× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
31 tourists lost their way in the Sundarbans and call 999 to rescue them
google_news print-icon

সুন্দরবনে পথ হারিয়ে ৯৯৯-এ ফোন, ৩১ পর্যটক উদ্ধার

সুন্দরবনে-পথ-হারিয়ে-৯৯৯-এ-ফোন-৩১-পর্যটক-উদ্ধার
শিক্ষার্থীসহ ৩১ পর্যটককে সোমবার সুন্দরবনের গহীন থেকে উদ্ধার করে মোংলা থানা পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
মোংলা থানার ওসি কে এম আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘বাগেরহাটের চিতলমারি থেকে শিক্ষার্থীসহ ৩১ জনের একটি দল সোমবার সকালে করমজল এলাকায় ভ্রমণে যায়। কিছুক্ষণ পর তারা পথ হারিয়ে ফেলেন। এ সময় এক শিক্ষার্থী ৯৯৯ নম্বরে কল দিলে গহীন বন থেকে তাদেরকে উদ্ধার করা হয়।

সুন্দরবনে ঘুরতে গিয়ে গভীর বনে ঢুকে পড়ে ৩১ জন পর্যটকের একটি দল। গহীন অরণ্যে এক পর্যায়ে পথ হারিয়ে ফেলেন পর্যটকরা। এভাবেই কেটে যায় কয়েক ঘণ্টা। বন থেকে বেরিয়ে আসার পথ না পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন তারা। অবশেষে ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে তাদেরকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মোংলা থানার ওসি কে এম আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘বাগেরহাটের চিতলমারি থেকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ ৩১ জনের একটি দল সোমবার সকালে সুন্দরবনের করমজল এলাকায় ভ্রমণে যায়। বনে প্রবেশের কিছুক্ষণ পরই তারা পথ হারিয়ে ফেলেন।

‘এসব কিশোর পর্যটকের মধ্যে ফেরদৌস নামে একজন বুদ্ধি খাটিয়ে তার মোবাইল ফোন থেকে ৯৯৯ নম্বরে কল দেয়। এ সময় কল সেন্টার থেকে তাদেরকে সরাসরি মোংলা থানায় কথা বলিয়ে দেয়া হয়।

‘ফেরদৌস জানায় যে তার ফোনে চার্জ নেই। এ অবস্থায় আমি ওই দলের সদস্যদের আরও দুটি মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করি। এরপর মোবাইলে যোগাযোগের মাধ্যমে বিকেলে তাদের সন্ধান মিলে। তারা ঘুরতে ঘুরতে গভীর বনে ডুকে পড়ছিল।’

তিনি জানান, অবশেষে প্রায় ৩ ঘণ্টা পর সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র সংলগ্ন গহীন বন থেকে পথ হারিয়ে ফেলা ওই ৩১ পর্যটককে উদ্ধার করে মোংলা থানা-পুলিশ।

কিশোর ফেরদৌস জানায়, তার মোবাইলে ব্যালেন্স ছিল না। কিন্তু সে জানত যে ব্যালেন্স না থাকলেও ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা যায়। তাই সে বুদ্ধি খাটিয়ে ৯৯৯-এ ফোন করে বন থেকে উদ্ধারে সহযোগিতা চায়।

আরও পড়ুন:
উপকূলের ‘সুন্দরবন দিবস’ আজ
সুন্দরবনে বেড়েছে ‘বাঘের খাদ্য’ হরিণসহ ৫ প্রাণী
মৌসুমে সাত হাজার টন গোলপাতা আহরণের লক্ষ্য
পর্যটকদের ব্ল্যাকমেইল করে লুট করতেন তারা
ট্যুরিস্ট পুলিশ কার্যালয়ের পাশেই ছিনতাইকারীর কবলে ৫ পর্যটক

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The number of child patients is increasing in Magura hospital due to heat wave

তাপপ্রবাহে মাগুরার হাসপাতালে বাড়ছে শিশু রোগীর সংখ্যা

তাপপ্রবাহে মাগুরার হাসপাতালে বাড়ছে শিশু রোগীর সংখ্যা ছবি: নিউজবাংলা
মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সাজিয়া আক্তার বলেন, ‘ডায়রিয়া পানিবাহিত রোগ। দূষিত পানি পান করার মাধ্যমে এ রোগ হয়। গরম এলেই ডায়রিয়ার সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করে।’

