× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
A mild earthquake shook Chuadanga
google_news print-icon

মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপল চুয়াডাঙ্গা

মৃদু-ভূমিকম্পে-কাঁপল-চুয়াডাঙ্গা
ফাইল ছবি
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান বলেন, ‘রাত ৮টা ৭ মিনিট ১৮ সেকেন্ডে ভূমিকম্প শুরু হয়, শেষ হয় রাত ৮টা ৭ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে। ১২ সেকেন্ড স্থায়ীত্ব হওয়া ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৬ সেকেন্ড।’

চুয়াডাঙ্গায় হঠাৎ মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বুধবার রাত ৮টা ৭ মিনিটে এই কম্পন অনুভূত হয়, যার এটির স্থায়িত্ব ছিল ১২ সেকেন্ড।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রাকিবুল হাসান বলেন, ‘রাত ৮টা ৭ মিনিট ১৮ সেকেন্ডে ভূমিকম্প শুরু হয়, শেষ হয় রাত ৮টা ৭ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে। ১২ সেকেন্ড স্থায়ীত্ব হওয়া ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৬ সেকেন্ড।’

তিনি বলেন, ‘ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল পাবনা জেলার আটঘরিয়া এলাকায়। এটি ঢাকা ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে ১১১ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে।’

তবে ভূমিকম্পে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সংবাদ পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।

চুয়াডাঙ্গার পৌর এলাকার গুলশানপাড়ার শিক্ষার্থী আল হিমেল বলেন, ‘রাতে খাওয়ার পর নিজ ঘরে পড়ছিলাম। হঠাৎ ভূমিকম্পে ঘর-বাড়ি নড়ে ওঠে। ভয় পেয়ে আমি বাইরে বের হয়ে আসি।’

আরও পড়ুন:
ভূমিকম্প বড় করেছে ঢাবির মুহসীন হলের ফাটল
ভূমিকম্পের সময় করণীয়
ভূমিকম্প কি আগে থেকে টের পাওয়া যায়

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Eight lakh people are stuck in water in Sunamganj

সুনামগঞ্জে আট লাখ মানুষ পানিবন্দি

সুনামগঞ্জে আট লাখ মানুষ পানিবন্দি বেসরকারি হিসেবে সুনামগঞ্জ জেলার ৮৮ ইউনিয়নের অন্তত আট লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে ভোগান্তিতে পড়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
বুধবার রাতে বৃষ্টিপাত কম হওয়ার হাওরাঞ্চল ও পৌর শহরের পাড়া-মহল্লায় পানি কিছুটা কমলেও বন্যা পরিস্থিত অপরিবর্তিত রয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জে নদ-নদীর পানি ১৪ সেন্টিমিটার কমেছে। বর্তমানে পৌর শহরের ষোলঘর পয়েন্টে বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে সুরমার পানি প্রবাতি হচ্ছে।

বুধবার রাতে বৃষ্টিপাত কম হওয়ার হাওরাঞ্চল ও পৌর শহরের পাড়া-মহল্লায় পানি কিছুটা কমলেও বন্যা পরিস্থিত অপরিবর্তিত রয়েছে।

বেসরকারি হিসেবে সুনামগঞ্জ জেলার ৮৮ ইউনিয়নের অন্তত আট লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে ভোগান্তিতে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সুরমা নদী পাড়ের পৌর কিচেন মার্কেট থেকে পানি নেমেছে, তবে সবজি বাজারে কিছুটা পানি রয়েছে। তবে সুনামগঞ্জ পৌর শহরের নতুন পাড়া, শান্তিব্গা, ধোপাখালী, বাঁধনপাড়া, বলাকা, মোহাম্মদপুর, ষোলঘর, পশ্চিম হাজীপাড়া, তেঘরিয়া, নবীনগর, কাজীর পয়েন্ট মল্লিকপু সহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা এখনও পানিবন্দি জীপবযাপন করছেন।

