× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Got a good government according to the constitution Salman F Rahman
google_news print-icon

সংবিধান অনুযায়ী ভালো সরকার পেয়েছি: সালমান এফ রহমান

সংবিধান-অনুযায়ী-ভালো-সরকার-পেয়েছি-সালমান-এফ-রহমান
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার পুরাতন নগদিপুর বাজার মাঠে রোববার দুপুরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। ছবি: নিউজবাংলা
প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের আগে দেশে নানা গুজব ছিল। নির্বাচন হবে না, নির্বাচন হলেও সরকার থাকবে না। জনগণ এসব গুজবকে মিথ্যা প্রমাণ করে দিয়েছে। একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার এসেছে। সংবিধান অনুযায়ী ভালো একটি সরকার আমরা পেয়েছি।’

নির্বাচনের আগের সব গুজব জনগণ মিথ্যা প্রমাণ করেছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী দেশ ভালো সরকার পেয়েছে।

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার পুরাতন নগদিপুর বাজার মাঠে রোববার দুপুরে দিরাই উপজেলার বাসিন্দা, লন্ডন প্রবাসী ও সমাজসেবক জিল্লুর হোসেন এমবিই আয়োজনে সালমান এফ রহমানকে সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে দেশে নানা গুজব ছিল। নির্বাচন হবে না, নির্বাচন হলেও সরকার থাকবে না। জনগণ এসব গুজবকে মিথ্যা প্রমাণ করে দিয়েছে। একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার এসেছে। সংবিধান অনুযায়ী ভালো একটি সরকার আমরা পেয়েছি। সবাই নির্বাচন শেষে আমাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।’

এখন আমাদের কাজ হলো দেশের ভালো অর্থনৈতিক অবস্থা ধরে রাখা উল্লেখ করে সালমান এফ রহমান বলেন, ‘কোভিড, ইউক্রেন ও গাজা যুদ্ধের ফলে যে চ্যালেঞ্জগুলো এসেছে সেগুলো মোকাবিলা করা। সেজন্য কিছু সংস্কার করতে হবে। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা অর্থনীতিকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব।’

তিনি বলেন, ‘আসন্ন রমজান মাসে দেশে কোনো পণ্য সংকট হবে না। আসন্ন রমজানের জন্য সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। রমজান মাসে দেশে পণ্যের কোনো সংকট হবে না। ভারত আমাদের পণ্য দিয়ে সহায়তা করবে।’

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আমাদের এই স্বীকৃতি দিয়েছে, তবে এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পর্কে জেনে আমি খুবই অবাক হয়েছি। এখানকার সংসদ সদস্যের শরীর ভালো না থাকায় সমস্যা হয়েছে, উনি কাজ করতে পারেন নাই।

‘আমরা রাস্তাঘাটের দাবি এখন পাই না। যেখানেই যাই স্কুল, ইউনিভার্সিটি, বিশেষ জোন, ইপিজেডের দাবি আমরা পাই। ডিসি সাহেবও আমাদের জানিয়েছেন, দিরাই উপজেলার রাস্তাঘাট যোগাযোগ ভালো না। দিরাই উপজেলার সব রাস্তাঘাটের উন্নয়নের জন্য বিশেষ বরাদ্দ দরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আমি বিশেষ বরাদ্দের ব্যবস্থা করব।’

আরও পড়ুন:
ক্রিশ্চিয়ান এইডে চাকরি, বেতন প্রায় সাড়ে ১৬ লাখ
চাকরি দিচ্ছে নাসা গ্রুপ, বয়স ৫০ হলেও আবেদন
চাকরি দিচ্ছে কনসার্ন ওয়ার্ল্ড ওয়াইড, বেতন ৯১ হাজার
অভিজ্ঞতা ছাড়াই মীনা বাজারে চাকরি
চাকরি দিচ্ছে আকিজ গ্রুপ, থাকছে অনেক সুবিধা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Firefighter dies due to electrocution during rescue operation

উদ্ধারকাজে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ফায়ারফাইটারের মৃত্যু

উদ্ধারকাজে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ফায়ারফাইটারের মৃত্যু প্রাণ হারানো রাসেল হোসেন। ছবি: ফায়ার সার্ভিস মিডিয়া সেল
ফায়ার সার্ভিস মিডিয়া সেল জানায়, রাত ১০টার সময় সংবাদ পেয়ে খাগড়াছড়ি ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে যায় এবং গাছ অপসারণ করতে থাকে। গাছ অপসারণের একপর্যায়ে আকস্মিক বিদুৎ চলে আসায় ফায়ারফাইটার রাসেল হোসেন বিদ্যুতায়িত হন।

