× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Doubt whether 5 percent votes will be cast in the elections Moin Khan
google_news print-icon

নির্বাচনে ৫ শতাংশ ভোট পড়বে কি না, সন্দেহ আছে: মঈন খান

নির্বাচনে-৫-শতাংশ-ভোট-পড়বে-কি-না-সন্দেহ-আছে-মঈন-খান
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান। ছবি: সংগৃহীত
সরকারের উদ্দেশে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘অন্যায় করে কিছুদিন ক্ষমতায় থাকা যেতে পারে, কিন্তু ইতিহাস আমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছে- আজকে হোক, কালকে হোক, এই সরকারকে বিদায় নিয়ে জনগণের ইচ্ছার কাছে মাথানত করে তাদেরকে পরাজয় স্বীকার করতেই হবে।’

৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫ শতাংশ ভোট পড়বে কি না- তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান। তিনি বলেছেন, ‘বিএনপির পাশাপাশি আওয়ামী লীগের লোকজনও ভোট দিতে যাবে না। কারণ, তারা জানে, দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার মাধ্যমে তাদের প্রার্থী ইতোমধ্যে জয়লাভ করে ফেলেছে।’

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

৭ জানুয়ারির নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়ে এই সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল।

সভায় মঈন খান বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাষায় বলে দিচ্ছি, সরকার ভাবছে ৭ জানুয়ারি বিজয় হবে। বাস্তবতা হচ্ছে, আগামী ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের চরম পরাজয় সংঘটিত হবে।

‘আজকে আওয়ামী লীগ, যারা নিজেদের স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বলে দাবি করে, তারা যদি ভুল পথে হাঁটতে থাকে, তাহলে আওয়ামী লীগ ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। আপনারা এই কঠিন সত্যটি উপলব্ধি করুন।’

নির্বাচনের দুদিন আগে সরকারকে সবকিছু নিয়ে ফের চিন্তাভাবনার আহ্বান জানিয়ে সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচনি তফসিল বাতিলের আহ্বান জানান তিনি। বলেন, ‘বুলেট দিয়ে, গ্রেনেড দিয়ে, টিয়ারগ্যাস দিয়ে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষকে পদানত করা যাবে না। কাজেই আপনারা আলোচনার পথে আসুন, শান্তির পথে আসুন।’

এ সময় ‘দেশের উদারনৈতিক, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ রাজনীতিতে বিশ্বাসী দলগুলোই নির্বাচন বয়কট করেছে’ দাবি করেন মঈন খান।

ক্ষমতাসীনদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মানুষের মতামতকে শ্রদ্ধা করতে শিখুন, মানুষের যদি ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশ না ঘটে, আপনারা বন্দুকের নলের ক্ষমতার জোরে রাষ্ট্রযন্ত্র আঁকড়ে ধরে থাকেন, সেটা হয়তো আপনারা করতে পারবেন, কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ কোনোদিন আপনাদেরকে অন্তর থেকে স্বীকার করে নেবে না। এই সরকারকে বিদায় দেবার জন্য আন্দোলন করে যাব; যে আন্দোলন হবে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, নিয়মতান্ত্রিক এবং গণতান্ত্রিক।’

সরকারের উদ্দেশে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘অন্যায় করে কিছুদিন ক্ষমতায় থাকা যেতে পারে, কিন্তু ইতিহাস আমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছে- আজকে হোক, কালকে হোক, এই সরকারকে বিদায় নিয়ে জনগণের ইচ্ছার কাছে মাথানত করে তাদেরকে পরাজয় স্বীকার করতেই হবে।’

সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের নেতা রিয়াজুল ইসলাম রিজুর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব কাদের গণি চৌধুরীর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রুহুল আমিন গাজী, অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস, অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, অধ্যাপক লুতফর রহমান, অধ্যাপক শামসুল আলম, অধ্যাপক এমতাজ হোসেন, অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা, মোস্তাফিজুর রহমান, সাংস্কৃতিক কর্মী রফিকুল ইসলাম, ফিজিওথেরাটিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের তানভীরুল আলম, নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের জাহানারা বেগম, টেক্সটাইল অ্যাসোসিয়েশনের সাখাওয়াত হোসেন, ডিপ্লোমা এগ্রিচালচারিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের জিয়াউল হায়দার পলাশ, শিক্ষক-কর্মচারি ঐক্যজোটের মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাঈদ খান, এম-ট্যাবের দবির ‍উদ্দিন তুষারসহ আরও অনেকে।

আরও পড়ুন:
ভোটের আগের দিন সকাল থেকে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল ডাকল বিএনপি
ধামরাইয়ে বিএনপি নেতা-কর্মীদের হামলায় ৩ পুলিশ আহতের অভিযোগ
৭ জানুয়ারি ফেলানী হত্যা দিবসে ভোট বর্জনের আহ্বান রিজভীর
প্রহসনের নির্বাচন করে আ.লীগ ক্ষমতায় টিকতে পারবে না: মঈন খান
বরিশালে বিএনপির ২৪০ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা, সাবেক এমপিসহ কারাগারে ৭

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Voluntary release of BNP leader in Kamalganj

কমলগঞ্জে বিএনপি নেতার স্বেচ্ছায় অব্যাহতি

কমলগঞ্জে বিএনপি নেতার স্বেচ্ছায় অব্যাহতি কমলগঞ্জ উপজেলা বিএনপি নেতা রানা স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা
জাহাঙ্গীর মুন্না রানা জানান, বিএনপি থেকে অব্যাহতি নিলেও, তিনি আপাতত কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন না। তিনি একজন সমাজকর্মী হিসেবেই থাকতে চান এবং মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে চান।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ব্যবসায়ী নেতা জাহাঙ্গীর মুন্না রানা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে দলের সকল প্রকার দায়দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়েছেন।

কমলগঞ্জ উপজেলা সদরের সাপ্তাহিক কমলগঞ্জের কাগজ পত্রিকার কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে এক সাংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অব্যাহতি নেন।

তার এ অব্যাহতি বিএনপি-কেন্দ্রীয় কার্যনিবাহী কমিটি থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলসহ তৃণমূল পর্যায়ে অবগত করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কমলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর মুন্না রানা জানান, ‘রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ছাড়াও আমি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাজের মাধ্যমে সবসময় সাধারণ জনগণের পাশে ছিলাম। অতীতের মতো আগামীতেও সব কাজে আমি সাধারণ জনগণের পাশে থাকব, কিন্তু ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে বিএনপির সকল প্রকার দায়দায়িত্ব পদবি থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিলাম।’

সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে জাহাঙ্গীর মুন্না রানা জানান, বিএনপি থেকে অব্যাহতি নিলেও, তিনি আপাতত কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন না। তিনি একজন সমাজকর্মী হিসেবেই থাকতে চান এবং মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে চান।

আগামী ২৯ মে অনুষ্ঠিতব্য কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে গত বুধবার রাতে উপজেলা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন বিএনপির এ নেতা।

আরও পড়ুন:
হেরে ভোট কারচুপির অভিযোগ করলেন বহিস্কৃত বিএনপি নেতা
মাত্র ১১ শতাংশ ভোটেই উপজেলা চেয়ারম্যান
জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরে ১৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা বিএনপির
চমক দেখালেন তৃতীয় লিঙ্গের মুন্নী
কালীগঞ্জে চাচাকে হারিয়ে এমপিপুত্রের জয়লাভ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The expelled BNP leader complained of vote rigging after losing
ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

