× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Terrorists threatened to kill his wife 11 times in two years
google_news print-icon
আওয়ামী লীগ নেতা টিপু হত্যা

স্ত্রীকে দুই বছরে ১১ বার হত্যার হুমকি সন্ত্রাসীদের!

স্ত্রীকে-দুই-বছরে-১১-বার-হত্যার-হুমকি-সন্ত্রাসীদের
স্বামী জাহিদুল ইসলাম টিপুর সঙ্গে এই ছবি ফারহানা ইসলাম ডলির কাছে আজ কেবলই স্মৃতি। ফাইল ছবি
জাহিদুল ইসলাম টিপুর স্ত্রী ফারহানা ইসলাম ডলি বলেন, ‘স্বামী হত্যার পরিকল্পনাকারী মুসার গডফাদাররা এখনও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত। তাদের অনেকেই জামিনে বের হয়ে আমাকে সপরিবারে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করছে। একের পর এক হুমকি দিচ্ছে। এসব ঘটনায় ১১টি জিডি করেছি। নিরাপত্তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকেও চিঠি লিখেছি।’

‘সন্ত্রাসীরা দুই বছর আগে আমার স্বামীকে গুলি করে হত্যা করেছে। তারপর থেকে আমার পেছনে লেগেছে। এমনকি ওরা আমার সন্তানকেও ছাড়ছে না। আমাদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।

‘রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় করতে এলাকায় আমার নামে মিথ্যা পোস্টার টানিয়েছে। বার বার সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেও নিজেকে নিরাপদ মনে করতে পারছি না।’

শুক্রবার এভাবেই সন্তানসহ নিজের জীবন সংশয়ের শঙ্কার কথা বলছিলেন মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপুর স্ত্রী ফারহানা ইসলাম ডলি। তার স্বামীকে ২০২২ সালের ২৪ মার্চ রাতে রাজধানীর শাহজাহানপুর আমতলা এলাকায় গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।

ডলি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘স্বামী হত্যার পরিকল্পনাকারী মুসার গডফাদাররা এখনও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত। তাদের অনেকেই জামিনে বের হয়ে আবারও আমাকে সপরিবারে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করছে। এ নিয়ে গত দু’বছরে ১১ বার হুমকি দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এসব ঘটনায় ১১টি জিডি করেছি। প্রতিটি হুমকির বিষয়ে ডিবি ও থানা পুলিশকে অবহিত করেছি।’

সবশেষ জিডির বিষয়ে জানতে চাইলে শাহজাহানপুর থানার ওসি সুজিত কুমার সাহা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তার নামে এলাকায় মিথ্যা পোস্টার টানানোর অভিযোগ পেয়ে তদন্ত চলছে। আর তাকে হুমকিদাতাদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।’

মতিঝিল বিভাগ ও ডিবি পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, স্বামীর টিপুর হত্যাকারী ও তাদের সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরেই নিহতের স্ত্রীকে হুমকি দিয়ে আসছে। এখন ওই চক্রের সদস্যরা এলাকায় পোস্টার টানিয়ে মিথ্যা তথ্যের অপপ্রচার চালাচ্ছে। দুর্বৃত্তরা তাকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করছে- এমন অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টির তদন্ত চলছে।

মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ডলি আরও বলেন, ‘ওরা আমাকে সুস্থ থাকতে দিচ্ছে না। পোস্টারে যেসব মিথ্যা তথ্য দিয়েছে, তা আমার সন্তানদের জন্যও অসম্মানজনক।

‘আমার স্বামীকে হত্যার পরিকল্পনাকারীরাই বার বার আমাকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। মূলত স্বামীর হত্যাকারীদের আসামি করে মামলা করার পাশাপাশি বিচার চাওয়ায় স্থানীয় প্রভাবশালী চক্র আমাকে এই হুমকি দিচ্ছে। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের অনেকেই এখন জামিনে রয়েছে।’

শাহজাহানপুর থানায় সবশেষ ২০ জানুয়ারি জিডি করেন ফারহানা ইসলাম ডলি। তাতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমার স্বামী হত্যা মামলার অনুসারীরা বিভিন্নভাবে আমার নামে মিথ্যা বানোয়াট কিছু কথা লিফলেট আকারে ছাপিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বিলি করছে। তারা পোস্টারে আমার নামে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করছে।’

নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জীবন নিয়ে এভাবে আশঙ্কার কথা প্রকাশ করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংরক্ষিত ওয়ার্ড ৪-এর আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর ফারহানা ইসলাম ডলি বলেন, ‘বার বার হুমকি পেয়ে বাধ্য হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেছি। ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারকেও আবেদনের একটি কপি দিয়েছি। জিডির বিষয়ে জানিয়েছি।

‘তদন্তে কে বা কারা জড়িত, এর সবই জানা গেছে। অথচ আসামির তালিকায় থাকা অনেকে এখনও প্রকাশ্যে স্বাভাবিকভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে পাঠানো আবেদনের বিষয়ে ফারহানা ডলি বলেন, দুই সন্তান ও আমার জীবনের নিরাপত্তা চেয়েছি। সে সঙ্গে স্বামী হত্যার বিচার চেয়েছি। এছাড়া সম্প্রতি ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) হাবিবুর রহমানের সঙ্গে দেখা করে নিরাপত্তা চেয়েছি।’

পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) তদন্ত-সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ফারহানাকে বিভিন্ন সময়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে হুমকি দেয়ার অভিযোগ পেয়ে আমরাও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি।’

ডিবিপ্রধানের কাছেও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেছেন বলে তিনি জানান। এরপরও হুমকি থেমে নেই।

ফারহানা বলেন, ‘আমি নিজে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করি। এরপরও পরিবারের সদস্যসহ হত্যার হুমকি পাওয়াটা খুবই বেদনাদায়ক।’

এর আগে গত বছরের ১ এপ্রিল শাহজাহানপুর থানায় করা জিডিতে ফারহানা উল্লেখ করেন, তমাল পরিচয়ে এক ব্যক্তি তাকে মোবাইল ফোনে হুমকি দিয়ে তার বাসার ঠিকানা জানতে চেয়ে বলেছে, পুলিশের কাছে তার নাম বলাটা ভালো হয়নি। এর আগে গত বছরের ২৫ ও ৩০ মার্চ একই নম্বর থেকে ফোন করে বাসার ঠিকানা জানতে চেয়ে তাকে হুমকি দেয়া হয়।

ডলি বলেন, ‘গত বছরের ২০ আগস্ট সকাল ১১টা ২৩ মিনিটে আশিক নামে এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে হুমকি দিয়ে মামলা থেকে সোহেল শাহরিয়ার, মারুফ রেজা ওরফে সাগর, মারুফ আহমেদ ওরফে মনসুর ও আশরাফ তালুকদারের নাম বাদ দেয়ার জন্য চাপ দেয়। ওই ব্যক্তি সে সময় পরিবারের আরও অনেকের লাশ ফেলারও হুমকি দেয়। এ ঘটনায় বহিষ্কৃত আওয়ামী লীগ নেতারাও জড়িত রয়েছে। তারা নেপথ্যে থেকে হুমকি দিচ্ছে।’

এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টিপু হত্যার পর এলাকার রাজনৈতিক পরিবেশ স্বাভাবিক নেই। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা বলেন, টিপু অনেক ভাল নেতা ছিলেন। তিনি এলাকার মানুষের খুব কাছের ছিলেন। এলাকায় এখনও সন্ত্রাসীদের তৎপরতা রয়েছে। অনেক শীর্ষ সন্ত্রাসীর সহযোগী এই এলাকায় অবস্থান করছে। তারা এর আগেও অনেক রাজনৈতিক নেতাকে হত্যা করেছে।

ফারহানার অভিযোগের সূত্র ধরে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই মামলায় ৩৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে তদন্তকারী সংস্থা ডিবি। হত্যার পরিকল্পনাকারী সুমন শিকদার ওরফে মুসা, ‘শুটার’ মাসুম মোহাম্মদ আকাশ ও নাসির উদ্দিন ওরফে মানিক আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

সুমনের দেয়া জবানবন্দিতে টিপু হত্যার ঘটনায় ১৬ জনের নাম এসেছে। তারা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।

হত্যাকাণ্ডের পর দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া সুমন শিকদারকে গত বছরের ৯ জুন ওমান থেকে ফিরিয়ে আনে পুলিশ। এরপর তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ রাতে শাহজাহানপুরে যানজটে আটকা পড়া মাইক্রোবাসে থাকা টিপুকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ সময় সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি গুলিতে পাশে রিকশায় থাকা বদরুন্নেছা কলেজের শিক্ষার্থী সামিয়া আফরান জামাল প্রীতিও নিহত হন। এই হত্যার ঘটনায় টিপুর স্ত্রী ফারহানা শাহজাহানপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। বছরখানেক আগে মামলার চার্জশিট দেয়া হলেও বিচারাধীন মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম এখনও শুরু হয়নি।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Schoolboy dies after falling from brick laden tractor

