী তুকাজ্জেবার গলায় কাঁচি দিয়ে খুঁচিয়ে গুরুতর জখম করেন।

ওই দিন সকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে তুকাজ্জেবা ও সালাউদ্দিনের ঘর থেকে চিৎকারের শব্দ পেয়ে তুকাজ্জেবার বাবা ও তার মা বাইরে থেকে ঘরের দরজা খোলার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে প্রতিবেশী রবিউল ইসলাম লাথি মেরে দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে তুকাজ্জেবাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পায়।

ওই সময় সালাউদ্দিনের হাতে কাপড় কাটার কাঁচি দেখতে পান তারা। পরে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তুকাজ্জেবাকে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান।

স্ত্রীকে আহত করে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন সালাউদ্দিনকে আটক করে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

মামলার বিবরণে আরও উল্লেখ করে বলা হয়, এ ঘটনায় নিহত তুকাজ্জেবার বাবা আবু কালাম বাদী হয়ে সালাউদ্দিনের নামে নিয়ামতপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ২০২২ সালের ২২ জুন আদালতে সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের মোট ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে আদালতে ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের দীর্ঘ সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় দোষী নওগাঁর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি শুনানি করেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারপক্ষের কৌঁসুলি পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবদুল খালেক। আসামিপক্ষে মামলাটির শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আতিকুর রহমান।

আবদুল খালেক বলেন, ‘সমস্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় বিচারক আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করেছেন। এ রায় হত্যা মামলার ক্ষেত্রে একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’

আরও পড়ুন:
ভাতিজিকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় চাচার মৃত্যুদণ্ড
সিএনজি চালককে হত্যার দায়ে ২ যুবকের মৃত্যুদণ্ড
নিরাপদ সড়কের দাবিতে চোখে কাপড় বেঁধে অবস্থান স্কুলছাত্রীর
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী নিহত, প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান
নওগাঁয় ঠিকাদারকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় অভিযুক্ত শান্ত গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The police rescued the dog after receiving information that it was pulling with the skeleton

কঙ্কাল নিয়ে টানাটনি করছিল কুকুর, খবর পেয়ে উদ্ধার পুলিশের

কঙ্কাল নিয়ে টানাটনি করছিল কুকুর, খবর পেয়ে উদ্ধার পুলিশের দেবিদ্বারের একটি ডোবা থেকে সোমবার কঙ্কাল উদ্ধার করে থানা পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
দেবিদ্বার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোক্তার হোসেন মল্লিক বলেন, ‘কুকুর কঙ্কালটি নিয়ে টানাটানি করার সময় স্থানীয়রা দেখে খবর দিয়েছে। খবর পেয়ে কঙ্কালটি উদ্ধার করতে আসি।’

কুমিল্লার দেবিদ্বারে ডোবা থেকে একটি কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার ধামতি ইউনিয়নের দুয়ারিয়া এলাকায় স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে সোমবার সকালে কঙ্কালটি উদ্ধার করা হয়।

ডেনিম প্যান্ট দেখে ধারণা করা হচ্ছে এটি কোনো পুরুষের কঙ্কালের।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা ডোবায় একটি কুকুরকে কঙ্কালটি নিয়ে টানাটানি করতে দেখে। পরে কুকুর তাড়িয়ে পুলিশকে খবর দিলে বাহিনীর সদস্যরা কঙ্কালটি উদ্ধার করে।

দেবিদ্বার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোক্তার হোসেন মল্লিক বলেন, ‘কুকুর কঙ্কালটি নিয়ে টানাটানি করার সময় স্থানীয়রা দেখে খবর দিয়েছে। খবর পেয়ে কঙ্কালটি উদ্ধার করতে আসি।

‘কঙ্কালটির পরনে জিন্স (ডেনিম) প্যান্ট দেখে পুরুষ মনে হচ্ছে। মাথা থেকে কোমর পর্যন্ত শুধু হাড় আছে। আর কোমর থেকে পা পর্যন্ত প্যান্ট ছিল, তবে মাংস পচে পোকা ধরেছে।’

কঙ্কালের পরিচয় শনাক্তের বিষয়ে এ কর্মকর্তা বলেন, ‘এখনও পরিচয় শনাক্ত হয়নি। মৃত্যুর কারণও জানা যায়নি, তবে পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন হবে। কারণ প্রায় মাসখানেক বা তার বেশি সময় ধরে পড়ে থাকায় হাত-পায়ের কোথাও মাংস নেই।

‘আর আঙুলের ছাপ নেয়ারও কোনো উপায় নেই। আমরা কঙ্কালটি কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। এই বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

আরও পড়ুন:
মুরাদনগরে আগুনে পুড়ল ১৪ দোকান
চান্দিনা পৌর ভবনের টাকা চুরির ঘটনায় লিখিত অভিযোগ
কুমিল্লায় যুবক হত্যায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড
ছোট হয়ে আসছে তাঁতের খাদির বাজার
বরুড়ায় ঘরে যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Uncle sentenced to death in case of murder after raping niece

ভাতিজিকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় চাচার মৃত্যুদণ্ড

ভাতিজিকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় চাচার মৃত্যুদণ্ড নাটোরের সিংড়ায় ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। ছবি: নিউজবাংলা
নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি আনিসুর রহমান জানান, ২০১৯ সালের ৪ আগস্ট ১৬ বছরের এক কিশোরী ও ছোট তার দুই ভাই-বোনকে বাড়িতে রেখে তাদের পরিবারের সদস্যরা পার্শ্ববর্তী পাকুয়া গ্রামে যায়। কিশোরীর ছোট দুই ভাই-বোন স্কুলে যাওয়ায় পর বাড়িতে কেউ না থাকায় তার আপন চাচা শাহাদত বাড়িতে প্রবেশ করেন এবং ভাতিজিকে ধর্ষণ করেন।

নাটোরের সিংড়ায় নিজ ভাতিজিকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম সোমবার দুপুরে এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত শাহাদত একই উপজেলার দেওগাছা উত্তপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তাকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি আনিসুর রহমান জানান, ২০১৯ সালের ৪ আগস্ট ১৬ বছরের এক কিশোরী ও ছোট তার দুই ভাই-বোনকে বাড়িতে রেখে তাদের পরিবারের সদস্যরা পার্শ্ববর্তী পাকুয়া গ্রামে যায়। কিশোরীর ছোট দুই ভাই-বোন স্কুলে যাওয়ায় পর বাড়িতে কেউ না থাকায় তার আপন চাচা শাহাদত বাড়িতে প্রবেশ করেন। পরে অভিযুক্ত শাহাদত তার ভাতিজিকে ধর্ষণ করেন।

এ সময় কিশোরী সেই ঘটনা সবাইকে জানিয়ে দেয়ার কথা বললে শাহাদত তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।

তিনি জানান, নিহতের দুই ভাই-বোন স্কুল থেকে বাসায় ফিরে তার বোনকে মৃত দেখলে শাহাদত দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। ওই সময় এলাকাবাসী ধাওয়া দিয়ে শাহাদতকে ধরে সংঘবদ্ধ পিটুনি দিলে তিনি তার ভাতিজিকে ধর্ষণের পর হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেন।

এ ঘটনায় নিহত কিশোরীর মা শাহাদতের নামে সিংড়া থানায় মামলা করেন। রায় ঘোষণার সময় সোমবার অভিযুক্ত শাহাদত আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সিএনজি চালককে হত্যার দায়ে ২ যুবকের মৃত্যুদণ্ড
স্বামী-স্ত্রীকে হত্যার মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড
অন্তর হত্যাকাণ্ড: ৩ জনের ফাঁসি, ৩ জনের যাবজ্জীবন
প্রবাসীকে হত্যা মামলায় স্ত্রীসহ চারজনের ফাঁসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The body of a young man was recovered from a tea garden in Moulvibazar

চা বাগানে শ্রমিকের ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ

চা বাগানে শ্রমিকের ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ প্রতীকী ছবি
কমলগঞ্জ থানার এসআই জিয়াউল বলেন, ‘বাগানের ৮ নম্বর সেকশন এলাকায় একটি গাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয়া সজল বাউরির মরদেহ সকালে উদ্ধার করা হয়েছে।’

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের একটি চা বাগানে গাছের সঙ্গে ফাঁস লাগা অবস্থায় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার ফুলবাড়ি চা বাগান এলাকার ৮ নম্বর সেকশনে সোমবার সকালে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ।

প্রাণ হারানো যুবক ১৯ বছর বয়সী সজল বাউরি, যে ওই বাগানের চা শ্রমিক চুন্নু বাউরির ছেলে।

স্থানীয় একজনের ভাষ্য, ‘রাতে মা-বাবার সঙ্গে ভাত নিয়ে সজল বাউরির ঝগড়া হয়। আমরা তাদের ঝগড়া শুনতে পাই। সকালে বাগানে গাছের সঙ্গে তার মরদেহ দেখে তার মা-বাবাকে জানাই।

‘পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। সে বাগানে শ্রমিকের কাজ করত।’

সজল বাউরির বাবা চুন্নু বাউরী বলেন, ‘আমার সঙ্গে ও ছেলের মায়ের সঙ্গে গরম ভাত করে দেয়ার জন্য সন্ধ্যায় ঝগড়া হয়। সে ঠান্ডা ভাত খাবে না। পরে রাত আটটার দিকে ঘর থেকে বের হয়ে যায়। আমরা ভাবছি হয়তো প্রতিবেশী কারও ঘরে রাতে থাকতে পারে। তাই আর খোঁজখবর নিইনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সকালে হঠাৎ শ্রমিকরা কাজে গেলে চা বাগানের ৮ নম্বর সেকশনে এলাকায় গাছের সঙ্গে ফাঁস লাগা অবস্থায় সজলের মরদেহ দেখতে পেয়ে আমাদের খবর দেয়। আমরা পুলিশকে বিষয়টা জানাই। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।’

কমলগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জিয়াউল বলেন, ‘বাগানের ৮ নম্বর সেকশন এলাকায় একটি গাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয়া সজল বাউরির মরদেহ সকালে উদ্ধার করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্ত করার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ছেলের বিরুদ্ধে মাকে খুন করার অভিযোগ
গাইবান্ধায় অটোরিকশার চালকের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার
ভুট্টা ক্ষেতের পাশে নারীর মরদেহ, পাশে রক্তাক্ত কাঁচি
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে কমলগঞ্জে দুই দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা
পদ্মার শাখা নদীতে এবার ভেসে উঠল রামিনের মরদেহ

মন্তব্য

p
উপরে