হেরে ভোট কারচুপির অভিযোগ করলেন বহিস্কৃত বিএনপি নেতা

হেরে ভোট কারচুপির অভিযোগ করলেন বহিস্কৃত বিএনপি নেতা ভূয়াপুর উপজেলা নির্বাচনের পরাজিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার বাবলু। ছবি: নিউজবাংলা
ক্ষোভ প্রকাশ করে বাবলু বলেন, ‘আমি মনে করি, এই উপজেলা নির্বাচনে ৫ থেকে ৭ শতাংশ মানুষও ভোট দেয়নি। এভাবে নির্বাচন হলে আগামীতে কোনো নির্বাচনেই জনগণ কেন্দ্রে ভোট দিতে যাবে না।’

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে গত ২১ মে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার বাবলু। ভোটে হারার পর কারচুপি ও নানা অনিয়মের অভিযোগ করেছেন তিনি। একইসঙ্গে নির্বাচন ও ফলাফল প্রত্যাখানসহ ভোট নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয় চত্বরে এমন অভিযোগ করেন তিনি।

নির্বাচনে মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার বাবলু উপজেলা বিএনপির সদ্য বহিস্কৃত সহ-সভাপতি। নির্বাচনে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি।

ক্ষোভ প্রকাশ করে বাবলু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্বাসে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, এবার যেহেতু দলীয় প্রতীক থাকছে না, তাহলে নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে; কিন্তু ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা হস্তক্ষেপ করে অনিয়ম ও কারচুপি করে এমপি-সমর্থিত প্রার্থীকে জয়ী করেছেন।

‘আমি মনে করি, এই উপজেলা নির্বাচনে ৫ থেকে ৭ শতাংশ মানুষও ভোট দেয়নি। এভাবে নির্বাচন হলে আগামীতে কোনো নির্বাচনেই জনগণ কেন্দ্রে ভোট দিতে যাবে না।’

নির্বাচন প্রত্যাখান করে তিনি বলেন, ‘সকাল ৮টা থেকে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ চললেও দুপুরের পর থেকে ক্ষমতাসীন দলের লোকজন ছোট ছোট বাচ্চাদের দিয়ে একাধিবার ভোট দিইয়েছেন। এছাড়া আমার এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছের ও ভোটারদের কেন্দ্রে না যেতে হুমকি দিয়েছে। এটাকে নির্বাচন বলা যায় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের পরিষদের তিনবারের ইউপি চেয়ারম্যান ছিলাম। নির্বাচনের আগে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেয়ায় উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি পদসহ প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে আমাকে বহিষ্কার করা হয়।’

দলের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান রেখে তিনি বলেন, ‘আমি বিএনপির একজন আদর্শ ক্ষুদ্রকর্মী ও সমর্থক হয়ে আজীবন থাকতে চাই।’

ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার বাবলু ঘোড়া প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ৩ হাজার ১০৫ ভোট পেয়ে জামানত হারান। তার প্রতিদ্বন্দ্বী দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে মোছা. নার্গিস বেগম ৩০ হাজার ৩৬৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।

আরও পড়ুন:
যশোর সদর উপজেলা নির্বাচন স্থগিত
রায়পুরা উপজেলা নির্বাচন স্থগিত
নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস হলে গণতন্ত্র থাকবে না: ইসি রাশেদা
মাত্র ১১ শতাংশ ভোটেই উপজেলা চেয়ারম্যান
চমক দেখালেন তৃতীয় লিঙ্গের মুন্নী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There will be no democracy if the electoral system is destroyed EC Rasheda

নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস হলে গণতন্ত্র থাকবে না: ইসি রাশেদা

নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস হলে গণতন্ত্র থাকবে না: ইসি রাশেদা ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে নওগাঁ জেলা প্রশাসকের (ডিসি) সম্মেলনকক্ষে বৃহস্পতিবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন ইসি রাশেদা সুলতানা। ছবি: নিউজবাংলা
‘নির্বাচন ব্যবস্থা গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি। নির্বাচনের ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেলে দেশের গণতন্ত্র বলে কিছু থাকবে না এবং দেশের মানুষের জন্য কোনো মঙ্গল বয়ে আনবে না’, বলেন রাশেদা সুলতানা।