যশোর-চুয়াডাঙ্গার পাশে হওয়ায় প্রতিদিনই মাগুরায় বাড়ছে তাপদাহ। তাপদাহের ফলে পুড়ছে মাঠ-প্রকৃতিসহ প্রাণীকুল। গরমে কোথাও স্বস্তি নেই। তাপদাহ বৃদ্ধির কারণে বেশি ভুগছে জেলার শিশু ও বৃদ্ধরা।

সরজমিনে মাগুরা সদর হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, শিশু ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। অনেকে সিট না পেয়ে অবস্থান নিয়েছেন মেঝেতে। শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে ভর্তি হয়েছেন অনেক বয়স্ক রোগীও। তাদের কষ্ট আরও বাড়িয়েছে লোডশেডিং।

সোমবার সকাল থেকে মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে শিশু ও অন্যান্য ওয়ার্ডগুলোতে অতিরিক্ত গরমে আক্রান্ত রোগীর ভিড় বাড়তে শুরু করে। গত এক সপ্তাহের মধ্যে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি এসেছে এ হাসপাতালে।

এরমধ্যেই রোগীর চাপ সামাল দিতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে কর্র্তপক্ষ। ফলে বাধ্য হয়ে ওয়ার্ডের বাইরে মানুষের চলাচলের রাস্তার মেঝেতে থাকছেন অনেক রোগী।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্যানুসারে, মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে বর্তমানে ৪৩৪ জন ভর্তি রয়েছেন। সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৪১টি শিশুই ভর্তি হয়েছে সেখানে, যাদের অধকিাংশই গরমজনতি বিভিন্ন রোগে (ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট ও জ্বর) ভর্তি হয়েছেন।

শহরের খাঁপাড়া থেকে আসা অনন্যা রহমান তার মেয়েকে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করেছেন। তিনি জানান, গত পাঁচ দিন ধরে তার দুই মাসের শিশুর পাতলা পায়খানা ও জ্বর। পরে হাসপাতালে এসে জানতে পারেন, শিশুটির নিউমোনিয়া হয়েছে।

পৌরসভার কাদিরাবাদ গ্রামের আবু মিয়ার নাতনির তিন দিন ধরে পাতলা পায়খানা ও বমি এবং জ্বর, কিন্তু শয্যা না থাকায় হাসপাতালের বারান্দার মেঝেতে নানতির চিকিৎসা করাচ্ছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘একদিকে বিদ্যুৎ নেই, অন্যদিকে বাতাস চলাচলের জন্য ওয়ার্ডের কোনো একটা জানালা যে খুলব, সে উপায়ও নেই। ফলে প্রচণ্ড গরমে শিশুটি ছটফট করছে। আমাদের অবস্থাও তাই। হাতপাখা চালিয়ে গরম নিবারণ করা যাচ্ছে না।’

হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সাজিয়া আক্তার বলেন, ‘ডায়রিয়া পানিবাহিত রোগ। দূষিত পানি পান করার মাধ্যমে এ রোগ হয়। সাধারণত দিনে ৩ বা এর চেয়ে বেশিবার পাতলা পায়খানা হতে শুরু করলে তার ডায়রিয়া হয়েছে বলে ধরে নেয়া যায়।

‘গরম এলেই ডায়রিয়ার সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করে। বিশেষ করে শিশু-কিশোররা এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।’

এ বিষয়ে ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. মোহসিন উদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অতি গরমে হাসপাতালে দিন দিন শিশুসহ অন্যান্য রোগী বাড়ছে।’

