× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Vegetable traders of Sylhet fed up with extortion
google_news print-icon

চাঁদাবাজে অতিষ্ঠ সিলেটের সবজি ব্যবসায়ীরা

চাঁদাবাজে-অতিষ্ঠ-সিলেটের-সবজি-ব্যবসায়ীরা
চাঁদাবাজি বন্ধ ও দায়ীদের শাস্তির দাবিতে গত বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন সিলেটের সবজি ব্যবসায়ীরা। ছবি: নিউজবাংলা
এই চাঁদাবাজির সঙ্গে স্থানীয় ছাত্রলীগের কিছু নেতা-কর্মী জড়িত বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের। পুলিশের সামনে এসব ঘটনা ঘটছে দাবি করে তাদের অভিযোগ, এতে পুলিশেরও যোগসাজশ রয়েছে। তবে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ পুলিশ ও ছাত্রলীগ- উভয় পক্ষ থেকেই নাকচ করা হয়েছে।

সিলেটে বেড়েই চলেছে সবজিবাহী ট্রাক আটকে চাঁদাবাজির ঘটনা। সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে ট্রাক আটকে চাঁদা আদায় করছে একটি গোষ্ঠি। চাঁদা না পেলে ছিনিয়ে নিচ্ছে সবজি।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এই চাঁদাবাজির সঙ্গে স্থানীয় ছাত্রলীগের কিছু নেতা-কর্মী জড়িত। এতে পুলিশেরও যোগসাজশ রয়েছে।

অবশ্য পুলিশ ও ছাত্রলীগ- উভয় পক্ষ থেকেই এমন অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

এমতাবস্থায় সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ ও নিরাপত্তার দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন সিলেটের ব্যবসায়ী ও পরিবহন শ্রমিকরা।

চাঁদাবাজি ও ছিনতাই বন্ধের দাবিতে সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গত বৃহস্পতিবার সবজি চাষি, কাঁচামাল ব্যবসায়ী, ব্যবসায়ী নেতা ও সবজি পরিবহনকারী শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেন।

বিক্ষাভ থেকে সবজি ব্যবসায়ীরা জানান, সিলেটের কানাইঘাট, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর উপজেলায় প্রচুর পরিমাণ শীতকালীন সবজি চাষ হয়। এসব সবজি প্রতিদিন ভোরে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা সিলেট নগরীর সোবহানীঘাট ও বন্দরবাজার পাইকারি আড়তে নিয়ে আসেন। ভোরে সবজি নিয়ে আসার সময় সিলেট-তামাবিল সড়কের হরিপুর, বটেশ্বর, মেজরটিলা, টিলাগড় ও সোবহানীঘাটসহ বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজির শিকার হন তারা।

আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা চাঁদাবাজরা হঠাৎ করে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কার নিয়ে সড়কে ব্যারিকেড দেয়। এরপর গাড়ি আটকে চাঁদা দাবি করে তারা।

প্রতি গাড়ি থেকে তারা ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে জানিয়ে আরও বলা হয়, ‘টাকা না পেলে অনেক সময় চালককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গাড়ি ছিনতাই করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে পণ্য লুট করে নেয় তারা।’

ব্যবসায়ীদের দাবি, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য ও তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনকে বিষয়টি অবগত করেন তারা। সড়কে পণ্যবাহী পরিবহনের নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে নির্দেশও দেন তিনি, কিন্তু এই নির্দেশের পরও থামেনি চাঁদাবাজি।

এরপর ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দেয়া হয় উল্লেখ করে তাদের দাবি, তারপরও বেপরোয়া চাঁদাবাজদের তৎপরতা থামেনি।

এ অবস্থায় ব্যবসায়ী ও পরিবহন শ্রমিকরা জোটবদ্ধ হয়ে বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। পরে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেন তারা।

সে সময় সিলেট চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতারাও কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।

চাঁদাবাজে অতিষ্ঠ সিলেটের সবজি ব্যবসায়ীরা
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সিলেটের সবজি ব্যবসায়ীদের বৃহস্পতিবারের বিক্ষোভ। ছবি: নিউজবাংলা

