× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Participation in election campaign 2 leaders of BNP expelled in four days in Sunamganj
google_news print-icon

ভোটের প্রচারে গিয়ে সুনামগঞ্জে বিএনপির আরেক নেতা বহিষ্কার

ভোটের-প্রচারে-গিয়ে-সুনামগঞ্জে-বিএনপির-আরেক-নেতা-বহিষ্কার
ফাইল ছবি
বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনি গণসংযোগে অংশগ্রহণ করে বহিষ্কৃত হয়েছেন বিশম্ভরপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য সৈয়দ রমিজ উদ্দিন। এ ছাড়া গত ২৫ ডিসেম্বর এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনি সভায় সভাপতিত্ব করায় ছাতক উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামকে বহিষ্কার করে সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি। দুজনকেই স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য দলটির কেন্দ্রীয় কমিটিতে সুপারিশ করা হয়েছে।

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনি গণসংযোগে অংশগ্রহণ করায় বহিষ্কার হয়েছেন সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য সৈয়দ রমিজ উদ্দিন (রমিজ মাস্টার)। এ ছাড়াও তাকে স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য দলটির কেন্দ্রীয় কমিটিতে সুপারিশ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে এক সংবাদ বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুল।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ‘বিশম্ভরপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য সৈয়দ রমিজ উদ্দিন ডামি ও নীল নকশার নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে গণসংযোগে অংশগ্রহণ করেন, যা দলীয় শৃঙ্খলার পরিপন্থি। এটা জেলা বিএনপির দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে দলীয় সব পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে তাকে স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রে সুপারিশ প্রেরণ করেছে।’

এদিকে এ নিয়ে দুই বিএনপি নেতাকে বহিষ্কার করল সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি। এর আগে ২৫ ডিসেম্বর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর সভায় সভাপতিত্ব করায় ছাতক উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামকে বহিষ্কার করে সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি। তাকেও স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রে সুপারিশ করা হয়।

ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছিল, ‘গত ২৪ ডিসেম্বর ছাতক উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে তামাশার নির্বাচনে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর সভায় সভাপতিত্ব ও বক্তব্য রেখেছেন। এজন্য তাকে ছাতক উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও সকল পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হলো।’

আরও পড়ুন:
নৌকার পক্ষে প্রচারে অংশ নেয়ায় পাবনার ৯ শিক্ষককে শোকজ
সিরাজগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থীর অফিস ভাঙচুর ও হামলার অভিযোগ
ভোটে দেশি পর্যবেক্ষক ২০,৭৭৩ জন
ভোটের দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণার প্রজ্ঞাপন
নাশকতার মামলায় বিএনপির হাফিজ ও আলতাফের কারাদণ্ড

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Cyclone Rimal Voting suspended in 19 upazilas in the third phase

ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’: তৃতীয় ধাপে ১৯ উপজেলায় ভোট স্থগিত

ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’: তৃতীয় ধাপে ১৯ উপজেলায় ভোট স্থগিত নির্বাচন ভবন। ছবি: উইকিমিডিয়া কমন্স
তৃতীয় ধাপে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে বাগেরহাটের শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ, মোংলা, খুলনার কয়রা, পাইকগাছা, ডুমুরিয়া, বরিশালের গৌরনদী, আগৈলঝাড়া,পটুয়াখালীর সদর, মির্জাগঞ্জ, দুমকী, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া, ভোলার তজুমদ্দিন, লালমোহন, ঝালকঠির রাজাপুর, কাঁঠালিয়া, বরগুনার বামনা, পাথরঘাটা এবং রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায়।

ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে ১৯টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটির সচিব মো. জাহাংগীর আলম সোমবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

তৃতীয় ধাপে ১০৯টি উপজেলায় ভোট হওয়ার কথা ছিল বুধবার।

সচিব বলেন, ‘মূলত আপনারা প্রত্যেকেই অবহিত রয়েছেন যে, আগামী ২৯ তারিখে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের সাধারণ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে ১০৯টি উপজেলায় সাধারণ নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশনসহ মাঠ পর্যায়ে রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ পুলিশসহ সবাই প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। ইতোমধ্যে গতকাল (রোববার) সন্ধ্যা হতে ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’ বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে আঘাত হেনেছে, যার ফলে কোথাও ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত এবং ৯ নম্বর বিপদ সংকেত ঘোষিত হয়।