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ঘূর্ণিঝড়ের কারণে পড়ে যাওয়া গাছ কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ফায়ারফাইটারের মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলার আলুটিলা এলাকায় সোমবার রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স মিডিয়া সেল।

গুরুতর আহত অবস্থায় ফায়ারফাইটার রাসেল হোসেনকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নেয়া হলে রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাকে মৃত বলে জানান চিকিৎসক।

প্রাণ হারানো রাসেলের বাড়ি ঢাকার ধামরাইয়ের বাসনা গ্রামে। তিনি ২০২৩ সালে একজন ফায়ারফাইটার হিসেবে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে যোগদান করেন।

ফায়ার সার্ভিস মিডিয়া সেল জানায়, গতকাল সারা দেশে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘রিমালের’ ফলে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার আলুটিলা এলাকায় গাছ পড়ে যায়। রাত ১০টার সময় সংবাদ পেয়ে খাগড়াছড়ি ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে যায় এবং গাছ অপসারণ করতে থাকে। গাছ অপসারণের একপর্যায়ে আকস্মিক বিদুৎ চলে আসায় ফায়ারফাইটার রাসেল হোসেন বিদ্যুতায়িত হন।

আরও পড়ুন:
রিমালের তাণ্ডবে এখনও বিদ্যুৎহীন অনেক এলাকা
রিমালে ভেঙে পড়া শতাধিক গাছ অপসারণ করেছে ফায়ার সার্ভিস
ঘূর্ণিঝড় রিমালে বিদ্যুৎহীন দুই কোটি ২২ লাখ মানুষ
‘রিমাল’ আরও দুর্বল হয়ে এখন মানিকগঞ্জে
হাতিয়ায় পানিবন্দি হাজারও মানুষ, বিদ্যুৎ নেই

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The young man who was picked up from Tentulia has been found

তেঁতুলিয়া থেকে তুলে নেয়া সেই যুবকের সন্ধান মিলেছে

তেঁতুলিয়া থেকে তুলে নেয়া সেই যুবকের সন্ধান মিলেছে নিখোঁজ সাগর আলী। ছবি: সংগৃহীত
পুলিশ সুপার এসএম সিরাজুল হুদা বলেন, ‘একপর্যায়ে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, সাগর বড় ধরনের একটি অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকায় পুলিশের একটি ইউনিট তাকে ধরে নিয়ে গেছে। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জেনেছি, তবে সাগর বর্তমানে নিরাপদে রয়েছে।’

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় ‘প্রশাসনের লোক’ পরিচয়ে সাগর আলী নামে এক যুবককে তুলে নিয়ে যাওয়ার দুদিন পর তার সন্ধান মিলেছে।

সাগরকে তুলে নেয়ার পর তিনি ঢাকায় পুলিশের একটি ইউনিটের হেফাজতে ছিলেন বলে জানান পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার এসএম সিরাজুল হুদা।

তিনি জানান, সাগরকে একটি মামলায় সোমবার বিকেলে ঢাকার একটি আদালতে তোলা হয় তাকে।

পুলিশ সুপার এসএম সিরাজুল হুদা বলেন, ‘পরিবারের পক্ষ থেকে নিখোঁজ সাধারণ ডায়েরির পর থেকে সাগরের সন্ধানে আমরা কাজ শুরু করি। একপর্যায়ে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, সাগর বড় ধরনের একটি অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকায় পুলিশের একটি ইউনিট তাকে ধরে নিয়ে গেছে।

‘তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জেনেছি, তবে সাগর বর্তমানে নিরাপদে রয়েছে বলে পরিবারের সদস্যদের আমরা জানিয়েছি।’

এর আগে সোমবার বিকেলে তেঁতুলিয়া মডেল থানার পুলিশ তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা এলাকার হোটেল ধানসিঁড়ি ইন্টারন্যাশনালে (আবাসিক) নিখোঁজ সাগরের বাবাকে ডেকে নিয়ে জানায়, সাগর বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন এবং নিরাপদে রয়েছেন, তবে কী কারণে তাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে পরিবারের সদস্যদের তা জানায়নি পুলিশ।

