× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
BNP Nalish Party is lobbying unnecessarily Foreign Minister
google_news print-icon

বিএনপি নালিশ পার্টি, অযথা লবিং করছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপি-নালিশ-পার্টি-অযথা-লবিং-করছে-পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সিলেট নগরের হাফিজ কমপ্লেক্সে সোমবার বিকেলে সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। ছবি: নিউজবাংলা
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তারা (বিএনপি) বিভিন্ন দেশে লবিস্ট নিয়োগ করে মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ বিভিন্ন স্থানে পাঠাচ্ছে। এগুলো ঠিক নয়। কারণ বাস্তব অবস্থা সবাই জানে।’

বিএনপিকে ‘নালিশ পার্টি’ আখ্যা দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, দলটি অযথা লবিং করে বেড়াচ্ছে।

সিলেট নগরের হাফিজ কমপ্লেক্সে সোমবার বিকেলে সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতাদের সঙ্গে মতবিনমিয় সভা শেষে এক প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘তারা (বিএনপি) বিভিন্ন দেশে লবিস্ট নিয়োগ করে মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ বিভিন্ন স্থানে পাঠাচ্ছে। এগুলো ঠিক নয়। কারণ বাস্তব অবস্থা সবাই জানে।’

বিএনপির নালিশে কোন লাভ হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাদের চিঠিতে দুই-একজন প্রভাবিত হতে পারে, কিন্তু কোনো দেশ প্রভাবিত হবে না। এসব নিয়ে বাংলাদেশ সরকারও বিচলিত নয়।’

অসুস্থ বোধ করায় সোমবার বিকেল পর্যন্ত ভোটের কোনো প্রচারে যোগ দিতে পারেননি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। বিকেলে সিলেটের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত হন তিনি।

ওই সময় ব্যবসায়ী নেতারা আগামী নির্বাচনে নৌকার পক্ষে কাজ করার ঘোষণা দেন। এর পাশাপাশি নির্বাচনে জয়ী হলে সিলেটের ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়নে ১২ দফা প্রস্তাব তুলে ধরেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন তাদের এসব প্রস্তাবকে স্বাগত জানান এবং বিজয়ী হলে তিনি তা বাস্তবায়নে কাজ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

আরও পড়ুন:
বিএনপির গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ আরও দুদিন
নির্বাচন বানচালে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র: তৈমুর
বিএনপি হয়তো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি প্রার্থীদের হত্যার চক্রান্তে: কাদের
ভোটার হান্টিং মিশনে মাফিয়া চক্র গলদঘর্ম: রিজভী
নির্বাচন বর্জনে লিফলেট বিতরণ জবি ছাত্রদলের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Jagannath University will have a modern campus with technology

‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রযুক্তিসমৃদ্ধ আধুনিক ক্যাম্পাস করা হবে’

‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রযুক্তিসমৃদ্ধ আধুনিক ক্যাম্পাস করা হবে’ রাজধানীতে বঙ্গবাজার প্রাঙ্গণে শনিবার একাধিক স্থাপনার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: নিউজবাংলা
শেখ হাসিনা বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এতটুকু জায়গা; বিভিন্ন জায়গায় ছড়ানো-ছিটানো হোস্টেল। সেজন্য সবকিছু এক জায়গায় করে একটা ভালো ক্যাম্পাস এবং শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য আধুনিক সব সুবিধাসম্পন্ন আবাসস্থল, শিক্ষার জন্য আধুনিক, সুন্দর, প্রযুক্তি দিয়ে একটা ক্যাম্পাস তৈরি করা হবে।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নতুন ক্যাম্পাসের কাজ শুরুর আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