বিক্ষোভ থেকে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতারা এই চাঁদাবাজির সঙ্গে যুক্ত। সিলেট-তামাবিল সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছাত্রলীগ পরিচয় দিয়ে দুর্বৃত্তরা গাড়ি আটকে অস্ত্রের মুখে ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে চাঁদা আদায় করছে। চাঁদা না পেলে তারা পণ্য লুট করে নিচ্ছে।

এমনকি শাহপরান থানার পুলিশ সদস্যদের সামনেই তারা সবজির গাড়ি আটকে প্রতি গাড়ি থেকে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা আদায় করে বলে অভিযোগ করেন ওই ব্যবসায়ীরা।

সবজি ব্যবসায়ী আশিক মিয়া বলেন, ‘আমি জৈন্তা (জৈন্তাপুর), কানাইঘাট ও জাফলং এলাকা থেকে ফুলকপি, পাতাকপিসহ (বাঁধাকপি) বিভিন্ন কাঁচামাল নিয়ে আসি। শাহপরান এলাকা থেকে শিবগঞ্জ, মিরাবাজার, রায়নগর এলাকায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আমার এসব সবজি তারা (দুর্বৃত্তরা) নিয়ে যায়।

‘গত শুক্রবার রাত ১২টার দিকে তারা আমার ১ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে গেছে। প্রতিদিন এই ধরনের ঘটনা ঘটে, কিন্তু পুলিশ কিছু করছে না।’

সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে চাঁদাবাজির যন্ত্রণায় ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ উল্লেখ করে সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আবদুর রহমান রিপন বলেন, ‘স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনকে একাধিকবার বিষয়টি অবগত করলেও ব্যবসায়ীরা চাঁদাবাজি থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না।’

এ ব্যাপারে সিলেট চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি তাহমিন আহমদ বলেন, ‘রাতে গাড়ি থেকে সবজি ছিনতাই করে নিয়ে যাচ্ছে। গাড়ির ড্রাইভার থেকে শুরু করে সবজি চাষিদেরকে মারধরও করছে।

‘এভাবে ব্যবসায়ীদের হয়রানি করতে থাকলে এর প্রভাব আগামী রমজান মাসেও পড়বে। কারণ ছিনতাই কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে শহরে কেউ পণ্য নিয়ে আসবে না।’

তিনি বলেন, ‘রমজান মাসে যদি ভোক্তাদেরকে ঠিকমত পণ্য সরবরাহ করতে না পারি, তাহলে সবাই ক্ষতির সম্মুখীন হবে।’

তবে সড়কে চাঁদাবাজিতে ছাত্রলীগের সম্পৃক্তার অভিযোগ অস্বীকার করেন সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাহেল সিরাজ।

তিনি বলেন, ‘চাঁদাবাজির সঙ্গে ছাত্রলীগের কেউ জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ নেই। দুর্বৃত্তরা ছাত্রলীগের নাম ব্যবহার করলে তার দায় ছাত্রলীগ নিতে পারে না।’

দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর হলে তাদের আসল পরিচয় বেরিয়ে আসবে বলে মনে করেন তিনি।

পুলিশের সামনে সবজি ছিনতাইয়ের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (গণমাধ্যম) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এরকম অভিযোগ আমাদের কাছে কেউ করেননি। এ ধরনের কোনো ঘটনা যদি ঘটে থাকে, আমরা খোঁজখবর নেব।

‘যেহেতু ভুক্তভোগীরা সুনির্দিষ্ট করে বলেছেন, আমাদেরকেও এটা যাচাই করে দেখতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘কোনো ধরনের বিচ্যুতি সহ্য করা হবে না। এটা অন্যায়। যেহেতু অবগত হয়েছি, অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ধরনের ঘটনা ঘটুক, তা আমরা চাই না।’

আরও পড়ুন:
‘নষ্ট খাবারের’ বিল না দিতে চাওয়ায় পুলিশকে মারধর
স্বতন্ত্র এমপি পরিদর্শন করায় রেস্টুরেন্টে ছাত্রলীগ সভাপতির ‘তালা’
সবুজ গ্রুপের হামলায় চোখ হারানোর শঙ্কায় ছাত্রলীগ নেতা
মাঘের শীতে সবজির বাজারে উত্তাপ: কী বলছেন বিক্রেতারা
সাংবাদিককে মামলায় ফাঁসানোর হুমকি ‘কুত্তা মাসুদের’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Two killed in oil tanker crash in Pabna