সাগরের ছোট বোন বলেন, ‘সোমবার বিকেলে তেঁতুলিয়া থানা পুলিশ আমার বাবাকে ডেকে নিয়ে জানিয়েছে ভাইয়া নাকি তাদের কাছে আছে, নিরাপদে আছে। আমরা যেন কোনো টেনশন না করি, তবে আমার ভাইয়ের কী অপরাধ আর কেনবা তাকে ধরে নিয়ে গেল পুলিশ, এসব কিছু আমাদের জানায়নি।’

শনিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর এলাকার শ্যামলী কাউন্টার থেকে সাগরকে ডেকে নিয়ে সাদা একটি মাইক্রোবাসের কাছে নিয়ে যান সাদা পোশাকে পুলিশের পরিচয় দেয়া একটি দল। এ সময় সাগরকে জানানো হয়, কিছু তথ্য জিজ্ঞাসা করে তাকে ছেড়ে দেয়া হবে। একপর্যায়ে সাগরকে সাদা ওই মাইক্রোবাসে করে তুলে নেয়া হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়।

এ ঘটনায় শনিবার রাতেই সাগরের বাবা তেঁতুলিয়া মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (নিখোঁজ) দায়ের করেন।

সাগরের বাড়ি উপজেলার বাংলাবান্ধা ইউনিয়নের বাংলাবান্ধা বাজার এলাকায়। তিনি বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে শ্যামলী পরিবহনের একটি টিকিট কাউন্টারে বুকিং সহকারীর কাজ করেন।

আরও পড়ুন:
‘ঢাকঢোল পিটিয়ে’ বিয়ে করছেন আসামি, খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ
প্রশাসনের লোক পরিচয়ে যুবককে তুলে নেয়ার অভিযোগ
সাভারে রেস্তোরাঁ থেকে গ্রেপ্তার জামায়াতের ২২ নেতা-কর্মী
ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে পা ভাঙার অভিযোগ রিকশাচালকের
গরুবাহী ট্রাকের ধাক্কায় পুলিশ কনস্টেবল নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Teenager arrested for sexual abuse of child

শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে কিশোর গ্রেপ্তার

শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে কিশোর গ্রেপ্তার প্রতীকী ছবি
সদর থানার ওসি তানভীরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে যৌন নিপীড়নের সত্যতা পাওয়া যায়। ওই কিশোরকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

নীলফামারীতে পাঁচ বছরের কন্যা শিশুকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় ১৬ বছরের এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে সদর উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের সুখধন দাসপাড়া গ্রামে। সোমবার ওই কিশোরকে টুপামারীর রামগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে সদর থানা পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত ২৩ মে দুপুরে নিজ বাড়ির উঠানে বসে খেলছিল ওই পাঁচ বছরের শিশু। এ সময় ওই কিশোর শিশুটিকে কৌশলে একটি খড়ি রাখার ঘরে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে তার স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে যৌন নিপীড়ন চালায়। পরে শিশুটির পরিবার বিষয়টি বুঝতে পেরে সদর থানায় একটি অভিযোগ করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সদর থানার ওসি তানভীরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে যৌন নিপীড়নের সত্যতা পাওয়া যায়। ওই কিশোরকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Devotees flock to the Ganesh Pagal Mela ignoring the storm

ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে গণেশ পাগলের মেলায় ভক্তদের ভীড়

ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে গণেশ পাগলের মেলায় ভক্তদের ভীড় গণেশ পাগলের মেলায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে এসেছেন সাধুসন্যাসী ও ভক্তবৃন্দ। ছবি: নিউজবাংলা
প্রতি বছর এ মেলায় লাখ লাখ ভক্তের সমাগম ঘটলেও এ বছর ঝড়বৃষ্টির কারণে সেই সংখ্যাটি কিছুটা কম বলে জানান আয়োজকরা। প্রতি বছর মেলা প্রাঙ্গণ হাজারো বাউল-সন্ন্যাসী মিলনমেলায় পরিণত হলেও বৃষ্টির কারণে এবার আসর বসাতে পারেননি তারা।

ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে মাদারীপুরের রাজৈরের কদমবাড়ির শ্রী শ্রী গণেশ পাগলের সেবাশ্রমে হাজার হাজার ভক্তের সমাগম হয়েছে। মেলার ১৪২তম আয়োজনে প্রায় ৫ বর্গকিলোমিটার জায়গাজুড়ে বসেছে সারি সারি নানা রকমের দোকান।