রাজধানীর বঙ্গবাজার প্রাঙ্গণে শনিবার ‘বঙ্গবাজার পাইকারি নগর বিপণি বিতান’, ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফজলুল হক মণি সরণি’, ‘নজরুল সরোবর’ ও ‘হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী শিশুপার্ক আধুনিকীকরণ’ প্রকল্পের নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘জগন্নাথ একটা স্কুল ছিল। প্রাইমারি স্কুল, প্রাইমারি থেকে উচ্চ মাধ্যমিক হয়। তারপর কলেজ হয়, এখন বিশ্ববিদ্যালয়। এতটুকু জায়গা, বিভিন্ন জায়গায় ছড়ানো-ছিটানো হোস্টেল। সেজন্য সবকিছু এক জায়গায় করে, একটা ভালো ক্যাম্পাস এবং শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য আধুনিক সব সুবিধাসম্পন্ন আবাসস্থল, শিক্ষার জন্য আধুনিক, সুন্দর, প্রযুক্তি দিয়ে একটা ক্যাম্পাস তৈরি করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইতোমধ্যে জায়গা দেয়া হয়েছে, ডিজাইনও করা হয়েছে। সেই কাজও আমরা খুব তাড়াতাড়ি শুরু করব। নতুন ক্যাম্পাস আমরা করে দেব। ছেলেমেয়েরা যাতে সুস্থ পরিবেশে লেখাপড়া করতে পারে সেদিকে নজর রেখে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

উপাচার্য যা বললেন

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের ভিডিওটি সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরার পর ব্যাপক সাড়া পড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সাবেক-বর্তমান শিক্ষার্থীরা ভিডিওটি শেয়ার করে কেউ কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে। আবার কেউ কেউ দীর্ঘদিনেও কাজের আশানরূপ অগ্রগতি না হওয়া নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন।

প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে মোবাইল ফোনে তিনি বলেন, ‘আমরা খুবই আশান্বিত হয়েছি যে প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। তার স্বদিচ্ছার জন্য ২০১৮ সালে কেরানীগঞ্জে জমি বরাদ্দ করা হয়।

‘আমি দায়িত্ব নেয়ার পর প্রয়াত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক যে টেন্ডারগুলো সব প্রক্রিয়া শেষ করে পাস করে গেছেন, শুধু সেগুলোর ওয়ার্ক অর্ডার করেছি। তদারকি কমিটি ও গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরেছি যে এখানে অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। প্রকৌশলীদের সঙ্গে মিটিং করেছি। তারাও স্বীকার করেছেন যে তাদের কাজে গাফিলতি আছে। আমাদের অভ্যন্তরে যারা কাজ করছেন, তারা নতুন ক্যাম্পাস বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছার প্রতি সম্মান দেখাতে পারেননি। তাদের সক্ষমতারও ঘাটতি আছে বলে মনে হচ্ছে।’

উপাচার্য বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান যে কাঠামো তাতে এত বড় প্রকল্প চালানোও অসম্ভব। কারণ আমাদের সে ধরনের দক্ষ বা বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার নেই। ডিপিপিতে উল্লেখ করা ছিলো যে জনবল দেয়া হবে, ইঞ্জিনিয়ার দেয়া হবে, মনিটরিং টিম দেয়া হবে। কিন্তু কোনো কারণবশত ডিপিপি থেকে সেগুলো বাদ দেয়া হয়।

‘সরকারের প্রতি, প্রধানমন্ত্রীর প্রতি, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসিরি প্রতি আপিল করছি- তারা যেন ডিপিপি রিভাইজ করে দক্ষ জনবল, মনিটরিং টিম ও অন্যান্য দরকারি উপাদানের ব্যবস্থা করেন। তাহলে আমরা কাজটি দ্রুত এগিয়ে নিতে পারব।’

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আবাসিক হলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মাসব্যাপী আন্দোলনের মুখে কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়ায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস স্থাপনের সিদ্ধান্ত জানায় সরকার।

একাডেমিক ভবন, প্রশাসনিক ভবন, আবাসন ব্যবস্থা, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র, ক্যাফেটেরিয়া, খেলার মাঠ, চিকিৎসাকেন্দ্র, সুইমিংপুল, লেক নির্মাণসহ উন্নতমানের ক্যাম্পাস তৈরির মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে তেঘরিয়ার পশ্চিমদি মৌজায় ২০০ একর ভূমি অধিগ্রহণের অনুমোদন দেয়া হয়।

২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর জমির চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় ভূমি মন্ত্রণালয়। ৯ অক্টোবর নতুন ক্যাম্পাস স্থাপনে ভূমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়নের জন্য প্রকল্প অনুমোদন করে একনেক। এক হাজার ৯২০ কোটি ৯৪ লাখ ৩৯ হাজার টাকার এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের অক্টোবরের মধ্যে।

২০১৯ সালের জুলাইয়ে নতুন ক্যাম্পাসের নকশাও দেখানো হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। ওই বছরের জুলাইয়ে প্রায় ৯০০ কোটি টাকার চেক পায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