এক্ষেত্রে পানি ও তরল জাতীয় খাবার খাওয়ার পরার্মশ দেন এই চিকিৎসক। বলেন, ‘হাসপাতালে গরমে শিশু রোগীর সংখ্যা বেশি বেড়ে যাওয়ায় আমরা খুবই চিন্তিত। এ কারণে শিশু রোগীদের প্রতি বিশেষ নজর দেয়া হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
তাপপ্রবাহ: বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত
তীব্র থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে জনপদ, আছে ঢাকাও
তাপপ্রবাহে গলে যাচ্ছে সড়কের পিচ
আরও এক সপ্তাহ স্কুল বন্ধের সিদ্ধান্ত আসছে
তাপপ্রবাহে আমের গুটি টেকাতে যে পরামর্শ দিলেন বিশেষজ্ঞ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Punishment of women for filing false rape cases

মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করায় নারীর শাস্তি

মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করায় নারীর শাস্তি ছবি: নিউজবাংলা
২০১৮ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৭ ধারায় আমেনা বেগমের বিরুদ্ধে শাহীনুজ্জামান বাবু বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলার পর থেকে আসামি আমেনা বেগম পলাতক রয়েছেন।

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করায় আমেনা বেগম নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। সেইসঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, যা অনাদায়ে আরও মাস সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাকে।

সোমবার বিকেলে আসামির অনুপস্থিতিতে মানিকগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বেগম তানিয়া কামাল এই রায় ঘোষণা করেন।

৩৯ বছর বয়সী আমেনা বেগম নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ভূপাড়া এলাকার মোহাম্মদ আরিফ হোসেনের স্ত্রী। কাজের সুবাদে তিনি শিবালয়ের টেপড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

ভুক্তভোগী শাহীনুজ্জামান বাবু শিবালয়ের শিবরামপুর এলাকার বাসীন্দা।

মামলার এজহারে বলা হয়, ২০১৭ সালের ২৬ মে শাহীনুজ্জামান বাবুকে আসামি করে শিবালয় থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ মামলা করেন আমেনা বেগম। এরপর ২০১৭ সালের ৯ জুন অভিযুক্ত শাহীনুজ্জামান বাবুকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। চার মাস কারাভোগের পর শাহীনুজ্জামান জামিনে বের হন।

পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগটি তদন্ত করেন এবং অভিযোগের বিষয়ে কোসো সত্যতা ও স্বাক্ষী না পাওয়ায় অভিযোগটি মিথ্যা বলে ট্রাইব্যুনালে চার্জশিট দাখিল করেন। একইসঙ্গে মামলার বাদী আমেনা বেগমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৭ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন।

পরে ২০১৮ সালের ২৩ জানুয়ারি মামলাটি খারিজ করেন বিচারক। এরপর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৭ ধারায় আমেনা বেগমের বিরুদ্ধে শাহীনুজ্জামান বাবু বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলার পর থেকে আসামি আমেনা বেগম পলাতক রয়েছেন।

মামলায় ৫ জনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বেগম তানিয়া কামাল আমেনা বেগমকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

রায়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি একেএম নুরুল হুদা রুবেল সন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে আসামি পক্ষের আইনজীবীর নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি এবং এ বিষয়ে তার মতামত জানাও সম্ভব হয়নি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Extreme heat reduced to intense heat in Chuadanga

অতি তীব্র দাবদাহ কমে তীব্র তাপদাহ চুয়াডাঙ্গায়

অতি তীব্র দাবদাহ কমে তীব্র তাপদাহ চুয়াডাঙ্গায় চুয়াডাঙ্গার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা সোমবার বেলা ৩টায় রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ছবি: নিউজবাংলা
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান বলেন, ‘চলমান তীব্র দাবদাহ কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে, তবে বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই।’

গত এক সপ্তাহ থেকে অব্যাহত তাপদাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চুয়াডাঙ্গার জনজীবন, তবে আজ দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমে অতি তীব্র দাবদাহ রূপ নিয়েছে তীব্র তাপদাহে।

জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা সোমবার বেলা ৩টায় রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে রোববার জেলার তাপমাত্রা ছিল ৪২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং শনিবার জেলার তাপমাত্রা উঠেছিল সর্বোচ্চ ৪২.৩ ডিগ্রিতে।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান বলেন, ‘চলমান তীব্র দাবদাহ কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে, তবে বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই।’

