× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Chuadanga is shivering at the lowest temperature in the country
google_news print-icon

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা

দেশের-সর্বনিম্ন-তাপমাত্রায়-কাঁপছে-চুয়াডাঙ্গা
মৃদু শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গার জনপদ। ছবি: নিউজবাংলা
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে। স্বাভাবিক সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে থাকে। মূলত ভূপৃষ্ঠ উত্তপ্ত না হওয়ায় বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে।’

মৃদু শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গার জনপদ। উত্তর থেকে বয়ে আসা কনকনে ঠান্ডা বাতাস ও ঘন কুয়াশার মধ্যে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দেখা মিলছে না সূর্যের।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, জেলায় শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে। স্বাভাবিক সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে থাকে। মূলত ভূপৃষ্ঠ উত্তপ্ত না হওয়ায় বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে।’

তাপমাত্রা আরও কমে যেতে পারে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
পঞ্চগড়ে তীব্র শীত, তাপমাত্রা আরও কমেছে
হিমেল হাওয়ায় কাঁপছে দিনাজপুর 
দুই বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে
দিনে বাড়তে পারে গরম, রাতে ঠান্ডা
তেঁতুলিয়ায় এত শীত কেন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
In Jhalkathi Remals influence begins with reluctance to go to shelters

ঝালকাঠিতে রেমালের প্রভাব শুরু, আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনীহা

ঝালকাঠিতে রেমালের প্রভাব শুরু, আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনীহা ঝালকাঠিতে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনীহা প্রকাশ করছে সাধারণ মানুষ। ছবি: নিউজবাংলা
জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক ফারাহ গুল নিঝুম বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে আশ্রয়ের জন্য জেলায় ৮২৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ৬২টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে না চাইলে জোর করে নেয়া হবে। এমনটাই নির্দেশ দেয়া হয়েছে সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে।’

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘রোমাল’- এমন খবরেও আশ্রয় কেন্দ্রে যায়নি কেউ। শনিবার রাত ৮টায় এই প্রতিবেদন লেখার সময়ও আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে না গিয়ে মানুষজন নিজ নিজ ঘরেই অবস্থান করছিল।

বিগত কয়েকবার ৭ থেকে ১০ নম্বর সংকেত জারি হলেও শেষ পর্যন্ত ঘূর্ণঝড় আঘাত হানেনি উপকূলীয় এই জনপদে। এবারও আঘাত হানবে না- এমনটা ধারণা করে নদী-তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষেরা আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনীহা প্রকাশ করছেন। ভিটেবাড়ি ও গবাদিপশু ছেড়ে যাবেন না বলে নিজ নিজ ঘরেই অবস্থান করছেন এই অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ।

শনিবার দিনভর আবহাওয়া ভালো থাকলেও সন্ধা ৭টা থেকে ঝালকাঠিতে শুরু হয়েছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। সঙ্গে থেমে থেমে ঘূর্ণি বাতাস। বৃষ্টি শুরুর পরই ছুটোছুটি করে গন্তব্যে ফিরছে শহরের মানুষ।

জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক ফারাহ গুল নিঝুম বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে আশ্রয়ের জন্য জেলায় ৮২৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ৬২টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে না চাইলে জোর করে নেয়া হবে। এমনটাই নির্দেশ দেয়া হয়েছে সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে।’

ঝালকাঠির পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল বলেন, ‘আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়া মানুষদের বসতঘরের মালামাল যাতে লুণ্ঠিত না হয়, সেদিকে পুলিশ কড়া নজর রাখবে।’

আরও পড়ুন:
টেকনাফে তীব্রগতির বাতাস, শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টি
চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা বেড়ে ৪১.৭ ডিগ্রি, বাড়ছে অস্বস্তি
বাগেরহাটে বৃষ্টি শুরু, প্রস্তুত ৩৫৯ আশ্রয়কেন্দ্র
বন্দরে বিভিন্ন সংকেতের কী অর্থ
উত্তর দিকে অগ্রসর হলো গভীর নিম্নচাপ, বন্দরে তিন নম্বর সংকেত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Presentation of Urban Development Plan in Coxs Bazar