‘এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, যে সমস্ত নির্বাচনি এলাকাগুলোতে জলোচ্ছ্বাসের পানি প্রবেশ করেছে, কোথাও কোথাও বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি প্রবেশ করেছে। কোথাও কোথাও ঘূর্ণিঝড়ে গাছ উপড়ে পড়েছে। কোথাও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এ সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে জেলা প্রশাসন ও বিভাগীয় কমিশনারদের নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্যের আলোকে নির্বাচন কমিশন বাগেরহাট জেলার শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ, মোংলা, খুলনা জেলার কয়রা, পাইকগাছা, ডুমুরিয়া, বরিশাল বিভাগের বরিশাল জেলার গৌরনদী, আগৈলঝাড়া, পটুয়াখালী জেলার পটুয়াখালী সদর, মির্জাগঞ্জ, দুমকী, পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া, ভোলা জেলার তজুমদ্দিন, লালমোহন, ঝালকঠি জেলার রাজাপুর, কাঁঠালিয়া, বরগুনা জেলার বামনা, পাথরঘাটা এবং রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাচন আপাতত স্থগিত ঘোষণা করেছেন। মোট হচ্ছে আমাদের ১৯টা উপজেলা।’

আরও পড়ুন:
নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস হলে গণতন্ত্র থাকবে না: ইসি রাশেদা
৪ জুলাই যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচন, জানালেন ঋষি সুনাক
মাত্র ১১ শতাংশ ভোটেই উপজেলা চেয়ারম্যান
চমক দেখালেন তৃতীয় লিঙ্গের মুন্নী
কালীগঞ্জে চাচাকে হারিয়ে এমপিপুত্রের জয়লাভ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Upazila vote excluded if damage in Cyclone Rimal is high EC

ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হলে উপজেলা ভোট বাদ: ইসি

ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হলে উপজেলা ভোট বাদ: ইসি প্রতীকী ছবি
ইসি বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ের মাত্রার ক্ষয়ক্ষতির ওপর নির্ভর করবে ভোট বাতিলের সিদ্ধান্ত। মাঠ পর্যায়ে যোগাযোগ রাখছি। ঝড় এখনো আঘাত হানেনি। আঘাত হানার পর সিদ্ধান্ত হবে।’

প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার উপজেলা নির্বাচন বাতিল করা হবে বলে জানান নির্বাচন কমিশন (ইসি) মো. জাহাংগীর আলম।

রোববার এমন সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।

ইসি বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ের মাত্রার ক্ষয়ক্ষতির ওপর নির্ভর করবে ভোট বাতিলের সিদ্ধান্ত। মাঠ পর্যায়ে যোগাযোগ রাখছি। ঝড় এখনো আঘাত হানেনি। আঘাত হানার পর সিদ্ধান্ত হবে। আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি, যেন ঝড়টা মারাত্মক আঘাত না হানে।’

আগামী ২৯ মে বুধবার ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের তৃতীয় ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে আজ সকালে শুনানি করে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান ইসি সচিব।

মো. জাহাংগীর আলম বলেন, ‘আজকে দুজন চেয়ারম্যান প্রার্থীকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম জেলার চান্দনাইশ উপজেলা নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু আহমেদ চৌধুরী (ঘোড়া প্রতীক) তিনি উপস্থিত হয়েছিলেন। তিনি অভিযোগের দফা অনুযায়ী জবাব দিয়েছেন। কমিশনও তা শুনেছেন। শেষে তার প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন কমিশন।’

তিনি জানান, মো. এমদাদুল হক পাবনার ঈশ্বরদীর চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী প্রতীক বরাদ্দের দিন আচরণবিধি ভঙ্গ করেন। তার জবাবে সন্তুষ্ট না হওয়ায় তারও প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন কমিশন।

আরও পড়ুন:
কুড়িগ্রামে জাল ভোট দিতে গিয়ে রিকশাচালক আটক
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষিকার
‘ভোটের টাকা’ বিলি করতে গিয়ে পিটুনি খেলেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান
আ.লীগ নেতার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল; শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
৬১৫ কেন্দ্রে ব্যালট যাবে আগের দিন, বাকিগুলোতে ভোটের সকালে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Voluntary release of BNP leader in Kamalganj

