× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
A leader of Savar left BNP after holding a press conference
google_news print-icon

সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি ছাড়লেন সাভারের এক নেতা

সংবাদ-সম্মেলন-করে-বিএনপি-ছাড়লেন-সাভারের-এক-নেতা
সংবাদ সম্মেলনে নিজের পদত্যাগপত্র পাঠ করছেন হাজী মাজহারুল ইসলাম খান। পাশে তার ছেলে। ছবি: নিউজবাংলা
হাজী মাজহারুল ইসলাম খান ধামসোনা ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক। একইসঙ্গে তিনি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য ছিলেন।

ঢাকার সাভারে পারিবারিক ও শারিরীক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে বিএনপির রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন হাজী মাজহারুল ইসলাম খান নামে দলটির স্থানীয় এক নেতা।

সোমবার বেলা ১২টার দিকে আশুলিয়ার বাইপাইল বগাবাড়ি বাজার এলাকার নিজ মালিকানাধীন খান প্লাজায় সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

হাজী মাজহারুল ইসলাম খান ধামসোনা ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক। একইসঙ্গে তিনি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য ছিলেন।

পদত্যাগের বিষয়ে হাজী মাজহারুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমি গত ছয় বছর ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বিভিন্ন সময় আমার নামে রাজনৈতিক চারটি মামলাও হয়েছে। সম্প্রতি শারিরীক অসুস্থতা ও পারিবারিক কারণে আমি বিএনপির রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাই স্বেচ্ছায় ও সজ্ঞানে ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য পদ, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি ও শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছি।’

সামনে ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘রাজনীতিতে শেষ বলে কিছু নেই। সুস্থ হলে আগামীতে এ বিষয়ে চিন্তাভাবনা করব।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Ex policeman killed in Nephews case

ভাতিজার দায়ের কোপে সাবেক পুলিশ সদস্য নিহত

ভাতিজার দায়ের কোপে সাবেক পুলিশ সদস্য নিহত প্রতীকী ছবি
হত্যার পেছনে পূর্বশত্রুতা বা অন‌্য কোনো কারণ আছে কি না, এমন প্রশ্নের উত্ত‌রে দুমকি থানার ওসি তারেক মো. আবদুল হান্নান বলেন, ‘খুঁ‌টিনা‌টি সব‌কিছু আমরা খুঁজে দেখ‌ছি। সব তথ‌্য-উপাত্ত যাচাই-বাচাই কর‌‌ছি।’

পটুয়াখালীর দুমকিতে ভাতিজার দায়ের কোপে সাবেক এক পুলিশ নিহত হয়েছেন।

উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের আঠারগাছিয়া গ্রামে শনিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

কোপে প্রাণ হারানো সাবেক পুলিশ সদস্যের নাম আবদুল আজিজ সিকদার, যার বয়স ৭০ বছর।

স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, দুপুরে আঠারগাছিয়া গ্রামের আলতাফ সিকদারের সৌদিফেরত ছেলে শহিদ শিকদার (২৮) হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে তিন থেকে চারজন প্রতিবেশীর ঘরের দরজা- জানালা পিটিয়ে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করেন। একপর্যা‌য়ে চাচা আবদুল আজিজ সিকদারের হাতে থাকা ধারালো দা কেড়ে নিয়ে তাকেই উপর্যুপরি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন এ যুবক।

পরে স্থানীয় লোকজন এক‌ত্রিত হ‌য়ে শহিদকে ধ‌রে পুলিশে সোপর্দ করেন। অন্যদি‌কে গুরুতর আহত অবস্থায় আবদুল আজিজকে উদ্ধার করে তাৎক্ষ‌ণিকভা‌বে বরিশালের শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখা‌নে বেলা আড়াইটার দি‌কে তার মৃত্যু হয়।

শহিদ সিকদারের ভাই সবুজ সিকদার দাবি ক‌রেন, সৌদি আরব থে‌কে ফি‌রে এসে শহিদ সিকদার বেশ কিছু দিন ধরে একাকিত্বে থেকে অসংলগ্ন আচরণ করছিলেন। কারও সঙ্গে পূর্ব বিরোধ না থাকলেও মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন তি‌নি।

