× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
United Nations High Court hearing against Israels occupation begins
google_news print-icon

ইসরায়েলের দখলের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ শীর্ষ আদালতে শুনানি শুরু

ইসরায়েলের-দখলের-বিরুদ্ধে-জাতিসংঘ-শীর্ষ-আদালতে-শুনানি-শুরু
সোমবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অনুরোধে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে আইনি যুক্তিতর্ক ও শুনানি শুরু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
সোমবার ফিলিস্তিনিদের আদালতে ভাষণ দেয়ার পর নজিরবিহীন ৫১টি দেশ ও তিনটি আন্তর্জাতিক সংস্থা বক্তব্য রাখবে। এ বিষয়ে মতামত জানাতে কয়েক মাস সময় নিতে পারে আদালত।

৫৭ বছর ধরে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ভূমি দখল করার বৈধতা নিয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে ঐতিহাসিক শুনানি শুরু হয়েছে।

সোমবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অনুরোধে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে আইনি যুক্তিতর্ক ও শুনানি শুরু হয়েছে। এতে প্রথমবারের মতো বক্তব্য রাখবেন ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিরা।

ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আদালতের গ্রেট হল অফ জাস্টিসে মামলাটি শুরু হলেও অধিকৃত পশ্চিম তীর, গাজা উপত্যকা ও পূর্ব জেরুজালেমকে সংযুক্ত করে ইসরায়েলের অবাধ নিয়ন্ত্রণের বিষয়গুলোও উল্লেখ করা হয়েছে।

ফিলিস্তিনি আইনি দল আন্তর্জাতিক বিচারক প্যানেলকে বলবে যে ইসরায়েল আঞ্চলিক নিয়ন্ত্রণের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করেছে। তারা দখলকৃত বিশাল ভূখণ্ড এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার হরণ করেছে এবং জাতিগত বৈষম্য ও বর্ণবাদী ব্যবস্থা চাপিয়ে দিয়েছে।

ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জাতিসংঘের সংগঠন বিভাগের প্রধান ওমর আওয়াদাল্লাহ বলেন, 'আমরা আদালতের কাছ থেকে নতুন কথা শুনতে চাই।’

সোমবার ফিলিস্তিনিদের আদালতে ভাষণ দেওয়ার পর নজিরবিহীন ৫১টি দেশ ও তিনটি আন্তর্জাতিক সংস্থা বক্তব্য রাখবে। এ বিষয়ে মতামত জানাতে কয়েক মাস সময় নিতে পারে আদালত।

শুনানির সময় ইসরায়েলের কথা বলার কথা নয়, তবে তারা লিখিত বিবৃতি জমা দিতে পারে।

হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অধ্যাপক এবং ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো ইউভাল শানি বলেন, শান্তি চুক্তি না থাকায় ইসরায়েল নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে চলমান দখলদারিত্বকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করবে।

তারা হামাসের নেতৃত্বে ৭ অক্টোবরের হামলার দিকে ইঙ্গিত করতে পারে। দক্ষিণ ইসরায়েল জুড়ে ওই হামলায় ১২০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং ২৫০ জনকে জিম্মি করে ওই অঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়।

তবে ফিলিস্তিনি ও নেতৃস্থানীয় মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর যুক্তি হলো, এই দখলদারিত্ব আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থার চেয়েও অনেক বেশি। তারা বলছেন, এটি একটি বর্ণবাদী ব্যবস্থায় রূপান্তরিত হয়েছে। এর মাধ্যমে অধিকৃত ভূমিতে বসতি নির্মাণের মাধ্যমে উৎসাহিত করা হয়েছে, যা ফিলিস্তিনিদের দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা দেয় এবং জর্ডান নদী থেকে ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত ইহুদি আধিপত্য বজায় রাখতেই করা হয়েছে। এদিকে ইসরায়েল বর্ণবাদের যেকোনো অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

১৯৬৭ সালের মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম ও গাজা উপত্যকা দখল করে নেয় ইসরায়েল। ফিলিস্তিনিরা একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্য তিনটি ভুখণ্ডই চায়। ইসরায়েল পশ্চিম তীরকে বিতর্কিত অঞ্চল বলে মনে করে, যার ভবিষ্যৎ আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত হওয়া উচিত।