কমলগঞ্জে বিএনপি নেতার স্বেচ্ছায় অব্যাহতি

কমলগঞ্জে বিএনপি নেতার স্বেচ্ছায় অব্যাহতি কমলগঞ্জ উপজেলা বিএনপি নেতা রানা স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা
জাহাঙ্গীর মুন্না রানা জানান, বিএনপি থেকে অব্যাহতি নিলেও, তিনি আপাতত কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন না। তিনি একজন সমাজকর্মী হিসেবেই থাকতে চান এবং মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে চান।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ব্যবসায়ী নেতা জাহাঙ্গীর মুন্না রানা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে দলের সকল প্রকার দায়দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়েছেন।

কমলগঞ্জ উপজেলা সদরের সাপ্তাহিক কমলগঞ্জের কাগজ পত্রিকার কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে এক সাংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অব্যাহতি নেন।

তার এ অব্যাহতি বিএনপি-কেন্দ্রীয় কার্যনিবাহী কমিটি থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলসহ তৃণমূল পর্যায়ে অবগত করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কমলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর মুন্না রানা জানান, ‘রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ছাড়াও আমি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাজের মাধ্যমে সবসময় সাধারণ জনগণের পাশে ছিলাম। অতীতের মতো আগামীতেও সব কাজে আমি সাধারণ জনগণের পাশে থাকব, কিন্তু ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে বিএনপির সকল প্রকার দায়দায়িত্ব পদবি থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিলাম।’

সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে জাহাঙ্গীর মুন্না রানা জানান, বিএনপি থেকে অব্যাহতি নিলেও, তিনি আপাতত কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন না। তিনি একজন সমাজকর্মী হিসেবেই থাকতে চান এবং মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে চান।

আগামী ২৯ মে অনুষ্ঠিতব্য কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে গত বুধবার রাতে উপজেলা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন বিএনপির এ নেতা।

আরও পড়ুন:
হেরে ভোট কারচুপির অভিযোগ করলেন বহিস্কৃত বিএনপি নেতা
মাত্র ১১ শতাংশ ভোটেই উপজেলা চেয়ারম্যান
জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরে ১৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা বিএনপির
চমক দেখালেন তৃতীয় লিঙ্গের মুন্নী
কালীগঞ্জে চাচাকে হারিয়ে এমপিপুত্রের জয়লাভ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The expelled BNP leader complained of vote rigging after losing
ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

হেরে ভোট কারচুপির অভিযোগ করলেন বহিস্কৃত বিএনপি নেতা

হেরে ভোট কারচুপির অভিযোগ করলেন বহিস্কৃত বিএনপি নেতা ভূয়াপুর উপজেলা নির্বাচনের পরাজিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার বাবলু। ছবি: নিউজবাংলা
ক্ষোভ প্রকাশ করে বাবলু বলেন, ‘আমি মনে করি, এই উপজেলা নির্বাচনে ৫ থেকে ৭ শতাংশ মানুষও ভোট দেয়নি। এভাবে নির্বাচন হলে আগামীতে কোনো নির্বাচনেই জনগণ কেন্দ্রে ভোট দিতে যাবে না।’

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে গত ২১ মে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার বাবলু। ভোটে হারার পর কারচুপি ও নানা অনিয়মের অভিযোগ করেছেন তিনি। একইসঙ্গে নির্বাচন ও ফলাফল প্রত্যাখানসহ ভোট নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয় চত্বরে এমন অভিযোগ করেন তিনি।

নির্বাচনে মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার বাবলু উপজেলা বিএনপির সদ্য বহিস্কৃত সহ-সভাপতি। নির্বাচনে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি।

ক্ষোভ প্রকাশ করে বাবলু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্বাসে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, এবার যেহেতু দলীয় প্রতীক থাকছে না, তাহলে নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে; কিন্তু ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা হস্তক্ষেপ করে অনিয়ম ও কারচুপি করে এমপি-সমর্থিত প্রার্থীকে জয়ী করেছেন।