দুমকি থানার ওসি তারেক মো. আবদুল হান্নান জানান, নিহত আবদুল আজিজ সিকদা‌রের মরদেহ বরিশালের শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়।

হত্যার পেছনে পূর্বশত্রুতা বা অন‌্য কোনো কারণ আছে কি না, এমন প্রশ্নের উত্ত‌রে ওসি বলেন, ‘খুঁ‌টিনা‌টি সব‌কিছু আমরা খুঁজে দেখ‌ছি। সব তথ‌্য-উপাত্ত যাচাই-বাচাই কর‌‌ছি।’

আরও পড়ুন:
পঞ্চগড়ে প্রেমিকের হাতে নারী খুন
পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংকে মিলল নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ
ঈদে বাড়ি যেতে দেরি হওয়ায় স্বামীর সঙ্গে অভিমানে গৃহবধূর আত্মহত্যা
কুমিল্লায় অপহরণের পর যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, সাবেক চেয়ারম্যান আটক
সর্বহারা নেতা রাজ্জাক হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৫

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Johnnys Free Ambulance Service remembering grandmothers suffering

দাদির কষ্ট মনে রেখে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস জনির

দাদির কষ্ট মনে রেখে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস জনির করিমগঞ্জ উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে শনিবার বিকেলে বিনা মূল্যে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের এমপি ও জাতীয় পার্টির মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুল হক চুন্নু। ছবি: নিউজবাংলা
জনি জানান, অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের ব্যবস্থাপনায় থাকবে করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। দাতা হিসেবে তিনিও ব্যবস্থাপনা কমিটিতে থাকবেন।

‘দাদির মৃত্যুর সময় গ্রামের বাড়িতে আপনজন কেউ ছিলেন না। এ অবস্থায় তাকে অনেক কষ্ট ভোগ করতে হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস পাননি তিনি।

‘এই মনঃকষ্ট থেকেই করিমগঞ্জবাসীর জন্য ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস চালু করার চিন্তা করে আমাদের পরিবার। ভবিষ্যতে বেকারদের চাকরির সংস্থান করার ক্ষেত্রেও আমাদের পরিবার ভূমিকা রাখবে।’

কথাগুলো বলছিলেন কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জের ব্যবসায়ী শফিউল আলম জনি। উপজেলার বাসিন্দাদের জন্য বিনা মূল্যে অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করেছেন ঢাকাকেন্দ্রিক এ ব্যবসায়ী।

শফিউল আলম জনির বাড়ি করিমগঞ্জ উপজেলার গুজাদিয়া ইউনিয়নের হাইধনখালী গ্রামে। জনসেবামূলক উদ্যোগ নিয়ে স্থানীয়দের প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি।

করিমগঞ্জ উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে শনিবার বিকেলে বিনা মূল্যে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ও জাতীয় পার্টির মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুল হক চুন্নু।

করিমগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মুসলেহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন ও তার ছেলে অ্যাম্বুলেন্সদাতা শফিউল আলম জনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রিয়াদ শাহেদ রনি ও ব্যবসায়ী রফিকুর রহমান।

এতে জনি জানান, অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের ব্যবস্থাপনায় থাকবে করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। দাতা হিসেবে তিনিও ব্যবস্থাপনা কমিটিতে থাকবেন।

জাপা মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠান। তাই দল-মত নির্বিশেষে এখানে উপস্থিত হয়েছি। জনির মতো সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসলে উপকৃত হবেন সাধারণ মানুষ।’

আরও পড়ুন:
ভৈরবে গর্ভের শিশুর মৃত্যু: তিন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ
ভৈরবে চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে যাত্রী নিহত
আট মাস ধরে পলিথিনবন্দি হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স
চাঁদাবাজে অতিষ্ঠ সিলেটের সবজি ব্যবসায়ীরা
পরিত্যক্ত অ্যাম্বুলেন্সই রুমার ঠিকানা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Changa Sylhets tourism sector on the occasion of Eid