নির্বাচন ব্যবস্থাকে গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) রাশেদা সুলতানা বলেছেন, এ ব্যবস্থা ধ্বংস হলে দেশে গণতন্ত্র থাকবে না।

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে নওগাঁ জেলা প্রশাসকের (ডিসি) সম্মেলনকক্ষে বৃহস্পতিবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

‘নির্বাচন ব্যবস্থা গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি। নির্বাচনের ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেলে দেশের গণতন্ত্র বলে কিছু থাকবে না এবং দেশের মানুষের জন্য কোনো মঙ্গল বয়ে আনবে না’, বলেন রাশেদা।

‘সেই কথা বিবেচনা করেই নির্বাচন কমিশন সবগুলো নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার চেষ্টা করেছে, যাতে এই নির্বাচনগুলো সহিংসতা মুক্ত হয়; মানুষ যাতে ভোটকেন্দ্র নির্বিঘ্নে এসে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে পছন্দের প্রার্থীকে’, যোগ করেন এ কমিশনার।

প্রথম দুই ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে উপজেলা নির্বাচন ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সামনের নির্বাচনগুলোও আমরা আরও ভালোভাবে সম্পন্ন করতে চাই, যাতে সাধারণ মানুষ বলতে পারে এই নির্বাচন কমিশন ভালো নির্বাচন করতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন কোনো ব্যক্তিকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে কাজ করে না। প্রশাসনকেও সেভাবেই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

‘আমাদের একটাই উদ্দেশ্য, নির্বাচন যাতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়; দেশে-বিদেশের সব জায়গায় যেন প্রশংসিত হয় বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে। নির্বাচন কমিশনের একটাই প্রত্যাশা, নির্বাচনে যেন কোনো ব্যত্যয় না ঘটে; কালিমালিপ্ত না হয়।’

প্রার্থীদের উদ্দেশে এ কমিশনার বলেন, ‘আচরণবিধি মেনে প্রার্থীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে। বিনা কারণে একজন আরেকজনের প্রতিপক্ষ হয়ে আক্রমণ করে কথা বলা যাবে না। ভোটার যাতে ভোটকেন্দ্রে আসে, সেই পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।’

কোনো প্রার্থীর অভিযোগ কমিশনকে জানালে সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের নিরপেক্ষতা বজায় রেখে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে রাশেদা বলেন, ‘দেশে সুন্দর নির্বাচন ব্যবস্থা যাতে বিরাজমান থাকে ও জোরদার হয়, সেই চিন্তা করে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। মানুষ যেন বলে এই কমিশনের সময় নির্বাচন ব্যবস্থা কোনোভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ হয় নাই, ধ্বংস হয় নাই।’

নওগাঁর ডিসি গোলাম মওলার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন রাজশাহীর অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ইমতিয়াজ হোসেন, অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) বিজয় বসাক, নওগাঁর পুলিশ সুপার (এসপি) মুহাম্মদ রাশিদুল হক, রাজশাহীর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেনসহ সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন:
৪ জুলাই যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচন, জানালেন ঋষি সুনাক
রাইসির জানাজায় জনসমুদ্র
মাত্র ১১ শতাংশ ভোটেই উপজেলা চেয়ারম্যান
ইসরায়েলের প্রতি আইসিসির নিষেধাজ্ঞা সমর্থনের ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের
চমক দেখালেন তৃতীয় লিঙ্গের মুন্নী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Only 11 percent votes are upazila chairman

মাত্র ১১ শতাংশ ভোটেই উপজেলা চেয়ারম্যান

মাত্র ১১ শতাংশ ভোটেই উপজেলা চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান সরকার। ছবি: সংগৃহীত
পাবনার ফরিদপুর উপজেলার খলিলুর রহমান সরকার উপজেলার মোট ভোটের মাত্র ১১.১৫ শতাংশ ভোটেই উপজেলার জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই উপজেলায় ভোট পড়েছে ৩৭.৪৬ শতাংশ।