পর্যবেক্ষক গ্রুপ পিস নাউয়ের মতে, তারা পশ্চিম তীর জুড়ে ১৪৬টি বসতি নির্মাণ করেছে, যার মধ্যে অনেকগুলো পুরোপুরি উন্নত শহরতলি এবং ছোট শহরগুলোর অনুরূপ। এসব বসতিতে পাঁচ লাখেরও বেশি ইহুদি বসবাস করে এবং প্রায় ৩০ লাখ ফিলিস্তিনি ওই অঞ্চলে বসবাস করে।

ইসরায়েল পূর্ব জেরুজালেমকে সংযুক্ত করে এবং পুরো জেরুজালেমকে তাদের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করে। পূর্ব জেরুজালেমে নির্মিত বসতিগুলোতে অতিরিক্ত দুই লাখ ইসরায়েলি বসবাস করে। যেগুলোকে ইসরায়েল তাদের রাজধানীর প্রতিবেশী হিসেবে বিবেচনা করে। শহরের ফিলিস্তিনি বাসিন্দারা নানা বৈষম্যের মুখোমুখি হয়, যা তাদের পক্ষে নতুন বাড়ি তৈরি করা বা বিদ্যমান বাড়িগুলো সম্প্রসারণ করা কঠিন করে তোলে।

ইসরায়েল ২০০৫ সালে গাজা থেকে তার সমস্ত সৈন্য ও বসতি স্থাপনকারীদের প্রত্যাহার করে নিয়েছিল। তবে অঞ্চলটির আকাশসীমা, উপকূলরেখা ও জনসংখ্যা নিবন্ধনের ক্ষেত্রে তাদের নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত রেখেছিল। ২০০৭ সালে ফিলিস্তিনি শসস্ত্র গোষ্ঠী হামাস গাজার ক্ষমতা দখল করলে সেখানে অবরোধ আরোপ করে ইসরায়েল ও মিসর।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এসব বসতিকে অবৈধ বলে মনে করে। শহরের সবচেয়ে স্পর্শকাতর পবিত্র স্থান পূর্ব জেরুজালেমে ইসরায়েলি দখলদারিত্বকে স্বীকৃতি দেয়নি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।

ইসরায়েলি নীতি নিয়ে আদালতকে পরামর্শমূলক মতামত দিতে বলার ঘটনা এটাই প্রথম নয়।

২০০৪ সালে তারা বলেছিল, পূর্ব জেরুজালেম ও পশ্চিম তীরের কিছু অংশের মধ্য দিয়ে ইসরায়েল যে বিচ্ছিন্ন বেষ্টনী নির্মাণ করেছে তা 'আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী'। একই সঙ্গে ইসরাইলকে অবিলম্বে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে তারা। ইসরায়েল এই রায় উপেক্ষা করেছে।

এ ছাড়া গত মাসের শেষের দিকে আদালত গাজায় তাদের অভিযানে মৃত্যু, ধ্বংসযজ্ঞ ও যেকোনো ধরনের গণহত্যা ঠেকাতে ইসরাইলকে সম্ভাব্য সব কিছু করার নির্দেশ দেয়। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনে দক্ষিণ আফ্রিকার দায়ের করা মামলার প্রাথমিক পর্যায়ে এই আদেশ দেওয়া হয়েছে, যে অভিযোগ ইসরায়েল অস্বীকার করেছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার ক্ষমতাসীন দল আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরে গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের নীতিকে দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ সংখ্যালঘু শাসনের বর্ণবাদী শাসনের সঙ্গে তুলনা করেছে, যা ১৯৯৪ সালে শেষ হওয়ার আগে বেশিরভাগ কৃষ্ণাঙ্গকে "স্বদেশে" আটকে রেখেছিল।

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলের হামলায় নিহতের সংখ্যা ২৯ হাজার ছাড়িয়ে গেছে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The US is imposing sanctions on Israeli army battalions

ইসরায়েলি বাহিনীর ব্যাটালিয়নের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইসরায়েলি বাহিনীর ব্যাটালিয়নের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, নিষেধাজ্ঞাার কোনো কথা উঠলে আমি আমার শক্তি দিয়েই লড়ব।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) একটি ব্যাটালিয়নের ওপর নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র।

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে দেশটি এ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে বলে রোববার ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানিয়েছে রয়টার্স।

সংবাদমাধ্যমে এমন খবর দেখে এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞাার কোনো কথা উঠলে আমি আমার শক্তি দিয়েই লড়ব।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ জানিয়েছে, আইডিএফের নেতজাহ ইয়েহুদা ব্যাটালিয়নের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়ার প্রস্তুতির নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কোনো ইউনিটের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে যাচ্ছে।