শহরের সবকটি হোটেলের কক্ষ বুকিং দিয়ে সামর্থবান একতলার বাসিন্দারা সেখানে উঠেছেন। কেউ কেউ ক্লিনিকের কক্ষেও পরিবার-পরিজন নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। তবে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষজন। বাজারে দুয়েকটা দোকান খোলা পাওয়া গেলেও নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন দোকানীরা।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পরিষদ, ভূমি অফিসসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার, গ্রামীণ রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন জায়গায় বন্যার পানি উঠেছে। শান্তিগঞ্জ উপজেলার বেশিরভাগ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। তাহিরপুরে ১০-১৫টি গ্রাম বন্যায় প্লাবিত হয়েছে।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার জানিয়েছেন, দুপুর ১২টায় সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ষোলঘর পয়েন্টে বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ছাতক উপজেলায় বিপৎসীমার ১২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। এছাড়া দিরাই উপজেলায় বিপদসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ফুট ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জে ৫৫ মিলিমিটার, লাউড়ের গড়ে ৬২ মিলিমিটার, ছাতকে ৬৫ মিলিমিটার এবং দিরাইয়ে ৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।’

তবে সুনামগঞ্জ ও ভারতের চেরাপুঞ্জিতে বৃষ্টিপাত গত ২৪ ঘণ্টায় কিছুটা কম হওয়ায় রক্ষা পাওয়া গেছে বলে জানান এই প্রকৌশলী।

আরও পড়ুন:
বন্যা: সিলেট বিভাগে এইচএসসি পরীক্ষা ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত
আশ্রয়কেন্দ্রে খাদ্য সংকটে সুনামগঞ্জের বানভাসী মানুষ
সিলেটে বিস্তৃত হচ্ছে বন্যা, পানিবন্দি প্রায় ১০ লাখ মানুষ
মৌলভীবাজারে বন্যায় পানিবন্দি ২ লাখ মানুষ
হাওরে বাড়ছে পানি, সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Erosion started in Yamuna spreading panic

আতঙ্ক ছড়িয়ে যমুনায় ভাঙন শুরু

আতঙ্ক ছড়িয়ে যমুনায় ভাঙন শুরু বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। ছবিটি টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার পাটিতাপাড়া এলাকা থেকে তোলা। ছবি: নিউজবাংলা
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত বছর ভাঙনরোধে নামমাত্র নিম্নমানের জিও ব্যাগ ফেলে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড। সেগুলো এখন ধসে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছে। এছাড়া প্রভাবশালীরা নিজ নিজ বাড়ির সামনে জিও ব্যাগ ফেলে। দরিদ্র পরিবারের বাড়ির সামনে জিও ব্যাগ ফেলা হয় না।

উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে পানি বাড়ছে। একইসঙ্গে শুরু হয়েছে নদীর পাড় ভাঙন। বিগত ভাঙনের পর যেটুকু সম্বল বেঁচে ছিল, সেটিও ভাঙনের আশঙ্কায় চরম হতাশায় দিন পার করছেন নদীপাড়ের শত শত ভাঙন কবলিত মানুষ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, চিতুলিয়াপাড়া, ভালকুটিয়া, কষ্টাপাড়া ও নিকরাইল ইউনিয়নের মাটিকাটা, পাটিতাপাড়া, কোনাবাড়ীসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় কয়েক দিন ধরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছে নদীপাড়ের মানুষেরা।

সেখানকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত বছর ভাঙনরোধে খানুরবাড়ী, চিতুলিয়াপাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে নামমাত্র নিম্নমানের জিও ব্যাগ ফেলে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। সেগুলো এখন ধসে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছে। এছাড়া প্রভাবশালীরা নিজ নিজ বাড়ির সামনে জিও ব্যাগ ফেলে। দরিদ্র পরিবারের বাড়ির সামনে জিও ব্যাগ ফেলা হয় না।

গত বছর ভাঙনের শিকার একাধিক ব্যক্তি বলেন, শুকনো মৌসুমে বালু ব্যবসায়ীরা অবৈধভাবে নদীতে জেগে ওঠা চর কেটে ট্রাকযোগে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে। এতে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে নতুন নতুন এলাকায় ভাঙন দেখা দিচ্ছে। বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা যায় না। যার কারণে নদীতে পানি এলে ব্যাপক ভাঙন দেখা দেয়।