ইতোমধ্যে ক্যাম্পাসের সীমানা প্রাচীর ও লেকের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

আরও পড়ুন:
এমপি আনারের নিহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক
উন্নত দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থ: প্রধানমন্ত্রী
হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইরানকে সহায়তা ‘দিতে পারেনি’ যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে এলাকা ভাগ করে দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
বঙ্গবন্ধুর নামে ‘শান্তি পদক’ দেবে সরকার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangladesh has set an example in religious harmony PM

বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতিতে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতিতে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে: প্রধানমন্ত্রী শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে শনিবার গণভবনে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় গুরু ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি
শেখ হাসিনা বলেন, ‘অনেকেই চেষ্টা করে বাংলাদেশকে ভিন্ন পথে নিতে। কিন্তু সেটা নিতে পারবে না। আমাদের মন-মানসিকতা, বাংলাদেশের মানুষের মন খুব উদার। সবাই একসঙ্গে চলতেই আমরা পছন্দ করি। সেভাবেই আমরা চলব।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ উদার এবং তাদের চিন্তা-চেতনা অসাম্প্রদায়িক। ধর্মীয় সম্প্রীতির ক্ষেত্রে সারা বিশ্বে আমরা একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পেরেছি।’

শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে শনিবার গণভবনে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় গুরু ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের দেশটাকে আমরা গড়ে তুলতে চাই। এখানে ধর্ম-বর্ণ বলে কোনো কথা নেই। আমরা মানুষের জন্য কাজ করি। মানুষের সার্বিক উন্নয়নে, তাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আমরা কাজ করি।

‘আমরা চাই আমাদের দেশটা এগিয়ে যাক। বাংলাদেশটাতে সব সময় বিভিন্ন ধর্মের মানুষ নিয়েই আমাদের চলা। সে ক্ষেত্রে আমি মনে করি সারা বিশ্বে আমরা একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পেরেছি অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশকে গড়ে তোলায়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে অনেকেই আবার চেষ্টা করে বাংলাদেশকে ভিন্ন পথে নিতে। কিন্তু সেটা নিতে পারবে না। আমাদের মন-মানসিকতা, বাংলাদেশের মানুষের মন খুব উদার। সবাই একসঙ্গে চলতেই আমরা পছন্দ করি। সেভাবেই আমরা চলব।

‘প্রত্যেক ধর্মেরই মূল কথা যেটা গৌতম বুদ্ধও বলে গেছেন- মানব কল্যাণ, জগতের সব প্রাণী সুখী হোক। আমাদেরও সেই কথা- সবাই সুখে থাকবে, সুন্দর জীবনযাপন করবে।’

আরও পড়ুন:
রিকশাচালক দিনমজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবেন: প্রধানমন্ত্রী
বঙ্গবাজারে ঢাদসিকের চার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রধানমন্ত্রীর
বঙ্গবাজার বিপণি বিতান ও সোহরাওয়ার্দী শিশু উদ্যানসহ ৪ প্রকল্প উদ্বোধন শনিবার
বিমান ঘাঁটির বিনিময়ে ক্ষমতায় ফেরার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী
এমপি আনারের নিহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
359 shelters ready for rain in Bagerhat

বাগেরহাটে বৃষ্টি শুরু, প্রস্তুত ৩৫৯ আশ্রয়কেন্দ্র

বাগেরহাটে বৃষ্টি শুরু, প্রস্তুত ৩৫৯ আশ্রয়কেন্দ্র বাগেরহাটে মাছ ধরার ট্রলারগুলো উপকূলের ছোট ছোট খালে আশ্রয় নিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক খালিদ হোসেন বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় বাগেরহাটে ৩৫৯টি আশ্রয় কেন্দ্রে ও তিন হাজার ৫০৫ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ৬৪৩ টন চাল ও পাঁচ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।’

উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটে বৃষ্টি শুরু হয়েছে।

নদী তীরবর্তী এ এলাকায় শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শুরু হয় বৃষ্টিপাত, তবে সকাল থেকে আকাশ কখনো রোদ আবার কখনো মেঘাচ্ছন্ন ছিল।

এর আগে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানান, শুক্রবার বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে শনিবার ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এবারের ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেয়া হয়েছে ‘রেমাল’