পাবনায় তেলবাহী লরির চাপায় দুজন নিহত

পাবনায় তেলবাহী লরির চাপায় দুজন নিহত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে সুজানগর থানার সামনের মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা
পুলিশ জানায়, রাতে সুজানগর থানার সামনের মোড়ে একটি চায়ের দোকানে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন ওই দুই ব্যক্তি। এ সময় সুজানগর বাজার থেকে নাজিরগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল তেলবাহী ট্রাকটি। ট্রাকটি বাজারের সড়ক থেকে বাঁধের সড়কে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের চাপা দেয়।

পাবনার সুজানগর উপজেলায় তেলবাহী লরির চাপায় কামরুল ইসলাম ও আব্দুল মান্নান নামের দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে সুজানগর থানার সামনের মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- সুজানগরের পৌর এলাকার চর সুজানগরের ৩৮ বছর বয়সী কামরুল ইসলাম এবং পৌর এলাকার মসজিদ পাড়ার ৪০ বছর বয়সী আব্দুল মান্নান।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, রাতে সুজানগর থানার সামনের মোড়ে একটি চায়ের দোকানে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন ওই দুই ব্যক্তি। এ সময় সুজানগর বাজার থেকে নাজিরগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল তেলবাহী ট্রাকটি। ট্রাকটি বাজারের সড়ক থেকে বাঁধের সড়কে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় ট্রাকের তলা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সুজানগর থানার ওসি জালালউদ্দিন বলেন, ‘তেলবাহী ট্রাকচাপায় কামরুল ও মান্নান নামের দুইজন নিহত হয়েছেন। তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ট্রাকটি জব্দ করে থানায় আনা হয়েছে। ড্রাইভার পালাতক রয়েছেন। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

আরও পড়ুন:
শ্রীনগরে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় নিহত ২
সাভারে সড়ক দুর্ঘটনায় স্ত্রী নিহত, আহত পুলিশ কর্মকর্তা
মেরিন ড্রাইভ সড়কে দুর্ঘটনায় পর্যটকসহ নিহত ২
বাড়ি ফেরার পথে ট্রাকের ধাক্কায় কলেজছাত্র নিহত
বাইক নিয়ে নির্বাচনি শোডাউনে গিয়ে প্রাণ গেল যুবকের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
They are transport extortionists

ওরা পরিবহন চাঁদাবাজ

ওরা পরিবহন চাঁদাবাজ র‍্যাবের পৃথক অভিযানে আটক পরিবহন চাঁদাবাজ চক্রের হোতাসহ ১৩জন। ছবি: নিউজবাংলা
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও কোতোয়ালিতে অভিযান চালিয়ে ১৩ জনকে আটক করেছে র‍্যাব। তারা যাত্রাবাড়ী, কোতোয়ালি, ডেমরা ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জসহ আশপাশের এলাকায় আন্তঃজেলা ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, লরি ও অটোরিকশার চালক-হেলপারদের কাছ থেকে জবরদস্তি চাঁদা আদায় করে আসছিল।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও কোতোয়ালি এলাকায় বিভিন্ন পরিবহন থেকে চাঁদা আদায়ের সময় চাঁদাবাজ চক্রের হোতা ইউসুফ গাজী ও সাব্বিরসহ ১৩কে আটক হয়েছে। এসব পরিবহন চাঁদাবাজকে সোমবার আটক করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১০।

মঙ্গলবার র‌্যাব-১০ এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এম. জে. সোহেল এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গোয়েন্দা তথ্যে সোমবার সকাল সোয়া ৬টার দিকে রাজধানীর দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে আন্তঃজেলা ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, লরি ও সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন পরিবহন থেকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায়ের সময় চক্রের হোতা ইসুফ গাজীসহ ছয় পরিবহন চাঁদাবাজকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে আদায় করা চাঁদার আট হাজার ৪১০ টাকা ও ছয়টি কাঠের লাঠি জব্দ করা হয়।

