× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
No more than one ballot box in the polling station
google_news print-icon

ভোটকক্ষে এক সঙ্গে একাধিক ব্যালট বাক্স নয়

ভোটকক্ষে-এক-সঙ্গে-একাধিক-ব্যালট-বাক্স-নয়
প্রতীকী ছবি
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ভোটগ্রহণের জন্য স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা হবে। এসব ব্যালট বাক্স ছাড়া অন্য কোনো প্রকার বাক্স ব্যবহার করা যাবে না। এ ছাড়া কোনো ভোটকক্ষে একই সময়ে একাধিক ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা যাবে না।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণে ভোটকক্ষে একাধিক স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

রোববার নির্বাচন কমিশনের জারি করা এক পরিপত্রে একথা জানানো হয়েছে। খবর বাসসের

ইসির পরিপত্রে বলা হয়, ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ভোটগ্রহণের জন্য স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা হবে। এসব ব্যালট বাক্স ছাড়া অন্য কোনো প্রকার বাক্স ব্যবহার করা যাবে না। এ ছাড়া কোনো ভোটকক্ষে একই সময়ে একাধিক ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা যাবে না।

‘যখন একটি বাক্স ভর্তি হয়ে যাবে তখন বাক্সটি উপস্থিত সবার সামনে সিল করে নিরাপদ স্থানে রাখতে হবে এবং ভোটকক্ষে ওই বাক্সের স্থলে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করে অন্য একটি স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ভোটগ্রহণের জন্য রাখতে হবে। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সটি এমন স্থানে রাখতে হবে যা উপস্থিত প্রার্থী, নির্বাচনি এজেন্ট, পোলিং এজেন্ট ও ভোটকেন্দ্রে কর্মরত ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার দৃষ্টিসীমার মধ্যে থাকে এবং সেখানে ভোটাররা সহজে পৌঁছাতে পারেন।’

পরিপত্রে ইসি আরও জানায়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ২৭ এবং ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ এর ধারা ৮ অনুসারে ডাকযোগে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটদানের ব্যবস্থা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
মেহেরপুরের এসপিকে প্রত্যাহারে ইসির নির্দেশ
প্রার্থীকে ‘গেট আউট’ বলে হাইকোর্টে যেতে বললেন সিইসি
দুই পুলিশ কমিশনার পাঁচ এসপি এক ডিসিকে প্রত্যাহারের নির্দেশ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Awami League BNP pro lawyers scuffle result suspended in Rajshahi bar

রাজশাহী বার নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-বিএনপিপন্থিদের ‘হাতাহাতি’

রাজশাহী বার নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-বিএনপিপন্থিদের ‘হাতাহাতি’ রাজশাহী বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে বৃহস্পতিবার ভোট দেন মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন। ছবি: নিউজবাংলা
রাজশাহী নগরের রাজপাড়া থানার ওসি রুহুল হক বলেন, সারা দিন ভোটগ্রহণ শেষে রাজশাহী অ্যাডভোকেটস বার অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের মধ্যে ফলাফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে মারামারি হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

রাজশাহী বার অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ-বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের মধ্যে আদালতে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজশাহী আদালতে দুপক্ষের মধ্যে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে নির্বাচনের ফলাফল স্থগিত করা হয়।

রাজশাহী নগরের রাজপাড়া থানার ওসি রুহুল হক এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সারা দিন ভোটগ্রহণ শেষে রাজশাহী অ্যাডভোকেটস বার অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগপন্থি আইনজীবী ও বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের মধ্যে ফলাফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে মারামারি হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভোটের ফলাফল স্থগিত করে। ভোটের সব ব্যালট সিলগালা করে ট্রেজারি ভবনে রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আইনজীবী আসলাম সরকার বলেন, নির্বাচন ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
কুসিক উপনির্বাচনে অনিয়মের সুযোগ নেই: ইসি আনিছুর
সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিদের গেজেট প্রকাশ
কুসিক নির্বাচন: কী আছে চার প্রার্থীর হলফনামায়
রাজশাহী এডিটরস ফোরামের সভাপতি লিয়াকত সম্পাদক অপু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Election Commissioner meeting on Kusik by election