কক্সবাজারে আর্বান ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান উপস্থাপন

কক্সবাজারে আর্বান ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান উপস্থাপন
যুক্তরাজ্যের রিসার্স অ্যান্ড ইনোভেশন গ্লোবাল চ্যালেঞ্জ রিসার্স ফান্ডের অর্থায়নে গবেষণাকর্মটি সম্পন্ন করা হয়।

সম্প্রসারিত কক্সবাজারের পরিকল্পিত নগরায়নের মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ওপর প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকির হ্রাস বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কক্সবাজার শহরের অভিজাত এক আবাসিক হোটেলের সম্মেলন কক্ষে ‘টুমোরোস সিরিজ’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনটির গবেষণা প্রকল্পের আওতায় ‘মাল্টি-হ্যাজার্ড রেসিলিয়েন্ট অ্যান্ড ইকুইটেবল ফিউচার সিরিজ’ শীর্ষক সেমিনারে রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত কমোডর মোহাম্মদ নুরুল আবছার।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মাহমুদুর রহমান হাবিব, চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন ড. মুহাম্মদ রাশিদুল হাসান, এনএসইটি-নেপালের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. রামেশ গুরাগাইন, চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. বশির জিসান।

সেমিনারে স্টক হোল্ডারসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অন্তত ৭০ জন ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন।

আয়োজকরা সেমিনারে ২০৫০ সালের জন্য কক্সবাজারের জালিয়াপালং ইউনিয়নের দুর্যোগ প্রতিরোধী ও সকলের জন্য সুবিধাসম্পন্ন গবেষণালব্দ একটি সম্ভাব্য আর্বান ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান উপস্থাপন করেন।

যুক্তরাজ্যের রিসার্স অ্যান্ড ইনোভেশন গ্লোবাল চ্যালেঞ্জ রিসার্স ফান্ডের অর্থায়নে গবেষণাকর্মটি সম্পন্ন করা হয়।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, গবেষণা প্রকল্পটিতে এলাকাবাসীর চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন দুর্যোগের জন্য পলিসির সমন্বয়ে ডেভেলপমেন্ট প্ল্যানিং সম্পন্ন করা হয়েছে। এতে ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিধ্বসসহ নানা দুর্যোগের জন্য জালিয়াপালংয়ের ঝুঁকির পাশাপাশি সম্ভাব্য আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতি নিরুপণ করা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dr Niranjan wants a Teota university with Nazrul Promila memories

নজরুল-প্রমিলার স্মৃতিবিজড়িত তেওতায় বিশ্ববিদ্যালয় চান ড. নিরঞ্জন

নজরুল-প্রমিলার স্মৃতিবিজড়িত তেওতায় বিশ্ববিদ্যালয় চান ড. নিরঞ্জন শিবালয় উপজেলার তেওতা জমিদার বাড়ি প্রাঙ্গণে কবি নজরুল ইসলাম ও কবিপত্নী আশালতা সেনগুপ্তার প্রতিকৃতি। ছবি: নিউজবাংলা
শিবালয় উপজেলার তেওতা গ্রামে কবি নজরুল ও তার পত্নী প্রমিলার স্মৃতি জড়িয়ে আছে। বিয়ের পরও তারা বেশ কয়েকবার এ গ্রামে এসেছিলেন। তেওতা জমিদার বাড়ির শান বাঁধানো পুকুরে নজরুল ইসলাম সাঁতার কেটেছেন, পুকুরপাড়ের বকুল গাছের তলায় বসে বাঁশি বাজিয়েছেন। তেওতায় বসে কবি ‘ছোট হিটলার’, ‘লিচু চোর’ ও ‘হারা ছেলের চিঠি’র মতো সাহিত্য রচনা করেছেন।

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মধ্য দিয়ে জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