পাবনার তিনটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের মধ্যে চাটমোহর উপজেলায় সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মির্জা রেজাউল করিম দুলাল, ভাঙ্গুড়া উপজেলায় স্থানীয় সংসদ সদস্যের ছেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম হাসনাইন রাসেল এবং ফরিদপুর উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খলিলুর রহমান সরকার বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

এর মধ্যে ফরিদপুরের খলিলুর রহমান সরকার উপজেলার মোট ভোটের মাত্র ১১.১৫ শতাংশ ভোটেই উপজেলার জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই উপজেলায় ভোট পড়েছে ৩৭.৪৬ শতাংশ।

এছাড়া চাটমোহরে মির্জা রেজাউল করিম দুলাল মাত্র ১৫.৮১ শতাংশ ভোট পেয়ে উপজেলার জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন। এই উপজেলায় মোট ভোট পড়েছে মাত্র ১৮.০১ শতাংশ। আর ভাঙ্গুড়ার গোলাম হাসনাইন রাসেল মোট ভোটের ৩০.৫৮ শতাংশ পেয়েছেন। এই উপজেলায় মোট ভোট পড়েছে ৩৩.৮০ শতাংশ।

মঙ্গলবার রাতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের স্বাক্ষরিত বেসরকারি ফলাফল বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

চাটমোহর উপজেলায় মির্জা রেজাউল করিম দুলাল আনারস প্রতীকে ৩৯ হাজার ৩৩৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাইদুল ইসলাম চৌধুরী ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ১৬২ ভোট।

এই উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ২ লাখ ৪৮ হাজার ৬০৫ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৮৭টি। এখানে মোট ভোট পড়েছে ৪৮ হাজার ৮০৬টি, যা মোট ভোটের ১৮.০১ শতাংশ।

ফরিদপুর উপজেলায় দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে ১২ হাজার ৫৫৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন খলিলুর রহমান সরকার। এই উপজেলায় ৭ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোটরসাইকেল প্রতীকের আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ১২ হাজার ৪০০ ভোট।

এই উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ৬টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ১ লাখ ১২ হাজার ৫৪১ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৪৫টি। এখানে মোট ভোট পড়েছে ৪২ হাজার ১৬৩টি, যা মোট ভোটের ৩৭.৪৬ শতাংশ।

অন্যদিকে, ভাঙ্গুড়া উপজেলায় মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী গোলাম হাসনাইন রাসেল ৩১ হাজার ৫৫৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী এম মেছবাহুর রহমান রোজ পেয়েছেন ২ হাজার ৬৭৯ ভোট। অপর প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আনারস প্রতীকের মো. বাকি বিল্লাহ পেয়েছেন ৫৪১ ভোট।

এমপিপুত্র রাসেলের বিরুদ্ধে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ তুলে আগেই নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান বাকি বিল্লাহ।

এই উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ৬টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ১ লাখ ৩ হাজার ১৯১ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৪৫টি। এখানে মোট ভোট পড়েছে ৩৪ হাজার ৮৭৩টি, যা মোট ভোটের ৩৩.৮০ শতাংশ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
MPs son wins by defeating his uncle in Kaliganj
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

কালীগঞ্জে চাচাকে হারিয়ে এমপিপুত্রের জয়লাভ

কালীগঞ্জে চাচাকে হারিয়ে এমপিপুত্রের জয়লাভ কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের বেসরকারিভাবে নির্বাচিত চেয়ারম্যান রাকিবুজ্জামান আহমেদ (ডানে) ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাহবুবুজ্জামান আহমেদ। কোলাজ: নিউজবাংলা
নির্বাচনে আনারস প্রতীকের প্রার্থী রাকিবুজ্জামান আহমেদকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা জহির ঈমাম। তিনি পেয়েছেন ২৪ হাজার ৩০৩ ভোট, অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী মাহবুবুজ্জামান আহমেদ পেয়েছেন ১৯ হাজার ৩৫০ ভোট।