ঈদ উপলক্ষে চাঙা সিলেটের পর্যটন খাত

ঈদ উপলক্ষে চাঙা সিলেটের পর্যটন খাত
সিলেটে আগামী কয়েক দিন পর্যটনে চাঙাভাব অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন এ খাতের উদ্যোক্তারা। ছবি: নিউজবাংলা
জাফলং পর্যটনকেন্দ্র ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হোসেন মিয়া বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে জাফলংয়ে অনেক পর্যটক বেড়াতে এসেছেন। ব্যবসায়ীদের বেচাকেনাও ভালো হয়েছে। এখানকার কোনো হোটেল-রিসোর্টেই এখন কক্ষ খালি নেই। আগামী কয়েক দিন পর্যটক সমাগম বেশি থাকবে বলে আশা করছি।’

কিছুদিন মন্দাবস্থার পর ঈদ উপলক্ষে চাঙা হয়ে উঠেছে সিলেটের পর্যটন খাত। ঈদের ছুটিতে ব্যাপকসংখ্যক পর্যটক এসেছেন সিলেটে। এতে খুশি পর্যটন খাতের উদ্যোক্তারা।

আগামী কয়েক দিন এই চাঙাভাব অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন তারা।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সিলেটে পর্যটকদের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় দুটি গন্তব্য গোয়াইনঘাটের জাফলং ও কোম্পানীগঞ্জের সাদাপাথর। এ দুই জায়গাতেই ঈদের দিন থেকে পর্যটকদের ঢল নেমেছে, তবে ঈদের দিনের চেয়ে তার পরের দিন পর্যটক সমাগম আরও বাড়ে।

জাফলংয়ের পর্যটন খাতের উদ্যেক্তারা জানান, ঈদ মৌসুমে জাফলংয়ে আট থেকে ১০ লাখ পর্যটকের সমাগম হবে বলে আশা করছেন তারা।

জাফলং, সাদাপাথর ছাড়াও বিছনাকান্দি, রাতারগুল সোয়াম ফরেস্ট, পানতুমাই ঝরনা, লালাখাল ও সিলেটের বিভিন্ন চা বাগানে বৃহস্পতিবার থেকেই পর্যটকদের ঢল নামে। সিলেটের বেশির ভাগ হোটেল-রিসোর্ট এখন অতিথিতে পূর্ণ।

সিলেট শহর থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে সাদাপাথর। সাদা পাথুরে নদীর শীতল জল আর পাশেই দিগন্ত বিস্তৃত মেঘালয় পাহাড়। প্রকৃতির এ অপরূপ সৌন্দর্য দেখতে সারা বছরই পর্যটকদের ভিড় লেগে থাকে। ঈদ মৌসুমে পর্যটক সমাগম আরও বাড়ে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

ঈদুল ফিতরের পরের দিন শুক্রবার সাদাপাথরে গিয়ে দেখা যায়, পর্যটকদের কারণে নদীতে পা ফেলার অবস্থা নেই। ভিড়ের কারণে অনেকে নদীর তীরে দাঁড়িয়ে ছিলেন; নামতে পারছিলেন না পানিতে।

সাদাপাথর ঘুরতে আসা কুমিল্লার শিউলি বেগম বলেন, ‘এই পরিবেশ অপরূপ। যে কেউ আসলে মন ভালো হয়ে যাবে।’

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর থেকে আসা রাজেল মিয়া বলেন,‘দুপুরে সাদাপাথরে এসেছি। সাদাপাথরের ধলাই নদীর শীতল স্পর্শ মনকে চাঙা করে দিয়েছে।

‘সত্যিই অসাধারণ জায়গা। অবসর পেলেই চলে আসি।’

পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশ সিলেট রিজিয়নের পরিদর্শক আখতার হোসেন বলেন, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ ও সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। সাদাপাথরে এই ঈদে প্রতিদিন কয়েক হাজার লোক ঘুরতে আসছেন।

‘আমাদের কয়েকটি টিম সার্বিক নিরাপত্তায় নিয়োজিত আছে। পর্যটকরা স্বাচ্ছন্দ্যে ঘোরাফেরা করছেন।’

ঈদ উপলক্ষে চাঙা সিলেটের পর্যটন খাত

সিলেটের সবচেয়ে আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য জাফলং। শনিবার জাফলংয়ে গিয়ে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসে মেঘ-পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন দর্শনার্থীরা।

