× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Ansar youths on duty at Rajshahi railway station were killed
google_news print-icon

রাজশাহীতে রেলওয়ে স্টেশনে মারধরে আনসার সদস্যের মৃত্যু

রাজশাহীতে-রেলওয়ে-স্টেশনে-মারধরে-আনসার-সদস্যের-মৃত্যু
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে মারধরে প্রাণ হারান আনসার সদস্য মাইনুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা 
রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার বলেন, ‘স্টেশনে দায়িত্ব পালনের সময় একজন আনসার সদস্য নিহত হয়েছেন। স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি পড়ে ছিলেন। এ ঘটনা তদন্তে পুলিশ কাজ করছে।’

রাজশাহীর শিরোইলে কয়েকজন যুবকের মারধরে মৃত্যু হয়েছে রেলওয়ে স্টেশনে দায়িত্বরত এক আনসার সদস্যের।

রেলওয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে বৃহস্পতিবার রাতে মারধরের শিকার হন ওই আনসার সদস্য। পরে গুরুতর অবস্থায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেয়ার পর তাকে মৃত বলে জানান চিকিৎসক।

মারধরে প্রাণ হারানো আনসার সদস্যের নাম মাইনুল ইসলাম, যার বয়স ৪৫ বছর।

মাইনুল গোদাগাড়ীর মাঙ্গনপুর পালপুর গ্রামের জয়েন উদ্দিনের ছেলে। তিনি নগরের শিরোইলে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে আনসার সদস্য হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

আনসার-ভিডিপির রাজশাহী জেলা কমান্ডার রাকিবুল ইসলাম জানান, মাইনুল ইসলাম রেলওয়ে স্টেশনে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনের রাত সোয়া ৯টার দিকে সন্দেহভাজন কয়েকজন যুবক স্টেশন এলাকায় ঘোরাঘুরি করছিলেন। সে সময় স্টেশন ম্যানেজার আবদুল করিম ওই আনসার সদস্যকে স্টেশনে ঘোরাঘুরি করা ওই যুবকদের কাছে গিয়ে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার নির্দেশনা দেন।

তিনি জানান, আনসার সদস্য যুবকদের পরিচয় জানতে চাইলে এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে চার থেকে পাঁচজন যুবক মাইনুলকে মারপিট করে। এতে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে অন্য আনসার সদস্যরা তাকে রামেক হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান।

রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার বলেন, ‘স্টেশনে দায়িত্ব পালনের সময় একজন আনসার সদস্য নিহত হয়েছেন। স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি পড়ে ছিলেন। এ ঘটনা তদন্তে পুলিশ কাজ করছে।’

আরও পড়ুন:
রামেক হাসপাতালে রোগীর স্বজনকে পেটালেন ইন্টার্নরা, ভিডিও ভাইরাল
বান্ধবীর ছবি ভিডিও প্রকাশ: কলেজছাত্রের ৬ বছরের জেল
‘নষ্ট খাবারের’ বিল না দিতে চাওয়ায় পুলিশকে মারধর
বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায় করতে গিয়ে গ্রাহকের মারধরে আহত ৫
সবুজ গ্রুপের হামলায় চোখ হারানোর শঙ্কায় ছাত্রলীগ নেতা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Chhatra League leader Rocky murder accused killed by bus

ছাত্রলীগ নেতা রকি হত্যা মামলার আসামি বাসচাপায় নিহত

ছাত্রলীগ নেতা রকি হত্যা মামলার আসামি বাসচাপায় নিহত ফাইল ছবি
দুর্ঘটনায় নিহত সোহাগের জ্যাঠাতো ভাই আল আমিন বলেন, ‘দুর্ঘটনার সঙ্গে ওই ঘটনার কোনো যোগসাজস আছে কি না, সেটা জানতে হবে। ঘটনার পর আমরা সবাই মরদেহ নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। তাই এজাহারে ওইসব বিষয় তুলে ধরা হয়নি।’

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান রকি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ওমর ফারুক সোহাগ বাস চাপায় নিহত হয়েছেন।

রোববার সন্ধ্যায় গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের ঝিনাশ্বর এলাকার নতুন জেলখানার সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন তিনি।

ঘটনার পর সোমবার সকালে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন নিহত সোহাগের স্ত্রী ইফাত আরা মুন। মামলায় একমাত্র আসামি করা হয়েছে ঘাতক বাসের চালক সাদ্দামকে।

