× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
700 MW loadshedding in country due to fault at LNG terminal
google_news print-icon

এলএনজি টার্মিনালে ত্রুটি, দেশে ৭০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং

এলএনজি-টার্মিনালে-ত্রুটি-দেশে-৭০০-মেগাওয়াট-লোডশেডিং
কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল। ছবি: সংগৃহীত
পিজিসিবির তথ্যানুযায়ী, শনিবার দুপুরের পর থেকেই সারা দেশে প্রায় ৭০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা গেছে। বেলা ২টার দিকে ৯ হাজার ৬৪০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছিল ৮ হাজার ৯২৬ মেগাওয়াট।

কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। এ কারণে শনিবার দেশে বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং হয়েছে।

এর আগে এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে লোডশেডিং নিয়ে সতর্কতা জারি করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়।

ফেসবুকের ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘মহেশখালীস্থ ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের (FSRU) কারিগরি ত্রুটির কারণে এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় বর্তমানে গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কিছুটা কম হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে অতি দ্রুত সমাধানে কাজ করছে মন্ত্রণালয়। এই পরিস্থিতিতে দেশের কিছু কিছু এলাকাতে খুবই স্বল্প সময়ের জন্য বিদ্যুৎ বিভ্রাট হতে পারে। সম্মানিত গ্রাহকদের অনাকাঙ্খিত অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’

পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অফ বাংলাদেশ (পিজিসিবি) জানিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশে প্রায় ৭০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির দেয়া তথ্যানুযায়ী, শনিবার দুপুরের পর থেকেই সারা দেশে প্রায় ৭০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা গেছে। বেলা ২টার দিকে ৯ হাজার ৬৪০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছিল ৮ হাজার ৯২৬ মেগাওয়াট। এই সময় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন দুই আগের তুলনায় প্রায় অর্ধেক কমে ২৯০০ মেগাওয়াটে নেমে যায়।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পেট্রোবাংলার সহযোগী প্রতিষ্ঠান রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানি এবং মহেশখালীতে বিদ্যমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে রি-গ্যাসিফিকেশন সেবা গ্রহণ করে থাকে। এর একটি সামিট গ্রুপ ও অন্যটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক্সেলারেট এনার্জি দ্বারা প্রতিষ্ঠিত।

রক্ষণাবেক্ষণ শেষে আনা মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনাল সময়মতো চালু করতে না পারায় এবং সামিটের এফএসআরইউ কারিগরি ত্রুটির কারণে শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) জাতীয় গ্যাস নেটওয়ার্কে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। ফলে দেশের পূর্বাঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে।

টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জসহ ছয় জেলায় গ্যাস সরবরাহে বিপর্যয় ঘটে। বিতরণ কোম্পানির আগাম বিজ্ঞপ্তি ছাড়া হঠাৎ বিপর্যয়ে রান্না করতে না পেরে খাবারের কষ্টে পড়েন সাধারণ গ্রাহকরা। পাশাপাশি শিল্পকারখানার উৎপাদনও বিঘ্নিত হয়।

অবশ্য ইতোমধ্যে খুব স্বল্প পরিসরে উৎপাদন শুরু করেছে সামিটের এফএসআরইউ। আরপিজিসিএল-এর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ৫০০ এমএমসিএফডি ক্ষমতার বিপরীতে বর্তমানে ১৩০ এমএমসিএফডি সরবরাহ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
গ্যাস সংকটে লোডশেডিংয়ের সতর্কতা
ইউএমপিএলের ৫৮৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রকল্পে বৈদেশিক ঋণের অর্থায়ন
২০২৬ সালের মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ: নসরুল হামিদ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The leave of fire service personnel prepared to deal with Cyclone Remal has been cancelled

ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ মোকাবিলায় প্রস্তুত ফায়ার সার্ভিস, কর্মীদের ছুটি বাতিল

ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ মোকাবিলায় প্রস্তুত ফায়ার সার্ভিস, কর্মীদের ছুটি বাতিল উপকূলীয় এলাকায় মাইকিং করছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ছবি: ফায়ার সার্ভিস
যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে সেবা গ্রহণের জন্য ফায়ার সার্ভিসের নিকটবর্তী ফায়ার স্টেশন, বিভাগীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের হটলাইন নম্বর ১৬১৬৩ অথবা কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলের জরুরি মোবাইল নম্বর ০১৭৩০৩৩৬৬৯৯-এ ফোন করার জন্য সকলকে অনুরোধ জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে সার্বিকভাবে প্রস্তুত রয়েছে। দুর্যোগপ্রবণ এলাকার জনসাধারণকে সচেতন, সতর্ক ও সাবধান করছে ওই অঞ্চলের ফায়ার স্টেশনগুলো।

শনিবার দুপুরের পর থেকে সচেতনতা সৃষ্টির এই প্রচারণা চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস।

ঘূর্ণিঝড়-পূর্ব, ঘূর্ণিঝড়ের সময় ও ঘূর্ণিঝড়-পরবর্তী সকল কাজ কেন্দ্রীয়ভাবে সমন্বয় করতে ঢাকার সদর দপ্তরে একটি মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে বলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, খুলনা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে। এছাড়া এসব বিভাগের খোলা হয়েছে বিভাগীয় মনিটরিং সেল।

উদ্ধারকারী দলটির প্রস্তুতির অংশ হিসেবে উপকূলীয় এলাকাসমূহের ফায়ার স্টেশনগুলোর সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করে সকলকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন।

দুর্যোগপ্রবণ এলাকার জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতি ফায়ার স্টেশনে ফায়ারফাইটিং টিম, সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ টিম, প্রাথমিক চিকিৎসাকা প্রদানকারী দল এবং ওয়াটার রেসকিউ টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিস বলেছে, প্রয়োজনীয় সংখ্যক অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার সরঞ্জামসহ অ্যাম্বুলেন্স, চেইন স, হ্যান্ড স, রোটারি রেসকিউ স, স্প্রেডার, মেগাফোন, র‌্যামজ্যাক বা এয়ার লিফটিং ব্যাগ, ফাস্ট এইড বক্সসহ যাবতীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়-পরবর্তী অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজসহ রাস্তাঘাট যান চলাচল উপযোগী করার কাজে ফায়ার সার্ভিস নিয়োজিত থাকবে। তাদের সঙ্গে সহযোগিতা করবেন ফায়ার সার্ভিসের প্রশিক্ষিত সেচ্ছাসেবীরা। এসব এলাকায় জীবন ও মালামাল সুরক্ষা সংক্রান্ত যেকোনো কাজে ২৪ ঘণ্টা ফায়ার সার্ভিসের সেবা গ্রহণ করতে পারবে মানুষ।

সকল আশ্রয়কেন্দ্রের পাশাপাশি প্রয়োজনে উপকূলবর্তী ফায়ার স্টেশনগুলোতেও সাধারণ জনগণ আশ্রয় নিতে পারবেন।

ফায়ার সার্ভিসের মনিটরিং সেল, কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষসহ সকল বিভাগীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সারাক্ষণ সংবাদ সংগ্রহে নিয়োজিত থাকবে।

যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে সেবা গ্রহণের জন্য ফায়ার সার্ভিসের নিকটবর্তী ফায়ার স্টেশন, বিভাগীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের হটলাইন নম্বর ১৬১৬৩ অথবা কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলের জরুরি মোবাইল নম্বর ০১৭৩০৩৩৬৬৯৯-এ ফোন করার জন্য সকলকে অনুরোধ জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

আরও পড়ুন:
ঘূর্ণিঝড় ‘রেমালে’ রূপ নিয়েছে গভীর নিম্নচাপ, ৭ নম্বর বিপদ সংকেত
‘রেমাল’ মোকাবিলায় ৬ জেলায় বিশেষ প্রস্তুতির নির্দেশ
ঝালকাঠিতে রেমালের প্রভাব শুরু, আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনীহা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Cyclone Remal has become deep depression number 7 warning signal

