× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
On the request of DC the board of education issued the admit cards of 14 students in the night
google_news print-icon

ডিসির অনুরোধে পরীক্ষার আগের রাতে প্রবেশপত্র পেলেন ১৪ শিক্ষার্থী

ডিসির-অনুরোধে-পরীক্ষার-আগের-রাতে-প্রবেশপত্র-পেলেন-১৪-শিক্ষার্থী-
ডিসির অনুরোধে পরীক্ষার আগের রাতে প্রবেশপত্র পেলেন ১৪ শিক্ষার্থী। ছবি: নিউজবাংলা
শ্রীবরদীর ইউএনও ফৌজিয়া নাজনীন বলেন, ‘ডিসি স্যারের হস্তক্ষেপে এবং বোর্ড কর্তৃপক্ষের বিশেষ ব্যবস্থায় সমস্যার সমাধান হয়েছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। পরবর্তীতে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ যারা এর জন্য দায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

শেরপুরের শ্রীবরদীতে একটি স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার আগের দিন এসেও প্রবেশপত্র‍ হাতে না পেয়ে প্রধান শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রেখেছিলেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়রা। দিনভর এমন পরিস্থিতির পর অবশেষে রাতে জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে ছাড় মেলে ওই প্রধান শিক্ষকের।

এক পর্যায়ে পরীক্ষার আগের রাতে জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল খায়রুমের অনুরোধে প্রবেশপত্র না পাওয়া শ্রীবরদীর চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার ১৪ শিক্ষার্থীকে রাতেই প্রবেশপত্র দেয় শিক্ষা বোর্ড।

স্থানীয়রা জানান, শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার গবরীকুড়া আকন্দ কলম আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে বুধবার সকালে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র নিতে যান শিক্ষার্থীরা। অনেক শিক্ষার্থী প্রবেশপত্র হাতে পেলেও ১৪ পরীক্ষার্থী এদিন প্রবেশপত্র হাতে পাননি। এ কথা ছড়িয়ে পড়ে সবার মাঝে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়রা ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলামকে তার কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখেন। বিকেল থেকে স্কুল মাঠে তারা বিক্ষোভও করেন। খবর পেয়ে রাতেই শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে আনেন। এ খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার হলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল খায়রুম ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কন্ট্রোলারকে বিশেষ ব্যবস্থায় এসব শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করেন। তার অনুরোধে রাতেই শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে উপজেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি ও প্রধান শিক্ষকের হাতে প্রবেশপত্র হস্তান্তর করা হয়। এতে এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে।

এসএসসি পরীক্ষার্থীর বাবা আফরোজ আলী বলেন, ‘এডমিট নিয়া ভেজাল হইছিল তাই আমরা প্রথম আন্দোলন করেছিলাম। ইউএনও স্যারের অনুরোধে তা বাদ দিয়েছিলাম। রাতের মধ্যেই সন্তানের এডমিট পাইছি। খুব খুশি লাগতাছে।’

আরেক শিক্ষার্থীর বাবা ওয়াহেদ আলী বলেন, ‘ডিসি স্যার, বোর্ডের অফিসার ও ইউএনও স্যারদের আল্লাহ ভালো করুক। এডমিট না পাইলে এডা বছর শেষ হইয়া যাইতো।

প্রবেশপত্র হাতে পেয়ে এমন প্রতিক্রিয়া অন্যান্য পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।

এদিকে প্রবেশপত্র প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফৌজিয়া নাজনীন।

তিনি বলেন, ‘ডিসি স্যারের হস্তক্ষেপে এবং বোর্ড কর্তৃপক্ষের বিশেষ ব্যবস্থায় সমস্যার সমাধান হয়েছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। পরবর্তীতে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ যারা এর জন্য দায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
‘শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ কমাতে’ এসএসসির কেন্দ্রে যাবেন না শিক্ষামন্ত্রী
এসএসসি: কোন পরীক্ষা কবে
এসএসসি পরীক্ষা শুরু ১৫ ফেব্রুয়ারি
এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল
পুনঃনিরীক্ষণে বরিশাল বোর্ডে ১৭১ শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Minister hopes black market of train tickets will be closed forever

ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি চিরতরে বন্ধ হবে, আশা মন্ত্রীর

ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি চিরতরে বন্ধ হবে, আশা মন্ত্রীর প্রতীকী ছবি
মন্ত্রী বলেন, ‘একসময় ট্রেনের টিকেটে কালোবাজারি থাকলেও বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর কালোবাজারি বন্ধ হয়েছে। আশা করি চিরতরে কালোবাজারি বন্ধ হয়ে যাবে।’

সরকারের তৎপরতায় ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি বন্ধ হয়েছে বলে দাবি করেছেন রেলপথমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম।

মুক্তিযুদ্ধকালীন রণাঙ্গনের স্মৃতি বিজড়িত মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ষলোটাকা গ্রাম পরিদর্শনকালে শুক্রবার সন্ধ্যায় এক প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এমন দাবি করেন বলে বাসসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘একসময় ট্রেনের টিকেটে কালোবাজারি থাকলেও বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর কালোবাজারি বন্ধ হয়েছে। আশা করি চিরতরে কালোবাজারি বন্ধ হয়ে যাবে।’

মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গণের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যুদ্ধের সময় আমি এই ষলোটাকা গ্রামে রাতযাপনও করেছি। দেশ স্বাধীনতার বড় একটা ভূমিকা ছিল এই গ্রামের মানুষের।’

চুয়াডাঙ্গার দর্শনা হয়ে মুজিবনগর থেকে মেহেরপুর রেললাইন স্থাপনের অগ্রগতির বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এ রেললাইন স্থাপনকাজ দ্রুত শুরু হবে।

রেলপথমন্ত্রী সড়কপথে দুপুরে মেহেরপুরে পৌঁছালে মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনের সংসদ সদস্য ডা. আবু সালেহ মো. নাজমুল হক সাগর তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। ওই সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ খালেক ও গাংনী পৌরসভার মেয়র আহম্মেদ আলী।

আরও পড়ুন:
ঝালকাঠির নলছিটিতে থামবে ট্রেন, দখিনা জনপদে হচ্ছে ১২টি স্টেশন
ফেনীতে ট্রাক-ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৬
ফেনীতে রেল ক্রসিং পার হতে গিয়ে ট্রাক-ট্রেন সংঘর্ষ, নিহত ২
মুন্সীগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে গরু ব্যবসায়ীর মৃত্যু
ঈদযাত্রায় চট্টগ্রাম থেকে চলবে চার জোড়া বিশেষ ট্রেন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The bodies of two missing Dhaka Bank officials have been recovered from the river in Munshiganj

মুন্সীগঞ্জে নদীতে নিখোঁজ ঢাকা ব্যাংক কর্মকর্তাসহ দুজনের মরদেহ উদ্ধার

মুন্সীগঞ্জে নদীতে নিখোঁজ ঢাকা ব্যাংক কর্মকর্তাসহ দুজনের মরদেহ উদ্ধার প্রতীকী ছবি
টঙ্গিবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মোস্তফা কামাল বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে আমাদের টিম ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায়। ঢাকা থেকে ইতোমধ্যেই প্রশিক্ষিত ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছে একজন।’

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার দিঘীরপাড় এলাকায় পদ্মার শাখা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ঢাকা ব্যাংকের এক কর্মকর্তাসহ দুজনের মরদেহ শুক্রবার উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস।

ঘটনাস্থলের অদূরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল রাত সাড়ে আটটার দিকে ব্যাংক কর্মকর্তা জুয়েল রানা ও রিয়াদ আহমেদ রাজু নামের দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

এখনও নিখোঁজ রয়েছে রিয়াদ আহমেদ রাজুর ছেলে রামিন আরিদ (১৬)।

উদ্ধার হওয়া দুজনের মধ্যে জুয়েল ঢাকা ব্যাংকের গুলশান শাখার কর্মকর্তা ছিলেন, তবে তার পদবি জানা যায়নি। জুয়েলের ভাইরা রিয়াদ আহমেদ রাজুর বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি। দুজনই ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকায় থাকতেন।

পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, জুয়েল, রাজু ও রামিন টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বেসনাল এলাকায় তাদের স্বজন আলম মোল্লার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ট্রলারে করে ৩০ থেকে ৩৫ জন দিঘীরপাড় ইউনিয়নের ধানকোড়া এলাকায় পদ্মার শাখা নদীতে ঘুরতে বের হন। ওই সময় তারা বেশ কয়েকজন ট্রলার থেকে গোসল করতে নামেন।

গোসল করার সময় রামিন নদীর স্রোতে ভেসে যেতে থাকলে তার বাবা ও খালু তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে তারাও ভেসে গিয়ে নিখোঁজ হন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় মুন্সীগঞ্জ সদর ও টঙ্গিবাড়ী উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের টিম ও নৌ পুলিশ। পরে ঢাকার ডুবুরি দল উদ্ধারকাজে যোগ দেয়।

টঙ্গিবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মোস্তফা কামাল বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে আমাদের টিম ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায়। ঢাকা থেকে ইতোমধ্যেই প্রশিক্ষিত ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছে একজন।’

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার চর আবদুল্লাহ নৌ ফাঁড়ির ইনচার্জ আবুল হাসনাত জানান, ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস ও নৌ পুলিশের টিম উদ্ধারকাজ অব্যাহত রেখেছে।

আরও পড়ুন:
নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ৩
চট্টগ্রামে ট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কা, চালকসহ নিহত ২
ময়মনসিংহে এক দিনে সড়কে ঝরল ৮ প্রাণ
ময়মনসিংহে অটোরিকশায় ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ২
ধামরাইয়ে বাইক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আরোহীর মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
I am very healthy in my old age because of playing stick

‘বয়স অনেক, সুস্থ আছি লাঠি খেলার কারণে’

‘বয়স অনেক, সুস্থ আছি লাঠি খেলার কারণে’ নওগাঁ শহরের মুক্তির মোড়ে শুক্রবার লাঠি খেলার আয়োজন করে বাউল আখড়া বাড়ি। ছবি: নিউজবাংলা
লাঠি খেলা দেখতে আসা ভীমপুর এলাকার বাসিন্দা মুমিন সরদার (৩৫) বলেন, ‘গ্রাম-বাংলার হারিয়ে যাওয়া খেলাটি এখন আর দেখতেই পাওয়া যায় না। বিভিন্ন সংগঠন প্রতি বছর এ খেলার আয়োজন করে বলে আমরা যুবসমাজ দেখতে পারি।  গ্রামীণ খেলাগুলো টিকিয়ে রাখতে আমাদের সবাইকে চেষ্টা করা উচিত।’

‘আমার বয়স অনেক হয়েছে, তবুও আমি সুস্থ আছি নিয়মিত লাঠি খেলার কারণে। আমার যারা ওস্তাদ ছিল, সবাই মারা গেছে। তাদের শেখানো লাঠি খেলা দেখিয়ে গ্রামের মানুষকে আনন্দ দিয়ে থাকি।’

কথাগুলো বলছিলেন নওগাঁ সদর উপজেলার দারিয়াপুর গ্রামের সাহাজ আলী সরদার। ৬০ বছর বয়সী এ ব্যক্তি শুক্রবার বিকেলে জেলা শহরের মুক্তির মোড়ে অংশ নেন লাঠি খেলায়।

বাউল আখড়া বাড়ির চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এ খেলার আয়োজন করা হয়।

লাঠি খেলা দেখতে আসা ভীমপুর এলাকার বাসিন্দা মুমিন সরদার (৩৫) বলেন, ‘গ্রাম-বাংলার হারিয়ে যাওয়া খেলাটি এখন আর দেখতেই পাওয়া যায় না। বিভিন্ন সংগঠন প্রতি বছর এ খেলার আয়োজন করে বলে আমরা যুবসমাজ দেখতে পারি।

‘গ্রামীণ খেলাগুলো টিকিয়ে রাখতে আমাদের সবাইকে চেষ্টা করা উচিত।’

শহরের পোস্ট অফিসপাড়ার মীম বলেন, ‘আমরা সবাই এখন ভিডিও গেইমের প্রতি আসক্ত হয়ে যাচ্ছি দিন দিন। তাই গ্রামের ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলো দেখলে অন্যরকম ভালো লাগে।