শনিবার সকালে জেলা প্রশাসন ও সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে শিবালয় উপজেলার তেওতা জমিদার বাড়ি প্রাঙ্গণে কবি নজরুল ইসলাম ও কবিপত্নী আশালতা সেনগুপ্তার (প্রমিলা) প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়।

শোভাযাত্রা শেষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এছাড়া জাতীয় কবির ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী কবিতা আবৃতি, নাটক, গল্প ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. বেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মানিকগঞ্জের স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক সানজিদা জেসমিন, নজরুল গবেষক অধ্যাপক ড. নিরঞ্জন অধিকারী, সাবেক জেল শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল মোন্নাফ খান, কৃষিবিদ রফিকুল ইসলামসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন। এ সময় বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, নজরুল অ্যাকাডেমির সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

নজরুল-প্রমিলার স্মৃতিবিজড়িত তেওতায় বিশ্ববিদ্যালয় চান ড. নিরঞ্জন

জাতীয় কবির স্মৃতিবিজড়িত তেওতা গ্রামে নজরুল-প্রমিলা বিশ্ববিদ্যালয়, নজরুল গবেষণা কেন্দ্র ও জাদুঘর নির্মাণের দাবি করেন নজরুল গবেষক অধ্যাপক ড. নিরঞ্জন অধিকারী। একইসঙ্গে কবি ও কবিপত্নী প্রমিলার স্মৃতিবিজড়িত তেওতা জমিদার বাড়ি সংস্কার ও পুকুর ঘাট রক্ষণাবেক্ষণে সরকারের কাছে জোর দাবি জানান তিনি।

নজরুল গবেষক জানান, ১৯০৮ সালে শিবালয়ের তেওতা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আশালতা সেনগুপ্তা ওরফে দোলন বা দুলি। আশালতা সেনগুপ্তা ছিলেন বাবা বসন্ত কুমার ও মা গিরিবালা দেবীর একমাত্র সন্তান। তার বাবা বসন্ত কুমার সেনগুপ্ত ত্রিপুরায় নায়েবের পদে চাকরি করতেন। তার কাকা ইন্দ্র কুমার সেনগুপ্ত ত্রিপুরায় কোর্ট অফ ওয়ার্ডসের ইন্সপেক্টর ছিলেন। চাকরি সূত্রে আশালতার বাবা বসন্ত কুমার পরিবার নিয়ে তেওতায় বসবাস করতেন এবং তার কাকা ইন্দ্র কুমার পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করতেন কুমিল্লায়।

তবে হঠাৎ করে বসন্ত কুমারের মৃত্যু হলে কাকা ইন্দ্র কুমারের সঙ্গে কুমিল্লায় চলে যান আশালতা ও তার মা গিরিবালা বেদী। এরইমধ্যে কাজী নজরুল ইসলাম তার বন্ধু আলী আকবর খানের সঙ্গে একবার কুমিল্লায় বেড়াতে যান এবং সেখানে ইন্দ্র কুমার সেনগুপ্তের বাড়িতে আশালতার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আশলতা সেনগুপ্তার টানে পাঁচবার কুমিল্লায় যান কাজী এবং তিনবার আসেন তেওতা গ্রামে। তেওতা জমিদার বাড়ির পাশেই ছিল তাদের বাড়ি।

নজরুল-প্রমিলার স্মৃতিবিজড়িত তেওতায় বিশ্ববিদ্যালয় চান ড. নিরঞ্জন

নজরুল জেল থেকে মুক্তি পেয়ে কুমিল্লায় গেলে তাদের সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হলে সামাজিক চাপে মা গিরিবালা দেবী মেয়ে আশালতা সেনগুপ্তাকে নিয়ে কলকাতায় চলে যান। এরপর ১৯২৪ সালে গিরিবালা দেবীর ইচ্ছায় নজরুল ও আশালতার বিয়ে হয়। প্রেম চলাকালে আশালতাকে প্রমিলা নামে ডাকতেন কবি।