অবশ্য ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলছে, এমন কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই।

বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘যদি কেউ মনে করে যে তারা ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর একটি ইউনিটের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে, আমি আমার সমস্ত শক্তি দিয়ে এর বিরুদ্ধে লড়াই করব।’

এক্সে (সাবেক টুইটার) পোস্টে তিনি আরও বলেন, ‘আইডিএফের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া অবশ্যই উচিত হবে না। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের সঙ্গেও আমার কথা হয়েছে।’

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার শাসক দল হামাস গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে আকস্মিক বড় ধরনের হামলা চালায়। এ সময় তারা প্রায় এক হাজার ১৭০ ইসরায়েলিকে হত্যা এবং ২৫০ জনকে জিম্মি করে। এখনও তাদের হাতে ১৫০ জিম্মি রয়েছে।

ওই হামলার পর ইসরায়েল গাজায় প্রতিশোধমূলক পাল্টা হামলা শুরু করে যা এখনও চলছে। গাজায় ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় ৩৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এদের অধিকাংশ নারী ও শিশু। ইসরায়েল-হামাসের এ হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ইসরায়েলের পক্ষে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The G 7 emphasized the need to create an environment of justice and accountability

রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতা: জবাবদিহির পরিবেশ সৃষ্টিতে জোর জি-৭ দেশগুলোর

রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতা: জবাবদিহির পরিবেশ সৃষ্টিতে জোর জি-৭ দেশগুলোর
রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প খেলা করছে দুই শিশু। ছবি: ইউএনবি
যৌথ বিবৃতিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মিয়ানমারে অস্ত্র ও জেট ফুয়েলসহ অন্যান্য উপকরণের প্রবাহ বন্ধ করার জন্য সব দেশের প্রতি আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নৃশংসতার ঘটনায় ন্যায়বিচার ও জবাবদিহির পরিবেশ সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সাত দেশের জোট জি-৭-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

তারা এক যৌথ বিবৃতিতে এ অবস্থান ব্যক্ত করেন বলে শনিবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ইউএনবি।

বার্তা সংস্থাটির খবরে বলা হয়, যৌথ বিবৃতিতে তারা মিয়ানমারে অস্ত্র ও জেট ফুয়েলসহ অন্যান্য উপকরণের প্রবাহ বন্ধ করার জন্য সব দেশের প্রতি আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

জোটভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা সব রোহিঙ্গা শরণার্থী ও বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদে, মর্যাদার সঙ্গে স্থায়ী প্রত্যাবাসন নিয়ে কথা বলেছেন। তারা একটি অর্থবহ ও টেকসই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার দিকে এগিয়ে যাওয়ার পথ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে অবিলম্বে যেকোনো সহিংসতা বন্ধ, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত নেতাদের থেকে শুরু করে নির্বিচারে আটক সব বন্দিদের মুক্তি এবং সব অংশীজনের সঙ্গে অন্তর্ভুক্তিমূলক সংলাপ প্রতিষ্ঠার জন্য মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি শুক্রবার বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর প্রতি মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে, যেকোনো ধরনের জোরপূর্বক শ্রম থেকে বিরত থাকতে এবং সব বাস্তুচ্যুত ব্যক্তি ও অভাবী মানুষের কাছে দ্রুত, নিরাপদ ও অবাধ মানবিক প্রবেশাধিকার দেয়ার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করছি।’

মিয়ানমারে সংঘটিত গুরুতর অপরাধের জন্য জবাবদিহি অপরিহার্য উল্লেখ করে জি-৭ দেশগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘আমরা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২৬৬৯ নম্বর প্রস্তাবের (২০২২) ব্যাপক বাস্তবায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেছি। মিয়ানমার বিষয়ক নবনিযুক্ত জাতিসংঘের বিশেষ দূতের নেতৃত্ব এবং দেশটিতে আবাসিক সমন্বয়কারী নিয়োগের মাধ্যমে এ সংকটে জাতিসংঘের আরও সম্পৃক্ততা সমর্থন করি।’