কুসিক উপনির্বাচনে অনিয়মের সুযোগ নেই: ইসি আনিছুর

কুসিক উপনির্বাচনে অনিয়মের সুযোগ নেই: ইসি আনিছুর কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে উপনির্বাচন নিয়ে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ইসি আনিছুর রহমান। ছবি: নিউজবাংলা
ইসি আনিছুর রহমান বলেন, ‘কুমিল্লা সিটি করপোরেশন উপনির্বাচনে কোনো প্রকার অনিয়ম করার সুযোগ নেই। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের সকল প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।’ 

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) উপনির্বাচন নিয়ে বৃহস্পতিবার আইনশৃঙ্খলা সভা ও মতবিনিময় সভা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আইনশৃঙ্খলা সভায় নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান বলেন, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন উপনির্বাচনে কোনো ধরনের অনিয়ম করার সুযোগ নেই। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গত সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফলের মতোই বিরতিহীনভাবে ফল প্রকাশ করা হবে। একাধিক কর্মকর্তা ফল প্রকাশের সময় থাকবেন, যেন বিরতিহীনভাবে ফল প্রকাশ করা যায়।

ওই সময় তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বিভিন্ন অভিযোগ শুনে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।

এর আগে কুমিল্লা সার্কিট হাউজে বেলা সাড়ে ১১টায় সিটি করপোরেশন উপনির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান আইনশৃঙ্খলা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

আইনশৃঙ্খলা সভা শেষে একই স্থানে চার প্রার্থীকে নিয়ে মতবিনিময় করেন তিনি। ওই সময় চার প্রার্থী ও প্রার্থীদের প্রধান এজেন্টদের সঙ্গেও কথা বলেন এ কমিশনার।

মতবিনিময়ের সময় হাতি প্রতীকের প্রার্থী নূর উর রহমান মাহমুদ তানিম, ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী নিজাম উদ্দীন কায়সার ও টেবিল ঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু বিভিন্ন বিষয়ে তার কাছে অভিযোগ করেন।

বাস প্রতীকের প্রার্থী ডা. তাহসীন বাহার সূচনা কোনো অভিযোগ করেননি।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরহাদ হোসেন।

এতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোংনে থোয়াই মারমা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্টরা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The union won 25 of the 29 directors in the rehab elections

রিহ্যাব নির্বাচনে ২৯ পরিচালক পদের ২৫টিতেই ঐক্যপরিষদের জয়

রিহ্যাব নির্বাচনে ২৯ পরিচালক পদের ২৫টিতেই ঐক্যপরিষদের জয়
মো. ওয়াহিদুজ্জামান ও লিয়াকত আলী ভূঁইয়ার নেতৃত্বাধীন প্যানেল ‘আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্যপরিষদ’ ঢাকায় ২৬টি পরিচালক পদের মধ্যে ২৩টিতে জয় পেয়েছে। আর চট্টগ্রামের তিনটি পরিচালক পদের মধ্যে দুটিতে জয় তুলে নিয়েছে এই প্যানেল।

আবাসন খাতের ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (রিহ্যাব) নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্যপরিষদ। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মিলে ২৯টি পরিচালক পদের বিপরীতে ২৫টি পদেই জয় পেয়েছে এই প্যানেল।

মঙ্গলবার ভোট গণনা শেষে ফল ঘোষণা করেন রিহ্যাব নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সুব্রত কুমার দে।

রিহ্যাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জাপান গার্ডেন সিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওয়াহিদুজ্জামান এবং লিয়াকত আলী ভূঁইয়ার নেতৃত্বাধীন প্যানেল ‘আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্যপরিষদ’ ঢাকায় ২৬টি পরিচালক পদের মধ্যে ২৩টিতে জয় পেয়েছে। আর চট্টগ্রামের তিনটি পরিচালক পদের মধ্যে দুটিতে জয় পেয়েছে তারা।