ইটবোঝাই ট্রাক্টর থেকে পড়ে যাওয়া স্কুলছাত্রের মৃত্যু

ইটবোঝাই ট্রাক্টর থেকে পড়ে যাওয়া স্কুলছাত্রের মৃত্যু ছবি: সংগৃহীত
নিহতের দুলাভাই বিজয় অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রতিবেশি হাবিবুল্লাহ টাকার লোভ দেখিয়ে বাড়ি থেকে তাকে একপ্রকার জোর করে ডেকে নিয়ে যায়। বুধবার সকাল ৮টায় দুর্ঘটনা ঘটলেও হেদায়েত উল্লাহ বিষয়টি লুকিয়ে রাখেন।’

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে ইটবোঝাই ট্রাক থেকে পড়ে এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। নিহত শিক্ষার্থী ভৈরব উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া এলাকার প্রবাসী মোহাম্মাদ আলীর ১৪ বছরের ছেলে মেহেদী হাসান মৃদুল।

বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।

স্থানীয় ও মৃদুলের স্বজনরা জানান, সে কালিকাপ্রসাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত ১০ এপ্রিল প্রতিবেশি ট্রাক্টর মালিক হাবিবুল্লাহর ভাই হেদায়েত উল্লাহ নামের এক ব্যক্তি মৃদুলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে জেলার কুলিয়ারচর উসমানপুর এলাকায় ট্রাক্টর থেকে পড়ে গিয়ে গুরুত্বর আহত হয় সে। এ সময় স্থানীয়রা তাকে বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

নিহতের দুলাভাই বিজয় অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রতিবেশি হাবিবুল্লাহ টাকার লোভ দেখিয়ে বাড়ি থেকে তাকে একপ্রকার জোর করে ডেকে নিয়ে যায়। বুধবার সকাল ৮টায় দুর্ঘটনা ঘটলেও হেদায়েত উল্লাহ বিষয়টি লুকিয়ে রাখেন। এরপর বেলা ১২টায় অন্য মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা বাজিতপুর হাসপাতালে যাই। সেখান থেকে ডাক্তার তাকে ঢাকায় প্রেরণ করে। পরে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয়।’

এ বিষয়ে কুলিয়ারচর থানা ওসি মো. সারোয়ার জাহান বলেন, ‘নিহতের মরদেহ ময়তদন্ত শেষে ভৈরবে আনতে বলা হয়েছে। এই বিষয়ে নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
টেকনাফে পিটুনিতে আহত ব্যবসায়ীর মৃত্যু
নওগাঁয় অতিরিক্ত মদ পানে তিন বন্ধুর মৃত্যু: চিকিৎসক
গুলশানে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় ইউনাইটেড হাসপাতালের কর্মী নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Woman killed by lover in Panchgarh

পঞ্চগড়ে প্রেমিকের হাতে নারী খুন

পঞ্চগড়ে প্রেমিকের হাতে নারী খুন ফাইল ছবি
শাহনাজের স্বামী মজিদ গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন স্থানে কাজ করার সুবাদে দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় থাকতেন। বছর দুয়েক আগে প্রতিবেশী রাজুর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন শাহনাজ। একসময় অজানা কারণে তাদের প্রেম ভেঙ্গে যায়।

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে প্রেমিকের হাতে শাহনাজ পারভীন নামে এক নারী খুন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। দুই সন্তানের মা ওই নারীকে হত্যার পর ওই যুবক পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ঈদের সকালে দেবীগঞ্জ উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নের মতিয়ারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

২৫ বছর বয়সী শহনাজ পরভীন ওই এলাকার আব্দুল মজিদের স্ত্রী। এ দম্পতির ঘরে ৬ বছরের একটি মেয়ে ও একটি ৪ মাস বয়সী এক সন্তান রয়েছে।