এদিকে নদীতে থাকা মাছ ধরার ট্রলারগুলো উপকূলের ছোট ছোট খালে আশ্রয় নিয়েছে। কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে চালানো হচ্ছে জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা। এরই মধ্যে রেমাল মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক খালিদ হোসেন বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় বাগেরহাটে ৩৫৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে ও তিন হাজার ৫০৫ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ৬৪৩ টন চাল ও পাঁচ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

‘জেলার ৯টি উপজেলার সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সকল কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিলের পাশাপাশি উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ এলাকায় গুলো নজরদারিতে রাখা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
মিগজাউমের প্রভাব বাংলাদেশে পড়বে না: দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী
ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’: ভারি বৃষ্টিতে চেন্নাইয়ে পাঁচজনের মৃত্যু
উত্তরপশ্চিমে সরেছে মিগজাউম, বন্দরে ২ নম্বর সংকেত
ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ কোন বন্দর থেকে কত দূরে
সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ নিয়ে কী জানা গেল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
What do the different signals on the port mean?

বন্দরে বিভিন্ন সংকেতের কী অর্থ

বন্দরে বিভিন্ন সংকেতের কী অর্থ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে সতর্ক সংকেত নির্দেশক লাল পতাকা। ফাইল ছবি
যেকোনো ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষেত্রেই সমুদ্রবন্দরগুলোকে বিভিন্ন সংকেত দেখাতে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব সংকেতের কোনটির কী অর্থ, তা জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়েছে বলে শনিবার জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এমন পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত নামিয়ে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

যেকোনো ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষেত্রেই এমন সতর্ক সংকেত দেখাতে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব সংকেতের কোনটির কী অর্থ, তা জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।

সমুদ্রবন্দরের জন্য বিভিন্ন সংকেত

১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত: জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার পর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সম্মুখীন হতে পারে। দূরবর্তী এলাকায় একটি ঝোড়ো হাওয়ার অঞ্চল রয়েছে, যেখানে ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ ৬১ কিলোমিটার, যা সামুদ্রিক ঝড়ে পরিণত হতে পারে।

২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত: দূরে গভীর সাগরে একটি ঝড় সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার। বন্দর এখনই ঝড়ে কবলিত হবে না, তবে বন্দর ছেড়ে যাওয়া জাহাজ পথে বিপদে পড়তে পারে।

৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত: বন্দর ও বন্দরে নোঙর করা জাহাজগুলোর দুর্যোগে পড়ার শঙ্কা রয়েছে। বন্দরে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং ঘূর্ণি বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার হতে পারে।

৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত: বন্দর ঘূর্ণিঝড় কবলিত। ঘণ্টায় বাতাসের সম্ভাব্য গতিবেগ ৫১ থেকে ৬১ কিলোমিটার, তবে ঘূর্ণিঝড়ের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়ার মতো তেমন বিপজ্জনক সময় এখনও আসেনি।

৫ নম্বর বিপদ সংকেত: বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতার ঝঞ্ছাবহুল এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার। ঝড়টি বন্দরকে বাম দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৬ নম্বর বিপদ সংকেত: বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর ঝঞ্ছাবহুল সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার। ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৭ নম্বর বিপদ সংকেত: বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতার ঝঞ্ছাবহুল সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার। ঝড়টি বন্দরের ওপর বা নিকট দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত: বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার ঝঞ্ছাবিক্ষুব্ধ ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়তে পারে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা তার ঊর্ধ্বে হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে বাম দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।

৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত: বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার ঝঞ্ছাবিক্ষুব্ধ ঘূর্ণিঝড়ের কবলে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা তার ঊর্ধ্বে হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।

১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত: বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার ঝঞ্ছাবিক্ষুব্ধ সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা তার ঊর্ধ্বে হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরের ওপর বা নিকট দিয়ে উপকূল অতিক্রম করবে।

১১ নম্বর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সংকেত: আবহাওয়া বিপদ সংকেত প্রদানকারী কেন্দ্রের সঙ্গে সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং স্থানীয় কর্মকর্তা আবহাওয়াকে অত্যন্ত দুর্যোগপূর্ণ বলে মনে করছেন।