আতঙ্ক ছড়িয়ে যমুনায় ভাঙন শুরু

গত বছর বন্যায় ভাঙনরোধে পাউবার ফেলা গাইড বাঁধের জিও ব্যাগ আনলোড ড্রেজারগুলোর কারণে ধসে যাচ্ছে। যার ফলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পাকা ও আধপাকা সড়ক, গাইড বাঁধ বসতবাড়ি, মসজিদ-মন্দির, ছোটবড় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নানা স্থাপনা ভাঙনের হুমকিতে পড়েছে।

পাটিতাপাড়ার ওমেছা, সুফিয়া ও কোরবান আলী বলেন, যমুনা নদীতে গত কয়েকদিন ধরে পানি বাড়ছে। এর সঙ্গে ভাঙনও দেখা দিয়েছে, কিন্তু ভাঙনরোধে কোনো উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না।

তারা বলেন, গত বছর বসতভিটা ভেঙে যেটুকু থাকার জায়গা ছিল, সেটি এবারও চোখের সামনে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পথে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মামুনুর রশীদ বলেন, ‘কিছু দিন ধরে যমুনা নদীতে পানি বাড়া শুরু হয়েছে, কিন্তু ভাঙনের বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। ভাঙনরোধে ঊর্ধ্বতন দপ্তরে অবগত করাসহ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে কথা বলব এবং এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

টাঙ্গাইল জেলা পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘ভূঞাপুরে ভাঙনের বিষয়টি ইউএনওর মাধ্যমে জেনেছি। ভাঙনকবলিত এলাকাগুলোর মধ্যে গোবিন্দাসী ও নিকরাইলের জন্য একটি প্রকল্প জমা দেয়া হয়েছে। এছাড়া ওই এলাকার ইকোনোমিক জোনের কাজ শুরু হলে স্থায়ী বাঁধ হয়ে যাবে।’

আরও পড়ুন:
জামালপুরে যমুনায় তীব্র ভাঙন শুরু, নির্ঘুমে এলাকাবাসী
ভাঙন রোধে ফুলছড়িতে বাঁধ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর
অসময়ে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে দিশেহারা কুড়িগ্রামবাসী
ভাঙনের কবলে কুশিয়ারার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ
ভাঙনে যমুনায় মিশছে শাহজাদপুরের একের পর এক গ্রাম

মন্তব্য

বাংলাদেশ
HSC exam postponed in flood affected Sylhet division

বন্যা: সিলেট বিভাগে এইচএসসি পরীক্ষা ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত

বন্যা: সিলেট বিভাগে এইচএসসি পরীক্ষা ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির ক্রমশিই অবনতি হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
আগামী ৩০ জুন সারাদেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে সিলেট বিভাগে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় এক লাখ।

বন্যার কারণে সিলেট বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। তবে ৯ জুলাই থেকে রুটিন অনুযায়ী পরীক্ষাগুলো নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কান্তি সরকার বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় সিলেট থেকে প্রায় এক লাখ শিক্ষার্থী অংশ নেয়ার কথা রয়েছে।

রুটিন অনুযায়ী, আগামী ৩০ জুন সারাদেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। দুই হাজার ২৭৫টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৬৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা বোর্ড ও কারিগরি বোর্ডের মোট ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

এর আগে সিলেটে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিলে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পরে সিলেটে অনুষ্ঠিত হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

আরও পড়ুন:
সুনামগঞ্জে হাওরাঞ্চল ও পৌর শহরে পানি বেড়েছে
সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, পানিবন্দি সাত লাখ
শ্রীমঙ্গলে টিলা ধসে পুঞ্জির সড়কে যান চলাচল বন্ধ
সিলেটে বন্যায় ঝুঁকিতে বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা
সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছে মানুষ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Banvasi people of Sunamganj face food shortage in shelters