আরও পড়ুন:
টেকনাফে থেমে থেমে আসছে মর্টার শেলের শব্দ
মিয়ানমারের জান্তাকে সহিংসতা কমাতে বলল থাইল্যান্ড
এখন সেই রোহিঙ্গাদেরই সহায়তা নিচ্ছে জান্তা
মিয়ানমারের ১৮০ সেনা ফিরে যাবে, তবে এখনই নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইন্দোনেশিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থী নিয়ে নৌকাডুবি, অর্ধশত প্রাণহানির শঙ্কা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The United Nations is disappointed with the situation of Bangladeshi workers in Malaysia

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের পরিস্থিতি নিয়ে হতাশ জাতিসংঘ

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের পরিস্থিতি নিয়ে হতাশ জাতিসংঘ ছবি: সংগৃহীত
জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞরা বলেন, ‘মালয়েশিয়াকে অবশ্যই পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে শ্রম অভিবাসনকে আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে হবে।’

সরকারি শ্রম অভিবাসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কর্মসংস্থানের আশায় মালয়েশিয়ায় যাওয়া বাংলাদেশি প্রবাসীদের পরিস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা।

শুক্রবার জেনেভা থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, কয়েক মাস বা তার বেশি সময় ধরে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসীদের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল ও অসম্মানজনক।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করা বিশেষজ্ঞরা হলেন- দাসত্বের সমসাময়িক রূপ, কারণ ও পরিণতি বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি টোমোয়া ওবোকাতা, মানবপাচার বিশেষ করে নারী ও শিশুপাচার সম্পর্কিত বিশেষ প্রতিনিধি সিওভান মুল্লালি, প্রবাসীদের মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ দূত গেহাদ মাদি ও রবার্ট ম্যাককরকোডেল (চেয়ার-র‌্যাপোর্টিয়ার), ফার্নান্দা হপেনহাইম (ভাইস-চেয়ার), পিচামন ইয়োফানটং, দামিলোলা ওলাউই, এলজবিয়েতা কারস্কা এবং ব্যবসা ও মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা দল।

জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞরা বলেন, ‘প্রবাসীদের ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং তাদের শোষণ, অপরাধীকরণ ও অন্যান্য মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে রক্ষা করার জন্য মালয়েশিয়ার জরুরি পদক্ষেপ নেয়া দরকার।’

তারা উল্লেখ করেন, অনেক প্রবাসী মালয়েশিয়ায় এসে দেখেন প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চাকরি নেই এবং অনেক সময় তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও থাকতে বাধ্য করা হয়।

এর ফলে এসব প্রবাসী গ্রেপ্তার, আটক, দুর্ব্যবহার ও বহিষ্কারের ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে প্রবাসী কর্মী নিয়োগের মাধ্যমে বড় অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে সক্রিয় অপরাধী চক্র। এতে প্রবাসীরা প্রতারিত হচ্ছেন, ঘন ঘন ভুয়া কোম্পানিতে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে এবং অতিরিক্ত নিয়োগ ফি দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। যে কারণে তাদের ঋণের বোঝা বেড়ে যাচ্ছে।’

তারা বলেন, ‘আমরা রিপোর্ট পেয়েছি যে উভয় সরকারের কিছু উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বা এটি প্রশ্রয় দিচ্ছেন। এটা অগ্রহণযোগ্য এবং এর অবসান হওয়া দরকার।’

বিশেষজ্ঞরা বলেন, ‘এই শোষণমূলক নিয়োগের অপরাধীদের অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। এখন পর্যন্ত এই বেসরকারি ব্যবসা এবং প্রতারণামূলক নিয়োগ সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া উভয় দেশের ভূমিকাই অপর্যাপ্ত।’

তারা আরও বলেন, ‘এরই মধ্যে অনেক অসহায় প্রবাসীদের অপরাধীতে পরিণত করা হয়েছে এবং শোষণের শিকার হওয়ার কথা জানাতে গিয়ে কেউ কেউ তীব্র প্রতিহিংসার মুখোমুখি হয়েছেন।’

বিবৃতিতে মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশকে এসব ঘটনার তদন্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার আহ্বান জানান বিশেষজ্ঞরা।

ব্যবসা ও মানবাধিকার সম্পর্কিত জাতিসংঘের নীতিমালা মেনে চলতে মালয়েশিয়াকে আহ্বান জানিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলেন, ‘মালয়েশিয়াকে অবশ্যই পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে শ্রম অভিবাসনকে আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে হবে।’