‘বেড়াতে এসেছিলাম। ঢোলের শব্দ শুনে এসে দেখি লাঠি খেলা হচ্ছে। খুব ভালো লাগছে অনেক পুরোনো লাঠি খেলা দেখে।’

লাঠি খেলার দলের সদস্য আবদুস সামাদ (৫৫) বলেন, ‘আমার বয়স যখন ১৩ বছর, তখন আমার বাবার কাছ থেকে লাঠি খেলা শিখেছি। একসময় প্রচুর খেলা দেখানোর জন্য দাওয়াত পেতাম।

‘এখন আর পাই না, তবে এটা ভেবে ভালো লাগে যে, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এখনো লাঠি খেলাকে টিকিয়ে রেখেছেন।’

দারিয়াপুর গ্রামের সাহাজ আলী সরদার (৬০) বলেন, ‘একটা সময় ছিল প্রায় প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে দাওয়াত পেতাম, তবে এখন আর আগের সময় নেই।

‘সবাই বিভিন্ন ধরনের অনলাইন গেইম নিয়ে ব্যস্ত। গ্রামীণ খেলাগুলোর মাধ্যমে যুবসমাজ বিভিন্ন ধরনের নেশা থেকে বিরত থাকবে বলে আমি মনে করি।’

আয়োজনের বিষয়ে বাউল আখড়া বাড়ির সভাপতি সারোয়ার হোসেন বলেন, ‘লাঠি খেলা হলো গ্রামীণ ঐতিহ্য। এটি যেন বিলীন না হয়ে যায়, সে জন্য আমরা আয়োজন করেছি, যাতে মানুষেরা গ্রামীণ সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মূলত এখানে বাউল গানের আয়োজন করা হয়েছে, কিন্তু আমরা গ্রামীণ সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে বাদ দিয়ে কিছু করতে পারি না। কারণ লাঠি খেলাও আমাদের ঐতিহ্য। আমরা প্রতি বছর লাঠিখেলা ধরে রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’

আরও পড়ুন:
নওগাঁ সীমান্তে গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর
নওগাঁয় গৃহবধূ হত্যা: স্বামী, শাশুড়ি ও দেবর ঢাকায় গ্রেপ্তার
নওগাঁয় কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার, আওয়ামী লীগ নেতা আটক
নওগাঁয় এনজিও কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার 
নওগাঁয় সড়কের পাশ থেকে মরদেহ উদ্ধার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Strict suppression of any terrorist group Hanif

যেকোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে কঠোরভাবে দমন: হানিফ

যেকোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে কঠোরভাবে দমন: হানিফ কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শুক্রবার দুপুরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। ছবি: বাসস
হানিফ বলেন, ‘কুকি-চিন বা কেএনএফ যে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীই হোক না কেন, তাদের জায়গা এই বাংলার মাটিতে হবে না। এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীদের কঠোরভাবে দমন করা হবে।’

যেকোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ।

কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শুক্রবার দুপুরে এক প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ মন্তব্য করেন বলে বার্তা সংস্থা বাসসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

হানিফ বলেন, ‘কুকি-চিন বা কেএনএফ যে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীই হোক না কেন, তাদের জায়গা এই বাংলার মাটিতে হবে না। এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীদের কঠোরভাবে দমন করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘এ দেশে একসময় বাংলা ভাইসহ বড় বড় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর জন্ম হয়েছিল। তাদেরকে যেভাবে নির্মূল করা হয়েছে, এদেরকেও ঠিক সেভাবেই নির্মূল করা হবে। আর এসব সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে পেছন থেকে কারা মদদ দিচ্ছে, তাদের খুঁজে বের করতে কাজ করছে সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা।’

বিরোধীদের বিষয়ে হানিফ বলেন, ‘যারা আজকে সরকারের বিরোধিতা করছেন, তারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকার সময় দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা কেমন রেখে গিয়েছিল? মাথাপিছু আয় ৫৩৫ মার্কিন ডলার থেকে বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টায় তা এখন ২৮০০ মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। আজ বাংলাদেশ চরম ব্যর্থ রাষ্ট্র থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের স্বীকৃতি পেয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে। এটা যাদের ভালো লাগে না, তারাই এসব আবোল তাবোল কথা বলে।’