সকাল থেকে সূর্যের চোখ রাঙানিতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে জেলার জনপদ। দিনের মতোই থাকছে রাতের তাপমাত্রা। তীব্র তাপদাহে শান্তি নেই কোথাও। গরমে একটু স্বস্তি পেতে কেউ কেউ আশ্রয় নিচ্ছেন গাছের ছায়ায়। দিন ও রাতের তাপমাত্রায় খুব বেশি পার্থক্য না থাকায় দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে এখানকার জনজীবন।

চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার বাসিন্দা সুমন আলী বলেন, ‘কয়েকদিন তীব্র তাপ অনুভূত হচ্ছে। রাস্তায় বের হওয়ার উপায় নেই। ছাতা নিয়ে বের হলেও গরম থেকে নিস্তার নেই।’

এদিকে তীব্র তাপদাহে জনসাধারণকে সচেতন করতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মাইকিং করে পথচারী ও এলাকাবাসীকে সতর্ক করছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন।

আরও পড়ুন:
এপ্রিলের এ গরম কি অস্বাভাবিক
৬২.৩ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ঝলসাচ্ছে ব্রাজিলের জনজীবন
দেশজুড়ে কমতে পারে রাতের তাপমাত্রা
দেশজুড়ে বাড়তে পারে রাতের তাপমাত্রা
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় কাঁপছে শ্রীমঙ্গল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Father and son were hacked and shot dead in Coxs Bazar

কক্সবাজারে বাবা-ছেলেকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা

কক্সবাজারে বাবা-ছেলেকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা কক্সবাজারের রামু থানা। ফাইল ছবি
স্থানীয়দের ভাষ্য, মিয়ানমার থেকে পাচার হয়ে আসা গরু চোরাচালানকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধের জের ধরে জোড়া খুনের এ ঘটনা ঘটেছে।

কক্সবাজারের রামু উপজেলায় দুইজনকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের উত্তর থোয়াইঙ্গাকাটা মৌলভীরঘোনা এলাকার নজরুল ইসলামের চায়ের দোকানের সামনে রোববার রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

প্রাণ হারানো দুইজন হলেন একই এলাকার জাফর আলম (৫৫) এবং তার ছেলে মো. সেলিম (৩৫)।

রামু থানার ওসি আবু তাহের দেওয়ান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাটি কারা, কী কারণে ঘটিয়েছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে স্থানীয় দুইপক্ষের মধ্যে পূর্ব বিরোধের জেরে ঘটনাটি ঘটেছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, মিয়ানমার থেকে পাচার হয়ে আসা গরু চোরাচালানকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধের জের ধরে জোড়া খুনের এ ঘটনা ঘটেছে।

ওসি আবু তাহের বলেন, ‘রোববার মধ্যরাতে রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের থোয়াইঙ্গাকাটা মৌলভীঘোনা এলাকায় স্থানীয় স্টেশনের একটি দোকানে সেলিমসহ কয়েকজন বন্ধু মিলে আড্ডা দিচ্ছিল। এ সময় মুখোশ পরিহিত ১৫ থেকে ২০ জনের একদল অজ্ঞাত দুর্বৃত্ত অতর্কিত তার ওপর হামলা করে।

‘দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্রের কয়েকটি কোপ দিলে তিনি চিৎকার করে পালানোর চেষ্টা চালায়। এ সময় ছেলের চিৎকার শুনে তাকে লক্ষ্য করে বাবা জাফর আলম টর্চের আলো ফেলেন। পরে দুর্বৃত্তরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়।’

ওসি বলেন, দুর্বৃত্তরা পালিয়ে গেলে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় বাবা-ছেলেকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এ সময় হাসপাতালের চিকিৎসক দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতদের স্বজন জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘রাতে স্থানীয় একটি দোকানে আড্ডা দেয়ার সময় মুখোশ পরিহিত একদল লোক ধারালো অস্ত্র ও গুলি করে বাবা-ছেলেকে হত্যা করেছে। তাদের সঙ্গে কোনো লোকজনের পূর্ব শত্রুতা ছিল কিনা জানি না।’