নদীবন্দরের জন্য সংকেত

১ নম্বর নৌ সতর্ক সংকেত: বন্দর এলাকায় ক্ষণস্থায়ী ঝোড়ো আবহাওয়ার কবলে পড়তে পারে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার গতিবেগের কালবৈশাখীর ক্ষেত্রেও এই সংকেত প্রদর্শন করা হয়। এ সংকেত আবহাওয়ার চলতি অবস্থার ওপর সতর্ক নজর রাখারও তাগিদ দেয়।

২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: বন্দর এলাকা নিম্নচাপের সমতুল্য তীব্রতার একটি ঝড় (যার গতিবেগ ঘণ্টায় অনূর্ধ্ব ৬১ কিলোমিটার) বা একটি কালবৈশাখী ঝড়ের (যার গতিবেগ ঘণ্টায় ৬১ কিলোমিটার বা তদূর্ধ্ব) কবলে পড়তে পারে। নৌযান এ ঝড়ের যেকোনো একটিতে পড়তে পারে। ৬৫ ফুট বা তার কম দৈর্ঘ্যের নৌযানকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে।

৩ নম্বর নৌ বিপদ সংকেত: বন্দর এলাকা ঝড়ে কবলিত। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ একটানা ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিবেগের একটি সামুদ্রিক ঝড় দ্রুতই বন্দর এলাকায় আঘাত হানতে পারে। সব ধরনের নৌযানকে অবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে।

৪ নম্বর নৌ-মহাবিপদ সংকেত: বন্দর এলাকা একটি প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে। ঝড়টি দ্রুতই বন্দর এলাকায় আঘাত হানবে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা তদূর্ধ্ব। সব ধরনের নৌযানকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে হবে।

আরও পড়ুন:
উত্তর দিকে অগ্রসর হলো গভীর নিম্নচাপ, বন্দরে তিন নম্বর সংকেত
কক্সবাজার, পায়রা বন্দর থেকে ৫০০ কিলোমিটারের কম দূরত্বে গভীর নিম্নচাপটি
প্রতিদিনই রেকর্ড ছাড়াচ্ছে সিলেটের তাপমাত্রা, গরমে হাঁসফাঁস
চুয়াডাঙ্গায় ফের তীব্র তাপপ্রবাহ, তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রিতে
সব বিভাগে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The deep depression moved northward to signal number three

উত্তর দিকে অগ্রসর হলো গভীর নিম্নচাপ, বন্দরে তিন নম্বর সংকেত

উত্তর দিকে অগ্রসর হলো গভীর নিম্নচাপ, বন্দরে তিন নম্বর সংকেত সাগরতীরে ঝোড়ো হাওয়া। ফাইল ছবি
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে এই এলাকায় (১৮.২ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.৮ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে। এটি আজ (২৫ মে, ২০২৪) দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।’

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি শনিবার আবহাওয়ার সাত নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে এই এলাকায় (১৮.২ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.৮ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে। এটি আজ (২৫ মে, ২০২৪) দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।’

নিম্নচাপের প্রভাব নিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরসমূহের ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।’

নিম্নচাপ কেন্দ্রের আশপাশে বাতাসের গতিবেগ নিয়ে বলা হয়, ‘গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।’

বন্দরে সতর্কতা সংকেত নিয়ে বলা হয়, ‘চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

‘উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে অতি দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হলো।’

আরও পড়ুন:
কক্সবাজার, পায়রা বন্দর থেকে ৫০০ কিলোমিটারের কম দূরত্বে গভীর নিম্নচাপটি
প্রতিদিনই রেকর্ড ছাড়াচ্ছে সিলেটের তাপমাত্রা, গরমে হাঁসফাঁস
চুয়াডাঙ্গায় ফের তীব্র তাপপ্রবাহ, তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রিতে
সব বিভাগে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ
সুস্পষ্ট লঘুচাপটি রূপ নিল নিম্নচাপে, বন্দরে এক নম্বর সংকেত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rickshaw pullers and day laborers will also stay in flats PM

রিকশাচালক দিনমজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবেন: প্রধানমন্ত্রী