আরও পড়ুন:
নির্বাচন নিয়ে কথা বলে আর লাভ নেই: হানিফ
বিএনপি এখন বিলুপ্তির পথে: হানিফ
তারেক সন্ত্রাসী নেতা: হানিফ
আন্দোলনের নামে পুলিশ হত্যা করেছে বিএনপি: হানিফ
টাকা দিয়ে নোবেল কিনেছেন ড. ইউনূস: হানিফ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Opportunity to check popularity in upazila elections Tajul

উপজেলা নির্বাচনে জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের সুযোগ: তাজুল

উপজেলা নির্বাচনে জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের সুযোগ: তাজুল কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার পোমগাঁও গ্রামে নিজ বাড়িতে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা এবং জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে ঈদ পুনর্মিলনীতে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা
মন্ত্রী বলেন, ‘যারা কাজের মাধ্যমে জনগণের মন জয় করতে পেরেছে, অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল, মানুষকে ন্যায়বিচারের মাধ্যমে সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করেছে, তারা উপজেলা নির্বাচনে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।’

দলীয় মনোনয়ন না থাকায় এবারের উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘যারা কাজের মাধ্যমে জনগণের মন জয় করতে পেরেছে, অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল, মানুষকে ন্যায়বিচারের মাধ্যমে সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করেছে, তারা উপজেলা নির্বাচনে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।’

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার পোমগাঁও গ্রামে নিজ বাড়িতে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা এবং জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে ঈদ পুনর্মিলনীতে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ওই সময় তিনি উপস্থিত সবাইকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানান।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী উপজেলা নির্বাচনে স্থানীয় সংসদ সদস্য হিসেবে নিরপেক্ষ থাকার ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের যে কেউ চাইলে প্রার্থী হতে পারেন, তবে সমাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ কোথাও একে অন্যের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।’

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিগত ১৫ বছরে বাংলাদেশে অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে।’

মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক অর্থনৈতিক দুরাবস্থার মধ্যেও দেশের মানুষ তুলনামূলক ভালো অবস্থায় আছে। দেশে খাদ্য ঘাটতি দূর হয়েছে। শতভাগ বিদ্যুতায়ন হয়েছে এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছে।’

ওই সময় মন্ত্রী মানবসম্পদ উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘মানুষের সক্ষমতা ও রুচি উন্নত হলে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়। যোগ্যরাই টিকে থাকে। তাই মানবসম্পদ উন্নয়ন অপরিহার্য।’

সমাজে সবাইকে সৎ আচরণ অনুশীলন করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করলে মানুষ শান্তিতে থাকতে পারে।’

ঈদ পুনর্মিলনী সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন এলজিআরডি মন্ত্রীর একান্ত সচিব মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাস্টার আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান জাকির হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি তাজুল ইসলাম চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক দেওয়ান জসিম উদ্দিন, হাসনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন, লক্ষ্ণণপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক সেলিম কাদের চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কামরুজ্জামান শামীম, সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন বিপ্লব।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. তাহসীন বাহার সূচসাসহ কাউন্সিলররা। অনুষ্ঠান শেষে তারা এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুল ইসলামের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

ওই সময় মনোহরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা কামাল হোসেন, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শাহাদাত হোসেনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে জনগণকে দিতে, বিএনপি আসে নিতে: প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনাকে ঈদের শুভেচ্ছা মোদির
ঈদের ছুটিতে দুই হাসপাতাল পরিদর্শন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর
জিম্মি নাবিকরা ভালো আছেন, তবে উদ্ধারের দিনক্ষণ বলা কঠিন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Akalima is excited to get a wheelchair on the day of Eid

ঈদের দিন হুইলচেয়ার পেয়ে উচ্ছ্বসিত আকলিমা

ঈদের দিন হুইলচেয়ার পেয়ে উচ্ছ্বসিত আকলিমা ছবি: নিউজবাংলা
জন্মের পর সুস্থ থাকলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে আকলিমার পা দুটি অকেজো হয়ে পড়ে। বর্তমানে সে চলাফেরা করতে পারে না।