আটক অপর পাঁচজন হলেন- মোহাম্মদ ইউসুফ, পিন্টু মিয়া, ডালিম, পাভেল ও মোহাম্মদ আলী।

র‍্যাবের একই দল ওইদিন সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর বাবুবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন পরিবহন থেকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায়ের সময় সাব্বির গ্রুপের দলনেতা সাব্বিরসহ সাতজনকে আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে আদায় করা চাঁদার সাত হাজার ৩৫০ টাকা, ছয়টি লাঠি ও একটি প্লাস্টিকের পাইপ জব্দ করা হয়।

আটক অপর ছয়জন হলেন- নাজির হোসেন, কামাল উদ্দিন, বিল্লাল হোসেন, মো. বিল্লাল, নাজির উদ্দিন ভূঁইয়া ও রনি হোসেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আটককৃতরা বেশ কিছুদিন ধরে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, কোতোয়ালি, ডেমরা ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জসহ আশপাশের এলাকায় আন্তঃজেলা ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, লরি ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার চালক ও হেলপারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায় করে আসছিল।

আটক ১৩ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান র‍্যাবের এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
নৌপথে চাঁদাবাজির অভিযোগ: সেই পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি
‘নৌ পুলিশের যন্ত্রণাটা ডাকাত দলের সদস্যদের চেয়ে কম নয়’
ঢামেক হাসপাতালে ৬৫ দালাল আটক, ৫৮ জনকে সাজা
ডিসির কাছে বিচার দিলেন ‘চাঁদাবাজে অতিষ্ঠ’ অটোরিকশার চালক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
11 people including Jamaat leader ATM Azhar were sentenced to prison

জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারসহ ১১ জনকে কারাদণ্ড

জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারসহ ১১ জনকে কারাদণ্ড ছবি: সংগৃহীত
এ টি এম আজহারুল ইসলামের আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দণ্ডবিধির পৃথক দুই ধারায় এ কারাদণ্ডের আদেশ দেয় আদালত। এক ধারায় দেড় বছর ও আরেক ধারায় ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।

রাজধানীর মতিঝিল থানার নাশকতা মামলায় জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামসহ ১১ জনকে দু’বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে উভয় ধারায় এক হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। মামলায় বেকসুর খালাস পেয়েছেন সাতজন।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী মঙ্গলবার এই রায় ঘোষণা করেন।

২০১০ সালের নভেম্বরে নাশকতার অভিযোগে মতিঝিল থানায় মামলাটি করা হয়।

সাজাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন- মোবারক হোসেন, হাসান আল মামুন, আবু তাহের মেজবাহ, মো. জাহাঙ্গীর, মো. ইব্রাহিম, সাইফুল ইসলাম, মো. জরিপ, আবুল কাশেম, আশরাফুজ্জামান ও মো. রেদুয়ান।

এ টি এম আজহারুল ইসলামের আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দণ্ডবিধির পৃথক দুই ধারায় এ কারাদণ্ডের আদেশ দেয় আদালত। এক ধারায় দেড় বছর ও আরেক ধারায় ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, রায় ঘোষণার সময় যুদ্ধাপরাধ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুলকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে তাকে সাজা পরোয়ানাসহ কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়। আর সাজাপ্রাপ্ত অন্য ১০ আসামি পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
জামায়াতের আমির ১৪ মাস পর কারামুক্ত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Complaint of demanding money from patients sitting in government hospitals

সরকারি হাসপাতালে বসে রোগীর কাছে টাকা দাবির অভিযোগ

সরকারি হাসপাতালে বসে রোগীর কাছে টাকা দাবির অভিযোগ হাসপাতালে দালাল পোষার অভিযোগও রয়েছে ডা. মামুনুর রশীদ মৃধার বিরুদ্ধে। ছবি: নিউজবাংলা
এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক মামুনুর রশিদের কাছে জানতে চাওয়া হলে টাকা চাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন তিনি। বলেন, ‘হাসপাতালের বাইরে নিয়ে চিকিৎসার জন্য টাকা চেয়েছি।’ এ ধরনের চিকিৎসার জন্য তিনি এক লাখ টাকাও নিয়ে থাকেন বলে জানান।