৪০ বছর বয়সী ওমর ফারুক সোহাগ গাইবান্ধা পৌর এলাকার সরদারপাড়ার বাসীন্দা। তিনি ফুলছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান রকি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত তিন নম্বর আসামি ছিলেন।

মামলা ও দুর্ঘটনার বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা সদর থানার ওসি মাসুদ রানা।

তিনি বলেন, ‘রোববার সন্ধ্যায় মোটরসাইকেলযোগে পলাশবাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন সোহাগ। এ সময় তিনি নতুন জেলখানা মোড় এলাকায় পৌঁছালে গাইবান্ধা থেকে একইদিকে যাওয়া শাওন অ্যান্ড সৈকত পরিবহনের একটি বাস তাকে পেছন থেকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত তিনি। ঘটনার পর স্থানীয়দের খবরে মরদেহ উদ্ধার করে জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী দুর্ঘটনাকারী বাসটির চালককে একমাত্র আসামি করে একটি মামলা করেছেন। পুলিশ বিষয়টির তদন্ত করছে।’

ঘটনার বিষয়ে জানতে মামলার বাদীর এজাহারে দেয়া ফোন নম্বরে কল করা হলে তা রিসিভ করেন সোহাগের জ্যাঠাতো ভাই আল আমিন।

তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘সোহাগ ছাত্রলীগ নেতা রকি হত্যা মামলার আসামি ছিল। ওই মামলায় সে প্রায় এক বছর জেল খেটে জামিনে ছিল।’

তিনি বলেন, দুর্ঘটনার সঙ্গে ওই ঘটনার কোনো যোগসাজস আছে কি না, সেটা জানতে হবে। ঘটনার পর আমরা সবাই মরদেহ নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। তাই এজাহারে ওইসব বিষয় তুলে ধরা হয়নি।’

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১১ জুলাই রাত ১০টার দিকে গাইবান্ধা-বালাসী সড়কের শহরের পূর্বপাড়ায় অবস্থিত হালিম বিড়ি ফ্যাক্টরির সামনে দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন রকি। পরে স্থানীয়রা তাকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক রকিকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় পূর্ব শত্রুতার জেরে ও হত্যকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে নিহত ওমর ফারুক সোহাগের অপর এক আপন ভাইসহ চারজনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও ৭-৮ জনকে আসামি করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন রকির বড় ভাই আতিকুর রহমান।

ওই মামলায় একই বছরের ১৭ অক্টোবর ওমর ফারুক সোহাগসহ তাদের দুই সহোদরকে শহরের ব্রিজ রোড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে সদর থানা পুলিশ। পরে তারা জামিনে বের হন।

হত্যার শিকার ছাত্রলীগ নেতা রকির বাড়ি ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের মধ্য কঞ্চিপাড়া গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত সাইদার রহমান ছেলে। ২০১৫ সাল থেকে ওই সময় পর্যন্ত রকি ফুলছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছিলেন।

আরও পড়ুন:
ছাত্রদল নেতা হত্যায় কুমিল্লায় ১৪ জনের যাবজ্জীবন
মাথায় গুলি করে ইউএনও’র দেহরক্ষীর ‘আত্মহত্যা’
বাসের ধাক্কায় দুই চুয়েট শিক্ষার্থী নিহত, আহত ১

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Youth dies of heatstroke in Chittagong

চট্টগ্রামে হিটস্ট্রোকে যুবকের মৃত্যু

চট্টগ্রামে হিটস্ট্রোকে যুবকের মৃত্যু
বাস কাউন্টারের বাবুল আহমদ বলেন, ‘ছেলেটি টেম্পুতে মনে হয় সিটি গেটের দিকে কোথাও যাচ্ছিল। আমার কাউন্টারের সামনে এসে ছেলেটা নাকি গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ে। ওরা কাউন্টারের সামনে গাড়ি ব্রেক করে নামিয়ে তাকে শুইয়ে দেয়। সেখানে পরক্ষণেই সে মারা যায়।’

চট্টগ্রামে হিটস্ট্রোকে এক যুবক মারা গেছেন। তার নাম শুকুর আলী। পুলিশ বলছে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর জানা যাবে মৃত্যুর কারণ।

সোমবার নগরীতে চলাচল করা একটি টেম্পু কর্নেল হাট শ্যামলী বাস কাউন্টারের সামনে পৌঁছলে টেম্পুটি থামিয়ে সেখান থেকে নিস্তেজ অবস্থায় এক যাত্রীকে ধরাধরি করে নামিয়ে আনেন অন্য যাত্রীরা। পরে খবর দেয়া হয় পাহাড়তলী থানা পুলিশকে।