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে হুইলচেয়ার পেয়ে প্রতিবন্ধী কিশোরী আকলিমা আক্তারের মুখে হাসি ফুটেছে। আর্থিক টানাটানির পরিবারে এতদিন আদরের মেয়ের হুইলচেয়ারের আবদার রক্ষা করতে পারেননি মা-বাবা। অবশেষে ‘প্রান্তিক হাসি ফাউন্ডেশন’ নামে একটি মানবিক সংগঠনের সহযোগিতায় হুইলচেয়ার পেয়ে ঈদের দিন শুধু মেয়ে নয়, মা-বাবার মুখেও ফুটেছে স্বস্তির হাসি।

জানা গেছে, ধলাপাড়া ইউনিয়নের আষাঢ়িয়াচালা গ্রামের গৃহকর্মী রাবেয়া ও আসলাম দম্পতির একমাত্র মেয়ে আকলিমা। জন্মের পর সুস্থ থাকলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে তার পা দুটি অকেজো হয়ে পড়ে। বর্তমানে সে চলাফেরা করতে পারে না।

অভাবের সংসারে বাবা-মায়ের কোলে বেড়ে উঠলেও বয়স বাড়ায় কষ্ট করে চলাফেরা করতে হয় তাকে। বাকি সময় তাকে শুয়ে-বসেই দিন কাটাতে হয়। অভাব-অনটনের সংসারে তাকে একটি হুইলচেয়ার কিনে দেয়ার মতো সামর্থ্য নেই পরিবারটির।

ঈদের দিন হুইলচেয়ার পেয়ে উচ্ছ্বসিত আকলিমা

হুইলচেয়ার পেয়ে উচ্ছ্বসিত আকলিমা তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, ‘এতদিন আমার চলতে অনেক কষ্ট হয়েছে। এই চেয়ারটি আগে পেলে আমার চলাচলে অনেক সুবিধা হতো। আজ ঈদের দিন চেয়ারটি পেয়ে আমার অনেক ভালো লাগছে। আমি হাঁটতে না পারলেও চেয়ারটি ব্যবহার করে আমার সহপাঠীদের সঙ্গে অন্তত ঘুরতে পারব এবং আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে যাতায়াত করতে পারব।’

আকলিমার মা রাবেয়া খাতুন বলেন, ‘বসতবাড়ি ছাড়া আমাদের কোনো সম্পদ নেই। মানুষের খেত-খামারে কাজ করে কোনোরকমে সংসার চালাই। দীর্ঘদিন ধরে একটি হুইল চেয়ারের অভাবে সারা দিন মেয়েটাকে শুয়ে থাকতে হতো। হাত দিয়ে ভর করে চলতে চলতে পা ও আঙুল বিকল হয়ে গেছে। এখন চেয়ার পেয়ে পরিবারের সবারই ভালো লাগছে।’

প্রান্তিক হাসি ফাউন্ডেশনের সমন্বয়ক মো. জাফর আলী বলেন, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পেরেছি, আকলিমা আক্তার নামের একটি মেয়ে ছোট থেকেই এভাবে চার হাত-পায়ে অনেক কষ্টে চলাচল করছে। হাঁটুর ওপর ভর করে চলতে চলতে পায়ে ইনফেকশন হয়ে গেছে।

‘এদিকে তার দুই হাতের অনেকটাই অবশ। আকলিমার পরিবারের আর্থিক অবস্থাও খারাপ। যার কারণে, আমাদের এই উদ্যোগ। আর এই উদ্যোগটা আমরা ঈদের দিনে বাস্তবায়ন করেছি যাতে এই আনন্দের দিনে আনন্দের পরিমাণটা ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।’

এ বিষয়ে প্রান্তিক হাসি ফাউন্ডেশনের অপর সমন্বয়ক ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী শফিকুল ইসলাম জয় বলেন, ‘আকলিমার মুখে হাসি ফোটানোর এই ক্ষুদ্র প্রয়াসটি আজকের দিনের বড় একটি পাওয়া। আমরা প্রান্তিক অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করছি। ভবিষ্যতেও আমাদের সংগঠনের এরকম মানবিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।’