১৪২ বছর আগে জ্যৈষ্ঠ মাসের ১৩ তারিখে ১৩ জন সাধু ১৩ কেজি চাল ও ১৩ টাকা নিয়ে রাজৈর উপজেলার কদমবাড়ীর দীঘিরপাড় ভারতের কুম্ভমেলাকে অনুসরণ করে এ মেলার আয়োজন করেন। সেই থেকে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার কদমবাড়ীর দীঘিরপাড় শ্রী শ্রী গণেশ পাগল সেবাশ্রমে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

এক রাতের মেলা হলেও মেলাটি বর্তমানে চলে ৩দিন। ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে জেলায় ঝড়বৃষ্টি হলেও তা মাথায় নিয়েই সোমবার সকাল থেকে দলে দলে জয়ডঙ্কা ও নানা রকমের বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে জয় হরিবল, জয়বাবা গণেশ পাগল ধ্বনিত করতে করতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে আসতে থাকেন সাধুসন্যাসী ও ভক্তবৃন্দ। বাস, ট্রাক, ট্রলারে, এমনকি পায়ে হেঁটেও তাদের অনেকে আসতে শুরু করে মেলা প্রাঙ্গণে। তবে ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টির কাণে মন্দির প্রাঙ্গনসহ বিভিন্ন নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন তারা।

ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে গণেশ পাগলের মেলায় ভক্তদের ভীড়

প্রতি বছর এ মেলায় লাখ লাখ ভক্তের সমাগম ঘটলেও এ বছর ঝড়বৃষ্টির কারণে সেই সংখ্যাটি কিছুটা কম বলে জানান আয়োজকরা। প্রতি বছর মেলা প্রাঙ্গণ হাজারো বাউল-সন্ন্যাসী মিলনমেলায় পরিণত হলেও বৃষ্টির কারণে এবার আসর বসাতে পারেননি তারা।

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, নেপাল ও অন্যান্য রাষ্ট্র থেকেও বহু ভক্তবৃন্দ আসেন ঐতিহ্যবাহী এ মেলায়।

হারিয়ে যাওয়া অনেক পণ্যের দেখা মেলে এ মেলায়। তবে বৃষ্টির কারণে এবার মেলায় আসার দোকানগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এদিকে মেলায় আগত মানুষের জন্য তিনস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আরও পড়ুন:
৬০ লাখ দর্শনার্থীর মেলায় ৬০ কোটি টাকার বই বিক্রি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Thousands of people in Hatia have no electricity
ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাব

হাতিয়ায় পানিবন্দি হাজারও মানুষ, বিদ্যুৎ নেই

হাতিয়ায় পানিবন্দি হাজারও মানুষ, বিদ্যুৎ নেই ফুলে-ফেঁপে ওঠা সাগরের পানিতে ভাসছে হাতিয়ার গ্রাম। ছবি: নিউজবাংলা
জোয়ারের প্রভাবে হাতিয়ায় নদীর পানির উচ্চতা স্বাভাবিকের চেয়ে ৪-৫ ফুট বেড়ে গেছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় ৪০ হাজার মানুষ।

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের নয়টি গ্রামসহ ১৪টি গ্রাম জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। অপরদিকে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি, বেগমগঞ্জ ও সেনবাগে অতিবর্ষণ আর ঝড়ে ভেঙে পড়েছে গাছপালা।

জানা যায়, নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে জেলা সদর ও ৯টি উপজেলায় ৮ লাখ ৬৬ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক রয়েছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবি) অধীনে এক লাখ ৭ হাজার এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অধীনে ৭ লাখ ৫৯ হাজার গ্রাহক রয়েছেন।

পল্লী বিদ্যুৎ নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের জেনারেল ম্যানেজার জাকির হোসেন বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ৯টি উপজেলায় ২২৮টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়েছে। ৩২টি ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়েছে। ৬ শতাধিক গাছ ভেঙে পড়ে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে গেছে। এর ফলে ৫০ শতাংশের বেশি গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছেন। বিদ্যুৎকর্মীরা এসব লাইন মেরামত ও খুঁটি বসানোর কাজ শুরু করেছেন।

অপরদিকে ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের নয়টিগ্রাম সহ ১৪টি গ্রাম জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের প্রধান সড়ক ও বাজারগুলো এখনও পানির নিচে।