স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, শাহনাজের স্বামী মজিদ গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন স্থানে কাজ করার সুবাদে দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় থাকতেন। বছর দুয়েক আগে প্রতিবেশী রাজুর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন শাহনাজ। একসময় অজানা কারণে তাদের প্রেম ভেঙ্গে যায়।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে স্বামীসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা ঈদের নামাজ পড়তে ঈদগাহে গেলে আগে থেকে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঁৎ পেতে থাকা রাজু শাহনাজের বাড়িতে যান। সেখানে শাহনাজের বড় মেয়ের সামনেই শয়নকক্ষে প্রবেশ করে তাকে ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় গলা কেটে শুহনাজের মৃত্যু হয়।

এদিকে শিশুটির কান্না ও চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে গিয়ে শাহনাজের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান। পরে তারা পুলিশে খবর দেন।

দেবীগঞ্জ থানার ওসি সরকার ইফতেখারুল মোকাদ্দেম বলেন, ‘মরদেহের পাশ থেকে একটি রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। পলাকত রাজুকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে একইসঙ্গে আইনগত বিষয়ও প্রক্রিয়াধীন।’

আরও পড়ুন:
পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংকে মিলল নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ
ঈদে বাড়ি যেতে দেরি হওয়ায় স্বামীর সঙ্গে অভিমানে গৃহবধূর আত্মহত্যা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Case in Sadarghat 5 deaths

সদরঘাটে ৫ প্রাণহানির ঘটনায় মামলা

সদরঘাটে ৫ প্রাণহানির ঘটনায় মামলা সদরঘাট টার্মিনালের পন্টুনে দুই লঞ্চের মধ্যে ধাক্কা লেগে রশি ছিঁড়ে পাঁচ যাত্রীর মৃত্যু হয়। ছবি: নিউজবাংলা
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের যুগ্মপরিচালক ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে এ মামলা করেছেন।

রাজধানীর সদরঘাট টার্মিনালের পন্টুনে দুই লঞ্চের মধ্যে ধাক্কা লেগে রশি ছিঁড়ে পাঁচ যাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের যুগ্মপরিচালক ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে এ মামলা করেছেন।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি জানিয়েছেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মামুন অর-রশিদ।
তিনি জানান, দুই লঞ্চের মাষ্টার ও ম্যানেজারসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলায় অবহেলাজনিত বেপরোয়া গতিতে লঞ্চ চালানোর কারণে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ আনা হয়েছে।

ওসি জানান, এর আগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এই পাঁচজনকে আটক করা হয়। এই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- এমভি ফারহান-৬ লঞ্চের প্রথম শ্রেণির মাষ্টার (চালক) আব্দুর রউফ হাওলাদার (৫৪), দ্বিতীয় শ্রেণির মাষ্টার (চালক) সেলিম হাওলাদার (৫৪), ম্যানেজার ফারুক খান (৭০), এমভি তাসরিফ-৪ লঞ্চের প্রথম শ্রেণির মাষ্টার (চালক) মিজানুর রহমান (৪৮), দ্বিতীয় শ্রেণির মাষ্টার (চালক) মনিরুজ্জামান (২৮)।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ডিউটি অফিসার এসআই মোদাচ্ছের হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। ঢাকা নদী বন্দরের নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক ইসমাইল হোসাইন বাদী হয়ে মামলা করেন।

মামলার এজহারে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ২টা ৫৫ মিনিটে সদরঘাট টার্মিনালের ১১ নম্বর পল্টুনে এমভি তাসরিফ-৪ নোঙর করে থাকা অবস্থায় এমভি ফারহান-৬ এর চালক বেপরোয়া গতিতে লঞ্চ চালিয়ে ১১ নম্বর পন্টুনে ঢোকার সময় তাসরিফ লঞ্চকে ধাক্কা দেয়। এতে তাসরিফ লঞ্চের রশি ছিঁড়ে যায়। সেটি দ্রুত গতিতে এসে পন্টুনে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের আঘাত করলে তারা নদীতে পড়ে যায়। এতে এক পরিবারের তিনজনসহ ৫ যাত্রীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ফারহান এবং তাসরিফ লঞ্চের দায়িত্ব অবহেলা আছে।