ঘূর্ণিঝড় ‘রেমালে’ রূপ নিয়েছে গভীর নিম্নচাপ, ৭ নম্বর বিপদ সংকেত

ঘূর্ণিঝড় ‘রেমালে’ রূপ নিয়েছে গভীর নিম্নচাপ, ৭ নম্বর বিপদ সংকেত ঘূর্ণিঝড় রেমালের গতিপথ। গ্রাফিক্স: আবহাওয়া অধিদপ্তর
ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে উপকূলীয় জেলাগুলো স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩ থেকে ৫ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে বর্তমানে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংগ্ন এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ‘রেমালে’ রূপ নিয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঘূর্ণিঝড় বিষয়ক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪০৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হতে পারে বলে।

এ অবস্থায় পায়রা ও মোংলা সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত নামিয়ে ৭ নম্বর সতর্ক দেখাতে বলা হয়েছে। সেসঙ্গে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৬ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়ার ৮ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের আশপাশ এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩ থেকে ৫ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় ‘রেমালের’ প্রভাবে রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার সব নৌকা ও ট্রলারকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন:
‘রেমাল’ মোকাবিলায় ৬ জেলায় বিশেষ প্রস্তুতির নির্দেশ
ঝালকাঠিতে রেমালের প্রভাব শুরু, আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনীহা
টেকনাফে তীব্রগতির বাতাস, শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টি
বাগেরহাটে বৃষ্টি শুরু, প্রস্তুত ৩৫৯ আশ্রয়কেন্দ্র
বন্দরে বিভিন্ন সংকেতের কী অর্থ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Special preparation orders in 6 districts to deal with Remal

‘রেমাল’ মোকাবিলায় ৬ জেলায় বিশেষ প্রস্তুতির নির্দেশ

‘রেমাল’ মোকাবিলায় ৬ জেলায় বিশেষ প্রস্তুতির নির্দেশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান শনিবার দুপুরে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন। ছবি: বাসস
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান বলেন, ‘উপকূলবর্তী সব জেলাকে ঘূর্ণিঝড়ের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, খুলনা, বরগুনা, পটুয়াখালী ও ভোলা জেলাকে বিশেষভাবে প্রস্তুত থাকার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’-এর সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় উপকূলীয় ছয়টি জেলার প্রশাসনকে বিশেষ প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এগুলো হলো সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, খুলনা, বরগুনা, পটুয়াখালী ও ভোলা।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান শনিবার দুপুরে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান। সূত্র: বাসস

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘উপকূলবর্তী সব জেলাকে ঘূর্ণিঝড়ের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, খুলনা, বরগুনা, পটুয়াখালী ও ভোলা জেলাকে বিশেষভাবে প্রস্তুত থাকার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পর্কে জানাতে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে মহিববুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালের যে কোন ধরনের ধ্বংসলীলা থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষকে রক্ষা করতে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, ঘূর্ণিঝড়টি মোকাবেলায় সার্বক্ষণিক তথ্য বিনিময়ের লক্ষ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের এনডিআরসিসি ২৪ ঘণ্টা খোলা রয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর উপকূলীয় জেলাগুলোতে মানবিক সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রম পাঠানো শুরু করেছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘৭৮ হাজার স্বেচ্ছাসেবক কয়েকদিন ধরে মাঠে আগাম সতর্কবার্তা প্রচারসহ আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন ও প্রস্তুতের কাজ করছে। ওয়্যারলেসের মাধ্যমে সরাসরি ১৭৪টি মাঠ কার্যালয়কে সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সাড়া বিশ্বের রোলমডেল। গত ১৫ বছরে ঘূর্ণিঝড়সহ সব দুর্যোগে তার নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশনায় আমরা যথাসময়ে প্রস্তুতি নিয়ে মানুষের দুর্দশা লাঘব এবং জীবন ও সম্পদের ক্ষতি কমাতে সক্ষম হয়েছি।

‘ঘূর্ণিঝড় রেমালও যাতে একই ধারাবাহিকতায় সফলভাবে মোকাবেলা করতে পারি তার জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি।’

আরও পড়ুন:
ঝালকাঠিতে রেমালের প্রভাব শুরু, আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনীহা
টেকনাফে তীব্রগতির বাতাস, শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টি
চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা বেড়ে ৪১.৭ ডিগ্রি, বাড়ছে অস্বস্তি
বাগেরহাটে বৃষ্টি শুরু, প্রস্তুত ৩৫৯ আশ্রয়কেন্দ্র
বন্দরে বিভিন্ন সংকেতের কী অর্থ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jagannath University will have a modern campus with technology

‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রযুক্তিসমৃদ্ধ আধুনিক ক্যাম্পাস করা হবে’

‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রযুক্তিসমৃদ্ধ আধুনিক ক্যাম্পাস করা হবে’ রাজধানীতে বঙ্গবাজার প্রাঙ্গণে শনিবার একাধিক স্থাপনার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: নিউজবাংলা
শেখ হাসিনা বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এতটুকু জায়গা; বিভিন্ন জায়গায় ছড়ানো-ছিটানো হোস্টেল। সেজন্য সবকিছু এক জায়গায় করে একটা ভালো ক্যাম্পাস এবং শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য আধুনিক সব সুবিধাসম্পন্ন আবাসস্থল, শিক্ষার জন্য আধুনিক, সুন্দর, প্রযুক্তি দিয়ে একটা ক্যাম্পাস তৈরি করা হবে।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নতুন ক্যাম্পাসের কাজ শুরুর আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

রাজধানীর বঙ্গবাজার প্রাঙ্গণে শনিবার ‘বঙ্গবাজার পাইকারি নগর বিপণি বিতান’, ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফজলুল হক মণি সরণি’, ‘নজরুল সরোবর’ ও ‘হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী শিশুপার্ক আধুনিকীকরণ’ প্রকল্পের নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘জগন্নাথ একটা স্কুল ছিল। প্রাইমারি স্কুল, প্রাইমারি থেকে উচ্চ মাধ্যমিক হয়। তারপর কলেজ হয়, এখন বিশ্ববিদ্যালয়। এতটুকু জায়গা, বিভিন্ন জায়গায় ছড়ানো-ছিটানো হোস্টেল। সেজন্য সবকিছু এক জায়গায় করে, একটা ভালো ক্যাম্পাস এবং শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য আধুনিক সব সুবিধাসম্পন্ন আবাসস্থল, শিক্ষার জন্য আধুনিক, সুন্দর, প্রযুক্তি দিয়ে একটা ক্যাম্পাস তৈরি করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইতোমধ্যে জায়গা দেয়া হয়েছে, ডিজাইনও করা হয়েছে। সেই কাজও আমরা খুব তাড়াতাড়ি শুরু করব। নতুন ক্যাম্পাস আমরা করে দেব। ছেলেমেয়েরা যাতে সুস্থ পরিবেশে লেখাপড়া করতে পারে সেদিকে নজর রেখে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

উপাচার্য যা বললেন

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের ভিডিওটি সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরার পর ব্যাপক সাড়া পড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সাবেক-বর্তমান শিক্ষার্থীরা ভিডিওটি শেয়ার করে কেউ কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে। আবার কেউ কেউ দীর্ঘদিনেও কাজের আশানরূপ অগ্রগতি না হওয়া নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন।

প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে মোবাইল ফোনে তিনি বলেন, ‘আমরা খুবই আশান্বিত হয়েছি যে প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। তার স্বদিচ্ছার জন্য ২০১৮ সালে কেরানীগঞ্জে জমি বরাদ্দ করা হয়।

‘আমি দায়িত্ব নেয়ার পর প্রয়াত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক যে টেন্ডারগুলো সব প্রক্রিয়া শেষ করে পাস করে গেছেন, শুধু সেগুলোর ওয়ার্ক অর্ডার করেছি। তদারকি কমিটি ও গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরেছি যে এখানে অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। প্রকৌশলীদের সঙ্গে মিটিং করেছি। তারাও স্বীকার করেছেন যে তাদের কাজে গাফিলতি আছে। আমাদের অভ্যন্তরে যারা কাজ করছেন, তারা নতুন ক্যাম্পাস বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছার প্রতি সম্মান দেখাতে পারেননি। তাদের সক্ষমতারও ঘাটতি আছে বলে মনে হচ্ছে।’

উপাচার্য বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান যে কাঠামো তাতে এত বড় প্রকল্প চালানোও অসম্ভব। কারণ আমাদের সে ধরনের দক্ষ বা বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার নেই। ডিপিপিতে উল্লেখ করা ছিলো যে জনবল দেয়া হবে, ইঞ্জিনিয়ার দেয়া হবে, মনিটরিং টিম দেয়া হবে। কিন্তু কোনো কারণবশত ডিপিপি থেকে সেগুলো বাদ দেয়া হয়।