শুকুর আলী লক্ষ্মীপুর জেলার দালাল বাজারের হাজীবাড়ির মৃত মানিক মিস্ত্রির ছেলে। তিনি সীতাকুণ্ডে জলিলের সিডিএ এলাকার বুলু মেম্বারের ভাড়া ঘরে থাকতেন।

কর্নেল হাট শ্যামলী বাস কাউন্টারের বাবুল আহমদ বলেন, ‘ছেলেটি টেম্পুতে মনে হয় সিটি গেটের দিকে কোথাও যাচ্ছিল। গরমে নাকি হাসফাঁস করছিল। আমার কাউন্টারের সামনে এসে ছেলেটা নাকি অসুস্থ হয়ে পড়ে। ওরা কাউন্টারের সামনে গাড়ি ব্রেক করে নামিয়ে তাকে শুইয়ে দেয়। সেখানে পরক্ষণেই সে মারা যায়। পরে আমরা পুলিশে খবর দেই।’

পাহাড়তলী থানার ওসি মোহাম্মদ কেপায়েত উল্লাহ বলেন, ‘কর্নেল হাট এলাকায় এক যাত্রীর মৃত্যু খবর পেয়ে আমার অফিসার ঘটনাস্থলে যায়। পরে মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়।

‘প্রথমে তার পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। ফেসবুকে বিষয়টি পোস্ট করার পর তার মামা আসেন। তার মা-বাবা কেউ বেঁচে নেই। বাড়ি লক্ষ্মীপুরে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
3 passengers detained at Shah Amanat airport with 1 kg of gold

শাহ আমানত বিমানবন্দরে এক কেজি স্বর্ণসহ ৩ যাত্রী আটক

শাহ আমানত বিমানবন্দরে এক কেজি স্বর্ণসহ ৩ যাত্রী আটক ছবি: সংগৃহীত
ন্দেহজনক গতিবিধির কারণে এনএসআই ও সিআইআইডির সদস্যরা ওই তিন যাত্রীকে আটক করেন।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক কেজি স্বর্ণসহ তিন যাত্রীকে আটক করা হয়েছে।

সোমবার সকালে এনএসআই ও কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টের সদস্যরা যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করেন।

আটককৃতরা হলেন- কক্সবাজারের মোবারক আলী, চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার মো. নাজমুল হক ও চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের আনোয়ার মোহাম্মদ শাহ।

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন তসলিম আহমেদ জানান, ভোর ৬টা ৪৫ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-১৪৮ ফ্লাইটটি দুবাই থেকে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে অবতরণ করে। আটক তিনজন কাপড় ও কম্বলে করে এক কেজির বেশি ওজনের সোনা নিয়ে আসেন। তাদের সন্দেহজনক গতিবিধির কারণে এনএসআই ও সিআইআইডির সদস্যরা তাদের আটক করেন।

আটক তিনজনকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয় বলেও তিনি জানান।

আরও পড়ুন:
জুতায় লুকানো ছিল স্বর্ণের ৬ বার
কমানোর পর দিনই বাড়ল স্বর্ণের দাম
স্বর্ণের দাম এবার কমেছে, তবে নামমাত্র
দেশে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরি ১১৯৬৩৮ টাকা
মহেশপুর সীমান্ত থেকে ৪০টি স্বর্ণের বারসহ আটক ২

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Life imprisonment of 14 people in Comilla for Chhatra Dal leaders murder

ছাত্রদল নেতা হত্যায় কুমিল্লায় ১৪ জনের যাবজ্জীবন

ছাত্রদল নেতা হত্যায় কুমিল্লায় ১৪ জনের যাবজ্জীবন ফাইল ছবি
২০২০ সালের ১০ জুন সন্ধ্যায় কমলাপুর বাজারের দক্ষিণ পাশে পারভেজকে আটক করেন সিকান্দার চেয়ারম্যান ও তার লোকজন। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত তাকে এলোপাতাড়ি মারধরে গুরুতর আহত করা হয়। মারধরে গুরুতর আহত হয়ে পারভেজের মৃত্যু হয়।

কুমিল্লায় ছাত্রদল নেতাকে হত্যার দায়ে আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। এ সময় দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৫ মাসের সাজার রায় ঘোষণা করা হয়।

সোমবার কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক নাসরিন জাহান এ রায় দেন।