মিডফোর্ড হাসপাতালে লাশের সুরতহালের দায়িত্বে থাকা সদরঘাট নৌ থানার এসআই কুমারেশ ঘোষ জানান, এক লঞ্চকে আরেক লঞ্চ ধাক্কা দেয়। ওই ধাক্কায় লঞ্চের মোটা রশি ছিঁড়ে মানুষের গায়ে ধাক্কা লেগেছে। আর এতেই হতাহতের ঘটনা ঘটে। মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঢাকা নদীবন্দর সদরঘাটে দায়িত্বে থাকা বিআইডব্লিউটিএ এর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন বলেন, ফারহান-৬ লঞ্চটি জোরে পার্কিং করতে যাওয়ায় তাসরিফের রশি ছিঁড়ে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা হবে। এ দুর্ঘটনার পর এমভি ফারহান ও এমভি টিপুর যাত্রা বাতিল করেছে বিআইডব্লিউটিএ। এ ঘটনায় আমরা মামলা করেছি।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের ১১ নম্বর পন্টুনের সামনে ঢাকা থেকে ভোলাগামী এমভি তাশরিফ-৪ ও এমভি টিপু-১৩ নামে দুটি লঞ্চ রশি দিয়ে পন্টুনে নোঙর করা ছিল। লঞ্চ দুটির মাঝখান দিয়ে ফারহান নামের আরেকটি লঞ্চ প্রবেশের চেষ্টা চালায়। এ সময় এম ভি ফারহান-৬ লঞ্চটি এম ভি টিপু-১৩ কে সজোরে ধাক্কা দেয়। পরবর্তীতে এম ভি টিপু-১৩ ধাক্কা দেয় এম ভি তাসরিফ-৪-কে। এ সময় এমভি তাসরিফ-৪ লঞ্চের রশি ছিঁড়ে যায়।

ছিঁড়ে যাওয়া সেই দড়িটিই পন্টুনের আশপাশে থাকা পাঁচজনকে সজোরে আঘাত করে। সেখানে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে মিডফোর্ড হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানকার জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতরা হলেন- পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার মাটিচোরা গ্রামের মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে বিল্লাল (৩০), তার স্ত্রী মুক্তা (২৬), তাদের মেয়ে সাইমা (৩)। তারা তিনজন একই পরিবারের সদস্য। বাকি দুজন হলেন পটুয়াখালী সদরের জয়নাল আবেদিনের ছেলে রিপন হাওলাদার (৩৮) এবং ঠাকুরগাঁও সদরের নিশ্চিতপুর এলাকার আব্দুল্লাহ কাফীর ছেলে রবিউল (১৯)।

এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ। বিআইডব্লিউটিএর ক্রয় ও সংরক্ষণ পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম কমিটির আহ্বায়ক, নৌ সংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো. আজগর আলী এবং বন্দর শাখার যুগ্ম পরিচালক মো. কবীর হোসেন কমিটির সদস্য।

কমিটি আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএ'র চেয়ারম্যানের কাছে প্রতিবেদন পেশ করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়াও বিআইডব্লিউটিএর পক্ষ হতে প্রতি মৃত ব্যক্তির নমিনির কাছে দাফন-কাফন বাবদ ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মোটরসাইকেলে ঘুরতে বের হওয়া ৪ কিশোরের প্রাণ গেল সড়কে
সদরঘাটে দুর্ঘটনা: দুই লঞ্চের মাস্টার ম্যানেজারসহ পাঁচজন আটক
সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনা তদন্তে কমিটি, দুই লঞ্চের রুট পারমিট বাতিল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Death of businessman injured in beating in Teknaf

টেকনাফে পিটুনিতে আহত ব্যবসায়ীর মৃত্যু

টেকনাফে পিটুনিতে আহত ব্যবসায়ীর মৃত্যু কক্সবাজারের টেকনাফে মারধরে নিহত হন জুতা ব্যবসায়ী সাবের। ছবি: সংগৃহীত
টেকনাফ মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ ওসমান গনি বলেন, এ ঘটনায় সাবেরের বড় ভাই বাদী হয়ে অভিযোগ দিয়েছেন। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আটকে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভায় পিটুনিতে আহত এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।

চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

মারধরে প্রাণ হারানো ব্যবসায়ীর নাম মোহাম্মদ সাবের (৩৫), যিনি টেকনাফ পৌরসভার দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

টেকনাফ পৌরসভা বার্মিজ মার্কেটে জুতার দোকান ছিল সাবেরের।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে বৃহস্পতিবার সাবেরের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

এ ঘটনায় তার বড় ভাই মৌলভী মোহাম্মদ সাদেক বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় একটি অভিযোগ করেছেন।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩ এপ্রিল সন্ধ্যায় কথাকাটাকাটির জেরে টেকনাফ পৌরসভার জালিয়াপাড়ার বাসিন্দা মো. ইয়াসিনের নেতৃত্বে কয়েকজন মিলে সাবেরকে দোকান থেকে বাইরে এনে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করেন। পরে সাবেরকে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার রাতে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য আরেকটি হাসপাতালে নেয়ার পথে সাড়ে ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