স্থানীয়রা জানায়, একই এলাকার ‘আবছার ডাকাত’ এবং ‘শাহীন ডাকাত’ গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত আধিপত্য বিস্তার এবং বার্মিজ গরু চোরাচালানকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছিল। রোববার রাতে শাহীন ডাকাত গ্রুপের ১৪ থেকে ১৫ জন লোক চোরাচালানের গরু পার করার জন্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। সেখানে আবছার ডাকাত গ্রুপের ২০ থেকে ২২ জন দেশীয় অস্ত্র ও বন্দুক নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।

ওসি আবু তাহের জানান, ঘটনার কারণ জানার পাশাপাশি জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
পাবনায় জমির বিরোধে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১
টাকা চেয়ে না পেয়ে বাবার প্রাণ নিল ছেলে
চট্টগ্রামে ট্রেনে কাটা পড়ে ২ জন নিহত
ভাইয়ের বউয়ের লাঠির আঘাতে ভাসুর নিহত
নাটোরে হত্যা মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Husband sentenced to death for killing his wife in Naogaon

নওগাঁয় গৃহবধূ হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

নওগাঁয় গৃহবধূ হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড নওগাঁর নিয়ামতপুরে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে সালাউদ্দিনকে সোমবার দুপুরে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত। ছবি: নিউজবাংলা
জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারপক্ষের কৌঁসুলি আবদুল খালেক বলেন, ‘আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।’

নওগাঁর নিয়ামতপুরে এক গৃহবধূকে হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ সোমবার দুপুরে এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সালাউদ্দিন ওরফে টনির (৩৫) বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার মুরাদপুর গ্রামে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারপক্ষের কৌঁসুলি আবদুল খালেক বলেন, ‘আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।’

আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিয়ামতপুর উপজেলার ধানসা গ্রামের আবু কালামের মেয়ে ২৪ বছর বয়সী তুকাজ্জেবার সঙ্গে ২০১৯ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার মুরাদপুর গ্রামের সালাউদ্দিনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সালাউদ্দিন তুকাজ্জেবার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন।

তুকাজ্জেবা স্বামী সালাউদ্দিনকে নিয়ে ২০২০ সালের ২৯ জুন বাবার বাড়ি নিয়ামতপুরের ধানসা গ্রামে বেড়াতে আসেন। পারিবারিক কলহের জেরে শ্বশুরবাড়িতে থাকা অবস্থায় ১ জুলাই সালাউদ্দিন তার স্ত্রী তুকাজ্জেবার গলায় কাঁচি দিয়ে খুঁচিয়ে গুরুতর জখম করেন।

ওই দিন সকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে তুকাজ্জেবা ও সালাউদ্দিনের ঘর থেকে চিৎকারের শব্দ পেয়ে তুকাজ্জেবার বাবা ও তার মা বাইরে থেকে ঘরের দরজা খোলার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে প্রতিবেশী রবিউল ইসলাম লাথি মেরে দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে তুকাজ্জেবাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পায়।

ওই সময় সালাউদ্দিনের হাতে কাপড় কাটার কাঁচি দেখতে পান তারা। পরে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তুকাজ্জেবাকে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান।

স্ত্রীকে আহত করে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন সালাউদ্দিনকে আটক করে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

মামলার বিবরণে আরও উল্লেখ করে বলা হয়, এ ঘটনায় নিহত তুকাজ্জেবার বাবা আবু কালাম বাদী হয়ে সালাউদ্দিনের নামে নিয়ামতপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ২০২২ সালের ২২ জুন আদালতে সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের মোট ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে আদালতে ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের দীর্ঘ সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় দোষী নওগাঁর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি শুনানি করেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারপক্ষের কৌঁসুলি পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবদুল খালেক। আসামিপক্ষে মামলাটির শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আতিকুর রহমান।

আবদুল খালেক বলেন, ‘সমস্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় বিচারক আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করেছেন। এ রায় হত্যা মামলার ক্ষেত্রে একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’