রিকশাচালক দিনমজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবেন: প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর বঙ্গবাজারে শনিবার সকালে ঢাদসিকের চারটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণকাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: বিটিভি
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু বড়লোকেরাই ফ্ল্যাটে থাকবে সেটা হতে পারে না। আমাদের রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে দিনমজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবে। স্বল্প ভাড়া। কেউ যদি প্রতিদিন ভাড়া দিতে চায়, সেই ব্যবস্থা আছে। কেউ যদি সাত দিনের ভাড়া দিতে চায়, সে ব্যবস্থা আছে। কেউ মাসের ভাড়া দিতে চাইলে সে ব্যবস্থাও হবে। আমরা ইতিমধ্যে ৩০০ পরিবার তুলেছি।’

ঢাকায় কাঁচা কোনো বস্তি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থাকবে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার বলেছেন, রিকশাচালক ও দিনমজুররাও যাতে ফ্ল্যাটে থাকতে পারে, সে ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।

রাজধানীর বঙ্গবাজার নগর পাইকারি বিপণি বিতান, পোস্তগোলা ব্রিজ থেকে রায়েরবাজার স্লুইস গেট পর্যন্ত আট সারির বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক মণি সরণি (ইনার সার্কুলার রিং রোড), ধানমন্ডি হ্রদে নজরুল সরোবর এবং শাহবাগে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী শিশু উদ্যানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণকাজ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বঙ্গবাজারে সকালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সুইচ টিপে প্রকল্পগুলোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে সরকারপ্রধান বলেন, ‘মানুষের কল্যাণের লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করি। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য ফ্ল্যাট করে দিচ্ছি। বস্তিবাসীর জন্য ভাড়াভিত্তিক ফ্ল্যাট নির্মাণ করে দিচ্ছি। যে বস্তিতে যে রকম ভাড়া, সে রকম ভাড়াই দেবে, কিন্তু তারা ফ্ল্যাটে থাকবে।

‘শুধু বড়লোকেরাই ফ্ল্যাটে থাকবে সেটা হতে পারে না। আমাদের রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে দিনমজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবে। স্বল্প ভাড়া। কেউ যদি প্রতিদিন ভাড়া দিতে চায়, সেই ব্যবস্থা আছে। কেউ যদি সাত দিনের ভাড়া দিতে চায়, সে ব্যবস্থা আছে। কেউ মাসের ভাড়া দিতে চাইলে সে ব্যবস্থাও হবে। আমরা ইতিমধ্যে ৩০০ পরিবার তুলেছি।’

পরিবেশ রক্ষার গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যাদের এক টুকরো জমি আছে, তারা একটা ফুলের গাছ, একটা ফলের গাছ হলেও লাগান। যাদের গ্রামের বাড়ি আছে, সেখানে যেন অনাবাদি জমি না থাকে, সেই দিকে দৃষ্টি দিতে হবে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। এতে আরও বক্তব্য দেন ঢাদসিকের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব মুহম্মদ ইব্‌রাহিম।

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমাদের যুবসমাজ লেখাপড়া করে কাজ পায় না। সেখানে আমরা স্টার্টআপ প্রোগ্রাম নিয়েছি। যারা কম্পিউটার শিখবে, ডিজিটাল সিস্টেম শিখবে, তারা ছাড়াও অন্য সকলে এখানে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারবে। কোম্পানির আইন পরিবর্তন করে এক ব্যক্তি যাতে কোম্পানি খুলতে পারে সেই ব্যবস্থাও করে দিয়েছি।

‘একটা কর্মসংস্থান ব্যাংক করেছি, যে ব্যাংক থেকে বিনা জামানতে আমাদের তরুণরা অন্তত দুই লাখ টাকা নিতে পারে। এককভাবে বা কয়েকজনের মিলে যাতে বিভিন্ন ব্যবসা দাঁড় করাতে পারেন।’

পাস করে চাকরির সন্ধানে না ছোটার পরামর্শ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘নিজেই নিজের বস হবেন। নিজের চাকরি দেবেন, নিজে উদ্যোক্তা হবেন, নিজের চাকরি দিতে পারবেন। সেভাবে তরুণদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়া হয়েছে। তার জন্য ট্রেনিং দেয়া হচ্ছে।