আশ্রয়কেন্দ্রে খাদ্য সংকটে সুনামগঞ্জের বানভাসী মানুষ

আশ্রয়কেন্দ্রে খাদ্য সংকটে সুনামগঞ্জের বানভাসী মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে এসে বন্যার পানি থেকে নিস্তার পেলেও খাবারের কষ্টে দিন কাটছে তাদের। ছবি: নিউজবাংলা
আশ্রয়কেন্দ্রে আসা কয়েকজন বলেন, মঙ্গলবার থেকে আশ্রয়কেন্দ্রে আছি। কেউ আমাদের এখনও সাহায্য করেনি। হাতে টাকাও নেই, তাই কিছু কিনতেও পারছি না। আপনারা দয়া করে কিছু করুন।

আশ্রয়কেন্দ্রে এসে খাদ্য সংকটে পড়েছেন সুনামগঞ্জের বন্যার্তরা। শিশুদের নিয়ে মায়েরাও রয়েছেন কষ্টে। ক্ষুধা সহ্য করতে না পেরে কান্নাকাটি করছে শিশুরা।

বুধবার বিকেলে শহরের এইচএমপি উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সুনামগঞ্জ শহরের ময়নার পয়েন্টে ভাড়া বাসায় থাকেন আরিফুলন্নেছা। তিনি বলেন, ‘ঘরে কোমর সমান পানি। গত কয়েকদিন বন্যার জন্য আমার গাড়িচালক স্বামীর রোজগার হয়নি। দুই দিন আগে এখানে এলেও কোনো সহায়তা পাইনি। রান্নাবান্না করারও সুযোগ নেই। কোনোরকমে দিন কাটছে আমাদের। আজ সকালে একজন এসে রুটি আর কলা দিয়ে গেছে।’

আরিফুলন্নেছার কথার সমর্থন জানালেন পাশে থাকা তাসলিমা। এসময় খাবারের জন্য ছোট্ট শিশু কান্নাকাটি করায় শাসন করছিলেন তিনি।

আশ্রয়কেন্দ্রে আসা মিনা লাল, রিতা লাল, সাম, রাবেয়া, সাজন বলেন, মঙ্গলবার থেকে আশ্রয়কেন্দ্রে আছি। কেউ আমাদের এখনও সাহায্য করেনি। হাতে টাকাও নেই, তাই কিছু কিনতেও পারছি না। আপনারা দয়া করে কিছু করুন।

আশ্রয়কেন্দ্রে খাদ্য সংকটে সুনামগঞ্জের বানভাসী মানুষ

শান্তিবাগের বাসিন্দা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই ব্যক্তি বলেন, ঘরে কোমর পানি। ঘরের জিনিসপত্র কিছু আসার সময় নিয়ে এসেছি, কিছু পাশের বাসায় রেখে এসেছি। অন্যান্য সব কিছু পানির নিচে।

এখানে বাথরুম ও খাবার পানির সুবিধা থাকলেও খাবার কষ্টে আছি আমরা। সরকারি কোনো ধরনের সহযোগিতা পাইনি। মঙ্গলবার রাতে আমরা আশ্রয়কেন্দ্রে এসেছি। আজ (বুধবার) সকালে এক বোতল পানি ও নাটি বিস্কুট দিয়ে গেছে একজন।’

এদিকে তেঘরিয়ার বাসিন্দা সংবাদপত্র বিপণনকর্মী নুর হোসেন বলেন, ‘তেঘরিয়া মসজিদে আশ্রয় নিয়েছি। আমাদের পাড়ার ২০ ঘর মানুষ এখানে আশ্রয় নিয়েছে। এখন পর্যন্ত কেউ সহায়তা করতে আসেনি।’