‘আমি মনে করি, এই উপজেলা নির্বাচনে ৫ থেকে ৭ শতাংশ মানুষও ভোট দেয়নি। এভাবে নির্বাচন হলে আগামীতে কোনো নির্বাচনেই জনগণ কেন্দ্রে ভোট দিতে যাবে না।’

নির্বাচন প্রত্যাখান করে তিনি বলেন, ‘সকাল ৮টা থেকে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ চললেও দুপুরের পর থেকে ক্ষমতাসীন দলের লোকজন ছোট ছোট বাচ্চাদের দিয়ে একাধিবার ভোট দিইয়েছেন। এছাড়া আমার এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছের ও ভোটারদের কেন্দ্রে না যেতে হুমকি দিয়েছে। এটাকে নির্বাচন বলা যায় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের পরিষদের তিনবারের ইউপি চেয়ারম্যান ছিলাম। নির্বাচনের আগে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেয়ায় উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি পদসহ প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে আমাকে বহিষ্কার করা হয়।’

দলের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান রেখে তিনি বলেন, ‘আমি বিএনপির একজন আদর্শ ক্ষুদ্রকর্মী ও সমর্থক হয়ে আজীবন থাকতে চাই।’

ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার বাবলু ঘোড়া প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ৩ হাজার ১০৫ ভোট পেয়ে জামানত হারান। তার প্রতিদ্বন্দ্বী দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে মোছা. নার্গিস বেগম ৩০ হাজার ৩৬৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।

আরও পড়ুন:
যশোর সদর উপজেলা নির্বাচন স্থগিত
রায়পুরা উপজেলা নির্বাচন স্থগিত
নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস হলে গণতন্ত্র থাকবে না: ইসি রাশেদা
মাত্র ১১ শতাংশ ভোটেই উপজেলা চেয়ারম্যান
চমক দেখালেন তৃতীয় লিঙ্গের মুন্নী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There will be no democracy if the electoral system is destroyed EC Rasheda

নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস হলে গণতন্ত্র থাকবে না: ইসি রাশেদা

নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস হলে গণতন্ত্র থাকবে না: ইসি রাশেদা ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে নওগাঁ জেলা প্রশাসকের (ডিসি) সম্মেলনকক্ষে বৃহস্পতিবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন ইসি রাশেদা সুলতানা। ছবি: নিউজবাংলা
‘নির্বাচন ব্যবস্থা গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি। নির্বাচনের ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেলে দেশের গণতন্ত্র বলে কিছু থাকবে না এবং দেশের মানুষের জন্য কোনো মঙ্গল বয়ে আনবে না’, বলেন রাশেদা সুলতানা।

নির্বাচন ব্যবস্থাকে গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) রাশেদা সুলতানা বলেছেন, এ ব্যবস্থা ধ্বংস হলে দেশে গণতন্ত্র থাকবে না।

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে নওগাঁ জেলা প্রশাসকের (ডিসি) সম্মেলনকক্ষে বৃহস্পতিবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

‘নির্বাচন ব্যবস্থা গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি। নির্বাচনের ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেলে দেশের গণতন্ত্র বলে কিছু থাকবে না এবং দেশের মানুষের জন্য কোনো মঙ্গল বয়ে আনবে না’, বলেন রাশেদা।

‘সেই কথা বিবেচনা করেই নির্বাচন কমিশন সবগুলো নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার চেষ্টা করেছে, যাতে এই নির্বাচনগুলো সহিংসতা মুক্ত হয়; মানুষ যাতে ভোটকেন্দ্র নির্বিঘ্নে এসে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে পছন্দের প্রার্থীকে’, যোগ করেন এ কমিশনার।

প্রথম দুই ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে উপজেলা নির্বাচন ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সামনের নির্বাচনগুলোও আমরা আরও ভালোভাবে সম্পন্ন করতে চাই, যাতে সাধারণ মানুষ বলতে পারে এই নির্বাচন কমিশন ভালো নির্বাচন করতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন কোনো ব্যক্তিকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে কাজ করে না। প্রশাসনকেও সেভাবেই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

‘আমাদের একটাই উদ্দেশ্য, নির্বাচন যাতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়; দেশে-বিদেশের সব জায়গায় যেন প্রশংসিত হয় বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে। নির্বাচন কমিশনের একটাই প্রত্যাশা, নির্বাচনে যেন কোনো ব্যত্যয় না ঘটে; কালিমালিপ্ত না হয়।’