সাবেরের বড় ভাই মৌলভী সাদেক বলেন, ‘মারা যাওয়ার আগে আমার ভাই হামলার বর্ণনা দিয়েছেন। হামলারকারীদের নেতৃত্বে ছিলেন মোহাম্মদ ইয়াসিন।

‘এ ঘটনায় হয়ে একটি অভিযোগ করা হয়েছে। ইয়াসিনকে প্রধান করে একটি হত্যা মামলা করা হবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে টেকনাফ মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ ওসমান গনি বলেন, এ ঘটনায় সাবেরের বড় ভাই বাদী হয়ে অভিযোগ দিয়েছেন। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আটকে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

আরও পড়ুন:
নওগাঁয় অতিরিক্ত মদ পানে তিন বন্ধুর মৃত্যু: চিকিৎসক
পুলিশ হেফাজতে সাবেক যুবদল নেতার মৃত্যু, ওষুধ খেতে না দেয়ার অভিযোগ পরিবারের
মাগুরায় চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ নদীতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু
দুর্বৃত্তের হামলায় পা বিচ্ছিন্ন হওয়া যুবকের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Three friends died of excess alcohol consumption in Naogaon Doctor

নওগাঁয় অতিরিক্ত মদ পানে তিন বন্ধুর মৃত্যু: চিকিৎসক

নওগাঁয় অতিরিক্ত মদ পানে তিন বন্ধুর মৃত্যু: চিকিৎসক মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ছবি: নিউজবাংলা
মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার আনন্দ কুমার বলেন, ‘বিকেল সাড়ে পাঁচটায় যখন তিনজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, তার আগেই মারা যায়। তারা অতিরিক্ত মদ পানের কারণেই মারা গেছেন।’

নওগাঁর মান্দায় অতিরিক্ত মদ পানে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন চিকিৎসক।

উপজেলার ভারশোঁ ইউনিয়নের বিল উথরাইলের তালতলিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর অসুস্থ হয়েছেন, যাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রাণ হারানো তিনজন হলেন মান্দার ভারশোঁ ইউনিয়নের পাকুরিয়া গ্রামের সারিকুল ইসলাম (১৮), আশিক (১৮) ও প্রসাদপুর ইউনিয়নের দারিয়াপুর গ্রামের নিশাত (১৭)।

অসুস্থ ব্যক্তির বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ঈদকে কেন্দ্র করে দারিয়াপুর গ্রামের নিশাত পাকুরিয়া গ্রামে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে যান। ওই সময় সারিকুল ইসলাম, আশিক ও নিশাতসহ কয়েকজন উপজেলার ভারশোঁ ইউনিয়নের বিল উথরাইলের তালতলিতে বাংলা মদের সঙ্গে কিছু মিশিয়ে পান করেন। এতে বিষক্রিয়ায় ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়।

অপরজনকে গুরুতর অবস্থায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

মান্দা থানার ওসি কাজী মোজাম্মেল হক তিনজনের প্রাণহানির বিষয়টি জানিয়ে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বাংলা মদ পানে বিষক্রিয়ায় এমনটা হতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেয়া হয়েছে।’

এ বিষয়ে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার আনন্দ কুমার বলেন, ‘বিকেল সাড়ে পাঁচটায় যখন তিনজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, তার আগেই মারা যায়। তারা অতিরিক্ত মদ পানের কারণেই মারা গেছেন।

‘আর অপরজনকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তার অবস্থাও গুরুতর বলে শুনেছি।’

আরও পড়ুন:
দুর্বৃত্তের হামলায় পা বিচ্ছিন্ন হওয়া যুবকের মৃত্যু
বাঁশখালীতে পুকুরে ডুবে দুই শিশু নিহত
সোমালিয়ায় জিম্মি সাইদুজ্জামানের পরিবারকে ঈদ উপহার নওগাঁর ডিসির
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ছয়জনের মৃত্যু: পবিসের তিন কর্মকর্তা বরখাস্ত
নওগাঁয় গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Five passengers were killed in a collision between two launches at Sadarghat