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রাশেদ ইকবাল চৌধুরী বলেন, ‘৫৪১টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১৮ হাজার ৪২৯ জন বন্যার্ত আশ্রয় নিয়েছেন। যারা আশ্রয়কন্দ্রে এসেছেন সকলেই খাবার নিয়ে উঠেছেন। যারা খাবার নিয়ে ওঠেননি, তারা চাইলেই শুকনো খাবারসহ খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
সুনামগঞ্জে হাওরাঞ্চল ও পৌর শহরে পানি বেড়েছে
সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, পানিবন্দি সাত লাখ
শ্রীমঙ্গলে টিলা ধসে পুঞ্জির সড়কে যান চলাচল বন্ধ
সিলেটে বন্যায় ঝুঁকিতে বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা
সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছে মানুষ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Air in Dhaka is bearable

ঢাকার বাতাস ‘সহনীয়’

ঢাকার বাতাস ‘সহনীয়’ প্রাণ ভরে নিশ্বাস নিতে রাজধানীর অনেকেই যান রমনা পার্কে। ফাইল ছবি
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ৭৩ নিয়ে রাজধানীর বাতাসের মান ‘সহনীয় বা মধ্যম মানের’ রয়েছে।

বাতাসের নিম্ন মানের দিক থেকে আইকিউ এয়ারের তালিকায় বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার অবস্থান ছিল ২৬তম।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ৭৩ নিয়ে রাজধানীর বাতাসের মান ‘সহনীয় বা মধ্যম মানের’ রয়েছে।

একই সময়ে যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে ছিল কঙ্গোর কিনশাসা ও উগান্ডার কাম্পালা।

আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ সকালের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ৪ দশনিক ২ গুণ বেশি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ৯৪। এর মানে হলো ওই সময়টাতে ‘সহনীয়’ বাতাসের মধ্যে বসবাস করেছে রাজধানীবাসী।

আরও পড়ুন:
ঢাকার বাতাস ‘মধ্যম মানের’
সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে ‘সহনীয়’ ঢাকার বাতাস
ঢাকার বাতাসের মান আজ ‘ভালো’
ছুটির দিনে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস, নিম্ন মানে তৃতীয়
ছুটির দিনে বাতাসের নিম্ন মানে চতুর্থ ঢাকা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Water is rising in Howar and the flood situation is worsening in Sunamganj

হাওরে বাড়ছে পানি, সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

হাওরে বাড়ছে পানি, সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি পানি বাড়তে শুরু করায় মধ্যনগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাড়িঘরসহ বেশকিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
বেসরকারি হিসেবে সুনামগঞ্জ ৮৮ ইউনিয়নের কমপক্ষে ৮ লাখ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন। সুনামগঞ্জ পাউবো নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, ‘নদীর পানি কমলেও বর্ষণ অব্যাহত থাকায় পানি বাড়তে পারে। ফলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।’

সুনামগঞ্জে নদীর পানি কমলেও হাওর অঞ্চল ও পৌর শহরের পাড়া-মহল্লায় বাড়ছে। বুধবার সুরমা নদীর পানি সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ষোলঘর পয়েন্টে বিকাল ৩টায় বিপৎসীমার ৪৩ সেন্টিমিটার বা ১ দশমিক ৪১ ফুট ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও তেমন বৃষ্টি হয়নি। তবে ভোর থেকে একটানা বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এতে সুনামগঞ্জ পৌর শহরের নতুন পাড়া, শান্তিবাগ, ধোপাখালী, বাঁধনপাড়া, বলাকা, মোহাম্মদপুর, ষোলঘর, নবীনগর, কাজীর পয়েন্টসহ বিভিন্ন এলাকায় পানি বেড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, একতালা বা কাঁচা ঘরে থাকা মানুষজন নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছেন। মঙ্গলবার রাত থেকেই অনেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন। সকলের চোখেমুখে ২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যার আতঙ্ক।

এসময় সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন জেলার নিম্ন আয়ের মানুষজন। ঝাওয়ার হাওরের পাশে বসবাসকারী অধিকাংশ মানুষের ঘরের চাল ছুঁইছুঁই পানি। পরিবার পরিজন নিয়ে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটে যাচ্ছেন তারা।

এদিকে, পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড। এতে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