মালয়েশিয়ার ব্যবসাক্ষেত্রগুলোতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের হাত থেকে প্রবাসী শ্রমিকদের রক্ষা করতে এবং এই ব্যবসাগুলোতে মানবাধিকারের প্রতি সম্মান নিশ্চিত করতে পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

এ বিষয়ে তাদের পরামর্শ হচ্ছে, নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ, সুরক্ষা ও সহায়তা, মানবপাচারের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইনি সুরক্ষা প্রয়োগ এবং দেশের আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের বাধ্যবাধকতা সমুন্নত রাখতে মালয়েশিয়াকে অবশ্যই প্রচেষ্টা জোরদার করতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা এর আগে এসব বিষয় নিয়ে মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।

আরও পড়ুন:
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার প্রধানকে গাজায় প্রবেশে বাধা ইসরায়েলের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Response to attack not now Iranian official

হামলার জবাব এখনই নয়: ইরানের কর্মকর্তা

হামলার জবাব এখনই নয়: ইরানের কর্মকর্তা ইরানের রাজধানী তেহরানের উত্তরাঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার ছবি সংবলিত ব্যানারের পাশ দিয়ে শুক্রবার হেঁটে যান এক নারী। ছবি: এপি
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইরানের ওই কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘ঘটনার বিদেশি উৎসের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আমরা বাইরের কোনো হামলার শিকার হইনি এবং আলোচনা হামলার চেয়ে বেশি হচ্ছে অনুপ্রবেশ নিয়ে।’

ইরানের ইস্পাহানে শুক্রবার ‘ইসরায়েলের’ হামলার তাৎক্ষণিক জবাব দেয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন ইসলামি প্রজাতন্ত্রটির জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘ঘটনার বিদেশি উৎসের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আমরা বাইরের কোনো হামলার শিকার হইনি এবং আলোচনা হামলার চেয়ে বেশি হচ্ছে অনুপ্রবেশ নিয়ে।’

সিরিয়ার দামেস্কে গত ১ এপ্রিল ইরানি কনস্যুলেটে ইসরায়েলি হামলার জবাবে গত শনিবার রাতে ইসরায়েলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। এর এক সপ্তাহের মধ্যেই বৃহস্পতিবার রাতে ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় নগর ইস্পাহানে ইসরায়েলি হামলার খবর পাওয়া গেছে।

ইরানের বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানায়, ইস্পাহানের একটি বিমানবন্দরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, তবে কী কারণে এ বিস্ফোরণ হয়েছে তা জানা যায়নি।

‘নির্ভরযোগ্য সূত্রের’ বরাত দিয়ে ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিমের খবরে বলা হয়, ‘ইস্পাহান প্রদেশের পরমাণু ক্ষেত্রগুলো সম্পূর্ণ নিরাপদ।’

দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, ইস্পাহানের কাছে বিস্ফোরণের পর কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়। সেখানে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়নি।

ইস্পাহান শহরের কাছে ইরানের কয়েকটি পারমাণবিক ক্ষেত্র রয়েছে, যেগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলে দাবি করেছে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম।

আরও পড়ুন:
ইরানে হামলার খবরে পুঁজিবাজারে ধস, তেলের দামে উল্লম্ফন
ইসরায়েলের তিন ড্রোন ভূপাতিত: ইরান
ইরানের পরমাণু ক্ষেত্রগুলো সম্পূর্ণ নিরাপদ: প্রতিবেদন
ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইসরায়েলের
ইরানের ওপর পশ্চিমাদের নতুন নিষেধাজ্ঞা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Oil prices jump on news of attack on Iran

ইরানে হামলার খবরে পুঁজিবাজারে ধস, তেলের দামে উল্লম্ফন

ইরানে হামলার খবরে পুঁজিবাজারে ধস, তেলের দামে উল্লম্ফন যুক্তরাষ্ট্রের একটি পুঁজিবাজারে হতাশ বিনিয়োগকারী ও একটি তেলক্ষেত্র। ছবি: পিবিএস ও সিজিটিএন
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলি হামলার বিষয়টি জানার পর পুঁজিবাজার ও তেলের বাজারে শুরুতে যে প্রভাব পড়ে, সেটি কমে এসেছে। হামলার পরিসর ছোট এবং কোনো ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়নি বলে ইরানের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এমন বাস্তবতা সৃষ্টি হয়।