রোববার (২৬ মে) দুপুর থেকে শুরু হওয়া জোয়ারে এসব গ্রাম প্লাবিত হয়। জোয়ারের প্রভাবে হাতিয়ায় নদীর পানির উচ্চতা স্বাভাবিকের চেয়ে ৪-৫ ফুট বেড়ে গেছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় ৪০ হাজার মানুষ।

প্লাবিত হওয়া গ্রামগুলো হলো- নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের মোল্লা গ্রাম, মুন্সি গ্রাম, আদর্শ গ্রাম, বান্দাখালী গ্রাম, ডুবাইয়ের খাল গ্রাম, ইসলামপুর গ্রাম, আনন্দগুচ্ছ গ্রাম, বাতায়ন গ্রাম, বসুন্ধরা গ্রাম ও ধানসিঁড়ি গ্রাম, পূর্বাচল গ্রাম, হরণী ইউনিয়নের চর ঘাসিয়া, বয়ারচর গ্রাম, নলচিরা ইউনিয়নের তুফানিয়া গ্রাম ও তমরদ্দি ইউনিয়নের পশ্চিম তমরদ্দি গ্রাম।

স্থানীয় বাসিন্দা জিল্লুর রহমান বলেন, ‘টানা বর্ষণ ও অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে পুরো উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। পানি ঢুকে পড়েছে বাড়িগুলোতে।’

আরও পড়ুন:
অঝোর ধারার বৃষ্টিতে রাজধানীর জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে
ঢাকায় ২০-৩০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস
রিমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ১৯ জেলা, দেড় লাখ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত
জলাবদ্ধতা নিরসনে ডিএসসিসির নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু
ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে ছয় জেলায় ১০ প্রাণহানি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Parents attempt suicide after killing their child

সন্তানকে হত্যার পর বাবা-মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা

সন্তানকে হত্যার পর বাবা-মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৪ ঘণ্টার ডাক্তারি পর্যবেক্ষণে রয়েছে ওই দম্পতি। ছবি: সংগৃহীত
অসুস্থ মাসরুল হোসাইন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মাসখানেক আগে ময়মনসিংহে আমার কাছ থেকে কোম্পানির দুই লাখ ২০ হাজার টাকা ছিনতাই হয়ে যায়। ঘটনাটি অফিসে জানালে চাকরি চলে যায় এবং কোম্পানি টাকার জন্য আমার ওপর চাপ প্রয়োগ করতে থাকে।

দেনার দায়ে টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ৪ বছর বয়সী একমাত্র মেয়েকে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে এক দম্পতি।

সোমবার ভোরে উপজেলার ভাদুরিচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশুটির নাম ফাউজিয়া শেহতাজ মৃত্তিকা। অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার বাবা ৩৫ বছর বয়সী মাসরুল হোসাইন ও মা মীরা আফরোজ সাথী।

জাপান টোব্যাকোর সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং পদে ময়মনসিংহে চাকরিরত মাসরুল পরিবার নিয়ে উত্তর গোপালপুরের ভাদুরিচর গ্রামের হারুন অর রশিদের বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

পুলিশ জানায়, এদিন ভোরে সন্তানের মৃত্যু নিশ্চিতের পর ওই দম্পতি ঘুমের ওষুধ ও কীটনাশক পানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। তবে বিষয়টি টের পেয়ে প্রতিবেশীরা তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক পুলক কান্তি সাহা জানান, স্বামী-স্ত্রী উভয়কেই ২৪ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এখনও তারা শঙ্কামুক্ত নন। তাদের চিকিৎসা চলছে। তবে আগের চেয়ে এখন কিছুটা সুস্থ।

অসুস্থ মাসরুল হোসাইন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মাসখানেক আগে ময়মনসিংহে আমার কাছ থেকে কোম্পানির দুই লাখ ২০ হাজার টাকা ছিনতাই হয়ে যায়। ঘটনাটি অফিসে জানালে চাকরি চলে যায় এবং কোম্পানি টাকার জন্য আমার ওপর চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। উপায়ান্তর না পেয়ে রোববার বিভিন্ন ফার্মেসি থেকে ১২০টি ঘুমের ওষুধ ও কীটনাশক কিনে আনি। মধ্যরাতের পর একমাত্র মেয়েকে ১২টি ঘুমের ঔষধ খাইয়ে বালিশ চাপা দিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিতের পর আমরা (স্বামী-স্ত্রী) আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে ভোররাতে ঘুমের ওষুধ ও কীটনাশক পান করি।’