তিনি জানান, শিবালয় উপজেলার তেওতা গ্রামে কবি নজরুল ও তার পত্নী প্রমিলার স্মৃতি জড়িয়ে আছে। বিয়ের পরও তারা বেশ কয়েকবার এ গ্রামে এসেছিলেন।

তেওতা জমিদার বাড়ির শান বাঁধানো পুকুরে নজরুল ইসলাম সাঁতার কেটেছেন, পুকুরপাড়ের বকুল গাছের তলায় বসে বাঁশি বাজিয়েছেন। এমনকি জমিদার বাড়ির নবরত্ন মঠের দোল উৎসবেও যোগ দিয়েছিলেন।

সবুজ শ্যামল তেওতা গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে যমুনা নদী। তেওতা গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে মুগ্ধ হয়ে কবি লিখেছিলেন, ‘আমার কোন কূলে আজ ভিড়ল তরী এ কোন সোনার গাঁয়।’

প্রমিলার প্রতি মুগ্ধ হয়ে তিনি লিখেছিলেন, ‘নীলাম্বরী শাড়ি পরি নীল যমুনায় কে যায়।’

এ ছাড়াও তেওতায় বসে কবি ‘ছোট হিটলার’, ‘লিচু চোর’ ও ‘হারা ছেলের চিঠি’র মতো সাহিত্য রচনা করেছেন। এসবের মাধ্যমে নজরুল ইসলাম তেওতা গ্রামের প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তুলেছেন।

আরও পড়ুন:
প্রতিবাদে উদ্বুদ্ধ করে নজরুলের কবিতা, গান: রিজভী
নজরুলের জন্মদিনে জাতীয় ছুটির দাবি পুনর্ব্যক্ত নাতনি খিলখিলের
কারার ঐ লৌহ কপাট বিতর্ক: অবশেষে ক্ষমা চাইল টিম ‘পিপ্পা’  
সংকটে প্রেরণা নজরুল: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Heavy rain has started in Teknaf
নিম্নচাপের প্রভাব

টেকনাফে তীব্রগতির বাতাস, শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টি

টেকনাফে তীব্রগতির বাতাস, শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টি নিম্নচাপের প্রভাবে কক্সবাজারের টেকনাফ ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ ধেয়ে আসার শঙ্কার মাঝেও শনিবার সকাল থেকে কক্সবাজারের পরিবেশ-প্রকৃতিতে এর আলামত দেখা যায়নি। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে প্রকৃতির রূপ। টেকনাফ, সেন্টমার্টিন ও শাহপরীর দ্বীপে তীব্র গতির বাতাস বইছে। শুরু হয়েছে অঝোর ধারার বৃষ্টি। উত্তাল হয়ে উঠেছে সাগর।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি শনিবার রাতেই ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’-এ রূপ নিতে পারে। এর আগেই শনিবার বিকেলে দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ ধেয়ে আসার শঙ্কার মাঝেও শনিবার সকাল থেকে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজারের পরিবেশ-প্রকৃতিতে এর আলামত দেখা যায়নি। অন্যান্য দিনের মতোই ছিল শান্ত। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে এখানকার প্রকৃতির রূপ।

গভীর নিম্নচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে উপকূলের দিকে এগুতে থাকায় কক্সবাজারের টেকনাফ, সেন্টমার্টিন ও শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় তীব্র গতির বাতাস বইছে। একইসঙ্গে ঝরছে অঝোর ধারার বৃষ্টি। উত্তাল হয়ে উঠেছে সাগর।

শনিবার বিকেল ৪টা থেকে টেকনাফ, শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় ব্যাপক বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। একইসঙ্গে বেড়েছে বাতাসের গতি।

শনিবার সকাল থেকে টেকনাফ ও সেন্টমার্টিন এলাকায় কিছুটা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়। মেরিন ড্রাইভ এলাকায় প্রচণ্ড গতির বাতাস থাকলেও বৃষ্টি খুব একটা ছিল না। বিকেল ৪টার দিকে মেরিন ড্রাইভ এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়।