আরও পড়ুন:
ভাতিজিকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় চাচার মৃত্যুদণ্ড
সিএনজি চালককে হত্যার দায়ে ২ যুবকের মৃত্যুদণ্ড
নিরাপদ সড়কের দাবিতে চোখে কাপড় বেঁধে অবস্থান স্কুলছাত্রীর
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী নিহত, প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান
নওগাঁয় ঠিকাদারকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় অভিযুক্ত শান্ত গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The candidate is the cousin of former minister Zahid Malek ignoring the party decision
উপজেলা নির্বাচন

দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে প্রার্থী হলেন সাবেক মন্ত্রী জাহিদ মালেকের ফুফাতো ভাই

দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে প্রার্থী হলেন সাবেক মন্ত্রী জাহিদ মালেকের ফুফাতো ভাই ফাইল ছবি
সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের ফুফাতো ভাই ইসরাফিল হোসেন এবং ইসরাফিল হোসেনের মামাতো ভাই হচ্ছেন বর্তমান সংসদ সদস্য জাহিদ মালেক।

দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদ মালেকের আপন ফুফাতো ভাই মো. ইসরাফিল হোসেন।

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইসরাফিল এরই মধ্যে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, ইসরফিল হোসেনের মা মৃত রাহেলা বেগম সাবেক বস্ত্রমন্ত্রী ও ঢাকা সিটি করপোরশনের সাবেক মেয়র কর্নেল (অব.) আব্দুল মালেকের আপন বোন। আর কর্নেল মালেকের ছেলে হচ্ছেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও বর্তমান মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সদস সদস্য জাহিদ মালেক।

এ হিসেবে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের ফুফাতো ভাই ইসরাফিল হোসেন এবং ইসরাফিল হোসেনের মামাতো ভাই হচ্ছেন বর্তমান সংসদ সদস্য জাহিদ মালেক।

মন্ত্রী-সংসদ সদস্যদের আত্মীয়দের উপজেলা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে হবে- সম্প্রতি এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ। এর জন্য সাংগঠনিক সম্পাদকদের সারা দেশ থেকে তথ্য নিয়ে তালিকা তৈরির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

আসন্ন ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ইসরাফিল হোসেন টানা তৃতীয় বারের মতো চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ইসরফিল হোসেন ২০১৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এর আগে ২০১৪ সালে ৪র্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তৎকালীন যুবদলের সাবেক সভাপতি মো.আতাউর রহমান আতাকে পরাজিত করে প্রথম বারের মতো মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি।

এরপর ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ২য় বারের মতো মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ইসরাফিল হোসেন বলেন, আমি নির্বাচন করব। কারণ উপজেলা নির্বাচনে দল বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সিদ্বান্ত নিয়েছে,আমি সেই ক্যাটাগরিতে পড়ি না। সুতরাং আমার ক্ষেত্রে দলীয় সিদ্বান্তের প্রভাব পরবে না এবং নির্বাচনে কোনো বাধার হবে না।

তিনি বলেন, বরং আমি নির্বাচন না করলে আমাদের তৃণমূলে বিভেদ ও বিশৃঙাখলা বাড়বে। তাছাড়া আমি নির্বাচন না করলে, কলাগাছ দাঁড়ালেও জিতবে। দীর্ঘদিন ধরে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি এবং প্রায় ৪০-৪২ বছর ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আর আমার আত্মীয়স্বজন আমার অনেক (জাহিদ মালেক) মহদয় রাজনীতি আসছেন।

এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী দীপক কুমার ঘোষ বলেন, যারা নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবেন, তাদের প্রত্যেককে দলীয় সিদ্বান্ত মেনে নেয়া উচিত। আর যদি কেউ দলীয় সিদ্বান্ত অমান্য করে, তাহলে দলীয় সিদ্বান্ত অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

নাম প্রকাশে একাধিক চেয়ারম্যান প্রার্থী জানান, ইসরাফিল হোসেন যে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের আপন ফুফাতো ভাই এটা মানিকগঞ্জের প্রত্যেক নেতা-কর্মীরজানা আছে। দলীয় সিদ্বান্তের আগে দিনও সম্ভাব্য উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সাথে আলোচনা করেছিলেন জাহিদ মালেক। ইসরাফিল হোসেনের জন্য অনেক প্রার্থীকে নির্বাচন থেকে সরে যেতেও বলেছিলেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তারা জানান, নির্বাচনে যতই দলীয় সিদ্বান্ত বা নির্দেশনা থাকুক না কেন, গোপনে তো এমপি (জাহিদ মালেক) ইসরাফিলের জন্য কাজ করবেই। কারণ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জাহিদ মালেকের প্রার্থী হচ্ছে ইসরাফিল হোসেন।