আরও পড়ুন:
প্রতিবন্ধীদের নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট, জরিমানা
প্রতিবন্ধী শিশুকে ঢামেকে ফেলে গেল স্বজন
কীভাবে পড়াশোনা করছেন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা
প্রতিবন্ধীদের বিদ্যালয় এমপিওভুক্তির দাবিতে মানববন্ধন
শ্রুতিলেখকের কলমে স্বপ্ন যাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The traditional Vishu and Biju festival begins with the floating of flowers

ফুল ভাসিয়ে ঐতিহ্যবাহী বিষু ও বিজু উৎসব শুরু

ফুল ভাসিয়ে ঐতিহ্যবাহী বিষু ও বিজু উৎসব শুরু
নদীতীরে পূজা করতে আসা পলাশ তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, ‘নদীর তীরে ফুল দিয়ে গঙ্গাদেবীকে পূজা করি। আর নতুন বছরটা যাতে সুখে শান্তিতে বাস করতে পারি সেই প্রার্থনা করি।’

সাঙ্গু নদীতে ফুল ভাসিয়ে দেয়ার মধ্য দিয়ে পুরাতন বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে বরণ করে নিতে বান্দরবানে শুরু হয়েছে তঞ্চঙ্গ্যাদের তিন দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী বিষু উৎসব।

বিষু উৎসবে ফুলবিষু, মূলবিষু ও নয়া বছর মোট তিন দিন পালন করে থাকে তঞ্চঙ্গ্যা জনগোষ্ঠী। এছাড়াও ফুল ভাসানোর মধ্যে দিয়ে শুরু হয়েছে চাকমাদের বিজু উৎসব।

শুক্রবার সকালে বান্দরবানের রোয়াংছড়ি স্টেশনের সাঙ্গু নদীর তীরে ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সেজে পাহাড়ি তরুণ তরুণীরা সবার মঙ্গল কামনায় কলাপাতায় করে ভক্তি শ্রদ্ধাভরে গঙ্গাদেবীর পূজা করেন। পরে দেবীর উদ্দেশে ফুল ভাসিয়ে পুরাতন বছরের গ্লানি ভুলে নতুন বছরের শুভ কামনা করেন ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সূর্য উদয়ের আগেই সাঙ্গু নদীর তীরে ফুল ভাসাতে শতাধিক তঞ্চঙ্গ্যা ও চাকমা শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণী, বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষের ভিড় জমায়। কেউ কেউ নদীর চরে বসে দলবদ্ধ হয়ে কলাপাতার উপরে নানা রঙের ফুল সাজাচ্ছেন। এর পর দলবদ্ধ হয়ে গঙ্গদেবীর উদ্দেশে পূজা শেষে নদীর পানিতে সেই ফুল ভাসিয়ে দিচ্ছেন এবং কড়জোড়ে নমস্কার করছেন।

এদিকে গঙ্গাদেবীর পূজার শেষে সকাল থেকে ঘরে ঘরে ২০ থেকে ৩০ ধরনের সবজি দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী পাজন। নতুন পোশাক পরিধান করে একে অপরের বাসায় পাজন খেতে যাচ্ছেন প্রত্যেকেই।

ফুল ভাসাতে আসা রনিজ চাকমা, কিরন জ্যোতি চাকমাসহ অনেকে বলেন, পুরোনো সব গ্লানি মুছে দিতে গঙ্গা মায়ের উদেশ্যে আমরা ফুল ভাসিয়ে উৎসবটি পালন করে থাকি।আগামীকাল থেকে যে যার গ্রামে পালন করবে মূল বিঝু।

সাঙ্গু নদীর তীর ফুল ভাসাতে আসা ইন্দ্রানী তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, খুব ভালো লাগছে। সাঙ্গুর তীরে অনেক দিন পরে আসলাম। এটা আমাদের আনন্দের উৎসব। আমাদের বিশ্বাস পুরাতন বছরটাকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে গ্রহণ করি। নতুন বছরটা যেন সুখে শান্তিতে কাটাতে পারি।

নদীতীরে পূজা করতে আসা পলাশ তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, ‘নদীর তীরে ফুল দিয়ে গঙ্গাদেবীকে পূজা করি। আর নতুন বছরটা যাতে সুখে শান্তিতে বাস করতে পারি সেই প্রার্থনা করি।’

মন্তব্য

p
উপরে