পাহাড়ি ঢল নেমে আগে থেকেই প্লাবিত ছিল সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক, দোয়ারাবাজার, শান্তিগঞ্জ, জগন্নাথপুর, তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর, মধ্যনগর, দিরাই, শাল্লা, জামালগঞ্জ উপজেলা। এরপর হাওরের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলাজুড়ে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। এর মধ্যে বেশি আক্রান্ত হয়েছে ছাতক, দোয়ারাবাজার ও সদর উপজেলা।

হাওরে বাড়ছে পানি, সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

ছাতক উপজেলার গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি ঢুকেছে। উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের সীমান্তবতী নীজগাঁও, রতনপুর, বাগানবাড়ি, নোয়াকোট, ধনীটিলা, ছনবাড়ী, দারোগাখালী সড়কসহ ৮-১০টি কাঁচা সড়ক বিলীন হয়ে গেছে। অর্ধশতাধিক গ্রামের মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় দিন পার করছে।

উপজেলার ইছামতি-ছনবাড়ীবাজার, শিমুলতলা-মুক্তিরগাঁও সড়ক, বঙ্গবন্ধু সড়ক, ছাতক-জাউয়া, ছাতক-সুনামগঞ্জ, ছাতক-দোয়ারাবাজার সড়কের বিভিন্ন নিচু অংশও পানিতে তলিয়ে গেছে।

ছাতক পৌরসভারসহ নোয়ারাই, ছাতক সদর, কালারুকা, উত্তর খুরমা, চরমহল্লা, জাউয়া, গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও, ছৈলা-আফজলাবাদ, দক্ষিণ খুরমা, ভাতগাঁও, দোলারবাজার ও সিংচাপইড় ইউনিয়নের অর্ধশতাধিক গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ছাতক- গোবিন্দগঞ্জ সড়কটি প্লাবিত হয়েছে।

দোয়ারাবাজার উপজেলার ৮০ ভাগ মানুষ পানিবন্দি জীবনযাপন করছেন। ছাতক-দোয়ারাবাজার সড়কের তিনটি স্থানে পানি ওঠায় সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। এসব স্থান দিয়ে সুরমা নদীর পানি দেখার হাওরে প্রবেশ করছে।

এদিকে দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়ে বেড়িবাঁধ ভেঙে পান্ডারগাঁও ইউনিয়ন প্লাবিত হচ্ছে।

অব্যাহত বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে পাহাড়ি ঢলের পানি নেমে আসায় শাল্লায় নিম্বাঞ্চলের মানুষের বসতঘরে পানি উঠতে শুরু করেছে। ভারতের মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টিপাতের পানি সুরমা ও কুশিয়ারা নদী দিয়ে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

মধ্যনগরেও বাড়তে শুরু করেছে নদী ও হাওরের পানি। নদী ও হাওরের পানি বাড়ার কারণে উপজেলার মধ্যনগর-মহিষখলা সড়কের নিচু অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাড়িঘরসহ বেশকিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পরিষদ, ভূমি অফিসসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার, গ্রামীণ রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন জায়গায় বন্যার পানি উঠেছে।

শান্তিগঞ্জ উপজেলার বেশিরভাগ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। তাহিরপুরে ১০-১৫টি গ্রাম বন্যায় প্লাবিত হয়েছে।

বেসরকারি হিসেবে জেলার ৮৮ ইউনিয়নের কমপক্ষে ৮ লাখ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার জানিয়েছেন, পানি সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ষোলঘর পয়েন্টে বিপদসীমার ৪৩ সেন্টিমিটার বা ১ দশমিক ৪১ ফুট ওপর দিয়ে সুরমা নদীর পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ছাতক উপজেলায় বিপদসীমার ১৪৫ সেন্টিমিটার বা ৪ দশমিক ৭৬ ফুট ওপর দিয়ে সুরমা নদীর পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়াও দিরাই উপজেলায় ২৯ সেন্টিমিটার বা ১১ দশমিক ৪২ ইঞ্চি ওপর দিয়ে সুরমা নদীর পানি প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জে ১০০ মিলিমিটার, লাউড়ের গড়ে ৭৮ মিলিমিটার, ছাতকে ৮৪ মিলিমিটার এবং দিরাইয়ে ৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