টেকনাফেও বাতাস থাকলেও বৃষ্টি ছিল কম। দুপুর ১টার পর থেকে বৃষ্টির তীব্রতা যেমন বেড়ে যায় সে সঙ্গে বাড়ে বাতাসের গতিবেগও।

টেকনাফ সৈকত সংলগ্ন সব দোকান পাট বন্ধ হয়ে গেছে। খোলা জায়গায় অনেক স্থানে গরু বাঁধা থাকলেও মানুষজনের উপস্থিতি দেখা যায়নি। টেকনাফ সড়কের চেকপোস্টগুলো ফাঁকা দেখা গেছে। স্থানীয় পরিবহন চলাচলও বন্ধ রয়েছে।

খবর নিয়ে জানা গেছে, সেন্টমার্টিনেও বাতাসের গতিবেগ বেড়েছে, সঙ্গে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। আতঙ্কের মধ্যে আছেন দ্বীপে অবস্থানরত মানুষ।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, ‘দ্বীপে সাগর উত্তাল রয়েছে। সকাল থেকে আকাশে মেঘ থাকলেও বৃষ্টি ছিল না। বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাতাস শুরু হয়েছে। এ ছাড়া স্বাভাবিকের চেয়ে সাগরের পানির উচ্চতা বেড়েছে। তবে আমরা সতর্ক অবস্থায় আছি।’

টেকনাফ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ সাফকাত আলী বলেন, ‘মেডিক্যাল টিমসহ সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাছাড়া সাগর-নাফ নদের কারণে আমরা সেন্টমার্টিন ও শাহপরীর দ্বীপকে গুরুত্ব দিচ্ছি বেশি।’

শনিবার আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (ক্রমিক নম্বর-৭) বলা হয়, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। দুপুর ১২টায় এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৪৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।

আরও পড়ুন:
উপকূলে রোববার আঘাত হানতে পারে ‘রেমাল’
বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপটি এখন গভীর নিম্নচাপ
নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছের এলাকায় সাগর উত্তাল
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, সমুদ্রবন্দরগুলোতে সতর্ক সংকেত
লঘুচাপটি নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two sisters died after drowning in a pond in Jeevannagar

জীবননগরে পুকুরে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু

জীবননগরে পুকুরে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যুর পর প্রতিবেশী ও স্বজনরা ভিড় জমান বাড়িতে। ছবি: নিউজবাংলা
শিশু দুটি দাদা কাশেম মণ্ডল বলেন, ‘খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে নিজাম খাঁর পুকুর পাড়ে ওদের স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখে পুকুরে নেমে ওদের খুঁজতে থাকি। তখন আমার হাতে ওদের মরদেহ উঠে আসে।’

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে পানিতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শাখারিয়া গ্রামে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মৃত শিশুরা হলো- একই গ্রামের মসজিদ পাড়ার আশরাফুল হকের মেয়ে ছয় বছর বয়সী উম্মে তাবাসসুম ও রাজু আহাম্মেদের পাঁচ বছরের মেয়ে রিতু খাতুন। তারা দুজন সম্পর্কে চাচাতো বোন।

মৃত শিশুদের দাদা কাশেম মণ্ডল বলেন, ‘বেলা ১১টার দিকে বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ে বসে তখন তাবাসসুম ও রিতু খাবার খেতে খেতে আমার কাছে এসে কিছুক্ষণ বসে। খাবার খাওয়া শেষ করে একজন বসে থাকে আর একজন শুয়ে থাকে। একটু পর ওরা বাড়ি চলে যায়।

‘আধ ঘণ্টা পর থেকে ওদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে নিজাম খাঁর পুকুর পাড়ে ওদের স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখে পুকুরে নেমে ওদের খুঁজতে থাকি। তখন আমার হাতে ওদের মরদেহ উঠে আসে।’