সরকারি হাসপাতালে বসে চিকিৎসাবাবদ রোগীদের কাছে টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, চিকিৎসকের দাবি করা ১৫ হাজার টাকা না দেয়ায় চিকিৎসা মেলেনি তার।

মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

অভিযুক্ত ওই চিকিৎসকের নাম মামুনুর রশীদ মৃধা। তিনি কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে কর্মরত।

মজিবুর রহমান নামের এক ব্যক্তি চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলেছেন। তিনি পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের ঝাওগারচর গ্রামের বাসিন্দা বজলুর রহমানের ছেলে।

মজিবুর জানান, মারামারি সংক্রান্ত ঘটনায় রক্তাক্ত হয়ে ছোট ভাই হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান তিনি। তখন জরুরি বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন ডাক্তার মামুনুর রশিদ মৃধা। এ সময় চিকিৎসাবাবদ তার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন ডা. মামুনুর। অনেক অনুরোধের পর শেষ পর্যন্ত ১৫ হাজার টাকায় রাজি হন তিনি, কিন্তু সঙ্গে নগদ টাকা না থাকায় বাঁধে বিপত্তি। চিকিৎসক তার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে ধমক দিয়ে বলেন- ‘এটা মাছের বাজার পেয়েছ?’ টাকা দিতে না পারায় চিকিৎসা করাতে পারেননি তিনি।

তিনি বলেন, ‘তখনও আমার হাতের কাটা অংশ থেকে রক্ত ঝরছিল। এ অবস্থায় আগে চিকিৎসা নিয়ে, পরে বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা এনে দেয়ার কথা বললে ডাক্তার ধমক দেন।’

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে কয়েকজন সংবাদকর্মী গেলে ওই চিকিৎসকের অনুগত কয়েকজন দালাল তাদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন এবং ভেতর থেকে গেট লাগিয়ে দিয়ে সাংবাদিকদের মারধরের হুমকি দেন। পরে হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে গেট খুলে দিলে দালালরা চলে যান।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক মামুনুর রশিদের কাছে জানতে চাওয়া হলে টাকা চাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘হাসপাতালের বাইরে নিয়ে চিকিৎসার জন্য টাকা চেয়েছি।’

এ ধরনের চিকিৎসার জন্য বাইরে তিনি এক লাখ টাকাও নিয়ে থাকেন বলে জানান।

হাসপাতালে কেন এ ধরনের চিকিৎসা করেন না?- জবাবে তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে কোনো ফ্যাসিলিটি (সুযোগ-সুবিধা) নেই। খোঁজ নিয়ে দেখেন।’

এ বিষয়ে হাসপাতালের আরএমও ডা. দেবাশীষ ভৌমিক দালালদের উৎপাতের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘হাসপাতালকে দালালমুক্ত করতে আমি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ডা. মামুনুর রশিদ মৃধার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

সিভিল সার্জন ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা হাসপাতালে চলতে পারে না। ঘটনাটি শুনে তাৎক্ষণিক হাসপাতালের পরিচালক ও আরএমওকে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলেছি।’

আরও পড়ুন:
ভুল চিকিৎসায় মা ও নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ, হাসপাতাল ভাঙচুর
চট্টগ্রামে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতির ডাক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1 killed in upazila election clash in Coxs Bazar

কক্সবাজারে উপজেলা নির্বাচনে সংঘাত, ছুরিকাঘাতে নিহত ১

কক্সবাজারে উপজেলা নির্বাচনে সংঘাত, ছুরিকাঘাতে নিহত ১
দেলোয়ার নামে টেলিফোন প্রতীকের সমর্থককে আটক করে রাখে মোটরসাইকেল প্রতীকের সমর্থকরা। এ খবরে তাকে বাঁচাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতের শিকার হন সফুর আলম নামের ওই যুবক। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কক্সবাজারের নবগঠিত ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাচনে হামলা, অবরোধ এবং প্রাণহানির মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ভোটগ্রহণ। মঙ্গলবার সকাল থেকে ছোট ছোট বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও ভোটগ্রহণ শেষ হতেই খবর আসে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে টেলিফোন প্রতীকের এক কর্মী-সমর্থক নিহত হয়েছেন।