‘সরকারের প্রতি, প্রধানমন্ত্রীর প্রতি, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসিরি প্রতি আপিল করছি- তারা যেন ডিপিপি রিভাইজ করে দক্ষ জনবল, মনিটরিং টিম ও অন্যান্য দরকারি উপাদানের ব্যবস্থা করেন। তাহলে আমরা কাজটি দ্রুত এগিয়ে নিতে পারব।’

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আবাসিক হলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মাসব্যাপী আন্দোলনের মুখে কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়ায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস স্থাপনের সিদ্ধান্ত জানায় সরকার।

একাডেমিক ভবন, প্রশাসনিক ভবন, আবাসন ব্যবস্থা, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র, ক্যাফেটেরিয়া, খেলার মাঠ, চিকিৎসাকেন্দ্র, সুইমিংপুল, লেক নির্মাণসহ উন্নতমানের ক্যাম্পাস তৈরির মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে তেঘরিয়ার পশ্চিমদি মৌজায় ২০০ একর ভূমি অধিগ্রহণের অনুমোদন দেয়া হয়।

২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর জমির চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় ভূমি মন্ত্রণালয়। ৯ অক্টোবর নতুন ক্যাম্পাস স্থাপনে ভূমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়নের জন্য প্রকল্প অনুমোদন করে একনেক। এক হাজার ৯২০ কোটি ৯৪ লাখ ৩৯ হাজার টাকার এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের অক্টোবরের মধ্যে।

২০১৯ সালের জুলাইয়ে নতুন ক্যাম্পাসের নকশাও দেখানো হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। ওই বছরের জুলাইয়ে প্রায় ৯০০ কোটি টাকার চেক পায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

ইতোমধ্যে ক্যাম্পাসের সীমানা প্রাচীর ও লেকের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

আরও পড়ুন:
এমপি আনারের নিহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক
উন্নত দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থ: প্রধানমন্ত্রী
হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইরানকে সহায়তা ‘দিতে পারেনি’ যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে এলাকা ভাগ করে দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
বঙ্গবন্ধুর নামে ‘শান্তি পদক’ দেবে সরকার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangladesh has set an example in religious harmony PM

বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতিতে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতিতে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে: প্রধানমন্ত্রী শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে শনিবার গণভবনে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় গুরু ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি
শেখ হাসিনা বলেন, ‘অনেকেই চেষ্টা করে বাংলাদেশকে ভিন্ন পথে নিতে। কিন্তু সেটা নিতে পারবে না। আমাদের মন-মানসিকতা, বাংলাদেশের মানুষের মন খুব উদার। সবাই একসঙ্গে চলতেই আমরা পছন্দ করি। সেভাবেই আমরা চলব।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ উদার এবং তাদের চিন্তা-চেতনা অসাম্প্রদায়িক। ধর্মীয় সম্প্রীতির ক্ষেত্রে সারা বিশ্বে আমরা একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পেরেছি।’

শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে শনিবার গণভবনে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় গুরু ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের দেশটাকে আমরা গড়ে তুলতে চাই। এখানে ধর্ম-বর্ণ বলে কোনো কথা নেই। আমরা মানুষের জন্য কাজ করি। মানুষের সার্বিক উন্নয়নে, তাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আমরা কাজ করি।

‘আমরা চাই আমাদের দেশটা এগিয়ে যাক। বাংলাদেশটাতে সব সময় বিভিন্ন ধর্মের মানুষ নিয়েই আমাদের চলা। সে ক্ষেত্রে আমি মনে করি সারা বিশ্বে আমরা একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পেরেছি অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশকে গড়ে তোলায়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে অনেকেই আবার চেষ্টা করে বাংলাদেশকে ভিন্ন পথে নিতে। কিন্তু সেটা নিতে পারবে না। আমাদের মন-মানসিকতা, বাংলাদেশের মানুষের মন খুব উদার। সবাই একসঙ্গে চলতেই আমরা পছন্দ করি। সেভাবেই আমরা চলব।