ইরানের ইস্পাহানে বৃহস্পতিবার রাতে ইসরায়েলের হামলার খবরে শুক্রবার পুঁজিবাজারে দরপতন হয়েছে উল্লেখ করে রয়টার্স জানিয়েছে, এশিয়ার শেয়ার ও বন্ডে ধস নামে, যেখানে উল্লম্ফন দেখা যায় স্বর্ণ ও অশোধিত জ্বালানি তেলের দামে।

বার্তা সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলি হামলার বিষয়টি জানার পর পুঁজিবাজার ও তেলের বাজারে শুরুতে যে প্রভাব পড়ে, সেটি কমে এসেছে। হামলার পরিসর ছোট এবং কোনো ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়নি বলে ইরানের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এমন বাস্তবতা সৃষ্টি হয়।

শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক সিটিভিত্তিক এমএসসিআইয়ের এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সূচকের পতন হয় দুই দশমিক ছয় শতাংশ, যেটি পরবর্তী সময়ে কমে দাঁড়ায় দুই শতাংশে।

অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার শঙ্কায় ব্রেন্টের অশোধিত জ্বালানি তেলের দাম শুরুতে চার দশমিক দুই শতাংশ বাড়লেও পরবর্তী সময়ে তা কমে বৃদ্ধির পরিমাণ দাঁড়ায় দুই দশমিক চার শতাংশ। মূল্যবৃদ্ধি কমার পর ব্যারেলপ্রতি ব্রেন্টের অশোধিত তেলের দাম দাঁড়ায় ৮৯ দশমিক ২২ ডলারে।

সিরিয়ার দামেস্কে গত ১ এপ্রিল ইরানি কনস্যুলেটে ইসরায়েলি হামলার জবাবে গত শনিবার রাতে ইসরায়েলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। এর এক সপ্তাহের মধ্যেই বৃহস্পতিবার রাতে ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় নগর ইস্পাহানে ইসরায়েলি হামলার খবর পাওয়া গেছে।

ইরানের বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানায়, ইস্পাহানের একটি বিমানবন্দরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, তবে কী কারণে এ বিস্ফোরণ হয়েছে তা জানা যায়নি।

‘নির্ভরযোগ্য সূত্রের’ বরাত দিয়ে ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিমের খবরে বলা হয়, ‘ইস্পাহান প্রদেশের পরমাণু ক্ষেত্রগুলো সম্পূর্ণ নিরাপদ।’

দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, ইস্পাহানের কাছে বিস্ফোরণের পর কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়। সেখানে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়নি।

ইস্পাহান শহরের কাছে ইরানের কয়েকটি পারমাণবিক ক্ষেত্র রয়েছে, যেগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলে দাবি করেছে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম।

আরও পড়ুন:
২৫ হাজার টন বিস্ফোরক ছোড়া হয়েছে গাজায়: জাতিসংঘের দূত
বড় হামলা করলে ইসরাইলের কিছুই অবশিষ্ট থাকত না
ইরানের তেল বাণিজ্যে লাগাম টানতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
ইসরায়েল হামলা করলে কয়েক সেকেন্ডেই জবাব: ইরান
ইরানকে কঠোর জবাব দেবে ইসরায়েল, মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Three Israeli drones shot down Iran

ইসরায়েলের তিন ড্রোন ভূপাতিত: ইরান

ইসরায়েলের তিন ড্রোন ভূপাতিত: ইরান ইসরায়েল কোয়াডকপ্টার দিয়ে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। ছবি: এক্স
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শুক্রবার দেয়া পোস্টে ইরানের মহাকাশ সংস্থার মুখপাত্র হোসেইন দালিরিয়ান লিখেন, ‘তারা (ইসরায়েল) বলেছে যে, আমরা ৫০০ সুইসাইড ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছি...এখন তারা জবাব দিয়েছে এই তিন কোয়াডকপ্টার (ড্রোনসদৃশ আকাশযান) দিয়ে, যার সবগুলোকে ভূপাতিত করা হয়েছে।’

ইসরায়েলের তিনটি ড্রোন ইরান ভূপাতিত করেছে বলে দাবি করেছে দেশটির মহাকাশ সংস্থা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শুক্রবার কোয়াডকপ্টারের ছবি সংযুক্ত করে দেয়া পোস্টে ইরানের মহাকাশ সংস্থার মুখপাত্র হোসেইন দালিরিয়ান লিখেন, ‘তারা (ইসরায়েল) বলেছে যে, আমরা ৫০০ সুইসাইড ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছি...এখন তারা জবাব দিয়েছে এই তিন কোয়াডকপ্টার (ড্রোনসদৃশ আকাশযান) দিয়ে, যার সবগুলোকে ভূপাতিত করা হয়েছে।’