রায় ঘোষণার সময় ১১ জন আসামি উপস্থিত থাকলেও পলাতক ছিলেন তিনজন।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন মামলার আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শরীফুল ইসলাম।

নিহত মো. পারভেজ হোসেন সদর উপজেলার কালিরবাজার ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- কালিবাজার এলাকার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. সেকান্দর আলী, যুবলীগ নেতা মো. শাহীন, স্থানীয় যুবলীগ নেতা মো. সাদ্দাম হোসেন, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, মফিজ ভান্ডারী, মো. কামাল হোসেন, আব্দুল কাদের, মো. ইব্রাহীম খলিল, আনোয়ার, মো. মেহেদী হাসান রুবেল ও জয়নাল আবেদীন। এবং পলাতক তিন আসামী হলেন- মো. কাওছার, মো. রিয়াজ রিয়াদ ও বিল্লাল।

আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম জানান, ২০২০ সালের ১০ জুন সন্ধ্যায় কমলাপুর বাজারের দক্ষিণ পাশে পারভেজকে আটক করেন সিকান্দার চেয়ারম্যান ও তার লোকজন। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত তাকে এলোপাতাড়ি মারধরে গুরুতর আহত করা হয়। মারধরে গুরুতর আহত হয়ে পারভেজের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই মাহবুবুর রহমান বাদী হয়ে ১৫০ জন অজ্ঞাত আসামির বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। পরে পারভেজের মাও বাদী হয়ে মামলা করেন। এ ঘটনায় তদন্ত করে সিআইডি ১৪ জনকে আসামি করে প্রতিবেদন দাখিল করে। পরে একজন আসামি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি ও ৩০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেয়।

আরও পড়ুন:
মাথায় গুলি করে ইউএনও’র দেহরক্ষীর ‘আত্মহত্যা’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
UNOs bodyguard committed suicide by shooting himself in the head

মাথায় গুলি করে ইউএনও’র দেহরক্ষীর ‘আত্মহত্যা’

মাথায় গুলি করে ইউএনও’র দেহরক্ষীর ‘আত্মহত্যা’ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গুলিবিদ্ধ আফজাল হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
নিহতের সহকর্মী আনসার সদস্য মোহাম্মদ মিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আজ (সোমবার) বিকেলে বন্দরের ইউএনও স‍্যারের ডিউটি চলাকালীন সে নিজের মাথায় শটগান ঠেকিয়ে গুলি করে। গুলিবিদ্ধ হয়ে সে মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে। আমরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসি।’

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বাসভবনে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনকালে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে নিজের মাথায় গুলি করেছেন আফজাল হোসেন নামে এক আনসার সদস্য। তাকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সোমবার বিকেল ৫টার দিকে বন্দরের মদনগঞ্জে উপজেলা কার্যালয়ের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় সহকর্মী আনসার সদস্যরা আফজালকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। সেখানে অপারেশন চলাকালীন সন্ধ্যা ৭টার দিকে মারা যান তিনি।

নিহতের সহকর্মী আনসার সদস্য মোহাম্মদ মিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আজ (সোমবার) বিকেলে বন্দরের ইউএনও স‍্যারের ডিউটি চলাকালীন সে নিজের মাথায় শটগান ঠেকিয়ে গুলি করে। গুলিবিদ্ধ হয়ে সে মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে। এ অবস্থায় আমরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসি।

‘আমরা জানতে পেরেছি যে সে আত্মহত্যা করেছে। তার বাবার নাম ওয়াহিদুর রহমান। গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামে।’

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মাসুদ মিয়া বন্দর থানার ওসির বরাত দিয়ে জানান, নিহত আনসার সদস্য বন্দর ইউএনওর গার্ড ছিলেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে।’

বন্দর থানার ওসি গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘আনসার সদস্য আফজাল হোসেন শটগান দিয়ে মাথায় গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।’

পুলিশ জানায়, আফজাল বন্দর ‌থানার ইউএন এম এ মুহাইমিন আল জিহানের দেহরক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সোমবার বিকেলে উপজেলার ভেতরে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় তিনি তার অস্ত্র দিয়ে নিজের মাথায় পুলিশ করেন। গুলির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজনসহ অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ছুটে আসেন। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। তবে অবস্থার অবনতি দেখে চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

ইউএনও এম এ মুহাইমিন আল জিহান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আফজালের ডিউটি শুরুর আধ ঘণ্টা পর এ ঘটনা ঘটে। সে তার সার্ভিস শটগান দিয়ে নিজের মাথায় গুলি করে। ঘটনার সময় আমি আমার বাসভবনে ছিলাম না। খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে দেখি রক্তাক্ত অবস্থায় সে পড়ে আছে।