জাফলংয়ে সকাল থেকেই দলবেঁধে পর্যটকেরা ঘুরতে আসেন। নদীতে নেমে কেউ কেউ গোসল করতে ব্যস্ত। আর নৌকা পার হয়ে অনেকের গন্তব্য মায়াবী ঝরনা, খাসিয়া পল্লি ও চা বাগানে। বেলা বাড়ার সঙ্গে দর্শনার্থীদের সংখ্যাও বাড়তে থাকে।

পর্যটক সুজন আহমেদ বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে পরিবারের সদস্যরা মিলে ঘুরতে এসেছি। জাফলং ভীষণ ভালো লেগেছে।

‘পাহাড় আর পাথরের সৌন্দর্য আমাদের মুগ্ধ করেছে, তবে বৃষ্টিতে একটু ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।’

এদিকে পর্যটকদের চাপে সিলেটের হোটেল-মোটেলগুলোতে কক্ষ খালি ছিল না। ব্যস্ততা দেখা গেছে রেস্তোরাঁগুলোতেও। পর্যটকের সমাগমে খুশি এখানকার পর্যটন ব্যবসায়ীরাও।

জাফলং পর্যটনকেন্দ্র ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হোসেন মিয়া বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে জাফলংয়ে অনেক পর্যটক বেড়াতে এসেছেন। ব্যবসায়ীদের বেচাকেনাও ভালো হয়েছে।

‘এখানকার কোনো হোটেল-রিসোর্টেই এখন কক্ষ খালি নেই। আগামী কয়েক দিন পর্যটক সমাগম বেশি থাকবে বলে আশা করছি।’

পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে টুরিস্ট পুলিশ, থানা-পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে জাফলং ট্যুরিস্ট পুলিশের ইনচার্জ রতন শেখ বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে সকাল থেকেই পর্যটকে মুখরিত ছিল জাফলং। আগত পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা কাজ করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ ছাড়াও পর্যটকরা বেড়াতে এসে যাতে কোনোভাবেই ভোগান্তিতে না পড়েন, সেদিকে আমাদের নজর রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
তীব্র লোডশেডিং, পানির সংকটে অতিষ্ঠ সিলেটবাসী
সিলেটে গ্রামের চেয়ে বেশি লোডশেডিং শহরে
সিলেট টেস্টে শোচনীয় হার বাংলাদেশের
সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৬
উদ্ভাবনী পদমর্যাদায় ‘ইনফেকশাস-ডিজিজ’ বিষয়ে প্রথম স্থান সিকৃবির

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The death of a missing teenager in Teesta while making a Tiktok video

টিকটকের ভিডিও বানাতে গিয়ে তিস্তায় নিখোঁজ কিশোরের মৃত্যু

টিকটকের ভিডিও বানাতে গিয়ে তিস্তায় নিখোঁজ কিশোরের মৃত্যু কুড়িগ্রামের রাজারহাটে শনিবার তিস্তা নদী থেকে সোহাগ নামের কিশোরের মরদেহ উদ্ধার অভিযানের সময় তীরে উৎসুক লোকজনের ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা
রাজারহাট থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান টিকটকের ভিডিও বানাতে গিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘তিস্তা নদী থেকে সোহাগ নামের এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

টিকটকের ভিডিও বানাতে গিয়ে কুড়িগ্রামের রাজারহাটের তিস্তা নদীতে ডুবে সোহাগ (১২) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।

ঈদুল ফিতরের তৃতীয় দিন শনিবার বিকেলে তিস্তা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে রংপুর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।

প্রাণ হারানো সোহাগ রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের খিতাব গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশের ভাষ্য, সোহাগ তার ফুফাতো বোনকে নিয়ে টিকটক বানাতে নদীতে গোসল করতে নামে। ওই সময় তার সঙ্গে আরও দুই বন্ধু ছিল। টিকটকের ভিডিও ধারণের সময় সোহাগ পানিতে গোসল করছিল। অন্যরা গোসল করে তীরে ওঠে।

দুই বন্ধু নদীর পাড়ে গিয়ে সোহাগকে খুঁজে না পেয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দুই ঘণ্টা পর তিস্তা নদী থেকে সোহাগের মরদেহ উদ্ধার করে।