প্রার্থীদের উদ্দেশে এ কমিশনার বলেন, ‘আচরণবিধি মেনে প্রার্থীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে। বিনা কারণে একজন আরেকজনের প্রতিপক্ষ হয়ে আক্রমণ করে কথা বলা যাবে না। ভোটার যাতে ভোটকেন্দ্রে আসে, সেই পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।’

কোনো প্রার্থীর অভিযোগ কমিশনকে জানালে সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের নিরপেক্ষতা বজায় রেখে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে রাশেদা বলেন, ‘দেশে সুন্দর নির্বাচন ব্যবস্থা যাতে বিরাজমান থাকে ও জোরদার হয়, সেই চিন্তা করে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। মানুষ যেন বলে এই কমিশনের সময় নির্বাচন ব্যবস্থা কোনোভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ হয় নাই, ধ্বংস হয় নাই।’

নওগাঁর ডিসি গোলাম মওলার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন রাজশাহীর অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ইমতিয়াজ হোসেন, অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) বিজয় বসাক, নওগাঁর পুলিশ সুপার (এসপি) মুহাম্মদ রাশিদুল হক, রাজশাহীর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেনসহ সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন:
৪ জুলাই যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচন, জানালেন ঋষি সুনাক
রাইসির জানাজায় জনসমুদ্র
মাত্র ১১ শতাংশ ভোটেই উপজেলা চেয়ারম্যান
ইসরায়েলের প্রতি আইসিসির নিষেধাজ্ঞা সমর্থনের ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের
চমক দেখালেন তৃতীয় লিঙ্গের মুন্নী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Only 11 percent votes are upazila chairman

মাত্র ১১ শতাংশ ভোটেই উপজেলা চেয়ারম্যান

মাত্র ১১ শতাংশ ভোটেই উপজেলা চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান সরকার। ছবি: সংগৃহীত
পাবনার ফরিদপুর উপজেলার খলিলুর রহমান সরকার উপজেলার মোট ভোটের মাত্র ১১.১৫ শতাংশ ভোটেই উপজেলার জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই উপজেলায় ভোট পড়েছে ৩৭.৪৬ শতাংশ।

পাবনার তিনটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের মধ্যে চাটমোহর উপজেলায় সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মির্জা রেজাউল করিম দুলাল, ভাঙ্গুড়া উপজেলায় স্থানীয় সংসদ সদস্যের ছেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম হাসনাইন রাসেল এবং ফরিদপুর উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খলিলুর রহমান সরকার বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

এর মধ্যে ফরিদপুরের খলিলুর রহমান সরকার উপজেলার মোট ভোটের মাত্র ১১.১৫ শতাংশ ভোটেই উপজেলার জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই উপজেলায় ভোট পড়েছে ৩৭.৪৬ শতাংশ।

এছাড়া চাটমোহরে মির্জা রেজাউল করিম দুলাল মাত্র ১৫.৮১ শতাংশ ভোট পেয়ে উপজেলার জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন। এই উপজেলায় মোট ভোট পড়েছে মাত্র ১৮.০১ শতাংশ। আর ভাঙ্গুড়ার গোলাম হাসনাইন রাসেল মোট ভোটের ৩০.৫৮ শতাংশ পেয়েছেন। এই উপজেলায় মোট ভোট পড়েছে ৩৩.৮০ শতাংশ।

মঙ্গলবার রাতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের স্বাক্ষরিত বেসরকারি ফলাফল বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

চাটমোহর উপজেলায় মির্জা রেজাউল করিম দুলাল আনারস প্রতীকে ৩৯ হাজার ৩৩৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাইদুল ইসলাম চৌধুরী ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ১৬২ ভোট।

এই উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ২ লাখ ৪৮ হাজার ৬০৫ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৮৭টি। এখানে মোট ভোট পড়েছে ৪৮ হাজার ৮০৬টি, যা মোট ভোটের ১৮.০১ শতাংশ।

ফরিদপুর উপজেলায় দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে ১২ হাজার ৫৫৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন খলিলুর রহমান সরকার। এই উপজেলায় ৭ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোটরসাইকেল প্রতীকের আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ১২ হাজার ৪০০ ভোট।