সীমান্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইশাবুল ইসলাম মিল্টন বলেন, ‘খেলার সময় পুকুরে পড়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়। শিশু দুটির মরদেহ বাড়িতে রয়েছে।’

জীবননগর থানার ওসি এস এম জাবীদ হাসান বলেন, ‘থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় মরদেহ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মাদারীপুরে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু
মহানন্দায় গোসলে নেমে শিশুসহ দু’জনের মৃত্যু
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
কুড়িগ্রামে পুকুরের পানিতে খেলতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই শিশুর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The womans hands feet and head were scattered on the railway line

রেললাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল নারীর হাত পা ও মাথা

রেললাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল নারীর হাত পা ও মাথা রেললাইন থেকে পারুল বেগমের খণ্ডিত মরদেহ সরানো হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক হেমায়েত হোসেন বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের কারণে পারুল বেগম ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন।’

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে পারুল বেগম নামের এক নারী নিহত হয়েছেন।

শনিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার টিলাগাঁও ইউনিয়নের বাগেরটেকি এলাকায় রেললাইন থেকে নিহতের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গলের রেলওয়ে পুলিশ।

৩৫ বছর বয়সী পারুল বেগম উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের চৌধুরীবাজার এলাকার মো. ফারুক মিয়ার স্ত্রী। প্রায় মাসখানেক আগে তাদের বিয়ে হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. হেমায়েত হোসেন বলেন, ‘ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেন দুপুর ১২টার দিকে বাগেরটেকি এলাকায় পৌঁছালে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন পারুল বেগম। এতে তার দুই হাত ও পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং মাথা থেঁতলে গিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।’

তিনি বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের কারণে পারুল বেগম ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
টাঙ্গাইলে চলন্ত লরির পেছনে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কা, নিহত ২
বাড়ি ফেরার পথে ট্রাকের ধাক্কায় কলেজছাত্র নিহত
কুমিল্লায় ট্রেনে কাটা পড়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু, রেললাইন অবরোধ
বগুড়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে দুই যুবকের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Killing of MP Anna Dada wants punishment for the culprit

এমপি আনার হত্যা: অপরাধী হলে শিলাস্তির বিচার চান দাদা

এমপি আনার হত্যা: অপরাধী হলে শিলাস্তির বিচার চান দাদা এমপি আনার হত্যাকাণ্ডে জড়িত হিসেবে নাম এসেছে শিলাস্তি রহমানের। ছবি: নিউজবাংলা
দাদা সেলিম মিয়া বলেন, ‘আরিফুর রহমানের দুই সন্তান। শিলাস্তি বড় ও সুবাহ ছোট। ভাতিজা ঝুট ব্যবসায়ী। ছোট বেলা থেকেই ঢাকার উত্তরায় বসবাস করে। মাঝেমধ্যে গ্রামের বাড়িতে এলেও দুই/একদিন থেকেই চলে যায়। যতটুকু দেখেছি, আমার নাতনী শিলাস্তির চলাফেরা উচ্ছৃঙ্খল। সে অপরাধী হয়ে থাকলে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।’

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডে জড়িয়ে গেছে একটি নাম- শিলাস্তি রহমান। তথ্য বেরিয়েছে, শিলাস্তি রহমান হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী শিমুল ভূঁইয়ার পরিকল্পনার অংশ হয়ে হত্যাকাণ্ডে সহযোগীর ভূমিকা রেখেছেন। তাকে দিয়ে টোপ ফেলেই

এমপি আনারকে তার বন্ধুর বাসা থেকে ঘাতকদের ফ্ল্যাটে নেয়া হয়।

টাঙ্গাইলের নাগরপুরের এই তরুণী বাস্তবিকই যদি অপরাধী হয়ে থাকেন তাহলে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছেন দাদা বীর মুক্তিযোদ্ধা সেলিম মিয়া।