এ কর্মকর্তা বলেন, ‘নদীর পানি কমলেও বর্ষণ অব্যাহত থাকায় পানি বাড়তে পারে। ফলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
টেকনাফে ২০ গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি দশ হাজার মানুষ
ধলাই নদীর বাঁধে দুটি স্থানে ভাঙন, ডুবেছে ৪০ গ্রাম
সুনামগঞ্জে হাওরাঞ্চল ও পৌর শহরে পানি বেড়েছে
সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, পানিবন্দি সাত লাখ
সিলেটে বন্যায় ঝুঁকিতে বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
10000 people are trapped in water in 20 villages of Teknaf

টেকনাফে ২০ গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি দশ হাজার মানুষ

টেকনাফে ২০ গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি দশ হাজার মানুষ মুষলধারে বৃষ্টিতে টেকনাফ উপজেলার প্রায় দশ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা
পৌরসভার বাসিন্দা আনছার উল্লাহ বলেন, ‘টানা বৃষ্টিতে একমাত্র সম্বল ঘরটিও বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। জানি না, এখন পরিবার নিয়ে কোথায় যাব! একটি মাত্র আশ্রয়কেন্দ্র হারিয়ে এখন নিঃস্ব হয়ে পড়েছি। সকাল থেকে পরিবারের কেউ খাবার মুখে দিতে পারেনি।’

মুষলধারে বৃষ্টিপাতের কারণে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার দেড় শতাধিক ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। কয়েকটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাড়িঘর পাহাড় ধসে ভেঙে পড়েছে। এছাড়া পানির নিচে তলিয়ে গেছে বেশ কয়েকটি গ্রাম। এতে প্রায় দশ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

এদিকে বুধবার সকাল থেকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনগণকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়েছে।

সরেজমিনে টেকনাফ পৌরসভা, হ্নীলা, বাহারছড়া, হোয়াইক্যং, শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্প, উখিয়ার পালংখালী, থাইংখালী, বালুখালী, মধুর ছড়া এলাকার রোহিঙ্গা ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বৃষ্টির পানিতে প্রায় দুই শতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। পাশপাশি কয়েকটি গ্রাম পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

টেকনাফে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আদনান চৌধুরী বলেন, ‘টানা বৃষ্টিতে স্থানীয়দের ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের শুকনো খাবার দেয়া হবে। এছাড়া বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। পাশাপাশি ক্যাম্পের অনেক জায়গায় রোহিঙ্গাদের বাড়িঘর ভেঙে যাওয়ার খবর পেয়েছি। এদের তালিকা করা হচ্ছে।’

পৌরসভার বাসিন্দা আনছার উল্লাহ বলেন, ‘টানা বৃষ্টিতে একমাত্র সম্বল ঘরটিও বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। জানি না, এখন পরিবার নিয়ে কোথায় যাব! একটি মাত্র আশ্রয়কেন্দ্র হারিয়ে এখন নিঃস্ব হয়ে পড়েছি। সকাল থেকে পরিবারের কেউ খাবার মুখে দিতে পারেনি।’

টেকনাফ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাফর আহমদ জানিয়েছেন, টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পানের বরজ, বীজতলাসহ ব্রিজ, কালভার্ট ও ২০ কিলোমিটারেরও বেশি গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানির কারণে আশপাশের ২০টি গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। দুর্গত এলাকায় গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে সাহায্য করা হবে।

এসময় পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের নিরাপদে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
সুনামগঞ্জে হাওরাঞ্চল ও পৌর শহরে পানি বেড়েছে
সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, পানিবন্দি সাত লাখ
শ্রীমঙ্গলে টিলা ধসে পুঞ্জির সড়কে যান চলাচল বন্ধ
সিলেটে বন্যায় ঝুঁকিতে বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা
সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছে মানুষ

মন্তব্য

p
উপরে