সদরঘাটে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে পাঁচ যাত্রী নিহত

সদরঘাটে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে পাঁচ যাত্রী নিহত কোলাজ: নিউজবাংলা
দুই লঞ্চের মাঝে ফারহান নামের আকেটি লঞ্চ ঢুকতে গেলে প্রবল ধাক্কায় এমভি তাশরিফ ৪-এর রশি ছিঁড়ে যায়। ওই রশির ধাক্কায় এক নারী ও এক শিশুসহ লঞ্চে উঠতে যাওয়া পাঁচ যাত্রী গুরুতর আহত হন।

রাজধানীতে একটি লঞ্চে যাত্রী ওঠানোর সময় আরেকটি লঞ্চের ধাক্কায় ছেঁড়া রশির আঘাতে নারী ও শিশুসহ পাঁচ যাত্রী নিহত হয়েছেন।

সদরঘাটের ১১ নম্বর পন্টুনে বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিসের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞিপ্তিতে বলা হয়, সদরঘাটের ১১ নম্বর পন্টুনে এমভি তাশরিফ ৪ ও এমভি পূবালী ১ নামের দুটি লঞ্চ রশি দিয়ে বাঁধা ছিল। এমভি তাশরিফ ৪-এ যাত্রী ওঠানোর সময় ফারহান নামের আরেকটি লঞ্চ ঘাটে ভিড়তে চেষ্টা করে। এ সময় ফারহান দুই লঞ্চের মাঝে ঢুকতে গেলে প্রবল ধাক্কায় এমভি তাশরিফ ৪-এর রশি ছিঁড়ে যায়। ওই রশির ধাক্কায় এক নারী ও এক শিশুসহ লঞ্চে উঠতে যাওয়া পাঁচ যাত্রী গুরুতর আহত হন।

পরে ফায়ার সার্ভিস তাদের উদ্ধার করে মিটফোর্ড হাসপাতালে পৌঁছে দিয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

পরে সদরঘাট নৌ থানার ওসি আবুল কালাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হাসপাতালে নেয়ার পর পাঁচজনকেই মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

আরও পড়ুন:
শেষ কর্মদিবসে সদরঘাট ছেড়েছে যাত্রীভর্তি লঞ্চ
সদরঘাটে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়
ভোলাগামী ওয়াটার বাসে আগুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Body of missing madrasa student found in abandoned septic tank

পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংকে মিলল নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ

পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংকে মিলল নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ মারুফ স্থানীয় হাফিজিয়া মাদরাসার ছাত্র ছিল। ছবি: সংগৃহীত
গত ৫ এপ্রিল ঝুরঝুরি বাজার থেকে মাদ্রাসাছাত্র মারুফ হোসেন নিখোঁজ হয়।

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে নিখোঁজ হওয়ার পাঁচদিন পর পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংক থেকে মারুফ হোসেন নামে এক মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

এ ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে।

জেলার তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের ঝুরঝুরি বাজারের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মারুফ তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের ঝুরঝুরি গ্রামের মোশাররফ হোসেনের ছেলে ও স্থানীয় হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র ছিল।

এ ঘটনায় আটককৃতরা হলেন ঝুরঝুরি গ্রামের ৪৮ বছর বয়সী মো. আবুল হাশেম হাসু, ৪৫ বছর বয়সী রফিকুল ইসলাম, ২২ বছর বয়সী আল আমিন হোসেন, ওমর ফারুক ও কাওছার হোসেন।

পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংকে মিলল নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ

মরদেহ উদ্ধারের পর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব-১২ অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মারুফ হোসেন বিপিএম জানান, গত ৫ এপ্রিল ঝুরঝুরি বাজার থেকে মাদরাসা ছাত্র মারুফ হোসেন নিখোঁজ হয়। এর পরদিন তাড়াশ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও র‌্যাব-১২ হেডকোয়ার্টারে অভিযোগ করেন নিখোঁজ ছাত্রের বাবা। অভিযোগ পাওয়ার পর দফায় দফায় অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করা হয়। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে মারুফকে হত্যা করে মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয়া হয়েছে বলে জানান আটককৃতরা।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ওই কিশোরকে অপহরণ করার পর থেকে তার বাবার কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল। তাকে হত্যা করার পরও মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছে। ঘটনাটি বিশেষভাবে তদন্ত করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
ঈদে বাড়ি যেতে দেরি হওয়ায় স্বামীর সঙ্গে অভিমানে গৃহবধূর আত্মহত্যা
কুমিল্লায় অপহরণের পর যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, সাবেক চেয়ারম্যান আটক

মন্তব্য

p
উপরে