‘প্রত্যেক ধর্মেরই মূল কথা যেটা গৌতম বুদ্ধও বলে গেছেন- মানব কল্যাণ, জগতের সব প্রাণী সুখী হোক। আমাদেরও সেই কথা- সবাই সুখে থাকবে, সুন্দর জীবনযাপন করবে।’

আরও পড়ুন:
রিকশাচালক দিনমজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবেন: প্রধানমন্ত্রী
বঙ্গবাজারে ঢাদসিকের চার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রধানমন্ত্রীর
বঙ্গবাজার বিপণি বিতান ও সোহরাওয়ার্দী শিশু উদ্যানসহ ৪ প্রকল্প উদ্বোধন শনিবার
বিমান ঘাঁটির বিনিময়ে ক্ষমতায় ফেরার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী
এমপি আনারের নিহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
359 shelters ready for rain in Bagerhat

বাগেরহাটে বৃষ্টি শুরু, প্রস্তুত ৩৫৯ আশ্রয়কেন্দ্র

বাগেরহাটে বৃষ্টি শুরু, প্রস্তুত ৩৫৯ আশ্রয়কেন্দ্র বাগেরহাটে মাছ ধরার ট্রলারগুলো উপকূলের ছোট ছোট খালে আশ্রয় নিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক খালিদ হোসেন বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় বাগেরহাটে ৩৫৯টি আশ্রয় কেন্দ্রে ও তিন হাজার ৫০৫ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ৬৪৩ টন চাল ও পাঁচ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।’

উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটে বৃষ্টি শুরু হয়েছে।

নদী তীরবর্তী এ এলাকায় শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শুরু হয় বৃষ্টিপাত, তবে সকাল থেকে আকাশ কখনো রোদ আবার কখনো মেঘাচ্ছন্ন ছিল।

এর আগে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানান, শুক্রবার বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে শনিবার ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এবারের ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেয়া হয়েছে ‘রেমাল’

এদিকে নদীতে থাকা মাছ ধরার ট্রলারগুলো উপকূলের ছোট ছোট খালে আশ্রয় নিয়েছে। কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে চালানো হচ্ছে জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা। এরই মধ্যে রেমাল মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক খালিদ হোসেন বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় বাগেরহাটে ৩৫৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে ও তিন হাজার ৫০৫ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ৬৪৩ টন চাল ও পাঁচ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

‘জেলার ৯টি উপজেলার সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সকল কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিলের পাশাপাশি উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ এলাকায় গুলো নজরদারিতে রাখা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
মিগজাউমের প্রভাব বাংলাদেশে পড়বে না: দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী
ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’: ভারি বৃষ্টিতে চেন্নাইয়ে পাঁচজনের মৃত্যু
উত্তরপশ্চিমে সরেছে মিগজাউম, বন্দরে ২ নম্বর সংকেত
ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ কোন বন্দর থেকে কত দূরে
সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ নিয়ে কী জানা গেল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
What do the different signals on the port mean?

বন্দরে বিভিন্ন সংকেতের কী অর্থ

বন্দরে বিভিন্ন সংকেতের কী অর্থ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে সতর্ক সংকেত নির্দেশক লাল পতাকা। ফাইল ছবি
যেকোনো ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষেত্রেই সমুদ্রবন্দরগুলোকে বিভিন্ন সংকেত দেখাতে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব সংকেতের কোনটির কী অর্থ, তা জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়েছে বলে শনিবার জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এমন পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত নামিয়ে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

যেকোনো ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষেত্রেই এমন সতর্ক সংকেত দেখাতে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব সংকেতের কোনটির কী অর্থ, তা জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।

সমুদ্রবন্দরের জন্য বিভিন্ন সংকেত

১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত: জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার পর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সম্মুখীন হতে পারে। দূরবর্তী এলাকায় একটি ঝোড়ো হাওয়ার অঞ্চল রয়েছে, যেখানে ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ ৬১ কিলোমিটার, যা সামুদ্রিক ঝড়ে পরিণত হতে পারে।

২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত: দূরে গভীর সাগরে একটি ঝড় সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার। বন্দর এখনই ঝড়ে কবলিত হবে না, তবে বন্দর ছেড়ে যাওয়া জাহাজ পথে বিপদে পড়তে পারে।

৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত: বন্দর ও বন্দরে নোঙর করা জাহাজগুলোর দুর্যোগে পড়ার শঙ্কা রয়েছে। বন্দরে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং ঘূর্ণি বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার হতে পারে।

৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত: বন্দর ঘূর্ণিঝড় কবলিত। ঘণ্টায় বাতাসের সম্ভাব্য গতিবেগ ৫১ থেকে ৬১ কিলোমিটার, তবে ঘূর্ণিঝড়ের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়ার মতো তেমন বিপজ্জনক সময় এখনও আসেনি।

৫ নম্বর বিপদ সংকেত: বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতার ঝঞ্ছাবহুল এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার। ঝড়টি বন্দরকে বাম দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৬ নম্বর বিপদ সংকেত: বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর ঝঞ্ছাবহুল সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার। ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৭ নম্বর বিপদ সংকেত: বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতার ঝঞ্ছাবহুল সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার। ঝড়টি বন্দরের ওপর বা নিকট দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত: বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার ঝঞ্ছাবিক্ষুব্ধ ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়তে পারে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা তার ঊর্ধ্বে হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে বাম দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।

৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত: বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার ঝঞ্ছাবিক্ষুব্ধ ঘূর্ণিঝড়ের কবলে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা তার ঊর্ধ্বে হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।

১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত: বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার ঝঞ্ছাবিক্ষুব্ধ সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা তার ঊর্ধ্বে হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরের ওপর বা নিকট দিয়ে উপকূল অতিক্রম করবে।

১১ নম্বর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সংকেত: আবহাওয়া বিপদ সংকেত প্রদানকারী কেন্দ্রের সঙ্গে সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং স্থানীয় কর্মকর্তা আবহাওয়াকে অত্যন্ত দুর্যোগপূর্ণ বলে মনে করছেন।

নদীবন্দরের জন্য সংকেত

১ নম্বর নৌ সতর্ক সংকেত: বন্দর এলাকায় ক্ষণস্থায়ী ঝোড়ো আবহাওয়ার কবলে পড়তে পারে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার গতিবেগের কালবৈশাখীর ক্ষেত্রেও এই সংকেত প্রদর্শন করা হয়। এ সংকেত আবহাওয়ার চলতি অবস্থার ওপর সতর্ক নজর রাখারও তাগিদ দেয়।

২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: বন্দর এলাকা নিম্নচাপের সমতুল্য তীব্রতার একটি ঝড় (যার গতিবেগ ঘণ্টায় অনূর্ধ্ব ৬১ কিলোমিটার) বা একটি কালবৈশাখী ঝড়ের (যার গতিবেগ ঘণ্টায় ৬১ কিলোমিটার বা তদূর্ধ্ব) কবলে পড়তে পারে। নৌযান এ ঝড়ের যেকোনো একটিতে পড়তে পারে। ৬৫ ফুট বা তার কম দৈর্ঘ্যের নৌযানকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে।

৩ নম্বর নৌ বিপদ সংকেত: বন্দর এলাকা ঝড়ে কবলিত। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ একটানা ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিবেগের একটি সামুদ্রিক ঝড় দ্রুতই বন্দর এলাকায় আঘাত হানতে পারে। সব ধরনের নৌযানকে অবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে।

৪ নম্বর নৌ-মহাবিপদ সংকেত: বন্দর এলাকা একটি প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে। ঝড়টি দ্রুতই বন্দর এলাকায় আঘাত হানবে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা তদূর্ধ্ব। সব ধরনের নৌযানকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে হবে।

আরও পড়ুন:
সুস্পষ্ট লঘুচাপটি রূপ নিল নিম্নচাপে, বন্দরে এক নম্বর সংকেত
সুস্পষ্ট লঘুচাপে রূপ নিল বঙ্গোপসাগরের লঘুচাপটি
দেশজুড়ে বাড়তে পারে দিন ও রাতের তাপমাত্রা
উপকূলে রোববার আঘাত হানতে পারে ‘রেমাল’
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, হতে পারে ঘনীভূত

মন্তব্য

p
উপরে