দেলোয়ার নামে টেলিফোন প্রতীকের সমর্থককে আটক করে রাখে মোটরসাইকেল প্রতীকের সমর্থকরা। এ খবরে তাকে বাঁচাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতের শিকার হন সফুর আলম নামের ওই যুবক।

ভোটগ্রহণ শেষে ঈদগাঁও উপজেলার পশ্চিম পোকখালী ৪ নম্বর ওয়ার্ডে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তি পশ্চিম পোকখালী ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মামমোরা পাড়ার নুর উদ্দিনের ছেলে।

দেলোয়ার জানান, তিনি একটি বাড়িতে খাবার খেতে গেলে সেখানে তাকে মোটরসাইকেল প্রতীকের কর্মী-সমর্থকরা আটকে রাখে। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধারে ছুটে গেলে সেখানে সফুর আলমকে ছুরিকাঘাত করা হয়। তাকে উদ্ধার করে ৪টা ২০ মিনিটের দিকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঈদগাঁও থানার ওসি শুভ রঞ্জন চাকমা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

উপজেলা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া ও ঈদগাঁও উপজেলার ভোট ইভিএম পদ্ধতিতে নেয়া হয়েছে। চকরিয়া ও পেকুয়ার সার্বিক পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ হলেও ঈদগাঁওতে দিনব্যাপী বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে দুপুরে একটি কেন্দ্রে প্রবেশের চেষ্টাকালে মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী সামশুল আলমকে মারধর করা হয়।

তার প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট মৌলভী ইয়াছিন হাবিব জানান, মোটরসাইকেল প্রতীকের সমর্থকরা এই মারধরের ঘটনা ঘটায়।

একই সময় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী আবু তালেবকে মারধর করেন বলে অভিযোগ প্রার্থীর।

বেলা আড়াইটার দিকে আনারস প্রতীকের প্রার্থী সেলিম আকবার কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ এনে কর্মী-সমর্থকেদের নিয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার হাইওয়ে সড়কে অবরোধ করেন। এসময় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী লাঠিচার্জ করে তাকে সরিয়ে দেয়।

আরও পড়ুন:
দ্বিতীয় ধাপে ভোট পড়েছে ৩০ শতাংশের বেশি: সিইসি
১৫৬ উপজেলা নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ, গণনা চলছে
কুড়িগ্রামে জাল ভোট দিতে গিয়ে রিকশাচালক আটক
প্রতিপক্ষের এজেন্টকে মারধর, আ.লীগ নেতার কারাদণ্ড
চার ঘণ্টায় ভোট পড়েছে ১৭ শতাংশ: ইসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
3 bodies including two children were recovered after digging a hole in Mymensingh

ময়মনসিংহে গর্ত খুঁড়ে দুই শিশুসহ ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

ময়মনসিংহে গর্ত খুঁড়ে দুই শিশুসহ ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার মঙ্গলবার বিকেলে ত্রিশালের কাকচর এলাকা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
ত্রিশাল থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, ‘বলেন, ‘মরদেহগুলো ক্ষতবিক্ষত, কোনোটিতে আঙুল নেই। ফলে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না।’

ময়মনসিংহের ত্রিশালে গর্ত খুঁড়ে এক নারী ও দুই শিশুসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার কাকচর এলাকা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে ত্রিশাল থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, ‘বিকেলে শিয়ালে অনুমান তিন একটি শিশুর মরদেহ গর্ত থেকে টেনে বের করে। স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে গর্ত খুঁড়ে আনুমানিক ৩৫ বছর বয়সী এক নারী ও ছয় বছর বয়সী আরও এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা করে।’

তিনি বলেন, ‘মরদেহগুলো ক্ষতবিক্ষত, কোনোটিতে আঙুল নেই। ফলে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, সপ্তাহখানেক আগে তাদের হত্যা করে গর্তে পুঁতে রাখা হয়েছে।’

নিহতদের নাম-পরিচয় শনাক্তসহ হত্যার কারণ উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে বলেও জানিয়েছেন ওসি কামাল হোসেন।