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ধুবরিয়া ইউনিয়নের পাইসানা গ্রামের মিয়া বাড়ির সন্তান শিলাস্তি রহমান। শনিবার দুপুরে সরজমিনে দেখা গেছে, বাড়িটি পুরোপুরি ফাঁকা। শিলাস্তিদের টিনের ঘরের দরোজায় তালা ঝুলছে। টিনের ঘরের পাশেই নির্মাণ করা হয়েছে দোতলা একটি বাড়ি। তবে বাড়ির ভেতরে কোনো আসবাবপত্র নেই।

এমপি আনার হত্যা: অপরাধী হলে শিলাস্তির বিচার চান দাদা
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার নাগরপুর পাইসানা গ্রামের মিয়া বাড়ির সন্তান শিলাস্তি (বাঁয়ে); দাদা সেলিম মিয়া। ছবি: নিউজবাংলা

এ সময় পাশের ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সেলিম মিয়া। তিনি শিলাস্তির বাবা আরিফুর রহমানের বাবার ছোট ভাই।

সেলিম মিয়া জানান, তার ভাতিজা আরিফুর রহমানের দুই সন্তান। শিলাস্তি বড় ও সুবাহ ছোট। তাদের কোনো ভাই নেই। আরিফুর রহমান একজন জুট ব্যবসায়ী। ছোট বেলা থেকেই তারা ঢাকার উত্তরায় বসবাস করেন। মাঝেমধ্যে গ্রামের বাড়িতে এলেও দুই/একদিন পরই আবার ঢাকায় চলে যান। গ্রামে পাড়া-প্রতিবেশী কারও সঙ্গেই ওদের তেমন কোনো কথাবার্তা হয় না।

তিনি বলেন, ‘আমার নাতনী শিলাস্তির চলাফেরা উচ্ছৃঙ্খল এবং বাড়ির বাইরে দিনের পর দিন সময় কাটায়। এসব কারণে ওদের সঙ্গে কথা বলা বাদ দিয়েছি। আমার পরিবারের লোকজনও ওদেরকে এড়িয়ে চলে।

‘বাড়িতে অল্প সময়ের জন্য এলেও শিলাস্তির যে ড্রেসআপ তা দেখে মনে হতো ওর বাবা কোটিপতি। সে বাড়িতে বসেই সবার সামনে সিগারেটও টানে। আমি বাধা দিলেও শুনতো না। পরে আর বাধা দেয়ারও চেষ্টা করিনি। আমার নাতনী শিলাস্তি অপরাধ করে থাকলে তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করছি।’

স্থানীয় লোকজন জানায়, শিলাস্তি রহমান ও তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই ঢাকায় বসবাস করে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর পরই শিলাস্তি রহমানের দাদার সম্পত্তি তার বাবা আরিফুর রহমান বিক্রি করে ঢাকায় চলে যায়। বাড়িটা থাকলেও তারা কেউ এখানে তেমন একটা আসে না।

এ বিষয়ে নাগরপুরের ধুবরিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান খান বলেন, ‘ওরা অনেক আগে থেকেই ঢাকায় থাকে। কেউ সঠিকভাবে বলতেও পারে না যে শিলাস্তি কোথাকার। এখন আমরা জানতে পারলাম যে তার বাড়ি নাগরপুরে। গতকাল (শুক্রবার) পর্যন্তও বিষয়টি জানতাম না।

নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন বলেন, ‘শিলাস্তি নামের মেয়েটি নাগরপুরের- এমন কোনো তথ্য এখনও পাইনি। তার বিষয়েও আর কোনো তথ্য এখন পর্যন্ত আমার কাছে নেই। জানলে জানাতে পারব।’

আরও পড়ুন:
এমপি আনার হত্যা মামলায় ৩ আসামি রিমান্ডে
এনডিটিভির প্রতিবেদনে এমপি আনার হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা
হাজারও মানুষের জানাজায় অংশ নেয়া এমপি আনারের মরদেহই মিলছে না
মাঠের মাঝে শাহীনের রহস্যঘেরা বাংলো
এমপি আনার হত্যা নিয়ে কালীগঞ্জে ধোঁয়াশা!

মন্তব্য

p
উপরে