রাজারহাট থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান টিকটকের ভিডিও বানাতে গিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘তিস্তা নদী থেকে সোহাগ নামের এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
পানিতে ডুবে তিন জেলায় পাঁচ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১
ইটবোঝাই ট্রাক্টর থেকে পড়ে যাওয়া স্কুলছাত্রের মৃত্যু
টেকনাফে পিটুনিতে আহত ব্যবসায়ীর মৃত্যু
নওগাঁয় অতিরিক্ত মদ পানে তিন বন্ধুর মৃত্যু: চিকিৎসক
পুলিশ হেফাজতে সাবেক যুবদল নেতার মৃত্যু, ওষুধ খেতে না দেয়ার অভিযোগ পরিবারের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
14 km Alpnaar in Hawre aiming for world record

বিশ্বরেকর্ডের লক্ষ্যে হাওরে ১৪ কিলোমিটার আলপনা

বিশ্বরেকর্ডের লক্ষ্যে হাওরে ১৪ কিলোমিটার আলপনা আলপনার রঙে রাঙানো হচ্ছে মিঠামইন-অষ্টগ্রাম হাওরের ১৪ কিলোমিটার সড়ক, যার লক্ষ্য বিশ্বরেকর্ড। ছবি: নিউজবাংলা
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক বলেন, ‘একসময়ের অবহেলিত হাওর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সুদৃষ্টিতে এবং ব্যাপক উন্নয়নের ফলে সারা দেশের মানুষের অত্যন্ত পছন্দের জায়গায় পরিণত হয়েছে। হাওরের বিভিন্ন এলাকায় সাবমার্সিবল সড়কসহ সারা বছর চলাচলের জন্য অলওয়েদার সড়ক নির্মিত হয়েছে। এই অলওয়েদার সড়কটি দেখতে আসেননি, এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম।’

বাঙালির আবহমান ও সমৃদ্ধ সংস্কৃতিকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আয়োজন করা হচ্ছে ‘আলপনায় বৈশাখ ১৪৩১’ উৎসব।

এ উৎসবের অংশ হিসেবে আলপনার রঙে রাঙানো হচ্ছে মিঠামইন-অষ্টগ্রাম হাওরের ১৪ কিলোমিটার সড়ক, যার লক্ষ্য বিশ্বরেকর্ড।

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন জিরো পয়েন্ট এলাকায় শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে আলপনা আঁকা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য (এমপি) আসাদুজ্জামান নূর।

বিশ্বরেকর্ডের লক্ষ্যে হাওরে ১৪ কিলোমিটার আলপনা

হাওরে সাজ সাজ রবে আনন্দিত এ জনপদের বাসিন্দারা, যাদের একজন মিঠামইন উপজেলার কুলাহানি গ্রামের বাসিন্দা তোফায়েল আহমেদ সাকিব বলেন, ‘একটা সময় ছিল দাওয়াত করেও আমাদের বন্ধুদের হাওরে আনতে পারতাম না। আর এখন যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হওয়ায় হাওরে সারা বছরই শহরের মানুষের ভিড় লেগেই থাকে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘ এই আলপনার ফলে হাওরে পর্যটকের ভিড় আরও বাড়বে। সেই সাথে হাওরের সড়কটি গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান করে নেবে। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের এবং আনন্দের।’

বিশ্বরেকর্ডের লক্ষ্যে হাওরে ১৪ কিলোমিটার আলপনা

অষ্টগ্রাম উপজেলার ভাতশালা গ্রামের বাসিন্দা আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘একসময়ের অবহেলিত হাওর এখন সারা দেশের মানুষের পছন্দের জায়গা। একটা সময়ে হাওরে বাড়ি বললে মানুষ অবজ্ঞা করত। আর এখন সম্পর্ক গড়ে। আমার জন্মটা হাওরে হওয়ায় আমি গর্ববোধ করি।’

কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক বলেন, ‘একসময়ের অবহেলিত হাওর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সুদৃষ্টিতে এবং ব্যাপক উন্নয়নের ফলে সারা দেশের মানুষের অত্যন্ত পছন্দের জায়গায় পরিণত হয়েছে। হাওরের বিভিন্ন এলাকায় সাবমার্সিবল সড়কসহ সারা বছর চলাচলের জন্য অলওয়েদার সড়ক নির্মিত হয়েছে। এই অলওয়েদার সড়কটি দেখতে আসেননি, এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম।’

তিনি বলেন, ‘আগে এই সড়কটির সৌন্দর্য কেবল দেশের মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকত। এখন সেটি বিশ্ব দরবারে স্থান করে নিতে যাচ্ছে। এই বিষয়টি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের এবং আনন্দের।’

এমপি আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘বিশ্বরেকর্ড গড়ার অদম্য এই প্রচেষ্টা দেশের ভাবমূর্তি উজ্জল করবে, সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বিশ্বের সর্ববৃহৎ আলপনার স্বীকৃতি পাবে। কিশোরগঞ্জ হাওরাঞ্চল বিশ্ববাসীর নিকট নতুনভাবে পরিচিত হবে। পর্যটন শিল্প আরও বিকশিত হবে।’

কিশোরগঞ্জ হাওরাঞ্চলে বাঙালি লোকসংস্কৃতি তুলে ধরতে এশিয়াটিক এক্সপেরিয়েনশিয়াল মার্কেটিং লিমিটেড, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড ও বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে মিঠামইন জিরো পয়েন্ট থেকে অষ্টগ্রাম জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার সড়কে ৬৫০ জন শিল্পী সর্ববৃহৎ আলপনা উৎসব ‘আলপনায় বৈশাখ ১৪৩১’ শুরু করেছেন।

আলপনা আঁকার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের এমপি রেজওয়ান আহমদ তৌফিকের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান হারুন অর রশিদ, কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান, জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ, মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এরশাদ মিয়া, বরেণ্য শিল্পী মো. মনিরুজ্জামান, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার ও ডিরেক্টর মহসিন হাবিব চৌধুরী ও বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেডের চিফ হিউম্যান রিসোর্স অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অফিসার মনজুলা মোরশেদ ও স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা।

বিশ্বরেকর্ডের লক্ষ্যে হাওরে ১৪ কিলোমিটার আলপনা

পহেলা বৈশাখের দিন রোববার মিঠামইনে ১৪ কিলোমিটারে আঁকা আলপনা পরিদর্শন করবেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, এশিয়াটিক থ্রি সিক্সটির গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইরেশ যাকের ও বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেডের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমানসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
নদীগুলোতে বাড়ছে পানি, হাওরে ফেরি চলাচল বন্ধ
হাওরাঞ্চলে কৃষকের মুখে রোদের হাসি
মাছের উৎপাদন বেড়েছে হাকালুকি হাওরে
হাওরে বাঁধের কাজ শেষের সময় জানাল পাউবো
খাঁখাঁ হাওর অফিসে কর্মী মাত্র ২

মন্তব্য

বাংলাদেশ
New Year will inspire the fight against evil forces against the Liberation War Prime Minister

মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে নববর্ষ: প্রধানমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে নববর্ষ: প্রধানমন্ত্রী বাংলা নববর্ষের আগের দিন শনিবার এ উপলক্ষে বাণী দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: বাসস
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাঙালির প্রতিটি ঘরে, জনজীবনে এবং আর্থ-সামাজিক সংস্কৃতিতে পহেলা বৈশাখ এক অনন্য উৎসব। পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে হালখাতার পাশাপাশি যাত্রাগান, পালাগান, পুতুলনাচ, অঞ্চলভিত্তিক লোকসংগীত, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন পসরা নিয়ে মেলার বর্ণিল আয়োজনের মাধ্যমে যেমন লোকজ-সংস্কৃতি প্রাণ ফিরে পায়, তেমনি দেশের অর্থনীতি তথা ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমৃদ্ধ হয়, ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি আসে।’

বাংলা নতুন বছর ১৪৩১ মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বাংলা নববর্ষের আগের দিন শনিবার এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন বলে বার্তা সংস্থা বাসসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলা নতুন বছর ১৪৩১ আমাদের জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ, উগ্রবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে।’

দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘শুভ নববর্ষ, ১৪৩১। উৎসবমুখর বাংলা নববর্ষের এই দিনে আমি দেশবাসীসহ সকল বাঙালিকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’

তিনি বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন। এটি সর্বজনীন উৎসব। এদিন আনন্দঘন পরিবেশে বরণ করে নেয়া হয় নতুন বছরকে। আবহমান কাল ধরে নববর্ষের এই উৎসবে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমগ্র জাতি জেগে ওঠে নবপ্রাণ স্পন্দনে, নব অঙ্গীকারে। সারা বছরের দুঃখ-জরা, মলিনতা ও ব্যর্থতাকে ভুলে বাঙালি রচনা করে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য, আনন্দ ও ভালোবাসার মেলবন্ধন।’

পহেলা বৈশাখ উদযাপনের ইতিহাস তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, “বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্যে পহেলা বৈশাখ বিশেষ স্থান দখল করে আছে। বাংলা নববর্ষ পালনের সূচনা হয় মূলত মোঘল সম্রাট আকবরের সময় থেকে। কৃষিকাজের সুবিধার্থে সম্রাট আকবর ‘ফসলি সন’ হিসেবে বাংলা সন গণনার যে সূচনা করেন, তা কালের পরিক্রমায় সমগ্র বাঙালির কাছে অসাম্প্রদায়িক চেতনার স্মারক উৎসবে পরিণত হয়েছে।

“পহেলা বৈশাখ বাঙালিয়ানার প্রতিচ্ছবি। এই উদযাপন আমাদের শেকড়ের সন্ধান দেয়। এর মধ্য দিয়ে খুঁজে পাওয়া যায় জাতিসত্তার পরিচয়।”

বৈশাখের প্রথম দিনকেন্দ্রিক উৎসবের বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাঙালির প্রতিটি ঘরে, জনজীবনে এবং আর্থ-সামাজিক সংস্কৃতিতে পহেলা বৈশাখ এক অনন্য উৎসব। পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে হালখাতার পাশাপাশি যাত্রাগান, পালাগান, পুতুলনাচ, অঞ্চলভিত্তিক লোকসংগীত, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন পসরা নিয়ে মেলার বর্ণিল আয়োজনের মাধ্যমে যেমন লোকজ-সংস্কৃতি প্রাণ ফিরে পায়, তেমনি দেশের অর্থনীতি তথা ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমৃদ্ধ হয়, ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি আসে।’

আরও পড়ুন:
দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর
রাষ্ট্রপতির ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় হবে বঙ্গভবনে, গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর
কিশোর গ্যাং মোকাবিলায় দুই মন্ত্রণালয়কে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা
বাংলাদেশ ও ব্রাজিলের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
বুয়েটের ছাত্রলীগমনা ২১ শিক্ষার্থীর প্রধানমন্ত্রীকে খোলা চিঠি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two brothers drowned in the river while fishing

পানিতে ডুবে তিন জেলায় পাঁচ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১

পানিতে ডুবে তিন জেলায় পাঁচ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ফাইল ছবি
নাটোর, জামালপুর ও ঝালকাঠিতে দুই ভাই, দুই বোন ও এক মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। ঝালকাঠিতে পানিতে ডুবে নিখোঁজ রয়েছে আরও এক শিশু।

পানিতে ডুবে নাটোর, জামালপুর ও ঝালকাঠিতে দুই ভাই, দুই বোন ও এক মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। ঝালকাঠিতে পানিতে ডুবে নিখোঁজ রয়েছে আরও এক শিশু।

শনিবার বেলা ১১টা থেকে ১টার মধ্যে এই ঘটনাদুটি ঘটে।

সিংড়ায় দুই বোনের মৃত্যু

নাটোরের সিংড়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে মামাতো ফুফাতো দুই বোনের।

শনিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ঢাকঢোল ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলো- ওই গ্রামের ফারুক হোসেনের মেয়ে ফারিয়া আক্তার এবং নাটোর শহরের তেবাড়িয়া এলাকার সৌদি প্রবাসী রায়হান হোসেনের মেয়ে ফাতেমা খাতুন।