আরও পড়ুন:
রেললাইনে নারীর দ্বিখণ্ডিত মরদেহ, বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন
খেলতে খেলতে গলায় ফাঁস লেগে প্রাণহীন ছোট্ট নুসরাত
মেঘনায় নিখোঁজের দুই দিন পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার
তিউনিশিয়ায় নৌকাডুবি: ৮ বাংলাদেশির মরদেহ ঢামেকে
নিখোঁজের দুই দিন পর মেঘনায় মিলল জেলের মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Attack on Ghulam Mawla Ronis car in Dubai

ঢাবিতে গোলাম মওলা রনির গাড়িতে হাতুড়ি নিয়ে হামলা

ঢাবিতে গোলাম মওলা রনির গাড়িতে হাতুড়ি নিয়ে হামলা গোলাম মওলা রনির গাড়িতে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
শাহবাগ থানার ওসি মোস্তাজিরুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ওনার গাড়িতে হামলার ঘটনা শুনেছি। তবে উনি এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ দেননি। তারপরও আমরা হামলার বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মওলা রনির গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। মোটরসাইকেলযোগে আসা হামলকারীরা গাড়িতে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করেছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর সংলগ্ন তিন নেতার মাজারের সামনে হামলার শিকার হয় রনির গাড়ি। তবে এই হামলায় তিনি আহত হয়েছেন কিনা তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জানা যায়, মোটরসাইকেলযোগে কয়েকজন যুবক অতর্কিত এসে গাড়িতে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়।

ঢাবিতে গোলাম মওলা রনির গাড়িতে হাতুড়ি নিয়ে হামলা
সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মওলা রনি। ফাইল ছবি

শাহবাগ থানার ওসি মোস্তাজিরুর রহমান গাড়িতে হামলার বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘ওনার গাড়িতে হামলার ঘটনা শুনেছি। তবে উনি এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ দেননি। তারপরও আমরা হামলার বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি।’

এদিকে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে নিজের গাড়িতে হওয়া হামলার ঘটনা তুলে ধরেছেন গোলাম মওলা রনি।

‘মেরে ফেলার জন্যই এই আক্রমণ’ উল্লেখ করে স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘বাসা থেকে অফিসে আসার ক্ষেত্রে সর্বদা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস হয়েই আসতে শান্তি অনুভব করি! আজ আমার গাড়ি যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রো রেলের স্টেশন পাড়ি দিয়ে পুষ্টি বিজ্ঞান বিভাগের উল্টো দিক দিয়ে যাচ্ছিল ঠিক তখন ইউটার্ন নেয়ার জায়গায় ৪/৫ জন যুবক হাতুড়ি এবং আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আমার গাড়ির উপর ঝাঁপিয়ে পড়লো। হাতুড়ি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে গাড়ির গ্লাস ভেঙে ফেললো।

‘হতচকিত ড্রাইভার প্রথমে গাড়ি ব্রেক করলেন। তারপর আবার দ্রুত টান মেরে জল্লাদদের কবল থেকে বাঁচার চেষ্টা করলেন। হাতুড়ি বাহিনী পেছনে ছুটল আর অকথ্য ভাষায় গালাগাল দিতে লাগলো।’

তিনি লিখেছেন, ‘অফিসে এসে আমি বিষয়টি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানালাম। তারা বেশ আন্তরিকতা নিয়ে প্রতিকারের আশ্বাস দিলেন। আমি ছাত্রলীগ সভাপতি জনাব সাদ্দামকেও (সাদ্দাম হেসেন) ফোন করে ঘটনা জানালাম। তিনিও সান্ত্বনা দিলেন।’

ফেসবুক পোস্টে রনি আরও লিখেছেন, ‘আমার কপালে আগামী দিনে কী ঘটবে তা আমি জানি না। এটা নিয়ে আমার কোন উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠাও নেই। কারণ আমি জন্ম থেকেই ছন্নছাড়া মানুষ।

‘জীবনের প্রতি মায়া, বেঁচে থাকার স্বপ্ন বা কোন কিছু পাওয়ার লোভ কোনদিন আমাকে তাড়িত করেনি। সুতরাং মরে যাওয়া বা কেউ আমাকে মেরে ফেলবে এটা নিয়ে হৈচৈ করার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।’

মন্তব্য

p
উপরে