এই উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ৬টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ১ লাখ ১২ হাজার ৫৪১ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৪৫টি। এখানে মোট ভোট পড়েছে ৪২ হাজার ১৬৩টি, যা মোট ভোটের ৩৭.৪৬ শতাংশ।

অন্যদিকে, ভাঙ্গুড়া উপজেলায় মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী গোলাম হাসনাইন রাসেল ৩১ হাজার ৫৫৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী এম মেছবাহুর রহমান রোজ পেয়েছেন ২ হাজার ৬৭৯ ভোট। অপর প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আনারস প্রতীকের মো. বাকি বিল্লাহ পেয়েছেন ৫৪১ ভোট।

এমপিপুত্র রাসেলের বিরুদ্ধে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ তুলে আগেই নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান বাকি বিল্লাহ।

এই উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ৬টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ১ লাখ ৩ হাজার ১৯১ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৪৫টি। এখানে মোট ভোট পড়েছে ৩৪ হাজার ৮৭৩টি, যা মোট ভোটের ৩৩.৮০ শতাংশ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
MPs son wins by defeating his uncle in Kaliganj
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

কালীগঞ্জে চাচাকে হারিয়ে এমপিপুত্রের জয়লাভ

কালীগঞ্জে চাচাকে হারিয়ে এমপিপুত্রের জয়লাভ কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের বেসরকারিভাবে নির্বাচিত চেয়ারম্যান রাকিবুজ্জামান আহমেদ (ডানে) ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাহবুবুজ্জামান আহমেদ। কোলাজ: নিউজবাংলা
নির্বাচনে আনারস প্রতীকের প্রার্থী রাকিবুজ্জামান আহমেদকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা জহির ঈমাম। তিনি পেয়েছেন ২৪ হাজার ৩০৩ ভোট, অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী মাহবুবুজ্জামান আহমেদ পেয়েছেন ১৯ হাজার ৩৫০ ভোট।

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য নুরুজ্জামান আহমেদের ছেলে রাকিবুজ্জামান আহমেদ আপন চাচা মাহবুবুজ্জামান আহমেদকে হারিয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। ভোটের লড়াইয়ে ভাতিজার কাছে ৪ হাজার ৯৫৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন চাচা মাহবুবুজ্জামান।

নির্বাচনে আনারস প্রতীকের প্রার্থী রাকিবুজ্জামান আহমেদকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা জহির ঈমাম। তিনি পেয়েছেন ২৪ হাজার ৩০৩ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী মাহবুবুজ্জামান আহমেদ পেয়েছেন ১৯ হাজার ৩৫০ ভোট।

এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে দেবদাস কুমার রায় বাবুল বৈদ্যুতিক বাল্প প্রতীকে ১২ হাজার ৯৪৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। টিউবওয়েল প্রতীকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবির হোসেন চৌধুরী ১২ হাজার ৯০৫ ভোট পেয়েছেন।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৮ হাজার ৬৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন হাঁস প্রতীকের প্রার্থী শিউলি রানি রায়। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোছাম্মদ নাজনীন রহমান পেয়েছেন ১২ হাজার ২৭৯ ভোট।

অন্যদিকে, জেলার আদিতমারী উপজেলায় ৩৩ হাজার ১৩৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন ইমরুল কায়েস ফারুক, ২২ হাজার ৫২৩ ভোট পেয়ে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন মাইদুল ইসলাম সরকার এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোছা. শামসুন্নাহার মিলি ২৪ হাজার ৬৮৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে লালমনিরহাটের আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে দুই উপজেলায় চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোট ২৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে ভোট গ্রহণ। গণনা শেষে রাত ১টার দিকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা লুৎফর কবির বেসরকারিভাবে এসব ফলাফল ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন:
সাবেক এমপি জাফরকে হারিয়ে এবারও উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল
জিতেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শ্যালক, হেরেছেন সাবেক অর্থমন্ত্রীর ভাই
নওগাঁয় যারা ছিলেন চেয়ারে, রইলেন তারাই
গাইবান্ধায় এমপি সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান হলেন রিংকু

মন্তব্য

p
উপরে