গোপালপুর থানার ওসি ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘হতাশাগ্রস্ত বাবা-মা সন্তানকে খুন করার অপরাধে ও বাবা-মায়ের আত্মহত্যা চেষ্টার দায়ে নিয়মিত মামলা হবে।’

আরও পড়ুন:
যশোরে প্রেম নিয়ে একজনকে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৩
ঝিনাইদহে প্রবাসীর স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা, আটক ২
বিষ খাইয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী সন্তানকে হত্যার অভিযোগে বাবা-মা গ্রেপ্তার
কাপড় ধুতে বলায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা: স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The police cannot find the accused who is marrying under cover

‘ঢাকঢোল পিটিয়ে’ বিয়ে করছেন আসামি, খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ

‘ঢাকঢোল পিটিয়ে’ বিয়ে করছেন আসামি, খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ বিয়ের অনুষ্ঠানে আসমির বাড়ির সামনে তোরণ। ছবি: নিউজবাংলা
বিয়ের বর জসিম উদ্দিন একটি মারামারি মামলার আসামি। পুলিশের খাতায় ‘পলাতক’। অথচ নিজ বাড়িতে জাঁকজমক করে বিয়ের আয়োজন করেছেন তিনি।

ধুমধাম করে বিয়ের আয়োজন চলছে। বিয়েতে বরকে শুভেচ্ছা জানিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে বিশাল তোরণ।

সোমবার দুপুরে বিশাল বহর নিয়ে বিয়ে করতে কনের বাড়ি গিয়েছেন বর। তার আগে রোববার রাতে বাড়িতে হয়েছে তার গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান।

এই বিয়ের বর জসিম উদ্দিন একটি মামলার আসামি। পুলিশের খাতায় ‘পলাতক’। অথচ নিজ বাড়িতে জাঁকজমক করে বিয়ের আয়োজন করেছেন তিনি।

এমন ঘটনা ঘটেছে সিলেটের জালালাবাদ থানার মানসীনগর গ্রামে।

জানা যায়, গত ১৭ মে মানসীনগর গ্রামে একটি সালিশ বৈঠককে ঘিরে দুপক্ষের মারামারি হয়। এ ঘটনায় ওই গ্রামের সৈয়দ মিয়া বাদী হয়ে আলালাবাদ থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় ২২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞতানামা আরও ১৫/২০ জনকে আসামি করা হয়। জসিম উদ্দিন ওই মামলার ১৮ নম্বর আসামি। সোমবার তিনি বিয়ে করছেন।

মামলার বাদী সৈয়দ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ‘আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করছে না। এরইমধ্যে আজ এক আসামির বিয়ে করছেন। কাল থেকে তার বাড়িতে ঢাকঢোল বাজিয়ে বিয়ের আয়োজন চলছে। অন্যান্য আসামিরাও সেখানে জড়ো হয়েছেন। বিষয়টি একাধিকবার পুলিশকে জানালেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।’

তিনি বলেন, ‘বিষয়টি গতরাতেই (সোমবার) আমি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই লিটনকে জানাই। এরপর থেকেই তার ফোন বন্ধ পাচ্ছি। আজ দুপুরে তিনি (আসামি) বরযাত্রী নিয়ে কনের বাড়ি চলে যাওয়ার পর তদন্তকারী কর্মকর্তা আমাকে ফোন করে জানান, তিনি আসামিকে ধরতে অভিযানে যাচ্ছেন।’

তবে এমন অভিযোগ অস্বীকার করে জালালাবাদ থানার এসআই লিটন বলেন, ‘মামলার পর আসামিদের ধরতে একাধিকবার অভিযান চালিয়েছি, কিন্তু তাদের পাইনি। এক আসামির বিয়ের খবর শুনে আজকেও অভিযানে গিয়ে তাকে পাইনি। রাতে আবার যাব।’

আরও পড়ুন:
মৃত বাবাকে দেখতে এক ঘণ্টা সময় পেলেন মেয়ে
ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে পা ভাঙার অভিযোগ রিকশাচালকের
ঘুষ নেয়া মাদারীপুরের সেই দুই কনস্টেবল সাসপেন্ড
নৌপথে চাঁদাবাজির অভিযোগ: সেই পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি

মন্তব্য

p
উপরে