‘সারা বাংলাদেশে আমরা কম্পিউটার ট্রেনিং এবং ইনকিউবেটর সেন্টার করে দিচ্ছি। স্কুলে স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব তৈরি করে দিচ্ছি। ট্রেনিংয়ের সাথে সাথে সব ধরনের সুযোগ আমরা করে দিচ্ছি। শুধু দেশে নয়, বিদেশে কাজ করতে গেলেও উপযুক্ত ট্রেনিং নিয়ে যাওয়া ভালো। দালাল ধরে টাকা খরচ করে গিয়ে ভূমধ্যসাগরে ডুবে মরার চেয়ে নিজের দেশে থেকে কাজ করা অনেক লাভবান। এ ব্যাপারে মানুষকে একটু উজ্জীবিত করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের যুব সমাজকে লেখাপড়া করতে হবে। মাদক, নেশা, দুর্নীতি, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের কাছ থেকে দূরে থাকতে হবে। একটা মাদকাসক্ত সন্তান যদি থাকে তাহলে সেই পরিবার ধ্বংস হয়ে যায়। তোমরা বাবা-মাকে কষ্ট দাও কেন? নিজেকে কষ্ট দাও কেন?

‘যারা মাদক সেবন করে তারা পরবর্তীতে নিজেরাই অসুস্থ হয়ে যায়। নিজেদের ঘর-সংসার হয় না, কিছু হয় না। জনগণকে একটা সচেতনতা সৃষ্টি করা দরকার।’

আরও পড়ুন:
বঙ্গবাজারে ঢাদসিকের চার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রধানমন্ত্রীর
বঙ্গবাজার বিপণি বিতান ও সোহরাওয়ার্দী শিশু উদ্যানসহ ৪ প্রকল্প উদ্বোধন শনিবার
বিমান ঘাঁটির বিনিময়ে ক্ষমতায় ফেরার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী
এমপি আনারের নিহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক
উন্নত দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থ: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Granddaughter Khilkhil reiterated her demand for a national holiday on Nazruls birthday

নজরুলের জন্মদিনে জাতীয় ছুটির দাবি পুনর্ব্যক্ত নাতনি খিলখিলের

নজরুলের জন্মদিনে জাতীয় ছুটির দাবি পুনর্ব্যক্ত নাতনি খিলখিলের ঢাবির কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে শনিবার সকালে কাজী নজরুল ইসলামের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন কবির নাতনি খিলখিল কাজী। ছবি: নিউজবাংলা
কাজী নজরুলের ‘দুর্গম গিরি কান্তার মরু’ গানটি জাতীয়ভাবে গাওয়ার দাবি জানিয়ে খিলখিল কাজী বলেন, ‘আমাদের উচিত যেকোনো জাতীয় প্রোগ্রামে কবির এই গানটি গাওয়া। কারণ এই গানটি দেশের মুক্তির চেয়ে মানুষের মুক্তির কথা বেশি বলেছেন।’

কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মদিনে জাতীয় ছুটি ঘোষণার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন কবির নাতনি খিলখিল কাজী।

নজরুলের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে থাকা কবির কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর এ দাবির কথা জানান তিনি।

খিলখিল বলেন, ‘অনেক আগে থেকেই আমরা কবির জন্মদিনকে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করার আবেদন জানিয়ে এসেছি, তবে এখনও সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। কেন করা হচ্ছে না সেটি আমি জানি না।’

কোনো সরকারি দপ্তরে লিখিত আবেদন করেছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, না। আমরা কোনো লিখিত আবেদন করিনি, শুধু প্রতি বছর আপনাদের সামনে এসেই বলেছি।’

খিলখিল কাজী বলেন, ‘কবির রচনাবলি আমাদের জাতীয় সম্পদ। এই রচনাবলিকে অনুবাদ করে বিশ্বের সকল ভাষাভাষী মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। এটি সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো ভাবেই করা যেতে পারে।’

কাজী নজরুলের ‘দুর্গম গিরি কান্তার মরু’ গানটি জাতীয়ভাবে গাওয়ার দাবি জানিয়ে খিলখিল কাজী বলেন, ‘আমাদের উচিত যেকোনো জাতীয় প্রোগ্রামে কবির এই গানটি গাওয়া। কারণ এই গানটি দেশের মুক্তির চেয়ে মানুষের মুক্তির কথা বেশি বলেছেন।

‘গানটি আমাদের আলোকিত পথে এগিয়ে যাওয়ার দিক নির্দেশনা দেয়। এই গানটি আমাদের মুক্তি এবং এগিয়ে যাওয়ার কথা বলে। গানটি কবির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রচনা।’

আরও পড়ুন:
সংকটে প্রেরণা নজরুল: কাদের

মন্তব্য

p
উপরে