‘দ্রুততার সঙ্গে তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। শটগানটি ও একটি গুলির খোসা জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হবে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two Chuet students killed 1 injured in bus collision

বাসের ধাক্কায় দুই চুয়েট শিক্ষার্থী নিহত, আহত ১

বাসের ধাক্কায় দুই চুয়েট শিক্ষার্থী নিহত, আহত ১ দুর্ঘটনার পর শাহ আমানতের একটি বাসে আগুন দেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা শাহ আমানতের কয়েকটি বাস আটক করার পর চট্টগ্রাম-কাপ্তাই মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। একটি বাসে আগুনও দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

বাসের ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়ে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও একজন।

সোমবার বিকেল চারটার দিকে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার জিয়ানগরে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, এদিন বিকেলে জিয়ানগরে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে যায় চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শান্ত সাহা, দ্বিতীয় বর্ষের তাওফিক হোসাইন ও জাকারিয়া হিমু। পথিমধ্যে শাহ আমানত নামের একটি বাসের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন শান্ত সাহা। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান তাওফিক হোসাইন। মোটরসাইকেলের আরেক যাত্রী জাকারিয়া হিমুকে গুরুতর আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম শহরের এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা শাহ আমানতের কয়েকটি বাস আটক করার পর চট্টগ্রাম-কাপ্তাই মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। একটি বাসে আগুনও দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

চুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (২১ ব্যাচ) শিক্ষার্থী পল্লব ঘোষ বলেন, ‘শান্ত ভাই আমার খুবই কাছের বড় ভাই এবং একজন মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন, কিন্তু বাসের বেপরোয়া গতির জন্য আজ একটি প্রাণ ঝরে গেল। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি উপযুক্ত বিচার দাবি করি ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের ব্যাবস্থা করা হবে। এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে যাতে না হয়, সে ব্যাপারে যথাযথ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Punishment of women for filing false rape cases

মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করায় নারীর শাস্তি

মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করায় নারীর শাস্তি ছবি: নিউজবাংলা
২০১৮ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৭ ধারায় আমেনা বেগমের বিরুদ্ধে শাহীনুজ্জামান বাবু বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলার পর থেকে আসামি আমেনা বেগম পলাতক রয়েছেন।

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করায় আমেনা বেগম নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। সেইসঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, যা অনাদায়ে আরও মাস সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাকে।

সোমবার বিকেলে আসামির অনুপস্থিতিতে মানিকগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বেগম তানিয়া কামাল এই রায় ঘোষণা করেন।

৩৯ বছর বয়সী আমেনা বেগম নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ভূপাড়া এলাকার মোহাম্মদ আরিফ হোসেনের স্ত্রী। কাজের সুবাদে তিনি শিবালয়ের টেপড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

ভুক্তভোগী শাহীনুজ্জামান বাবু শিবালয়ের শিবরামপুর এলাকার বাসীন্দা।

মামলার এজহারে বলা হয়, ২০১৭ সালের ২৬ মে শাহীনুজ্জামান বাবুকে আসামি করে শিবালয় থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ মামলা করেন আমেনা বেগম। এরপর ২০১৭ সালের ৯ জুন অভিযুক্ত শাহীনুজ্জামান বাবুকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। চার মাস কারাভোগের পর শাহীনুজ্জামান জামিনে বের হন।

পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগটি তদন্ত করেন এবং অভিযোগের বিষয়ে কোসো সত্যতা ও স্বাক্ষী না পাওয়ায় অভিযোগটি মিথ্যা বলে ট্রাইব্যুনালে চার্জশিট দাখিল করেন। একইসঙ্গে মামলার বাদী আমেনা বেগমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৭ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন।

পরে ২০১৮ সালের ২৩ জানুয়ারি মামলাটি খারিজ করেন বিচারক। এরপর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৭ ধারায় আমেনা বেগমের বিরুদ্ধে শাহীনুজ্জামান বাবু বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলার পর থেকে আসামি আমেনা বেগম পলাতক রয়েছেন।

মামলায় ৫ জনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বেগম তানিয়া কামাল আমেনা বেগমকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

রায়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি একেএম নুরুল হুদা রুবেল সন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে আসামি পক্ষের আইনজীবীর নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি এবং এ বিষয়ে তার মতামত জানাও সম্ভব হয়নি।

মন্তব্য

p
উপরে