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য নুরুজ্জামান আহমেদের ছেলে রাকিবুজ্জামান আহমেদ আপন চাচা মাহবুবুজ্জামান আহমেদকে হারিয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। ভোটের লড়াইয়ে ভাতিজার কাছে ৪ হাজার ৯৫৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন চাচা মাহবুবুজ্জামান।

নির্বাচনে আনারস প্রতীকের প্রার্থী রাকিবুজ্জামান আহমেদকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা জহির ঈমাম। তিনি পেয়েছেন ২৪ হাজার ৩০৩ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী মাহবুবুজ্জামান আহমেদ পেয়েছেন ১৯ হাজার ৩৫০ ভোট।

এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে দেবদাস কুমার রায় বাবুল বৈদ্যুতিক বাল্প প্রতীকে ১২ হাজার ৯৪৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। টিউবওয়েল প্রতীকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবির হোসেন চৌধুরী ১২ হাজার ৯০৫ ভোট পেয়েছেন।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৮ হাজার ৬৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন হাঁস প্রতীকের প্রার্থী শিউলি রানি রায়। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোছাম্মদ নাজনীন রহমান পেয়েছেন ১২ হাজার ২৭৯ ভোট।

অন্যদিকে, জেলার আদিতমারী উপজেলায় ৩৩ হাজার ১৩৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন ইমরুল কায়েস ফারুক, ২২ হাজার ৫২৩ ভোট পেয়ে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন মাইদুল ইসলাম সরকার এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোছা. শামসুন্নাহার মিলি ২৪ হাজার ৬৮৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে লালমনিরহাটের আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে দুই উপজেলায় চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোট ২৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে ভোট গ্রহণ। গণনা শেষে রাত ১টার দিকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা লুৎফর কবির বেসরকারিভাবে এসব ফলাফল ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন:
সাবেক এমপি জাফরকে হারিয়ে এবারও উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল
জিতেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শ্যালক, হেরেছেন সাবেক অর্থমন্ত্রীর ভাই
নওগাঁয় যারা ছিলেন চেয়ারে, রইলেন তারাই
গাইবান্ধায় এমপি সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান হলেন রিংকু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Munni of the third gender showed surprise
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

চমক দেখালেন তৃতীয় লিঙ্গের মুন্নী

চমক দেখালেন তৃতীয় লিঙ্গের মুন্নী দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মুন্নী আক্তার। ছবি: নিউজবাংলা
বিজয়ের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে মুন্নী আক্তার বলেন, ‘আমি মানুষের মৌলিক অধিকার নিয়ে কাজ করব। সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর, বিশেষ করে মা-বোনদের মৌলিক অধিকার আদায়ে কাজ করব।’

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন তৃতীয় লিঙ্গের মুন্নী আক্তার। এই উপজেলায় এবারই প্রথম কোনো তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলেন।

মঙ্গলবার ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী পাঁচ প্রার্থীকে পরাজিত করে বিজয়ী হন মুন্নী।

নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সেলাই মেশিন প্রতীকে ২৩ হাজার ৭৬৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মুন্নী আক্তার। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাজেদা বেগম কলস প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ২১ হাজার ১৮৪টি।

বিজয়ের অনুভূতি ও আগামী দিনে কী কী কাজ করবেন- এমন প্রশ্নের জবাবে মুন্নী বলেন, ‘দেওয়ানগঞ্জের মানুষ আমাকে ভালোবেসে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। এই জন্য আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। তবে পুরুষের তুলনায় নারীদের ভোট বেশি পেয়েছি। আমি মানুষের মৌলিক অধিকার নিয়ে কাজ করব। সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর, বিশেষ করে মা-বোনদের মৌলিক অধিকার আদায়ে কাজ করব।’

এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ৩০ হাজার ২৭৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মো. সোলায়মান হোসেন মোটরসাইকেল প্রতীকে পান ২৫ হাজার ৮৯৮ ভোট।

এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে বই প্রতীক নিয়ে ২৯ হাজার ৭৭৮ ভোটে পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মো. আরিফ খান।

আরও পড়ুন:
কালীগঞ্জে চাচাকে হারিয়ে এমপিপুত্রের জয়লাভ
সাবেক এমপি জাফরকে হারিয়ে এবারও উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল
জিতেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শ্যালক, হেরেছেন সাবেক অর্থমন্ত্রীর ভাই
নওগাঁয় যারা ছিলেন চেয়ারে, রইলেন তারাই

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rinku became upazila chairman after defeating the candidate supported by MP in Gaibandha

গাইবান্ধায় এমপি সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান হলেন রিংকু

গাইবান্ধায় এমপি সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান হলেন রিংকু গাইবান্ধা সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জয়ী দোয়াত-কলম প্রতীকের প্রার্থী আমিনুর জামান রিংকু। ছবি: সংগৃহীত 
আমিনুর জামান রিংকু সদর উপজেলার ঘাগোয়া ইউনিয়নের টানা তিনবারের চেয়ারম্যান।

গাইবান্ধা সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) শাহ সারোয়ার কবীর সমর্থিত প্রার্থী ইস্তিকুর রহমান সরকারকে (কাপ-পিরিচ) হারিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন দোয়াত-কলম প্রতীকের প্রার্থী আমিনুর জামান রিংকু।

নিকটতম প্রার্থীকে পাঁচ হাজার ৮৫২ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন রিংকু, যিনি পান ৫৪ হাজার ৭৯৬ ভোট।

ভোটের দিন মঙ্গলবার মধ্যরাতে সদর উপজেলা পরিষদের ভোটের ফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র (কনফারেন্স রুম) থেকে বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

আমিনুর জামান রিংকু সদর উপজেলার ঘাগোয়া ইউনিয়নের টানা তিনবারের চেয়ারম্যান।

এর আগে সকাল আটটায় শুরু হওয়া ভোট বিরতিহীনভাবে চলে বিকেল চারটা পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১৩টি ইউনিয়নের ১৬৩টি ভোটকেন্দ্রে ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৫৯৯ জন ভোটারের মধ্যে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৪৫১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

ভোটে আমিনুর জামান রিংকু দোয়াত-কলম প্রতীকে পান ৫৪ হাজার ৭৯৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ইস্তিকুর রহমান (কাপ-পিরিচ) পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৯৪৪ ভোট।

এ ছাড়া ৩৭ হাজার ৩৭১ ভোট পেয়ে সাধারণ ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে নির্বাচিত হন রফিকুল ইসলাম মিলন (চশমা)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শরিফুল ইসলাম সঞ্জু পেয়েছেন ২৮ হাজার ৩৪২ ভোট।

অপরদিকে ৯৯ হাজার ৮৭ ভোট পেয়ে সংরক্ষিত আসনের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন মোর্শেদা বেগম (পদ্মফুল)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শিল্পী খাতুন (প্রজাপতি) পান ১৫ হাজার ২৯৪ ভোট।

এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে সাতজন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে আটজন এবং সংরক্ষিত নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় দেশের ১৫৬টি উপজেলার সঙ্গে গাইবান্ধার সদর, পলাশবাড়ী ও গোবিন্দগঞ্জে ভোট অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন:
কুড়িগ্রামে জাল ভোট দিতে গিয়ে রিকশাচালক আটক
প্রতিপক্ষের এজেন্টকে মারধর, আ.লীগ নেতার কারাদণ্ড
চার ঘণ্টায় ভোট পড়েছে ১৭ শতাংশ: ইসি
দুই ঘণ্টায় ভোট পড়েছে ৭-৮ শতাংশ: ইসি
লাঠিতে ভর করে সকাল সকাল ভোটকেন্দ্রে শতবর্ষী সোলেমান

মন্তব্য

p
উপরে