লালোর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একরামুল ইসলাম শুভ জানান, সাত বছর বয়সী ফারিয়া এবং একই বয়সী ফাতেমা সবার অগোচরে বাড়ির পাশে পুকুরে গোসল করতে নামে। এরপর তারা ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। পরে পুকুরে তাদের মরদেহ ভেসে উঠতে দেখে স্থানীয়রা মরদেহ দুটি ডাঙায় তোলে।

ফাতেমা নানা ফরিদ হোসেনের বাড়িতে ঈদ উপলক্ষে বেড়াতে এসেছিল জানিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, দুই বোনের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

জামালপুরে মাছ ধরতে গিয়ে ডুবে মরল দুই ভাই

এদিকে জামালপুরের ইসলামপুরে যমুনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে মিনহাজ উদ্দিন ও মৃণাল মিয়া নামে দুই সহোদর ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার দুপুরে উপজেলার সাপধরি ইউনিয়নের চরশিশুয়া এলাকায় যমুনা নদীতে নানির সঙ্গে মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে ডুবে যায় তারা।

মিনহাজ ও বয়স মৃণালের যথাক্রমে ১০ ও ৮ বছর। উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের জারুলতলা এলাকার আজাহার মিয়ার ছেলে তারা। ঈদের দুদিন আগে বাবা-মায়ের সঙ্গে তারা নানা দুদু সরকারের বাড়িতে বেড়াতে আসে।

স্থানীয়রা জানান, দুপুর ১টার দিকে বাড়ির পাশে নানির সঙ্গে যমুনা নদীতে মাছ ধরতে যায় ওই দুই শিশু। একপর্যায়ে নদীর পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয় তারা। অনেক খোঁজাখুজির পর এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর তাদের মহদেহ নদীতে ভেসে ওঠে। পরে স্থানীয়রা তাদের মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সাপধরি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ্ আলম মন্ডল জানান, ‘তাদের নানা খুবই দরিদ্র, নদীতে মাছ ধরেই জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। আজ দুপুরে নানির সঙ্গে যমুনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।’

ঝালকাঠিতে দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার, অপরজন নিখোঁজ

অন্যদিকে, ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার বৈচণ্ডী গ্রামে জুবায়ের ইসলাম নামের ছয় বছরের এক মাদ্রাসা ছাত্র পানিতে ডুবে মারা গেছে।

নিহত জুবায়ের নলছিটি পৌর এলাকার মারকাযুল কুরআন মাদ্রাসায় দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়াশুনা করত। সে ওই গ্রামের মনিরুজ্জামান গাজীর ছেলে।

নিহত শিশুটির বাবা মনিরুজ্জামান জানান, শনিবার বেলা ১১টার দিকে জুবায়েরকে বাসায় দেখতে না পেয়ে বাড়ির সবাই খুঁজতে থাকে। খুঁজতে খুঁজতে পার্শ্ববর্তী একটি মাছের ঘেরের পাশে তার পায়ের জুতা পাওয়া যায়। পরবর্তীতে ঘের থেকেই তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এছাড়া, একই উপজেলার কলবাড়ি নামক স্থানে সুগন্ধা নদীতে নিখোঁজ হয়েছে নলছিটি বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র আদিত্য চক্রবর্তী।

নিখোঁজ হওয়া আদিত্য বাদুরতলা সড়কের আদর ষ্টুডিওর সত্ত্বাধিকারী শিমুল চক্রবর্তীর ছেলে।

নিখোঁজের বাবা শিমুল চক্রবর্তী জানান, চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে পরিবারের সঙ্গে গঙ্গাস্নান করতে যায় ছেলেটি। একপর্যায়ে হঠাৎ করে নদীতে তলিয়ে নিখোঁজ হয় সে।

শনিবার সকালে এ ঘটনার পর থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও স্থানীয়রা উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন। সন্ধ্যা পর্যন্ত শিশুটির সন্ধান মেলেনি।

এ দুই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নলছিটি থানার ওসি মো. মুরাদ আলী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘থানা পুলিশের কর্মকর্তারা পৃথক দুটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। নিখোঁজের সন্ধানে দমকল বাহিনীর ডুবুরিদের সহযোগিতা করছে পুলিশ।’

মন্তব্য

p
উপরে