হাসির ইমোজি দিয়ে ওই পোস্টে দালিরিয়ান আরও লিখেন, ‘তারা শুধু বলেছে যে, তারা (হামলার) আগে আমেরিকাকে জানায়নি।’

সিরিয়ার দামেস্কে গত ১ এপ্রিল ইরানি কনস্যুলেটে ইসরায়েলি হামলার জবাবে গত শনিবার রাতে ইসরায়েলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। এর এক সপ্তাহের মধ্যেই বৃহস্পতিবার রাতে ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় নগর ইস্পাহানে ইসরায়েলি হামলার খবর পাওয়া গেছে।

ইরানের বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানায়, ইস্পাহানের একটি বিমানবন্দরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, তবে কী কারণে এ বিস্ফোরণ হয়েছে তা জানা যায়নি।

‘নির্ভরযোগ্য সূত্রের’ বরাত দিয়ে ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিমের খবরে বলা হয়, ‘ইস্পাহান প্রদেশের পরমাণু ক্ষেত্রগুলো সম্পূর্ণ নিরাপদ।’

আরও পড়ুন:
বড় হামলা করলে ইসরাইলের কিছুই অবশিষ্ট থাকত না
ইরানের তেল বাণিজ্যে লাগাম টানতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
ইসরায়েল হামলা করলে কয়েক সেকেন্ডেই জবাব: ইরান
ইরানকে কঠোর জবাব দেবে ইসরায়েল, মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত
ইরানের ওপর প্রতিশোধমূলক হামলায় অংশ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র: হোয়াইট হাউস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Irans nuclear sites completely safe report

ইরানের পরমাণু ক্ষেত্রগুলো সম্পূর্ণ নিরাপদ: প্রতিবেদন

ইরানের পরমাণু ক্ষেত্রগুলো সম্পূর্ণ নিরাপদ: প্রতিবেদন ইস্পাহানের কাছে শেকারি সেনা বিমানঘাঁটিতে তিনটি বিস্ফোরণের আওয়াজ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ। ছবি: এএফপি
‘নির্ভরযোগ্য সূত্রের’ বরাত দিয়ে ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিমের খবরে বলা হয়, ‘ইস্পাহান প্রদেশের পরমাণু ক্ষেত্রগুলো সম্পূর্ণ নিরাপদ।’

ইসরায়েলের হামলার খবরের মধ্যে ইরানের স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যম শুক্রবার বলেছে, দেশটির পরমাণু ক্ষেত্রগুলো সম্পূর্ণ নিরাপদে আছে।

সিরিয়ার দামেস্কে গত ১ এপ্রিল ইরানি কনস্যুলেটে ইসরায়েলি হামলার জবাবে গত শনিবার রাতে ইসরায়েলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। এর এক সপ্তাহের মধ্যেই বৃহস্পতিবার রাতে ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় নগর ইস্পাহানে ইসরায়েলি হামলার খবর পাওয়া গেছে।

ইরানের বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানায়, ইস্পাহানের একটি বিমানবন্দরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, তবে কী কারণে এ বিস্ফোরণ হয়েছে তা জানা যায়নি।

‘নির্ভরযোগ্য সূত্রের’ বরাত দিয়ে ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিমের খবরে বলা হয়, ‘ইস্পাহান প্রদেশের পরমাণু ক্ষেত্রগুলো সম্পূর্ণ নিরাপদ।’

এদিকে ইরানের মহাকাশ সংস্থার মুখপাত্র হোসেইন দালিরিয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া পোস্টে লিখেন, দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সফলভাবে কিছু ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। এ মুহূর্তে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কোনো খবর নেই।

ইস্পাহানের কাছে শেকারি সেনা বিমানঘাঁটিতে তিনটি বিস্ফোরণের আওয়াজ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ।

আরও পড়ুন:
ইরানের তেল বাণিজ্যে লাগাম টানতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
ইসরায়েল হামলা করলে কয়েক সেকেন্ডেই জবাব: ইরান
ইরানকে কঠোর জবাব দেবে ইসরায়েল, মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত
ইরানের ওপর প্রতিশোধমূলক হামলায় অংশ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র: হোয়াইট হাউস
ইসরায়েলে হামলার আগে সতর্ক করা হয়েছিল: ইরান

মন্তব্য

p
উপরে