তবে এ বিষয়ে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদ মালেকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

নির্বাচন কমিশনার মো.আলমগীর জানান, সংশ্লিষ্ট উপজেলার ভোটাররা, নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারবেন। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নির্বাচনে কোনো বাধা নেই এবং এই নির্বাচনে দলীয় কোনো পরিচয়ের প্রয়োজনও নেই। তবে নির্বাচনীয় আইনে বিরুদ্ধে ঋণ খেলাপি আছে, ক্রিমিনাল মামলা ২-৩বছর সাজা খেটেছেন। অথবা যারা নাগরিত্ব হারান, তাহলে তারা নির্বাচন করতে পারবেন না।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The police rescued the dog after receiving information that it was pulling with the skeleton

কঙ্কাল নিয়ে টানাটনি করছিল কুকুর, খবর পেয়ে উদ্ধার পুলিশের

কঙ্কাল নিয়ে টানাটনি করছিল কুকুর, খবর পেয়ে উদ্ধার পুলিশের দেবিদ্বারের একটি ডোবা থেকে সোমবার কঙ্কাল উদ্ধার করে থানা পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
দেবিদ্বার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোক্তার হোসেন মল্লিক বলেন, ‘কুকুর কঙ্কালটি নিয়ে টানাটানি করার সময় স্থানীয়রা দেখে খবর দিয়েছে। খবর পেয়ে কঙ্কালটি উদ্ধার করতে আসি।’

কুমিল্লার দেবিদ্বারে ডোবা থেকে একটি কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার ধামতি ইউনিয়নের দুয়ারিয়া এলাকায় স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে সোমবার সকালে কঙ্কালটি উদ্ধার করা হয়।

ডেনিম প্যান্ট দেখে ধারণা করা হচ্ছে এটি কোনো পুরুষের কঙ্কালের।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা ডোবায় একটি কুকুরকে কঙ্কালটি নিয়ে টানাটানি করতে দেখে। পরে কুকুর তাড়িয়ে পুলিশকে খবর দিলে বাহিনীর সদস্যরা কঙ্কালটি উদ্ধার করে।

দেবিদ্বার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোক্তার হোসেন মল্লিক বলেন, ‘কুকুর কঙ্কালটি নিয়ে টানাটানি করার সময় স্থানীয়রা দেখে খবর দিয়েছে। খবর পেয়ে কঙ্কালটি উদ্ধার করতে আসি।

‘কঙ্কালটির পরনে জিন্স (ডেনিম) প্যান্ট দেখে পুরুষ মনে হচ্ছে। মাথা থেকে কোমর পর্যন্ত শুধু হাড় আছে। আর কোমর থেকে পা পর্যন্ত প্যান্ট ছিল, তবে মাংস পচে পোকা ধরেছে।’

কঙ্কালের পরিচয় শনাক্তের বিষয়ে এ কর্মকর্তা বলেন, ‘এখনও পরিচয় শনাক্ত হয়নি। মৃত্যুর কারণও জানা যায়নি, তবে পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন হবে। কারণ প্রায় মাসখানেক বা তার বেশি সময় ধরে পড়ে থাকায় হাত-পায়ের কোথাও মাংস নেই।

‘আর আঙুলের ছাপ নেয়ারও কোনো উপায় নেই। আমরা কঙ্কালটি কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। এই বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

আরও পড়ুন:
মুরাদনগরে আগুনে পুড়ল ১৪ দোকান
চান্দিনা পৌর ভবনের টাকা চুরির ঘটনায় লিখিত অভিযোগ
কুমিল্লায় যুবক হত্যায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড
ছোট হয়ে আসছে তাঁতের খাদির বাজার
বরুড়ায় ঘরে যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ

মন্তব্য

p
উপরে