প্রায় এক যুগ পর মঙ্গলবার রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট অফ বাংলাদেশে (কেআইবি) ২০২৪-২৬ মেয়াদের এই দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় ভোটগ্রহণ। কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচিতদের মধ্যে রয়েছেন ঐক্যপরিষদের নেতৃত্বে থাকা ওয়াহিদুজ্জামান ও লিয়াকত আলী ভূঁইয়া।

এ ছাড়া বিজয়ী হয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল লতিফ, মো. আক্তার বিশ্বাস, মহসিন মিয়া, আব্দুর রাজ্জাক, শেখ সাদী, হারুনুর রশিদ, লাবিব বিল্লাহ, মিরাজ মুক্তাদির, আইয়ুব আলী, শোয়েব উদ্দিন, লায়ন এম এ আউয়াল, কামরুল ইসলাম, মোবারক হোসেন, এএফএম ওবায়দুল্লাহ, ইন্তেখাবুল হামিদ, দেওয়ান নাসিরুল হক, সেলিম রাজা পিন্টু, ফারুক আহমেদ, শেখ কামাল, ইমদাদুল হক, আরিশ হায়দার, সুরুজ সরদার, ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল ফরহাদ ও ডা. এন জোহা।

এদের মধ্যে ইন্তেখাবুল হামিদ (জয়ধারা), আরশি হায়দার (ডেভেলপার্স ফোরাম) ও ডা. এন জোহা (জয়ধারা) ছাড়া সবাই ঐক্যপরিষদের সদস্য।

বিজয়ী প্যানেলের চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত দুজন হচ্ছেন হাজী দেলোয়ার হোসেন ও মোরশেদুল হাসান। এখানে জয়ধারা প্যানেল থেকে নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

নির্বাচনে ঢাকার ২৯ পরিচালক পদের বিপরীতে লড়েছেন ৮৬ জন প্রার্থী। আর চট্টগ্রামের তিনটি পরিচালক পদের বিপরীতে প্রার্থী ছিলেন ৭ জন। মোট ৪৭৬ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৪০৯ জন বা ৮৫ দশমিক ৯২ শতাংশ।

নির্বাচনে চারটি প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন প্রার্থীরা। এগুলো হলো- মো. ওয়াহিদুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন ‘আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্যপরিষদ’, সেঞ্চুরি রিয়্যালটির চেয়ারম্যান এম জি আর নাসির মজুমদারের নেতৃত্বে ‘ডেভেলপার্স ফোরাম’, রিহ্যাবের সাবেক সহ-সভাপতি নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে ‘নবজাগরণ প্যানেল’ এবং সাবেক জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ও হামিদ রিয়েল এস্টেট কনস্ট্রাকশনের এমডি ইন্তেখাবুল হামিদের নেতৃত্বে ‘জয়ধারা প্যানেল’।

রিহ্যাবের এই নির্বাচন গত বছরের সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। সেই নির্বাচনের কমিশন গঠন এবং ভোটার তালিকায় অনিয়ম নিয়ে পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনাও ঘটে। একপর্যায়ে নির্বাচন স্থগিত হয়। উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত হয় সংগঠনটির সব ব্যাংক হিসাব।

একইসঙ্গে নভেম্বরের শেষ দিকে রিহ্যাবের তৎকালীন কমিটির বর্ধিত মেয়াদ স্থগিত করে প্রশাসক বসায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। প্রশাসক পদে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব জান্নাতুল ফেরদৌস দায়িত্ব নেন। তারপর নতুন করে নির্বাচন কমিশন গঠন ও তফসিল ঘোষণা করা হয়।

আদালতের ঘোষণার পর ২৪ ফেব্রুয়ারি সংগঠনটির নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তবে ইতোমধ্যে একবার সময় পেছানো হয়। নতুন সূচি অনুযায়ী মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Publication of gazette of MPs of reserved women constituencies

সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিদের গেজেট প্রকাশ

সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিদের গেজেট প্রকাশ
রোববার সংরক্ষিত নারী আসনে কোনো প্রার্থীই মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় সবাইকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। ওইদিন ছিল নারী আসনের প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনে বিজয়ীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত একটি গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এসব প্রার্থীদের নামে প্রকাশ হওয়া গেজেট জাতীয় সংসদের সচিবালয়ে পাঠানো হবে। এরপর সংসদ সচিবালয় এই সদস্যদের শপথ গ্রহণের আয়োজন করবে। শপথ গ্রহণ শেষে সংসদে যোগ দেবেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যরা।

এর আগে রোববার সংরক্ষিত নারী আসনে কোনো প্রার্থীই মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় সবাইকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। ওইদিন ছিল নারী আসনের প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন।

সংরক্ষিত নারী আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) মুনিরুজ্জামান তালুকদার ওইদিন বলেছিলেন, ২৫ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষদিন ছিল। যেহেতু এদিন কোনো প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি, তাই নির্বাচনি আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীদের নির্বাচিত ঘোষণা করার প্রবিধান রয়েছে।

নির্বাচনের বিধি অনুযায়ী, সরাসরি ভোটে জয়ী দলগুলোর আসন সংখ্যার অনুপাতে নারী আসন বণ্টন করা হয়। জোট শরিক ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সমর্থনে ৪৮টি সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। বিরোধী দল জাতীয় পার্টি মনোনয়ন দিয়েছে ২টি আসনে।

আরও পড়ুন:
কুসিক নির্বাচন: কী আছে চার প্রার্থীর হলফনামায়
আচরণবিধি মানছেন না পটুয়াখালীর মেয়র
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী সংরক্ষিত ৫০ নারী আসনের প্রার্থী, গেজেট মঙ্গলবার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Cusick election Whats in the four candidates affidavits

কুসিক নির্বাচন: কী আছে চার প্রার্থীর হলফনামায়

কুসিক নির্বাচন: কী আছে চার প্রার্থীর হলফনামায় (বামে ওপর থেকে) কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে উপনির্বাচনের প্রার্থী তাহসিন বাহার সূচনা, নিজাম উদ্দীন কায়সার, নূর উর রহমান মাহমুদ তানিম ও মনিরুল হক সাক্কু। কোলাজ: নিউজবাংলা
কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে দেয়া হলফনামায় দেখা যায়, চার প্রার্থীর মধ্যে শিক্ষাগত যোগ্যতায় পিছিয়ে থেকেও আয় ও সম্পদের মধ্যে এগিয়ে আছেন দুবারের সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) মেয়র পদে উপনির্বাচনে প্রচার-প্রচারণার পঞ্চম দিন আজ।

জাতীয় নির্বাচনের পর মার্চের শুরুতে সিটি করপোরেশন মেয়র পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা চার প্রার্থী তাদের হলফনামায় কী কী তথ্য দিয়েছেন, তা নিয়ে চলছে ভোটারদের মধ্যে আলোচনা।

কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে দেয়া হলফনামায় দেখা যায়, চার প্রার্থীর মধ্যে শিক্ষাগত যোগ্যতায় পিছিয়ে থেকেও আয় ও সম্পদের মধ্যে এগিয়ে আছেন দুবারের সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু। শিক্ষাগত যোগ্যতায় এগিয়ে আছেন ডা. তাহসিন বাহার সূচনা, মামলা বেশি নিজাম উদ্দীন কায়সারের এবং আয় ও সম্পদে পিছিয়ে নূর উর রহমান মাহমুদ তানিম।

এবার কুসিক উপনির্বাচনে সাক্কু টেবিল ঘড়ি প্রতীকে, সূচনা বাস, কায়সার ঘোড়া ও তানিম হাতি প্রতীকে নির্বাচন করছেন।

নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া চার প্রার্থীর হলফনামায় যা আছে:

মনিরুল হক সাক্কু

সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু এসএসসি পাস। তিনি ব্যবসায়ী ও ঠিকাদার।

হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছেন, তার বাৎসরিক আয় ৭২ লাখ ৩০ হাজার ৪২৬ টাকা। এর মধ্যে বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, দোকানসহ অন্যান্য ভাড়া পান ৪২ লাখ ৯২ হাজার ৬৭৬ টাকা। শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে পান দুই লাখ টাকা। এ ছাড়া তার ব্যবসায়িক আয় ২৭ লাখ ৩৮ হাজার ১৫০ টাকা। নগদ, ব্যাংক জমা, বন্ড ও শেয়ার, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও আসবাবপত্র মিলিয়ে মোট অস্থাবর সম্পদ আছে ৩৮ লাখ ২৫ হাজার ৪৩৫ টাকা।

তার স্ত্রী আফরোজা জেসমিন টকলির নামে সম্পদ আছে তিন কোটি ৮১ লাখ ৮৭ হাজার ৬১৪ টাকা। এর বাইরে আছে স্বামী-স্ত্রীর মিলিয়ে ২০ তোলা স্বর্ণ ও দুটি জিপ গাড়ি।

স্থাবর সম্পদের মধ্যে সাক্কুর কৃষিজমি আছে মনোহরগঞ্জের শরীফপুরে ২০ একর। এ ছাড়া লালমাই মৌজায় ১০৪ শতক নাল ও ১৪৬ শতক পুকুর আছে। স্ত্রীর নামে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ১ দশমিক ২৩ একর ডাঙা জমি আছে।

নিজাম উদ্দিন কায়সার

হলফনামা থেকে জানা যায়, তিনি একজন ব্যবসায়ী এবং বি কম উত্তীর্ণ। তার চাকরি থেকে বাৎসরিক আয় চার লাখ টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ টাকা ৩২ লাখ ৪০ হাজার ৩৭ টাকা, ব্যাংকে জমা দুই লাখ ৮৩ হাজার ৭২০ টাকা, বন্ড ৪০ হাজার টাকা, স্বর্ণ ৩০ তোলা, টিভি ও ফ্রিজ এক লাখ ৯ হাজার টাকা। তার কোনো স্থাবর সম্পদ নেই।

তাহসিন বাহার সূচনা

তাহসিনের হলফনামা থেকে জানা যায়, এমবিবিএস পাস এ প্রার্থী একজন ব্যবসায়ী। তাহসিন বাহার সূচনার ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় ১০ লাখ টাকা, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত তিন লাখ ৬৪ হাজার ৭৬৩ টাকা।

অস্থাবর সম্পদের মধ্যে আছে নগদ টাকা আট লাখ ৪৬ হাজার ৯০ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৫৬ লাখ তিন হাজার ৯১০ টাকা। নাইস পাওয়ার অ্যান্ড আইটি থেকে আট লাখ টাকা, সোনালী সুইটস লিমিটেড থেকে ২৫ লাখ টাকা, ময়নামতি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে ১৫ লাখ টাকা, এমবি টেক্সটাইল অ্যান্ড ফ্যাক্টরি থেকে চার লাখ টাকা, গোমতী ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড থেকে ১০ লাখ টাকা, পোস্টাল, সেভিংস সনদসহ বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্রে বা স্থায়ী আমানতের বিনিয়োগ এক কোটি পাঁচ লাখ টাকা।

জিপ গাড়ি আছে ৯১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ৪০ তোলা স্বর্ণের দাম এক লাখ টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী এক লাখ টাকা, আসবাব এক লাখ টাকা ও ব্যবসায় পুঁজি পাঁচ লাখ টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রাজধানীর উত্তরায় ৪২ লাখ টাকার একটি ফ্ল্যাট আছে।

নূর উর রহমান মাহমুদ তানিম

হলফনামা থেকে জানা যায়, নূর উর রহমান মাহমুদ তানিম বিএ পাস। তার ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় চার লাখ পাঁচ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ টাকা দুই লাখ টাকা, স্ত্রীর নামে এক লাখ টাকা, ব্যাংকে নিজ নামে ২০ হাজার ও স্ত্রীর নামে ১০ হাজার টাকা আছে। স্ত্রীর ২০ ভরি স্বর্ণ আছে। স্থাবর সম্পদের মধ্যে যৌথ মালিকানায় ৮ শতক জমির মধ্যে তিনি দুই শতকের মালিক, তবে এনআরবিসি ব্যাংকে ৩০ লাখ টাকা ঋণ আছে।

আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন বলেন, প্রার্থীরা তাদের সব তথ্য হলফনামায় দিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
উপজেলা নির্বাচনে চকরিয়ায় আ.লীগের ডজনখানেক প্রার্থী
কুমিল্লায় মেয়র প্রার্থীদের কে কোন প্রতীক পেলেন
পাকিস্তানে সরকার গঠনে ঐকমত্য, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ-প্রেসিডেন্ট জারদারি
উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জামানত বাড়ছে ১০ গুণ
সিটির এক ইঞ্চি জমিও কেউ অবৈধভাবে দখল পাবে না: মেয়র তাপস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The mayor of Patuakhali does not obey the code of conduct
পৌরসভা নির্বাচন

আচরণবিধি মানছেন না পটুয়াখালীর মেয়র

আচরণবিধি মানছেন না পটুয়াখালীর মেয়র মেয়র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদের ভোটের প্রচারে দেদারসে পলিথিনে মোড়ানো পোস্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনের প্রচারে সব প্রার্থী পলিথিনবিহীন পোস্টার ব্যবহার করলেও আচরণবিধি মানছেন না মেয়র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি দেদারসে পলিথিনে মোড়ানো পোস্টারে প্রচার চালাচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে অন্য প্রার্থীরা ক্ষুব্ধ।

পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে আচরণবিধি মানছেন না মেয়র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ। প্রতীকসহ পোস্টার টানানোর ক্ষেত্রে অন্য প্রার্থীরা পলিথিন ব্যবহার না করার নিষেধাজ্ঞা মেনে চললেও মেয়র মহিউদ্দিন দেদারসে তা করে যাচ্ছেন।

নির্বাচন কমিশন ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পরপরই প্রায় সব প্রার্থী নিয়ম অনুযায়ী পোস্টার ব্যবহার করছেন। কিন্তু গত রাত থেকে মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ নির্বাচন অফিসের নির্দেশনা অমান্য করছেন। এ নিয়ে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশনের পরিপত্র ২-এর ২১ নং ক্রমিকে স্পষ্টভাবে বলা আছে, ‘স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ পূর্বক প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা এবং নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে প্লাস্টিকে মোড়ানো বা পোস্টার প্লাস্টিক পলিথিন লেমিনেটিং করে ব্যবহার না করাসহ ইতিপূর্বে নির্দেশনা প্রদান করতে হবে।’

আচরণবিধি মানছেন না পটুয়াখালীর মেয়র

এই ধারার উল্লেখ করে প্রতীক বরাদ্দের দিন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা স্পষ্টভাবেই জানিয়ে দিয়েছেন যে, পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করা যাবে না।

অথচ মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ পলিথিন মোড়ানো পোস্টার টানিয়েছেন গোটা শহরে। এ নিয় অন্য প্রার্থীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কারণ ২৩ তারিখ থেকে রোববার রাত পর্যন্ত তাদের টানানো পলিথিনবিহীন পোস্টার গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আর কুয়াশায় নষ্ট হয়েছে কয়েকবার।

অথচ শহরের পৌরসভা মোড়, সিঙ্গারা পয়েন্ট, কলেজ রোড, জুবিলী স্কুল সড়কসহ বেশকিছু সড়কে জগ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিনের টানানো পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করতে দেখা গেছে।

মেয়র প্রার্থী ডা. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সকালে পোস্টার টানানোর পর বিকেলে হাল্কা বৃষ্টি হওয়ায় সেসব পোস্টার নষ্ট হয়ে যায়। তাই পরদিন সকালে আবার পোস্টার লাগাই। তবু পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করিনি।

অথচ আচরণবিধির তোয়াক্কা না করে একজন প্রার্থী তার নির্বাচনি প্রচারের পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করছেন। এগুলো কি নির্বাচন কর্মকর্তা দেখেন না? এমনিতেই জেলা নির্বাচনের কার্যক্রম নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মিডিয়ায় আর্থিক অনিয়ম নিয়ে মেয়র মহিউদ্দিনের পক্ষাবলম্বনের রিপোর্ট আসছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি দেখার।’

পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর মো. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘প্রতীক বরাদ্দের দিন জেলা নির্বাচন অফিস থেকে আমাদেরকে বলা হয়েছে যে পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করা যাবে না। এটা দণ্ডনীয় অপরাধ। সে কারণে আমরা পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করিনি।’

৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মো. খলিলুর রহমান জানান, নির্বাচন অফিসের নিষেধাজ্ঞা থাকায় পোস্টারে পলিথিন লাগাইনি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ওগুলো ভুলে লাগানো হয়েছে। যারা লাগিয়েছে তারা ভুল করেছে। আমি তাদেরকে সরিয়ে ফেলতে বলেছি।’

পটুয়াখালী জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলার জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা খান আবি শাহানুর খান জানান, নির্বাইন আচরণবিধিতে বলা হয়েছে যে কোনো প্রার্থী তাদের পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করতে পারবেন না। কেউ পলিথিন ব্যবহার করে থাকলে আমাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।’

জগ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী পলিথিনে মোড়ানো পোস্টার টানিয়েছেন- এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এমন একটা অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি দেখছি।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rajshahi Editors Forum President Liaquat Editor Apu

রাজশাহী এডিটরস ফোরামের সভাপতি লিয়াকত সম্পাদক অপু

রাজশাহী এডিটরস ফোরামের সভাপতি লিয়াকত সম্পাদক অপু সভাপতি লিয়াকত আলী ও সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব অপু।
রাজশাহী এডিটরস ফোরামের অস্থায়ী কার্যালয়ে সোমবার বিকেলে অনুষ্ঠিত সম্পাদকদের সভায় সদস্যদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে তিন বছর মেয়াদি নতুন কমিটি গঠন হয়। সভায় রাজশাহীর স্থানীয় সংবাদপত্রের মানোন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।

রাজশাহী থেকে প্রকাশিত দৈনিক সংবাদপত্রগুলোর সম্পাদকদের নিয়ে গঠিত ‘রাজশাহী এডিটরস ফোরাম’-এর কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির সদস্যদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সোনালী সংবাদ সম্পাদক লিয়াকত আলী ও সহ-সভাপতি দৈনিক আমাদের রাজশাহী সম্পাদক আফজাল হোসেন। আর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক রাজশাহী সংবাদ সম্পাদক আহসান হাবীব অপু।

এছাড়া কোষাধ্যক্ষ দৈনিক সানশাইনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ইউনুস আলী ও দফতর সম্পাদক দৈনিক গণধ্বনি প্রতিদিন সম্পাদক ইয়াকুব শিকদার।

নতুন কমিটির নির্বাচিত সদস্যরা হলেন- দৈনিক বার্তা সম্পাদক এসএম কাদের, দৈনিক সোনার দেশ সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাত, দৈনিক রাজশাহীর আলো সম্পাদক আজিবার রহমান, দৈনিক নতুন প্রভাতের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সোহেল মাহবুব, দৈনিক রাজবার্তা সম্পাদক মজিবুল হক বকু, দৈনিক উপচার সম্পাদক ড. মোহাম্মাদ আবু ইউসুফ সেলিম ও উত্তরা প্রতিদিন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম।

সোমবার বিকেলে রাজশাহী এডিটরস ফোরামের অস্থায়ী কার্যালয়ে সম্পাদকদের সভায় সদস্যদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে তিন বছর মেয়াদি নতুন কমিটি গঠন হয়। সভায় রাজশাহীর স্থানীয় সংবাদপত্রের মানোন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।

মন্তব্য

p
উপরে